fbpx
Saturday, March 2, 2024
spot_imgspot_img
Home Blog

বাংলা সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ

0

বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক হলো শব্দ। একটি বাক্যকে শ্রুতিমধুর করে উপস্থাপনের ক্ষেত্রে সমার্থক শব্দের গুরুত্ব অনেক। এক প্রতিশব্দও বলা হয়।

সম অর্থ সমান। তাহলে সমার্থক শব্দ বলতে সাধারণত বুঝায়, সমান অর্থ সম্পন্ন শব্দ’। একই অর্থ সম্পন্ন একাধিক শব্দকে সমার্থক বা প্রতিশব্দ বলে। আরও সহজ করে যদি বলা যায় তাহলে একাধিক শব্দ যখন একই অর্থ বহন করে তখন সেগুলোকে সমার্থক শব্দ বলা হয়।

একটি বাক্যে যখন একই শব্দ একাধিকবার ব্যবহার হয় তখন বাক্যটি শ্রুতিমধুরতা হারায়।সেক্ষেত্রে সমার্থক শব্দের ব্যবহারে একই শব্দের পুনরাবৃত্তি ঘটে না।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক-

অ-

অদম্য➟ ক্লান্তিহীন, শ্রান্তিহীন, অনলস, নিরলস, অক্লান্ত, উদ্যমী, পরিশ্রমী, অশ্রান্ত।

অক্ষত➟ সম্পূর্ণ, আস্ত, গোটা, অখন্ড, পূর্ণ, সমগ্র, সমাগ্রিক।

অনল ➟অগ্নিপাবক, আগুন, দহন, সর্বভূক, শিখা, হুতাশন, বহ্নি, বৈশ্বানর, কৃশানু, বিভাবসু, সর্বশুচি

অবাধ ➟ অপ্রতিবন্ধ, বাধাহীন, অবারিত, অবশীভূত।

অবকাশ ➟ সময়, ফূসরত, অবসর, ছুটি, সুযোগ, বিরাম।

অনঙ্গ ➟ কামদেব, মদন, অতনু, রতিপতি, মনসিজ, মনােজ।

অন্নদা ➟ অন্নপূর্ণা, ভগবতী, অন্নদাত্রী, দুর্গা, শিবপত্নী, উমা, অপর্ণা

অন্ধকার ➟ আঁধার, আন্ধার, তিমির, তমঃ, তমসা, তমিস্রা, আধিয়ার।

অন্তর ➟ পার্থক্য, তারতম্য, তফাৎ, ভেদ, মন, হৃদয়, ভিন্ন।

অক্ষয় ➟ চিরন্তন, ক্ষয়হীন, নাশহীন, অশেষ, অনন্ত, অব্যয়, অবিনাশী, অলয়, অনশ্বর, লয়হীন, 

               অমর, স্থায়ী।

অশ্রু ➟ চোখের জল, চোখের পানি

অখ্যাতি ➟ অপবাদ, কুখ্যাতি, নিন্দা, বদনাম, অপযশ, কুযশ।

অতনু ➟ মদন, অনঙ্গ, কাম, কন্দর্প

অঙ্গ➟ দেহ,দেহাংশ,অবয়ব,শরীর,তনু, গা, গাত্র, বপু, গতর,আকৃতি, কাঠামো।

অবস্থা➟ পরিবেশ,অবস্থান,দশা,প্রকার, রকম,গতিক, স্তিতি, ঘটনা,হাল,হালচাল,  ব্যাপার, প্রসঙ্গ,

               স্টাটাস।

আইন➟ বিধি, অনুবিধি, বিধান, উপবিধি, নিয়ম, বিহিতক, নিয়মাবলি, অধিনিয়ম, ধারা,

              বিল,কানুন, বিধিব্যবস্থা।

অতিশয় ➟ অতীব, অত্যধিক, অতিমাত্রা, অত্যন্ত, অতি, সাতিশয় ।

অটবী ➟ জঙ্গল,অরণ্য , কানন, কান্তার, বিপিন, বন।

অধিক ➟ অতিশয়, অতি, অতীব, অতিমাত্রা, অত্যন্ত অনেক, বহু, বেশি।

অল্প  ➟ কম, একটু সামান্য, তুচ্ছ, ঊষৎ, ক্ষুদ্র।

অর্থ ➟ টাকা, ধন, সম্পদ, ঐশ্বর্য, বিত্ত বৈভব।

আকার➟ আকৃতি, চেহারা, আদল, গড়ন, গঠন।

আশ্চর্য➟ অদ্ভুত,অপূর্ব, অলৌকিক, অপরূপ, অভিনব, বিস্ময়কর, আজব, তাজ্জব, 

             চমকপ্রদ, অবাক করা, মনোরম, সুন্দর।

আকুল➟ ব্যাকুল, কাতর, উৎসুক, কৌতূহলি।

আকাশ➟ অম্বর, নড, আসমান, দ্যুলােক, গগন, নভোঃ, নভোমণ্ডল, খগ, ব্যোম, অন্তরীক্ষ।

আরম্ভ ➟ গুরু, সূচনা, ভূমিকা, সূত্রপাত, প্রাবন্ত।

আরম্ভ➟ প্রথম, আদি , অগ্র, পূর্ব, প্রাচীন, মূল।

আদেশ ➟আজ্ঞা, হুকুম, অনুমতি, অনুশাসন, অনুজ্ঞা, নির্দেশ,অর্ডার ।

আলো ➟রশ্মি, দীপ্তি, প্রভা, নূর, আড্ডা, আলোক, জ্যোতি, কিরণ।

আমন্ত্রণ➟আহ্বান, নিমন্ত্রণ, সম্ভাষণ, অভ্যর্থনা, দাওয়াত, আহ্বান।

আনন্দ➟হর্ষ, আহ্লাদ, ফুর্তি, খুশি, আমোদ, মজা, পুলক, সুখ,তৃপ্তি,হরষ,সন্তোষ, পরিতোষ,

             প্রসন্নতা,হাসি, উল্লাস, মজা, তুষ্টি।          

আফসোস ➟ পরিতাপ, দুঃখ, খেদ অনুতাপ।

আধুনিক➟ সাম্প্রতিক, নবা, নবীন, বর্তমান, হালের।

আশ্চর্য ➟ বিস্ময়, চমক, অবাক।

আসল➟খাঁটি, মূল, মূলধন, যথার্থ, মৌলিক, প্রকৃত।

ইচ্ছা➟সাধ, আকাক্ষা, স্পৃহা, কামনা, বাসনা, অভিপ্রায়, অভীষ্ট, অভিলাষ, বাঞ্জা, আকাঙ্খা, মনোস্কােোনা।

ইঁদুর➟মূষিক, মূষা, চুহা।

ইদানিং➟ আজকাল, বর্তমান, সম্প্রতি, এখন, এখনকার।

ইতি ➟সমাপ্তি, শেষ, অবসান, সমাপন, ছেদ।

ঈশ্বর➟ ভগবান, আল্লাহ, খোদা, রব, সৃষ্টিকর্তা, স্রষ্টা।

উপকার➟ হিতকর, মঙ্গল, সাহায্য, অনুগ্রহ।

উপযুক্ত➟ উপযোগী, সমকক্ষ, সক্ষম।

উপকথা➟ উপাখ্যান, কাহিনি, গল্প, কেচ্ছা।

উপযুক্ত➟ উপযোগী, সমকক্ষ, সক্ষম।

উচিত ➟ যোগ্য, কর্তব্য, উপযুক্ত, ন্যায্য, সমীচীন।

উত্তর ➟ জবাব, প্রতিবাক্য, মীমাংশা, সাড়া, সিদ্ধা।

উত্তম ➟ভালো, অগ্রণী, অতুল, উৎকৃষ্ট, প্রকৃষ্ট, শ্রেষ্ঠ, সেরা, অতুলনীয়।

উজ্জ্বল➟ আলোকিত, প্রদীপ্ত, দীপ্তিমান, শােভমান, উদ্ভাসিত ভাস্বর, ঝলমলে, দীপ্ত।

উঁচু ➟সুউচ্চ, অত্যুচ্চ, উচ্চ, সমুন্নত, তুঙ্গ, আকাশ-ছোঁয়া, অভ্রভেদী, গগনচূম্বী।

উদাহরণ ➟ নমুনা, দৃষ্টান্ত, নজির, নিদর্শন, অতিষ্ঠা, উল্লেখ।

ঊর্ধ্ব ➟উন্নত, ঊর্ধ্বতন, উচ্চ, উপরিস্থ, ওপর।

ঊষা➟সকাল, প্রভাত, ভোর, প্রত্যুষ, ।

ঋন ➟দেনা, কর্জ,ধার।

ঋতু ➟কাল, আবর্ত,পরিক্রমা।

ঋষি ➟মুনী, যোগী, বেদমন্ত্র, রচয়িতা, অপস্বী, শাস্ত্রজ্ঞ।

ঋদ্ধ➟পুষ্ট, সমৃদ্ধ, উন্নত, সমৃদ্ধশালী, বিত্তশালী, কল্যাণকর, ঋদ্ধিমান।

একা ➟নিঃসঙ্গ,একক, একলা, কেবলমাত্র।

একতা ➟ঐক্য,একত্ব,একাত্মতা,ঐক্যবদ্ধ, মিলন,দল, অভেদ, সংগঠন, সংহতি, একীভাব।

একান্ত➟অত্যন্ত,নিতান্ত, নির্জন,ঐকান্তিক।

ঐশ্বর্য➟ ধন, সম্পদ ,বিত্ত, বৈভব, ঈশিত্ব, সিদ্ধি, বিভূতি,বসিত্ব,সম্পত্তি।

ঐক্য➟ মিল, একতা,একত্ব, অভিন্ন,ঐক্যবদ্ধ,অভেদ, সংগঠন, সংহতি, একীভাব ।

ঐতিহ্য➟ কিংবদন্তি, ঐন্দ্রজালিক, বিশ্রুতি, ইতিহাসলব্ধ গুণ। 

ঐরাবত ➟ হস্তি, হাতি, দ্বিপ, গজ, কুঞ্জর, নশ, বৃংগল।

ওজন –পরিমাপ, পরিমাণ, ক্ষমতা, শক্তি, গুরুত্ব, মর্যাদা।

ওঠা –উপরে চড়া, উত্থিত হওয়া, উদগত হওয়া,উত্তোলন করা, জাগরিত হওয়া,উত্থাপন করা।

ওজ্জ্বল — প্রখরতা,দীপ্তি, চাকচিক্য, উজ্জ্বলতা,চেকনাই।

ওষ্ঠ-অধর,ঠোঁট।

ঔদার্য ➟ মহানুভবতা, বদান্যতা, উদারতা, দয়া, উদারচিত্ত।

কোকিল ➟ বসন্তদূত,পরপুষ্ট পরভৃত, কলকণ্ঠ, পিক, অন্যপুষ্ট।

 কষ্ট ➟ দু:খ,যন্ত্রনা,মেহনত,আয়াস, ক্লেশ, পরিশ্রম ।

কঠিন  ➟দৃঢ়,শক্ত, জটিল,কঠোর, কড়া।

কপাল ➟ভাগ্য, ললাট, অদৃষ্ট, ভাল, নিয়তি, অলিক।

কুল ➟ গোত্র,গোষ্ঠী, জাতি,বংশ, গণ, সমূহ,বর্ণ, যূথ, শ্রেণী,জাত।

কূল ➟কিনারা,তীর, পাড়,তট।

কন্যা ➟তনয়া, মেয়ে, দুলালী, আত্মজা,দুহিতা,নন্দিনী, সূতা, পুত্রী।

কেনা  ➟ কেনাকাটা, খরিদ,সওদা।

কথা ➟কথন, বচন ,উক্তি, বাচ্য, ভাষ্য,বাণী।

কলহ ➟ঝগড়া, কোন্দল, বিরােধ, বিবাদ,বিসংবাদ, কাইয়া,দ্বন্দ্ব।

কলঙ্ক ➟দুর্নাম,  অপবাদ, দাগ,মালিন্য, কেলেঙ্কারী।

কল্যাণ ➟শুভ, মঙ্গল,কল্যাণযুক্ত, সমৃদ্ধি।

কিরণ ➟আভা,রশ্মি, প্রভা,অংশু।

কারণ ➟উদ্দেশ্য,হেতু, প্রয়োজন, মূল,নিমিত্ত।

কাঁদা  ➟কান্না, ক্রন্দন,কান্নাকাটি, রোদন, অশ্রুত্যাগ।

কাটা  ➟ খণ্ডন করা,কর্তন করা, খনন করা।

কেশ  ➟ চুল,অলক, কুন্তল, কবরী,চিকুর, বুঝল।

কৃষক ➟ চাষি, কর্ষক,কৃষিজীবী।

খ্যাতি ➟ সুনাম,সুযশ,সুখ্যাতি,যশ,প্রসিদ্ধি,নাম,প্রতিপত্তি,সুবাদ,প্রখ্যাতি,বিখ্যাতি,   নামযশ,নামডাক,প্রসার,প্রচার,হাতযশ,প্রতিষ্ঠা।

 খড়গ➟ কৃপাণ,তলােয়ার,অসি,তরবারি,শমসের,খঞ্জর!

খবর➟ সংবাদ,তত্ত্ব,সমাচার,বার্তা,উদন্ত,সন্দেশ,বৃত্তান্ত,তথ্য।

খুব➟ প্রচুর,অতি,প্রচণ্ড,ভীষণ,বেশ,অনেক,অত্যন্ত,উত্তম,অতিশয়

খর➟ তীব্র,প্রখর,তীক্ষ,কর্কশ,শাণিত।

খারাপ ➟ মন্দ, নিকৃষ্ট, কু, অভদ্র, বদ, নােংরা, নিকৃষ্ট, অশ্লীল, দুষ্ট, বিকল, নষ্ট।

খাঁটি ➟  বিশুদ্ধ,অকৃত্রিম,আসল,নির্ভেজাল,পবিত্র,প্রকৃত,বিশুদ্ধ,যথার্থ।

খেচর➟পাখি,বিহঙ্গ, চিরিয়া,পক্ষি, খচর,বিহঙ্গম, দ্বিজ,বিহগ, খগ

খোঁজা ➟  অন্বেষণ,অনুসন্ধান, সন্ধান, অন্বেষা, এষণা, তালাশ।

খাদ্য ➟  খাবার, আহার্য, ভোজ, অন্ন, রসদ,ভক্ষ্য, ভোজ্য, ভোজনীয়, 

             দানাপানি,খানা,অন্নজল । 

চলবে..

ঘুরে আসুন ভারতের মাঝে এক টুকরো বাংলাদেশ

1

আপনি জানেন কী বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ছিটমহল কোনটি? সহজ উত্তর, দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা। এর অবস্থান ভারতে হলেও ছিটমহলের সাথে যোগাযোগ স্থাপনকারী যে জায়গাটি আছে তাই তিন বিঘা করিডোর (Tin Bigha Corridor) নামে পরিচিত।

ইতিহাস কি বলছে
১৬ মে, ১৯৭৪ সালে ‘শেখ মুজিবুর রহমান-ইন্দিরা গান্ধীর চুক্তি’ অনুসারে বাংলাদেশ ও ভারত তিনবিঘা করিডরের সার্বভৌমত্ব পরস্পরের কাছে হস্তান্তর করেছিল। এর ফলে উভয়দেশেই তাদের ছিটমহলগুলো যথাক্রমে দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ও দক্ষিণ বেরুবাড়ীর যাতায়াতের সুবিধা হয়।

তিন বিঘা করিডোর (Tin Bigha Corridor) ভারতের মালিকানাধীন তিন বিঘা জায়গা জুড়ে অবস্থিত একটি স্বতন্ত্র ভূমি। করিডরটির অবস্থান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মেখলিগঞ্জ মহকুমায়, জেলা কোচবিহার। আর বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার একেবারে সীমান্তঘেষা এলাকায়।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে তিনবিঘার করিডোরটিকে উন্মুক্ত ঘোষণা করেন ১৯শে অক্টোবর ২০১১ সালে। ভারত ও বাংলাদেশ ২০১৫ সালে ছিটমহল বিনিময়ের পরে ভারতের মধ্যে থেকে যাওয়া একমাত্র ছিটমহল এটি।

ছবি: রবীন্দ্রনাথ বর্মন

দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা, এই গ্রাম দুটির সাথে বাংলাদেশের কোন স্পর্শ-কারি বিন্দু নেই। ২০১১ সালের আগে করিডোরটি দিনের ১২ ঘণ্টা জন্য খুলে দেয়া হতো। এতে করে দহগ্রাম-আঙ্গরপোতার মানুষগুলো কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হতো। কারণ সেই সময় ঐ গ্রামগুলোতে কোনো হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল না। কিন্তু ২০১১ সালের ৬ই সেপ্টেম্বর ঢাকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর মনমোহন সিং এর মধ্যে একটি চুক্তি হয় এর ফলে করিডোরটি ২৪ ঘণ্টাই উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়।

নামকরণ
বাংলায় আয়তন পরিমাপের একটি একক হলো ‘বিঘা’, এই ভূমিটির মোট আয়তন ১৬,১৫০ থেকে ৭২,৮৮০ বর্গফুট যা তিন বিঘার সমান। আর করিডোর একটি ইংরেজী শব্দ যার অর্থ ‘প্রবেশপথ’ সেকারণে এটি ‘তিনবিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত হয়।

কি আছে এখানে দেখার মতো
দহগ্রাম এবং আংগরপোতার জনসংখ্যা প্রায় ১৭ হাজার এবং আয়তন সর্বমোট ১৮.৬১ বর্গ কিলোমিটার। তিনবিঘা করিডোর বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে অবস্থিত, চারপাশে ভারতীয় ভূখণ্ড। বাংলাদেশকে দহগ্রামের সাথে যুক্ত রাখা করিডোরটির দৈর্ঘ্য ১৭৮ মিটার এবং প্রস্থ ৮৫ মিটার। মূলত এই করিডোরটি দেখতেই দর্শনার্থীদের ভিড় হয় কেননা চারিদিকে ভারত, আর মাঝখানের অংশটুকু বাংলাদেশের। ছোট্ট একটি রাস্তা বাংলাদেশের এই ভূখণ্ডকে আলাদা করেছে যা কিনা ভারতের।

ছবি: রবীন্দ্রনাথ বর্মন

দহগ্রাম-আঙ্গরাপোতা ছিটমহলটি দেশের সবচেয়ে বড় সিট মহল হওয়ায় অনেক দর্শনার্থী প্রতিবছর এই সিট মহল ও তিন বিঘা করিডোর ভ্রমণ করতে আসে। তাই পাট গ্রামের স্থানটি এখন লালমনিহাট জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন এখানে শত শত মানুষ দেখতে আসেন। তবে রাস্তা পারাপারের সময় ভারতীয় এলাকায় প্রবেশের জন্য নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তাই অবশ্যই এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

করিডোরটি পেরিয়ে একটু সামনে গেলেই আঙ্গুরপোতা এবং দহগ্রাম পরবে। এখানে এখানে একটি হাসপাতাল, সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, দহগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় ও পুলিশ ব্যারাক রয়েছে। তাছাড়া গ্রামের সৌন্দর্য তো আপনাকে অবাক করবেই, কেননা এর পাশ দিয়ে বয়ে গেছে তিস্তা নদী। একটু সময় নিয়ে এসব এলাকা ঘুরে দেখতে পারবেন।

কীভাবে যাবেন
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলা থেকে করিডরের দূরত্ব ৯ কিলোমিটার। লালমনিরহাট সদর থেকে সড়ক ও রেল পথে পাটগ্রামের দূরত্ব প্রায় ৮৫ কিলোমিটার। লালমনিরহাট বাস স্ট্যান্ড থেকে পাটগ্রামে পৌঁছতে সময় লাগবে প্রায় তিন ঘণ্টা। একইভাবে ট্রেনেও সময় লাগবে গড়ে তিন ঘণ্টা। লালমনিরহাট থেকে দিনে চারটি ট্রেন পাটগ্রাম যাতায়াত করে।

রংপুর থেকে লালমনিরহাট হয়ে পাটগ্রামের দূরত্ব প্রায় ১৩৩ কিলোমিটার। তবে রংপুর থেকে বাইপাসে পাটগ্রাম যাওয়ার জন্য মহিপুর ব্রিজ হয়ে কাকিনা, হাতিবান্ধা, বড় খাতা, বাউড়া হয়ে পাটগ্রামে পৌঁছানো যায় দ্রুত। যাতায়াতের জন্য ব্যবহার করতে পারেন ব্যাটারি চালিত অটো বা ভাড়ার মাইক্রোবাস। এসব মাইক্রোবাসে জনপ্রতি পাটগ্রাম যেতে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা লাগতে পারে। রংপুরের সাতমাথা হতে সরাসরি পাটগ্রামের বাস পাওয়া যায়।

পাটগ্রাম থেকে তিন বিঘা করিডোর যেতে পারেন ব্যাটারি চালিত অটোতে। জনপ্রতি ভারা লাগতে পারে ৩০ টাকা। আর রিকশায় যেতে হলে গুনতে হবে ৫০ থেকে ৬০ টাকা।

রাজধানী ঢাকা থেকে রংপুর, লালমনিরহাট জেলা সদর হয়ে সরাসরি বাসে পাটগ্রামে যাওয়া যায়। ঢাকার কল্যাণপুর এবং গাবতলী থেকে শাহ আলী পরিবহন, মানিক, এস আর, হানিফ, নাবিলসহ বেশকিছু বাস সরাসরি পাটগ্রাম যায়।

এছাড়া কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে শুক্রবার ব্যতীত ৬ দিন রাত ০৯ টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে যায় লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেন। ভাড়া গুনতে হবে ৫০০ টাকা থেকে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত আসনভেদে।
আর বিমান যোগে যেতে চাইলে ঢাকা থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দর পর্যন্ত গিয়ে পরবর্তীতে অন্যান্য যানবাহনে পাটগ্রাম যেতে পারবেন।

কোথায় থাকবেন
দহগ্রামে থাকার মতো তেমন কোনো ভালো আবাসিক হোটেল নেই। পাটগ্রামে থাকতে পারেন যেখানে বেশ কয়েকটি আবাসিক হোটেল পাবেন। তাছাড়া লালমনিহাট জেলা সদরেও কয়েকটি আবাসিক হোটেল আছে।

তিস্তা নদী, ছবি: রবীন্দ্রনাথ বর্মন

পাটগ্রাম উপজেলা থেকে মাত্র এগারো কিলোমিটার দূরেই দেশের অন্যতম বড় স্থলবন্দর বুড়িমারী। তাই এক ঢিলে দুই পাখি মারার মত পাটগ্রাম হয়ে বুড়িমারী দেখে আসতে পারেন। পাথরে ঘেরা বুড়িমারী আর ভারতের সীমান্তের ওপারে উকি দেওয়া কাঞ্চনজঙ্ঘা আপনাকে মুগ্ধ করবে। তাই এ সুযোগ হারাবেন না।

বিশেষ সহযোগীতায়
ইরফান হেসেন
রবীন্দ্রনাথ বর্মন

Insulin Plant ডায়াবেটিস চিকিৎসায় কতটা কার্যকর

0

ডায়াবেটিস একটি জটিল রোগ। এতে আক্রান্ত হলে গোটা জীবনই রোগটি বহন করতে হয়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি, খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনতে হয়। এই পরিবর্তনের মাধ্যমেই ভালো থাকার অভ্যাস তৈরির করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে জিনগত কারণেও ডায়াবেটিস হয়ে থাকে। পূর্বে বাবা-মা কারো ডায়াবেটিস হয়ে থাকলে বংশানুক্রমে সন্তানের মধ্যেও এই রোগটি বাসা বাঁধতে পারে।

রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে ইনসুলিন হরমোন। এই হরমোন শরীরে কম থাকলে বা কাজ না করতে পারলে দেখা দেবে মারাত্মক সমস্যা। এই পরিস্থিতিতে রক্তে শর্করার মাত্রা দিনকে দিন বাড়তে থাকে। আর এই অবস্থার নামই ডায়াবিটিস।

ডায়াবেটিস রোগটিকে ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে শরীরে একাধিক সমস্যা দেখা দেওয়া স্বাভাবিক। এক্ষেত্রে কিডনি, চোখ, স্নায়ু, হার্টের সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাছাড়া শরীরের কোথাও কেটে গেলে বা জখম হলে তা ঠিক হতে বেশ সময় লাগে ডায়াবেটিসের কারণে। তাই চিকিৎসকরা ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণ (Diabetes Control) করতে বলেন। ভালো খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রা নিয়ন্ত্রণ করেই কেবল সুস্থ থাকা যায়।

অনেক বছর ধরেই বিজ্ঞানীরা ডায়াবেটিস রোগটির চিকিৎসার আবিষ্কারের জন্য চেষ্টা করছেন। নিত্যনতুন গবেষণা চলছে এই রোগকে নিয়ে। বের হচ্ছে নতুন নতুন ওষুধ। তবে ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে এনসিবিআই (NCBI- National Center for Biotechnology Information) তাদের এক রিপোর্টে বলছে, ইনসুলিন প্ল্যান্ট  নামে একটি উদ্ভিদ সুগার নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে দারুণ কার্যকরী।

ইনসুলিন প্ল্যান্ট কী?

COSTUS IGNUS বা ইনসুলিন প্ল্যান্ট গাছটি কোস্টাসিয়া গোষ্ঠীর। এই গাছটি আপনার সুগার কমাতে পারে বলেই বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে। এই গাছটি সবচেয়ে বেশি এশিয়া মহাদেশে পাওয়া যায়। গাছের পাতায় আয়রন, প্রোটিন, ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। ইনসুলিন প্ল্যান্ট গাছটি রক্তে সুগার কমাতেও পারে।  

রক্তে সুগার কমাতে পারে গাছটি

ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতিদিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে ইনসুলিন গাছের পাতাতেই (Insulin Plant Leaves) হতে পারে সমস্যার সমাধান। ইনসুলিন গাছের পাতায় এমন কিছু উপাদান আছে যা আপনার সুগার কমাতে সাহায্য করবে। এছাড়াও গাছটির পাতায়  আয়রন, প্রোটিন, ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা আপনার শরীর ভালো রাখতে পারে। সুগার কমানোর পাশাপাশি শরীর সুস্থ রাখতে চাইলে ইনসুলিন গাছের পাতা প্রতিদিনই খেতে পারেন। 

​​সুগার কী ভাবে কমায়?

মনে প্রশ্ন আসছে পারে যে এই গাছটি কী ভাবে সুগার কমাতে পারে। গাছটির পাতায় রয়েছে কোরোসোলিক অ্যাসিড, এছাড়াও অন্যান্য উপাদান তো রয়েছেই। এর প্রতিটি যৌগ একত্রে মিলে অগ্ন্যাশয়ের উপর কাজ করে। এই যৌগগুলো প্যাংক্রিয়াস থেকে ইনসুলিন ক্ষরণ বাড়িয়ে দেয়, এর ফলে রক্তে গ্লুকোজের (Glucose) মাত্রা অনেকটাই বেড়ে যায়। 

ইনসুলিন প্ল্যান্টের পুষ্টিকর উপাদান

এই গাছের পাতায় রয়েছে নানা উপকারী উপাদান। গাছটির পাতায় প্রোটিন থেকে শুরু করে টেরপেয়নয়েডস, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিটা ক্যারোটিন, ফ্ল্যাভনয়েডস, আয়রন, অ্যাসকরবিক অ্যাসিড, কোরোসোলিক অ্যাসিড পাওয়া যায়। আর এই প্রতিটি পুষ্টিগুণই শরীরকে ভালো রাখার জন্য যথেষ্ট।  

​যে ভাবে ব্যবহার করবেন?

আপনি প্রতিদিনই একটি ইনসুলিন প্ল্যান্টের পাতা চিবিয়ে খেয়ে পারেন এর ফলে আপনার সুগারের মাত্রা কমে যাবে। এভাবে ১ মাস খেতে পারলে উপকার পাবেন। আপনি চাইলে এই পাতা সরাসরি না খেয়ে পাতাটিকে পাউডার হিসাবেও খেতে পারেন। এক্ষেত্রে এই পাওডার এক চামচ করে প্রতিদিন খেতে পারেন। এটিকে ধনিয়া পাতার বিকল্প হিসেবেও সালাদে ব্যবহার করতে পারেন।

সতর্কতা

  • পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে যেমন পেট খারাপ, ডায়রিয়া, মাথা ঘোরা
  • রক্তে শর্করার মাত্রা কমে যেতে পারে, বিশেষ করে যদি আপনি ইনসুলিন গ্রহণ করেন
  • প্রতিদিন একটির বেশি পাতা চিবিয়ে খেতে যাবেন না। দেখা দিতে পারে পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া।
  • সকল ধরনের  চিকিৎসার ক্ষেত্রে ডাক্তারি পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহণ করুন।
  • সঠিকভাবে গাছ নির্ণয় করুন। ইনসুলিন প্ল্যান্টের মতো দেখতে জঙ্গলে কিছু গাছ পাওয়া যায় যা ভুলেও খাবেন না।

এই গাছটি কম আলোতেও বেঁচে থাকতে পারে, তাই আপনার ঘর কিংবা অফিসের বারান্দায়  টবে রোপণ করতে পারবেন। তাই জীবন রক্ষা এবং ঘর সাজাতে ব্যবহার করতে পারেন এই ইনসুলিন প্ল্যান্ট।

কেন Eagle নিজের ঠোঁট ভেঙ্গে ফেলে?

0

যদি কোন বৃহৎ আকারের শক্তিধর, সুতীক্ষ্র শিকারি পাখির কথা বলা যায় তাহলে Eagle-এর নাম সবার আগে আসে। এটি Accipitridae পরিবারের একটি শিকারি সদস্য।

ঈগল তার জীবন দশার সারাটা সময় জঙ্গলে কাটাতেই পছন্দ করে। এর বেশ কয়েকটি প্রজাতি আছে। এদের বিভিন্ন বর্গে ও গণে ভাগ করা হয় এর প্রজাতির উপর ভিত্তি করে।

প্রাপ্তবয়স্ক একটি ঈগল প্রায় ৩০-৩৫ ইঞ্চি লম্বায় এবং প্রায় ৩০ কেজি ওজনের হয়ে থাকে। সবথেকে আশ্চার্যের বিষয় হলো প্রায় ১১ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়তে পারে প্রাপ্তবয়স্ক ঈগল।

এ পাখির খাদ্য তালিকায় আছে সাধারণত বানর, ছোট জাতের পাখি, টিকটিকি, সাপ এবং অন্যান্য ছোট ও মাঝারি আকারের পশু-পাখি। ঈগলের বড় অস্ত্র হলো তার নখ। এগুলো এতই তীক্ষ্ণ ধারালো যে,মূহুর্তে যেকোন শিকারকে ছিন্নভিন্ন করে দিতে পারে। নখ ব্যবহার করে প্রথমে শিকার করে এবং পরে শিকারকৃত প্রাণীকে অনেক উপরে নিয়ে, ফেলে দেয়। ফলে মারা যায় প্রাণীটি।

ঈগল বাসস্থান নির্মাণের জন্য ১০০ ফুট উপরের স্থান নির্বাচন করে। যেখানে স্বামী-স্ত্রী দু’জনে বসবাস করে এবং প্রজনন ঘটায়।

ঈগল প্রায় ৭০ বছর বাঁচে, যা অন্যান্য অনেক পশু-পাখির তুলনায় বেশি। তবে সাধারণ পাখির তুলনায় ঈগলের জীবনধারা অনেক ব্যতিক্রম। এরা তুলনামুলক কম শীত পছন্দ করে।

ঈগলকে সংগ্রামী পাখিও বলা যেতে পারে। এ পাখির গড় আয়ু ৭০ বছর হলেও জীবনের  চল্লিশটা বছর সংগ্রাম করেই কেটে দেয়। আর চল্লিশের পরের জীবনটা আরও করুণ।

কেন করুণ?

স্বাভাবিকভাবে ৪০ বছর পর্যন্ত এরা শিকার করতে পারে। এরপর এদের পালক গুলো বেশ ভারী ও ঠোঁটের সুচালো অংশটুকু বেশ বড় হয়। ফলে শিকার করতে বেশ সমস্যা হয়।

এসময় ঈগল তার জীবন যুদ্ধের চুড়ান্ত পর্যায়ে চলে আসে। পাখিটি তখন একটি উঁচু স্থানে যায় এবং পাথরের সাহায্যে নিজের ঠোঁট ভেঙ্গে ফেলে। পুরনো পালকগুলোও ফেলে দেয়। এসময় অন্যরকম যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়।

যেহেতু ঠোঁট ও পালকের সাহায্যে শিকার করতো সেহেতু এগুলোর অভাবে তা বন্ধ হয়ে যায়। যার কারণে তাকে তিন চার মাস না খেয়েই থাকতে হয়।

এমন কঠিন সিদ্ধান্তের কারণে অনেক ঈগল মারাও যায়। 

আর যেসব ঈগল এই তীব্র যন্ত্রনা সহ্য করে টিকে থাকে তারাই পরবর্তিতে সুস্থ স্বাভাবিক জীবন লাভ করে। অর্থাৎ শিকার করার জন্য ঈগলের নতুন পালক জন্ম নেয় আর ঠোঁট ফিরে পায় তার হারানো তীক্ষ্ণতা। পরবর্তী জীবনে আবারও সেই আকাশের সিংহের ন্যায় সে তার জীবন সংগ্রাম চালিয়ে যায়।

উৎপাদনে বাংলাদেশের সেরা ২০ চা বাগান

0

চায়ের ইতিহাস বাংলাদেশের জন্য তথা ভারতীয় উপমহাদেশের জন্য বেশ মজার। বৃটিশরা নাকি বাঙ্গালীদের বীনামূল্যে চা খাইয়ে অভ্যাসে পরিণত করেছে। যাই হোক এখন বাঙ্গালীর এক বেলা চা না খেলে যেন হয়ইনা।

ইংরেজীতে Tea বা চা বাংলাদেশের অন্যতম অর্থকারী ফসল। উৎপাদনের দিক থেকে চা অর্থনৈতিভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে রয়েছে। ব্রিটিশ শাসনামল থেকেই চা শিল্প চলে আসছে। ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি চা ব্যবসা শুরু করে ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামে।  চা শিল্পের জন্মস্থান বলতে মূলত চট্টগ্রামকেই বুঝি।

বাংলাদেশে সাধারণত উত্তর এবং পূর্বাঞ্চলীয় জেলা সমূহে চা উৎপাদন হয়ে থাকে। যার কারণ হলো উচ্চভূমি, উষ্ণ জলবায়ু, আর্দ্র এবং অতি বৃষ্টি প্রবণ এলাকা। উন্নতমানের চা উৎপাদনে এ  এলাকাসমূহ সাধারণত মোক্ষম পরিবেশ সৃষ্টি করে দেয়।

১৮৫৭ সালে সিলেটের মালনীছড়া চা বাগানের মাধ্যমেই বাণিজ্যিকভাবে প্রথম চা চাষ শুরু হয়।

বর্তমানে, বাংলাদেশে ২০৬ টি চা বাগান রয়েছে যার মাঝে ১৬৮টি বাণিজ্যিক চা এস্টেট রয়েছে। এই চা বাগান প্রত্য ও পরোক্ষভাবে ৪০ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিয়েছে। বাংলাদেশে  ২০৬ টি চা বাগান থাকলেও বর্তমানে ১৬৭টি নিবন্ধিত চা বাগান রয়েছে। এর  মধ্যে থেকে প্রথম সারির বা প্রধান ২০টি  চা বাগান সম্পর্কে জানা যাক-

প্রথম-

খৈয়াছড়া চা বাগানে দেশের সবচেয়ে ভালো মানের চা উৎপাদিত হয়। এটিই বাংলাদেশের চা বাগানের তালিকায় প্রখম বা  শীর্ষস্থানটি বরাবরের মতো ধরে রেখেছে। এ বাগানটি ডালু চা বাগান নামেই পরিচিত। খৈয়াছড়া বাগান সর্বোচ্চ ২৫৩.৪০ টাকা কেজি দরে ৮ লাখ ৪৩ হাজার ৭৯০ কেজি চা নিলামে বিক্রি করেছে ২০২০ সালের হিসাবে। এ বাগানটি ব্র্যাক পরিচালিত। এছাড়াও ব্র্যাকের পরিচালনায় আরও দুটি চা বাগান রয়েছে।

দ্বিতীয়-

তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মধুপুর বাগান। হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা অবস্থিত এ বাগান ২০২০ সালে ২৪৬.৯ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছে ১২ লাখ ৫৫ হাজার ৭৩০ কেজি চা।

তিৃতীয়-

দারাগাঁও চা বাগানটি তালিকার তৃতীয় অবস্থানে আছে। চুনারুঘাট,হবিগঞ্জে অবস্থিত চা বাগানটি ২০২০ সালে চা বিক্রি করেছে ২৩৮.৯২ টাকা কেজি দরে ৭ লাখ ৪১ হাজার ৪২৯ কেজি ।

চতুর্থ-

চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে  আমরাইল চা বাগান। এটি  চা বিক্রি করেছে ২৩১.৬৮ টাকা কেজি দরে ৯ লাখ ৫৮ হাজার ৮১৪ কেজি।

পঞ্চম-

পঞ্চম  অবস্থানে রয়েছে এইচআরসি গ্রুপের ক্লিভডন বাগান। এর অবস্থান কুলাউড়া, মৌলভীবাজার জেলায়। ৬ লাখ ১৩ হাজার ৩৮৭ কেজি চা ২৩০.৯৩ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছে ২০২০ সালে।

বিস্তারিত আসছে…

সবচেয়ে বেশি দর্শনীয় স্থান কোন জেলায়?

0

প্রশ্নটা যদি আপনাদের করা হয় তাহলে উত্তর কি হতে পারে?

এতক্ষণ নিশ্চয়ই ভাবতে বসে গেছেন। ঠিক তাই আজ আমরা কথা বলব দেশের সবচেয়ে বেশি পর্যটন স্পট আছে তেমন একটি জেলাকে নিয়ে অর্থাৎ বান্দরবান।

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় শহর চট্টগ্রাম, এর একটি জেলা বান্দরবান। এটি বাংলাদেশের সেরা পর্যটন স্পটের জেলা হিসেবে জনপ্রিয়। এখানকার প্রাকৃতিক ঐশ্বর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজর কাঁড়ে এর সবুজে ঢাকা পাহাড়,  উন্মুক্ত জলপ্রপাত এবং ক্ষুদ্র-নৃ গোষ্ঠীর সংস্কৃতি। 

চলুন জেনে নেওয়া যাক বান্দরবানের সেরা পর্যটন স্পটগুলো সম্পর্কে  

নীলগিরি, থানচি

নীলগিরি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪০০০ ফুট উপরে অবস্থিত। এটিই বাংলাদেশের অন্যতম উঁচু শৃঙ্গ। এই এলাকাটি পুরো মেঘে ঢেকে থাকার কারণে পর্যটকরা নীলগিরিকে নাম দিয়েছেন ‘মেঘের দেশ’। নীলগিরির সূর্যোদয়ের মুহূর্তটি আশ্চর্যজনক এবং কুয়াশাচ্ছন্ন শীতকালে এটি যেকোনো পর্যটককে বিমোহিত করবে। মনোরম হেলিপ্যাড নীলগিরির সবচেয়ে আকর্ষণীয় জায়গাগুলোর মধ্যে একটি। পর্যটন এলাকাটির নিরাপত্তায় নিযুক্ত আছে বাংলাদেশের সেনাবাহীনি।

চিম্বুক পাহাড়, থানচি

চিম্বুক পাহাড়, থানচি বান্দরবান জেলা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। চিম্বুক পাহাড়, থানচি বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম পর্বত। চান্দের গাড়ি দিয়ে চিম্বুক ভ্রমণের সময় এর চারপাশের প্রকৃতির দৃশ্য দেখা যায়। পর্যটকরা যখন এই জায়গা থেকে নিচের দিকে তাকায়, তখন তারা মেঘের ভেলা দেখতে পায়। বান্দরবান শহর থেকে পৌঁছাতে প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে বিকাল ৪টার পর চিম্বুক-থানচি রুটে কোনো যানবাহন চলে না। তাই চিম্বুক পাহাড়ে যেতে হলে বিকাল ৪টার আগেই যেতে হবে। পর্যটকরা চিম্বুক, নীলগিরি, মিলনছড়ি, এবং শৈলপ্রপাত ঝর্ণা একসঙ্গে দেখার জন্য গাড়ি ভাড়া করে।

নীলাচল, বান্দরবান সদর

নীলাচল বান্দরবানের প্রধান? শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে টাইগারপাড়ায় অবস্থিত। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে প্রায় ১৬শ ফুট উপরে অবস্থিত। এই স্পটে বর্ষা, শরৎ কিংবা হেমন্ত এই তিন ঋতুতেই মেঘ ছোঁয়া পাওয়া যায়। নীলাচলের বাইরের দিকটা ছিন্ন-ভিন্ন পাহাড় দ্বারা সাজানো হলেও ভেতরটা খুবই প্রশান্ত। কোথাও বিস্তীর্ণ দিগন্তের ঢালের রাস্তা, কোথাও পাহাড়ি পাড়া, আর তার সঙ্গে রূপালী নদী যেন শিল্পীর আঁকা ছবির মতো। মেঘহীন আকাশে নীলাচল থেকে কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়। শহর ছেড়ে চট্টগ্রামের পথে প্রায় তিন কিলোমিটার ছোট্ট রাস্তাটি নীলাচলের পথ। এই পথে প্রায় দুই কিলোমিটার পাহাড়ে উঠতে হবে। 

স্বর্ণ মন্দির, বান্দরবান

স্বর্ণ বৌদ্ধ মন্দিরটির আসল নাম বুদ্ধ ধাতু জাদি মন্দির, এটি বান্দরবানের সেরা পর্যটন স্পট সমূহের মথ্যে একটি। মায়ানমারের কারিগরদের কাঠের তৈরি এই অনন্য মন্দিরে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৌদ্ধমূর্তি রয়েছে। মন্দিরটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। এই স্বর্ণ মন্দিরে যেতে হলে অবশ্যই সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টার মধ্যে যেতে হবে। আর সকালে যেতে না চাইলে দুপুর পৌনে ১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সেখানে যাওয়া যায়। ২০ টাকা প্রবেশ ফি দিয়ে মন্দিরটিতে প্রবেশ করেন দর্শনার্থীরা। উপভোগ করতে পারেন এর স্থাপত্য এবং চারপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য।

বগালেক, রুমা

বগালেক অবস্থিত বান্দরবানের রুমা উপজেলায়। এটি নীল পানির লেক। এর সৌন্দর্য্য দেখতে প্রতি বছর প্রচুর পর্যটক আসেন এখানে। বর্ষাকালে রাস্তার বেহাল দশার কারণে বগালেকে যাওয়া বেশ কষ্টকর। শীতের মৌসুমে পর্যটকরা ক্যাম্প ফায়ার করতে পারেন, যেটি নিঃসন্দেহে একটি দারুণ স্মৃতি  হয়ে থাকবে। বান্দরবান থেকে রুমা বাজারের দূরত্ব ৪৮ কিলোমিটার। আর রুমা বাজার থেকে বগালেকের দূরত্ব ১৭ কিলোমিটার। বর্ষার সময় গাড়ি সরাসরি বগালেক পর্যন্ত যায় না। তাই প্রথমবার বগালেক যেতে হলে পায়ে হেঁটে যাওয়া জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।

শৈলপ্রপাত ঝর্ণা, থানচি

শৈলপ্রপাত ঝর্ণাটি বান্দরবানের থানচি থানায় অবস্থিত। জলপ্রপাতটি বান্দরবান শহর থেকে মাত্র ৮কিলোমিটার দূরে। ঠাণ্ডা এবং স্বচ্ছ পানির জলপ্রপাত এটি। স্বচ্ছ পানির নিচে প্রচুর পাথর দেখতে পারবেন। ঝর্ণাটি স্থানীয়দের জন্য বিশুদ্ধ পানির একটি বড় উৎস। জলপ্রপাতের বাইরে একটি বাজার রয়েছে  ঠিক আছে এই দুইটাযেখানে পর্যটকরা তাঁতের পণ্য এবং স্থানীয় খাদ্য সামগ্রী কিনতে পারবেন। জানতে পারবে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সংগ্রামী জীবন সম্পর্কে। বান্দরবানের অন্যতম আকর্ষণীয় চিম্বুক পাহাড় ও নীলগিরি পথের মাঝেই পড়ে শৈলপ্রপাত ঝর্ণাটি। তাই নীলগিরি ভ্রমণে গাড়ি মাঝ পথে থামিয়ে এই ঝর্ণার অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।

চলবে…

চাকরি ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় আসা গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ

এক কথায় প্রকাশ বা বাক্য সংক্ষেপণ

  • অকালে পক্ব হয়েছে যা – অকালপক্ব
  • অকালে উৎপন্ন-আকালিক, অকালজাত, অকালজ
  • অকর্মণ্য গবাদি পশু রাখার স্থান-পিঁজরাপোল
  • অকালে উৎপন্ন কুমড়া-অকালকুষ্মাণ্ড
  • অগ্রে গমন করে যে – অগ্রগামী
  • অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা – প্রত্যুদগমন
  • অগ্র–পশ্চাৎ ক্রম অনুযায়ী – আনুপূর্বিক
  • অগ্রে গমন করে যে-অগ্রগামী
  • অগ্রে জন্মেছে যে-অগ্রজ
  • অগ্রহায়ণ মাসে সন্ধ্যাকালীন ব্রত (কুমারীদের)-সেঁজুতি
  • অঙ্গীকৃত মাল তৈরির জন্য প্রদত্ত অগ্রিম অর্থ-দাদন
  • অতিশয় ঘটা বা জাকজমক-বড়ম্বর
  • অতর্কিত অবস্থায় আক্রমণকারী-আততায়ী
  • অতিক্রমের যোগ্য – অতিক্রমণী
  • অতিশয় ঘটা বা জাকজমক
  • অতি উচ্চ রোল – উতরোল
  • অতি উচ্চ ধ্বনি – মহাধ্বনি
  • অতিশয় রমণীয় – সুরম্য
  • অতি উচ্চ বিকট হাসি – অট্টহাসি
  • অতি আসন্ন –  অত্যাসন্ন
  • অতি শীতও নয়, অতি উষ্ণও নয়-নাতিশীতোষ্ণ
  • অতি উজ্জ্বল ও ফর্সা নারী-মহাশ্বেতা
  • অতিশয় হিসাবি-পাটোয়ারি
  • অতিকষ্টে যা নিবারণ করা যায় – দুর্নিবার
  • অতর্কিত অবস্থায় হত্যাকারী বা আক্রমণকারী–আততায়ী
  • অতীত কাহিনী-ইতিহাস
  • অতিথির আপ্যায়ন-আতিথ্য
  • অত্যাধিক সাহসী / সাহস আছে যার-দুঃসাহসী
  • অনশনে মৃত্যু-প্রায়
  • অনুসন্ধানের ইচ্ছা – অনুসন্ধিৎসা
  • অনুচিত বল প্রয়োগকারী – হঠকারী
  • অনুকরণ করার ইচ্ছা – অনুচিকীর্ষা
  • অনেক অভিজ্ঞতা আছে যার – বহুদর্শী
  • অনেকের মধ্যে একজন – অন্যতম
  • অনেক কষ্টে অধ্যয়ন করা যায় যা-দুরধ্যয়
  • অনায়াসে যা লাভ করা যায় – অনায়াসলভ্য
  • অন্য গতি – গত্যন্তর
  • অন্য কোনো কর্ম নেই যার – অনন্যকর্মা
  • অন্য উপায় নেই যার – অনন্যোপায়
  • অন্য কোনো গতি নেই যার – অনন্যগতি
  • অন্য বারে(অন্য সময়ে) – বারান্তর
  • অন্য দিকে মন যার – অন্যমনা
  • অন্য গতি নেই যার – অগত্যা
  • অন্যের মনোরঞ্জনের জন্য অসত্য ভাষণ-উপচার
  • অন্য কারো প্রতি আসক্ত হয়না যে নারী-অনন্যা
  • অন্য দেশ – দেশান্তর
  • অন্য গ্রাম – গ্রামান্তর
  • অন্য মত – মতান্তর
  • অন্য লোক – লোকান্তর
  • অন্য জন্ম – জন্মান্তর
  • অন্য কাল – কালান্তর
  • অন্তরের ভাব জানেন যিনি – অন্তর্যামী
  • অন্ধকার রাত্রি – তামসী
  • অন্তর্গত অপ যার – অন্তরীপ
  • অন্ত নেই যার – অনন্ত
  • অন্তরে যা ঈক্ষণ (দেখার) যোগ্য-অন্তরিক্ষ
  • অন্তরে জল আছে এমন (নদী)-অন্তঃসলিলা
  • অন্ন ভক্ষণ করে যে প্রাণ ধারণ করে – অন্নগতপ্রাণ
  • অন্ন-ব্যঞ্জন ছাড়া অন্য আহার্য-জলপান
  • অন্ধকার রাত্রি-তামসী
  • অবিবাহিত কন্যার গর্ভজাত সন্তান – কালীন
  • অবিবাহিত ব্যক্তি – অকৃতদার, অনূঢ়
  • অব্যক্ত মধুর ধ্বনি – কলতান
  • অবলীলার সঙ্গে সাবলীল
  • অবশ্যই যা হবে – অবশ্যম্ভাবী
  • অব্যক্ত মধুর ধ্বনি বা সুর-কলতান
  • অবশ্য হবে/ঘটবে যা-উন্নাসিক
  • অণুর ভাব-অণিমা
  • অণুকে দেখা যায় যার দ্বারা – অণুবীক্ষণ
  • অণ্বেষণ করার ইচ্ছা – অণ্বেষা
  • অণু থেকে তৈরি-আণবিক
  • অল্পকাল স্থায়িত্ব যার – ক্ষণস্থায়ী
  • অল্প কথা বলে যে – অল্পভাষী
  • অল্প পরিশ্রমে শ্রান্ত নারী – ফুলটুসি
  • অলংকারের ধ্বনি – শিঞ্জন
  • অক্ষিতে কাম যার (যে নারীর)-কামাক্ষী
  • অক্ষির অগোচরে – পরোক্ষ
  • অক্ষির সমক্ষে বর্তমান – প্রত্যক্ষ
  • অক্ষির সমীপে-সমক্ষ
  • অক্ষি পত্রের (চোখের পাতা) লোম-অক্ষিপক্ষ্ম
  • অহনের পূর্বাংশ – পূর্বাহ্ন
  • অহনের মধ্য অংশ – মধ্যাহ্ন
  • অহনের অপর অংশ – অপরাহ্ন
  • অহংকার নেই যার – নিরহংকার
  • অভিজ্ঞতার অভাব আছে যার – অনভিজ্ঞ
  • অভ্যন্তরে জল আছে যার-অন্তঃসলিল
  • অশ্বের চালক – সাদি, সারথি
  • অশ্ব রাখার স্থান – আস্তাবল
  • অধ্যাপনা করেন যিনি – অধ্যাপক
  • অর্ধেক সম্মত – নিমরাজি
  • অরিকে জয় করেছে যে – অরিজিৎ
  • অর্থহীন উক্তি – প্রলাপ
  • অস্ত্রের দ্বারা উপচার – অস্ত্রোপচার
  • অভ্রকে লেহন করে যে – অভ্রংলেহী
  • অপকার করার ইচ্ছা – অপচিকীর্ষা
  • অপনয়ন বা দূর করা যায় না যা-অনপনেয়
  • অপনয়ন বা দূর করা কষ্টকর যা-দূরপনেয়

  • আইন বিরোধী – বে–আইনি
  • আকাশ ও পৃথিবী – ক্রন্দসী
  • আকাশ মাধ্যমে আগতবাণী – আকাশবাণী
  • আকাশ স্পর্শ করে যা – আকাশস্পর্শী
  • আকাশে বেড়ায় যে – খেচর, আকাশচারী
  • আকাশে গমন করে যা- বিহগ/ বিহঙ্গ
  • আকাশে যে বিচরণ করে – নভোচারী
  • আকস্মিক দুর্দৈব – উপদ্রব
  • আকাশে উড়ন্ত ধূলিরাশি  : ধূলিপটল
  • আকালের বছর – দুর্বছর
  • আগামীকালের পরের দিন – পরশু
  • আগমনের কোনো তিথি নেই যার- অতিথি
  • আঘাতের বিপরীত – প্রত্যাঘাত, প্রতিঘাত
  • আঘাতের বদলে আঘাত – প্রত্যাঘাত, প্রতিঘাত
  • আত্মাকে অধিকার করে — অধ্যাত্ম
  • আমার সদৃশ – মাদৃশ
  • আত্মাকে অধিকার করে – অধ্যাত্ম
  • আবক্ষ জলে নেমে স্নান – অবগাহন
  • আলো ছড়ায় যে পাখি — আলোর পাখি
  • আরোহন করে যে – আরোহী
  • আরাধনার যোগ্য – আরাধ্য
  • আরোগ্য হওয়া কঠিন এমন- দুরারোগ্য
  • আদি নেই যার – অনাদি
  • আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত – আদ্যন্ত
  • আদব কায়দা জানে না যে- বেয়াদব
  • আপনাকে ভুলে থাকে যে – আত্মভোলা
  • আয়ুর জন্য হিতকর – আয়ুষ্য
  • আয় বুঝে যিনি ব্যয় করেন – মিতব্যয়ী
  • আহারে সংযম আছে যার- মিতাহারী 
  • আপনার রং লুকায় যে – বর্ণচোরা
  • আপনাকে কেন্দ্র করে যার চিন্তা – আত্মকেন্দ্রিক
  • আপনাকে যে পণ্ডিত মনে করে – পণ্ডিতম্মন্য
  • আপনাকে যে হত্যা করে – আত্মঘাতী
  • আপনাকে ভুলে থাকে যে — আত্মভোলা
  • আপনাকে কৃতার্থ মনে করেন যিনি – কৃতার্থম্মন্য
  • আট প্রহর যা পরা হয় – আটপৌরে
  • আশ্রয় করার যোগ্য- অনুজীব্য
  • আলোচনার বিষয়বস্তু — আলোচ্য
  • আদর পাচ্ছে যে- আদ্রিয়মাণ
  • আনুষ্ঠানিক ক্রিয়াকলাপ দ্বারা বেদপাঠ- স্বাধ্যায় 
  • আট মাসে জন্ম যার- আটাশে
  • আচারে যার নিষ্ঠা আছে – আচারনিষ্ঠ
  • আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস আছে যার – আস্তিক
  • আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস নেই যার – নাস্তিক
  • আজন্ম শত্রু – জাতমত্রু
  • আগুনের ফুলকি- স্ফুলিঙ্গ
  • আমিষের অভাব- নিরামিষ
  • আমার মতো দেখায় যাকে- মাদৃশ 
  • আনন্দের সঙ্গে বর্তমান- সানন্দ
  • আমৃত্যু যুদ্ধ করে যে- সংশপ্তক
  • আশীতে বিষ যার- আশীবিষ

ই-কার

  • ইন্দ্রকে জয় করেছে যে – ইন্দ্রজিৎ
  • ইন্দ্রজাল জানেন যিনি- সৌভিক/ঐন্দ্রজালিক 
  • ইন্দ্রিয়কে জয় করেছেন যিনি -জিতেন্দ্রিয়
  • ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ ‍যিনি- ইতিহাসবেত্তা 
  • ইতিহাস রচনা করেন যিনি- ঐতিহাসিক
  • ইতি মধ্যকার ঘটনা- ইদানীং
  • ইহার তুল্য বা সদৃশ- ঈদৃশ
  • ইহলোকে যা সামান্য নয় –অলোকসামান্য
  • ইহকাল সমন্ধীয়- ঐহিক
  • ইচ্ছার অনুরূপ বা অধীন- ঐচ্ছিক
  • ইচ্ছামত কাজ বা আচরণ যে করে-স্বেচ্ছাচারী
  • ইসলামি শাস্ত্র অনুযায়ী নির্দেশ – ফতোয়া
  • ইষ্টক নির্মিত গৃহ- অট্টালিকা
  • ইষ্টকে অতিক্রম না করে- যথেষ্ট
  • ইরাবতে জাত- ঐরাবত
  • ইক্ষু হতে জাত -ঐক্ষব
  • ঈ-কার 
  • ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস আছে যার- আস্তিক।
  • ঈশ্বরের বিষয়ে- ঐশ্বরিক  
  • ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস নেই যার- নাস্তিক
  • ঈশ্বরের ভাব – ঐশ্বর্য
  • ঈষৎ কম্পিত – আধুত
  •  ঈষৎ কৃষ্ণ – কালচে
  • ঈষৎ পীতবর্ণ- আপীত
  • ঈষৎ রক্তবর্ণ- আরক্ত
  • ঈষৎ উষ্ণ- কবোষ্ণ
  • ঈষৎ নীল/ঈষৎ নীল রঙবিশিষ্ট- আনীল 
  • ঈষৎ নীলবর্ণ – নীলাভ
  • ঈষৎ হাস্য – স্মিত
  • ঈষৎ আমিষ্য গন্ধবিশিষ্ট/ইষৎ আমিষ গন্ধ যার- আঁষেটে/আঁষটে
  • ঈষৎ রুগ্ন- রোগাটে
  • ঈষৎ মধুর- আমধুর
  • ঈষৎ মুক্ত- আমুক্ত
  • ঈষৎ রক্তবর্ণ- আরক্ত
  • ঈশ্বরের ভাব- ঐশ্বর্য 

উ-কার

  • উপকার করার ইচ্ছা- উপচিকীর্ষা
  • উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে- কৃতজ্ঞ
  • উপকারীর উপকার যে স্বীকার করে না- অকৃতজ্ঞ
  • উপকার করেন যিনি-উপকারক
  • উপকারের বদলে উপকার- প্রত্যুপকার
  • উপকারীর অপকার করে যে- কৃতঘ্ন
  • উপসনার যোগ্য- উপাস্য
  • উপন্যাস রচিয়তা- ঔপন্যাসিক
  • উপায় নেই যার- নিরুপায়
  • উপমা নেই যে নারীর- নিরুপমা
  • উপস্থিত আছে যা- বর্তমান
  • উপস্থিত বুদ্ধি প্রয়োগের ক্ষমতা- প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব
  • উদ্দাম নৃত্য- তাণ্ডব
  • উদ্ভিদের নতুন পাতা- পল্লব/কিশলয়
  • উদগীরণ করা হয়েছে এমন- উদগীর্ণ
  • উদিত হচ্ছে যা/উদিত হচ্ছে এমন- উদীয়মান
  • উদিত হয়নি যা- অনুদিত
  • উদর সম্পর্কিত- ঔদরিক
  • উচ্চকণ্ঠে গীত- উদ্ গীত
  • উচ্চ হাস্যকারী – অট্টহাসক
  • উচ্চারণ করা যায় না যা- অনুচ্চার্য
  • উচিত নয় যা- অনুচিত
  • উড়ন্ত পাখির ঝাঁক- বলাকা
  • উৎসবের নিমিত্ত নির্মিত গৃহ- মণ্ডপ
  • উত্তপ্ত করা হয়েছে- উত্তাপিত
  • উত্তর দিক সম্পর্কিত- উদীচ্য
  • উলু উলু ধ্বনি- অলোলিকা
  • উল্লেখ করা হয় না যা- উহ্য
  • যার অস্তিত্ব স্বীকার করা হয়- ঊহ্য
  • উভয় হাত যার সমান চলে- সব্যসাচী
  • উর্বর নয় যা- ঊষর

ঊ-কার

  • ঊর্ধ্ব দিকে গতি যার/ঊর্ধ্বদিকে গমন করে যে- ঊর্ধ্বগতি
  • ঊর্ধ্ব দিকে বিচরণ করে যে- ঊর্ধ্বচারী
  • ঊর্ধ্ব থেকে নেমে আসা- অবতরণ
  • ঊর্ধ্ব বাহু যার- উদ্বাহু
  • উর্ধ্ব মুখে সাঁতার- চিৎসাঁতার
  • ঊর্ণ নাভিতে যার- ঊর্ণনাভ
  • ঊরুর হাড়- ঊর্বস্থি
  • ঋ-কার
  • ঋণ দেয় যে- উত্তমর্ণ
  • ঋণ গ্রহণ করে যে/ঋণ নেয় যে- অধমর্ণ
  • ঋণ শোধে অসমর্থ যে- দেউলিয়া
  • ঋণী নন যিনি- অঋণী 
  • ঋণগ্রস্ত অবস্থা- ঋণিতা
  • ঋষির তুল্য- ঋষিতুল্য
  • ঋষির ন্যায়- ঋষিকল্প
  • ঋতুর সম্বন্ধে- আর্তব 
  • ঋতুতে ঋতুতে যজ্ঞ করেন যিনি- ঋত্বিক
  • ঋষির উক্তি- আর্য 
  • ঋজুর ভাব- আর্জব 
  • এ-কার
  • এইমাত্র জন্ম যার- সদ্যোজাত
  • একই সঙ্গে/একই সময়ে- যুগপৎ
  • একই সময়ে বর্তমান- সমসাময়িক
  • একই কালে বর্তমান- সমকালীন
  • এক যুগের শেষ ও অন্য যুগের শুরু- যুগসন্ধি
  • একবার সন্তান প্রসব করেন যিনি- কাকবন্ধ্যা
  • একবার শুনলেই যার মনে থাকে- শ্রুতিধর
  • একই বিষয়ে নিবিষ্ট চিত্ত যার- একাগ্রচিত্ত
  • একই মায়ের পুত্র/একই মাতার গর্ভ জাত ভাই- সহোদর
  • একই গুরুর শিষ্য- সতীর্থ
  •  একসঙ্গে যারা যাত্রা করে- সহযাত্রী
  • একস্থান থেকে অন্যস্থানে ঘুরে বেড়ায় যে- যাযাবর
  • একবার ফল দিয়ে মরে যায় যে গাছ- ওষধি
  • একদিকে গোঁ যার- একগুঁয়ে
  • এখনও যার শত্রু জন্মায়নি- অজাতশত্রু
  • এক ভাষার মধ্যে অন্য ভাষার প্রয়োগ- বুকনি
  • একের ভাব- একতা/ঐক্য
  • একের পরিবর্তে অনেক- বিকল্প
  •  একতানের ভাব- ঐকতান 
  • একমত হওয়ার ভাব- ঐকমত
  • এখন ভস্মে পরিণত হয়েছে- ভস্মীভূত
  • একদিনেই তিনটি তিথির সংযোগ- ত্র্যহস্পর্শ
  • একের পরিবর্তে অপরের সই- বকলম
  • এক তারযুক্ত বাদ্যযন্ত্র- একতারা
  • এক থেকে শুরু করে ক্রমাগত- একাদিক্রমে
  • এক দিকে দৃষ্টি যার- একচোখা
  • এক দিন আয়ু বিশিষ্ট- ঐকাহিক
  • একই অর্থের শব্দ- প্রতিশব্দ
  • এঁটেল ও বেলে মাটির মিশ্রণ- দোআঁশ

ঐ-কার

  • ঐশ্বর্যের অধিকারী যিনি- ঐশ্বর্যবান/ ভগবান
  • ঐতিহাসিক কালের পূর্ববর্তী- প্রাগৈতিহাসিক
  • ঐক্যের অভাব আছে যার- অনৈক্য

ও-কার

  • ওজন করে যে- তৌলিক
  • ওষ্ঠের দ্বারা উচ্চারিত- ওষ্ঠ্য
  • ওষ্ঠ ও অধর- ওষ্ঠাধর
  • ওষধি থেকে উৎপন্ন- ঔষধ
  • ওজন পরিমাপক- তুলাদণ্ড

    ঔ-কার
  • ঔষধি থেকে জাত- ঔষধ
  • সমস্ত পদ বাঔষধের আনুষঙ্গিক সেব্য- অনুপান
  • ঔষধের বিপণি – ঔষধালয়

চলবে…

বিশ্বেজুড়ে টমেটো কেন এত জনপ্রিয়?

শীতকালীন সবজিগুলোর মাঝে টমেটোর বেশ সুনাম রয়েছে। যদিও এ সবজি বার মাসেই চাষ হয়। তবে বিভিন্ন মৌসুমে টমেটোর স্বাদ ভিন্ন হয়ে থাকে। তবে টমেটো কাঁচা বা পাকা দুই অবস্থাতেই স্বাদে অতুলনীয়। সালাদে এ সবজির ব্যবহার বেশি হলেও খাবারের মান উন্নত করতে এর রয়েছে ব্যাপক ব্যবহার। এছাড়াও কেচাপ, সস এর মতো নানা মুখরোচক খাবারও তৈরি টমেটো থেকে।

টমেটোতে রয়েছে এ কে, বি১, বি৩, বি৫, বি৬, বি৭ ও সি’সহ নানা প্রাকৃতিক ভিটামিন এবং ফোলেট, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্রোমিয়াম, কোলিন, কপার এবং ফসফরাসের মতো খনিজও ।

টমেটোর মাঝে থাকা এই নানা উপাদান আমাদের শরীরে কীভাবে কাজ করে জেনে নেই-

রোগ প্রতিরোধে

টমেটোতে এতো পরিমাণ পুষ্টি আর ভিটামিন রয়েছে যা একজন মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ  বাড়াতে সাহায্য করে। নিয়মিত টমেটো খেলে শরীরের শক্তি বাড়ে ফলে শরীর সুস্থ থাকে।

স্ট্রেস কমাতে

আমরা তো জানি, বর্তমান সময়ের স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাকের মতো জটিল রোগের মূল কারণ হলো এই স্ট্রেস। কিন্তু এটা কি জানেন? টমেটো মানবশরীরের স্ট্রেস হরমোন কমাতে বেশ সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

 রক্তশূন্যতা দূরীকরণে

প্রতিদিন যদি দু-একটি করে টমেটো খান, তাহলে রক্তের কণিকাগুলো বৃদ্ধি পাবে। ফলে রক্তস্বল্পতা দূর হবে। পাশাপাশি রক্ত পরিষ্কার, হজম ভালো হবে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হবে।

ত্বকের যত্নে

Tomato juice

টমেটোর মাঝে লাইকোপিন নামে একটি উপাদান আছে যা ত্বকের ক্লিনজারে কাজ করে। ফলে ত্বক পরিষ্কার ও সতেজ করে এবং সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে। টমেটোর রস প্রতিদিন মুখে লাগালে ত্বক মসৃণ ও কোমল করে আর বলিরেখা রোধে কাজ করে। যাদের চর্মরোগ আছে, তারা যদি   প্রক্রিয়াজাত করে  টমেটো ব্যবহার করেন, তাহলে কার্যকরী ফল পাবেন। টমেটো আমাদের ত্বককে সুস্থ রাখার পাশাপাশি চোখকেও সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। 

সর্দি-কাশি প্রতিরোধে

সর্দি-কাশি রোধে যদি দুই একটি টমেটো দিয়ে সুপ তৈরি করে খাওয়া যায় তাহলে বেশ উপকার পাওয়া যায়। তাছাড়া হালকা জ্বরেও টমেটো খেলে উপকার পাওয়া যায়। 

ডায়াবেটিস রোধে

টমেটোতে থাকা ক্রোমিয়াম রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে বিধায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশ কার্যকরী। 

রক্তচাপ কমাতে 

টমেটোতে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি এবং পটাশিয়াম। যা কোলেস্টরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে রক্তচাপ কমাতে বেশ সহায়ক।

অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে 

টমেটোতে থাকা লাইকোপেন এবং ভিটামিন এ অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেশ উপকারী ভূমিকা রাখে। 

অরুচি রোধে 

যাদের মুখে রুচি কম এবং খিধে ভাবটা কম তারা কিন্তু টুকরো টুকরো করে টমেটো কেটে তার ওপর শুকনো আদার গুড়া ছিটিয়ে সামান্য লবণ মিশিয়ে খেতে পারেন তাহলে বেশ উপকার পাবেন।

হাড় মজবুত করতে 

মানব শরীরে হাড় গঠনে ক্যালসিয়ামের ভূমিকা অনেক। এই ক্যালসিয়াম আমরা টমেটোতে পেতে পারি। যা আমাদের দুর্বল হাড়গুলোকে মজবুত করতে সহায়তা করে।

এছাড়াও নিয়মিত টমেটো খেলে অর্শ, জন্ডিস, পুরোনো জ্বর নিরাময়ে বেশ উপকার আসে।

এগুলো ছাড়াও গর্ভবতী মা ও যাদের বাচ্চা হয়েছে তাদের শারীরিক ও মানসিক শক্তি বাড়তে নিয়মিত টমেটো খাওয়ালে উপকার পাওয়া যায়। 

টমেটোর এত গুন থাকলেও কিছু কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে:

এসিডিটি তৈরি করে

টমেটোতে থাকা ম্যালিক ও সাইট্রিক অ্যাসিড পাকস্থলীতে হজমে বাধা দেওয়ায় অ্যাসিড তৈরি করে। তবে রান্নার সময় টমেটোর খোসা ও বিচি ফেলে দিলে কিছুটা এসিডিটি কমাতে সাহায্য করে। 

অ্যালার্জি প্রবণতা বৃদ্ধি পায় 

টমেটোতে থাকা হিস্টামিন ত্বকে অ্যালার্জি তৈরি করতে পারে। ফলে মুখ ফুলে যাওয়া হাঁচি গলা জ্বালা ভাব দেখা দিতে পারে। 

কিডনিতে পাথর

টমেটো খেলেই কিন্তু  কিডনিতে পাথর হবে না। তবে যাদের কিডনিতে পাথর আছে তাদেরই টমেটো খেলে সমস্যা বাড়তে পারে। 

টমেটোতে থাকা অক্সলেট  উপাদানটি মানুষের কিডনিতে  অক্সালেট পাথর তৈরিতে সাহায্য করে। 

এছাড়াও যারা পেটের সমস্যায় ভোগেন তারা যদি অতিরিক্ত টমেটো খান,তবে সমস্যা বাড়তে পারে। তাছাড়া টমেটোতে থাকা যৌগ কিছু ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া তৈরি করে।

জনপ্রিয় International T20 League এর তালিকা

ক্রিকেটে মানেই অন্যরকম উত্তেজনা। ODI বা One Day International ও Test Cricket কে পিছনে ফেলে T20 এখন অনেক জনপ্রিয়। কম বেশি প্রতিটা দেশেই এখন T20 এর চাহিদা দিন কে দিন বেড়েই চলেছে।

এইতো বছর কয়েক আগের কথা ক্রিকেট ভক্তদের কাছে ODI এর জনপ্রিয়তা ছিল অন্যরকম। কিন্তু সময় পরিবর্তনের ফলে T20 এর জনপ্রিয়তাই আজ তুঙ্গে।

ক্রিকেটের এই ফরম্যাটে হরহামেসাই দেখা মেলে চার, ছয়ের ফুলঝরি। প্রতি বলেই টানটান উত্তেজনা লেগেই থাকে। কখনো চার, কখনো ছয়, কখনো আবার আউট। 

বর্তমানে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বেশকিছু T20 লিগ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এগুলো ICC এর অনুমোদনপ্রাপ্ত, তাই ইন্টারন্যাশনাল খেলোয়াররা সহজে অংশ নিয়ে তাদের পারফরমেন্সে তাক লাগিয়ে দেন দর্শকদের।  জনপ্রিয় কয়েকটি T20 লিগগুলোর  একটা সংক্ষিপ্ত তালিকা থাকছে আপনাদের জন্য…

এশিয়া 

  • Bangladesh Premier League, BPL (Bangladesh)
    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ হলো ICC অনুমোদিত বাংলাদেশের পেশাদার T20 ক্রিকেট লিগ। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ২০১২ সালে প্রথম বিপিএল আয়োজন করে। ২০১২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি BPL-এর প্রথম আসর শুরু হয়। এই আসরে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয় ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস। 
  • Indian Premier league, IPL (India)
    ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল),হলো ইন্ডিয়ান পেশাদার T20 ক্রিকেট লিগ। ২০০৮ সালের শুরুর দিকে বিসিসিআই একটি নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক T20 লিগ, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ঘোষণা করেন, যা ক্রিকেটবিশ্বে ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক T20 লিগের সূচনা ঘটায়। প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় রাজস্থান রয়্যালস এবং সর্বশেষ আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় চেন্নাই সুপার কিংস।   
  • Pakistan Super League, PSL (Pakistan)
    ২০১৬ সাল থেকে পাকিস্তান সুপার লিগ শুরু হয়। এখন পযন্ত ৮টি আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাকিস্তান সুপার লিগ (PSL) হল একটি পাকিস্তানি পেশাদার T20 ক্রিকেট লিগ। প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ইসলামাবাদ ইউনাইটেড এবং সর্বশেষ আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় লাহোর কালান্দার্স। 
  • International League T20, ILT20 (UAE)
    ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি২০-এর প্রথম আসর বসবে ২০২৪ সালে। International League T20 হল সংযুক্ত আরব আমিরাতের পেশাদার T20 ক্রিকেট লিগ। এটি আমিরাত ক্রিকেট বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত। 
  • Sri Lanka Premier league, LPL (Sri Lanka)
    ২০২০ সাল থেকে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত ৪টি আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ শ্রীলঙ্কার একটি পেশাদার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট লিগ। LPL প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল জাফনা স্ট্যালিয়নস এবং সর্বশেষ আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় বি-লাভ ক্যান্ডি।

ইউরোপ  

  • T20 Blast (England and Wales):
    টি২০ ব্লাস্ট বা স্পন্সরজনিত কারণে ভাইটালিটি টি২০ ব্লাস্ট (T20 Blast) হল ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড পরিচালিত ঘরোয়া T20 ক্রিকেট প্রতিযোগিতা, যা কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবগুলোর মধ্যে খেলা হয়। ২০০৩ সালে ইসিবি এটির সূচনা করে, এবং এটিই পৃথিবীর প্রথম পেশাদার T20 ক্রিকেট লিগ। এখন পযন্ত ২১টি আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল সারে লায়ন্স এবং সর্বশেষ আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় সমারসেট।
  • ইনসিঙ্গার দে বুফরট টুয়েন্টি ২০ কাপ, Dutch Twenty20 Cup (নেদারল্যান্ড):
    ২০০৭ সাল থেকে ২০১০ সাল পযন্ত ৪টি আসর অনুষ্ঠিত হয়।

ওশেনিয়া  

  • Big Bash League, BBL (Australia)
    ২০১১-১২ সাল থেকে বিগ ব্যাশ লিগ শুরু হয়। এখন পযন্ত ১৩টি আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিগ ব্যাশ লিগ, অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া পেশাদার T20 ক্রিকেট লিগ। ২০১১ সালে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়। এ প্রতিযোগিতাটি পূর্বতন T20 বিগ ব্যাশের স্থলাভিষিক্ত হয়। প্রতিযোগিতার শীর্ষ দুই দল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ T20 প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা লাভ করে।
  • HRV Cup (New Zealand)
    ২০০৫-০৬ সাল থেকে ২০১১-১২ সাল পর্যন্ত ৭টি আসর অনুষ্ঠিত হয়।
  • কেএফসি টুয়েন্টি২০ বিগ ব্যাশ (Australia)
    ২০০০৫-০৬ সাল থেকে ২০১১-১২ সাল পর্যন্ত ৬টি আসর অনুষ্ঠিত হয়। 

আমেরিকা

  • Caribbean Premier League, CPL (West Indies)
    ২০১৩ সাল থেকে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ শুরু হয়। এখন পযন্ত ১১টি আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে।
  • Major League Cricket, MLC (USA)
    ২০২৩ সাল থেকে মেজর লিগ ক্রিকেট শুরু হয়। এখন পযন্ত ১টি আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আফ্রিকা

  • SA20 (South Africa)
    ২০২২-২৩ সাল থেকে এসএ২০ লিগ শুরু হয়। এখন পযন্ত ২টি আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
  • CSA T20 চ্যালেঞ্জ (South Africa)
    ২০০৮-৯ সাল থেকে ২০১৭-২০১৮ সাল পযন্ত ১০টি আসর অনুষ্ঠিত হয়।  

রমজানের মূল আকর্ষণ ছোলা, কিছু কার্যকরী অবদান তবে সাবধান!

পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ছোলা বাঙালির খাবারের তালিকায় একটি পরিচিত নাম। এটি কাঁচা বা রান্না দু’ভাবেই খাওয়া যায়। রান্না করা ছোলা নাস্তায় বেশি ব্যবহার হয়। আর যারা স্বাস্থ্য সচেতন তারা মনে করেন সকালে খালি পেটে ভেজানো কাঁচা ছোলা খেলে বেশ উপকার পাওয়া যায়। আসলে কি তাই?

ছোলাতে রয়েছে প্রোটিন,কার্বোহাইড্রেট, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন বি-১ ও বি-২। বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন, খনিজ লবণ, ম্যাগনেশিয়াম এবং ফসফরাসও রয়েছে ছোলাতে। তাছাড়া ফ্যাট রয়েছে খুবই সামান্য পরিমাণে। আর কাঁচা ছোলার পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে।

তাহলে এবার জেনে নেয়া যাক, ছোলার কার্যকরী গুণাবলীগুলো-

গুণাবলী

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে

ডায়াবেটিস যেন আজকাল একটি সাধারণ রোগ হয়ে গেছে। তবে এ রোগ সম্পূর্ণ ভালো না হলেও নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আর নিয়ন্ত্রণ করতে দরকার সঠিক খাদ্যাভাস। সেজন্য বিশেষজ্ঞরা ছোলা খাওয়ার পরামর্শ দেন ডায়াবেটিস রোগীদের।

কাঁচা ছোলার মাঝে থাকা প্রোটিন, ফাইবার ও কার্বোহাইড্রেট রক্তে শর্করার পরিমাণকে নিয়ন্ত্রণ করে। গবেষণা বলছে, টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে হলে পানিতে ভেজানো ছোলা বেশ কার্যকরী।

কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে

খারাপ কোলেস্টেরল LDL-এর পরিমাণ যদি শরীরে বাড়তে থাকে তাহলে একাধিক সমস্যা হতে পারে। আর এই কোলেস্টেরলের প্রভাব সরাসরি মানুষের হার্টের উপর পড়ে। কাঁচা ছোলার মাঝে দ্রবণীয় ভোজ্য আঁশ উপাদানটি এটি নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে

উচ্চ রক্তচাপ কমাতে ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়াম বেশ কার্যকরী যা কাঁচা ছোলাতে রয়েছে। তাই যারা ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান তারা প্রতিদিন সকালে কাঁচা ছোলা খেতেই পারেন।

পরিপাকে সহায়তা করে

ভোজ্য আঁশ এমন উপাদান যা মানব শরীরের পরিপাকতন্ত্রে পরিপাকে সহায়তা করে হজমক্রিয়া সহজ করে। বিশ্বব্যাপি এই ভোজ্য আঁশের অভাব এক বিরাট সমস্যা। অথচ এটি খুব সহজেই ছোলাতে পেতে পারি।

ছোলাতে ‘র‌্যাফিনোজ’ নামক এক প্রকার দ্রবণীয় ভোজ্য আঁশ আছে, যা হজমে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠ্যকাঠিন্য দূর করে।

ক্যান্সার নিরাময়ে সহায়তা করে

মানুষের শরীরে থাকা জীবাণু ধ্বংস করতে ছোলা বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এছাড়াও মায়ের গর্ভে নতুন শরীর গঠণে এবং সুরক্ষা দেয় বিভিন্ন ক্ষতিকর উপাদান থেকে। এটি শরীরে ‘বিউটারেট’ নামক ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরি করে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ‘ফ্যাটি অ্যাসিড’ মানুষের শরীরের রোগাক্রান্ত ও মৃতপ্রায় কোষ নিরোসন করে ফলে সুস্থ কোষগুলো থাকে সুরক্ষিত। আর ‘কলোরেক্টাল ক্যান্সার’ দমন করে ছোলা এভাবেই কাজ করে।

শক্ত হাড় গঠণে

ভোজ্য আঁশ, ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম হাড়েকে সুস্থ রাখে আর তা শক্তিশালী করে। এসবকিছু আমরা ছোলাতে পেয়ে থাকি।

চুলের সুস্বাস্থ্যে

চুল ভাল রাখতে ভিটামিন বি-৬, এ এবং ম্যাঙ্গানিজ প্রয়োজন যা ছোলায় রয়েছে। তাছাড়া অকালে চুলে পাকা রোধে নিয়মিত ভেজানো ছোলা খাওয়া বেশ উপকারী।

বয়সের ছাপ এড়াতে

বয়সের ছাপ লুকাতে কে না চায়। ত্বকের বলিরেখা, শরীরের চামড়া কুচকানো এসব রোধে কাঁচা ছোলা ভীষন উপকারী।

রক্তাল্পতা কমাতে

রক্তাল্পতা রোধে আয়রনের ভূমিকা অনেক। যা ছোলায় পাওয়া যায়। এছাড়া অ্যানিমিয়ার সমস্যা কমাতে ভেজানো কাঁচা ছোলা খেলে উপকার পাওয়া যায়।

এই পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ছোলার তেমন কোন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া না থাকলেও রয়েছে কিছু সাবধানতা-

নিশ্চয়ই ভাবছেনে! ছোলা খেতে আবার কিসের সাবধানতা?

তাহলে জেনে নেয়া যাক-

কৌটাজাতকৃত ছোলায় সাবধানতা

বাজারে ছোলা দু’ভাবে পাওয়া যায়। কেজিদরে বিক্রয়জাত এবং কৌটাজাত। কৌটাজাত ছোলায় বিভিন্ন রাসায়ানিক ‘প্রিজারভেটিভ’ দ্বারা প্রক্রিয়াজাত হয়ে থাকে। যদি এক বছরের মধ্যেই খাওয়া হয় তবে কোন শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি হয়না। যদি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা হয় তখন কৌটায় মরিচা ধরার সম্ভবনা থাকে। আর তা ছোলায়  মিশে যেতে পারে। তাই এক বছরের মধ্যেই কৌটাজাত ছোলা শেষ করে ফেলুন।

কৌটাজাতকৃত ছোলার বিষক্রিয়া হতে সাবধান

‘ব্যাক্টেরিয়াম ক্লস্ট্রিডিয়াম বটুলিনাম’ নামক ব্যাক্টেরিয়া খাদ্যে ‘বটিউলিজম’ নামে বিষক্রিয়া তৈরি করে। কৌটাজাত ছোলা যদি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা না হয় তাহলে এই ব্যাক্টেরিয়া হতে পারে। এসব কৌটাজাত ছোলায় লবণ ও চিনি কম থাকে, ব্যাক্টেরিয়া জন্মানোর সম্ভাবনা একটু থেকেই যায়। কেননা, যে খাবারে লবণ ও চিনির মাত্রা কম থাকে এবং অক্সিজেন কম পৌঁছায় সেখানেই ব্যাক্টেরিয়া বাসা তৈরি করে।

পরিমাণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ

ছোলা এতোটা পুষ্টিকর খাবার যে, অনেকেই মনে করতে পারেন, বেশি খেলে হয়তো বেশি পুষ্টি পাব! কিন্তু এটা ঠিক না। কেননা, ছোলাকে ‘গ্লুটেন ফ্রি’ বলা যায় না। তাই বেশি খেলে সমস্যা হতে পারে।

পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ এই ছোলা সারাবছর খাওয়া হলেও রমজানে কিন্তু পরিমাণ বেড়ে যায়। কেন, এই পরিমাণ বেড়ে যায়?

যেহেতু ছোলাতে বিভিন্ন খাদ্য উপাদান প্রচুর পরিমাণে বিদ্যমান যা শরীরের বিভিন্ন ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। আর রমজান মাসে রোজা রাখার ফলে শরীরে ঘাটতির পরিমাণ বেড়ে যায়। যার ফলে ছোলার চাহিদাও বেড়ে যায়। ইফতারিতে ছোলার ভুনা এবং ছোলার বিরয়ানি হিসাবেই এই দু’ভাবেই বেশি খাওয়া হয়।

তাহলেই বোঝাই যায়, আমাদের দেশে ছোলা কতটা জনপ্রিয়।

আরও দেখুন

হার্ট ও চোখ ভালো রাখতে চান, ফুলকপি খান

WHO