Thursday, November 5, 2026
spot_imgspot_img
Home Blog Page 10

Expensive fruits: এই ফলগুলো খেতে আপনাকে কিডনি বেঁচতে হবে

Expensive fruits

ফল খেতে বসলেন। আর টেবিলে এক টুকরা ফলের দাম যদি লেখা থাকে পাঁচ লক্ষ টাকা! তখন আপনি কি করবেন?  পকেটে কারি কারি টাকা না থাকলে আপনার এসব ফল শুধুমাত্র গুগল এ সার্চ দিয়ে দেখে যেতে হবে গলাধঃকরণ আর হবেনা। ঠিক সেই রকমই  কিডনি বিক্রি করে ফল খেতে চাইলে এই তালিকা আপনাদের জন্য।

তাহলে এখন জেনে নেয়া যাক দামি ফলেরে তালিকায় কোন কোন ফল থাকছে-

১. ইউবারি কিং মেলন (Yubari King Melon)

Yubari King Melon

দামি ফলেরে তালিকায় যার নাম প্রথমেই আসছে তা জাপানের এক সুস্বাদু ফল ইউবারি মেলন (তরমুজ)। সাধারণ মানুষের কল্পনার বাহিরে এর দাম। কেননা, যার এক কেজির দামে এক টুকরো জমি পাওয়া যাবে। ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে এক কেজি ইউবারি তরমুজের দাম। প্রায় ৩২ লক্ষ টাকায় এক জোড়া ইউবারি মেলন বিক্রি হয়েছিল ২০১৯ সালে।

এ তরমুজ সম্পূর্ণ  ভিন্ন বিশেষ পরিবেশে জন্মায়। এ ফল চাষের উপযুক্ত পরিবেশ হলো আগ্নেয়গিরি সৃষ্ট মাটি এবং অতিরিক্ত বর্ষণ। জাপানের ইউবারি অঞ্চলে চাষ হওয়ায় নাম ইউবারি মেলন বলে ধারণা করা হয়। এই ফল বিক্রির উপযুক্ত হতে, সময় নেয় ১০০ দিন।

এটি ক্যান্টালুপ জাতের একটি ফল। যা জাপানের সাপোরোর নিকটবর্তী একটি ছোট শহর হোক্কাইডোর গ্রিনহাউস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চাষ করা হয়। ক্যান্টালুপ হলো আর্লস ফেভারিট এবং বারপি নামে দুটি জাত। ইউবারি কিং ঐ জাত দুটির একটি সংকর (“স্পাইসি”) জাতের ক্যান্টালুপ। একটি পরিপক্ব তরমুজ দেখতে পুরোপুরি গোলাকার এবং এর খোসাটা অন্যরকম মসৃণ হয়। চুগেন (Ghost Festival) এর সময় জাপানিরা উপহার হিসাবে ইউবারি কিং তরমুজ একটি কাঁচের উপর নান্দনিকভাবে উপস্থাপন করে। যা কাঁচি দিয়ে কাটা হয়। 

জাপানের একটি নিলামে সর্বশেষ 2019 সালে রেকর্ড করা মূল্যে অর্থাৎ ¥5 মিলিয়নে নিলামে একজোড়া ইউবারি তরমুজ কিনেছিলো টোকিও-ভিত্তিক পোক্কা সাপোরো ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড। যা বাংলা টাকায় মূল্য প্রায় ৩৬,৬৬,৭১৩ টাকা। কি আর খেতে চাইবেন এই ফল!

Densuke Melon

২. ডেনসুকি ওয়াটারমেলন (Densuke Melon)

এই ফলটিও উত্তর জাপানের হাক্কাইডো দ্বীপে অল্প পরিমাণে উৎপাদিত হয়। প্রতি বছরে প্রায় ১০,০০০ হাজার তরমুজ উৎপন্ন হয়। প্রতিটা তরমুজ ৬১০০ ডলারে বিক্রি হয়। বাংলাদেশের টাকা যা প্রায় ৬,৭৩,০০০ টাকার মতো। এর ওজন প্রায় ২৪ পাউন্ড। 

Ruby Roman Grape

৩. রুবি রোমান গ্রেপ (Ruby Roman Grape)

জাপানি রুবি রোমান আঙ্গুরকে বিরল বিলাসবহুল আঙুর বলা যেতেই পারে। ‘Table Grape’ হল এর আরেকটি নাম। দেখতে কিছুটা পিং পং বলের মতো। এ ফলের শুরু ২০০৮ সালে জাপান ও ইশিকাওয়াতে। যার প্রতি গুচ্ছের দাম ৪০০০ হাজার ডলার। বাংলা টাকায় হিসেব করলে প্রায় ৪,৪১,০০০ টাকা।

৪. মিয়াজাকি বা সূর্যডিম আম (Miyazaki mango, Egg of the sun)

Miyazaki mango, Egg of the sun

Expensive fruits তালিকায় স্থান পেয়েছে আম। আমকে বিশ্বের সুস্বাদু ফল বললে ভুল হবেনা। এই পৃথিবীতে প্রায় ৩৫টি প্রজাতির আম রয়েছে। আর মিয়াজাকি বা সূর্যডিম আম পৃথিবীর সবচেয়ে দামি আম। বিশ্বের সবচেয়ে দামি এ আম দেখতে সাধারণ আমের চাইতে একটু ভিন্ন। আকারটা বড় ও লম্বা, স্বাদের দিক থেকে মিষ্টি আর বাইরের অংশটা দেখতে গাঢ় লাল অথবা লাল-বেগুনির সংমিশ্রণে। এটি জাপানে জন্মায়।

আন্তর্জাতিক বাজারে মিয়াজাকি আমের একটির দাম ৭০ ডলার যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৩ হাজার টাকা। এ হিসাবে জাপানের প্রতি কেজি মিয়াজাকি আম কিনতে প্রায় ৩ লাখের মতো টাকা খরচ হয়ে যাবে। প্রতিটি আম প্রায় ৩৫০ গ্রাম ওজনের হয়ে থাকে।

ভারত এবং বাংলাদেশের খাগড়াছড়িতেও এখন এই প্রজাতির আম চাষ করা হচ্ছে। বাংলাদেশে উৎপাদিত এই আম প্রতিকেজি ৮০০ থেকে ১০০০ টাকায় খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে। বাংলায়  ‘সূর্যডিম’ নামে পরিচিতি পেয়েছে এই আম। মূলত চাহিদা হিসাবে জোগান কম, স্বাদে মিষ্টি, ভিন্ন রং এবং চাষপদ্ধতিতে কিছু বিশেষত্ব থাকার কারণে এত দাম বেশি।

এ আমে রয়েছে একসঙ্গে একাধিক পুষ্টিগুণ-  জিংক, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি, ই, এ এবং কে ,কপার এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো উপাদান যা শরীরের জন্য অপরিহার্য। যা হজমশক্তি বাড়ায় ফলে বদহজম বা পেটের সমস্যার সমাধানে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য, রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা ঠিক রাখা, ত্বকের নানা সমস্যার সমাধানে বেশ কার্যকরী।

৫. লস্ট গার্ডেনের আনারস- (Lost Garden Pineapple)

Lost Garden Pineapple

 লস্ট গার্ডন আনারস চাষ হয় গ্রেট ব্রিটেনে। এই আনারসের ফলন আসে প্রায় দু বছর নিরলস পরিশ্রমের পর। কড়া নজরদারির মধ্যে প্রযুক্তির সাহায্যে গরম ঘরে  তৈরি হয় এই তরমুজ। এক একটি আনারসের দাম ১৬ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।

কাঠের পিট-আকৃতির ডিজাইনের পাত্রে এই আনারস উৎপন্ন হয়। তবে ঘোড়ার সার দিয়ে চাষ হয় এ আনারস এবং বিক্রি হয় নিলামের মাধ্যমে।

৬. কিউব আকৃতির তরমুজ (Cubed watermelon):

Cubed watermelon

সেল বা ফোরকোর্ট তরমুজও দামের দিক দিয়ে অনেক উপরে। স্বাদে কিন্তু এই তরমুজগুলি সাধারণ তরমুজের মতোই তবে এর এত মূল্য হওয়ার কারণ আকৃতি।

জাপানের বিভিন্ন সুপারমার্কেট গুলোতে এই তরমুজ সুন্দর করে সাজিয়ে ফিতা দিয়ে বাঁধাই করে রাখা হয় উপহার দেওয়ার জন্য। প্রতিটি কিউব আকৃতির তরমুজ বিক্রি হয় বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১০ হাজার টাকা।  তাই ভাবুন তো  আপনার শখ পূরণ করবেন নাকি একটি তরমুজ খাবেন।

৭. সেকাই ইচি আপেল (Sekai Ichi Apples): 

দামি ফলের তালিকায় বেশিরভাগই জাপানের দখলে। সেকাই ইচি মানে জাপানি ভাষায় “বিশ্বের এক নম্বর”। এই আপেলের গড় পরিধি ৩০ থেকে ৪৬ সেন্টিমিটার (১২ থেকে ১৮ ইঞ্চি) এবং ওজন হয় প্রায় ৯০০ গ্রাম। বলা যায় বৃহত্তম জাতগুলির মধ্যে একটি।

আপেলগুলির রং ফ্যাকাশে গোলাপী/লাল ডোরা দাগের। রসালো, মিষ্টি, এবং অন্যান্য জাতগুলির মতো কুড়কুড়ে না হলেও দাম কিন্তু আকাশচুম্বী । 

প্রতিটি আপেলের বাজার দর প্রায় ২২০০ টাকার মতো। সেকারণে সেকাই ইচি আপেলকে বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান ফলগুলির মধ্যে একটি বলাই যায়।

আরও দেখুন

এসব প্রাণী থেকে সাবধান, মিনিটেই চলে যেতে পারে প্রাণ

National Days of Bangladesh: বাংলাদেশে পালিত আন্তর্জাতিক দিবস সমূহ

বাংলাদেশে সরকারিভাবে পালিত জাতীয় দিবস সমূহের তালিকা

জানুয়ারি

শেষ রবিবার: বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
২ জানুয়ারি: বিশ্ব জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ দিবস
৪ জানুয়ারি: বিশ্ব ব্রেইল দিবস
৪ জানুয়ারি: বিশ্ব সম্মোহন দিবস
১০ জানুয়ারি: বিশ্ব হিন্দি দিবস
২৬ জানুয়ারি: আন্তর্জাতিক কাস্টম্‌স দিবস
২৭ জানুয়ারি: বিশ্ব ব্রেস্ট পাম্পিং দিবস
২৮ জানুয়ারি: বিশ্ব তথ্য সুরক্ষা দিবস

ফেব্রুয়ারি

১ ফেব্রুয়ারি: বিশ্ব হিজাব দিবস
২ ফেব্রুয়ারি: বিশ্ব জলাভূমি দিবস
১২ ফেব্রুয়ারি: বিশ্ব ডারউইন দিবস
১৩ ফেব্রুয়ারি: বিশ্ব রেডিও দিবস
১৪ ফেব্রুয়ারি: বিশ্ব ভালোবাসা দিবস বা সেন্ট ভ্যালেন্টাইন’স ডে
১৫ ফেব্রুয়ারি: বিশ্ব শিশু ক্যান্সার দিবস
২০ ফেব্রুয়ারি: বিশ্ব সামাজিক ন্যায়বিচার দিবস
২১ ফেব্রুয়ারি : আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
২২ ফেব্রুয়ারি: বিশ্ব স্কাউট দিবস

মার্চ

দ্বিতীয় সোমবার: কমনওয়েলথ দিবস
৩ মার্চ: বিশ্ব বই দিবস
৩ মার্চ: বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস
৪ মার্চ: বিশ্ব যৌন নিপীড়ন বিরোধী দিবস
৮ মার্চ: বিশ্ব নারী দিবস
১০ মার্চ: বিশ্ব কিডনি দিবস
১৪ মার্চ: আন্তর্জাতিক নদীকৃত্য দিবস
১৪ মার্চ: বিশ্ব পাই দিবস (গাণিতিক ধ্রুবক পাই)
১৫ মার্চ: বিশ্ব পঙ্গু দিবস
১৫ মার্চ: বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস
১৫ মার্চ: বিশ্ব ক্রেতা দিবস
২০ মার্চ: বিশ্ব শিশু ও যুব থিয়েটার দিবস
২১ মার্চ: বিশ্ব বন দিবস
২১ মার্চ: বিশ্ব কবিতা দিবস
২১ মার্চ: বিশ্ব বর্ণবৈষম্য দিবস
২২ মার্চ: বিশ্ব পানি দিবস
২৩ মার্চ: বিশ্ব আবহাওয়া দিবস
২৪ মার্চ: বিশ্ব যক্ষ্মা দিবস
২৬ মার্চ: আর্থ আওয়ার
২৭ মার্চ: বিশ্ব নাট্য দিবস

এপ্রিল

২ এপ্রিল: বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস
২ এপ্রিল: বিশ্ব শিশু বই দিবস
৪ এপ্রিল: বিশ্ব মাইন বিরোধী দিবস
৭ এপ্রিল: বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস
১২ এপ্রিল: বিশ্ব পথ শিশু দিবস
১৬ এপ্রিল: বিশ্ব কণ্ঠ দিবস
১৭ এপ্রিল: বিশ্ব হিমোফেলিয়া দিবস
২২ এপ্রিল: বিশ্ব ধরিত্রী দিবস
২৩ এপ্রিল: বিশ্ব বই দিবস বা বিশ্ব গ্রন্থ ও গ্রন্থস্বত্ত্ব দিবস
২৪ এপ্রিল: বিশ্ব ভেটেরিনারি দিবস
২৫ এপ্রিল: বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস
২৬ এপ্রিল: বিশ্ব মেধাসম্পদ দিবস
২৬ এপ্রিল: আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস
২৭ এপ্রিল: বিশ্ব নকশা দিবস
২৮ এপ্রিল: বিশ্ব পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা দিবস
২৯ এপ্রিল: বিশ্ব নৃত্য দিবস

মে

৩ মে: বিশ্ব সংবাদপত্র স্বাধীনতা দিবস
৮ মে: বিশ্ব রেডক্রস ও রেডক্রিসেন্ট দিবস
দ্বিতীয় রবিবার: বিশ্ব মা দিবস
১৪ মে: বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস
১৭ মে: বিশ্ব উচ্চ রক্তচাপ দিবস (ওয়ার্ল্ড হাইপারটেনশন ডে)
১৭ মে: বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস
১৮ মে: আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস
২০ মে: বিশ্ব মেট্রোলজি দিবস
২২ মে: বিশ্ব জীব বৈচিত্র্য দিবস
২৮ মে: বিশ্ব রজঃস্রাব স্বাস্থ্যবিধি দিবস
৩১ মে: বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস

জুন

তৃতীয় রবিবার: বিশ্ব বাবা দিবস
৫ জুন: বিশ্ব পরিবেশ দিবস
৮ জুন: বিশ্ব মহাসাগর দিবস
৮ জুন: বিশ্ব ব্রেইন টিউমার দিবস
১২ জুন: বিশ্ব শিশুশ্রম নিরসন দিবস
১৪ জুন: বিশ্ব রক্তদাতা দিবস
১৭ জুন: বিশ্ব মরুময়তা দিবস (World Day to Combat Desertification and Drought)
২১ জুন: বিশ্ব সঙ্গীত দিবস
২১ জুন: বিশ্ব হাইড্রোগ্রাফি দিবস

জুলাই

২ জুলাই: বিশ্ব ক্রীড়া সাংবাদিক দিবস
১১ জুলাই: বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
১৫ জুলাই: বিশ্ব যুব দক্ষতা দিবস
২৯ জুলাই: বিশ্ব বাঘ দিবস (Global Tiger Day)
৩০ জুলাই: বিশ্ব বন্ধুত্ব দিবস

আগস্ট

১ আগস্ট: বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ দিবস
৬ আগস্ট: হিরোশিমা দিবস
৬ আগস্ট: নাগাসাকি দিবস
১৯ আগস্ট: বিশ্ব ফটোগ্রাফি দিবস
২০ আগস্ট: বিশ্ব মশক দিবস

সেপ্টেম্বর

৮ই সেপ্টেম্বর: বিশ্ব ফিজিওথেরাপি দিবস
১৬ সেপ্টেম্বর: বিশ্ব ওজোন দিবস
১৮ সেপ্টেম্বর: বিশ্ব নৌ দিবস
২২ সেপ্টেম্বর: বিশ্ব কারামুক্ত দিবস
২৪ সেপ্টেম্বর: মীনা দিবস
২৭ সেপ্টেম্বর: বিশ্ব পর্যটন দিবস
২৮ সেপ্টেম্বর: বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস
চতুর্থ রবিবার: বিশ্ব নদী দিবস
শেষ রবিবার: বিশ্ব বধির দিবস
২৯ সেপ্টেম্বর: বিশ্ব হৃদয় দিবস
৩০ সেপ্টেম্বর: বিশ্ব কন্যা শিশু দিবস

অক্টোবর

১ অক্টোবর: আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস
১ অক্টোবর: বিশ্ব নিরামিষ দিবস
৪ অক্টোবর: বিশ্ব প্রাণী দিবস
৫ অক্টোবর: বিশ্ব শিক্ষক দিবস
৯ অক্টোবর: বিশ্ব ডাক দিবস
১০ অক্টোবর: বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস
১৩ অক্টোবর: বিশ্ব দুর্যোগ প্রশমন দিবস
১৪ অক্টোবর: বিশ্ব ডিম দিবস
১৪ অক্টোবর: বিশ্ব মান দিবস
বিশ্ব দৃষ্টি দিবস: দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার
১৫ অক্টোবর: বিশ্ব সাদাছড়ি দিবস
১৫ অক্টোবর: বিশ্ব ছাত্র দিবস
১৫ অক্টোবর: বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস
১৬ অক্টোবর: বিশ্ব খাদ্য দিবস
১৮ অক্টোবর: বিশ্ব রজঃক্ষান্তি দিবস
২৪ অক্টোবর: বিশ্ব তথ্য উন্নতকরণ দিবস
৩১ অক্টোবর: বিশ্ব মিতব্যয়িতা দিবস
৩১ অক্টোবর: বিশ্ব শহর দিবস
অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ: আন্তর্জাতিক পোস্টকার্ড সপ্তাহ
অক্টোবরের প্রথম সোমবার: বিশ্ব স্থাপত্য দিবস
অক্টোবরের প্রথম শুক্রবার: বিশ্ব হাসি দিবস

নভেম্বর

৮ নভেম্বর: বিশ্ব রেডিওলোজী দিবস
১৪ নভেম্বর: বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস
১২ নভেম্বর: বিশ্ব নিউমোনিয়া দিবস
১৮ নভেম্বর: বিশ্ব প্রাপ্তবয়স্ক দিবস
১৯ নভেম্বর: বিশ্ব টয়লেট দিবস
২০ নভেম্বর: বিশ্ব শিশু দিবস
২০ নভেম্বর: আফ্রিকার শিল্পায়ন দিবস
২১ নভেম্বর: বিশ্ব টেলিভিশন দিবস
২৯ নভেম্বর: ফিলিস্তিন সংহতি দিবস

ডিসেম্বর

১ ডিসেম্বর: বিশ্ব এইড্‌স দিবস
৩ ডিসেম্বর: বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
৪ ডিসেম্বর: বিশ্ব নৌ দিবস
৫ ডিসেম্বর: বিশ্ব মৃত্তিকা দিবস
১০ ডিসেম্বর: বিশ্ব মানবাধিকার দিবস
১১ ডিসেম্বর: বিশ্ব পর্বত দিবস
২৫ ডিসেম্বর: বড় দিন বা যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন

** তথ্যসূত্র: সরকারি ওয়েব পোর্টাল ও উইকিপিডিয়া

National Days of Bangladesh

বাংলাদেশে সরকারিভাবে পালিত জাতীয় দিবস সমূহের তালিকা

আপনার প্রিয় বাইকের জন্য কোনটা ভালো petrol নাকি octane?

0

আপনাকে যদি প্রশ্ন করি জ্বালানি ছাড়া বাইক চালানো কী সম্ভব? তাহলে আপনার উত্তর কী হবে, উত্তরটি হলো না। ব্যাটারি চালিত শক্তি ব্যবহার করেন আর জীবাশ্ম জ্বালানি সব ক্ষেত্রেই শক্তির প্রয়োজন।

আপনি বাইকার হলে জানা প্রয়োজন জ্বালানির ব্যাপারে। সাধারণত আমাদের দেশে বাইকে দুই ধরনের জ্বালানি ব্যবহার করা হয়। কিন্তু সেনাবাহিনীর কিছু সংখ্যক ডিজেল চালিত বাইক আছে। তাই আজকের আলোচনা হবে petrol ও octane নিয়ে। চলুন তাহলে জেনে নেই কোন জ্বালানি আপনার বাইকের জন্য আদর্শ?

মোটর বাইক ইঞ্জিন

যেভাবে জ্বালানি ব্যবহার হয়

বাইকে জ্বালানি পুড়িয়ে শক্তি উৎপাদনের একই ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। বাতাসের সঙ্গে গ্যাসোলিনের মিশ্রণটি সিলিন্ডার বা কমবাশন চেম্বারে পাঠানো হয়। সেখানে পিস্টন ওই মিশ্রণকে সংকুচিত করে এবং স্পার্ক প্লাগ এতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এর ফলে মিশ্রণটি বিস্ফোরিত হয় এবং এতে সৃষ্ট গ্যাসের প্রচণ্ড চাপ পিস্টনটিকে সিলিন্ডারের বাইরে দিকে ঠেলে দেয়। এই কাজের জন্যই জ্বালানির অধিকহারে প্রসারণ ও সংকোচন ক্ষমতা থাকতে হবে, তবে এটি নিয়ন্ত্রিত মাত্রায় থাকতে হবে, এতে করে কমবিনেশন স্মুথ ও নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে।

এই আলোচনাটিতে আমরা অকটেন ও পেট্রোল এই দুটোর জন্যই গ্যাসোলিন শব্দটি ব্যবহার করবো।

জ্বালানি (পেট্রোল ও অকটেন) 

প্রথমেই আমাদেরকে জানতে হবে যে আমরা কোন ধরনের জ্বালানি ব্যবহার করছি এবং এটির মান কী রকম। অধিকাংশ বাইকাররা প্রকৃত তথ্য জানে না। সাধারণত আমরা বাইকে পেট্রোল ও অকটেন ব্যবহার করে থাকি।

কিন্তু প্রকৃতপক্ষে Octane ও Petrol নাম দিয়ে আসলে কোনো পার্থক্য করা যায় না। আন্তর্জাতিকভাবে অকটেন ও পেট্রোলকে ‘গ্যাসোলিন’ নামে ডাকা হয় এবং এদের রাসায়নিক গঠনও একই (C8H18)। তার মানে হলো, আমরা একে গ্যাসোলিন, পেট্রোল বা অকটেন যেকোনো নামেই ডাকতে পারি। আসলে আন্তর্জাতিকভাবে গ্যাসোলিন/ অকটেন/পেট্রোল যাই বলি না কেনো, এগুলোকে আলাদা করা হয় এদের রেটিং নাম্বার দ্বারা, যেটাকে অকটেন নাম্বার বা RON (রিসার্চ অকটেন নাম্বার) বলা হয়।

যে হিসাবে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন গ্যাসোলিন শুরু হয় অকটেন নাম্বার ৮৬ (Ron 86) থেকে এবং এটা সর্বোচ্চ ৯১, এবং ১০২-ও হতে পারে। তবে বিভিন্ন অকটেন নম্বরের গ্যাসোলিন কিন্তু রাসায়নিকভাবে একই বস্তু। পার্থক্য আসলে এদের সঙ্গে যুক্ত কিছু ডিটারজেন্ট ও রাসায়নিক পদার্থে, যেগুলো এই জ্বালানির দহন ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয় (জ্বালানির সংকোচন, কমবাশনের ও প্রসারণের মাত্রা বাড়ায়)। যার ফলে বেশি অকটেন নম্বরের জ্বালানি ব্যবহারে সিলিন্ডারে স্মুথ কমবিনেশন হয় (পিস্টন, ভাল্ব বা কানেক্টিং রড থেকে কোনো নকিং হবে না)। 

আমাদের বাইকের জন্য আমরা যে Petrol ব্যবহার করি তার RON মাত্র ৮০, এবং অকটেন এর RON মাত্র ৯৫ হয়ে থাকে। আপনার ব্যবহৃত পেট্রোল RON যদি সর্বনিম্ন ৮৬-ও হয়, তাহলেও আপনার আর উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন জ্বালানি ব্যবহার করার দরকার নেই। কিন্তু আমাদের দেশে পেট্রোলের RON মাত্র ৮০! এটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃত মানের চেয়ে অনেক নিম্নস্তরের। এর মানে দাঁড়ায়, এই পেট্রোল বাইকে ব্যবহারের অযোগ্য! কিন্তু বাস্তবতাটা ঠিক এমন নয়।

আমাদের দেশের অধিকাংশ বাইকাররা কি উচ্চ মানের বাইক ব্যবহার করেন? উত্তরটা হলো, না। আমাদের অধিকাংশই সিঙ্গেল সিলিন্ডার, সিঙ্গেল পিস্টন, দুই ভাল্বযুক্ত এবং ৯:১ এর চেয়ে কম কম্প্রেশন রেশিও নির্ভর ১৫০ সিসি’র বাইক ব্যবহার করে। এসব বাইকের অধিকাংশরই ইঞ্জিন পারফরম্যান্স বাড়ানো যায় না। তাছাড়া এখনও দেশে প্রচুর পরিমাণ ২-স্ট্রোক বাইক আছে। এ সকল কারণে আমাদের  কম ক্ষমতা সম্পন্ন ৪-স্ট্রোক বাইকের জন্য RON ৮০ পেট্রোল ঠিকই আছে।

অকটেন (Octane)

আমাদের দেশে যে অকটেন পাওয়া যায় এর RON মাত্র ৯৫ বা অকটেন ৯৫। তাহলে আমরা অকটেন কোন ধরনের বাইকে ব্যবহার করবো? দেশে বর্তমানে অল্প কিছু উচ্চমানের বাইক পাওয়া যাচ্ছে। অধিকাংশ ১৫০ সিসি বা তদূর্ধ্ব বাইকেরই উচ্চমানের ৪-স্ট্রোকের ইঞ্জিন রয়েছে। এই সব ইঞ্জিনের কম্প্রেশন রেশিও বেশি থাকে এবং ভাল্বও দুইটির বেশি থাকে।
এই সব বাইকে মানসম্পন্ন গ্যাসোলিন (আন্তর্জাতিকভাবে সর্বনিম্ন RON ৮৬ হতে হবে) ব্যবহার করতে হয়, সেখানে আমাদের দেশে পেট্রোলের RON মাত্র ৮০! সেই জন্য ১৫০ সিসি বা তদূর্ধ্ব বাইকেরই উচ্চমানের ৪-স্ট্রোক বাইকে আমরা অকটেন ব্যবহার করতে পারি। তাছাড়া আমাদের দেশে ঋতু পরিবর্তনও একটি ফ্যাক্ট। শীতকালে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলেই প্রচুর ঠান্ডা থাকে এর ফলে তখন পেট্রোল এসব ইঞ্জিনের জন্য যথাযথ কার্যকর হয় না, সেই জন্য এই সব ইঞ্জিনের জন্য তখন অকটেন কার্যকারী হবে। 

পেট্রোল (Petrol)

আমাদের দেশে এখনো অধিকাংশই বাইক সিঙ্গেল সিলিন্ডার, সিঙ্গেল পিস্টন, দুই ভাল্বযুক্ত এবং ৯:১ এর চেয়ে কম কম্প্রেশন রেশিও নির্ভর ১৫০ সিসি’র বাইক ব্যবহার করে। ১৫০ সিসি’র নিচে যে সকল বাইক আছে এই সকল বাইকের ইঞ্জিন পারফরম্যান্স বাড়ানো যায় না। দেশে এখনও প্রচুর পরিমাণ ২-স্ট্রোক বাইক আছে। এ সকল কারণে আমাদের কম ক্ষমতা সম্পন্ন ২-স্ট্রোক/৪-স্ট্রোক বাইকের জন্য RON ৮০ পেট্রোল ব্যবহারের উপযোগী। কিন্তু ১৫০ সিসি’র উপরে যে বাইক গুলো আছে সে গুলোতেও Petrol ব্যবহার করলে ইঞ্জিনের কোনো ক্ষতি হবে না। 

সিদ্ধান্ত আপনার
মোট কথা বাইকের জন্য আপনি পেট্রোল অথবা অকটেন এই দুটিাই ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু শীতকালে বাইকে অকটেন ব্যবহার করলে আপনার বাইকের ইঞ্জিন পারফরম্যান্স ঠিক থাকবে। ১৫০ সিসি’র নিচের বাইক গুলোতে পেট্রোল ব্যবহার করা আদর্শ। ১৫০ সিসি’র উপরের বাইকের জন্য অকটেন বেশি উপযোগী। তাই আপনার প্রিয় বাইকের পারফরম্যান্স ঠিক রাখতে ইঞ্জিনের সিসি অনুযায়িী ও বাইক নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নির্দেশনা অনুসারে পেট্রোল অথবা অকটেন ব্যবহার করুন।

আর মোটর বাইক চালানোর সময় অবশ্যই হেলমেট ব্যবহার করবেন।

Which is better for bikes petrol or octane?

আরো দেখুন
অ্যান্ড্রয়েডের ব্যাটারি চার্জ দেবেন যখন 

Onion: বাঙালিদের রান্নায় পেঁয়াজ কেন এত জনপ্রিয়

সাধের মাংস রান্না অথবা মাছ কিংবা সবজি, সবকিছুতেই বাঙ্গালীদের যেন পেয়াজ ছাড়া চলে না। এমনকি বিকেলের নাস্তায় বিভিন্ন আয়োজনে আর মুড়ি মাখাতেও পিঁয়াজ গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা দখল করে আছে। বিভিন্ন দেশে পেঁয়াজর প্রচলন বিভিন্ন হলেও বাঙালিরা যেন পেঁয়াজকে মসলার সর্বোচ্চ স্থানে রেখে দিয়েছে। কি কারণ আজ জানব তারই বিস্তারিত।

পেঁয়াজ একটি মশলা জাতীয় উদ্ভিদ। তবে অনেকে এটিকে সবজি বলে থাকেন। এখন হয়তো ভাবছেন, 

পেঁয়াজ তাহলে কি? চলুন তাহলে উত্তরটা খোঁজার চেষ্টা করি

পেঁয়াজ দ্বিবর্ষী বা বহুবর্ষী উদ্ভিদ হলেও এটাকে বার্ষিক উদ্ভিদ হিসেবে মনে করা হয়। পেঁয়াজ Allium গোত্রের উদ্ভিদ হলেও এটি কান্ডের বা বালব এর পরিবর্তিত রূপ। যা মাংসল পাতা দিয়ে আবৃত থাকে। অর্থাৎ পরিবর্তিত ভূগর্ভস্ত পাতা। সাধারণভাবে Allium cepa কে পিঁয়াজ বোঝায়।

বিভিন্ন জাতের পেঁয়াজ

পেঁয়াজ সবজি, নাকি মশলা

ভারতের বেশ কিছু অঞ্চলে পেঁয়াজকে সবজি হিসাব খাওয়া হয়। কেননা, অনেকে পেঁয়াজকে আমিষ মনে করলেও, তারা আবার এটিকে নিরামিষই মনে করেন। তবে এর জাত ভিন্ন। তাছাড়া ভিনেগার বা সিরকাতে ডুবিয়ে পিঁয়াজকে আচার বানানো যায়। 

পেঁয়াজ উৎপাদনে বিভিন্ন দেশ

বিশ্বে পেঁয়াজ উৎপাদনে চীন ও ভারত এগিয়ে। তবে চীনের স্থান সবার ওপরে। কেননা, বিশ্বের উৎপাদিত পেঁয়াজের মধ্যে চীনেই হয়, ২৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ। মহারাষ্ট্র ছাড়াও দক্ষিণ ভারত, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাটে পেঁয়াজ ব্যাপক হারে চাষাবাদ হয়। আফগানিস্তানেও পেঁয়াজের উৎপাদন ভালো হয়। 

আর বাংলাদেশ প্রচুর পরিমানে পেঁয়াজের চাষ হলেও তা সঠিক সংরক্ষণের অভাবে এবং উপযুক্ত বাজার ব্যবস্থা না থাকার কারণে প্রতিবছর ঘাটতি লেগেই থাকে। 

কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, বাংলাদেশে পেঁয়াজের মোট উৎপাদন প্রতিবছর প্রায় ২৫-২৬ লাখ মেট্রিক টন। তার মধ্যে পাবনা জেলাতেই উৎপাদন হয় মোট উৎপাদনের এক চতুর্থাংশ অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ছয় লাখ মেট্রিক টন। তার মাঝে প্রায় পৌনে পাঁচ লাখ টনই  উৎপাদন হয় সাঁথিয়া-সুজানগর উপজেলা থেকে।  এ দুটি উপজেলায় মোট পেঁয়াজ উৎপাদন এক পঞ্চমাংশ। এখানকার  চাষিরা কন্দ (মূলকাটা বা মুড়ি) ও চারা (হালি) পদ্ধতিতে চাষ করেন।

এছাড়াও মেহেরপুর, মাগুরা, ঝিনাইদহ, মানিকগঞ্জ ও মাদারীপুরে  পেঁয়াজ উৎপাদন হয়। এ থেকেই দেশের চাহিদার সিংহভাগ পূরণ হয়ে থাকে। বাকি চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ ভারত ছাড়াও মিয়ানমার, মিশর, তুরস্ক, চীন থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে থাকে।

পেঁয়াজ দেশ ভেদে বিভিন্ন প্রজাতির হয়। যেমন-জাপানি বাঞ্চিং পেঁয়াজ, গাছ পেঁয়াজ, কানাডা পেঁয়াজ ইত্যাদি। আবার বিভিন্ন স্বাদেরও হয়। যেমন-ঝাঁঝালো, মিষ্টি , তিতা।

তবে পেঁয়াজ চাষের জন্য উর্বর বেলে-দো-আঁশ ও উঁচু জমি বা মাটি অতি উত্তম। তবে সেচ ও পানির ব্যবস্থা করতে হবে।

পেঁয়াজে যে উপাদান রয়েছে-

পেঁয়াজকে গুণি সবজি বা মশলা বললে ভুল হবেনা। এটাতে বিভিন্ন ভিটামিন ও খনিজ রয়েছে। 

যেমন- ভিটামিন সি, ভিটামিন বি, ফোলেট, বি৬- ভিটামিন এবং পটাশিয়াম।

পেঁয়াজের ব্যবহার-

আদিযুগ থেকে এর ব্যবহার হলেও, পেঁয়াজ নামটি শুনলেই সবার মাঝে যেন একধরণের খাদ্য অনুভূতির সৃষ্টি হয়। পেঁয়াজ ব্যবহারে খাবারের স্বাদ হয় দ্বিগুণ। তাই দৈনন্দিন জীবনে আমরা যেনি এ মসলা ছাড়া রান্নর কথা ভাবতেই পারিনা! অনেকটা বিদ্যুৎ ছাড়া মানুষ যেমন অচল, তেমনি পেঁয়াজ ছাড়া রান্না অচল। 

পেঁয়াজের যে এতো ব্যবহার! আপনারা কি জানেন, পেঁয়াজ কোন মৌসুমের মশলা বা সবজি? সব মৌসুমে পাওয়া গেলেও, পেঁয়াজ কিন্তু একটি শীতকালীন সবজি।

পেঁয়াজকে কাঁচা ও রান্না দু’ভাবেই ব্যবহার করা হয়। 

অনেকেই আছেন, যারা কাঁচা পেঁয়াজ খেতে খুবই পছন্দ করেন। মুড়ি মাখা, বিভিন্ন রকমের ভর্তা থেকে শুরু করে ভাত, সবকিছু্র সাথেই কাঁচা পেঁয়াজ খান। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মুখে স্বাদ আনতে পেঁয়াজ খেলেও, নিজেদের অজান্তেই শরীরের বিভিন্ন উপকারই করছেন তারা। কেননা, পেঁয়াজ অনেক অসুখকে নিরাময় করতে সহায়তা করে।

পেঁয়াজ কিভাবে আমাদের উপকার করে থাকে-

উপকারীতা

চুল পড়া রোধে সহায়তা করে:

চুলের পরিচর্যায় পিয়াজের ব্যবহার সমাদৃত। চুলকে ঝলমলে রেখে, ঝরা রোধে ও গজাতে পেঁয়াজ খুবই কার্যকরী। পেঁয়াজের মধ্যে থাকা সালফার চুল পড়া, বিশেষ করে চুল ভেঙে যাওয়া বন্ধ করে লম্বা হতে সাহায্য করে।

রক্ত সঞ্চালনে সহায়তা করে:

পরিমিত পেঁয়াজ গ্রহণ আমাদের হৃৎপিন্ডের জন্য খুবই উপকারী। এর মাঝে থাকা ভিটামিন, খনিজ, ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস আমাদের কার্ডিওভাসকুলার সিস্টেমকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। তাছাড়া পেঁয়াজে উপস্থিত পটাসিয়াম রক্তনালীগুলোকে শিথিল করতে ভাসোডিলেটর হিসাবে কাজ করে। যার ফলে আমাদের শরীরে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করে উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকি কমায়।

অ্যান্টিবায়োটিক ও অ্যান্টিসেপ্টিক হিসাবে কাজ করে:

পেঁয়াজ আমাদের শরীরে অ্যান্টিবায়োটিকের কাজ করে থাকে। কেননা, এর মাঝে কার্মিনেটিভ, অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল, অ্যান্টিসেপ্টিক এবং অ্যান্টিবায়োটিক নামক পদার্থ রয়েছে। কাঁচা পেঁয়াজ কিন্তু আমাদের শরীরে যদি কোথাও সংক্রমণ হয়, তা রোধ করতে সহায়তা করে। এছাড়া ঠান্ডাজনিত সমস্যা গলা ব্যথা, সর্দি-কাশি, জ্বর বা সামান্য গা ব্যথা হলে পেঁয়াজের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে বেশ উপকার পাওয়া যায়।

পরিপাকে সহায়তা করে:

পরিপাকে র জন্য যে এনজাইম প্রয়োজন তা বাড়াতে পেঁয়াজ সাহায্য করে। এ কারণে,খাবার দ্রুত হজম হয়। যাদের পরিপাকে সমস্যা আছে, তাঁরা যদি প্রতিদিন একটু কাঁচা পেঁয়াজ খান, তবে উপকার পেতে পারেন। 

ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে:

ক্যানসার শুনলেই সবার মনে এক অজানা আতঙ্ক কাজ করে। এই জটিল রোগে আক্রান্ত হলে রোগীর বাঁচার সম্ভবনা অনেক কমে যায়। আর এর চিকিৎসা ব্যয়বহুল হওয়ায় পরিবারকে নানা জটিলতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে সঠিক চিকিৎসা করাই আর সম্ভব হয়ে ওঠে না। গবেষণায় জানা গেছে, যদি নিয়মিত পেঁয়াজ খাওয়া যায়, তবে তা ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে। বিশেষ করে,পাকস্থলীর কোলোন ক্যানসার থেকে অনেকটাই রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

দাঁতের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে:

বর্তমান সময়ে দাঁতের সমস্যা ব্যাপক হারে বেড়ে গেছে। এক্ষেত্রে পেঁয়াজ চিবিয়ে খেলে বেশ উপকার পাওয়া যায়। কেননা, দাঁতের ফাঁকে লুকিয়ে থাকা জীবাণুগুলো মারতে পেঁয়াজ এন্টিসেপটিকের কাজ করে। পাশাপাশি সংক্রমণের ঝুঁকিও কমে যায়।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে​ সহায়তা করে:

এসময়ের একটি পরিচিত ঘাতক অসুখ ডায়াবেটিস। একটু অনিয়ম করলেই,সুগার বেড়ে কিডনি, চোখ, স্নায়ু, হার্টের নানা সমস্যা দেখা দেয়। একবার এ অসুখে আক্রান্ত হলে বাকিটা জীবন বয়ে বেড়াতে হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেঁয়াজ দারুণ কার্যকরী। 

​হাড় মজবুত করে, শক্তি বৃদ্ধি করেতে সাহায্য করে:

হাড়ের মজবুত মানেই, ভিটামিন ডি এবং ক্যালশিয়ামের কথা প্রথমেই চলে আসে। এছাড়াও হাড়ের গঠণের জন্য আরও কিছু উপাদান প্রয়োজন হয়। পেঁয়াজের মাঝে থাকা উপাদান সে চাহিদা পূরণ করে।

এগুলো ছাড়াও নার্ভ ট্রান্সমিশন, কিডনি ফাংশনের জন্য পটাশিয়াম জরুরি, যা পেঁয়াজে বর্তমান। পেঁয়াজে ক্যালোরি খুবই কম থাকায় অতিরিক্ত ওজন বাড়ার সম্ভবনা থাকেনা। ফলে অতিরিক্ত ওজনের মানুষেরাও নিশ্চিন্তে পেঁয়াজ খেতে পারেন।

পেঁয়াজের ফুল

অনেকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে, কিভাবে পেঁয়াজ খেলে বেশি উপকার পাওয়া যাবে?

কাঁচা বা রান্না দুই অবস্থাতেই সমান উপকার পাওয়া যায়। তবে একটু সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, রান্নায় পেঁয়াজ ব্যবহার করলে তেল-মশলা একটু কম দিতে হবে।

এতক্ষণ পেঁয়াজের শুধু গুণগানই জানলাম। এরও নিশ্চয়ই কিছু পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়াও থাকতে পারে। আসুন এবার সেগুলো জেনে নেই-

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

অ্যালার্জি:

পেঁয়াজ গুণাগুণে ভরপুর হলেও অ্যালার্জিযুক্ত ব্যক্তিদের জন্য মোটেই নিরাপদ নয়। অ্যালার্জি ও ক্লিনিকাল ইমিউনোলজি জার্নাল মতে, পেঁয়াজ হচ্ছে অ্যালার্জির অন্যতম একটি উৎস। যদি তারা পেঁয়াজ খান, তবে ত্বক এবং চোখে লালভাব, ত্বকের চুলকানি, শ্বাস নিতে অসুবিধা, শরীর জ্বলন প্রভৃতি অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

পেঁয়াজে ক্ষেত

মুখে অর্থাৎ নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হতে পারে:

অতিরিক্ত পেঁয়াজ খাওয়া কিন্তু মুখে দুর্গন্ধ হওয়ার কারণ হতে পারে । বিশেষ করে, বেশি পরিমাণে কাঁচা পেঁয়াজ খাওয়ার ফলে এমনটা হতে পারে। যার কারণে মানুষের সামনে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

লিভার ও অম্বলজনিত সমস্যা: 

পেঁয়াজের মাঝে থাকা ফ্রকটোজের মতো প্রাকৃতিক শর্করা  আমাদের অম্বলজনিত সমস্যা সৃষ্টি করে। পরিমাণে অধিক শর্করা হলে, আমাদের পেট হজম করতে পারেনা। ফলে পেট ফুলে যাওয়া, অস্বস্তি, পেট ফাঁপা ইত্যাদি সমস্যা দেখা দেয়। তবে কম পরিমাণে পেঁয়াজ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতি নয়। তাই সবার উচিত, পরিমাণের বেশি না খাওয়া।

অধিক পটাসিয়াম স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর: 

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা হলো পটাশিয়ামের কাজ। পেঁয়াজে প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়াম থাকায় এটি আমাদের শরীরের জন্য উপকারী। তবে পরিমাণে বেশি পেঁয়াজ খেলে তা উল্টো বিক্রিয়া করে রক্তচাপকে মারাত্নকভাবে বাড়িয়ে দিয়ে হাইপোটেনশনের জন্ম দিতে পারে। যার ফলে ক্লান্তি, হালকা মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, হতাশা, ঝাপসা দৃষ্টি ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে। কথায় আছে না, অতিরিক্ত কোনকিছুই ভাল না!

চোখের সমস্যা হতে পারে:

আপনারা কি জানেন, পেঁয়াজের মাঝে সালফিউরিক এসিড নামে একটি উপাদান আছে, যার কারণেই কিন্তু পেঁয়াজ কাটার সময় চোখ জ্বালাপোড়া করে এবং পানি ঝড়ায়।

আমরা কেন পেঁয়াজ বেশি খাই

বাঙালির খাবার মানেই ছিলো অল্প মশলায় সুস্বাদু রান্না। বর্তমানে আমাদের খাদ্যাভাসে বিদেশি খাদ্যের প্রভাবে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। বিদেশি রান্নায় মশলার ব্যবহার বেশি প্রচলিত। যার ফলে বাঙালির রান্নায় মশলার ব্যবহারও বেড়ে গেছে। বিশেষ করে পেঁয়াজের ব্যবহার। তাছাড়া মাছ এবং মাংসের গন্ধ এড়াতে পেঁয়াজ বেশি ব্যবহৃত হয়। যে কারণে দিনে দিনে পেঁয়াজের চাহিদাও বাড়ছে।

এই যে, রান্নায় এতো মশলা ব্যবহার করছেন! একবারও ভেবে দেখেছেন, এই খাবার আপনার স্বাস্থ্যের জন্য কতটুকু ক্ষতিকর?

তাই বলবো, আমাদের মা, দাদি, নানিদের মত অল্প মশলায় রান্না করুন আর সুস্থ থাকুন।

পেয়ারার এই গুণগুলো আপনি কখনো শোনেননি

দেশীয় আপেল বলতে আমরা সাধারণত পেয়ারাকেই বুঝি। আর পেয়ারা মূলত বর্ষা মৌসুমের একটি ফল। তবে এখন প্রায় সারাবছরই এটি বাজারে পাওয়া যায়। পুষ্টিগুণের দিক থেকে অন্যান্য ফলের তুলনায় পেয়ারার অনেক বেশি। আমলকী বাদে যদি অন্য কোনো ফলে ভিটামিন ‘সি’ এর পরিমাণ অধিক পরিমাণে পাওয়া যায় তা হলো পেয়ারা।

সব ফলে সাধারণত ভিটামিন এ সরাসরি পাওয়া যায় না। ভিটামিন এ-তে রূপান্তরিত হওয়ার আগে এটি প্রথমে ক্যারোটিন রূপে থাকে। শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে ক্যারোটিন আবশ্যক। চোখের রেটিনা ও কোষের সুস্থতা বজায় রাখতে এটি সাহায্য করে। পেয়ারাতে যেটি প্রচুর পরিমাণে থাকে তা হলো ভিটামিন সি ও অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট। এ দুটি উপাদান শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে এবং বিভিন্ন রোগের সঙ্গে যুদ্ধ করতে সহায়তা করে।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়ক-

বর্তমান সময়ের প্রচলিত রোগ হলো ডায়াবেটিস। পেয়ারা বা পেয়ারার রসে থাকা উপাদান এক্ষেত্রে খুব কাজে দেয়। শুধু পেয়ারা নয়, পেয়ারা পাতার রসেও ডায়াবেটিস প্রতিরোধী উপাদান ডায়াবেটিস মেলাইটাসের চিকিৎসায় কাজে দেয়।

১ কাপ গরম পানিতে ১ চা চামচ কচি পেয়ারা পাতার শুকনো মিহি গুঁড়ো ৫ মিনিটের মত ভিজিয়ে ছেঁকে পানি পান করা যেতে পারে প্রতিদিন।

দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে সহায়তা-

ভিটামিন এ চোখের কর্নিয়াকে সুস্থ রেখে দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে এবং রাতকানা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। আর এটি কাঁচা পেয়া প্রচুর পাওয়া যায়।

উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে সহায়ক-

রক্ত চাপ ও রক্তের লিপিড কমে আনতে পেয়ারা বেশ উপকারী। পেয়ারাতে শুধু ভিটামিন সি নয়, প্রচুর পরিমাণ পটাশিয়ামও রয়েছে। নিয়মিত হৃদস্পন্দনের এবং উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে পটাশিয়াম ভাল কাজ করে। তবে নিয়মিত লাইকোপিনসমৃদ্ধ গোলাপি পেয়ারা খেলে কার্ডিওভাস্কুলার রোগের ঝুঁকিও কমাতে সহায়তা করে।

ঠান্ডা জনিত সমস্যার সমাধানে-

পেয়ারেতে থাকা উচ্চ পরিমাণে আয়রন এবং ভিটামিন সি ঠান্ডা জনিত সমস্যা শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডা লাগা, সর্দি–কাশি, ব্রংকাইটিস প্রতিরোধে বেশ সহায়ক।

গাছে ঝুলন্ত পেয়ারা

পাকস্থলীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে-

পেয়ারার আর একটি গুণ হলো ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ বা পেটের গোলযোগে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। পাকস্থলীকে সুস্থ স্বাস্থ্য রাখতে পেয়ারাতে থাকা অ্যাস্ট্রিজেন্ট ও অ্যান্টি-মাইক্রোবাল উপাদান সাহায্য করে৷

ক্যান্সারের প্রবণতা কমায়-

পেয়ারাতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, লাইকোপেন, ভিটামিন সি, কোয়ারসেটিন এর মত অনেকগুলো অ্যান্টি অক্সিডেন্ট উপাদান রয়েছে যা ক্যান্সার কোষের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে পারে। পেয়ারা প্রোস্টেট ক্যান্সার ও স্তন ক্যান্সারের জন্য খুবই উপকারী।

মানসিক অবসাদরোধে সহায়ক-

বর্তমান সময়ে মানুষ মানসিক অবসাদে ভোগেন বেশি। এক্ষেত্রে পেয়ারার মাঝে থাকা বিভিন্ন উপাদান বিশেষ করে পানি মন সতেজ রাখতে খুব কাজে দেয়।

ত্বক ও চুলের যত্নে পেয়ারা-

পেয়ারাতে অন্য উপাদানের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে যা শীতে ত্বকের রুক্ষতা ভাবও  পা ফাটা রোধে ভালো উপকারী।

ঋতু সময়কালীন সময়ে ব্যথা দ্রুত নিরাময়ে-

এটি বর্তমান সময়ে মেয়েদের এমন একটি সমস্যা যা ওষুধেও পুরোপুরি কাজ হয় না। তবে যদি পেয়ারার পাতা চিবিয়ে বা রস খান তবে ব্যথা দ্রুত সময়ে উপশম হতে পারে।

হৃদ্‌রোগে সহায়ক-

নিয়মিত পেয়ারা খেলে রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়। এর ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।

থাইরয়েড গ্রন্থি সচল রাখতে সহায়ক-

কপার সমৃদ্ধ ট্রেস উপাদান পেয়ারাতে থাকায় এটি থাইরয়েড গ্রন্থি সচল রাখতে সহায়তা করে।

পেয়ারা থেকে তৈরি বিভিন্ন প্রসাধন সামগ্রী

এছাড়াও পেয়ারা আরও যে-সব রোগের প্রতিরোধ করে যেমন ডায়রিয়া, এছাড়াও ফলটিতে থাকা ক্যারটিনয়েড, পলিফেনল, লিউকোসায়ানিডিন ও অ্যামরিটোসাইড নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে শরীরকে সুস্থ রাখে। কেটে গেলে ক্ষতস্থান শুকানোর জন্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এতক্ষণ তো জানলেন পেয়ারের নানান গুণ।  পেয়ারা যেহেতু এখন বারোমাসি পাওয়া যায় তাই আপনার প্রতিদিনের খাবার তালিকায় রাখতে পারেন। এতে সাশ্রয়ী মূল্যে যেমন শরীরে পুষ্টির চাহিদা পূরণ হবে তেমনি বাড়বে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।

আরও দেখুন
হার্ট ও চোখ ভালো রাখতে চান, ফুলকপি খান

চাকরি ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় আসা গুরুত্বপূর্ণ বিপরীত শব্দ

সাধারণভাবে বিপরীত শব্দ বলতে আমরা বুঝি,একটি শব্দ যখন অন্য আর একটি শব্দের ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে তখনই শব্দ দুটি একে অপরের বিপরীত শব্দ হয়ে ওঠে।

বাংলা ভাষায় বিপরীত শব্দ তিনভাবে হয়ে থাকে।

১. উপসর্গ যোগে : অপরাধী-নিরপরাধ।
২. সম্পূর্ণ ভিন্ন শব্দ যোগে : সাদা-কালো।
৩. একটি শব্দের শেষে অন্য একটি শব্দ যোগ করে: মূল্যবান-মূল্যহীন।

এবার গুরুত্বপূর্ণ কিছু স্বর-বর্ণের বিপরীত শব্দ জেনে নেই-

অ

অকর্মক – সকর্মক

অক্ষম = সক্ষম

অগ্র = পশ্চাৎ

অগ্রিম = বকেয়া

অগ্রজ = অনুজ  [Sonali Bank – Sub-Assistant Engineer (Civil)-2016]

অগ্রগামী = পশ্চাৎগামী

অজ্ঞ = প্রাজ্ঞ

অজ্ঞান = সজ্ঞান

অচল = সচল

অচলায়তন = সচলায়তন

অচেতন = সচেতন

অণু = বৃহৎ

অতিকায় = ক্ষুদ্রকায়  [তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের সহকারী তথ্য অফিসার-২০১৩]

অতিবৃষ্টি = অনাবৃষ্টি

অতীত = ভবিষ্যত

অভিমানী-নিরভিমানী

অদ্য- কল্য

অদৃশ্য- দৃশ্যমান

অধঃ = ঊর্ধ্ব

অধম = উত্তম

অধমর্ণ = উত্তমর্ণ

অধিত্যকা = উপত্যকা (বিসিএস ৪২তম) 

অনন্ত = সান্ত

অন্ত = অনন্ত [Janata bank assistant executive officer 2017 ]

অন্তরিন্দ্রিয় = বহিরিন্দ্রিয়

অনাবিল = আবিল (অর্থমন্ত্রণালয় অফিস সহকারি ২০১১) 

অনুকূল = প্রতিকূল

অনুগ্রহ = নিগ্রহ (প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ২০১০)

অনুরক্ত = বিরক্ত

অনুরাগ = বিরাগ (১২তম প্রভাষক নিবন্ধন ২০১৫)

অনুলোম = প্রতিলোম

অন্তর = বাহির

অবাক = সবাক

অবিরল = বিরল

অম্ল = মধুর

অর্পণ = গ্রহণ [বাংলাদেশ ব্যাংক অফিস ২০১০]

অমর = মর

অমৃত = গরল  [বাংলাদেশ রেলওয়ে খালাসী ২০২২/জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর এমিরেটর ২০১৮ ]

অলস = পরিশ্রমী

অলীক = সত্য  [ অগ্রনী ব্যাংক ক্যাশ অফিসার ২০১৩/১৩তম বেসরকারী প্রভাষক নিবন্ধন পরীক্ষা ২০১৬]

অল্প = বিস্তর

অল্পপ্রাণ = মহাপ্রাণ

অশন = অনশন

অসীম = সসীম

অস্তগামী = উদীয়মান

অস্তি = নাস্তি/নেতি

অহিংস = সহিংস

আ

আকাশ = পাতাল

আকর্ষণ = বিকর্ষণ

আকস্মিক = চিরন্তন/স্থায়ী

আকুঞ্চন = প্রসারণ     [রুপালী ব্যাংক  অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার ২০২১ ]

আগত = অনাগত

আগমন = প্রস্থান/নির্গমন [পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিস সহায়ক ২০১৫]

আগে = পিছে

আত্ম = পর

আত্মীয় = অনাত্মীয়

আদর = অনাদর

আদান = প্রদান

আদি = অন্ত

আদিম = অন্তিম

আদিষ্ট- নিষিদ্ধ

আদ্য = অন্ত্য

আদ্র অনাদ্র

আধার = আধেয়

আধুনিক- প্রাচীন/অনাধুনিক

আপদ = সম্পদ   

আবশ্যক = অনাবশ্যক

আবশ্যিক = ঐচ্ছিক

আবাদি = অনাবাদি

আবৃত = অনাবৃত/ উন্মুক্ত

আবাহন = বিসর্জন

আবির্ভাব = তিরোভাব  [১৩তম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন স্কুল পর্যায় ২০১৬]

আবির্ভূত = তিরোহিত

আবিষ্কার এর বিপরীত শব্দ =  অজ্ঞাত বস্তু

আবিল = অনাবিল

আমদানি = রপ্তানি

আরোহণ = অবরোহণ

আর্দ্র = শুষ্ক

আর্য = অনার্য

আলস্য = শ্রম/অনালস্য

আলো = আঁধার 

আলোক = অন্ধকার

আনকোরা- পুরানো

আশা = নিরাশা

আশীর্বাদ = অভিশাপ

আসক্ত = নিরাসক্ত

আসল = নকল

আসামি = ফরিয়াদী

আস্তিক = নাস্তিক

আস্তীর্ণ- অনাস্তীর্ণ

আস্থা = অনাস্থা

আয় = ব্যয়

আঁঠি = শাঁস

আহার = অনাহার

ই

ইচ্ছা = অনিচ্ছা

ইজ্জত- বেইজ্জত

ইচ্ছুক = অনিচ্ছুক

ইতর = ভদ্র

ইতি = আদি

ইতিবাচক = নেতিবাচক

ইদানীন্তন = তদানীন্তন

ইন্দ্রিয়- অতীন্দ্রিয়

ইষ্ট = অনিষ্ট

ইহকাল = পরকাল

ইহা- উহা

ইহলোক = পরলোক

ইহলৌকিক = পারলৌকিক

ইস্তফা- যোগদান

 ঈ 

ঈপ্সিত- অনীপ্সিত

ঈদৃশ = তাদৃশ

ঈমান = বেঈমান

ঈশান = নৈর্ঋত

ঈর্ষা = প্রীতি

ঈষৎ = অধিক

ঈপ্সা- অনীপ্সা

উ

উক্ত = অনুক্ত

উগ্র = সৌম্য/নম্র [প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা- ২০১১]

উচাটন = প্রশান্ত  [প্রাক প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক ২০১৫ ]

উচিত = অনুচিত

উচ্চ = নীচ

উজাড় = ভরপুর

উজান = ভাটি

উজ্জ্বল = অনুজ্জ্বল

উঠতি = পড়তি

উঠন্ত = পড়ন্ত

উৎকর্ষ = অপকর্ষ 

উৎকৃষ্ট = নিকৃষ্ট

উৎরাই = চড়াই

উৎসাহ = নিরুৎসাহ

উত্তপ্ত = শীতল 

উত্তম = অধম

উত্তমর্ণ =  অধমর্ণ

উত্তর = দক্ষিণ

উত্তরায়ণ = দক্ষিণায়ন

উত্তরীয়- অন্তরীয়

উত্তরণ = অবতরন    

উত্তাপ = শৈত্য

উত্তীর্ণ = অনুত্তীর্ণ

উত্থান = পতন

উত্থিত = পতিত

উতরানো = তলানো

উদয় = অস্ত

উদ্দিষ্ট- নিরুদ্দি

উদার = সংকীর্ণ  

উদ্ধত = বিনীত/ নম্র  

উদ্বৃত্ত = ঘাটতি

উদ্বিগ্ন = নিরুদ্বিগ্ন

উদ্যত = বিরত

উদ্যম = বিরাম

উদ্ভাসিত = ম্রিয়মান

উন্নতি = অবনতি

উন্নয়ন = অবনমন

উন্নীত = অবনমিত

উন্মীলন = নিমীলন

উন্মুখ = বিমুখ

উপকর্ষ = অপকর্ষ

উপকারী = অপকারী

উপচয় = অপচয়

উপচিকীর্ষা = অপচিকীর্ষা

উপস্থিত = অনুপস্থিত

উর্বর = ঊষর/অনুর্বর

উল্লেখ = অনুল্লেখ

উষ্ণ = শীতল

উড়ন্ত = পড়ন্ত

ঊ

ঊর্ধ্ব = অধঃ

ঊর্ধ্বতন = অধস্তন

ঊর্ধ্বগতি = অধোগতি

ঊর্ধ্বগামী = অধোগামী

ঊষর = উর্বর  

ঊষা = সন্ধ্যা/সন্ধ্যা

ঊহ্য = স্পষ্ট

ঋ

ঋজু = বক্র, বাকা 

এ

এক = অনেক

একতা = বিচ্ছিন্নতা

একমত- দ্বিমত/বহুমত

একান্ন = পৃথগান্ন

একাল = সেকাল

একূল = ওকূল

এখন = তখন

এদিক = ওদিক

এঁড়ে = বকনা

এলোমেলো- গোছানো

এ যুগ- সে যুগ

এরূপ- ওরূপ/সেরূপ

ঐ

ঐকমত্য = মতভেদ

ঐক্য = অনৈক্য/বিভেদ

ঐদাসীন্য- আসক্তি

ঐকমত্য- মতভেদ

ঐচ্ছিক = আবশ্যিক [বাংলাদেশ রেলওয়ে]

ঐতিহাসিক = অনৈতিহাসিক

ঐশ্বর্য = দারিদ্র্য,নিঃস্ব   [ প্রাক প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক -২০২১]

ঐহিক = পারত্রিক [বাংলাদেশ রেলওয়ে]

ও

ওঠা = নামা

ওদিক = এদিক

ওস্তাদ = সাকরেদ, আনাড়ি

ঔ

ঔদার্য = কার্পণ্য

ঔচিত্য = অনৌচিত্য

ঔজ্জ্বল্য = ম্লানিমা

ঔদাসীন্য = আসক্তি

ঔদ্ধত্য = বিনয়   [ জনতা ব্যাংক সিনিয়ার অফিসার আইটি ২০১৬]

চলবে…

After Effects শর্টকাট দিয়ে কাজের গতি বাড়ান

Adobe After Effects শর্টকাট: দ্রুত ও কার্যকরী ভিডিও এডিটিংয়ের সহজ উপায়

Adobe After Effects হলো ভিডিও এডিটিং ও মোশন গ্রাফিক্সের জন্য একটি শক্তিশালী সফটওয়্যার। এটি ব্যবহার করে ভিজ্যুয়াল এফেক্টস, অ্যানিমেশন এবং বিভিন্ন ক্রিয়েটিভ ডিজাইন তৈরি করা যায়। তবে, After Effects-এর ইন্টারফেস ও কাজের পদ্ধতি একটু জটিল হওয়ায় শর্টকাট জানা থাকলে কাজ দ্রুত এবং সহজ হয়ে যায়।

এই লেখায় আমরা After Effects-এর সবচেয়ে দরকারি কীবোর্ড শর্টকাট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।


প্রয়োজনীয় শর্টকাট কী (Keyboard Shortcuts)

After Effects-এর শর্টকাট মূলত পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা যায়:

  1. সাধারণ ফাইল ম্যানেজমেন্ট ও ওয়ার্কস্পেস শর্টকাট
  2. টাইমলাইন ও লেয়ার কন্ট্রোল শর্টকাট
  3. কীফ্রেম ও অ্যানিমেশন শর্টকাট
  4. প্লেব্যাক ও প্রিভিউ কন্ট্রোল শর্টকাট
  5. রেন্ডারিং ও এক্সপোর্ট সম্পর্কিত শর্টকাট

১. সাধারণ ফাইল ম্যানেজমেন্ট ও ওয়ার্কস্পেস শর্টকাট

নতুন প্রজেক্ট তৈরি, সেভ, এবং ওয়ার্কস্পেস পরিবর্তনের জন্য এই শর্টকাটগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ক্রমফাংশনWindowsMac
১নতুন প্রজেক্ট তৈরিCtrl + Alt + NCmd + Opt + N
২নতুন কম্পোজিশন তৈরিCtrl + NCmd + N
৩ফাইল ওপেনCtrl + OCmd + O
৪ফাইল সেভCtrl + SCmd + S
৫সেভ অ্যাজCtrl + Shift + SCmd + Shift + S
৬ইমপোর্ট ফাইলCtrl + ICmd + I
৭এক্সপোর্টCtrl + MCmd + M
৮ওয়ার্কস্পেস রিসেটCtrl + Shift + (Accent Key)`Cmd + Shift + (Accent Key)`

২. টাইমলাইন ও লেয়ার কন্ট্রোল শর্টকাট

ভিডিও ক্লিপ, লেয়ার ম্যানিপুলেশন, এবং টাইমলাইন কন্ট্রোলের জন্য এই শর্টকাটগুলো ব্যবহার করা হয়।

ক্রমফাংশনWindowsMac
১নতুন লেয়ার তৈরিCtrl + YCmd + Y
২লেয়ার ডুপ্লিকেটCtrl + DCmd + D
৩লেয়ার ডিলিটDeleteDelete
৪লেয়ার সিলেক্টCtrl + ClickCmd + Click
৫টাইমলাইন জুম ইন++
৬টাইমলাইন জুম আউট--
৭লেয়ার স্টার্ট/এন্ড মার্কারI / OI / O
৮লেয়ার ট্রিম করাAlt + [ / Alt + ]Opt + [ / Opt + ]
৯লেয়ার শিফট ফরোয়ার্ডAlt + Shift + →Opt + Shift + →
১০লেয়ার শিফট ব্যাকওয়ার্ডAlt + Shift + ←Opt + Shift + ←

৩. কীফ্রেম ও অ্যানিমেশন শর্টকাট

কীফ্রেম সেটআপ ও অ্যানিমেশন তৈরি করতে হলে এই শর্টকাটগুলো জানা জরুরি।

ক্রমফাংশনWindowsMac
১কীফ্রেম যোগ/সরানোAlt + ClickOpt + Click
২কীফ্রেম নেক্সট/প্রিভিয়াসJ / KJ / K
৩কীফ্রেম ইজি ইজ ইনShift + F9Shift + F9
৪কীফ্রেম ইজি ইজ আউটF9F9
৫কীফ্রেম ইজি ইজCtrl + Shift + F9Cmd + Shift + F9
৬কীফ্রেম গ্রাফ দেখানোShift + F3Shift + F3

৪. প্লেব্যাক ও প্রিভিউ কন্ট্রোল শর্টকাট

প্রিভিউ এবং প্লেব্যাক নিয়ন্ত্রণের জন্য নিচের শর্টকাটগুলো ব্যবহৃত হয়।

ক্রমফাংশনWindowsMac
১প্রিভিউ চালু/বন্ধSpaceSpace
২ফুল স্ক্রিন প্রিভিউCtrl + (Accent Key)`Cmd + (Accent Key)`
৩এক ফ্রেম ফরোয়ার্ডPage DownFn + →
৪এক ফ্রেম ব্যাকওয়ার্ডPage UpFn + ←
৫টাইমলাইনে প্লেব্যাক লুপ করাNN

৫. রেন্ডারিং ও এক্সপোর্ট সম্পর্কিত শর্টকাট

রেন্ডার সেটআপ ও এক্সপোর্টিং দ্রুত করতে নিচের শর্টকাটগুলো গুরুত্বপূর্ণ।

ক্রমফাংশনWindowsMac
১রেন্ডার কিউতে যোগCtrl + MCmd + M
২মিডিয়া এনকোডারে প্রেরণCtrl + Alt + MCmd + Opt + M
৩রেন্ডার শুরুEnterReturn

কাস্টম শর্টকাট সেটআপ করা

আপনি যদি নিজের পছন্দমতো শর্টকাট সেট করতে চান, তাহলে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

  1. Edit > Keyboard Shortcuts-এ যান।
  2. প্রয়োজনীয় শর্টকাট পরিবর্তন করুন।
  3. সেটিংস সংরক্ষণ করুন এবং কাজ শুরু করুন আরও দ্রুততার সাথে!

আরো দেখুন বিস্তারিত

Navigation:

  • নতুন কম্পোজিশন (New Composition): Ctrl + N
  • কম্পোজিশন সেটিংস (Composition Settings): Ctrl + K
  • সপূর্ণ পর্দায় যেকোনো প্যানেল (Fullscreen any panel): ~
  • টাইমলাইনে কাজের এরিয়া সেট করুন (Trim Timeline to Work Area): Ctrl + Shift + X

লেয়ার (Layer):

  • নির্বাচন টুল সক্রিয় করুন (Activate Selection Tool): V
  • হাত টুল সক্রিয় করুন (Activate Hand Tool): H
  • নতুন সলিড লেয়ার (New Solid Layer): Ctrl + Y
  • সলিড সেটিংস (Solid Settings): Ctrl + Shift + Y
  • নতুন অ্যাডজাস্টমেন্ট লেয়ার (New Adjustment Layer): Ctrl + Alt + Y
  • লেয়ারের অপাসিটি দেখান/লুকান (Show/Hide Opacity): T
  • স্ক্রিনে ফিট করুন (Fit to Screen): Shift + /
  • লেয়ার বিভক্ত করুন (Split Layer): Cmd + Shift + Dexpand_more
  • লেয়ারের শেষ বিন্দুকে বর্তমান সময়ে ট্রিম করুন (Trim Layer End Point to Current Timestamp): Option + ]

টাইমলাইন (Timeline):

  • পরবর্তী কীফ্রেমে যান (Go to Next Keyframe): K
  • পূর্ববর্তী কীফ্রেমে যান (Go to Previous Keyframe): J
  • 1 ফ্রেম এগিয়ে/পিছিয়ে যান (Go to 1 frame ahead or back): PgUp / PgDn
  • 1 ফ্রেম এগিয়ে/পিছিয়ে যান (Go to 1 frame ahead or back): Ctrl + Right / Ctrl + Left
  • লেয়ারের ক্রম উপরে/নিচে সরান (Move Layer Order Up/Down): Ctrl + Alt + Up/Downexpand_more
  • লেয়ারকে শীর্ষে স্থানান্তর করুন (Shift Layer on Top): Ctrl + Alt + Shift + UP exclamation
  • লেয়ারকে নিচে স্থানান্তর করুন (Shift Layer at bottom): Ctrl + Alt + Shift + Down

অ্যানিমেশন (Animation):

  • সমস্ত কীফ্রেম বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করুন (Reveal All Keyframe Properties): U
  • নির্বাচিত লেয়ারগুলোকে প্রাক-কম্পোজ করুন (Pre-compose Selected Layers): Ctrl + Shift + C
  • কীফ্রেম ধরে রাখুন টগল করুন (Toggle Hold Keyframe): Ctrl + Alt + H

এছাড়াও:

  • নতুন ফাইল ইমপোর্ট করুন (Import New Files Into Composition): Cmd + I
  • সব লেয়ার নির্বাচন করুন (Select All Layers): Cmd + A
  • লেয়ারের নাম পরিবর্তন করুন (Rename Layers): Return

এছাড়াও আছে

Project Panel Shortcuts:

  • Import File: Ctrl + I
  • Import Multiple Files: Ctrl + Alt + I
  • New Composition: Ctrl + N
  • Open Composition: Ctrl + O
  • Close Project: Ctrl + W
  • Save: Ctrl + S
  • Save As: Ctrl + Shift + S
  • Undo: Ctrl + Z
  • Redo: Ctrl + Shift + Z
  • Duplicate: Ctrl + D
  • Cut: Ctrl + X
  • Copy: Ctrl + C
  • Paste: Ctrl + V
  • Select All: Ctrl + A
  • Deselect All: Ctrl + Shift + A
  • Preferences: Ctrl + Alt + ;
  • Interpret Footage: Ctrl + Alt + G
  • Quit: Ctrl + Q

Composition Panel Shortcuts:

  • Fit to Comp Width: Ctrl + Alt + Shift + H
  • Fit to Comp Height: Ctrl + Alt + Shift + G
  • Fit to Comp: Ctrl + Alt + Shift + C
  • Zoom In: Ctrl + +
  • Zoom Out: Ctrl + –
  • Center Composition: Ctrl + Home
  • Toggle Pixel Aspect Ratio Correction: Ctrl + Alt + /
  • Toggle Title/Action Safe: ‘
  • Toggle Rulers: Ctrl + R
  • Toggle Grid: Ctrl + ‘
  • Show Overlays: Ctrl + ‘
  • Change Magnification: Ctrl + Alt + /
  • Toggle proportional grid: Ctrl + ‘
  • Show rulers: Ctrl + R
  • Show guides: Ctrl + ;
  • Toggle transparency grid: Ctrl + Shift + ‘

Timeline Panel Shortcuts:

  • Move to Next Frame: Page Down
  • Move to Previous Frame: Page Up
  • Move Forward 10 Frames: Shift + Page Down
  • Move Backward 10 Frames: Shift + Page Up
  • Move to Beginning of Composition: Home
  • Move to End of Composition: End
  • Extend Selection to Next Layer: Shift + Down Arrow
  • Extend Selection to Previous Layer: Shift + Up Arrow
  • Move Layer Up: Ctrl + ]
  • Move Layer Down: Ctrl + [
  • Extend Selection to Next Keyframe: Shift + J
  • Extend Selection to Previous Keyframe: Shift + K
  • Move Keyframe Forward 1 Frame: Alt + Shift + Page Down
  • Move Keyframe Backward 1 Frame: Alt + Shift + Page Up
  • Open Layer in Source Monitor: Alt + Double-click on layer

Viewer Shortcuts:

  • Show/Hide Layer Handles: Ctrl + Shift + H
  • Toggle High Quality Preview: Shift + / (Forward Slash)

Layer Panel Shortcuts:

  • Show/Hide All Properties: U
  • Show/Hide Only Selected Properties: Shift + U
  • Expand All Properties: Ctrl + A
  • Collapse All Properties: Ctrl + Shift + A
  • Show/Hide Layer Controls: Ctrl + Shift + H
  • Toggle Solo: Ctrl + Alt + S
  • Toggle Lock: Ctrl + Alt + L
  • Toggle Shy: Ctrl + Shift + S

Effects & Presets Panel Shortcuts:

  • Search Effects: Ctrl + Space
  • Apply Selected Effect: Enter
  • Apply Default Transition: Ctrl + D

Graph Editor & Curves Editor Shortcuts:

  • Display Graph Editor: Ctrl + 8
  • Display Curves Editor: Ctrl + 9
  • Edit Value Graph: F9
  • Edit Speed Graph: Shift + F9

Audio Panel Shortcuts:

  • Display Audio Panel: Ctrl + 0
  • Switch to Spectral Frequency Display: Ctrl + Alt + Shift + F
  • Switch to Waveform Display: Ctrl + Alt + Shift + W

View Shortcuts:

  • Center Anchor Point in Layer Content: Ctrl + Alt + Home
  • Center Anchor Point in Layer: Ctrl + Alt + /
  • Center in View: Ctrl + Alt + F

Other Shortcuts:

  • RAM Preview: 0 (on Number Pad)
  • Play: Spacebar
  • Play Audio Only: Ctrl + .
  • Pause: .
  • Stop: /
  • Pre-compose: Ctrl + Shift + C
  • Move Layer Anchor Point: Ctrl + Alt + Home (to Top Left), Ctrl + Alt + End (to Bottom Right)

এই শর্টকাটগুলি কেবলমাত্র কয়েকটি সাধারণ উদাহরণমাত্র। আফটার এফেক্টসের মেনু থেকে সম্পূর্ণ তালিকা পাবেন। 

শেষ কথা

Adobe After Effects-এর কীবোর্ড শর্টকাট শেখার মাধ্যমে আপনি আপনার কাজের গতি বাড়িয়ে তুলতে পারবেন। যদি নিয়মিত এই শর্টকাটগুলো অনুশীলন করেন, তাহলে এডিটিং ও অ্যানিমেশন তৈরির সময় অনেক দ্রুত ও স্মার্টলি কাজ করতে পারবেন।

আপনার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত শর্টকাট কোনটি? কমেন্টে জানান! 🚀

আরো দেখুন

Dangerous animals: এসব প্রাণী থেকে সাবধান, মিনিটেই চলে যেতে পারে প্রাণ

পৃথিবীতে নানা আজব প্রজাতির প্রাণি বিদ্যমান। তবে বাহ্যিক সৌন্দর্যের কারণে সবাই যে শুধু সুন্দর সেটা কিন্তু নয়। এই সুন্দরের আড়ালেই লুকিয়ে আছে বিষাক্ত এক প্রাণী। এইসব Dangerous animals গুলো নিয়েই আজকে আলোচনা।

১.বক্স জেলিফিশ (Box jellyfish)

বক্স জেলিফিশ এতটাই সুন্দর যে,মনে হবে একটু আদর করি। তাহলে ভাবছেন! এমন সুন্দর একটা প্রাণী কি করে এতটা বিষাক্ত হতে পারে? কিন্তু সত্য, জেলিফিশের এক একটিতে বিষের পরিমাণ এতটাই যে, অনায়াসে ৬০ জন মানুষের মৃত্যু হতে পারে।

এই প্রাণীটি দেখতে যতটা সুন্দর, বিষাক্ত তার ঠিক ততটাই। অসাধারণ রূপের অধিকারী এই জেলিফিশ দেখতে অনেকটা স্বচ্ছ পর্দার মত। সে কারণে এটি এখন পৃথিবীর সবচেয়ে বিষাক্ত প্রাণী হিসেবে পরিচিত। সামুদ্রিক এই প্রাণীটি লম্বায় প্রায় ১৫ ফুট পর্যন্ত হয়ে থাকে। এই প্রাণীর বিষ মানুষের হৃৎপিণ্ড, স্নায়ুতন্ত্র ও ত্বকের কোষকে আক্রমণ করে। বক্স জেলিফিশের আঘাতে  তিন মিনিটের মাথায় একজন মানুষের মৃত্যু হবে পারে। এর আক্রমণে প্রতি বছর ২০-৪০ জন মানুষ ফিলিপাইনে মারা যায়।

২.মার্বেল কোণ শামুক (Marbled Cone Snails)

শামুকের নাম শুনে ভাবছেন তালিকায় এই প্রাণী কেন? শামুক তো একেবারে নিরীহ শান্ত স্বভাবের। হ্যাঁ, অনেকের থেকেও এই শামুক অনেক বিষাক্ত। 

শামুকটি দেখতে অসম্ভব সুন্দর। খোলসটি দেখতে মার্বেলের মতো। যেন মার্বেল পাথর দিয়ে মোজাইক করা। আর দেখতে অনেকটা কোণ আইসক্রিমের মতো। একারণে এর নাম মার্বেল কোণ শামুক।

এখন ভাবছেন, সব সুন্দর প্রাণীই কি বিষাক্ত? কিন্তু তা না, প্রায় সব বিষাক্ত প্রাণীই দেখতে সুন্দর। তাই সাবধান, সুন্দর হলেই হাত দিয়ে ধরতে যাবেন না।

মার্বেল কোণ শামুকের কোণগুলো ভয়ানক বিষাক্ত হয়ে থাকে। বলা যায়, কোণ শামুক মানেই বিষ ভরা। অস্ট্রেলিয়ার গরম লবণাক্ত সামুদ্রিক পানিরত মার্বেল শামুকের দেখা বেশি পাবেন। তাই জলে নেমে গোসল করতে চাইলে এই প্রাণী হতে সাবধানে থাকুন। 

৩.পয়জন ডার্ট ফ্রগ (Poison dart frog)

গ্রীষ্মমণ্ডলীয় মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকার ডেনড্রোবাটিডি পরিবারের একদল ব্যাঙের সাধারণ নাম পয়জন ডার্ট ব্যাঙ। যা পূর্বে পয়জন অ্যারো ব্যাঙ নামেও পরিচিত ছিল।

এই প্রজাতিগুলি দেখতে প্রায়শই উজ্জ্বল বর্ণের হয়ে থাকে। আর এই উজ্জ্বল বর্ণের জন্যই প্রজাতিটি বিষাক্ততার সাথে সম্পর্কিত, তাদের অন্যদের থেকে অপোজেটিক করে তোলে। ডেনড্রোবাটিডে পরিবারের আরও কিছু প্রজাতি রয়েছে, যাদেরও এক রহস্যময় বর্ণ থাকে যারা সামান্য বিষাক্ত বা নির্বিষ। তারা অনেক বড় ধরনের শিকার করে ও খায়। এই পরিবারের অনেক প্রজাতি এখন বিপদের সম্মুখীন,তাদের আবাসস্থল মানুষের দখলের কারণে ।

৪.ইনল্যান্ড তাইপান  (Inland Taipan)

সব কথাটি শুনলেই আমাদের মধ্যে অজানা ভয়ের সঞ্চার হয়। কেননা এই সাপের বিষের কারণেই যে কোন প্রাণীর সহজে মৃত্যু হয়ে যেতে পারে। তবে এই তালিকায় সবার উপরে আছে ইনল্যান্ড তাইপানের নাম। সবচেয়ে বিপজ্জনক সাপের পরিবারে উপরের সারিতেই এর অবস্থান। মানুষ ও প্রাণী হত্যার জন্য এর এক ফোঁটা বিষই যথেষ্ট।

ফিয়ারস স্নেক (Fierce Snake) ও স্মল স্কেলড স্নেক (Small Scaled Snake) নামেও বিভিন্ন অঞ্চলে ডাকা হয় । এরা বাস করে কুইন্সল্যান্ড এবং দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার প্লাবনভূমির মাটির ফাটলে। ইঁদুরের গর্তেও দেখা যায় অহরহ। বাদামি কালো আবহ বা জলপাই-সবুজ বাদামি রঙের এই প্রজাতির সাপ একবার কামড় দিয়েই ক্ষ্যান্ত, একাধিকবার কামড়ে জর্জরিত করে দেয়। এক গবেষনায় দেখা গেছে, অন্য যেকোনো সাপের তুলনায় ইনল্যান্ড তাইপানের বিষ ১১০ মিলিগ্রাম বেশি তীব্র। 

৫.ব্ল্যাক মাম্বা (Black mamba)

ইনল্যান্ড তাইপানের মতো পৃথিবীর দ্রুততম, মারাত্মক বিষধর সাপের তালিকায় প্রথম সারিতেই ব্ল্যাক মামবার স্থান। এরা তখনই প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করে বসে, যখন মারাত্মক ভয় পায়।

ব্ল্যাক মামবার আসল বাস দক্ষিণ ও পূর্ব আফ্রিকার পাহাড়ি অঞ্চলে। এটা লম্বায় গড়ে ৮.২ ফুট (২.৫ মিটার) হওয়ায় আফ্রিকার দীর্ঘতম সাপ বলা যায়। সর্বশেষ ১৮ফুট (৪.৫ মিটার) লম্বা ব্ল্যাক মামবারও দেখা মিলেছে। প্রতি ঘণ্টায় প্রায় ২০ কিলোমিটার গতিবেগ এদের। বিষ এতো তীব্র যে, মুহূর্তে একবার কামড়েই মৃত্যু হতে পারে একটি হাতিরও।

৬. কেপ বাফেলো (Cape buffalo)

তালিকার এ পর্যায়ে  আছে মহিষের নাম। তবে তবে তা বিশে নয় ক্ষিপ্রতায়।  সাধারণত শান্ত স্বভাবের প্রাণী কিন্তু এরা যে হিংস্র হতে পারে এটা অনেকের অজানা। হ্যাঁ, এমনি এক হিংস্র মহিষের কথা বলবো, যা আফ্রিকার তৃণভূমিতে রাজত্ব করে। এর নাম কেপ বাফেলো। বুনো মহিষ। এগুলো এতোটাই হিংস্র যেন সাক্ষাৎ যমদূত!

প্রতিটি কেপ বাফেলো কয়েক টন পর্যন্ত হয়ে থাকে। এদের শরীরের ওজন এবং বদ মেজাজই হলো এদের শক্তি। একবার যদি কেউ এদের উত্ত্যক্ত করে, তাহলে আর রক্ষে নেই। মানুষের জন্য এ প্রাণী বিপজ্জনক। যদি কোন শিকারি এদের গুলি করে, সে তাকে চিনে রাখে এবং পরে তাকে মেরে ফেলে।

 ৭.সাইফু পিঁপড়া (Dorylus)

সাইফু পিঁপড়ের আরেক নাম ড্রাইভার পিঁপড়ে। এরা কখনও একা চলাফেরা করেনা। চলে ঝাঁকে-ঝাঁকে। প্রায় ৫ কোটি পিঁপড়ে নিয়ে একটি ঝাঁক তেরি হয়।এদেরকে ভয়ংকর প্রাণীর তালিকার উপরের দিকে রাখা হয়েছে। 

বাসা বাড়িতে আমরা পিঁপড়েকে সাধারণত চিনি বা যে কোনও খাবার নিয়ে যেতে দেখি, কিন্তু এরা মারাত্মক হারে মাংসাশী।

মজার বিষয় হলো, এদের দলবদ্ধভাবে চলাফেরা করার কারণে এরা যেকোনো প্রাণীকে একসাথে নিমিষেই শেষ করে দিতে পারে। তাই মানুষসহ অন্যসব প্রাণীর জন্য এরা হুমকি স্বরূপ। চলাফেরার সময় পথে যে বা যারা বাধা করে সেটিকেই খেয়ে সাবাড় করে ফেলে।

৮.পাফার ফিস (Puffer fish)

দেখতে সুন্দর হলেও সবচেয়ে বিপদজনক চরিত্রের মাছ হলো পাফার ফিশ। যদিও পাফার ফিশ স্বাভাবিক অবস্থায় খুব নিরীহ ছোট থাকলেও প্রতিপক্ষ দ্বারা আক্রান্ত হলে ভয়ংকর হয়ে ওঠে। পালানোর পরিবর্তে এটি এটি পানি গিলতে শুরু করে আর বলের মতো ফুলে যায় যতক্ষণ না  শত্রুর মতো আকার ধারণ করতে পারে।

নিজেকে রক্ষার করতে সে অত্যন্ত বিষাক্ত পদার্থ দ্বারা পরিপূর্ণ হয়। এর শরীরে টেট্রোডোটক্সিন নামে একটি মারাত্মক বিষ আছে। যার প্রভাবে সহজেই ৩০ জনকে হত্যা করতে পারে। 

এ জাতের মাছ ২০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হয়, তবে বন্দী বা মাছের ট্যাঙ্কে থাকলে ১০ সেন্টিমিটারের বেশি হয় না। চোখ গোলাকার, বেশ বড় এবং কালো। মুখের উপরের অংশটি তোতা পাখির চঞ্চুর মতো। পরিবেশের সাথে মিশে যেতে কালো বিন্দু রয়েছে।

এর ওজনও পরিবর্তিত হয় ১৫০ গ্রাম থেকে ১০ কিলোগ্রাম পর্যন্ত। তবে তা প্রজাতির উপর নির্ভর করে। পাফার ফিশের কিছু প্রজাতির মাংস খুবই সুস্বাদু হলেও রান্নার আগে বিষ আলাদা করে নিতে হয়। বিষ আলাদার এই প্রক্রিয়াকে জাপানে ফুগু বলে। এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং শুধুমাত্র লাইসেন্সপ্রাপ্ত, প্রশিক্ষিত পেশাদার শেফদের দ্বারা প্রস্তুত করা হয়।

এই প্রজাতির বেশিরভাগ গ্রীষ্মমন্ডলীয় এবং উপ-গ্রীষ্মমন্ডলীয় সমুদ্রের পানিতে বাস করে। 

৯. অস্ট্রেলিয়ান ফানেল-ওয়েব স্পাইডার 

অস্ট্রেলিয়ান ফানেল-ওয়েব স্পাইডার বিষাক্ত প্রাণী গুলোর মধ্যে অন্যতম। এদের প্রায় ৩৫টি প্রজাতি রয়েছে। কিছু প্রজাতি বিষ তৈরি করে যা মানুষের জন্য বিপজ্জনক। 

আকার ১ থেকে ৫ সেন্টিমিটার হলেও এদের প্রচুর বিষ গ্রন্থি রয়েছে যেগুলো তাদের চেলিসারির মধ্যে সংরক্ষিত থাকে। নখ এতই শক্তিশালী যে নরম জুতা অনায়াসে ভেদ করতে সক্ষম।

অস্ট্রেলিয়ান ফানেল-ওয়েব মাকড়সার আবাস্থল আর্দ্র, শীতল যা পাথরের নীচে, পচনশীল গাছের নীচে। সাধারণত ঝোপঝাড়ে এবং শহরতলির বিভিন্ন স্থানে এদের দেখা মেলে।

১০. কিং কোবরা (King Kobra)

শুনে নামটি শুনলেই ভয়ঙ্কর অনুভূতির সৃষ্টি হয় মনোজগতে। বিশ্বের দীর্ঘতম বিষাক্ত সাপ কিং কোবরা। একটি পূর্ণবয়স্ক কিং কোবারা গড়ে ৩.১৮ থেকে ৪ মিটার (১০.৪ থেকে ১৩.১ ফুট) এবং ১৮ ফুট পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে।

এদের যদি কেউ উত্তেজিত করে তাহলে এরা অত্যন্ত বিষাক্ত এবং বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। স্বভাবের দিক থেকে কিং কোবরা লাজুকে এবং সম্ভব হলে মানুষের সাথে দ্বন্দ্ব এড়িয়ে চলে। এর বিষ এতোটাই বিষাক্ত যে একক কামড়ে ২০ জন মানুষ এবং একটি হাতিকে হত্যা করতে পারে।

মূলত ভারত, দক্ষিণ চীন এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃষ্টি বন এবং সমভূমিতে এবং আরামদায়ক হিসাবে বন, বাঁশের ঝোলা, ম্যানগ্রোভ জলাভূমি, উচ্চ-উচ্চতায় তৃণভূমি ও নদীতে কিং কোবরা বাস করে। অঞ্চলভেদে এরা রঙ পরিবর্তন করতে পারে।

বিশ্বে কিং কোবরার বিভিন্ন প্রজাতি পাওয়া যায় দক্ষিণ-পশ্চিম ভারত, পশ্চিম চীন, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়ার ও ফিলিপাইনের অঞ্চলগুলোতে।

Dangerous animals

আরও দেখুন
কোন জাতের কুকুর পালবেন

IPL 2024 Fixture

আইপিএল হলো বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রিকেট লীগ। ২০২৪ আসর ২২ মার্চ শুরু হয়ে ২৬ মে পর্যন্ত চলবে।

১০ টি দলের অংশ গ্রহনে অনুষ্ঠিত হবে আইপিএলের ১৭ তম আসর। ৭৪ টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে এই আসর, এই আসরের  শেষ হবে ২৬ মে ফাইনাল এর মাধ্যমে। চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক আই পি এল ২০২৪ সময়সূচী এবং বিস্তারিত তথ্য।

আইপিএল ২০২৪ আসরের দশটি দল

  • কলকাতা নাইট রাইডার্স
  • চেন্নাই সুপার কিংস
  • রয়েল চ্যালেঞ্জারস বেঙ্গালুর
  • গুজরাত টাইটান
  • সানরাইজারস হায়ড্রাবাদ
  • রাজস্থান রয়েল
  • দিল্লি ক্যাপিটাল
  • লাখনো সুপার জায়ান্টস
  • মুম্বাই ইন্ডিয়ান
  • পাঞ্জাব সুপার কিংস

আইপিএল ২০২৪ আসরের দশটি দলের অধিনায়কদের তালিকা

দলের নামঅধিনায়কদের নাম
লাখনো সুপার জায়ান্টসকেএল রাহুল
মুম্বাই ইন্ডিয়ানরহিত সার্মা
পাঞ্জাব সুপার কিংসমায়াঙ্কা আগরাওয়াল
দিল্লি ক্যাপিটালরিশাব পান্ত / ডেভিড ওয়ার্নার
সানরাইজারস হায়ড্রাবাদকেন উইলিয়ামসন
রাজস্থান রয়েলসানজু স্যামসন
কলকাতা নাইট রাইডার্সশ্রেয়াস আইয়ার
চেন্নাই সুপার কিংসমহেন্দ্র সিং ধোনি
রয়েল চ্যালেঞ্জারস বেঙ্গালুরভিরাট কোহলি
গুজরাত টাইটানহারদিক পান্ডিয়া

আইপিএল ২০২৪ সালের সময় সূচী

দলতারিখসময়ভেনু
চেন্নাই বনাম বেঙ্গালুরু২২ মার্চ, ২০২৪ রাত্রি ৮:০০ মিনিটএম এ চিদাম্বরম স্টেডিয়াম
পাঞ্জাব বনাম দিল্লি২৩ মার্চ, ২০২৪বিকাল ৩:৩০ মিনিটপাঞ্জাব ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন আইএস বিন্দ্রা স্টেডিয়াম
কলকাতা বনাম হায়দ্রাবাদ২৩ মার্চ, ২০২৪রাত্রি ৭:৩০ মিনিটইডেন গার্ডেন
রাজস্থান বনাম লাখনৌ২৪ মার্চ, ২০২৪বিকাল ৩:৩০ মিনিটসওয়াই মানসিংহ ইন্ডোর স্টেডিয়াম
গুজরাত বনাম মুম্বাই২৪ মার্চ, ২০২৪রাত্রি ৭:৩০ মিনিটনরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম
বেঙ্গালুরু বনাম পাঞ্জাব২৫ মার্চ, ২০২৪রাত্রি ৭:৩০ মিনিটএম. চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম
চেন্নাই বনাম গুজরাত২৬ মার্চ, ২০২৪রাত্রি ৭:৩০ মিনিটএম. এ. চিদাম্বরম স্টেডিয়াম
হায়দ্রাবাদ বনাম মুম্বাই২৭ মার্চ, ২০২৪রাত্রি ৭:৩০ মিনিটরাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম
রাজস্থান বনাম দিল্লি২৮ মার্চ, ২০২৪রাত্রি ৭:৩০ মিনিটসওয়াই মানসিংহ ইন্ডোর স্টেডিয়াম
বেঙ্গালুরু বনাম কলকাতা২৯ মার্চ, ২০২৪রাত্রি ৭:৩০ মিনিটএম. চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম
লাখনৌ বনাম পাঞ্জাব৩০ মার্চ, ২০২৪রাত্রি ৭:৩০ মিনিটএকনা ক্রিকেট স্টেডিয়াম
গুজরাত বনাম হায়দ্রাবাদ৩১ মার্চ, ২০২৪বিকাল ৩:৩০ মিনিটনরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম
দিল্লি বনাম চেন্নাই৩১ মার্চ, ২০২৪রাত্রি ৭:৩০ মিনিটডাঃ ওয়াই. এস. রাজশেখর রেড্ডি এসিএ-ভিডিসিএ ক্রিকেট স্টেডিয়াম
মুম্বাই বনাম রাজস্থান১ এপ্রিল, ২০২৪রাত্রি ৭:৩০ মিনিটওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম
বেঙ্গালুরু বনাম লাখনৌ২ এপ্রিল, ২০২৪রাত্রি ৭:৩০ মিনিটএম. চিন্নাস্বামী স্টেডিয়াম
দিল্লি বনাম কলকাতা৩ এপ্রিল, ২০২৪রাত্রি ৭:৩০ মিনিটডাঃ ওয়াই. এস. রাজশেখর রেড্ডি এসিএ-ভিডিসিএ ক্রিকেট স্টেডিয়াম
গুজরাত বনাম পাঞ্জাব৪ এপ্রিল, ২০২৪রাত্রি ৭:৩০ মিনিটনরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম
হায়দ্রাবাদ বনাম চেন্নাই৫ এপ্রিল, ২০২৪রাত্রি ৭:৩০ মিনিটরাজীব গান্ধী আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম
রাজস্থান বনাম বেঙ্গালুরু৬ এপ্রিল, ২০২৪রাত্রি ৭:৩০ মিনিটসওয়াই মানসিংহ ইন্ডোর স্টেডিয়াম
মুম্বাই বনাম দিল্লি৭ এপ্রিল, ২০২৪বিকাল ৩:৩০ মিনিটওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম
লাখনৌ বনাম গুজরাত৭ এপ্রিল, ২০২৪রাত্রি ৭:৩০ মিনিটএকনা ক্রিকেট স্টেডিয়াম
অসমাপ্ত…

চাকরি ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় আসা গুরুত্বপূর্ণ সমাস- পর্ব ২

কর্মধারয় সমাস

বিশেষ্য পদের সাথে বিশেষণ পদের যে সমাস হয়,তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।তবে পরপদের অর্থই প্রধান্য পায় এ সমাসে।

যেমন-বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু।

কর্মধারয় সমাস প্রধানত ৪ প্রকার হয়ে থাকে।

১। মধ্যপদলোপী কর্মধারয়
২। উপমান কর্মধারয়
৩।উপমিত কর্মধারয়
৪। রূপক কর্মধারয়

মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস

ব্যাসবাক্যে মধ্যপদের লোপ বা লুপ্ত হয় যে কর্মধারয় সমাসে, তাকেই মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। ব্যাসবাক্যে শুধু পূর্বপদ ও পরপদ থাকবে, বাকি সব লোপ পাবে। যেমন-ঘি মাখানো ভাত = ঘিভাত।

তাহলে কিছু মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস জেনে নেয়া যাক-

  • চালে জন্মানো কুমড়া = চালকুমড়া
  • সিংহ চিহ্নিত মার্কা আসন= সিংহাসন
  • বিজয় নির্দেশক পতাকা= বিজয় পতাকা
  • ধর্ম বিহিত কার্য = ধর্মকার্য
  • সিংহ চিহ্নিত আসন= সিংহাসন
  • প্রাণ যাওয়ার ভয় = প্রাণভয়
  • মোম নির্মিত বাতি= মোমবাতি
  • ভিক্ষায় লব্ধ অন্ন= ভিক্ষান্ন
  • চিকিৎসা বিষয়ক শাস্ত্ৰ = চিকিৎসাশাস্ত্র
  • জ্যোৎস্না শোভিত রাত= জ্যোৎস্নারাত
  • মৌ আশ্রিত মাছি মৌমাছি = মৌমাছি
  • শিক্ষা বিষয়ক নীতি=শিক্ষানীতি
  • পল মিশ্রিত অন্ন= পলান্ন (পল অর্থ মাংস)
  • ধর্ম রক্ষার্থে ঘট= ধর্মঘট
  • জীবন রক্ষার্থে বীমা= জীবনবীমা
  • বাষ্প চালিত যান= বাষ্পযান
  • ঘরে আশ্রিত জামাই= ঘরজামাই 
  • হাতে চালিত পাখা= হাতপাখা
  • ষট অধিক দশ=ষোড়শ
  • রাষ্ট্র বিষয়ক নীতি= রাজনীতি
  • চিনি উৎপাদনের কল= চিনিকল
  • খেয়া পারাপারের ঘাট= খেয়াঘাট
  • আয়ের উপর কর= আয়কর
  • সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা
  • হাতে পরা হয় যে ঘড়ি= হাতঘড়ি

উপমান কর্মধারয় সমাস

উপমান অর্থ তুলনায় বা তুলনীয় বস্তু। প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয় উপমেয়, আর উপমান বলা হয়, যার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে তাকে । 

ব্যাসবাক্যে পূর্বপদ ও পরপদ দুয়ের মাঝে ন্যায়’ শব্দটি বসবে। যদি সম্পর্ক সত্য হয়, তবেই কেবল ‘ন্যায়’ বসবে।

তাহলে কিছু উপমান কর্মধারয় সমাস জেনে নেয়া যাক-

  • অরুণের ন্যায় রাঙা = অরুণরাঙা
  • তুষারের ন্যায় শীতল = তুষারশীতল
  • গো-র ন্যায় বেচারি = গো-বেচারি
  • শশকের ন্যায় ব্যস্ত= শশব্যস্ত
  • কাজলের ন্যায় কালো = কাজলকালো
  • বিড়ালের ন্যায় তপস্বী = বিড়ালতপস্বী
  • তুষারের ন্যায় ধবল = তুষারধবল
  • কুসুমের ন্যায় কোমল = কুসুমকোমল
  • বকের ন্যায় ধার্মিক = বকধার্মিক
  • গজের ন্যায় মূর্খ= গজমূর্খ
  • ঘনের ন্যায় শ্যাম= ঘনশ্যাম 
  • মিশির ন্যায় কালো = মিশকালো


উপমিত কর্মধারয় সমাস

উপমেয় পদের সাথে উপমানের যে সমাস হয়, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে। তবে এ সমাসে সাধারণ গুণের উল্লেখ থাকে না এবং উপমেয় পদটি পূর্বে বসে।

পূর্বপদ বা পরপদের মধ্যে পরোক্ষ বস্তুটির পরই ‘ন্যায়’ বসবে। এ সমাসের ব্যাসবাক্য দুইভাবে করা যায়।

তাহলে কিছু উপমিত কর্মধারয় সমাস জেনে নেয়া যাক-

  • চাঁদের ন্যায় মুখ=‘চাঁদমুখ’ (মুখ চাঁদের ন্যায়)
  • ফুলের ন্যায় কুমারী = ফুলকুমারী (কুমারী ফুলের ন্যায়)
  • সিংহের ন্যায় পুরুষ = পুরুষ সিংহ (পুরুষ সিংহের ন্যায়)
  • লতার ন্যায় বাহু = বাহুলতা (বাহু লতার ন্যায়)
  • পদ্মের ন্যায় আখি= পদ্ম আঁখি (আঁখি পদ্মের ন্যায়)
  • চাঁদের ন্যায় মুখ = চাঁদমুখ (মুখ চাঁদের ন্যায়)
  • কমলের ন্যায় কর = করকমল (কর কমলের ন্যায়)
  • পল্লবের ন্যায় কর = করপল্লব (কর পল্লবের ন্যায়)
  • পল্লবের ন্যায় অধর= অধরপল্লব (অধর পল্লবের ন্যায়)
  • লোচন পলাশের ন্যায় = পলাশলোচন
  • কপি ফুলের ন্যায় = ফুলকপি।

রূপক কর্মধারয় সমাস

উপমান হলো দৃশ্যমান বস্তু আর উপমেয় হলো অদৃশ্যমান বস্তু। এদের মধ্যে যদি অভিন্নতা কল্পনা করা হয় তাহলে রূপক কর্মধারয় সমাস হয়। 

এ সমাসে উপমেয়(অদৃশ্যমান) পদ পূর্বে বসে আর উপমান(দৃশ্যমান) পদ পরে বসে।সমস্যমান পদে ‘রূপ’ যোগ করে ব্যাসবাক্য গঠন করা হয়।

তাহলে কিছু রূপক কর্মধারয় সমাস জেনে নেয়া যাক-

  • প্রাণ রূপ পাখি = প্ৰাণপাখি
  • বিদ্যা রূপ সাগর= বিদ্যাসাগর
  • জীবন রূপ প্রদীপ = জীবন প্রদীপ
  • বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু
  • মন রূপ মাঝি = মনমাঝি
  • সুখ রূপ সাগর = সুখসাগর
  • প্রেম রূপ ডোর = প্রেমডোর
  • মোহ রূপ নিদ্রা= মোহনিদ্রা
  • শোক রূপ অনল = শোকানল
  • ভব রূপ নদী= ভবনদী
  • দিল রূপ দরিয়া= দিলদরিয়া

==========================================