fbpx
Friday, June 14, 2024
spot_imgspot_img
Home Blog

Raindrops: যে কারনে বৃষ্টির পানির ফোঁটা গোলাকৃতির

0
যে কারণে বৃষ্টির ফোঁটা গোলাকৃতির

বিশুদ্ধ পানির অপর নাম জীবন। পানি ছাড়া মানবজীবন অচল। দৈনন্দিন কাজে পানি ছাড়া যেন চলেই না। সারাক্ষণ যে পানি পানি করেন, কখনও খেয়াল করছেন পানি পড়ে যাওয়ার সময়ে এর ফোঁটাগুলো কেন গোল হয়ে পড়ে?

পানির ফোঁটা গোলাকার হওয়ার কারণ

পানির ফোঁটা গোলাকার হওয়ার মূল কারণই হলো পৃষ্ঠটান। কেননা, পৃষ্ঠটান তরলের এক বিশেষ ধর্ম। তরল পদার্থের বিশেষ কোনো আকার নেই। তরলের ভেতরে অণুগুলো অনেকটা মুক্তভাবে থাকে। আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে পৃষ্ঠটান আবার কি? 

পৃষ্ঠটান কী?

পৃষ্ঠটান হলো যখন তরল পদার্থ মুক্ত পৃষ্ঠে একটি রেখায় পড়তে থাকে, তখন ওই রেখার প্রতি একক দৈর্ঘ্যে, রেখার সঙ্গে লম্বভাবে পৃষ্ঠতল বরাবর এবং রেখার উভয় পাশে যে বল ক্রিয়া করে তাকে ওই তরলের পৃষ্ঠটান বলা হয়।

এখন তাহলে জেনে নেই, পানির ফোঁটা গোলাকার হওয়ার জন্য পৃষ্ঠটান কীভাবে দায়ী?

তরল পদার্থ কে যখন যে পাত্রে রাখা হয়, তরল পদার্থ তখন সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। এর মানে হলো, কোনো পৃষ্ঠতলে যেমন, একটা প্লেটে বা গাছের পাতার ওপর পানি রাখবেন, তখন তরল গোটা পৃষ্ঠের ওপর ছড়িয়ে পড়বে। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি কোনো বস্তুর ওপর রাখলে গোটা পৃষ্ঠ জুড়েই তা ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু পানি যদি কম বা খুব সামান্য রাখেন, আমরা যেটাকে ফোঁটা বলি, এই ফোঁটাগুলো কিন্তু গোটা পৃষ্ঠ জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে না। 

সাধারণ বিবেচনা বলে তেমনটাই হওয়া উচিত ছিল, কারণ পানির অনুগুলো মুক্তভাবে চলাচল করতে পারে। কিন্তু এটা পৃষ্ঠটানের কারণে হয় না। পৃষ্ঠটানের কারণে, তরল পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ থাকে। আবার এই আকর্ষণের কারণে তরলের ভেতরে থাকা পরমাণুগুলো চারপাশের অন্য সব অণুদের থেকে টান অনুভব করে। ডানে-বামে, ওপর-নিচে সব দিক থেকেই টান অনুভব করে। তাই একটা অণুর ওপর নিট আকর্ষণ বল শূন্য হয়।

এই বিষয়টা আরও সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। যেমন- একটি অণুর ডান পাশে একটি অণু আছে, বাম পাশে আর একটি অণু আছে। উভয়ে পরস্পরের বিপরীত দিক থেকে টানছে এবং টানের পরিমাণ উভয় দিকেই সমান। এর মানে হচ্ছে একটি অণু আর একটি অণুর টানকে ছিন্ন করে দিচ্ছে। এখন যদি সামনে-পেছনে এমন দুটো অণু থাকে, তাদের টানও পরস্পরকে ছিন্ন করে দেবে। ওপর-নিচের অণু এগুলোর ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার ঘটবে। তাই ঠিক মাঝখানের অণুগুলো কোনো টানই অনুভব করবে না। 

এখন ধরুন, একটা গ্লাসে পানি আছে। পানির অণুগুলোও সাজানো আছে। সব অনুর চারপাশে সমান অণু থাকে না। যে-সব অণুর চারপাশে সমান সংখ্যক অণু থাকে, সে অণু সবচেয়ে বেশি টান অনুভব করে। বিশেষ করে পানির গ্লাসের সব দিক থেকে কেন্দ্রে যে অণুটা থাকবে, সেটার টান একদম শূন্য। কেন্দ্রের পাশের অণুটার ওপর কিছুটা টান দেখা যাবে। কেন্দ্র থেকে যতই বাইরের দিকে যাবেন, তাদের আকর্ষণ মান তত বাড়তে থাকবে। পানির গ্লাসের ওপরের স্তরে যে অণুগুলো আছে, এই অণুগুলো টানের মান সবচেয়ে বেশি। এই অণুগুলো ডান-বাম সব দিক থেকেই টান অনুভব করে। কিন্তু ওপরে কোনো অণু না থাকার কারণে সেদিক থেকে কোনো টানই অনুভব করে না। তাই নিচের দিকে সবচেয়ে বেশি টান অনুভব করে। যা উপরের স্তরের অণুদের নিচের দিকে টানতে থাকে। 

এই ব্যাপারটা সবচেয়ে বেশি পানির গ্লাসের ক্ষেত্রে বোঝা যায়। গ্লাসের উপরের স্তরের অণুগুলো-তে উপরের দিক থেকে কোনো টান অনুভব করে না। কিন্তু গ্লাসের কিনারার দিকে বাড়তি টান থাকে। কেননা, গ্লাসের ঘনত্ব বেশি থাকে এবং অণুর সংখ্যাও একটা নির্দিষ্ট জায়গায় বেশি থাকে। এই কারণে যে-সব পানির অণু গ্লাসের ভেতরের দেয়াল ঘেঁষে থাকে, তা পাশের অণুগুলোর চেয়ে বেশি টান অনুভব করে। এ কারণেই উপরের স্তরের মাঝের অণুগুলো নিচের দিকে ঝুঁকে পড়ে। এ সময় পানির উপরের দিকটা অবতল হয়ে ওঠে। 

বৃষ্টি বা ট্যাপ কল থেকে ধীরে পড়া পানি গোলাকার ফোঁটায় পরিণত হয়। এর কারণ হলো, এসব ফোঁটায় ওপর-নিচ, ডান-বাম কোনো পাশেই কোনো দেয়াল থাকে না শুধু বাতাস থাকে। আর বাতাসের ঘনত্ব পানির চেয়ে অনেক কম আর  অণুর সংখ্যা বাতাসে থাকে। এ কারণে পানির ফোঁটায় থাকা অণুগুলো শুধু ভেতরের দিকেই টান অনুভব করে। সব দিকের অণুই ঝুঁকে পড়ে ফোঁটার কেন্দ্রের দিকে, তাই ফোঁটাগুলো গোলাকার রূপ নেয়।

সমতলে পানির ফোঁটা পুরোপুরি গোলাকার হয় না। 

সমতলে পানির ফোঁটা কেন গোলাকার হয় না?

সমতলে বা গাছের পাতার ওপর যে পানির ফোঁটা থাকে সেগুলোর চারপাশে কোনো দেয়াল থাকে না। কিন্তু নিচে  সমতল থাকার কারণে অণুর ঘনত্ব বেশি হওয়ায় বাইরের স্তরের অণুগুলো নিচের দিকে অর্থাৎ সমতলের দিকে টান অনুভব করে। তখন পানির ফোঁটা পূর্ণ গোলাকার না হয়ে অনেকটা ওপরের দিকে স্ফীত হয়ে উত্তল আকৃতিতে রূপ নেয়।

Advertisement

এশিয়া মহাদেশের দেশগুলোর নাম ও মুদ্রার নাম

0
Country and Currency
Country and Currency

Country and Currency

বিভিন্ন চাকরি ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় আসা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও সমাধান

দেশের নামমুদ্রার নাম
বাংলাদেশটাকা
পাকিস্তানরুপি
ভারতরুপি
নেপালরুপি
শ্রীলংকারুপি(৩৩তম বিসিএস)
মালদ্বীপরুপাইয়া (১১তম বিসিএস)
ভুটানগুলট্রাম (রাজশাহী  বিশ্ববিদ্যালয়, গ্রন্থাগার ও তথ্যবিজ্ঞান বিভাগঃ ০৫-০৬)
আফগানিস্তানআফগানি
মিয়ানমারকিয়াট (সঃ মাধ্যমিক শিঃ নিয়োগ- ২০০৮
সিঙ্গাপুরডলার
মালেশিয়ারিংগিট (খাদ্য অধিদপ্তরের সহকারী খাদ্য পরিদর্শক- ০৯, পূবালী ব্যাংক- ২০০০)
ইন্দোনেশিয়ারুপিয়া
ভিয়েতনামডং
থাইল্যান্ডবাথ
কম্বোডিয়ারিয়েল
লাওসকিপ
পূর্ব তিমুররুপাইয়া
ব্রুনাইডলার
ফিলিপাইনপেসো
কিরগিজিস্তানসোম
তুর্কমেনিস্তানমানাত
কাজাকিস্তানটেঙোর টেঙ্গে
তাজিকিস্তানরুবল
উজবেকিস্তানসোম
চীনইউয়ান (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বি ইউনিটঃ ০৬-০৭)
আজারবাইজানমানাত
উত্তর কোরিয়াওয়োন
দক্ষিণ কোরিয়াউয়ন (১৪ তম BCS)
জাপানইয়েন (সোনালী, জনতা, অগ্রণী এবং রূপালী ব্যাংকঃ সিনিয়র অফিনার- ১৯৯০)
মঙ্গোলিয়াতুঘরিক
তাইওয়ানতাইওয়ান ডলার
বাহরাইনদিনার
ইসরাইলশেকেল
ইরানরিয়াল
ইরাকদিনার (ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের টেলিফোন বোর্ডের সহকারী পরিচালক- ১৯৯৫)
জর্ডানদিনার
ওমানওমানি রিয়াল
কুয়েতদিনার
লেবাননপাউন্ড
সৌদি আরবরিয়েল (খাদ্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক- ১৯৯৬)
ইয়েমেনরিয়াল
কাতাররিয়াল
সিরিয়াপাউন্ড
তুরস্কলিরা
সংযুক্ত আরব আমিরাতদিরহাম (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ডি ইউনিটঃ ০৫–০৬)
ফিলিস্তিনদিনার

চলবে…

Advertisement

কবি সাহিত্যিকদের জন্ম ও মৃত্যু তারিখ

0
কবি সাহিত্যিকদের জন্ম ও মৃত্যু তারিখ
কবি সাহিত্যিকদের জন্ম ও মৃত্যু তারিখ

জানুয়ারি

  • জসীম উদ্দীন 

     জন্ম- ১ জানুয়ারি, ১৯০৩ 

     মৃত্যু- ১৪ই মার্চ, ১৯৭৬

  • অদ্বৈত মল্লবর্মণ

      জন্ম- ১জানুয়ারি, ১৯১৪

      মৃত্যু- ১৬ এপ্রিল, ১৯৫১

  • অক্ষয় কুমার বড়াল   

       জন্ম- ১৮৬০ 

       মৃত্যু – ১৯ জুন, ১৯১৯

  • স্বামী বিবেকানন্দ  

     জন্ম- ১২ জানুয়ারি, ১৮৬৩ 

     মৃত্যু– ৪ জুলাই, ১৯০২

  • গোবিন্দচন্দ্র দাস 

      জন্ম- ১৬ জানুয়ারি, ১৮৫৫  

      মৃত্যূ- ১ অক্টোবর, ১৯১৮

  • মাইকেল মধুসূদন দত্ত  

           জন্ম- ২৫ জানুয়ারি, ১৮২৪    

           মৃত্যু- ২৯ জুন, ১৮৭৩

  • শিবনাথ শাস্ত্রী     

      জন্ম- ৩১ জানুয়ারি, ১৮৪৭     

      মৃত্যু- ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯১৯

  • মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন

      জন্ম- ৩১ জানুয়ারি,১৯০৪

      মৃত্যু- ১৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭

ফেব্রুয়ারি

  • আহসান হাবীব

      জন্ম- ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯১৭  

      মৃত্যু- ১০ জুলাই, ১৯৮৫

  • প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় 

       জন্ম- ৩ ফেব্রুয়ারি, ১৮৭৩ 

       মৃত্যু– ৫ এপ্রিল, ১৯৩২

  • নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় 

      জন্ম- ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯১৮

      মৃত্যু– ৮ নভেম্বর, ১৯৭০

  • শঙ্খ ঘোষ 

     জন্ম- ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩২

     মৃত্যু- ২১ এপ্রিল, ২০২১  

  • সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত 

     জন্ম- ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৮৮২  

    মৃত্যু- ২৫ জুন, ১৯২২

  • আখতারুজ্জামান ইলিয়াস  

      জন্ম- ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৩ 

      মৃত্যু- ৪ জানুয়ারি, ১৯৯৭

  • আহমদ শরীফ 

      জন্ম- ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯২১ 

      মৃত্যু- ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯

  • জীবনানন্দ দাশ 

     জন্ম- ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৮৯৯ 

    মৃত্যু- ২২ অক্টোবর, ১৯৫৪

  • কালীপ্রসন্ন সিংহ 

       জন্ম- ২৩ ফেব্রুয়ারী, ১৮৪০ 

       মৃত্যু – ২৪ জুলাই, ১৮৭০

  • আবদুশ শাকুর 

      জন্ম- ২৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪১  

      মৃত্যু- ১৫ জানুয়ারি, ২০১

  • গিরিশচন্দ্র ঘোষ 

      জন্ম- ২৮ ফেব্রুয়ারী, ১৮৪৪  

      মৃত্যু- ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯১২

মার্চ

  • আশরাফ সিদ্দিকী 

      জন্ম- ১ মার্চ, ১৯২৭ 

      মৃত্যু- ১৯ মার্চ, ২০২০

  • মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ

     জন্ম- ২ মার্চ, ১৮৯৮  

    মৃত্যু- ২ নভেম্বর, ১৯৭৪

  • কুমুদরঞ্জন মল্লিক 

     জন্ম- ৩ মার্চ, ১৮৮৩

     মৃত্যূ- ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭০

  • নাসরীন জাহান 

      জন্ম- মার্চ ৫, ১৯৬৪

  • ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত 

      জন্ম- ৬ মার্চ, ১৮১২

       মৃত্যু – ২৩ জানুয়ারি, ১৮৫৯

  • আবু জাফর শামসুদ্দীন

      জন্ম- ১২ মার্চ, ১৯১১ 

      মৃত্যু- ২৪ আগস্ট, ১৯৮৮

  • রাজশেখর বসু  

     জন্ম- ১৬ মার্চ, ১৮৮০ 

     মৃত্যু- ২৭ এপ্রিল, ১৯৬০

  • বিমল মিত্র 

     জন্ম- ১৮ মার্চ , ১৯১২

     মৃত্যু- ২ ডিসেম্বর , ১৯৯১

এপ্রিল

  • শেখ ফজলুল করিম 

      জন্ম- ৯ এপ্রিল, ১৮৮২

      মৃত্যূ- ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৬

বাংলা 

      জন্ম- ৩০শে চৈত্র, ১২৮৯

  • দীনবন্ধু মিত্র  

       জন্ম- ১০এপ্রিল, ১৮৩০ 

         মৃত্যু – ১ নভেম্বর, ১৮৭৩

  • অমিয় চক্রবর্তী

     জন্ম- ১০ এপ্রিল, ১৯০১  

     মৃত্যু- ১২ জুন, ১৯৮৬

  • রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় 

     জন্ম- ১২এপ্রিল, ১৮৮৫

      মৃত্যূ-  ২৩মে, ১৯৩০

  • আনোয়ার পাশা

     জন্ম- ১৫ এপ্রিল, ১৯২৮ 

     মৃত্যু- ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১

  • দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার  

জন্ম- ১৫ এপ্রিল, ১৮৭৭  

মৃত্যু- ৩০ মার্চ, ১৯৫৭

  • হেমেন্দ্রকুমার রায় 

      জন্ম- ১৮ এপ্রিল, ১৮৮৮ 

      মৃত্যূ- ১৮ এপ্রিল,১৯৬৩

মে

  • মাহবুবুল আলম 

     জন্ম- ১ মে, ১৮৯৮ 

     মৃত্যু- ৭ আগস্ট, ১৯৮১

  • জাহানারা ইমাম 

     জন্ম- ৩ মে, ১৯২৯ 

     মৃত্যু- ২৬ জুন, ১৯৯৪

  • জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর   

       জন্ম- ৪ মে, ১৮৪৯   

       মৃত্যু- ৪ মার্চ, ১৯২৫

  • আলাউদ্দিন আল আজাদ 

     জন্ম-  ৬ মে, ১৯৩২  

     মৃত্যু- ৩ জুলাই, ২০০৯

  • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর  

     জন্ম-৭ মে, ১৮৬১   

     মৃত্যু– ৭ আগস্ট, ১৯৪১

     বাংলা

     জন্ম- ২৫ বৈশাখ, ১২৬৮ বঙ্গাব্দ

     মৃত্যু– ২২ শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ

  • নিরুপমা দেবী 

      জন্ম- ৭ মে, ১৮৮৩ 

     মৃত্যূ- ৭ জানুয়ারী, ১৯৫১

  • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

      জন্ম- ১৯ মে, ১৯০৮ 

      মৃত্যু- ৩ ডিসেম্বর ,১৯৫৬

  • কাজী নজরুল ইসলাম  

     জন্ম- ২৫শে মে, ১৮৯৯

     মৃত্যু- ২৯শে আগস্ট, ১৯৭৬

বাংলা

    জন্ম- ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৩০৬ বঙ্গাব্দ

   মৃত্যু- ১২ই ভাদ্র, ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ

  • মঈনুল আহসান সাবের 

       জন্ম- ২৬ মে, ১৯৫৮

জুন

  • ফররুখ আহমদ 

    জন্ম- ১০ জুন, ১৯১৮ 

    মৃত্যু– ১৯ অক্টোবর, ১৯৭৪

  • নির্মলেন্দু গুণ 

     জন্ম- ২১ জুন, ১৯৪৫, 

     বাংলা

     জন্ম- ৭ আষাঢ়, ১৩৫২ বঙ্গাব্দ

  • কালিদাস রায় 

      জন্ম- ২২ জুন, ১৮৮৯ 

     মৃত্যু- ২৫ অক্টোবর, ১৯৭৫

  • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়    

       জন্ম- ২৬ জুন, ১৮৩৮    

       মৃত্যু – ৮ এপ্রিল, ১৮৯৪

  • আশুতোষ মুখোপাধ্যায় 

       মৃত্যু- ২৯ জুন, ১৮৬৪

      মৃত্যু – ২৫ মে, ১৯২৪

  • আহমদ ছফা  

    জন্ম- ৩০ জুন, ১৯৪৩ 

    মৃত্যু- ২৮ জুলাই, ২০০১

জুলাই

  • জগদীশ গুপ্ত 

     জন্ম- ৫ জুলাই, ১৮৮৬ 

     মৃত্যু- ১৫ এপ্রিল, ১৯৫৭

বাংলা

    জন্ম-২২শে আষাঢ়, ১২৯২ বঙ্গাব্দ

  • মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ 

     জন্ম- ১০ জুলাই, ১৮৮৫  

     মৃত্যূ- ১৩ জুলাই, ১৯৬৯

  • আল মাহমুদ 

     জন্ম- ১১ জুলাই, ১৯৩৬ 

    মৃত্যু– ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

  • ইসমাইল হোসেন সিরাজী 

      জন্ম- ১৩ জুলাই, ১৮৮০ 

      মৃত্যু- ১৭ জুলাই, ১৯৩১

  • বিষ্ণু দে

      জন্ম- ১৮ জুলাই, ১৯০৯ 

      মৃত্যু- ৩ ডিসেম্বর, ১৯৮

  • দ্বিজেন্দ্রলাল রায় 

     জন্ম-১৯ জুলাই, ১৮৬৩ 

      মৃত্যু- ১৭ মে, ১৯১৩

  • বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় 

      জন্ম- ১৯ জুলাই, ১৮৯৯ 

     মৃত্যু– ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯

  • প্যারীচাঁদ মিত্র 

      জন্ম-২২ জুলাই, ১৮১৪

       মৃত্যু – ২৩শে নভেম্বর, ১৮৮৩

  • ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়   

      জন্ম- ২২ জুলাই, ১৮৪৭ 

       মৃত্যু- ৩ নভেম্বর, ১৯১৯

  • তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

     জন্ম- ২৩ জুলাই, ১৮৯৮ 

    মৃত্যু−সেপ্টেম্বর ১৪, ১৯৭১

  • রজনীকান্ত সেন  

     জন্ম- ২৬ জুলাই, ১৮৬৫  

     মৃত্যু- ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯১০

  • কাজী মোতাহার হোসেন  

     জন্ম- ৩০ জুলাই, ১৮৯৭ 

     মৃত্যু- ৯ অক্টোবর, ১৯৮১

 আগস্ট

  • বিশ্বজিৎ চৌধুরী 

       জন্ম- ১ আগস্ট, ১৯৬০

  • আবদুল মান্নান সৈয়দ  

     জন্ম- ৩ আগস্ট, ১৯৪৩  

    মৃত্যু- ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১০

  • প্রমথ চৌধুরী 

      জন্ম- ৭ আগস্ট, ১৮৬৮

      মৃত্যু- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৬

  • অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর  

      জন্ম- ৭ই আগস্ট, ১৮৭১

       মৃত্যু- ৫ই ডিসেম্বর, ১৯৫১ 

  • গিরিশ চন্দ্র সেন    

     জন্ম- আগস্ট ১৫ , ১৮৩৫ / ১৮৩৬  

      মৃত্যু- ১৫ আগস্ট, ১৯১০

  • বুলবুল চৌধুরী (কথাসাহিত্যিক) 

     জন্ম- ১৬ আগস্ট, ১৯৪৮ 

      মৃত্যু- ২৮ আগস্ট, ২০২১

  • জহির রায়হান

      জন্ম- ১৯ আগস্ট, ১৯৩৫ 

      মৃত্যু– ৩০ জানুয়ারি,  ১৯৭২

  •  রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী

      জন্ম-২২ আগস্ট, ১৮৬৪  

      মৃত্যু- ৬ জুন, ১৯১৯

সেপ্টেম্বর

  • আবুল মনসুর আহমেদ 

     জন্ম- ৩ সেপ্টেম্বর, ১৮৯৮

     মৃত্যু-১৮ মার্চ, ১৯৭৯

  • শেখ ওয়াজেদ আলি  

     জন্ম- ৪ সেপ্টেম্বর, ১৮৯০

     মৃত্যু- ১০ জুন, ১৯৫১

  • প্রেমেন্দ্র মিত্র 

     জন্ম- ৪ সেপ্টেম্বর, ১৯০৪ 

     মৃত্যু- ৩ মে, ১৯৮৮

  • রাজনারায়ণ বসু 

      জন্ম- ৭ সেপ্টেম্বর, ১৮২৬   

        মৃত্যু- ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৮৯৯

  • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় 

     জন্ম- ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৪ 

     মৃত্যু– ২৩ অক্টোবর, ২০১২

  • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় 

      জন্ম- ১২ সেপ্টেম্বর, ১৮৯৪ 

      মৃত্যু– ১ নভেম্বর, ১৯৫০

  • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

      জন্ম- ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৮৭৬  

      মৃত্যু– ১৬ জানুয়ারি, ১৯৩৮ 

       বাংলা  

      জন্ম- ৩১ ভাদ্র, ১২৮৩ 

       মৃত্যু- ২ মাঘ, ১৩৪৪ 

  • বিমল কর 

     জন্ম- ১৯ সেপ্টেম্বর, ১৯২১  

     মৃত্যু- ২৬ আগস্ট, ২০০৩

  • মুহম্মদ এনামুল হক

      জন্ম- ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯০২  

      মৃত্যু- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮২

  • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর    

      জন্ম- ২৬ সেপ্টেম্বর, ১৮২০  

       মৃত্যু – ২৯ জুলাই, ১৮৯১

  • রফিকুর রশীদ 

      জন্ম- ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৭

অক্টোবর

  • আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ 

                  জন্ম-১১ অক্টোবর, ১৮৭১ 

                  মৃত্যু- ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৩ 

  • নীলিমা ইব্রাহিম 

     জন্ম- ১১ অক্টোবর, ১৯২১

      মৃত্যু- ১৮ জুন, ২০০২

  •  কামিনী রায় 

      জন্ম-  ১২ অক্টোবর, ১৮৬৪  

     মৃত্যু- ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৩

  • রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ 

      জন্ম- ১৬ অক্টোবর, ১৯৫৬ 

       মৃত্যু- ২১ জুন, ১৯৯১

  • বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় 

      জন্ম- ২৪ অক্টোবর, ১৮৯৪   

     মৃত্যু- ৩০ জুলাই, ১৯৮৭

  • মোহিতলাল মজুমদার 

      জন্ম- ২৬ অক্টোবর, ১৮৮৮  

      মৃত্যু- ২৬ জুলাই, ১৯৫২

  • সুকুমার রায়   

     জন্ম- ৩০ অক্টোবর, ১৮৮৭  

     মৃত্যু– ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩

নভেম্বর

  • আবু ইসহাক

      জন্ম- ১ নভেম্বর, ১৯২৬ 

      মৃত্যু- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৩

বাংলা

   ১৫ কার্তিক, ১৩৩৩

  • দীনেশচন্দ্র সেন  

      জন্ম-৩ নভেম্বর, ১৮৬৬ 

      মৃত্যু- ২০ নভেম্বর, ১৯৩৯

  • কাজী ইমদাদুল হক   

     জন্ম- ৪ নভেম্বর, ১৮৮২ 

     মৃত্যু– ২০ মার্চ, ১৯২৬

  • হুমায়ূন আহমেদ 

     জন্ম- ১৩ নভেম্বর, ১৯৪৮ 

     মৃত্যু- ১৯ জুলাই, ২০১২

  • মীর মোশাররফ হোসেন     

      জন্ম- ১৩ নভেম্বর, ১৮৪৭  

      মৃত্যু- ১৯ ডিসেম্বর, ১৯১১

  • নীরদচন্দ্র চৌধুরী 

    জন্ম- ২৩ নভেম্বর, ১৮৯৭ 

    মৃত্যু- ১ আগস্ট, ১৯৯৯

  • নুরুল মোমেন  

      জন্ম- ২৫ নভেম্বর, ১৯০৮ 

      মৃত্যু- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯০

  • শক্তি চট্টোপাধ্যায় 

     জন্ম- ২৫ নভেম্বর, ১৯৩৩

     মৃত্যু– ২৩ মার্চ ১৯৯৫

  • মুহম্মদ আবদুল হাই  

     জন্ম- ২৬ নভেম্বর, ১৯১৯

     মৃত্যু- ৩ জুন, ১৯৬৯

  • সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়  

      জন্ম- ২৬ নভেম্বর, ১৮৯০ 

      মৃত্যু- ২৯ মে, ১৯৭৭

  • মুনীর চৌধুরী  

      জন্ম- ২৭ নভেম্বর, ১৯২৫ 

      মৃত্যু- ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১

  • যতীন্দ্রমোহন বাগচী 

     জন্ম-২৭ নভেম্বর, ১৮৭৮

      মৃত্যু – ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮

  • জগদীশ চন্দ্র বসু 

      জন্ম- ৩০ নভেম্বর, ১৮৫৮

      মৃত্যু  – ২৩ নভেম্বর, ১৯৩৭

ডিসেম্বর

  • মোহাম্মদ লুৎফর রহমান  

       জন্ম- ১৮৮৯

       মৃত্যু–১৯৩৬

  • গোলাম মোস্তফা 

     জন্ম- ১৮৯৭  

    মৃত্যু- ১৩ অক্টোবর, ১৯৬৪

  • শিবরাম চক্রবর্তী 

     জন্ম- ১৩ ডিসেম্বর, ১৯০৩

     মৃত্যু- ২৮ আগস্ট, ১৯৮০

  • হাছন রাজা 

      জন্ম- ২১ ডিসেম্বর, ১৮৫৪  

       মৃত্যু – ৬ ডিসেম্বর, ১৯২২

  • মুহম্মদ জাফর ইকবাল

      জন্ম- ২৩ ডিসেম্বর, ১৯৫২ 

Advertisement

টি ২০ বিশ্বকাপ ২০২৪ অংশগ্রহণকারী দলগুলোর খেলোয়াড়দের তালিকা ও ফিক্সচার

0

World cup T20 2024 Fixture

ক্রিকেট ইতিহাসে এই প্রথম ২০টি দল কোন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করছে। এর আগে কোন আসরেই এতগুলো দল অংশগ্রহণ করেনি। আইসিসির রাঙ্কিং অনুযায়ী প্রথম ৮টি দল সরাসরি অংশগ্রহণ করলেও, বাকি ১২টি দলকে কোয়ালিফাই রাউন্ড খেলতে হয়েছে। সেকারণে এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে বাড়তি আগ্রহ দেখা যাচ্ছে ক্রিকেট ভক্তদের মাঝে। 

দেশের নামঅধিনায়কের নাম 
বাংলাদেশনাজমুল হোসেন 
দক্ষিণ আফ্রিকাএইডেন মার্করাম
নেদারল্যান্ডসস্কট এডওয়ার্ডস
শ্রীলংকাওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা
নেপালরোহিত পৌডেল
ওয়েস্ট ইন্ডিজরোভম্যান পাওয়েল
নিউজিল্যান্ডকেইন উইলিয়ামসন
আফগানিস্তানরশিদ খান
পাপুয়া নিউ গিনিআসাদ ভালা
উগান্ডাব্রায়ান মাসাবা
ইংল্যান্ডজস বাটলার
অস্ট্রেলিয়ামিচেল মার্শ
স্কটল্যান্ডরিচি বেরিংটন
নামিবিয়াগেরহার্ড এরাসমাস
ওমানআকিব ইলিয়াস
ভারতরোহিত শর্মা
পাকিস্তানবাবার আজম
যুক্তরাষ্ট্রমোনাঙ্ক প্যাটেল
কানাডাসাদ বিন জাফর
আয়ারল্যান্ডপল স্টার্লিং

‘এ’ গ্রুপ  

  • ভারত 
  • পাকিস্তান  
  • যুক্তরাষ্ট্র  
  • কানাডা  
  • আয়ারল্যান্ড

ভারতের ১৫ সদস্যের দল (India)

  1. রোহিত শর্মা (অধিনায়ক) 
  2. হার্দিক পান্ডিয়া 
  3. যশস্বী জয়সোয়াল 
  4. বিরাট কোহলি 
  5. সূর্যকুমার যাদব 
  6. ঋষভ পন্ত 
  7. সঞ্জু স্যামসন 
  8. শিবম দুবে 
  9. রবীন্দ্র জাদেজা 
  10. অক্ষর প্যাটেল 
  11. কুলদীপ যাদব 
  12. যুজবেন্দ্র চাহাল 
  13. আর্শদীপ সিং 
  14. যশপ্রীত বুমরা 
  15. মোহাম্মদ সিরাজ  

রিজার্ভ খেলোয়াড়: শুবমান গিল, রিংকু সিং, খলিল আহমেদ ও আবেশ খান।

পাকিস্তানের ১৫ সদস্যের দল  (Pakistan)

  1. বাবর আজম (অধিনায়ক) 
  2. মোহাম্মদ রিজওয়ান 
  3. মোহাম্মদ আমির 
  4. শাহিন শাহ আফ্রিদি 
  5. নাসিম শাহ 
  6. শাদাব খান 
  7. ইমাদ ওয়াসিম 
  8. ইফতেখার আহমেদ 
  9. ফখর জামান 
  10. আব্বাস আফ্রিদি 
  11. আজম খান 
  12. সাইম আইয়ুব 
  13. আবরার আহমেদ 
  14. উসমান খান  
  15. হারিস রউফ। 

যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ সদস্যের দল (USA)

  1. মোনাঙ্ক প্যাটেল (অধিনায়ক) 
  2. অ্যারন জোন্স 
  3. আন্দ্রিস গুস 
  4. কোরি অ্যান্ডারসন 
  5. আলী খান 
  6. হারমিত সিং 
  7. জেসি সিং 
  8. মিলিন্দ কুমার 
  9. নিসর্গ প্যাটেল 
  10. নিতিশ কুমার 
  11. নোশতুশ কেনিজিগে 
  12. সৌরভ নেত্রবালকার 
  13. শ্যাডলি ফন শালকভিক 
  14. স্টিভেন টেলর 
  15. শায়ান জাহাঙ্গীর।

রিজার্ভ খেলোয়াড়: ইয়াসির মোহাম্মদ, গাজানন্দ সিং ও জুয়ানয় ড্রাইসডেল। 

কানাডার ১৫ সদস্যের দল (Canada)

  1. সাদ বিন জাফর (অধিনায়ক) 
  2. অ্যারন জনসন 
  3. ডিলন হেইলিগার 
  4. দিলপ্রীত বাজওয়া 
  5. হর্ষ ঠাকুর 
  6. জেরেমি গর্ডন 
  7. জুনাইদ সিদ্দিকী 
  8. কালিম সানা 
  9. কানওয়ারপাল তাঠগুর 
  10. নবনীত ঢালিওয়াল 
  11. নিকোলাস কার্টন 
  12. পরগাত সিং 
  13. রবীন্দ্রপাল সিং 
  14. রাইয়ানখান পাঠান 
  15. শ্রেয়াস মোভা। 

রিজার্ভ খেলোয়াড়: আম্মার খালিদ, তাজিন্দার সিং, আদিত্য বরদরাজন, যতীন্দর মাথারু ও প্রবীণ কুমার। 

আয়ারল্যান্ডের ১৫ সদস্যের দল  (Ire land)

  1. পল স্টার্লিং (অধিনায়ক) 
  2. মার্ক অ্যাডাইর 
  3. রস অ্যাডাইর 
  4. অ্যান্ড্রু বালবার্নি 
  5. কার্টিস ক্যাম্ফার 
  6. গ্যারেথ ডেলানি 
  7. জর্জ ডকরেল 
  8. গ্রাহাম হিউম 
  9. জস লিটল 
  10. ব্যারি ম্যাকার্থি 
  11. নিল রক 
  12. হ্যারি টেক্টর 
  13. লোরকান টাকার 
  14. বেন হোয়াইট 
  15. ক্রেগ ইয়াং। 

’বি’ গ্রুপ  

  • ইংল্যান্ড 
  • অস্ট্রেলিয়া 
  • স্কটল্যান্ড 
  • নামিবিয়া 
  • ওমান

ইংল্যান্ডের ১৫ সদস্যের দল  (England)

  1. জস বাটলার (অধিনায়ক) 
  2. মঈন আলী 
  3. জোফরা আর্চার 
  4. জনি বেয়ারস্টো 
  5. হ্যারি ব্রুক 
  6. স্যাম কারেন 
  7. বেন ডাকেট 
  8. টম হার্টলি 
  9. উইল জ্যাকস 
  10. ক্রিস জর্ডান 
  11. লিয়াম লিভিংস্টোন 
  12. আদিল রশিদ 
  13. ফিল সল্ট 
  14. রিস টপলি 
  15. মার্ক উড। 

অস্ট্রেলিয়ার ১৫ সদস্যের দল  (Australia)

  1. মিচেল মার্শ (অধিনায়ক) 
  2. অ্যাশটন অ্যাগার 
  3. প্যাট কামিন্স 
  4. টিম ডেভিড 
  5. নাথান এলিস 
  6. ক্যামেরন গ্রিন 
  7. জশ হ্যাজলউড 
  8. ট্রাভিস হেড 
  9. জস ইংলিশ 
  10. গ্লেন ম্যাক্সওয়েল 
  11. মিচেল স্টার্ক 
  12. মার্কাস স্টয়নিস 
  13. ম্যাথু ওয়েড 
  14. ডেভিড ওয়ার্নার 
  15. অ্যাডাম জাম্পা।

স্কটল্যান্ডের ১৫ সদস্যের দল  (Scotland)

  1. রিচি বেরিংটন (অধিনায়ক) 
  2. ম্যাথু ক্রস 
  3. ব্র্যাড কুরি 
  4. ক্রিস গ্রিভস 
  5. ওলি হ্যারিস 
  6. জ্যাক জারভিস 
  7. মাইকেল জোন্স 
  8. মাইকেল লিস্ক 
  9. ব্রান্ডন ম্যাকমুলেন 
  10. জর্জ মানসি 
  11. সাফিয়ান শরীফ 
  12. ক্রিস সোল 
  13. চার্লি টিয়ার 
  14. মার্ক ওয়াট 
  15. ব্র্যাড হুইল।  

নামিবিয়ার ১৫ সদস্যের দল  (Namibia)

  1. গেরহার্ড এরাসমাস (অধিনায়ক) 
  2. জেইন গ্রিন 
  3. মাইকেল ফন লিনগেন 
  4. ডিলান লাইশার 
  5. রুবেন ট্রাম্পেলমান 
  6. জ্যাক ব্রাসেল 
  7. বেন শিকোঙ্গো 
  8. তেনজেনি লুঙ্গামেনি 
  9. নিকো ডাভিন 
  10. জেজে স্মিট 
  11. ইয়ান ফ্রাইলিঙ্ক 
  12. জেপি কোটজে 
  13. ডেভিড ভিসা 
  14. বার্নার্ড শোলৎজ 
  15. ম্যালান ক্রুগার 
  16. পিটার ড্যানিয়েল ব্লিগনট।

ওমানের ১৫ সদস্যের দল (Oman)

  1. আকিব ইলিয়াস (অধিনায়ক) 
  2. জিশান মাকসুদ 
  3. কাশ্যপ প্রজাপতি 
  4. প্রতীক আঠাবলে 
  5. আইয়ান খান 
  6. শোয়েব খান 
  7. মোহাম্মদ নাদিম 
  8. নাসিম খুশি 
  9. মেহরান খান 
  10. বিলাল খান 
  11. রফিউল্লাহ 
  12. কলিমউল্লাহ 
  13. ফাইয়াজ বাট 
  14. শাকিল আহমেদ 
  15. খালিদ কাইল। 

রিজার্ভ খেলোয়াড়: জয় ওদেদরা, যতীন্দর সিং, সময় শ্রীবাস্তব, ও সুফিয়ান মেহমুদ। 

‘সি’ গ্রুপ

  • ওয়েস্ট ইন্ডিজ 
  • নিউজিল্যান্ড 
  • আফগানিস্তান 
  • পাপুয়া নিউ গিনি 
  • উগান্ডা 

ওয়েস্ট ইন্ডিজের ১৫ সদস্যের দল (West Indies)

  1. রোভম্যান পাওয়েল (অধিনায়ক) 
  2. আলজারি জোসেফ 
  3. জনসন চার্লস 
  4. রোস্টন চেজ 
  5. শিমরন হেটমায়ার 
  6. জেসন হোল্ডার 
  7. শাই হোপ 
  8. আকিল হোসেন 
  9. শামার জোসেফ 
  10. ব্র্যান্ডন কিং 
  11. গুড়াকেশ মোতি 
  12. নিকোলাস পুরান 
  13. আন্দ্রে রাসেল 
  14. শেরফান রাদারফোর্ড 
  15. রোমারিও শেফার্ড। 

নিউজিল্যান্ডের ১৫ সদস্যের দল (New Zealand)

  1. কেইন উইলিয়ামসন (অধিনায়ক) 
  2. ফিন অ্যালেন 
  3. ট্রেন্ট বোল্ট 
  4. মাইকেল ব্রেসওয়েল 
  5. মার্ক চ্যাপম্যান 
  6. ডেভন কনওয়ে 
  7. লকি ফার্গুসন 
  8. ম্যাট হেনরি 
  9. ড্যারিল মিচেল 
  10. জিমি নিশাম 
  11. গ্লেন ফিলিপস 
  12. রাচিন রবিন্দ্র 
  13. মিচেল স্যান্টনার 
  14. ইশ সোধি 
  15. টিম সাউদি। 

রিজার্ভ খেলোয়াড়: বেন সিয়ার্স।

আফগানিস্তানের ১৫ সদস্যের দল (Afghanistan)

  1. রশিদ খান (অধিনায়ক) 
  2. রহমানউল্লাহ গুরবাজ 
  3. ইব্রাহিম জাদরান 
  4. আজমতউল্লাহ ওমরজাই 
  5. নজিবুল্লাহ জাদরান 
  6. মোহাম্মদ ইসহাক 
  7. মোহাম্মদ নবী 
  8. গুলবদিন নাইব 
  9. করিম জানাত 
  10. নানগায়াল খারোতি 
  11. মুজিব উর রেহমান 
  12. নুর আহমেদ 
  13. নাভিন-উল-হক 
  14. ফজলহক ফারুকী 
  15. ফরিদ মালিক। 

রিজার্ভ খেলোয়াড়: সেদিকউল্লাহ অটল, সালিম সাফি, ও হজরতউল্লাহ জাজাই।

পাপুয়া নিউ গিনির ১৫ সদস্যের দল (PNG)

  1. আসাদ ভালা (অধিনায়ক) 
  2. আলেই নাও 
  3. চ্যাড সোপার 
  4. চার্লস আমিনি 
  5. হিলা ভারে 
  6. হিরি হিরি 
  7. জ্যাক গার্ডনার 
  8. জন কারিকো 
  9. কাবুয়া মোরেয়া 
  10. কিপলিং দোরিগা 
  11. লেগা সিয়াকা 
  12. নরমান ভানুয়া 
  13. সেমা কামেয়া 
  14. সেসে বাউ 
  15. টনি উরা।

উগান্ডার ১৫ সদস্যের দল (Uganda)

  1. ব্রায়ান মাসাবা (অধিনায়ক) 
  2. সাইমন সেসাজি 
  3. রজার মুকাসা 
  4. কসমাস কিয়েউতা 
  5. দিনেশ নাকরানি 
  6. ফ্রেড আচেলাম 
  7. কেনেথ ওয়াসোয়া 
  8. আলপেশ রামজানি 
  9. ফ্র্যাঙ্ক এনসুবুগা 
  10. হেনরি সেনিওন্দো 
  11. বিলাল হাসুন 
  12. রবিনসন ওবুয়া 
  13. রিয়াজাত আলী শাহ 
  14. জুমা মিয়াজি 
  15. রোনাক প্যাটেল।  

রিজার্ভ খেলোয়াড়: ইনোসেন্ট এমওয়েবাজে ও রোনাল্ড লুটাইয়া। 

‘ডি’ গ্রুপ

  • বাংলাদেশ 
  • শ্রীলঙ্কা 
  • দক্ষিণ আফ্রিকা 
  • নেদারল্যান্ডস 
  • নেপাল 

বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের দল (Bangladesh)

  1. নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক) 
  2. তাসকিন আহমেদ (সহ-অধিনায়ক) 
  3. সাকিব আল হাসান 
  4. মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ 
  5. লিটন দাস 
  6. সৌম্য সরকার 
  7. তানজিদ হাসান 
  8. তানজিম হাসান 
  9. মোস্তাফিজুর রহমান 
  10. মেহেদী হাসান 
  11. তানভীর ইসলাম 
  12. জাকের আলী 
  13. রিশাদ হোসেন 
  14. শরীফুল ইসলাম 
  15. তাওহিদ হৃদয়। 

রিজার্ভ খেলোয়াড়: হাসান মাহমুদ ও আফিফ হোসেন। 

শ্রীলঙ্কার ১৫ সদস্যের দল (Srilanka)

  1. ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (অধিনায়ক) 
  2. চারিত আসালাঙ্কা 
  3. কুশল মেন্ডিস 
  4. পাতুম নিশাঙ্কা 
  5. কামিন্দু মেন্ডিস 
  6. সাদিরা সামারাবিক্রমা 
  7. অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস 
  8. দাসুন শানাকা 
  9. ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা 
  10. মহীশ তিকশানা 
  11. দুনিত ভেল্লালাগে 
  12. দুষ্মন্ত চামিরা 
  13. নুয়ান তুষারা 
  14. মাতিশা পাতিরানা 
  15. দিলশান মাদুশঙ্কা। 

রিজার্ভ খেলোয়াড়: বিজয়কান্ত ব্যাসকান্ত, আসিতা ফার্নান্ডো, জানিত লিয়ানাগে, ও ভানুকা রাজাপক্ষে। 

দক্ষিণ আফ্রিকার ১৫ সদস্যের দল (South Africa)

  1. এইডেন মার্করাম (অধিনায়ক) 
  2. ওটনিল বার্টম্যান 
  3. জেরাল্ড কোয়েটজি 
  4. কুইন্টন ডি কক 
  5. বিওর্ন ফরটুইন 
  6. রিজা হেনড্রিক্স 
  7. মার্কো ইয়ানসেন 
  8. হেনরিখ ক্লাসেন 
  9. কেশব মহারাজ 
  10. ডেভিড মিলার 
  11. আনরিখ নর্কিয়া 
  12. কাগিসো রাবাদা 
  13. রায়ান রিকেলটন 
  14. তাব্রাইজ শামসী 
  15. ট্রিস্টান স্টাবস। 

রিজার্ভ খেলোয়াড়: নান্দ্রে বার্গার ও লুঙ্গি এনগিডি। 

নেদারল্যান্ডসের ১৫ সদস্যের দল (Netherlands)

  1. স্কট এডওয়ার্ডস (অধিনায়ক) 
  2. আরিয়ান দত্ত 
  3. বাস ডি লিডি 
  4. ড্যানিয়েল ডোরাম 
  5. ফ্রেড ক্লাসেন 
  6. লোগান ফন বিক 
  7. ম্যাক্স ও’ডাউড 
  8. মাইকেল লেভিট 
  9. পল ফন মিকেরেন 
  10. সিব্রান্ড এঙ্গেলব্রেখট 
  11. তেয়া নিদামানুরু 
  12. টিম প্রিঙ্গল
  13. বিক্রম সিং 
  14. ভিভ কিংমা 
  15. ওয়েসলি বারেসি। 

রিজার্ভ খেলোয়াড়: কাইল ক্লাইন। 

নেপালের ১৫ সদস্যের দল (Nepal)

  1. রোহিত পৌডেল (অধিনায়ক) 
  2. আসিফ শেখ 
  3. অনিল কুমার শাহ 
  4. কুশল ভুরতেল 
  5. কুশল মাল্লা 
  6. দীপেন্দ্র সিং ঐরী 
  7. ললিত রাজবংশী 
  8. করন কেসি 
  9. গুলশান ঝা 
  10. সম্পাল কামি 
  11. প্রতিস জিসি 
  12. সন্দীপ জোরা 
  13. অবিনাশ বোহারা 
  14. সাগর ঢকাল 
  15. কমল সিং ঐরী। 

টি২০ ২০২৪ বিশ্বকাপের সময়সূচী

দলতারিখসময়ভেন্যুগ্রুপ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম কানাডা২ জুন, ২০২৪ সকাল ৬:৩০ মি:গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়াম, ডালাসগ্রুপ এ
ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম পাপুয়া নিউগিনি২ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:প্রোভিডেন্স স্টেডিয়াম, গায়ানাগ্রুপ সি
নামিবিয়া বনাম ওমান ৩ জুন, ২০২৪সকাল ৬:৩০ মি:কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোসগ্রুপ বি
শ্রীলঙ্কা বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ৩ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, নিউইয়র্কগ্রুপ ডি
আফগানিস্তান বনাম উগান্ডা ৪ জুন, ২০২৪সকাল ৬:৩০ মি:প্রোভিডেন্স স্টেডিয়াম, গায়ানাগ্রুপ সি
ইংল্যান্ড বনাম স্কটল্যান্ড ৪ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোসগ্রুপ বি
নেদারল্যান্ডস বনাম নেপাল ৪ জুন, ২০২৪রাত ৯:৩০ মি:গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়াম, ডালাস গ্রুপ ডি
ভারত বনাম আয়ারল্যান্ড ৫ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, নিউইয়র্কগ্রুপ এ
অস্ট্রেলিয়া বনাম ওমান ৬ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোসগ্রুপ বি
পাপুয়া নিউগিনি বনাম উগান্ডা ৬ জুন, ২০২৪ভোর ৫:৩০ মি:প্রোভিডেন্স স্টেডিয়াম, গায়ানাগ্রুপ সি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পাকিস্তান ৬ জুন, ২০২৪রাত ৯:৩০ মি:গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়াম, ডালাসগ্রুপ এ
নামিবিয়া বনাম স্কটল্যান্ড ৭ জুন, ২০২৪রাত ১:০০ মি:কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোসগ্রুপ বি
কানাডা বনাম আয়ারল্যান্ড ৭ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, নিউইয়র্কগ্রুপ এ
শ্রীলঙ্কা বনাম বাংলাদেশ  ৮ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়াম, ডালাসগ্রুপ ডি
নিউজিল্যান্ড বনাম আফগানিস্তান  ৮ জুন, ২০২৪ভোর ৫:৩০ মি:প্রোভিডেন্স স্টেডিয়াম, গায়ানাগ্রুপ সি 
নেদারল্যান্ডস বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ৮ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, নিউইয়র্কগ্রুপ ডি
অস্ট্রেলিয়া বনাম ইংল্যান্ড ৮ জুন, ২০২৪রাত ১১:০০ মি:কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোসগ্রুপ বি
ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম উগান্ডা ৯ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:প্রোভিডেন্স স্টেডিয়াম, গায়ানাগ্রুপ সি
ভারত বনাম পাকিস্তান ৯ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, নিউইয়র্কগ্রুপ এ
ওমান বনাম স্কটল্যান্ড ৯ জুন, ২০২৪রাত ১১:০০ মি:স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়াম, নর্থ সাউন্ড, অ্যান্টিগাগ্রুপ বি
দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম বাংলাদেশ ১০ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, নিউইয়র্কগ্রুপ ডি 
পাকিস্তান বনাম কানাডা ১১ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, নিউইয়র্কগ্রুপ এ
অস্ট্রেলিয়া বনাম নামিবিয়া ১২ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়াম, নর্থ সাউন্ড, অ্যান্টিগাগ্রুপ বি
শ্রীলঙ্কা বনাম নেপাল ১২ জুন, ২০২৪ভোর ৫:৩০ মি:সেন্ট্রাল ব্রওয়ার্ড রিজিওনাল পার্ক স্টেডিয়াম টার্ফ গ্রাউন্ড, ফ্লোরিডাগ্রুপ ডি
যুক্তরাষ্ট্র বনাম ভারত ১২ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, নিউইয়র্কগ্রুপ এ
ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম নিউজিল্যান্ড ১৩ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:ব্রায়ান লারা স্টেডিয়াম, তারুবা, ত্রিনিদাদগ্রুপ সি
বাংলাদেশ বনাম নেদারল্যান্ডস ১৩ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:আরনোস ভ্যাল গ্রাউন্ড, কিংস্টোন, সেন্ট ভিনসেন্টগ্রুপ ডি
আফগানিস্তান বনাম পাপুয়া নিউগিনি ১৪ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:ব্রায়ান লারা স্টেডিয়াম, তারুবা, ত্রিনিদাদগ্রুপ সি
ইংল্যান্ড বনাম ওমান ১৪ জুন, ২০২৪রাত ১:০০ মি:স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়াম, নর্থ সাউন্ড, অ্যান্টিগাগ্রুপ বি
যুক্তরাষ্ট্র বনাম আয়ারল্যান্ড ১৪ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:সেন্ট্রাল ব্রওয়ার্ড রিজিওনাল পার্ক স্টেডিয়াম টার্ফ গ্রাউন্ড, ফ্লোরিডাগ্রুপ এ
নিউজিল্যান্ড বনাম উগান্ডা ১৫ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:ব্রায়ান লারা স্টেডিয়াম, তারুবা, ত্রিনিদাদগ্রুপ সি 
দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম নেপাল ১৫ জুন, ২০২৪ভোর ৫:৩০ মি:আরনোস ভ্যাল গ্রাউন্ড, কিংসটাউন, সেন্ট ভিনসেন্টগ্রুপ ডি 
ভারত বনাম কানাডা ১৫ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:সেন্ট্রাল ব্রওয়ার্ড রিজিওনাল পার্ক স্টেডিয়াম টার্ফ গ্রাউন্ড, ফ্লোরিডাগ্রুপ এ 
নামিবিয়া বনাম ইংল্যান্ড ১৫ জুন, ২০২৪রাত ১১:০০ মি:স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়াম, নর্থ সাউন্ড, অ্যান্টিগাগ্রুপ বি
অস্ট্রেলিয়া বনাম স্কটল্যান্ড ১৬ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:ড্যারেন স্যামি জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, সেন্ট লুসিয়াগ্রুপ বি
পাকিস্তান বনাম আয়ারল্যান্ড ১৬ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:সেন্ট্রাল ব্রওয়ার্ড রিজিওনাল পার্ক স্টেডিয়াম টার্ফ গ্রাউন্ড, ফ্লোরিডাগ্রুপ এ
শ্রীলঙ্কা বনাম নেদারল্যান্ডস ১৭ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:ড্যারেন স্যামি জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, সেন্ট লুসিয়া গ্রুপ ডি
বাংলাদেশ বনাম নেপাল ১৭ জুন, ২০২৪ভোর ৫:৩০ মি:আরনোস ভ্যাল গ্রাউন্ড, কিংসটাউন, সেন্ট ভিনসেন্টগ্রুপ ডি
নিউজিল্যান্ড বনাম পাপুয়া নিউগিনি ১৭ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:ব্রায়ান লারা স্টেডিয়াম, তারুবা, ত্রিনিদাদগ্রুপ সি
ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম আফগানিস্তান ১৮ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:ড্যারেন স্যামি জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, সেন্ট লুসিয়াগ্রুপ সি
A2 বনাম D1, সুপার 8 ১৯ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়াম, নর্থ সাউন্ড, অ্যান্টিগাগ্রুপ ১
B1 বনাম C2, সুপার 8 ২০ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:ড্যারেন স্যামি জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, সেন্ট লুসিয়াগ্রুপ ২
C1 বনাম A1, সুপার 8 ২০ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোসগ্রুপ ১
B2 বনাম D2, সুপার 8 ২১ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়াম, নর্থ সাউন্ড, অ্যান্টিগাগ্রুপ ১
B1 বনাম D1, সুপার 8 ২১ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:ড্যারেন স্যামি জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, সেন্ট লুসিয়াগ্রুপ ২
A2 বনাম C2, সুপার 8 ২২ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোসগ্রুপ ২
A1 বনাম D2, সুপার 8 ২২ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়াম,  অ্যান্টিগাগ্রুপ ১
C1 বনাম B2, সুপার 8 ২৩ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:আরনোস ভ্যাল গ্রাউন্ড, কিংস্টোন, সেন্ট ভিনসেন্টগ্রুপ ১
A2 বনাম B1, সুপার 8 ২৩ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোসগ্রুপ ২
C2 বনাম D1, সুপার 8 ২৪ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়াম, নর্থ সাউন্ড, অ্যান্টিগাগ্রুপ ২
B2 বনাম A1, সুপার 8 ২৪ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:ড্যারেন স্যামি জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, সেন্ট লুসিয়াগ্রুপ ১
C1 বনাম D2, সুপার 8 ২৫ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:আরনোস ভ্যাল গ্রাউন্ড, কিংসটাউন, সেন্ট ভিনসেন্টগ্রুপ ১
টিবিসি বনাম টিবিসি, সেমিফাইনাল-১২৭ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:ব্রায়ান লারা স্টেডিয়াম, তারুবা, ত্রিনিদাদ
টিবিসি বনাম টিবিসি, সেমিফাইনাল 2২৭ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:প্রোভিডেন্স স্টেডিয়াম, গায়ানা
টিবিসি বনাম টিবিসি, ফাইনাল২৯ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোস
Worldcup T20 2024 Fixture and player list
Advertisement

Bangla Grammar: সমাস (পর্ব: ৩)

0
Totpuresh somash
Totpuresh somash

৩. তৎপুরুষ সমাস

যে সমাসে পূর্বপদে বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থই প্রাধান হয় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।

যেমন- বিপদকে আপন্ন = বিপদাপন্ন।

তৎপুরুষ সমাস বিভিন্ন প্রকার হয়। যথা-

নঞ্ তৎপুরুষ সমাস 

যে সমাসের পূর্বে  না বাচক নঞ অব্যয় (না, নেই, নাই, নয়) বসে তাকে নঞ্ তৎপুরুষ সমাস বলে।

তাহলে কিছু নঞ্ তৎপুরুষ সমাস জেনে নেয়া যাক-

  • না আচার = অনাচার
  • না কাতর = অকাতর
  • না লৌকিক = অলৌকিক
  • নয় ধর্ম = অধর্ম
  • ন আদর = অনাদর
  •  নয় স্থির = অস্থির
  • নাই সুখ যার = অসুখ
  • ন অশন = অনশন
  • ন চেনা = অচেনা
  • নাই তমিজ = বেতমিজ
  • ন কাল = অকাল
  • নাই কাঁড়া = আকাঁড়া

উপপদ তৎপুরুষ সমাস 

উপপদের সঙ্গে কৃদন্ত পদের যে সমাস হয় তাকেই উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।

তাহলে কিছু উপপদ তৎপুরুষ সমাস জেনে নেয়া যাক-

  • জলে চরে যা = জলচর
  • জল দেয় যে = জলদ
  • পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ
  • সত্য কথা বলে যে = সত্যবাদী
  • ইন্দ্রকে জয় করেছেন যে = ইন্দ্রজিৎ
  • ছেলে ধরে যে = ছেলেধরা
  • পকেট মারে যে = পকেটমার
  • হাড় ভাঙ্গে যাতে = হাড়ভাঙ্গা
  • মাছি মারে যে = মাছিমারা
  •  গৃহে থাকে যে = গৃহস্থ
  • ধামাধরে যে = ধামাধরা
  • পাতা চাটে যে = পাতাচাটা
  • ছার পোকা যা = ছারপোকা
  • ঘর পুড়েছে যার = ঘরপোড়া
  •  বর্ণ চরি করে যে = বর্ণচোরা
  • গলা কাটে যে = গলাকাটা
  •  পা চাটে যে = পা – চাটা
  •  পাড়া বেড়ায় যে = পাড়াবেড়ানি
  • ছা পোষে যে = ছা – পোষা

দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস

পূর্বপদে বিভক্তি যুক্ত(কে, রে) ইত্যাদি লোপ পায় যে সমাসে, তাকে দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে।

তাহলে কিছু দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস জেনে নেয়া যাক-

  • দুঃখকে প্রাপ্ত = দুঃখপ্রাপ্ত
  • পদকে আপন্ন = বিপদাপন্ন
  • বইকে পড়া = বই-পড়া
  • চিরকাল ব্যাপিয়া সুখী = চিরসুখী
  • ক্ষণকাল ব্যাপীয়া স্থায়ী(ব্যাপ্তি অর্থে) = ক্ষণস্থায়ী
  • পরলোকে গত= পরলোকগত
  • পুঁথিতে গত= পুঁথিগত
  • চিরদিন ধরিয়া শত্রু = চিরশত্রু
  • সাহায্যকে প্রাপ্ত = সাহায্যপ্রাপ্ত
  • লোককে অতীত = লোকাতীত 
  • স্বৰ্গকে প্রাপ্ত = স্বর্গপ্রাপ্ত 
  • ধর্মকে সংক্রান্ত = ধর্মসংক্রান্ত 
  • অশ্বকে আরুঢ় = অশ্বারুঢ় 
  • সংখ্যাকে অতীত = সংখ্যাতীত 
  • বিস্ময়কে আপন্ন = বিস্ময়াপন্ন 
  • স্মরণকে অতীত = স্মরণাতীত 
  • গৃহকে প্রবিষ্ট = গৃহপ্রবিষ্ট 
  • ক্ষমতাকে প্রাপ্ত = ক্ষমতাপ্রাপ্ত
  • শরণকে গত = শরণাগত 
  • দেশকে আশ্রিত = দেশাশ্রিত 
  • ভারকে প্রাপ্ত = ভারপ্রাপ্ত

তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস

পূর্বপদে তৃতীয়া বিভক্তি (দ্বারা,দিয়া, কর্তৃক ইত্যাদি) লোপ পায় যে সমাসে তাকে তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে।

তাহলে কিছু তৃতীয়া  তৎপুরুষ সমাস জেনে নেয়া যাক-

  • মধু দিয়ে মাখা = মধুমাখা
  • বস্ত্র দ্বারা আচ্ছাদিত = বস্ত্রাচ্ছাদিত
  • লাঠি দ্বারা খেলা = লাঠিখেলা
  • রক্ত দ্বারা সিক্ত = রক্তসিক্ত
  • স্নেহ দ্বারা অন্ধ = স্নেহান্ধ
  • ধামা দ্বারা চাপা = ধামাচাপা
  • অস্ত্র দ্বারা উপচার = অস্ত্রোপাচার
  • জরা দ্বারা জীর্ণ = জরাজীর্ণ
  • স্বনাম দ্বারা ধন্য = স্বনামধন্য
  • ইন্দ্রিয় দ্বারা = গ্রাহ্য = ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য
  • দৃষ্টি দ্বারা হীন = দৃষ্টিহীন
  • বিনয় দ্বারা অবনত = বিনয়াবনত
  • বাগ দ্বারা দত্তা = বাগদত্তা
  • মন দ্বারা গড়া = মনগড়া
  • শোক দ্বারা আর্ত = শোকার্ত
  • গুণ দ্বারা মুগ্ধ = গুণমুগ্ধ
  • তৈল দ্বারা আক্ত = তৈলাক্ত
  • শোক দ্বারা আকুল = শোকাকুল
  • মধুতে মাখা = মধুমাখা
  • বিপদ দ্বারা সঙ্কুল = বিপদসঙ্কুল
  • জন, দ্বারা আকীর্ণ = জনাকীর্ণ
  • পুষ্প দিয়া অঞ্জলি = পুষ্পাঞ্জলি
  • মন দিয়ে গড়া = মনগড়া
  • শ্রম দ্বারা লব্ধ = শ্রমলব্ধ

চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস

পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি (কে, জন্য, নিমিত্ত ইত্যাদি) লোপ পায় যে সমাসে তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস।

তাহলে কিছু চতুর্থী  তৎপুরুষ সমাস জেনে নেয়া যাক-

  • বসতের নিমিত্ত বাড়ি = বসতবাড়ি
  • বিয়ের জন্য পাগলা = বিয়েপাগল
  • তপের নিমিত্ত বন = তপোবন
  • গুরুকে ভক্তি = গুরুভক্তি
  • গুরুকে ভক্তি = গুরুভক্তি,
  • আরামের জন্য কেদারা = আরামকেদারা,
  • বসতের জন্য বাড়ি = বসতবাড়ি,
  • বিয়ের জন্য পাগলা = বিয়েপাগলা,
  • হজ্বের জন্য যাত্রা = হজ্বযাত্রা,
  • পাগলের নিমিত্তে গারদ = পাগলাগারদ,
  • মরণের নিমিত্তে কাঠি = মরণকাঠি,
  • শিশুর জন্য সাহিত্য = শিশুসাহিত্য,
  • শয়নের নিমিত্তে কক্ষ = শয়নকক্ষ,
  • রান্নার জন্য ঘর = রান্নাঘর,
  • ছাত্রের জন্য আবাস = ছাত্রাবাস,
  • ছাত্রীর জন্য নিবাস = ছাত্রীনিবাস,
  • জীবনের নিমিত্তে কাঠি = জীবনকাঠি,
  • ডাকের জন্য মাশুল = ডাকমাল 
  • বালিকাদের জন্য বিদ্যালয়= বালিকা বিদ্যালয়

পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস

পূর্বপদে পঞ্চমী বিভক্তি (হতে,থেকে ইত্যাদি) লোপ পায় যে সমাসে তাকে পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস।

তাহলে কিছু পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস জেনে নেয়া যাক-

  • খাঁচা থেকে ছাড়া = খাঁচাছাড়া
  • বিলাত হতে ফেরত = বিলাতফেরত
  • ইতি হতে আদি = ইত্যাদি
  • প্রাণের চেয়ে অধিক = প্রাণাধিক
  • সত্য থেকে ভ্রষ্ট = সত্যভ্রষ্ট
  • প্রাণের চেয়ে প্রিয় = প্রাণপ্রিয়
  • জেল থেকে মুক্ত = জেলমুক্ত
  • জেল থেকে খালাস = জেলখালাস
  • পণ হতে মুক্তি = পণমুক্তি
  • আগা থেকে গোড়া = আগাগোড়া
  • স্কুল থেকে পালানো = স্কুলপালানো
  • বোটা হতে খসা = বোঁটাখসা
  • শাপ থেকে মুক্ত = শাপমুক্ত
  • মৃত্যু হতে উত্তীর্ণ = মৃত্যুত্তীর্ণ
  •  ঋণ হতে মুক্ত = ঋণমুক্ত
  • পরাণের চেয়ে প্রিয়= পরাণপ্রিয় 

ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস

পূর্বপদে ষষ্ঠী বিভক্তির (র, এর) লোপ পায় যে সমাসে তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।

তাহলে কিছু ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস জেনে নেয়া যাক-

  • চায়ের বাগান = চাবাগান
  • রাজার পুত্র = রাজপুত্র
  • বিশ্ব বিদ্যার আলয় = বিশ্ববিদ্যালয়
  • পুষ্পের সে․রভ = পুষ্পসৌরভ
  • দিল্লীর রাজা = দিল্লীরাজ
  • গজনীর রাজা = গজনীরাজ
  • পিতার ধন = পিতৃধন
  • মাতার সেবা = মাতৃসেবা
  • ভ্রাতার পুত্র = ভ্রাতুষ্পুত্র
  • পত্নীর সহ= পত্নীসহ বা সপত্নীক
  • কন্যার সহ = কন্যাসহ
  • সহোদরের প্রতিম= সহোদরপ্রতিম
  • ছাত্রের বৃন্দ = ছাত্রবৃন্দ
  • গুণের গ্রাম = গুণগ্রাম
  • হস্তির যূথ = হস্তিযূথ 
  • ফুলের গাছ = ফুলগাছ
  • খেয়ার ঘাট = খেয়াঘাট
  • চায়ের দোকান = চাদোকান
  • সূর্যের আলোক = সূর্যালোক
  • পিতার তুল্য = পিতৃতুল্য
  • জাতিদের সংঘ = জাতিসংঘ
  • যমের আলয় = যমালয়
  • নাটকের অভিনয় = নাটকাভিনয়
  • মনের রথ = মনোরথ
  • দীনের বন্ধু = দীনবন্ধু
  • বাদরের নাচ = বাদরনাচ
  • বিড়ালের ছানা = বিড়ালছানা
  • নদীর জল = নদীজল
  • শিক্ষার মন্দির = শিক্ষামন্দির
  • দূতের আবাস = দূতাবাস
  • ভাইয়ের পো = ভাইপো
  • ঠাকুরের বাড়ি = ঠাকুরবাড়ি
  • কবিদের গুরু = কবিগুরু 

সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস

পূর্বপদে সপ্তমী বিভক্তি (এ, য়,তে) লোপ পায় যে সমাসে তাকে সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস। 

তাহলে কিছু ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস জেনে নেয়া যাক-

  • রঙ্গে ভরা = রঙ্গভরা
  • পূর্বে ভূত = ভূতপূর্ব
  • পূর্বে অদৃষ্ট = অদৃষ্টপূর্ব
  • গাছে পাকা = গাছপাকা
  • অকালে মৃত্যু = অকালমৃত্যু
  • দিবায় নিদ্রা = দিবানিদ্রা
  • ভোজনে পটু = ভোজনপটু
  • দানে বীর = দানবীর
  • বস্তাতে পচা = বস্তাপচা
  • বনে বাস = বনবাস
  • পাপে আসক্ত = পাপাসক্ত
  • বাক্সতে বন্দী = বাক্সবন্দী
  • তালে কানা = তালকানা,
  • মনে মরা = মনমরা
  • অকালে পক্ক = অকা
  • নামাযে রত = নামাযরত,
  • গোলায় ভরা = গোলাভরা
  • বাকে পটু = বাকপটু

অলুক তৎপুরুষ সমাস 

পূর্বপদে কোন প্রকার বিভক্তি লোপ না পেয়েই যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলা হয়। 

তাহলে কিছু অলুক তৎপুরুষ সমাস জেনে নেয়া যাক-

  • ঘানি তেল = ঘানিতেল,
  • ঘি দিয়ে ভাজা = ঘিয়ে ভাজা,
  • গোড়ায় গলদ = গোড়ায়গলদ,
  • তেলে ভাজা = তেলেভাজা,
  • হাতে কাটা = হাতেকাটা,
  • হাতের পাঁচ = হাতের পাঁচ
  • মামার বাড়ি =  মামার বাড়ি
  • সাপের পা = সাপের পা
  • মনের মানুষ = মনের মানুষ
  • কলের গান = কলের গান
  • গরুর গাড়ি = গরুর গাড়ি
  • গায়ে পড়া = গায়ে পড়া
  •  কিন্তু, ভ্রাতার পুত্র = ভ্রাতুষ্পুত্র (নিপাতনে সিদ্ধ)

আরো দেখুন

চাকরি ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় আসা গুরুত্বপূর্ণ সমাস- পর্ব ২

চাকরি ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় আসা গুরুত্বপূর্ণ সমাস- পর্ব ১

Advertisement

Cloud seeding: ক্লাউড সিডিং নিয়ে কেন এত আলোচনা?

0
Cloud seeding
Cloud seeding

ক্লাউড সিডিং Cloud seeding

প্রচণ্ড গরমে সবার যখন ত্রাহি অবস্থা, তখন স্বস্তি হয়ে দেখা দেয় বৃষ্টি। চাইলেই কী আর বৃষ্টি পাওয়া যায়, সেটা যদি সম্ভব হতো তাহলে কেমন হত? বিজ্ঞানীরা সেই চেষ্টাই দশকের পর দশক ধরে করে যাচ্ছেন। 

ক্লাউড সিডিং কি 

ক্লাউড সিডিং বলতে এক ধরনের আবহাওয়া পরিবর্তনকেই বুঝায়। বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বা ধরন পরিবর্তন করাই  যার লক্ষ্য। আরও সহজ করে বলতে গেলে, শিলাবৃষ্টি প্রশমিত করা বা কুয়াশা ছড়িয়ে দেওয়া। অর্থাৎ বৃষ্টি বা তুষার বাড়ানো অথবা বৃষ্টিপাত রোধ করা। মোটকথা, কৃত্রিম বৃষ্টিপাত হল প্রকৃতির উপর জোর করে বৈজ্ঞানিক প্রভাব খাটিয়ে বৃষ্টি নামানোর একটি প্রক্রিয়া মাত্র। 

আবিষ্কারের ইতিহাস

১৮৯১ সালে সর্ব প্রথম লুই গাথমান কৃত্রিম বৃষ্টি সৃষ্টিতে তরল কার্বন ডাই অক্সাইড ব্যবহার করার প্রস্তাব করেন। বার্গারন- ফাইন্ডিসন ১৯৩০ এর দশকে বরফের স্ফটিক কণার উপস্থিতিতে অতীব ঠান্ডা পানি দিয়ে একটি পরীক্ষামূলক গবেষণা করেন। যাতে করে পানি-কণা জমে এবং বৃষ্টি নামে। বিজ্ঞানীরা এই ধারণার ওপর ভিত্তি করে এই তত্ত্বটি তৈরি করেন। জেনারেল ইলেকট্রিকের গবেষক ভিনসেন্ট শিফার এই তত্ত্বটিকে প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৪৬ সালের জুলাইতে তিনি কৃত্রিম বৃষ্টির মূলনীতি আবিষ্কার করেন। পরে নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী আরভিং ল্যাংমুর সঙ্গে যৌথভাবে কৃত্রিম বৃষ্টি সৃষ্টির কৌশল নিয়ে গবেষণা করেন। 

ক্লাউড সিডিং এর উপাদান

ক্লাউড সিডিং এ সাধারণ সিলভার আয়োডাই্‌জ্‌ড, পটাশিয়াম আয়োডাই্‌জ্‌ড অথবা শুষ্ক বরফ বা কঠিন কার্বন ডাই-অক্সাইড রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। এছাড়া তরল প্রোপেন গ্যাসও ব্যবহার করা হয়। এ গ্যাস সিলভার আয়োডাই্‌জ্‌ড এর চেয়ে বেশি তাপমাত্রায় বরফের স্ফুটিক তৈরি করতে পারে। তবে অনেক সস্তা ও বেশ কার্যকর প্রমাণিত হওয়ায় এ কাজে এখন সোডিয়াম ক্লোরাইড বা খাবার লবণের ব্যবহার বাড়ছে। 

ব্যবহারের প্রক্রিয়া

মেঘের ভেতরের তাপমাত্রা ক্লাউড সিডিং এর সময় ২০ থেকে -৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসে। তুষারপাতের পরিমাণ এ সময় বেড়ে যেতে পারে। এই রকম পরিস্থিতিতে রাসায়নিক হিসেবে সিলভার আয়োডাইড ব্যবহার করা হয়। ক্লাউড সিডিং এর উপাদানগুলো উপযুক্ত স্থানে ছড়িয়ে দেওয়া হয় উড়োজাহাজে করে অথবা বিশেষ যন্ত্রের মাধ্যমে। যখন উড়োজাহাজটি মেঘের ভেতর দিয়ে যায় তখন সিলভার আয়োডাই্‌জ্‌ড ছড়িয়ে দেওয়া হয়। মেঘের- সিড হিসেবে রাসায়নিকের ক্ষুদ্র স্ফটিক দানাগুলোই কাজ করে। অর্থাৎ ভাসমান জলীয় বাষ্পে পানির কণাগুলো এসব দানায় জড়ো হয়ে বড় ফোঁটায় পরিণত হয়। ওজন বেড়ে গিয়েই একসময় মহাকর্ষের টানে বৃষ্টি ঝরে পড়ে। সাধারণত রকেটে বা বিমানে করে এই ড্রাই-আইস গুলো মেঘের উপর ছেড়ে দেওয়া হয়। মিসাইল পদ্ধতিও বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। 

ক্লাউড সিডিং এর ধাপ

ক্লাউড সিডিং করতে গিয়ে এমন পদার্থগুলিকে বাতাসে ছড়িয়ে দেয়া হয়,যেগুলো মেঘকে ঘনীভূত করতে বা বরফের নিউক্লিয়াস হিসাবে কাজ করে। 

এই প্রক্রিয়াটি ঘটানোর জন্য তিনটি ধাপ পার করতে হয়। 

প্রথমত: মেঘ সৃষ্টি করতে হয় বা আকাশে মেঘ থাকতে হবে। 

দ্বিতীয়ত: বৃষ্টিপাতের উপযোগী অবস্থায় আনতে হলে মেঘকে ঘনীভূত করতে হয়। 

তৃতীয়ত: সবশেষে বৃষ্টি ঝরানো হয়। 

আকাশের ভাসমান মেঘকে পানির ফোটায় পরিণত করে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কৃত্রিম বৃষ্টিপাত ঘটানো হয়। এই ক্লাউড সিডিং কনসেপ্ট হিসেবে কয়েক দশক ধরে প্রচলিত আছে।

ক্লাউড  সিডিং বৃদ্ধির কারণ

বিশ্বের অনেক দেশেই এখন ক্লাউড সিডিং ঘটানো হচ্ছে। কেননা যতদিন যাচ্ছে, পানির অভাব যেন বেড়েই যাচ্ছে। বিশ্বের প্রায় ৪৫ শতাংশ জনসংখ্যাই প্রচণ্ড পানির সংকটে ভুগছেন। পানি সেচের কারণে পানির অভাব যেন আরও বাড়ছে। ধারণা করা হচ্ছে, আগামী ২০-২৫ বছরের মাঝে বিশ্বের প্রায়ই দেশ তীব্র পানির সংকটে ভোগার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এই প্রযুক্তির মাধ্যমে খরা প্রবণ এলাকায় কৃত্রিম ভাবে বৃষ্টিপাত ঘটানো বা নামানো হচ্ছে। তাছাড়া যে সব এলাকাতে অতি দৃষ্টিজনিত কারণে বন্যা  হচ্ছে, তার ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা করতেও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এগুলোর পাশাপাশি যে সব স্থানের ভূগর্ভস্থ পানি লবণাক্ত, কৃত্রিম বৃষ্টিপাত সেসব স্থানের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। এ কারণেই কৃত্রিম বৃষ্টিপাত ঘটানোর জন্য সেসব স্থানে সার্বক্ষণিক মেঘ পর্যবেক্ষণ করা হয়ে থাকে। যেমন মেঘ থাকলে বৃষ্টিপাত ঘটানো সম্ভব হয় তেমন খুঁজে পেলেই ক্লাউড সিডিং অপারেশন শুরু করা হয়। 

কৃত্রিম বৃষ্টিপাত বা ক্লাউড সিডিং বিশ্বের যে সব দেশ এখন পর্যন্ত ঘটিয়েছে তার মাঝে চীন একাই তার চেয়ে বেশি করিয়েছে। বেইজিং অলিম্পিকে চীন  ২০০৮ সালে এই পদ্ধতিতে বৃষ্টিপাত ঘটিয়েছিল। ক্লাউড সিডিং এর মাধ্যমে খেলার মাঠে মেঘ জড়ো হওয়ার আগেই খেলার মাঠ থেকে দূর কৃত্রিম বৃষ্টিপাত ঘটিয়েছিল। ফলে বৃষ্টি খেলার মাঝে বিঘ্ন ঘটায়নি।

ক্লাউড  সিডিং এর প্রভাব

আমরা জানি, প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। তাই এক জায়গায় কৃত্রিম বৃষ্টিপাত ঘটালে অন্য জায়গায় তার প্রভাবে বৃষ্টির অভাব সৃষ্টি হবে।

কেননা, অনেক এলাকায় কৃত্রিম বৃষ্টিপাত করানোর জন্য আকাশে সিলভার আয়োডাই্‌জ্‌ড ছিটানো হতো। এর পরিমাণ  যদি অতিরিক্ত হয়, তাহলে মাটি দূষিত হবে। শুধু তাই নয়, এর প্রভাবে উদ্ভিদ ও প্রাণীকূলেও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এক কথায়, বাস্তুসংস্থানেও ওপরেও বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়বে। এ কারণেই অভিজ্ঞ বিজ্ঞানীদের দ্বারা খুব সাবধানে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হয়।

ক্লাউড সিডিং নিয়ে আধুনিক বিজ্ঞানীদের ধারণা

তবে এই প্রযুক্তি অনেক ব্যয়বহুল। এজন্য  ব্যয়ভার কমানোর জন্য বিজ্ঞানীরা গবেষণা করেই যাচ্ছেন। তাদের ধারণা, বিমান বা রকেটের পরিবর্তে লেজার রশ্মির ব্যবহার করে যদি ক্লাউড সিডিং করানো হয় তবে ব্যয় কমে যাবে। যদি লেজার রশ্মির ব্যবহার আবিষ্কৃত হয়, তাহলে কৃত্রিম বৃষ্টিপাতের প্রযুক্তিকে আরও সহজ ও সুলভ করতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।

মানুষ সভ্যতার শুরু থেকেই প্রকৃতির ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে এসেছে। এরই ফলে কখনো ডেকে এনেছে আশীর্বাদ আবার কখনো বা ডেকে এনেছে চরম বিপর্যয়। দিনে দিনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যে উন্নয়ন ঘটছে তাতে ধারণা করাই যায়, ভবিষ্যতে প্রকৃতির উপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে। 

Advertisement

Nobel Prize 2023| নোবেল পুরস্কার ২০২৩

0
২০২৩ সালে যারা নোবেল পেয়েছেন

Nobel Prize বা নোবেল পুরস্কার হলো একটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার। যাকে সুয়েডীয় ভাষায় Nobelpriset বলে। এটি ১৯০১ খ্রিষ্টাব্দে প্রবর্তিত হয়ে ঐ বছর থেকে চালু করা হয়। সারা বিশ্বের সফল ও অনন্য সাধারণ গবেষণা ও উদ্ভাবন বা মানবকল্যাণমূলক তুলনারহিত কর্মকাণ্ডের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়। 

এই পুরস্কারটি মোট ছয়টি বিষয়ে প্রদান করা হয়। যথা- 

  1. পদার্থবিজ্ঞান
  2. অর্থনীতি
  3. রসায়ন
  4. চিকিৎসা শাস্ত্র
  5. সাহিত্য ও
  6. শান্তি।

নোবেল পুরস্কার ঘোষণার সময়

যে প্রতিষ্ঠানগুলো পুরস্কার প্রদানের দায়িত্বে নিয়োজিত তারা লরিয়েটদের নাম ঘোষণা করেন ঠিক অক্টোবর মাসে। আর ১০ ডিসেম্বরে অর্থাৎ আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকীতে আনুষ্ঠানিকভাবে পদক প্রদান করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসা বিজ্ঞান: সাধারণত অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহে।

সাহিত্য: সাধারণত অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে।

শান্তি: সাধারণত অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষে।

অর্থনীতিতে স্মারক পুরস্কার: অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষে সাধারণত।

নোবেল পুরস্কার প্রদানের ধাপ

চারটি ধাপে নোবেল পুরস্কার দেয়ার কাজ চলে। যথা-

  1. মনোনয়ন
  2. মূল্যায়ন
  3. ঘোষণা ও 
  4. পুরস্কার প্রদান।

১. মনোনয়ন 

পৃথিবীর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তি নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন জমা দিতে পারেন।

২. মূল্যায়ন 

প্রতিটি শাখার জন্য নোবেল কমিটি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি কমিটি গঠন করে। এই কমিটির কাজ হলো মনোনয়নগুলো পর্যালোচনা করা এবং পুরস্কারের জন্য বিজয়ী নির্বাচন করা।

৩. ঘোষণা

অক্টোবর মাসেই নোবেল পুরস্কারের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

৪. পুরস্কার প্রদান

নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয় ডিসেম্বর মাসের ১০ তারিখে। আলফ্রেড নোবেল-এর মৃত্যুবার্ষিকীতে স্টকহোম, সুইডেনে একটি আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে। তবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান করেন নরওয়ে নোবেল কমিটি।

২০২৩ সালে যারা নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন

চিকিৎসাবিজ্ঞান

চিকিৎসাশাস্ত্রে এ বছর নোবেল পেয়েছেন যৌথভাবে ক্যাটালিন কারিকো এবং ড্রু উইসম্যান।

যে কারণে এই পুরস্কার পান:

তারা কোভিড-১৯ রোগের বিরুদ্ধে কার্যকর নিউক্লিওসাইড বেস পরিবর্তন সংক্রান্ত এমআরএনএ টিকা আবিষ্কারের করার জন্য এই পুরস্কারটি পান। সুইডেনের ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউট সোমবার (২ অক্টোবর) চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিজয়ী হিসেবে তাঁদের নাম ঘোষণা করে।

বিজয়ীদের সম্পর্কে নোবেল কমিটির মন্তব্য:

মানবদেহের ইমিউন সিস্টেমের সঙ্গে এমআরএনএ কীভাবে যোগাযোগ করে সে সম্পর্কে এতদিনের ধারণা মৌলিকভাবে পরিবর্তন হয়েছে তাদের যুগান্তকারী আবিষ্কারের মাধ্যমে। আধুনিক সময়ে মানব স্বাস্থ্যের জন্য একটি হুমকির ভ্যাকসিন বিকাশে তাদের অবদান অভূতপূর্ব।

বর্তমানে কর্মরত আছেন:

ক্যাটালিন কারিকোর ১৯৫৫ সালে হাঙ্গেরির জোলনকে জন্মগ্রহণ নেন। আর ড্রু উইসম্যান জন্মগ্রহণ করেন ১৯৫৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের লেক্সিংটনে। দুজনই যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত  আছেন। 

পদার্থবিজ্ঞান

পদার্থবিজ্ঞানে এ বছর নোবেল পেয়েছেন যৌথভাবে পিয়েরে অ্যাগোস্টনি, ফিরেন্স ক্রাসজ ও অ্যান লরিয়েল।

যে কারণে এই পুরস্কার পান:

সবচেয়ে কম সময়ে আলোকে ধারণ করার ব্যাপারে গবেষণার জন্য তারা এই পুরস্কারটি পান। মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর) রয়েল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্স পদার্থবিজ্ঞানে বিজয়ী হিসেবে তাদের নাম ঘোষণা করে।

বিজয়ীদের সম্পর্কে রয়েল সুইডিশ অ্যাকাডেমির মন্তব্য:

মানবতাকে তিনজনের গবেষণা, পরমাণু ও অণুর ভিতরে ইলেকট্রনের জগৎ অন্বেষণের জন্য নতুন সরঞ্জাম তৈরি করে দিয়েছে।

বর্তমানে কর্মরত আছেন:

পিয়েরে অ্যাগোস্টনি যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও স্টেট ইউনিভার্সিটিতে, ফিরেন্স ক্রাসজ জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট অব কোয়ান্টাম অপটিকসে এবং অ্যান লরিয়েল সুইডেনের লন্ড ইউনিভার্সিটিতে।

রসায়ন

রসায়নে এ বছর নোবেল পেয়েছেন যৌথভাবে মুঙ্গি জি বাউইন্ডি, লুইস ই ব্রাস এবং আলেক্সি ই.ইকিমভ।

যে কারণে এই পুরস্কার পান:

কোয়ান্টাম ডটের আবিষ্কার ও উন্নয়ন এবং ন্যানোপার্টিকলের আকার ও বৈশিষ্ট্য নির্ধারণে তাদের অবদান রাখার জন্য এই পুরস্কারটি পান। বুধবার (৪ অক্টোবর) রয়েল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্স রসায়নে বিজয়ী হিসেবে তাদের নাম ঘোষণা করে।

বিজয়ীদের সম্পর্কে নোবেল কমিটির মন্তব্য:

টেলিভিশন এবং এলইডি লাইট থেকে তাদের আলো ছড়িয়ে দেয় এবং অন্যান্য অনেক জিনিসের মধ্যে টিউমার টিস্যু অপসারণ করার সময় ন্যানোটেকনোলজির এই ক্ষুদ্রতম উপাদানগুলি সার্জনদেরও নির্দেশনা দিতে সাহায্য করতে পারে।

বর্তমানে কর্মরত আছেন:

মুঙ্গি জি বাউইন্ডি ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলোজিতে, লুইস ই ব্রাস কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটিতে এবং আলেক্সি ই.ইকিমভ ন্যানোক্রিস্টালস টেকনোলজির ইনকরপোরেশনে।

সাহিত্য

সাহিত্যে এ বছর নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন নরওয়ের লেখক ও নাট্যকার ইয়োন ফসে।

যে কারণে এই পুরস্কার পান:

ইয়োন ফসে নরওয়েতে বেড়ে ওঠার অভিজ্ঞতাকে লেখায় তুলে ধরেছেন শিল্পিত সুষমায়। শুধু তাই নয়, অনুচ্চারিত থেকে যাওয়া বহু কথা তিনি তার লেখায় তুলে এনেছেন। এসব কারণে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) বিজয়ী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করে।

বিজয়ী সম্পর্কে রয়েল সুইডিশ অ্যাকাডেমির মন্তব্য:

ইয়োন ফসে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বেশি মঞ্চস্থ হওয়া নাট্যকারদের মাঝে অন্যতম। তিনি মানুষের উদ্বেগ ও দ্বিধাকে নিজ মুনশিয়ানায় উপস্থাপন করে প্রশংসিত।

বিজয়ী সম্পর্কে নোবেল কমিটির মন্তব্য:

নির্দিষ্ট কোনো কোনো লেখার জন্য তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়নি। বরং  বিপুল সাহিত্যকর্ম রচনার জন্যই তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। তার রচনা এত বিশাল যে, যার তালিকা করা অসম্ভব কঠিন।

বিজয়ী সম্পর্কে নোবেল কমিটির চেয়ারম্যান আন্দ্রেয়াস ওলসন-এর মন্তব্য:

‘তার লেখার বিশেষত্ব হচ্ছে মানব–ঘনিষ্ঠতা। সেসব আপনার গভীরতর অনুভূতিগুলোকে স্পর্শ করে যাবে। উদ্বেগ, নিরাপত্তাহীনতা, জীবনের অর্থ ও মৃত্যু-এ রকম নানা বিষয়, মানুষকে আসলে যার প্রতিটির মুখোমুখি হতে হয়।’

ইয়োন ফসের রচনা:

তিনি নাটক, উপন্যাস, প্রবন্ধ, কবিতা, শিশুতোষ বই ছাড়াও অনুবাদের বইও রচনা করেছেন। তার এই লেখাগুলো বিশ্বজুড়ে নানা ভাষায় অনূদিত হয়েছে। নাটকে তিনি ৪০টির মতো লিখেছেন।

তবে  উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম উপন্যাস ‘বোটহাউস’ (১৯৮৯) এবং ‘মেলাংকলি’ ১ ও ২ (১৯৯৫–১৯৯৬) হলেও সাহিত্যিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে ১৯৮৩ সালে উপন্যাস  ‘রেড, ব্ল্যাক’ এর মাধ্যমে। পরবর্তী সাহিত্যকর্মের সুর বেঁধে দিয়েছিলো তার এই উপন্যাসটিই।

শান্তি

শান্তিতে এ বছর নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ইরানের নার্গিস মোহাম্মদী। তিনি একজন মানবাধিকারকর্মী।

যে কারণে এই পুরস্কার পান: 

ইরানে নারী নিপীড়নের বিরুদ্ধে লড়াই এবং মানবাধিকার ও সবার জন্য স্বাধীনতার পক্ষে প্রচেষ্টার জন্যই তিনি এই পুরস্কারটি পান। শুক্রবার (৬ অক্টোবর) নোবেল কমিটি শান্তিতে বিজয়ী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করে।  

বিজয়ী সম্পর্কে নোবেল কমিটির ওয়েবসাইটের মন্তব্য:

নার্গিস মোহাম্মদী একাধারে  নারী,  মানবাধিকারকর্মী ও স্বাধীনতা যোদ্ধা। এ কাজের জন্য তাকে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। ইরানের শাসক দ্বারা ১৩ বার গ্রেপ্তার ও ৫বার  দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। শাস্তি হিসেবে ১৫৪টি বেত্রাঘাত ও ৩১ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। যে কারণে এখনও তিনি কারাগারে।

’এনজিও  ডিফেন্ডার্স অব হিউম্যান রাইটস সেন্টার’ এর উপপ্রধান হিসেবে কাজ করছেন নার্গিস মোহাম্মদী। এই এনজিওটি শান্তিতে নোবেলজয়ী আরেক ইরানি নারী শিরিন এবাদির নেতৃত্বাধীন। 

অর্থনীতি

অর্থনীতিতে এ বছর নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন অধ্যাপক ক্লদিয়া গোল্ডিন।

রয়েল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস সোমবার ( ৯ অক্টোবর ) অর্থনীতিতে  বিজয়ী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করে।

বিজয়ী সম্পর্কে নোবেল কমিটির মন্তব্য:

ক্লদিয়া গোল্ডিন প্রথম ব্যাপক বিবরণ প্রদান করেছেন শতাব্দীজুড়ে নারীদের উপার্জন এবং শ্রমবাজারে অংশগ্রহণের ব্যাপারে। তার গবেষণা পরিবর্তনের কারণ, সেইসাথে বিদ্যমান লিঙ্গ ব্যবধানের মূল উৎস প্রকাশ করে।

বর্তমানে কর্মরত আছেন:

ক্লদিয়া গোল্ডিন বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে আছেন।

আরো দেখুন – ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য সেরা ১০ টি স্কিল

Advertisement

ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য সেরা ১০ টি স্কিল

0
ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য সেরা ১০ টি স্কিল

আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বে মানুষ নিজেকে সবকিছুর সাথে খাপ-খাইয়ে নেওয়ার জন্য প্রতিনিয়ত চেষ্টা করে যাচ্ছে। আর প্রযুক্তির মাধ্যমেই সকল কাজ করার প্রচেষ্টা চলছে। আর যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে, প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বে সকলেরই কোন না কোন বিষয়ের উপর অভিজ্ঞতা থাকা দরকার। 

কয়েক বছর আগেও ফ্রিল্যান্সিং সবার কাছে তেমন পরিচিত ছিলোনা। কিন্তু বর্তমানে ডিজিটাল যুগে ফ্রিল্যান্সিং এর  চাহিদা, পেশাগত চাকরির সাথে পাল্লা দিয়ে শুধু বাড়ছেই না, বরং একটি জনপ্রিয় ক্যারিয়ার হয়ে উঠছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মত বাংলাদেশেও এর চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। বিশেষ করে তরুণ সমাজের আগ্রহ দেখা যাচ্ছে, এই পেশার উপর।

ফ্রিল্যান্সিং জনপ্রিয় হওয়ার কারণ

  • এর জন্য নির্দিষ্ট কোন জায়গা বা অফিস লাগে না।
  • ঘরে বসেই কাজ করা যায়।
  • এর কোন ধরাবাঁধা সময় নেই।

যদি আপনি ফ্রিল্যান্সিংয়ে নতুন হয়ে থাকেন, তাহলে ভাবছেন কোথা হতে বা কীভাবে শুরু করবো? আর এক্ষেত্রে নিশ্চয়ই, সবচেয়ে সহজ যে কাজ তা দিয়েই শুরু করবেন। তবে সহজ বা কঠিন যেটাই হোক, স্কিল ছাড়া কোন কাজই সম্ভব না। 

আজকের আলোচনায় আমরা স্কিল নিয়েই জানবো। যেগুলো একজন অভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সা বা অনভিজ্ঞ ফ্রিল্যান্সা সবার জন্যই সহায়ক হবে। শুধু তাই নয়, আপনাকে একজন দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হিসাবে গড়ে উঠতেও সাহায্য করবে।

তাহলে কথা না বাড়িয়ে আলোচনা শুরু করা যাক—

  • ডাটা অ্যানালাইসিস
  • ডিজিটাল মার্কেটিং 
  • ওয়েব ডেভেলপমেন্ট 
  • ইউ-এক্স ইউ-আই ডিজাইন 
  • সাইবার সিকিউরিটি   
  • আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্ট এন্ড এন্ড মেশিন লার্নিং 
  • ভিডিও প্রোডাকশন এন্ড এডিটিং 
  • ডিজিটাল প্রজেক্ট ম্যানেজার  
  • ই–কমার্স এক্সপার্টি 
  • কনটেন্ট ক্রিয়েশন এন্ড কপি-রাইটিং 

ডাটা অ্যানালাইসিস 

এই লিস্টের এক নম্বরে রয়েছে ডাটা অ্যানালাইসিস। সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য কোন ডাটাকে পরিবর্তন বা রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে ডাটা অ্যানালাইসিস বলে। ব্যবসায়িক বা ব্যক্তিগত উন্নয়নের জন্য অতীতের ভুল আর ভবিষ্যৎ এর স্বপ্ন দুই মিলিয়ে, এই পরিস্থিতিতে কি করলে বর্তমান ও  ভবিষ্যৎ ভালো হবে সে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়াটাকেই ডাটা অ্যানালাইসিস বলে। 

বর্তমান সময়টাকে বলা চলে, ডাটা যুগ বা ডাটার স্বর্ণযুগ। যে প্রতিষ্ঠানের কাছে যত বেশি ডাটা আছে সে প্রতিষ্ঠানটি তত বেশি শক্তিশালী। Google ও ফেসবুকেআমরা যাকিছু দেখি সব ডাটার উপর নির্ভর করে বানানো হয়। ইন্টারনেটেও যা কিছু চলে তার সবকিছুই ডাটার উপর ভিত্তি করে। ফেসবুক এবং google এর কাছে প্রায় প্রত্যেক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ব্যবহৃত ডাটা সংরক্ষিত আছে। 

আপনি যদি গুগলে ঘড়ি দিয়ে সার্চ দেন, কিছুক্ষণ পর ফেসবুকে নোটিফিকেশন চেক করতে  গিয়ে দেখলেন কোন একটি ঘড়ির অ্যাড দেখাচ্ছে বা ঘড়ি বিক্রি করে এমন কোন পেজ সাজেস্ট করছে। চিন্তা করে দেখুন ফেসবুক আপনার মাইন্ড রিড করলো কীভাবে, যে আপনি ঘড়ি খুঁজছেন? আসলে, ফেসবুক আপনার সার্চ করা ডাটাগুলোকে কিনে নিয়ে তাদের অ্যালগরিদম দিয়ে এই কাজটি করেছে। 

facebook এবং google ডাটা অ্যানালাইসিস করে আপনার প্রোফাইলের জন্য বিশেষভাবে এক ক্যাম্পেইন চালু করে। আর অনলাইনে আমরা যে সকল এড দেখি, তার উপর ডাটা অ্যানালাইসিস করে নতুন বিজ্ঞাপন তৈরি করা হয়। এসব কাজ করে থাকেন একজন ডাটা এনালিস্ট। হয় তো ভাবছেন, ডাটা এনালিস্টের ক্যারিয়ার আবার কি রকম? ডাটা এনালিস্ট এর ক্যারিয়ার কেমন তা জানার আগে আপনাকে জানতে হবে এটি কোন কোন  ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যবহৃত হয়, তা নিচে দেওয়া হল— 

  1. ব্যবসা  
  2. চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য 
  3. গবেষণা প্রতিষ্ঠান 
  4. গোয়েন্দা সংস্থা ইত্যাদি 

একজন ডাটা এনালিস্ট এই সকল  ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে পারবেন। এই ধরনের ইন্ডাস্ট্রিতে প্রতিটি পথ উচ্চ পর্যায়ের হয়ে থাকে। এর কারণ এনালিস্টেড করা ডেটা বা তথ্যের উপর ভিত্তি করে তাদের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। কোন কারণে যদি ডেটা বা তথ্য সঠিক না হয় তাহলে তাদের অনেক অর্থ অপচয় হবে। 

একজন ডাটা এনালিস্ট এর বেতন আমেরিকা সহ বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে ৫০ থেকে ৮০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। আধুনিক বিশ্বে যে হারে ডাটার চাহিদা বাড়ছে, যদি ডাটা এনালিস্টের স্কিল থাকে তবে আপনার জন্য একটি ভালো সুযোগ হতে পারে। ডাটা অ্যানালাইসিসের কাজের বেতন এবং চাহিদা দিনকে দিন বাড়তেই থাকবে। তাই বলা যায় যে, একজন ডাটা এনালিস্টের ক্যারিয়ার অনেক উজ্জ্বল। 

ডিজিটাল মার্কেটিং  

ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে ইন্টারনেট, মোবাইল ফোন এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে এমন মানুষের কাছে পণ্যের জানান দেওয়ার একটি পন্থা বা পদ্ধতি। মার্কেটিং এর মূল কাজ মানুষের নিকট পণ্য সঠিক সময়ে পৌঁছে দেওয়া বা পণ্য সম্পর্কে যাবতীয় তথ্য জানানো। বর্তমান সময়ে মানুষ বেশিরভাগ সময় ব্যয় করে সোশ্যাল মিডিয়ায় বা অনলাইনে। করোনার সময়ে এর স্থায়িত্ব কয়েক গুণ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশাল পরিমাণের এই অডিয়েন্স এর কাছে আপনার পণ্য সম্পর্কে তুলে ধরার সহজ এবং কার্যকরী পদ্ধতি হচ্ছে ডিজিটাল মার্কেটিং। 

আরো সহজ করে বলতে গেলে, ডিজিটাল মার্কেটিং হচ্ছে প্রোডাক্ট মার্কেটিং এর একটি দিক। যেটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস, সোশ্যাল মিডিয়া এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে বা সাহায্যে পরিচালনা করা হয়। তবে ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক ধরনের হয়। যেমন–

  1. অনলাইন মার্কেটিং 
  2. সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন 
  3. কনটেন্ট মার্কেটিং 
  4. সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং 
  5. অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং 
  6. ই-মেইল মার্কেটিং 
  7. অফলাইন মার্কেটিং 
  8. সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং 
  9. টেলিভিশন মার্কেটিং 
  10. ফোন মার্কেটিং 
  11. রেডিও মার্কেটিং 

এগুলোর পাশাপাশি আরো বেশ কয়েক ধরনের কাজ বা সেক্টর আছে ডিজিটাল মার্কেটিং এর। 

মানুষ যে হারে সোশ্যাল মিডিয়ার উপর নির্ভর করছে, এতে করে ডিজিটাল মার্কেটিং এর ডিমান্ড আগামীতেও থাকবে আকাশচুম্বে। 

আমেরিকাতে একজন ডিজিটাল মার্কেটারের মান্থলি স্যালারি প্রায় ৪৮৬২ ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় সাড়ে চার লক্ষ টাকার বেশি। পাশের দেশ ইন্ডিয়াতে একজন ডিজিটাল মার্কেটারের মান্থলি স্যালারি গড়ে 15 থেকে ৮৮ হাজার রুপি। 

ডিজিটাল মার্কেটিং এর দ্বার, সম্ভাবনাময় ও সুবিশাল। আপনি চাইলেই ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন বা কোন সংস্থার জন্য কাজ করতে পারেন। আবার বড় কোন মিডিয়ার জন্যেও কাজ করতে পারবেন। তাছাড়া নির্বাচনী প্রচার করেও আয় করতে পারবেন। এটি একটি সম্ভাবনাময় সেক্টর। 

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট 

একটি ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য যে সকল কাজ করতে হয় তা একজন ওয়েব ডিজাইনার বা ডেভলপার করে থাকেন। একজন ডেভলপারের কাজ হল একটি ওয়েবসাইট তৈরি করা থেকে শুরু করে ইন্টারনেটে লাইভ করা থেকে এর সিকিউরিটি প্রদান করা পর্যন্ত। একজন ডেভলপার তার সুনির্দিষ্ট কাজ এবং দায়িত্বের মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইট দাঁড় করায়। ক্লায়েন্টের চাহিদার উপর নির্ভর করে একজন ডেভলপার ওয়েবসাইট তৈরি করে। 

ওয়েব ডেভেলপমেন্টের একটি বড় অংশ ক্রমাগত আপডেটের সাথে সাইডের বাক্যগুলো পর্যবেক্ষণ করে এবং ফিক্সিংয়ের চারদিকে ঘুরতে থাকে। ডেভলপার এই সমস্যাগুলো নিয়মিত সমাধান করে এবং সাইটগুলো যাতে কোনোরকম বাস ছাড়া সহজে চলতে পারে তা নিশ্চিত করে। 

ওয়েব ডেভলপমেন্টকে কয় ভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। 

  1. ফ্রন্ট এন্ড 
  2. ব্যাক এন্ড 
  3. ফুল স্ট্যাক 

1. ফ্রন্ট এন্ড 

আমরা যখন একটি ওয়েবসাইটে ভিজিট করি, তখন ওয়েবসাইটটির প্রথম পেজে আমরা কিছু নকশা, লেআউট, ছবি, বা লেখা এর সাথে UI (ইউজার ইন্টারফেস) UX (ইউজার এক্সপেরিয়েন্স) ডিজাইন দেখতে পাই। ওয়েবসাইটের ফ্রন্ট এন্ড এটিকেই সাধারণত বলে। ভিজিটরদের আকর্ষণ ধারে রাখার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

2. ব্যাক এন্ড 

সার্ভার সাইডের development করাকে ব্যাট এন্ড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বলে। অন্যভাবে বলা যায়, ওয়েবসাইটের ফাংশনাল কাজ করার জন্য সাইটের ভেতরের অংশে যে কাজ করা হয়। যেমন- ওয়েব ডিজাইন ও থিম ডিজাইন, দেট অ্যান্ড সার্ভার, ডাটাবেজ এবং অ্যাপ্লিকেশন লজিং দ্বারা গঠিত ওয়েবসাইট সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য ব্যাক এন্ড ডিজাইন অপরিহার্য। 

3. ফুল স্ট্যাক 

একটি ওয়েবসাইট ডিজাইন করা থেকে ওয়েবসাইটের সম্পূর্ণ ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কাজ করার প্রক্রিয়াই হল ফুল স্ট্যাক development। সাধারণভাবে বলতে গেলে, ওয়েব ডিজাইন, ফ্রন্ট এন্ড, বেড এন্ড, ওয়েবসাইটের সার্ভার, গঠন ও কাঠামো তৈরি করা থেকে সকল কাজই একজন ফুল স্ট্যাক ডেভেলপার করে থাকে। 

ডিবাগিং, ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সিকিউরিটি সবকিছুই একজন ফুলস্টপ ওয়েব ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজ করে থাকেন। তাছাড়া ই-কমার্স ওয়েবসাইট গুলো একজন ফুলস্টপ ওয়েব ডেভলপার সম্পাদন করে থাকেন। ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে হলে আপনাকে মূলত যে জিনিসগুলো জানতে হবে সেগুলো হল— 

  1. HTML 
  2. CSS 
  3. Javascript 
  4. Git 
  5. WordPress 
  6. Seo 

আপনাকে এর পাশাপাশি আরও কিছু বিষয় জানতে হবে। 

কোন কাজ করার আগে তার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে জেনে নেওয়াটা হলো বুদ্ধিমানের কাজ। সেজন্য আমরা বলতে পারি, একজন দক্ষ ডেভলপার হতে চাইলে আপনাকে ওয়েব ডেভেলপমেন্টকে ক্যারিয়ার হিসেবে বেছে নিতে পারবেন। বর্তমানে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর চাহিদা বেড়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন গড়ে মিনিটে প্রায় ৫৭১ টি নতুন ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে। এই সংখ্যা দিনে দিনে বাড়তেই থাকবে। শ্রম পরিসংখ্যান ব্যুরোর মতে, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কর্মসংস্থানের গ্রুপ করছে ৩০.৩ শতাংশ হারে। 

UI/UX (ইউ এক্স ইউ আই) ডিজাইন 

ইউ আই এর সম্পূর্ণরূপ হল ইউজার ইন্টারফেস। বিভিন্ন ওয়েবসাইট অ্যাপ্লিকেশনের ক্ষেত্রে একজন ইউজার হিসাবে আমরা যে ইউজার ইন্টারফেসটি ব্যবহার করছি, তা ইউ আই ডিজাইন হিসাবে পরিচিত। কোন অ্যাপ্লিকেশন বা ওয়েবসাইট ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্বচক্ষে যে ইন্টারফেস দেখতে পাই সেটা ইউ আই ডিজাইন দ্বারা সম্পন্ন করা হয়।  বর্তমানে আপনি যে মোবাইল কিংবা ল্যাপটপ এর মাধ্যমে একটি ব্লগ পড়ছেন সে ব্লগটি পড়ার ক্ষেত্রে যে ইন্টারফেস দেখা যাচ্ছে, সে ওয়েবসাইটের ইন্টারফেসটিও ইউ আই / ইউ এক্স ডিজাইন করেছে। একজন ইউজারকে তার ইউজার এক্সপেরিয়েন্স বৃদ্ধির লক্ষ্যে উন্নত পরিষেবা প্রদান করায় এর মূল উদ্দেশ্য।  

অন্য যেকোনো প্রফেশনের তুলনায় একজন ইউআই ইউএস ডিজাইনারের প্রফেশন বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে থাকে। এই সেক্টরে আপনাকে গৎবাঁধা কাজ করতে হয় না, বরং প্রতিনিয়ত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়ে ক্রিয়েটিভিটির মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হয়। এটা শুধুমাত্র একক কোন কাজ নয় বরং প্রতিনিয়ত ভিন্ন ভিন্ন ডিজাইনের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছে নতুন নতুন কাজ তুলে ধরতে হয়। 

ভিয়েতনামের একটি সার্কুলারে দেখা গেছে, একজন দক্ষ ইউ আই/ ইউ এস ডিজাইনারের মাসিক বেতন ১,৫০০ ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় দেড় লক্ষ টাকার বেশি। 

সাইবার সিকিউরিটি (Cyber Security)  

ডিজিটাল জগতে যে-সব কাজ কমান্ডের মাধ্যমে, তথ্যের এবং নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা দিয়ে থাকে তাকে সাইবার সিকিউরিটি বলে। হ্যাকিং বা ম্যালওয়্যার অ্যাটাক থেকে বাঁচার জন্য যে-সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, সে বিষয়গুলো সাইবার সিকিউরিটির অন্তর্গত। 

হ্যাক বলতে আপনার সিস্টেম থেকে আপনার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অন্য কেউ হাতিয়ে নেওয়াকে বুঝানো হয়েছে। সাইবার অ্যাটাক বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। ইন্টারনেটের বিস্তার যত বাড়ছে হ্যাকিংও ততো বেশি হারে বাড়ছে। 

যেভাবে আপনার একাউন্ট হ্যাক হতে পারে-

Attack on Availability : 

হ্যাকার যখন আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করবে তখন সে আপনার অ্যাক্সেস অবরুদ্ধ করে নিজে অনুপ্রবেশ করবে। সেক্ষেত্রে আপনি যদি আপনার ফাইলের ব্যাকআপ না রাখেন তাহলে আর এক্সেস করতে পারবেন না। 

Malware : 

আপনারা অনেক সময় ভিন্ন ভিন্ন ওয়েবসাইটে ভিজিট করেন বা লিংকে প্রবেশ করেন। এগুলোর মাধ্যমে হ্যাকাররা আপনাদের জন্য জাল বিছিয়ে রাখে। আর সামান্য কিছু ভুলের কারণেই আপনারা ধরা খেয়ে যান। ম্যালওয়্যার দিয়ে সাধারণত অনেক হ্যাকাররাই ইন্টারনেটে ব্যবহৃত অ্যাপস বা লিংক দিয়ে তথ্য চুরি করে যাচ্ছে। 

ফিশিং : 

ফিশিং সম্পর্কে আপনারা কম বেশি সকলেই জানেন। যদি এর নাম নাও শুনে থাকেন, তবুও অজান্তেই আপনারা অনেকেই এর কবলে পড়েছেন। আপনারা ব্রাউজারের প্রবেশ করলে অনেক সময় কিছু সাইডে লগইন করতে বলে। এর মধ্যে কিছু সাইট হ্যাকাররা আপনাকে ফাঁদে ফেলার জন্য তৈরি করে। আপনি যদি সেই সাইডে লগইন করেন তাহলে হ্যাকার আপনার পার্সোনাল তথ্যগুলো সহজেই হাতিয়ে নিবে। 

এর পাশাপাশি হ্যাকাররা অনেক সময় বিভিন্ন জি-মেইল অ্যাকাউন্ট দিয়েও কিছু লিংক পাঠায়। হ্যাকারটি যে লিংকটি আপনাকে পাঠিয়েছে লিংকে ভিতর সে ভাইরাস সেট করে দেয়। আর অপেক্ষা করতে থাকে কখন কোন ব্যক্তি তার ফাঁদে পা দিবে। আর সেই লিঙ্কে ঢোকার পরপরই হ্যাকার আপনার সব তথ্য দিয়ে নিবে। এছাড়াও আরো অনেকভাবে হ্যাকিংয়ের কাজ করে থাকে হ্যাকাররা।  

বিভিন্ন পদে অভিজ্ঞতার তারতম্যের পরেও একজন সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞের বেতন ৬,৫০০–৮,৫০০ হাজার ডলার। যা বাংলাদেশি টাকায় ৬৫ হাজার থেকে ৮৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। 

একজন সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞ কোন বড় প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করতে পারে। সে যদি চায় ফ্রিল্যান্সিংও করতে পারে। পাশাপাশি সরকারি আইটি সেক্টরেও কাজ করতে পারবে। আধুনিক প্রযুক্তির বিশ্বে যে হারে প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়ছে, একই হাড়ে প্রযুক্তির নির্ভরতাও দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। এ কারণে একজন সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞের কাজের অফারের সম্ভাবনা আগামীতেও রয়েই যাচ্ছে। 

আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্ট এন্ড এন্ড মেশিন লার্নিং 

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) এবং মেশিন লার্নিং আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি অংশ। এটি একে অপরের সাথে সম্পর্কিত। এই দুই প্রযুক্তি হলো সর্বাধিক ট্রেন্ডিং প্রযুক্তি। কৃত্রিম বুদ্ধিমান সিস্টেম তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। এটি যদিও সম্পর্কিত প্রযুক্তি কিন্তু কখনো কখনো লোকেরা একে অপরের প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহার করে থাকে। তবে এখনো উভয়ই ভিন্ন ক্ষেত্রে দুটি পৃথক পথ। 

এআই একটি বৃহত্তর ধারণা, যা কৃত্রিম বুদ্ধিমান মেশিন তৈরি করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি মানুষের চিন্তা ভাবনা এবং আচরণের অনুকরণ করতে সক্ষম। অন্যদিকে মেশিন লার্নিং এআইয়ের একটি অ্যাপ্লিকেশন বা সাব-সেট, যা মেশিন গুলো-কে স্পষ্ট ভাবে প্রোগ্রাম না করেই সেটা থেকে তথ্য সংগ্রহ করে নেয়। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কম্পিউটার বিজ্ঞানের এমন একটি ক্ষেত্র, যা কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করে মানুষের বুদ্ধি অনুকরণ করতে সক্ষম। 

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবস্থায় প্রাক–প্রোগ্রামিং এর প্রয়োজন হয় না। এর পরিবর্তে তারা এক জাতীয় অ্যালগরিদম ব্যবহার করে যা তাদের নিজস্ব বুদ্ধি দিয়ে কাজ করতে সক্ষম। মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদমের রি-ইনফোর্সমেন্ট লার্নিং অ্যালগরিদম এবং গভীর লার্নিং নিউরাল নেটওয়ার্ক জড়িত। আপেলের সিরি, গুগলের বার্ডস, চেটজিবিটি, গুগলের আলফাগো, দাবা খেলা ইত্যাদির মত একাধিক জায়গায় এ আই ব্যবহার হচ্ছে। 

এ আই কে দক্ষতার ভিত্তিতে তিনটি শ্রেণীবদ্ধ করা যেতে পারে: 

  1. দুর্বল এআই 
  2. জেনারেল এআই 
  3. শক্তিশালী এআই 

মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম কাজ করে, হিস্টিরিকাল ডেটা ব্যবহার করে। এটি কেবলমাত্র নির্দিষ্ট ডোমেনের জন্য কাজ করে। যেমন- আমরা যদি বিড়ালের ছবি শনাক্ত করার জন্য একটি মেশিন লার্নিং মডেল তৈরি করি তবে এটি কেবলমাত্র বিড়ালের ছবিগুলোর জন্য ফলাফল দেবে। কিন্তু আমরা যদি কুকুরের চিত্রের মত একটি নতুন ডেটা সরবরাহ করি তবে এটি প্রতিক্রিয়াহীন হয়ে যাবে। 

বর্তমানে যে হারে মানুষ এ আই এবং মেশিন লার্নিং ব্যবহার করছে ভবিষ্যতেও এ কাজগুলো আরো বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি এর চাহিদা দিনকে দিন বাড়তেই থাকবে কেননা মানুষ নিজের জীবনকে সহজলভ্য করার জন্য এআই এবং মেশিন লার্নিং প্রযুক্তি গুলো প্রতিনিয়তই আপডেট করে কাজে লাগাবে। আগামীতে এআই এবং মেশিন লার্নিং মানুষের আধুনিক জীবনের একটি অংশ হয়ে উঠতে পারে। 

ভিডিও প্রোডাকশন এন্ড এডিটিং 

ভিডিও এডিটিং এমন একটি পেশা যা সৃজনশীলতার পাশাপাশি একটি উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ এর সুযোগ প্রদান করে।  এই কাজটিতে রয়েছে খ্যাতি মর্যাদা এবং পরিচিতি। অনেক আনন্দের একটি পেশা হলো ভিডিও এডিটিং। এখানে আপনি আপনার মত ক্রিয়েটিভ কাজ করতে পারবেন। তাছাড়া ভিডিও কনটেন্ট এর চাহিদা দিনকে দিন বেড়েই যাচ্ছে। এই সেক্টরে পর্যাপ্ত অভিজ্ঞ লোক না থাকায় দেশে এবং বিদেশের ভিডিও এডিটিং প্রফেশনালদের পদ। প্রতিনিয়তই মানুষ নতুন নতুন ভিডিও বা নতুন নতুন জায়গায় ভিডিও করে এটিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বা বিভিন্ন সাইডে দেয়াড় জন্য ভিডিওটিকে এডিট করার প্রয়োজনবোধ করে। কিন্তু সকলেই তো এডিট করতে পারে না, এর কারণেই একজন ভিডিও এডিটরের প্রয়োজন হয়। 

একজন ভিডিও এডিটর কোন ভিডিও ফুটেজকে পছন্দ মত এডিট করে একটি গল্পে ফুটিয়ে তোলে। স্মৃতি ধরে রাখার জন্য এবং কোন বিষয় বাস্তবের মত ফুটে তোলার জন্য ভিডিও অনেক কাজের একটি মাধ্যম। 

একজন ভিডিও এডিটর হতে গেলে আপনাকে এই জিনিসগুলোতে স্কিল ফুল হতে হবে— 

  1. ক্রিয়েটিভ হতে হবে 
  2. ধৈর্যশীল হতে হবে 
  3. এডিটিং সফটওয়্যার সম্পর্কে জানতে হবে 
  4. এডিটিং সিক্রেটস সম্পর্কে জানতে হবে 
  5. স্ক্রিপ্ট সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে 
  6. স্পেশাল ইফেক্ট জানতে হবে 
  7. প্রজেক্ট করতে হবে 
  8. আপটুডেট থাকতে হবে 

ভিডিও এডিটিং একটি গতিশীল ইন্ডাস্ট্রি যা সময়ের সাথে সাথে বেড়েই চলেছে। বর্তমানে youtube ফেসবুক টিক টক জাতীয় সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য মানুষের নতুন নতুন কর্মক্ষেত্র সূচনা হচ্ছে। ভিডিও এডিটিং শেখার পর জুনিয়র তারপর সিনিয়র এডিটর হওয়া যায়। আপনার পারফরম্যান্সের মান যদি দিনে দিনে উন্নত হতে থাকে তবে খুব সহজেই হেড অফ ভিডিও এডিটর হওয়ার সম্ভবনা বাড়তে থাকবে। 

ভিডিও এডিটিং শিখলে আপনি অনলাইন এবং অফলাইনে প্রচুর কাজের সুযোগ পাবেন। ভিডিও এডিটিং একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যারিয়ার চয়েজ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে আছে আপনার জন্য। 

ডিজিটাল প্রজেক্ট ম্যানেজার 

অনলাইনে প্রকল্প ব্যবস্থাপনা করতে ডিজিটাল সরঞ্জামগুলির উপর নির্ভর করতে হয়।  এটি একটি প্রকল্পের লাইফ লাইনের সকল পর্যায়কে সমর্থন করে। যেমন- পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন, পর্যবেক্ষণ এবং সমাপ্তি। প্রকল্প পরিচালকদের সম্পাদন, বাজেট, বরাদ্দ, সময়সূচি, গুণগত মান এবং যোগাযোগের প্রত্যাবর্তন।  যা ভিডিও কনফারেন্সিংকে প্রকল্পের অগ্রগতির জন্য একটি মূল্যবান সম্পদ গড়ে তোলে। 

যে যত বেশি দক্ষ হবে এবং বায়ারকে কনভেন্স করার ক্ষমতা যত বেশি হবে সে তত দ্রুত সময়ে এখানে ভালো করতে পারবে। প্রকল্প পরিচালকদের মুখোমুখি অন্যের চ্যালেঞ্জ যা একটি প্রকল্পের অগ্রগতি এবং বৃদ্ধিকে ধীর গতিতে চালাতে পারে। 

প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট ভিডিও কনফারেন্সিং সফটওয়্যার আপনার প্রকল্প চালানোর জন্য একটি বড় হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে। 

ডিজিটাল প্রজেক্ট ম্যানেজারের ক্যারিয়ার সুউচ্চ। সময়ের সাথে মানুষ যে পরিমাণ প্রযুক্তি নির্ভর হচ্ছে তাতে করে আগামী দিনগুলোতেও ডিজিটাল প্রজেক্ট ম্যানেজারের চাহিদা বৃদ্ধির পেতেই থাকবে। এরই সাথে প্রতিটি কোম্পানি বা সংস্থাগুলো তাদের কাজগুলোকে ডিজিটালাইজেশন করার ফলে এর চাহিদা থাকবে অনেক বেশি।  

ই–কমার্স এক্সপার্ট

ই কমার্স এর অর্থ হচ্ছে ইলেকট্রনিক কমার্স বা ইন্টারনেট বাণিজ্য। বর্তমান যুগ হচ্ছে তথ্য ও প্রযুক্তির যুগ, তথা ইন্টারনেট যুগ। ইন্টারনেটের কল্যাণে আমাদের এই বিশ্ব অনেক এগিয়েছে এবং আরো সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই ইন্টারনেটের সংস্পর্শে থেকে কোন কিছুই আর বিচ্ছিন্ন নেই। ইন্টারনেট মানুষের সামনে খুলে দিয়েছে একটি মুক্ত ও স্বাধীন পৃথিবী। সবকিছুই মানুষ এখন খুব কাছে থেকে এমনকি ঘরে বসেই করতে পারছে। ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে শিক্ষা তথ্য বিনোদন সবকিছু এখন যেকোনো সময় যেকোনো জায়গা থেকে পাওয়া যাচ্ছে। 

যে কোন ব্যবসার ক্ষেত্রে মার্কেটিং এবং প্ল্যানিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সে ক্ষেত্রে ই-কমার্স টু যথেষ্ট সহায়তা করে থাকে। যেমন-  টার্গেট কাস্টমার, মার্কেট সাইজ, মার্কেট সেগমেন্টেশন, ইউনিক সেলস পয়েন্ট, মার্কেট এক্সপেরিয়েন্স প্ল্যান, কাস্টমার সার্ভিস প্ল্যান, মার্কেটিং এন্ড সেলস প্ল্যান, সোয়াট অ্যানালাইসিস ইত্যাদি। ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টকে সমন্বয় করে কাজ করতে হয়। একজন ই-কমার্স এক্সপার্ট এই সকল বিষয়ে অনেক দক্ষ হয়ে থাকে। সে একটি ব্যবসাকে খুব সহজেই ভালো অবস্থায় নিয়ে যেতে সক্ষম। 

বর্তমানে অনলাইন বিজনেস যে হার বৃদ্ধি পাচ্ছে সে ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে ই-কমার্স এক্সপার্ট এর চাহিদা বাড়তেই থাকবে। আগামীতে একজন ই-কমার্স এক্সপার্ট বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করতে পারবে। সে চাইলে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবে, কোন প্রতিষ্ঠানের হয়ে কাজ করতে পারবে, নিজেই অনলাইন বিজনেস করতে পারবে। আগামীতে একজন ই-কমার্স এক্সপার্টের ডিমান্ড থাকবে অনেক বেশি। 

কনটেন্ট ক্রিয়েশন এন্ড কপিরাইটিং  

কপি-রাইটিং মার্কেটিং এর গুরুত্বপূর্ণ এবং জটিল একটি বিষয়। মূল বিষয়টি হচ্ছে কাউকে কিছু বুঝিয়ে কোন জিনিস কিনে নেওয়ার মতো একটা ব্যাপার। বাস্তব জীবনে আমরা আমাদের চারপাশে এই ধরনের ঘটনা সচরাচর দেখতে পাই। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, আমাদের বন্ধুদের থেকে কোন জিনিসের সুনাম শুনে ঐ পণ্য কিনে নেওয়ার মতো। 

কপি-রাইটিং ছাড়া কোন ব্যবসায়ী তার ব্যবসার কোন মেসেজ পাঠাতে পারবেনা তার কাস্টমারদের কাছে। যেমন- তেমন মেসেজ পাঠালে সম্ভাব্য ক্রেতারা আকৃষ্ট হবে না, তার ব্যবসার প্রতি। তাই সকল বিজনেস ইন্ডাস্ট্রিজতে কপি-রাইটাদের প্রয়োজন হয়। অন্তত পক্ষে, আকর্ষণীয় করে মেসেজ পাঠানোর জন্য হলেও কপিরাইটারদের প্রয়োজন হয়। 

একজন কপিরাইটের হতে হলে ইংরেজি, অ্যাডভার্টাইজিং, মার্কেটিং  অথবা জার্নালিজম বিষয় ব্যাচেলার ডিগ্রি থাকতে হবে। বর্তমান সময়ের ফ্রিল্যান্সারদের অনেক চাহিদা থাকায় অনেকে ফ্রিল্যান্সিং করে থাকে। 

একজন কপিরাইটার প্রতিমাসে ৩৫০০ ডলার থেকে ৭৩০০ ডলারের মত আয় করে থাকেন। এটি ২০১৯ সালের পে-স্কেল ডটকম ওয়েবসাইটের জরিপ থেকে জানা যায়। 

একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনি উপরিউক্ত স্কিলগুলো শিখে নিজের ক্যারিয়ার শুরু করতে পারেন। ভবিষ্যতে এই কাজগুলোর চাহিদা এবং এর পারিশ্রমিক বৃদ্ধি পেতেই থাকবে। তাই আপনি চাইলে এই স্কিলগুলোর যেকোনো একটি শিখে কাজ করতে পারেন।

আরো দেখুন – বাঙালিদের রান্নায় পেঁয়াজ কেন এত জনপ্রিয়

Advertisement

পেঁয়াজ কাটতে গেলে, কেন কাঁদতে হয়?

0
পেঁয়াজ কেনো কাঁদায়

আপনি পেঁয়াজ কাটতে গিয়ে কাঁদেননি এমনটা হতেই পারেনা। যদি কেটে থাকেন তাহলে নিশ্চয়ই জানেন, পেঁয়াজ কাটার সময় সালফারযুক্ত এক প্রকার ঝাঁঝালো গ্যাসের কারনে চোখে পানি আসে। এমন কেউ নেই যার এই অভিজ্ঞতা হয়নি। কিন্তু কেন এমনটা হয়, তা কি কখনও ভেবে দেখেছেন?

আমরা যখন পেঁয়াজ কাটি, তখন পেঁয়াজ থেকে সালফারযুক্ত এক ধরনের গ্যাস নির্গত হয়। এই সালফারযুক্ত গ্যাস আমাদের চোখের কোষগুলোকে বিরক্ত করে। যার ফলে, চোখ গ্যাসটি পরিষ্কার করতে বা নিজেকে রক্ষা করতে পানি তৈরি করে। আর এই কারণেই আমাদের চোখে পানি চলে আসে বা ঝরে। 

আমাদের শরীরে যেমন কোষ থাকে, পেঁয়াজেও তেমনি কোষ থাকে। এই ছোট ছোট কোষগুলোর প্রতিটিতে আবার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কোটর থাকে। এগুলোতে আবার এনজাইম নামক এক ধরনের উপাদান থাকে। এই  এনজাইমের প্রভাবে রাসায়নিক বিক্রিয়া হয়। তবে পেঁয়াজের এই এনজাইম এমনিতে অনেক উপকারী উপাদান। গাছ-পালা বা পশু-পাখি যাই হোক, এনজাইম তো থাকবেই। 

পেঁয়াজে এনজাইম ছাড়াও আরেকটি রাসায়নিক যৌগ বা উপাদান আছে। সেই রাসায়নিক যৌগটি হলো সালফোক্সাইড। পেঁয়াজ কাটলে কোষগুলো উন্মুক্ত হয়ে পড়ে। এতে করে ভেতরে থাকা এনজাইম বেরিয়ে সালফোক্সাইডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে। ফলে সালফেনিক অ্যাসিড উৎপন্ন হয়। অ্যাসিডটি একাধারে বেশ কিছু বিক্রিয়া ঘটানোর ফলে শেষে তৈরি হয় পিটিএসও বা প্রোপেনেথিয়াল এস-অক্সাইড। খটমটে নামের এই যৌগ বা উপাদানটি বাতাসের চেয়েও হালকা। এই যৌগ বা উপাদানটি তৈরি হওয়া মাত্রই উড়ে যায়। 

পেঁয়াজ কাটার সময় আমাদের চোখ ঠিক পেঁয়াজের ওপরে থাকার কারণে সিন-প্রোপেনেথিয়াল এস-অক্সাইড উড়ে গিয়ে সরাসরি চোখে পড়ে। আর চোখের পানির সঙ্গে আবারও বিক্রিয়া হয় এবং সালফিউরিক অ্যাসিড উৎপন্ন হয়। 

সালফিউরিক অ্যাসিড যে আমাদের জন্য বিপজ্জনক, তা কিন্তু মস্তিষ্ক ঠিকই বুঝতে পারে। তাইতো মস্তিষ্ক সঙ্গে সঙ্গে চোখের গ্রন্থিগুলোকে নির্দেশ দেয়, যত দ্রুত পারো ঝেঁটিয়ে বিদায় করো! আর তারপরই চোখ থেকে পানি বেরিয়ে ধুয়ে ফেলে সালফিউরিক অ্যাসিড। এই হলো আসল রহস্য।

পেঁয়াজ থেকে পিটিএসও কেন নিঃসরণ হয়?

পেঁয়াজ নিজেকে নিরাপদ রাখার কৌশল হিসেবে পিটিএসও নিঃসরণ করে। পেঁয়াজের বাল্বগুলো মাটির নিচে জন্মায়। এই কারণে পেঁয়াজ খুব সহজে যেকোনো ছোট প্রাণীর শিকার হতে পারে। তাই পেঁয়াজ আত্মরক্ষার একটি কৌশল হিসাবে পিটিএসও ব্যবহার করে।

Onion under soil
তাহলে কীভাবে আমরা পেঁয়াজ কাটার সময় চোখের পানি আসা এড়াতে পারি? 
উপায়গুলো তুলে ধরা হলো–    

১. আপনি চাইলে আঁটোসাঁটো ডাইভিং মাস্ক বা সানগ্লাস ব্যবহার করতে পারেন।

২. পেঁয়াজের কাটার আগে পেঁয়াজের খোসা ছাড়িয়ে নিতে পারেন। এরপর ৩০ মিনিটের জন্য ফ্রিজে রাখে তারপর কাটতে পারেন। এতে করে চোখে পানি আসা কমে যেতে পারে। 

৩. পেঁয়াজ কাটার সময় আপনি পাউরুটি দাঁতে চেপে মুখের সামনে ধরে রাখতে পারেন। এতে করে পেঁয়াজ থেকে নির্গত হওয়া সকল গ্যাস রুটিটি শুষে নেয়।  

৪. এছাড়াও পেঁয়াজের খোসা ছাড়িয়ে যদি বেশ কিছু সময় পানিতে ভিজে রেখে কাটা যায়, তাতে করে চোখে পানি আসা অনেকটা কমে যেতে পারে। 

Onion in water

চোখে পানি কম বা বেশি যাই ঝরুক, এতে কিন্তু পেঁয়াজ খাওয়া থেমে থাকবে না।

পেঁয়াজের উপকারিতা এবং গুণাগুণ অনেক। তাছাড়া পেঁয়াজে রয়েছে- ভিটামিন বি, ভিটামিন সি, ফোলেট, বি৬– ভিটামিন এবং পটাশিয়াম। যা আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী।

তবে একটা বিষয় মাথায় রাখবেন, যে খাবারে পেঁয়াজ ব্যবহার করবেন তাতে তেল বা মসলা একটু কম দেয়ার চেষ্টা করবেন। এতে করে পেঁয়াজের সব গুণাগুণ অটুট থাকবে। 

আরো দেখুন – বাঙালিদের রান্নায় পেঁয়াজ কেন এত জনপ্রিয়

Advertisement

Eucalyptus: ইউক্যালিপটাস পরিবেশের জন্য কতটা ক্ষতিকর?

0
Eucalyptus
Eucalyptus

বর্তমানে বাংলাদেশে গাছ লাগানোর হেরিক পড়ে গেছে। দামে কম হওয়ার কারণে অনেকেই ইউক্যালিপটাস গাছ লাগান। শহর বা গ্রামে, পথেঘাটে কিংবা যেকোনো ফাঁকা জায়গায় বা চাষের জমিতে চোখ পড়ে এই গাছটি। গাছটি লাগিয়ে আমরা অজান্তেই পরিবেশের ক্ষতি করছি নাতো?

চলুন তাহলে জেনে নেয়া যাক এ গাছটি আমাদের পরিবেশের জন্য কতটা ক্ষতিকর?

ইউক্যালিপটাস ডালপালার দিক থেকে বিস্তার না ছড়ালেও, মূল কিন্তু প্রায় ১৫ মিটার গভীর পর্যন্ত হয়ে থাকে। পানি ও খনিজ লবণ শোষণ ছাড়াও অতিরিক্ত পানি শুষে ডাল পালায় জমা রাখে। ফলে যে জায়গায় গাছটি লাগানো হয় সেই স্থানটি হয়ে পড়ে পানি শূন্য ও শুষ্ক। জমির উর্বরতা শক্তিও কমে যায়।

শুধু তাই নয়, পানির স্তর নিচে নেমে গিয়ে অন্য প্রজাতির গাছের স্বাভাবিকতা নষ্ট করে ফেলে। এর ফলে পরিবেশ হুমকির মুখে পড়ে যায়। 

দেশের উত্তর অঞ্চলে ইউক্যালিপটাস গাছ লাগানো হার বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে এসব কারনেই উত্তর জনপদের মাটি তুলনামূলক শুষ্ক হয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া মাটির আদ্রতা কমায় বিভিন্ন রকম উপকারী কীট-পতঙ্গ হ্রাস পাচ্ছে ফলে উর্বরতা হারাচ্ছে জমি। ফলে ধীরে ধীরে তা মরুময় অঞ্চলে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সাধারনত কৃষি জমির অইলে ও বাড়ির পাশের ফাঁকা জায়গায় মানুষ এই কাজটি লাগিয়ে থাকে। গাছটি উপকারের পরিবর্তে ক্ষতিই বেশি করে। ইউক্যালিপটাসের ডালপালা ও পাতা জমিতে পরলে জৈব সারের পরিবর্তে অজৈব রাসায়নিক পদার্থের মত কাজ করে। যার ফলে জমিকে অনুর্বর করে তোলে। গাছটির ডাল ও পাতা রাসায়নিক এর মত কাজ করার কারণ হলো এই গাছের ডালপালাতে দাহ্য জাতীয় উপকরণ বিদ্যমান। এর ফলে ফসলের উৎপাদন কমে যায়। 

এই গাছটিতে অধিক পরিমাণে তেল থাকায় এটা বেশ দাহ্য স্বভাবের হয়ে থাকে। অস্ট্রেলিয়াতে ইউক্যালিপটাস গাছটিকে অগ্নি সৃষ্টিকারী হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। তাই অস্ট্রেলিয়ানরা আবাসিক এলাকা বা ঘরবাড়ি আছে এমন জায়গায় এই গাছ থাকলে কেটে ফেলেন। তবে সেখানেও সড়কের ধারে সারিবদ্ধ ভাবে এ গাছটি লাগানো হয়।

বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ৭০০ প্রজাতির ইউক্যালিপটাস পাওয়া যায়। পাপুয়া নিউ গিনি ও ইন্দোনেশিয়া পর্যন্ত এর বিস্তার রয়েছে প্রাকৃতিকভাবেই। সারা বিশ্বেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এর মাত্র ১৫ টি প্রজাতি।

দ্রুতবর্ধনশীলতা এবং অভিযোজন ক্ষমতার কারণে এটি অনেক বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এই গাছটি তার আশেপাশের প্রায় ১০ ফুট এলাকার ও ভূগর্ভের প্রায় ৫০ ফুট নিচের পানি শোষণ করে আকাশে উড়িয়ে দেয়। গাছটি দিনরাত ২৪ ঘণ্টায় পানি শোষণ করে আর বাতাসে ছড়াতে থাকে। মৌসুমি জলবায়ু যুক্ত পরিবেশের জন্যও অনেক ক্ষতিকর এই গাছ । আশেপাশে অন্য কোন প্রজাতির গাছ ভালোভাবে জন্মাতে পারেনা কারণ এর পাতায় প্রচুর টক্সিন থাকে যা গাছের গোড়ায় পড়ে আশেপাশের মাটিকেও বিষাক্ত করে ফেলে। 

ইউক্যালিপটাসের ক্ষতিকর দিক বেশি থাকলেও এর কিছু উপকারও আছে বটে। তবে তা খুবই সামান্য। তাহলে আমরা এই গাছটির উপকারগুলো একটু জেনে নেই-

উপকারিতা 

  • ইউক্যালিপটাস গাছের পাতায় যে টক্সিন থাকে তা হতে মশা বা বিভিন্ন কীটপতঙ্গ ধ্বংস হয়। 
  • এই গাছটি দ্রুত বর্ধনশীল। 
  • বিভিন্ন দেশে ঘরবাড়ি তৈরিতে কাঠ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
  • তাছাড়া এই গাছের কাঠে ঘুনপোকা ধরে না।

উপকারের থেকে যেহেতু এই গাছের ক্ষতিকর দিকই বেশি, আর আমাদের পরিবেশের জন্য ঝুঁকি স্বরূপ সেহেতেু এ গাছটি না লাগিয়ে দেশীয় পরিবেশের জন্য উপকারী গাছ  নির্বাচন করা উচিত।  ফলে পরিবেশ যেমন বাঁচবে, তেমনি ইকোলজিক্যাল ভারসাম্য বজায় থাকবে।

আরো দেখুন

আসলেই কি কাসাভা আটা বা ময়দার বিকল্প হতে পারে?

Advertisement