Thursday, November 5, 2026
spot_imgspot_img
Home Blog Page 12

Tourism: সবচেয়ে বেশি দর্শনীয় স্থান কোন জেলায়?

প্রশ্নটা যদি আপনাদের করা হয় তাহলে উত্তর কি হতে পারে?

এতক্ষণ নিশ্চয়ই ভাবতে বসে গেছেন। ঠিক তাই আজ আমরা কথা বলব দেশের সবচেয়ে বেশি পর্যটন স্পট আছে তেমন একটি জেলাকে নিয়ে অর্থাৎ বান্দরবান।

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় শহর চট্টগ্রাম, এর একটি জেলা বান্দরবান। এটি বাংলাদেশের সেরা পর্যটন স্পটের জেলা হিসেবে জনপ্রিয়। এখানকার প্রাকৃতিক ঐশ্বর্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজর কাঁড়ে এর সবুজে ঢাকা পাহাড়,  উন্মুক্ত জলপ্রপাত এবং ক্ষুদ্র-নৃ গোষ্ঠীর সংস্কৃতি। 

চলুন জেনে নেওয়া যাক বান্দরবানের সেরা পর্যটন স্পটগুলো সম্পর্কে  

নীলগিরি, থানচি

নীলগিরি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪০০০ ফুট উপরে অবস্থিত। এটিই বাংলাদেশের অন্যতম উঁচু শৃঙ্গ। এই এলাকাটি পুরো মেঘে ঢেকে থাকার কারণে পর্যটকরা নীলগিরিকে নাম দিয়েছেন ‘মেঘের দেশ’। নীলগিরির সূর্যোদয়ের মুহূর্তটি আশ্চর্যজনক এবং কুয়াশাচ্ছন্ন শীতকালে এটি যেকোনো পর্যটককে বিমোহিত করবে। মনোরম হেলিপ্যাড নীলগিরির সবচেয়ে আকর্ষণীয় জায়গাগুলোর মধ্যে একটি। পর্যটন এলাকাটির নিরাপত্তায় নিযুক্ত আছে বাংলাদেশের সেনাবাহীনি।

চিম্বুক পাহাড়, থানচি

চিম্বুক পাহাড়, থানচি বান্দরবান জেলা থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। চিম্বুক পাহাড়, থানচি বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম পর্বত। চান্দের গাড়ি দিয়ে চিম্বুক ভ্রমণের সময় এর চারপাশের প্রকৃতির দৃশ্য দেখা যায়। পর্যটকরা যখন এই জায়গা থেকে নিচের দিকে তাকায়, তখন তারা মেঘের ভেলা দেখতে পায়। বান্দরবান শহর থেকে পৌঁছাতে প্রায় দেড় ঘণ্টা সময় লাগে। এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে বিকাল ৪টার পর চিম্বুক-থানচি রুটে কোনো যানবাহন চলে না। তাই চিম্বুক পাহাড়ে যেতে হলে বিকাল ৪টার আগেই যেতে হবে। পর্যটকরা চিম্বুক, নীলগিরি, মিলনছড়ি, এবং শৈলপ্রপাত ঝর্ণা একসঙ্গে দেখার জন্য গাড়ি ভাড়া করে।

নীলাচল, বান্দরবান সদর

নীলাচল বান্দরবানের প্রধান? শহর থেকে প্রায় ৭ কিলোমিটার দূরে টাইগারপাড়ায় অবস্থিত। এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে প্রায় ১৬শ ফুট উপরে অবস্থিত। এই স্পটে বর্ষা, শরৎ কিংবা হেমন্ত এই তিন ঋতুতেই মেঘ ছোঁয়া পাওয়া যায়। নীলাচলের বাইরের দিকটা ছিন্ন-ভিন্ন পাহাড় দ্বারা সাজানো হলেও ভেতরটা খুবই প্রশান্ত। কোথাও বিস্তীর্ণ দিগন্তের ঢালের রাস্তা, কোথাও পাহাড়ি পাড়া, আর তার সঙ্গে রূপালী নদী যেন শিল্পীর আঁকা ছবির মতো। মেঘহীন আকাশে নীলাচল থেকে কক্সবাজারের সমুদ্র সৈকতের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়। শহর ছেড়ে চট্টগ্রামের পথে প্রায় তিন কিলোমিটার ছোট্ট রাস্তাটি নীলাচলের পথ। এই পথে প্রায় দুই কিলোমিটার পাহাড়ে উঠতে হবে। 

স্বর্ণ মন্দির, বান্দরবান

স্বর্ণ বৌদ্ধ মন্দিরটির আসল নাম বুদ্ধ ধাতু জাদি মন্দির, এটি বান্দরবানের সেরা পর্যটন স্পট সমূহের মথ্যে একটি। মায়ানমারের কারিগরদের কাঠের তৈরি এই অনন্য মন্দিরে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৌদ্ধমূর্তি রয়েছে। মন্দিরটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত। এই স্বর্ণ মন্দিরে যেতে হলে অবশ্যই সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বেলা সাড়ে ১১টার মধ্যে যেতে হবে। আর সকালে যেতে না চাইলে দুপুর পৌনে ১টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত সেখানে যাওয়া যায়। ২০ টাকা প্রবেশ ফি দিয়ে মন্দিরটিতে প্রবেশ করেন দর্শনার্থীরা। উপভোগ করতে পারেন এর স্থাপত্য এবং চারপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য।

বগালেক, রুমা

বগালেক অবস্থিত বান্দরবানের রুমা উপজেলায়। এটি নীল পানির লেক। এর সৌন্দর্য্য দেখতে প্রতি বছর প্রচুর পর্যটক আসেন এখানে। বর্ষাকালে রাস্তার বেহাল দশার কারণে বগালেকে যাওয়া বেশ কষ্টকর। শীতের মৌসুমে পর্যটকরা ক্যাম্প ফায়ার করতে পারেন, যেটি নিঃসন্দেহে একটি দারুণ স্মৃতি  হয়ে থাকবে। বান্দরবান থেকে রুমা বাজারের দূরত্ব ৪৮ কিলোমিটার। আর রুমা বাজার থেকে বগালেকের দূরত্ব ১৭ কিলোমিটার। বর্ষার সময় গাড়ি সরাসরি বগালেক পর্যন্ত যায় না। তাই প্রথমবার বগালেক যেতে হলে পায়ে হেঁটে যাওয়া জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।

শৈলপ্রপাত ঝর্ণা, থানচি

শৈলপ্রপাত ঝর্ণাটি বান্দরবানের থানচি থানায় অবস্থিত। জলপ্রপাতটি বান্দরবান শহর থেকে মাত্র ৮কিলোমিটার দূরে। ঠাণ্ডা এবং স্বচ্ছ পানির জলপ্রপাত এটি। স্বচ্ছ পানির নিচে প্রচুর পাথর দেখতে পারবেন। ঝর্ণাটি স্থানীয়দের জন্য বিশুদ্ধ পানির একটি বড় উৎস। জলপ্রপাতের বাইরে একটি বাজার রয়েছে  ঠিক আছে এই দুইটাযেখানে পর্যটকরা তাঁতের পণ্য এবং স্থানীয় খাদ্য সামগ্রী কিনতে পারবেন। জানতে পারবে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সংগ্রামী জীবন সম্পর্কে। বান্দরবানের অন্যতম আকর্ষণীয় চিম্বুক পাহাড় ও নীলগিরি পথের মাঝেই পড়ে শৈলপ্রপাত ঝর্ণাটি। তাই নীলগিরি ভ্রমণে গাড়ি মাঝ পথে থামিয়ে এই ঝর্ণার অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন।

চলবে…

এক কথায় প্রকাশ: চাকরি ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় আসা গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ

কথাকে এক কথায় প্রকাশ বা বাক্য সংক্ষেপণ হলো এমন একটি ভাষাগত কৌশল, যার মাধ্যমে একটি দীর্ঘ বাক্য বা ভাবকে একটি মাত্র শব্দে বা সংক্ষিপ্ত বাক্যে প্রকাশ করা হয়। এটি বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা লেখাকে সংক্ষিপ্ত, সুন্দর ও অর্থবোধক করে তোলে।

অ

  • অকালে পক্ব হয়েছে যা – অকালপক্ব
  • অকালে উৎপন্ন-আকালিক, অকালজাত, অকালজ
  • অকর্মণ্য গবাদি পশু রাখার স্থান-পিঁজরাপোল
  • অকালে উৎপন্ন কুমড়া-অকালকুষ্মাণ্ড
  • অগ্রে গমন করে যে – অগ্রগামী
  • অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা – প্রত্যুদগমন
  • অগ্র–পশ্চাৎ ক্রম অনুযায়ী – আনুপূর্বিক
  • অগ্রে গমন করে যে-অগ্রগামী
  • অগ্রে জন্মেছে যে-অগ্রজ
  • অগ্রহায়ণ মাসে সন্ধ্যাকালীন ব্রত (কুমারীদের)-সেঁজুতি
  • অঙ্গীকৃত মাল তৈরির জন্য প্রদত্ত অগ্রিম অর্থ-দাদন
  • অতিশয় ঘটা বা জাকজমক-বড়ম্বর
  • অতর্কিত অবস্থায় আক্রমণকারী-আততায়ী
  • অতিক্রমের যোগ্য – অতিক্রমণী
  • অতিশয় ঘটা বা জাকজমক
  • অতি উচ্চ রোল – উতরোল
  • অতি উচ্চ ধ্বনি – মহাধ্বনি
  • অতিশয় রমণীয় – সুরম্য
  • অতি উচ্চ বিকট হাসি – অট্টহাসি
  • অতি আসন্ন –  অত্যাসন্ন
  • অতি শীতও নয়, অতি উষ্ণও নয়-নাতিশীতোষ্ণ
  • অতি উজ্জ্বল ও ফর্সা নারী-মহাশ্বেতা
  • অতিশয় হিসাবি-পাটোয়ারি
  • অতিকষ্টে যা নিবারণ করা যায় – দুর্নিবার
  • অতর্কিত অবস্থায় হত্যাকারী বা আক্রমণকারী–আততায়ী
  • অতীত কাহিনী-ইতিহাস
  • অতিথির আপ্যায়ন-আতিথ্য
  • অত্যাধিক সাহসী / সাহস আছে যার-দুঃসাহসী
  • অনশনে মৃত্যু-প্রায়
  • অনুসন্ধানের ইচ্ছা – অনুসন্ধিৎসা
  • অনুচিত বল প্রয়োগকারী – হঠকারী
  • অনুকরণ করার ইচ্ছা – অনুচিকীর্ষা
  • অনেক অভিজ্ঞতা আছে যার – বহুদর্শী
  • অনেকের মধ্যে একজন – অন্যতম
  • অনেক কষ্টে অধ্যয়ন করা যায় যা-দুরধ্যয়
  • অনায়াসে যা লাভ করা যায় – অনায়াসলভ্য
  • অন্য গতি – গত্যন্তর
  • অন্য কোনো কর্ম নেই যার – অনন্যকর্মা
  • অন্য উপায় নেই যার – অনন্যোপায়
  • অন্য কোনো গতি নেই যার – অনন্যগতি
  • অন্য বারে(অন্য সময়ে) – বারান্তর
  • অন্য দিকে মন যার – অন্যমনা
  • অন্য গতি নেই যার – অগত্যা
  • অন্যের মনোরঞ্জনের জন্য অসত্য ভাষণ-উপচার
  • অন্য কারো প্রতি আসক্ত হয়না যে নারী-অনন্যা
  • অন্য দেশ – দেশান্তর
  • অন্য গ্রাম – গ্রামান্তর
  • অন্য মত – মতান্তর
  • অন্য লোক – লোকান্তর
  • অন্য জন্ম – জন্মান্তর
  • অন্য কাল – কালান্তর
  • অন্তরের ভাব জানেন যিনি – অন্তর্যামী
  • অন্ধকার রাত্রি – তামসী
  • অন্তর্গত অপ যার – অন্তরীপ
  • অন্ত নেই যার – অনন্ত
  • অন্তরে যা ঈক্ষণ (দেখার) যোগ্য-অন্তরিক্ষ
  • অন্তরে জল আছে এমন (নদী)-অন্তঃসলিলা
  • অন্ন ভক্ষণ করে যে প্রাণ ধারণ করে – অন্নগতপ্রাণ
  • অন্ন-ব্যঞ্জন ছাড়া অন্য আহার্য-জলপান
  • অন্ধকার রাত্রি-তামসী
  • অবিবাহিত কন্যার গর্ভজাত সন্তান – কালীন
  • অবিবাহিত ব্যক্তি – অকৃতদার, অনূঢ়
  • অব্যক্ত মধুর ধ্বনি – কলতান
  • অবলীলার সঙ্গে সাবলীল
  • অবশ্যই যা হবে – অবশ্যম্ভাবী
  • অব্যক্ত মধুর ধ্বনি বা সুর-কলতান
  • অবশ্য হবে/ঘটবে যা-উন্নাসিক
  • অণুর ভাব-অণিমা
  • অণুকে দেখা যায় যার দ্বারা – অণুবীক্ষণ
  • অণ্বেষণ করার ইচ্ছা – অণ্বেষা
  • অণু থেকে তৈরি-আণবিক
  • অল্পকাল স্থায়িত্ব যার – ক্ষণস্থায়ী
  • অল্প কথা বলে যে – অল্পভাষী
  • অল্প পরিশ্রমে শ্রান্ত নারী – ফুলটুসি
  • অলংকারের ধ্বনি – শিঞ্জন
  • অক্ষিতে কাম যার (যে নারীর)-কামাক্ষী
  • অক্ষির অগোচরে – পরোক্ষ
  • অক্ষির সমক্ষে বর্তমান – প্রত্যক্ষ
  • অক্ষির সমীপে-সমক্ষ
  • অক্ষি পত্রের (চোখের পাতা) লোম-অক্ষিপক্ষ্ম
  • অহনের পূর্বাংশ – পূর্বাহ্ন
  • অহনের মধ্য অংশ – মধ্যাহ্ন
  • অহনের অপর অংশ – অপরাহ্ন
  • অহংকার নেই যার – নিরহংকার
  • অভিজ্ঞতার অভাব আছে যার – অনভিজ্ঞ
  • অভ্যন্তরে জল আছে যার-অন্তঃসলিল
  • অশ্বের চালক – সাদি, সারথি
  • অশ্ব রাখার স্থান – আস্তাবল
  • অধ্যাপনা করেন যিনি – অধ্যাপক
  • অর্ধেক সম্মত – নিমরাজি
  • অরিকে জয় করেছে যে – অরিজিৎ
  • অর্থহীন উক্তি – প্রলাপ
  • অস্ত্রের দ্বারা উপচার – অস্ত্রোপচার
  • অভ্রকে লেহন করে যে – অভ্রংলেহী
  • অপকার করার ইচ্ছা – অপচিকীর্ষা
  • অপনয়ন বা দূর করা যায় না যা-অনপনেয়
  • অপনয়ন বা দূর করা কষ্টকর যা-দূরপনেয়

আ

  • আইন বিরোধী – বে–আইনি
  • আকাশ ও পৃথিবী – ক্রন্দসী
  • আকাশ মাধ্যমে আগতবাণী – আকাশবাণী
  • আকাশ স্পর্শ করে যা – আকাশস্পর্শী
  • আকাশে বেড়ায় যে – খেচর, আকাশচারী
  • আকাশে গমন করে যা- বিহগ/ বিহঙ্গ
  • আকাশে যে বিচরণ করে – নভোচারী
  • আকস্মিক দুর্দৈব – উপদ্রব
  • আকাশে উড়ন্ত ধূলিরাশি  : ধূলিপটল
  • আকালের বছর – দুর্বছর
  • আগামীকালের পরের দিন – পরশু
  • আগমনের কোনো তিথি নেই যার- অতিথি
  • আঘাতের বিপরীত – প্রত্যাঘাত, প্রতিঘাত
  • আঘাতের বদলে আঘাত – প্রত্যাঘাত, প্রতিঘাত
  • আত্মাকে অধিকার করে — অধ্যাত্ম
  • আমার সদৃশ – মাদৃশ
  • আত্মাকে অধিকার করে – অধ্যাত্ম
  • আবক্ষ জলে নেমে স্নান – অবগাহন
  • আলো ছড়ায় যে পাখি — আলোর পাখি
  • আরোহন করে যে – আরোহী
  • আরাধনার যোগ্য – আরাধ্য
  • আরোগ্য হওয়া কঠিন এমন- দুরারোগ্য
  • আদি নেই যার – অনাদি
  • আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত – আদ্যন্ত
  • আদব কায়দা জানে না যে- বেয়াদব
  • আপনাকে ভুলে থাকে যে – আত্মভোলা
  • আয়ুর জন্য হিতকর – আয়ুষ্য
  • আয় বুঝে যিনি ব্যয় করেন – মিতব্যয়ী
  • আহারে সংযম আছে যার- মিতাহারী 
  • আপনার রং লুকায় যে – বর্ণচোরা
  • আপনাকে কেন্দ্র করে যার চিন্তা – আত্মকেন্দ্রিক
  • আপনাকে যে পণ্ডিত মনে করে – পণ্ডিতম্মন্য
  • আপনাকে যে হত্যা করে – আত্মঘাতী
  • আপনাকে ভুলে থাকে যে — আত্মভোলা
  • আপনাকে কৃতার্থ মনে করেন যিনি – কৃতার্থম্মন্য
  • আট প্রহর যা পরা হয় – আটপৌরে
  • আশ্রয় করার যোগ্য- অনুজীব্য
  • আলোচনার বিষয়বস্তু — আলোচ্য
  • আদর পাচ্ছে যে- আদ্রিয়মাণ
  • আনুষ্ঠানিক ক্রিয়াকলাপ দ্বারা বেদপাঠ- স্বাধ্যায় 
  • আট মাসে জন্ম যার- আটাশে
  • আচারে যার নিষ্ঠা আছে – আচারনিষ্ঠ
  • আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস আছে যার – আস্তিক
  • আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস নেই যার – নাস্তিক
  • আজন্ম শত্রু – জাতমত্রু
  • আগুনের ফুলকি- স্ফুলিঙ্গ
  • আমিষের অভাব- নিরামিষ
  • আমার মতো দেখায় যাকে- মাদৃশ 
  • আনন্দের সঙ্গে বর্তমান- সানন্দ
  • আমৃত্যু যুদ্ধ করে যে- সংশপ্তক
  • আশীতে বিষ যার- আশীবিষ

ই-কার

  • ইন্দ্রকে জয় করেছে যে – ইন্দ্রজিৎ
  • ইন্দ্রজাল জানেন যিনি- সৌভিক/ঐন্দ্রজালিক 
  • ইন্দ্রিয়কে জয় করেছেন যিনি -জিতেন্দ্রিয়
  • ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ ‍যিনি- ইতিহাসবেত্তা 
  • ইতিহাস রচনা করেন যিনি- ঐতিহাসিক
  • ইতি মধ্যকার ঘটনা- ইদানীং
  • ইহার তুল্য বা সদৃশ- ঈদৃশ
  • ইহলোকে যা সামান্য নয় –অলোকসামান্য
  • ইহকাল সমন্ধীয়- ঐহিক
  • ইচ্ছার অনুরূপ বা অধীন- ঐচ্ছিক
  • ইচ্ছামত কাজ বা আচরণ যে করে-স্বেচ্ছাচারী
  • ইসলামি শাস্ত্র অনুযায়ী নির্দেশ – ফতোয়া
  • ইষ্টক নির্মিত গৃহ- অট্টালিকা
  • ইষ্টকে অতিক্রম না করে- যথেষ্ট
  • ইরাবতে জাত- ঐরাবত
  • ইক্ষু হতে জাত -ঐক্ষব

ঈ-কার 

  • ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস আছে যার- আস্তিক।
  • ঈশ্বরের বিষয়ে- ঐশ্বরিক  
  • ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস নেই যার- নাস্তিক
  • ঈশ্বরের ভাব – ঐশ্বর্য
  • ঈষৎ কম্পিত – আধুত
  •  ঈষৎ কৃষ্ণ – কালচে
  • ঈষৎ পীতবর্ণ- আপীত
  • ঈষৎ রক্তবর্ণ- আরক্ত
  • ঈষৎ উষ্ণ- কবোষ্ণ
  • ঈষৎ নীল/ঈষৎ নীল রঙবিশিষ্ট- আনীল 
  • ঈষৎ নীলবর্ণ – নীলাভ
  • ঈষৎ হাস্য – স্মিত
  • ঈষৎ আমিষ্য গন্ধবিশিষ্ট/ইষৎ আমিষ গন্ধ যার- আঁষেটে/আঁষটে
  • ঈষৎ রুগ্ন- রোগাটে
  • ঈষৎ মধুর- আমধুর
  • ঈষৎ মুক্ত- আমুক্ত
  • ঈষৎ রক্তবর্ণ- আরক্ত
  • ঈশ্বরের ভাব- ঐশ্বর্য 

উ-কার

  • উপকার করার ইচ্ছা- উপচিকীর্ষা
  • উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে- কৃতজ্ঞ
  • উপকারীর উপকার যে স্বীকার করে না- অকৃতজ্ঞ
  • উপকার করেন যিনি-উপকারক
  • উপকারের বদলে উপকার- প্রত্যুপকার
  • উপকারীর অপকার করে যে- কৃতঘ্ন
  • উপসনার যোগ্য- উপাস্য
  • উপন্যাস রচিয়তা- ঔপন্যাসিক
  • উপায় নেই যার- নিরুপায়
  • উপমা নেই যে নারীর- নিরুপমা
  • উপস্থিত আছে যা- বর্তমান
  • উপস্থিত বুদ্ধি প্রয়োগের ক্ষমতা- প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব
  • উদ্দাম নৃত্য- তাণ্ডব
  • উদ্ভিদের নতুন পাতা- পল্লব/কিশলয়
  • উদগীরণ করা হয়েছে এমন- উদগীর্ণ
  • উদিত হচ্ছে যা/উদিত হচ্ছে এমন- উদীয়মান
  • উদিত হয়নি যা- অনুদিত
  • উদর সম্পর্কিত- ঔদরিক
  • উচ্চকণ্ঠে গীত- উদ্ গীত
  • উচ্চ হাস্যকারী – অট্টহাসক
  • উচ্চারণ করা যায় না যা- অনুচ্চার্য
  • উচিত নয় যা- অনুচিত
  • উড়ন্ত পাখির ঝাঁক- বলাকা
  • উৎসবের নিমিত্ত নির্মিত গৃহ- মণ্ডপ
  • উত্তপ্ত করা হয়েছে- উত্তাপিত
  • উত্তর দিক সম্পর্কিত- উদীচ্য
  • উলু উলু ধ্বনি- অলোলিকা
  • উল্লেখ করা হয় না যা- উহ্য
  • যার অস্তিত্ব স্বীকার করা হয়- ঊহ্য
  • উভয় হাত যার সমান চলে- সব্যসাচী
  • উর্বর নয় যা- ঊষর

ঊ-কার

  • ঊর্ধ্ব দিকে গতি যার/ঊর্ধ্বদিকে গমন করে যে- ঊর্ধ্বগতি
  • ঊর্ধ্ব দিকে বিচরণ করে যে- ঊর্ধ্বচারী
  • ঊর্ধ্ব থেকে নেমে আসা- অবতরণ
  • ঊর্ধ্ব বাহু যার- উদ্বাহু
  • উর্ধ্ব মুখে সাঁতার- চিৎসাঁতার
  • ঊর্ণ নাভিতে যার- ঊর্ণনাভ
  • ঊরুর হাড়- ঊর্বস্থি

ঋ-কার

  • ঋণ দেয় যে- উত্তমর্ণ
  • ঋণ গ্রহণ করে যে/ঋণ নেয় যে- অধমর্ণ
  • ঋণ শোধে অসমর্থ যে- দেউলিয়া
  • ঋণী নন যিনি- অঋণী 
  • ঋণগ্রস্ত অবস্থা- ঋণিতা
  • ঋষির তুল্য- ঋষিতুল্য
  • ঋষির ন্যায়- ঋষিকল্প
  • ঋতুর সম্বন্ধে- আর্তব 
  • ঋতুতে ঋতুতে যজ্ঞ করেন যিনি- ঋত্বিক
  • ঋষির উক্তি- আর্য 
  • ঋজুর ভাব- আর্জব 

এ-কার

  • এইমাত্র জন্ম যার- সদ্যোজাত
  • একই সঙ্গে/একই সময়ে- যুগপৎ
  • একই সময়ে বর্তমান- সমসাময়িক
  • একই কালে বর্তমান- সমকালীন
  • এক যুগের শেষ ও অন্য যুগের শুরু- যুগসন্ধি
  • একবার সন্তান প্রসব করেন যিনি- কাকবন্ধ্যা
  • একবার শুনলেই যার মনে থাকে- শ্রুতিধর
  • একই বিষয়ে নিবিষ্ট চিত্ত যার- একাগ্রচিত্ত
  • একই মায়ের পুত্র/একই মাতার গর্ভ জাত ভাই- সহোদর
  • একই গুরুর শিষ্য- সতীর্থ
  •  একসঙ্গে যারা যাত্রা করে- সহযাত্রী
  • একস্থান থেকে অন্যস্থানে ঘুরে বেড়ায় যে- যাযাবর
  • একবার ফল দিয়ে মরে যায় যে গাছ- ওষধি
  • একদিকে গোঁ যার- একগুঁয়ে
  • এখনও যার শত্রু জন্মায়নি- অজাতশত্রু
  • এক ভাষার মধ্যে অন্য ভাষার প্রয়োগ- বুকনি
  • একের ভাব- একতা/ঐক্য
  • একের পরিবর্তে অনেক- বিকল্প
  •  একতানের ভাব- ঐকতান 
  • একমত হওয়ার ভাব- ঐকমত
  • এখন ভস্মে পরিণত হয়েছে- ভস্মীভূত
  • একদিনেই তিনটি তিথির সংযোগ- ত্র্যহস্পর্শ
  • একের পরিবর্তে অপরের সই- বকলম
  • এক তারযুক্ত বাদ্যযন্ত্র- একতারা
  • এক থেকে শুরু করে ক্রমাগত- একাদিক্রমে
  • এক দিকে দৃষ্টি যার- একচোখা
  • এক দিন আয়ু বিশিষ্ট- ঐকাহিক
  • একই অর্থের শব্দ- প্রতিশব্দ
  • এঁটেল ও বেলে মাটির মিশ্রণ- দোআঁশ

ঐ-কার

  • ঐশ্বর্যের অধিকারী যিনি- ঐশ্বর্যবান/ ভগবান
  • ঐতিহাসিক কালের পূর্ববর্তী- প্রাগৈতিহাসিক
  • ঐক্যের অভাব আছে যার- অনৈক্য

ও-কার

  • ওজন করে যে- তৌলিক
  • ওষ্ঠের দ্বারা উচ্চারিত- ওষ্ঠ্য
  • ওষ্ঠ ও অধর- ওষ্ঠাধর
  • ওষধি থেকে উৎপন্ন- ঔষধ
  • ওজন পরিমাপক- তুলাদণ্ড

    ঔ-কার
  • ঔষধি থেকে জাত- ঔষধ
  • সমস্ত পদ বাঔষধের আনুষঙ্গিক সেব্য- অনুপান
  • ঔষধের বিপণি – ঔষধালয়

চলবে…

Tomato: বিশ্বেজুড়ে টমেটো কেন এত জনপ্রিয়?

শীতকালীন সবজিগুলোর মাঝে টমেটোর বেশ সুনাম রয়েছে। যদিও এ সবজি বার মাসেই চাষ হয়। তবে বিভিন্ন মৌসুমে টমেটোর স্বাদ ভিন্ন হয়ে থাকে। তবে টমেটো কাঁচা বা পাকা দুই অবস্থাতেই স্বাদে অতুলনীয়। সালাদে এ সবজির ব্যবহার বেশি হলেও খাবারের মান উন্নত করতে এর রয়েছে ব্যাপক ব্যবহার। এছাড়াও কেচাপ, সস এর মতো নানা মুখরোচক খাবারও তৈরি টমেটো থেকে।

টমেটোতে রয়েছে এ কে, বি১, বি৩, বি৫, বি৬, বি৭ ও সি’সহ নানা প্রাকৃতিক ভিটামিন এবং ফোলেট, আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ক্রোমিয়াম, কোলিন, কপার এবং ফসফরাসের মতো খনিজও ।

টমেটোর মাঝে থাকা এই নানা উপাদান আমাদের শরীরে কীভাবে কাজ করে জেনে নেই-

রোগ প্রতিরোধে

টমেটোতে এতো পরিমাণ পুষ্টি আর ভিটামিন রয়েছে যা একজন মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ  বাড়াতে সাহায্য করে। নিয়মিত টমেটো খেলে শরীরের শক্তি বাড়ে ফলে শরীর সুস্থ থাকে।

স্ট্রেস কমাতে

আমরা তো জানি, বর্তমান সময়ের স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাকের মতো জটিল রোগের মূল কারণ হলো এই স্ট্রেস। কিন্তু এটা কি জানেন? টমেটো মানবশরীরের স্ট্রেস হরমোন কমাতে বেশ সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

 রক্তশূন্যতা দূরীকরণে

প্রতিদিন যদি দু-একটি করে টমেটো খান, তাহলে রক্তের কণিকাগুলো বৃদ্ধি পাবে। ফলে রক্তস্বল্পতা দূর হবে। পাশাপাশি রক্ত পরিষ্কার, হজম ভালো হবে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হবে।

ত্বকের যত্নে

Tomato juice

টমেটোর মাঝে লাইকোপিন নামে একটি উপাদান আছে যা ত্বকের ক্লিনজারে কাজ করে। ফলে ত্বক পরিষ্কার ও সতেজ করে এবং সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে। টমেটোর রস প্রতিদিন মুখে লাগালে ত্বক মসৃণ ও কোমল করে আর বলিরেখা রোধে কাজ করে। যাদের চর্মরোগ আছে, তারা যদি   প্রক্রিয়াজাত করে  টমেটো ব্যবহার করেন, তাহলে কার্যকরী ফল পাবেন। টমেটো আমাদের ত্বককে সুস্থ রাখার পাশাপাশি চোখকেও সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। 

সর্দি-কাশি প্রতিরোধে

সর্দি-কাশি রোধে যদি দুই একটি টমেটো দিয়ে সুপ তৈরি করে খাওয়া যায় তাহলে বেশ উপকার পাওয়া যায়। তাছাড়া হালকা জ্বরেও টমেটো খেলে উপকার পাওয়া যায়। 

ডায়াবেটিস রোধে

টমেটোতে থাকা ক্রোমিয়াম রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে বিধায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশ কার্যকরী। 

রক্তচাপ কমাতে 

টমেটোতে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি এবং পটাশিয়াম। যা কোলেস্টরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে রক্তচাপ কমাতে বেশ সহায়ক।

অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে 

টমেটোতে থাকা লাইকোপেন এবং ভিটামিন এ অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেশ উপকারী ভূমিকা রাখে। 

অরুচি রোধে 

যাদের মুখে রুচি কম এবং খিধে ভাবটা কম তারা কিন্তু টুকরো টুকরো করে টমেটো কেটে তার ওপর শুকনো আদার গুড়া ছিটিয়ে সামান্য লবণ মিশিয়ে খেতে পারেন তাহলে বেশ উপকার পাবেন।

হাড় মজবুত করতে 

মানব শরীরে হাড় গঠনে ক্যালসিয়ামের ভূমিকা অনেক। এই ক্যালসিয়াম আমরা টমেটোতে পেতে পারি। যা আমাদের দুর্বল হাড়গুলোকে মজবুত করতে সহায়তা করে।

এছাড়াও নিয়মিত টমেটো খেলে অর্শ, জন্ডিস, পুরোনো জ্বর নিরাময়ে বেশ উপকার আসে।

এগুলো ছাড়াও গর্ভবতী মা ও যাদের বাচ্চা হয়েছে তাদের শারীরিক ও মানসিক শক্তি বাড়তে নিয়মিত টমেটো খাওয়ালে উপকার পাওয়া যায়। 

টমেটোর এত গুন থাকলেও কিছু কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে:

১. এসিডিটি তৈরি করে

টমেটোতে থাকা ম্যালিক ও সাইট্রিক অ্যাসিড পাকস্থলীতে হজমে বাধা দেওয়ায় অ্যাসিড তৈরি করে। তবে রান্নার সময় টমেটোর খোসা ও বিচি ফেলে দিলে কিছুটা এসিডিটি কমাতে সাহায্য করে। 

২. অ্যালার্জি প্রবণতা বৃদ্ধি পায় 

টমেটোতে থাকা হিস্টামিন ত্বকে অ্যালার্জি তৈরি করতে পারে। ফলে মুখ ফুলে যাওয়া হাঁচি গলা জ্বালা ভাব দেখা দিতে পারে। 

৩. কিডনিতে পাথর

টমেটো খেলেই কিন্তু  কিডনিতে পাথর হবে না। তবে যাদের কিডনিতে পাথর আছে তাদেরই টমেটো খেলে সমস্যা বাড়তে পারে। 

টমেটোতে থাকা অক্সলেট  উপাদানটি মানুষের কিডনিতে  অক্সালেট পাথর তৈরিতে সাহায্য করে। 

এছাড়াও যারা পেটের সমস্যায় ভোগেন তারা যদি অতিরিক্ত টমেটো খান,তবে সমস্যা বাড়তে পারে। তাছাড়া টমেটোতে থাকা যৌগ কিছু ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া তৈরি করে।

জনপ্রিয় International T20 League এর তালিকা

ক্রিকেটে মানেই অন্যরকম উত্তেজনা। ODI বা One Day International ও Test Cricket কে পিছনে ফেলে T20 এখন অনেক জনপ্রিয়। কম বেশি প্রতিটা দেশেই এখন T20 এর চাহিদা দিন কে দিন বেড়েই চলেছে।

এইতো বছর কয়েক আগের কথা ক্রিকেট ভক্তদের কাছে ODI এর জনপ্রিয়তা ছিল অন্যরকম। কিন্তু সময় পরিবর্তনের ফলে T20 এর জনপ্রিয়তাই আজ তুঙ্গে।

ক্রিকেটের এই ফরম্যাটে হরহামেসাই দেখা মেলে চার, ছয়ের ফুলঝরি। প্রতি বলেই টানটান উত্তেজনা লেগেই থাকে। কখনো চার, কখনো ছয়, কখনো আবার আউট। 

বর্তমানে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বেশকিছু T20 লিগ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এগুলো ICC এর অনুমোদনপ্রাপ্ত, তাই ইন্টারন্যাশনাল খেলোয়াররা সহজে অংশ নিয়ে তাদের পারফরমেন্সে তাক লাগিয়ে দেন দর্শকদের।  জনপ্রিয় কয়েকটি T20 লিগগুলোর  একটা সংক্ষিপ্ত তালিকা থাকছে আপনাদের জন্য…

এশিয়া 

  • Bangladesh Premier League, BPL (Bangladesh)
    বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ হলো ICC অনুমোদিত বাংলাদেশের পেশাদার T20 ক্রিকেট লিগ। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড ২০১২ সালে প্রথম বিপিএল আয়োজন করে। ২০১২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি BPL-এর প্রথম আসর শুরু হয়। এই আসরে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয় ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটরস। 
  • Indian Premier league, IPL (India)
    ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল),হলো ইন্ডিয়ান পেশাদার T20 ক্রিকেট লিগ। ২০০৮ সালের শুরুর দিকে বিসিসিআই একটি নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক T20 লিগ, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ঘোষণা করেন, যা ক্রিকেটবিশ্বে ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক T20 লিগের সূচনা ঘটায়। প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় রাজস্থান রয়্যালস এবং সর্বশেষ আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় চেন্নাই সুপার কিংস।   
  • Pakistan Super League, PSL (Pakistan)
    ২০১৬ সাল থেকে পাকিস্তান সুপার লিগ শুরু হয়। এখন পযন্ত ৮টি আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাকিস্তান সুপার লিগ (PSL) হল একটি পাকিস্তানি পেশাদার T20 ক্রিকেট লিগ। প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ইসলামাবাদ ইউনাইটেড এবং সর্বশেষ আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় লাহোর কালান্দার্স। 
  • International League T20, ILT20 (UAE)
    ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি২০-এর প্রথম আসর বসবে ২০২৪ সালে। International League T20 হল সংযুক্ত আরব আমিরাতের পেশাদার T20 ক্রিকেট লিগ। এটি আমিরাত ক্রিকেট বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত। 
  • Sri Lanka Premier league, LPL (Sri Lanka)
    ২০২০ সাল থেকে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত ৪টি আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগ শ্রীলঙ্কার একটি পেশাদার টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট লিগ। LPL প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল জাফনা স্ট্যালিয়নস এবং সর্বশেষ আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় বি-লাভ ক্যান্ডি।

ইউরোপ  

  • T20 Blast (England and Wales):
    টি২০ ব্লাস্ট বা স্পন্সরজনিত কারণে ভাইটালিটি টি২০ ব্লাস্ট (T20 Blast) হল ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড পরিচালিত ঘরোয়া T20 ক্রিকেট প্রতিযোগিতা, যা কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবগুলোর মধ্যে খেলা হয়। ২০০৩ সালে ইসিবি এটির সূচনা করে, এবং এটিই পৃথিবীর প্রথম পেশাদার T20 ক্রিকেট লিগ। এখন পযন্ত ২১টি আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রথম আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল সারে লায়ন্স এবং সর্বশেষ আসরে চ্যাম্পিয়ন হয় সমারসেট।
  • ইনসিঙ্গার দে বুফরট টুয়েন্টি ২০ কাপ, Dutch Twenty20 Cup (নেদারল্যান্ড):
    ২০০৭ সাল থেকে ২০১০ সাল পযন্ত ৪টি আসর অনুষ্ঠিত হয়।

ওশেনিয়া  

  • Big Bash League, BBL (Australia)
    ২০১১-১২ সাল থেকে বিগ ব্যাশ লিগ শুরু হয়। এখন পযন্ত ১৩টি আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিগ ব্যাশ লিগ, অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া পেশাদার T20 ক্রিকেট লিগ। ২০১১ সালে এ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়। এ প্রতিযোগিতাটি পূর্বতন T20 বিগ ব্যাশের স্থলাভিষিক্ত হয়। প্রতিযোগিতার শীর্ষ দুই দল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ T20 প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের যোগ্যতা লাভ করে।
  • HRV Cup (New Zealand)
    ২০০৫-০৬ সাল থেকে ২০১১-১২ সাল পর্যন্ত ৭টি আসর অনুষ্ঠিত হয়।
  • কেএফসি টুয়েন্টি২০ বিগ ব্যাশ (Australia)
    ২০০০৫-০৬ সাল থেকে ২০১১-১২ সাল পর্যন্ত ৬টি আসর অনুষ্ঠিত হয়। 

আমেরিকা

  • Caribbean Premier League, CPL (West Indies)
    ২০১৩ সাল থেকে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ শুরু হয়। এখন পযন্ত ১১টি আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে।
  • Major League Cricket, MLC (USA)
    ২০২৩ সাল থেকে মেজর লিগ ক্রিকেট শুরু হয়। এখন পযন্ত ১টি আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আফ্রিকা

  • SA20 (South Africa)
    ২০২২-২৩ সাল থেকে এসএ২০ লিগ শুরু হয়। এখন পযন্ত ২টি আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
  • CSA T20 চ্যালেঞ্জ (South Africa)
    ২০০৮-৯ সাল থেকে ২০১৭-২০১৮ সাল পযন্ত ১০টি আসর অনুষ্ঠিত হয়।  

রমজানের মূল আকর্ষণ ছোলা, কিছু কার্যকরী অবদান তবে সাবধান!

পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ছোলা বা Chickpeas বাঙালির খাবারের তালিকায় একটি পরিচিত নাম। এটি কাঁচা বা রান্না দু’ভাবেই খাওয়া যায়। রান্না করা ছোলা নাস্তায় বেশি ব্যবহার হয়। আর যারা স্বাস্থ্য সচেতন তারা মনে করেন সকালে খালি পেটে ভেজানো কাঁচা ছোলা খেলে বেশ উপকার পাওয়া যায়। আসলে কি তাই?

ছোলাতে রয়েছে প্রোটিন,কার্বোহাইড্রেট, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ‘এ’, ভিটামিন বি-১ ও বি-২। বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন, খনিজ লবণ, ম্যাগনেশিয়াম এবং ফসফরাসও রয়েছে ছোলাতে। তাছাড়া ফ্যাট রয়েছে খুবই সামান্য পরিমাণে। আর কাঁচা ছোলার পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে।

তাহলে এবার জেনে নেয়া যাক, ছোলার কার্যকরী গুণাবলীগুলো-

গুণাবলী

১. ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে

ডায়াবেটিস যেন আজকাল একটি সাধারণ রোগ হয়ে গেছে। তবে এ রোগ সম্পূর্ণ ভালো না হলেও নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আর নিয়ন্ত্রণ করতে দরকার সঠিক খাদ্যাভাস। সেজন্য বিশেষজ্ঞরা ছোলা খাওয়ার পরামর্শ দেন ডায়াবেটিস রোগীদের।

কাঁচা ছোলার মাঝে থাকা প্রোটিন, ফাইবার ও কার্বোহাইড্রেট রক্তে শর্করার পরিমাণকে নিয়ন্ত্রণ করে। গবেষণা বলছে, টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে হলে পানিতে ভেজানো ছোলা বেশ কার্যকরী।

২. কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে

খারাপ কোলেস্টেরল LDL-এর পরিমাণ যদি শরীরে বাড়তে থাকে তাহলে একাধিক সমস্যা হতে পারে। আর এই কোলেস্টেরলের প্রভাব সরাসরি মানুষের হার্টের উপর পড়ে। কাঁচা ছোলার মাঝে দ্রবণীয় ভোজ্য আঁশ উপাদানটি এটি নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

৩. ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে

উচ্চ রক্তচাপ কমাতে ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়াম বেশ কার্যকরী যা কাঁচা ছোলাতে রয়েছে। তাই যারা ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান তারা প্রতিদিন সকালে কাঁচা ছোলা খেতেই পারেন।

৪. পরিপাকে সহায়তা করে

ভোজ্য আঁশ এমন উপাদান যা মানব শরীরের পরিপাকতন্ত্রে পরিপাকে সহায়তা করে হজমক্রিয়া সহজ করে। বিশ্বব্যাপি এই ভোজ্য আঁশের অভাব এক বিরাট সমস্যা। অথচ এটি খুব সহজেই ছোলাতে পেতে পারি।

ছোলাতে ‘র‌্যাফিনোজ’ নামক এক প্রকার দ্রবণীয় ভোজ্য আঁশ আছে, যা হজমে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠ্যকাঠিন্য দূর করে।

৫. ক্যান্সার নিরাময়ে সহায়তা করে

মানুষের শরীরে থাকা জীবাণু ধ্বংস করতে ছোলা বেশ কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এছাড়াও মায়ের গর্ভে নতুন শরীর গঠণে এবং সুরক্ষা দেয় বিভিন্ন ক্ষতিকর উপাদান থেকে। এটি শরীরে ‘বিউটারেট’ নামক ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরি করে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ‘ফ্যাটি অ্যাসিড’ মানুষের শরীরের রোগাক্রান্ত ও মৃতপ্রায় কোষ নিরোসন করে ফলে সুস্থ কোষগুলো থাকে সুরক্ষিত। আর ‘কলোরেক্টাল ক্যান্সার’ দমন করে ছোলা এভাবেই কাজ করে।

৬. শক্ত হাড় গঠণে

ভোজ্য আঁশ, ম্যাগনেসিয়াম ও ক্যালসিয়াম হাড়েকে সুস্থ রাখে আর তা শক্তিশালী করে। এসবকিছু আমরা ছোলাতে পেয়ে থাকি।

৭. চুলের সুস্বাস্থ্যে

চুল ভাল রাখতে ভিটামিন বি-৬, এ এবং ম্যাঙ্গানিজ প্রয়োজন যা ছোলায় রয়েছে। তাছাড়া অকালে চুলে পাকা রোধে নিয়মিত ভেজানো ছোলা খাওয়া বেশ উপকারী।

৮. বয়সের ছাপ এড়াতে

বয়সের ছাপ লুকাতে কে না চায়। ত্বকের বলিরেখা, শরীরের চামড়া কুচকানো এসব রোধে কাঁচা ছোলা ভীষন উপকারী।

৯. রক্তাল্পতা কমাতে

রক্তাল্পতা রোধে আয়রনের ভূমিকা অনেক। যা ছোলায় পাওয়া যায়। এছাড়া অ্যানিমিয়ার সমস্যা কমাতে ভেজানো কাঁচা ছোলা খেলে উপকার পাওয়া যায়।

এই পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ছোলার তেমন কোন পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া না থাকলেও রয়েছে কিছু সাবধানতা-

নিশ্চয়ই ভাবছেনে! ছোলা খেতে আবার কিসের সাবধানতা?

তাহলে জেনে নেয়া যাক-

১. কৌটাজাতকৃত ছোলায় সাবধানতা

বাজারে ছোলা দু’ভাবে পাওয়া যায়। কেজিদরে বিক্রয়জাত এবং কৌটাজাত। কৌটাজাত ছোলায় বিভিন্ন রাসায়ানিক ‘প্রিজারভেটিভ’ দ্বারা প্রক্রিয়াজাত হয়ে থাকে। যদি এক বছরের মধ্যেই খাওয়া হয় তবে কোন শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি হয়না। যদি দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা হয় তখন কৌটায় মরিচা ধরার সম্ভবনা থাকে। আর তা ছোলায়  মিশে যেতে পারে। তাই এক বছরের মধ্যেই কৌটাজাত ছোলা শেষ করে ফেলুন।

২. কৌটাজাতকৃত ছোলার বিষক্রিয়া হতে সাবধান

‘ব্যাক্টেরিয়াম ক্লস্ট্রিডিয়াম বটুলিনাম’ নামক ব্যাক্টেরিয়া খাদ্যে ‘বটিউলিজম’ নামে বিষক্রিয়া তৈরি করে। কৌটাজাত ছোলা যদি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা না হয় তাহলে এই ব্যাক্টেরিয়া হতে পারে। এসব কৌটাজাত ছোলায় লবণ ও চিনি কম থাকে, ব্যাক্টেরিয়া জন্মানোর সম্ভাবনা একটু থেকেই যায়। কেননা, যে খাবারে লবণ ও চিনির মাত্রা কম থাকে এবং অক্সিজেন কম পৌঁছায় সেখানেই ব্যাক্টেরিয়া বাসা তৈরি করে।

৩. পরিমাণের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ

ছোলা এতোটা পুষ্টিকর খাবার যে, অনেকেই মনে করতে পারেন, বেশি খেলে হয়তো বেশি পুষ্টি পাব! কিন্তু এটা ঠিক না। কেননা, ছোলাকে ‘গ্লুটেন ফ্রি’ বলা যায় না। তাই বেশি খেলে সমস্যা হতে পারে।

পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ এই ছোলা সারাবছর খাওয়া হলেও রমজানে কিন্তু পরিমাণ বেড়ে যায়। কেন, এই পরিমাণ বেড়ে যায়?

যেহেতু ছোলাতে বিভিন্ন খাদ্য উপাদান প্রচুর পরিমাণে বিদ্যমান যা শরীরের বিভিন্ন ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। আর রমজান মাসে রোজা রাখার ফলে শরীরে ঘাটতির পরিমাণ বেড়ে যায়। যার ফলে ছোলার চাহিদাও বেড়ে যায়। ইফতারিতে ছোলার ভুনা এবং ছোলার বিরয়ানি হিসাবেই এই দু’ভাবেই বেশি খাওয়া হয়।

তাহলেই বোঝাই যায়, আমাদের দেশে ছোলা কতটা জনপ্রিয়।

আরও দেখুন

হার্ট ও চোখ ভালো রাখতে চান, ফুলকপি খান

WHO

Redmi Note 13 আপনার পরবর্তী ফোন হতে পারে?

0

ফ্যাশন সাথে পারফর্মেন্স Redmi Note 13

Redmi Note সিরিজ বরাবরই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স আর সাশ্রয়ী মূল্যের জন্য জনপ্রিয়। আর এবার নতুন হ্যান্ডসেট নিয়ে হাজির হয়েছে Xiaomi, নতুন চমক দিতে। কিন্তু এই ফোনটি কি সত্যিই আপনার জন্য উপযুক্ত? এই বিস্তারিত পর্যালোচনায় আমরা Redmi Note 13 এর সব দিক খতিয়ে দেখব।

ডিজাইন ও ডিসপ্লে:

প্রথমেই ডিজাইনের বিষয়। Stylish ও আধুনিক। ফোনটির পিছনে অংশে প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়েছে, তবে এটি প্রিমিয়াম লাগে। সামনে 6.67 ইঞ্চের AMOLED ডিসপ্লে রয়েছে, যা 120Hz রিফ্রেশ রেট ও 2400×1080 রেজুলিউশন সাপোর্ট করে। এতে ব্যবহার করা হয়েছে কর্নিং গরিলা গ্লাস 3।এই ডিসপ্লেটি সুন্দর, উজ্জ্বল এবং স্পষ্ট।

প্রসেসর: 

এই হ্যান্ডসেটে প্রসেসর হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে স্ন্যাপড্রাগণ 685, যা 6 ন্যানোমিটার আর্কিটেকচারে তৈরি। 2.8 গিগাহার্য অক্টাকোর সিপিইউ, এবং জিপি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে Adreno 610।

স্টোরেজ ও র‌্যাম:

বাংলাদেশের বাজারে 6GB+128GB | 8GB+128GB | 8GB+256GB* ভেরিয়েন্ট পাওয়া যাচ্ছে। তবে 1TB পর্যন্ত মেমরি এক্সপেন্ড করার সুযোগ থাকছে। 

ক্যামেরা:

তিনটি ক্যামেরার কম্বিনেশনে ভালো ছবি তুলতে পারে এ স্মার্ট ফোন। 108MP (0.64μm, 9in1 1.92μmf/1.75) প্রধান সেন্সর, 8MP (f/2.2) আল্ট্রা-ওয়াইড সেন্সর এবং 2MP ম্যাক্রো সেন্সর। ছবির গুণমান সাধারণত ভালো, বিশেষ করে দিনের আলোতে। তবে রাতের বেলায় ছবিগুলো একটু গোলমেলে হতে পারে। পিছনের ক্যামেরা  দিয়ে video recording করতে পারবেন 1080pতে 30fps সর্বোচ্চ।

পারফরম্যান্স:

শাওমির এ ফোনে স্ন্যাপড্র্যাগন 685 প্রসেসর দ্বারা চালিত হয়। এই প্রসেসরটি দৈনন্দিন কাজের জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী। তবে গেমিংয়ের মতো কঠিন কাজের জন্য এটি সেরা নয়। ফোনটি 4GB, 6GB বা 8GB RAM এবং 128GB বা 256GB স্টোরেজ সহ বিভিন্ন কনফিগারেশনে পাওয়া যায়।

ব্যাটারি:

5000mAh ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে এতে। এই ব্যাটারিটি একটি পূর্ণ চার্জে সারা দিন সহজেই চলতে পারে। ফোনটি ফাস্ট চার্জিংকেও সমর্থন করে, যা দ্রুত চার্জ দেওয়ার কাজে আসে।

অন্যান্য ফিচার:

এতে আছে একটি সাইড-মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর, একটি 3.5mm হেডফোন জ্যাক এবং একটি ইনফ্রারেড ব্লাস্টার সহ বিভিন্ন ফিচার অফার করে।

মূল্য:

Note 13 এর মূল্য তার কনফিগারেশনের উপর নির্ভর করে। 6GB RAM + 128GB স্টোরেজ মডেলটির দাম প্রায় 22,999 BDT, আর 8GB RAM + 256GB স্টোরেজ মডেলটির দাম প্রায় 25,999 BDT।

Xiaomi এর ফোনটি একটি মিড-রেঞ্জ ফোন যা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স, দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি এবং চমৎকার ডিসপ্লে অফার করে। যদি আপনি একটি সাশ্রয়ী মূল্যের ফোন খুঁজছেন যা আপনার দৈনন্দিনের কাজগুলো সহজে সেরে ফেলতে পারবেন তাহলে এটা হতে পারে বেশ ভালো একটি পছন্দ।

Cauliflower: হার্ট ও চোখ ভালো রাখতে চান, ফুলকপি খান

শীতকালে সবজির কথা মনে হলে বলুন তো কোন সবজিটি সবার আগে মাথায় আসে? ঠিক তাই, উত্তর ফুলকপি। শীতকালীন সবজিগুলোর মাঝে সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর সবজি বলা হয় ফুলকপিকে। এটি এমন একটি সবজি যা সাধারণত রান্না করে, সালাদের সঙ্গে মিশিয়ে বা ভেজে, নানান ধরনের সুপ তৈরিসহ বিভিন্নভাবে খাওয়া যায়। 

এতে  ৮৫% পানি থাকে এবং খুব অল্প পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট ও প্রোটিন থাকে। উপাদানও ভরপুর এই ফুলকপি। যেমন ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ফাইটকেমিকেলে ঠাসা। তাছাড়াও এতে থাকা সালফার সুস্বাস্থ্য ধরে রাখার জন্য ভীষণ কার্যকর। যকৃৎ থেকে ক্ষতিকর বিষাক্ত উপাদান দূর করে এটি শরীর সুস্থ রাখতে সহায়তা করে। তাহলে আসুন জেনে নিন এর বাকি গুণগুলো

যত গুণ আছে ফুলকপির-

পুষ্টির চাহিদা পূরণে-

সঠিক পরিমাণ পুষ্টি শরীর সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখাতে সাহায্য করে। দেহের প্রয়োজনীয় পুষ্টি চাহিদা পূরণে নিয়মিত ফুলকপি খেতে হবে। ফুলকপিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-সি রয়েছে। পাশাপাশি আছে ভিটামিন কে, ভিটামিন বি৬, প্রোটিন, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ফাইবার, পটাসিয়াম ও ম্যাংগানিজ। মস্তিষ্ক ভালো রাখতেও এটি ভূমিকা রাখে।

হৃৎপিণ্ড ভালো রাখতে-

কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে ফুলকপিতে থাকা সালফোরাফেন সাহায্য করে। এটি ধমনীতে জমা চর্বি প্রতিরোধ করে। এই উপাদান রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখার পাশাপাশি হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। ফুলকপির খাদ্যতালিকাগত ফাইবার কোলেস্টেরল কমাতে ভূমিকা রাখে। গবেষণা মতে সালফোরাফেন ডিএনএ এর মিথাইলেশনের সাথে সম্পর্কিত যা কোষের স্বাভাবিক কাজের জন্য এবং জিনের সঠিক প্রকাশের জন্য অত্যাবশ্যকীয়, বিশেষ করে ধমনীর ভেতরের প্রাচীরের।

ক্যান্সার প্রতিরোধে-

ক্যান্সার একটি মারাত্মক ব্যাধি, তবে ফুলকপি তা প্রতিরোধে সাহায্য করে। ফুলকপিতে থাকা  সালফোরাপেন ক্যান্সারের কোষকে মেরে টিউমার বাড়তে দেয় না। স্তন ক্যানসার, কোলন ও মূত্রথলির ক্যানসারের জীবাণুর বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতাও আছে ফুলকপির। 

ওজন কমাতে ফুলকপির গুরুত্ব

আমাদের খাদ্য পাশের পরিবর্তনের কারণে স্থূলতা এখন একটি বড় সমস্যা। প্রধান কারণ শরীরে ক্যালরি বেড়ে যাওয়া। এই ক্যালোরি কমাতে যাদু করে ভূমিকা পালন করে ফুলকপি। আমেরিকান কৃষি বিভাগ বলছে, ১০০ গ্রাম ফুলকপিতে মাত্র ২৫ গ্রাম ক্যালরি থাকে। তাই ফুলকপির তৈরি খাবার খেলে খুব বেশি ওজন বাড়বে না। তাছাড়া প্রতি ১০০ গ্রাম ফুলকপিতে ২ গ্রাম ফাইবার থাকে। ফলে ফুলকপি খেলে পেট ভরা অনুভূত হয়। সেকারণে বারবার খাওয়ার প্রবণতা কমে আসে। 

ফাইবার হজমশক্তি ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  বিশেষজ্ঞদের মতে, ফুলকপিতে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় এই দুই ধরনের ফাইবারই রয়েছে যা  শরীরের হজমশক্তি ঠিক রাখে।

হাড় ও দাঁত গঠনে সহায়তা করে

ফুলকপিতে রয়েছে  ক্যালসিয়াম ও ফ্লোরাইড যা দাঁত ও মাড়ির বেশ উপকারী। এছাড়া হাড় শক্ত করতেও ক্যালসিয়াম প্রয়োজন।

পরিপাকতন্ত্র ভালো রেখে পরিপাকে সাহায্য করে-

আমরা জানি, খাবার পরিপাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও সালফার-জাতীয় উপাদান ভাল কাজ করে যা ফুলকপিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে। ফুলকপি খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে পরিপাকতন্ত্রকে ভালো রাখতে সাহায্য করে।

দৃষ্টিক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে-

চোখ মানব শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি সুস্থ রাখতে ভিটামিন ‘এ’ প্রয়োজন যা পূরণে ফুলকপির তুলনা নেই।

শরীরকে বিষমুক্ত হতে সাহায্য করে

শরীর পরিষ্কার হতে সাহায্য করে যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পুষ্টি উপাদান তা এই ফুলকপিতে বিদ্যমান। ফুলকপিতে থাকা ভিটামিন সি, বিটাক্যারোটিন, কায়েম্ফেরোল, কোয়ারসেটিন, রুটিন, সিনামিক অ্যাসিডসহ এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো শরীরকে সুরক্ষা করে ফ্রি র‍্যাডিকেলের ক্ষতি থেকে এবং বয়স বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে ধীর গতির করে। এছাড়াও যা এনজাইমকে সক্রিয় করে এবং ডিটক্স হতে সাহায্য করে গ্লুকোসাইনোলেটস যা ফুলকপিতে রয়েছে।

মস্তিষ্ক বিকাশে সহায়তা করে-

যৌগ কোলাইন নামে ফুলকপিতে আরেকটি উপকারী উপাদান থাকে। এই কোলাইন একটি বি ভিটামিন। এই ভিটামিন মূলত মস্তিষ্ক  গঠনে সাহায্য করে। তাছাড়া কলিন নামে ফুলকপিতে এক ধরনের পানিজাতীয় পুষ্টি উপাদান আছে যা মস্তিষ্কের কগনিটিভ প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে।

রক্ত তৈরিতে সহায়তা করে-

রক্ত তৈরিতে মানব শরীরে আয়রন গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে যা ফুলকপিতে  প্রচুর পরিমাণে বিদ্যমান। যারা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করে এবং যে-সব গর্ভবতী মা আছেন তাদের জন্য ফুলকপি অত্যন্ত জরুরি।

ত্বক ও চুলের যত্নে-

কম ক্যালরিযুক্ত ও উচ্চমাত্রার আঁশসমৃদ্ধ খাবার ত্বক ও চুলের যত্নে বেশ উপকারী। আর এগুলো ফুলকপিতে যথেষ্ট পরিমাণে রয়েছে। তাছাড়া ত্বকে বিভিন্নধরণের সংক্রমণ দেখা দেয় যা রোধে ফুলকপি সহায়তা করে।

এগুলো ছাড়াও বিভিন্ন রোগ যেমন শীতকালীন সর্দি, ঠান্ডা, কাশি জ্বর ভাব, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, গা-ব্যথা দূর করতে ভিটামিন ‘বি’, ‘সি’ ও ‘কে’ প্রয়োজন যা ফুলকপিতে আছে। তাই সবার উচিত সুস্বাদু একটি শীতকালীন সবজি হিসাবে খাবার তালিকায় রাখা।

আরও দেখুন

এলাচের যত গুণ, জানলে অবাক হবেন

cauliflower

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের যত রেকর্ড | Bangladesh Cricket Records

Bangladesh Cricket Records: আজ থেকে প্রায় ৪ দশক আগে বাংলাদেশ তার প্রথম এক দিনের আন্তর্জাতিক (ওডিআই) ম্যাচটি খেলে। প্রথম ম্যাচটিতে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল পাকিস্তান যা ৩১ মার্চ ১৯৮৬ সালে অনুষ্ঠিত হয়। এই ম্যাচে পাকিস্তান জয়লাভ করে। তবে বাংলাদেশ তার প্রথম ওডিআইটি জয় পায় কেনিয়ার বিপক্ষে ১৭ মে ১৯৯৮ সালে।

বাংলাদেশে তার এক দিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে সর্বোচ্চ দলীয় রান ৩৪৯/৭(৫০ওভার)। এই ম্যাচে বাংলাদেশে প্রতিপক্ষ ছিল আয়ারল্যান্ড, ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় ২০ মার্চ ২০২৩ সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে

টেস্টে যত রেকর্ড

ব্যাটার

  • প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে টেস্টে সেঞ্চুরী করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল, ১০ নভেম্বর ২০০০ সালে প্রতিপক্ষ ছিল ভারত।
  • দ্বীতিয় বাংলাদেশী হিসেবে টেস্টে সেঞ্চুরী করেন মোহাম্মদ আশরাফুল, ৬ সেপ্টেম্বর ২০০১ সালে প্রতিপক্ষ ছিল শ্রীলঙ্কা।
  • তৃতীয় বাংলাদেশী হিসেবে টেস্টে সেঞ্চুরী করেন হাবিবুল বাশার সুমন, ১৫ নভেম্বর ২০০১ সালে প্রতিপক্ষ ছিল জিম্বাবুয়ে।
  • বাংলাদেশী হিসেবে টেস্টে সবচেয়ে বেশি শতক করেন মমিনুল হক ১২ টি।
  • বাংলাদেশী হিসেবে টেস্টে সবচেয়ে বেশি অর্ধশতক করেন দুজন তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান। দুজনেই ৩১ টি অর্ধশতক করেন।

বোলার

  • প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে টেস্টে পাঁচ-উইকেট নেন নাইমুর রহমান, ১০ নভেম্বর ২০০০ সালে প্রতিপক্ষ ছিল ভারত।
  • দ্বীতিয় বাংলাদেশী হিসেবে টেস্টে পাঁচ-উইকেট নেন মোহাম্মদ মাঞ্জুরুল ইসলাম, ১৯ এপ্রিল ২০০১ প্রতিপক্ষ ছিল জিম্বাবুয়ে।
  • তৃতীয় বাংলাদেশী হিসেবে টেস্টে পাঁচ-উইকেট নেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, ৯ জুলাই ২০০৯ প্রতিপক্ষ ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
  • বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি টেস্ট উইকেট শিকারি হলেন সাকিব আল হাসান। ৫৭ টেস্টে সাকিবের দখলে আছে ২১০টি উইকেট।

ওয়ানডের যত রেকর্ড

ব্যাটার

  • প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে ওয়ানডেতে সেঞ্চুরী করেন মেহরাব হোসেন অপি, ১৯৯৯ সালের ২৫ মার্চ।
  • বাংলাদেশী হিসেবে ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরী করেছেন তামিম ইকবাল,যার সংখ্যা ১৪ টি।
  • বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি রান করা ব্যাটার হলেন তামিম ইকবাল, ২৪৩ ওয়ানডে ম্যাচে ৮৩৫৭ রান করেচে তামিম ইকবাল।

বোলার

  • বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি উইকেট শিকারী হলেন সাকিব আল হাসান, ২৪৭ ম্যাচে ৩১৭ টি উইকেট নিয়েছেন।
  • বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি পাঁচ উইকেট শিকারী হলেন মুস্তাফিজুর রহমান, পাঁচ উইকেট শিকার করেছেন পাঁচ বার।

বাংলাদেশে তার এক দিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে সর্বোচ্চ দলীয় রান ৩৪৯/৭(৫০ওভার)। এই ম্যাচে বাংলাদেশে প্রতিপক্ষ ছিল আয়ারল্যান্ড, ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় ২০ মার্চ ২০২৩ সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে

টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক (T20I) রেকর্ড

✅ টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের দলগত রেকর্ড

  • টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার টুয়েলভে খেলা (২০২১, ২০২২)
  • এক ইনিংসে সর্বোচ্চ দলীয় রান: ২১৫+ রান
  • সর্বনিম্ন রান ডিফেন্ড করে জয়: ১২০ রানের কম স্কোরে জয়

✅ ব্যক্তিগত টি-টোয়েন্টি রেকর্ড

  • সর্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি রান: মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
  • টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি করা প্রথম বাংলাদেশি: তামিম ইকবাল
  • সর্বোচ্চ টি-টোয়েন্টি উইকেট: শাকিব আল হাসান
  • এক ম্যাচে ৫ উইকেট: শাকিব আল হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমান

বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের বিশেষ রেকর্ড

🌍 অলরাউন্ডার রেকর্ড

  • শাকিব আল হাসান একমাত্র ক্রিকেটার যিনি
    • টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে
    • একসাথে ১ নম্বর অলরাউন্ডার হয়েছেন

🌍 স্পিন বোলিংয়ে রেকর্ড

  • মুস্তাফিজুর রহমানের কাটার বিশ্ব ক্রিকেটে অনন্য
  • অভিষেকে টানা ম্যাচে ৫ উইকেট নেওয়ার রেকর্ড

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ঐতিহাসিক মাইলফলক

  • আইসিসি ট্রফি জয়: ১৯৯৭
  • টেস্ট স্ট্যাটাস: ২০০০
  • এশিয়া কাপ ফাইনাল: ২০১২, ২০১৬, ২০১৮
  • বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ পয়েন্ট সংগ্রহ: ২০১৯ বিশ্বকাপ

বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাস এখন শুধুমাত্র আবেগের গল্প নয়, বরং এটি অসংখ্য ঐতিহাসিক রেকর্ড, বিশ্বমানের পারফরম্যান্স এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির এক গৌরবময় অধ্যায়। ১৯৯৭ সালে আইসিসি ট্রফি জয়ের মাধ্যমে বিশ্ব ক্রিকেটে শক্ত অবস্থান তৈরি করা বাংলাদেশ আজ টেস্ট, ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি— তিন ফরম্যাটেই নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছে।

এই আর্টিকেলে ২০২৬ সাল পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ দলীয় ও ব্যক্তিগত রেকর্ডগুলো তারিখসহ বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।


বাংলাদেশের ক্রিকেটের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক

অর্জনতারিখ
আইসিসি ট্রফি জয়১৩ এপ্রিল ১৯৯৭
প্রথম বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ১৯৯৯
টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ২৬ জুন ২০০০
প্রথম টেস্ট ম্যাচ১০ নভেম্বর ২০০০ বনাম ভারত
প্রথম টেস্ট জয়১০ জানুয়ারি ২০০৫ বনাম জিম্বাবুয়ে

বাংলাদেশ ক্রিকেট পরিচালনা করে Bangladesh Cricket Board।


ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের রেকর্ড

বিশ্বকাপে প্রথম বড় চমক

পাকিস্তানকে হারানো – ১৯৯৯ বিশ্বকাপ

  • তারিখ: ৩১ মে ১৯৯৯
  • ভেন্যু: নর্দাম্পটন
  • বাংলাদেশ পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্ব ক্রিকেটে আলোড়ন তোলে।

বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডকে হারানো

  • তারিখ: ৯ মার্চ ২০১৫
  • টুর্নামেন্ট: ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫
  • ফলাফল: বাংলাদেশ জয়ী
  • এই জয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রথমবার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে।

ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ

৩৩৮/৮ বনাম ইংল্যান্ড

  • তারিখ: ৯ মার্চ ২০১৫
  • ভেন্যু: অ্যাডিলেড

৩৩৩/৮ বনাম অস্ট্রেলিয়া

  • তারিখ: ২০ জুন ২০১৯
  • বিশ্বকাপ ম্যাচ

ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জয়

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১৮৩ রানের জয়

  • তারিখ: ১১ জুলাই ২০২৩

ওয়ানডেতে দ্রুততম সেঞ্চুরি

Shakib Al Hasan

  • ৬৩ বলে সেঞ্চুরি
  • প্রতিপক্ষ: জিম্বাবুয়ে
  • তারিখ: ৩ নভেম্বর ২০০৯

ওয়ানডেতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান

Litton Das – ১৭৬ রান

  • প্রতিপক্ষ: জিম্বাবুয়ে
  • তারিখ: ৬ মার্চ ২০২০

ওয়ানডেতে সেরা বোলিং ফিগার

Mustafizur Rahman – ৬/৪৩

  • প্রতিপক্ষ: ভারত
  • তারিখ: ১৮ জুন ২০১৫

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের রেকর্ড

প্রথম টেস্ট ম্যাচ

বনাম ভারত

  • তারিখ: ১০ নভেম্বর ২০০০
  • ভেন্যু: বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম

প্রথম টেস্ট জয়

বনাম জিম্বাবুয়ে

  • তারিখ: ১০ জানুয়ারি ২০০৫
  • ভেন্যু: চট্টগ্রাম

টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দলীয় রান

৭৩০/৬ ডিক্লেয়ার বনাম শ্রীলঙ্কা

  • তারিখ: ৮ মার্চ ২০১৩
  • ভেন্যু: গল

টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান

Mushfiqur Rahim – ২১৯ রান

  • প্রতিপক্ষ: জিম্বাবুয়ে
  • তারিখ: ১২ নভেম্বর ২০১৮

পরে তিনি আরও বড় ইনিংস খেলেন:

Mushfiqur Rahim – ২৫২* রান

  • প্রতিপক্ষ: জিম্বাবুয়ে
  • তারিখ: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০

টেস্টে সেরা বোলিং

Taijul Islam – ৮/৩৯

  • প্রতিপক্ষ: জিম্বাবুয়ে
  • তারিখ: ২৫ অক্টোবর ২০২১

বিদেশের মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে জয়

  • তারিখ: ৫ জানুয়ারি ২০২২
  • ভেন্যু: মাউন্ট মঙ্গানুই

এটি ছিল নিউজিল্যান্ডের মাটিতে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয়।


টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের রেকর্ড

টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ দলীয় রান

২১৫/৫ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ

  • তারিখ: ২০ ডিসেম্বর ২০১৮

টি-টোয়েন্টিতে দ্রুততম ফিফটি

Mohammad Ashraful

  • ২০ বলে ফিফটি
  • প্রতিপক্ষ: ওয়েস্ট ইন্ডিজ
  • তারিখ: ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৭

টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সেরা বোলিং

Mustafizur Rahman – ৫/২২

  • প্রতিপক্ষ: নিউজিল্যান্ড
  • তারিখ: ১ সেপ্টেম্বর ২০২১

আইসিসি টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের বড় অর্জন

২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনাল

  • তারিখ: ৯ জুন ২০১৭
  • বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠে।

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়

ICC Under-19 Cricket World Cup

  • তারিখ: ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০
  • বাংলাদেশ প্রথম আইসিসি ট্রফি জেতে।

বাংলাদেশের বিখ্যাত সিরিজ জয়

ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয়

  • তারিখ: ২৪ জুন ২০১৫
  • বাংলাদেশ ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জেতে।

পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ

  • তারিখ: ২২ এপ্রিল ২০১৫
  • বাংলাদেশ ৩-০ ব্যবধানে জয় পায়।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়

  • তারিখ: ৯ আগস্ট ২০২১
  • বাংলাদেশ ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ জেতে।

ব্যক্তিগত বিশ্বরেকর্ড ও অর্জন

Shakib Al Hasan এর বিশ্বরেকর্ড

এক বিশ্বকাপে ৬০০+ রান ও ১০+ উইকেট

  • বিশ্বকাপ: ২০১৯
  • ক্রিকেট ইতিহাসে বিরল অর্জন

Tamim Iqbal

বাংলাদেশের প্রথম ৮,০০০+ ওয়ানডে রান

  • অর্জনের বছর: ২০২০

Mushfiqur Rahim

বাংলাদেশের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান

  • তারিখ: ১৩ মার্চ ২০১৩
  • প্রতিপক্ষ: শ্রীলঙ্কা

বাংলাদেশের স্মরণীয় জয়গুলো

প্রতিপক্ষফরম্যাটতারিখ
পাকিস্তানবিশ্বকাপ৩১ মে ১৯৯৯
ভারতওয়ানডে সিরিজ২৪ জুন ২০১৫
ইংল্যান্ডবিশ্বকাপ৯ মার্চ ২০১৫
অস্ট্রেলিয়াটি-টোয়েন্টি সিরিজ৯ আগস্ট ২০২১
নিউজিল্যান্ডটেস্ট৫ জানুয়ারি ২০২২

বাংলাদেশের ক্রিকেটে উদীয়মান তারকা

Taskin Ahmed

  • গতির বোলিংয়ে নতুন যুগের সূচনা

Mehidy Hasan Miraz

  • অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতা

Towhid Hridoy

  • মিডল অর্ডারের নির্ভরযোগ্য ব্যাটার

বাংলাদেশ ক্রিকেটের ইতিহাসে অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত, রেকর্ড এবং অবিশ্বাস্য অর্জন রয়েছে। ছোট দল থেকে আজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে টাইগাররা। বিশ্বকাপে বড় দলকে হারানো, বিদেশের মাটিতে টেস্ট জয়, বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার তৈরি— সব মিলিয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেট এখন গর্বের নাম।

আগামী বছরগুলোতে আরও নতুন রেকর্ড গড়ে বাংলাদেশ বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করবে— এমনটাই প্রত্যাশা দেশের কোটি ক্রিকেটপ্রেমীর।

আরও দেখুন

জনপ্রিয় International T20 League এর তালিকা

উত্তরবঙ্গের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠ কারমাইকেল কলেজ, রংপুর

0

উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ বলতে আমরা যেটিকে বুঝি সেটি হলো কারমাইকেল কলেজ। কেননা  অবিভক্ত বাংলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মাঝে কারমাইকেল কলেজ প্রথম সারির স্থান অর্জন করেছিল।

ক্যাম্পাসের বিবরণ
কারমাইকেল কলেজ ক্যাম্পাস একটি সুবিশাল মনোরম ক্যাম্পাস। কলেজে প্রবেশ করতে প্রথমেই দেখতে পাবেন একটি সুদৃশ্য কারুকাজখচিত বিশাল ফটক বা প্রধান ফটক। যেখানে অনেক জ্ঞানী ব্যক্তির অমূল্য বাণীও রয়েছে। শুরুতেই বামপাশে দেখতে পাবো বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিফলক আর ডানপাশে প্রধান ফটকের পাশ ঘেঁষেই একটি রাস্তা বাজারে চলে গেছে, বাজারের গেটেই একটি মন্দির অবস্থিত।

বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিফলকের একটু সামনে গেলেই স্যারদের আবাসিক এলাকা যা হোয়াইট হাউজ নামে পরিচিত। তারপরেই বাঁধন নামে একটি সেচ্ছাসেবী রক্তদান সংস্থা। তারপরে স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও কিউএ মেমোরিয়াল প্রাথমিক বিদ্যালয় (কলেজ প্রাইমারি স্কুল)।

স্কুলের পরেই  আপনারা পাবেন চৌরাস্তা বা জিরো পয়েন্ট। এখানেই পাবেন সুদৃশ্য একটি মসজিদ। মসজিদের উত্তরের জাযগাটিই বৃন্দাবন নামে পরিচিত। পূর্বদিকে যে রাস্তা চলে গেছে সেদিকেই ছাত্রীদের জন্য তিনটি আবাসিক হল (তপসি রাবেয়া হল, বেগম রোকেয়া হল, জাহানারা ইমাম হল) অবস্থিত। পশ্চিম দিকে একটু এগিয়ে গেলেই দু’রাস্তার মোড় পাবেন, মোড়েই পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র আর ডানপাশে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য। দু’রাস্তার একটি দক্ষিণে আর একটি পশ্চিমে গেছে। প্রশাসনিক ভবনের সামনে অর্থাৎ দক্ষিণে শহীদ মিনার রয়েছে।

পশ্চিমেই  প্রশাসনিক ভবন আর প্রশাসনিক ভবনের সাথেই বাংলাবিভাগ। এই বিভাগের সামনেই একটি অতি সুন্দর ফুলের বাগান এবং লিচুতলার সাথেই কানাসাচ নামে নাট্যসংস্থার বসার মঞ্চ। এখানে আবারও একটি চৌরাস্তা পাবেন। মোড়েই ছাত্রদের জন্য আলাদা বিশ্রামাগার রয়েছে এবং একটি রাস্তা উত্তরে গেছে যা ক্যান্টিন ও অত্যাধুনিক অডিটোরিয়ামে চলে গেছে।

ক্যান্টিনের সামনেই “বাংলামঞ্চ” নামে একটি নাট্যমঞ্চ রয়েছে। আর এর সামনটাই মধুবন নামে পরিচিত।

অডিটোরিয়ামের পিছন অর্থাৎ পশ্চিমদিকে স্যারদের জন্য  গ্রিন হাউস নামে আর একটি এলাকা এবং উচ্চ মাধ্যমিক ভবন রয়েছে।

চৌরাস্তা থেকে যে রাস্তাটি দক্ষিণে গেছে তার বামপাশে সেকেন্ড বিল্ডিং আর ডানপাশে ছাত্রদের জন্য আবাসিক হল  জি এল ছাত্রাবাস ও কে বি ছাত্রাবাস (পরিত্যক্ত) অবস্থিত।তারপরেই আইসিটি ভবন। তারপরে সিএম ছাত্রাবাস (শুধুমাত্র হিন্দুদের জন্য)।

সেকেন্ড বিল্ডিং (বিজ্ঞান ভবন) এর সামনেই বিশাল দুটি খেলার মাঠের একটি  অবস্থিত ও তার সামনেই থার্ড বিল্ডিং এবং তার পিছনেই, ওসমানি ছাত্রাবাস।

থার্ড বিল্ডিং(তিনতলা কলা ও বাণিজ্য ভবন) এর পূর্বদিকে ক্যামিস্ট্রি ভবন এবং সামনেই  বিশাল খেলার মাঠের আর একটি ।মাঠের  পূর্বদিকে ব্যাংক,সাব পোস্ট অফিস এবং একটি টালি ভবন (বিএনসিসি ও স্কাউট) রয়েছে।

এছাড়াও প্রতি বিভাগের সাথেই সেমিনার লাইব্রেরি রয়েছ। কারমাইকেল কলেজের পূর্বদিকে রংপুর কলেজিয়েট স্কুল এন্ড কলেজ, তারপাশে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, দক্ষিণে রংপুর ক্যাডেট কলেজ, উত্তরে ঐতিহ্যবাহী লালবাগ হাট এবং চারপাশ ঘিরে অসংখ্য ছাত্রী ও ছাত্রাবাস রয়েছে।

শিক্ষাসংক্রান্ত তথ্য

এখানে যে যে বিভাগগুলো রয়েছে-

উচ্চ মাধ্যমিকে তিনটি বিভাগ

বিজ্ঞান, মানবিক, বাণিজ্য (প্রতি বিভাগে ৩০০ টি  করে মোট  ৯০০ আসন)

সম্মান-৩৩৬০ টি আসন

মাস্টার্স (প্রথম পর্ব)- ৬০০০ (নিয়মিত+প্রাইভেট)

মাস্টার্স (শেষপর্ব)- ৬০০০ (নিয়মিত+প্রাইভেট) এবং ডিগ্রি।

সম্মানে তিনটি বিভাগ -বিজ্ঞান,কলা,বাণিজ্য

বিজ্ঞান বিভাগ

গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, প্রাণিবিদ্যা, উদ্ভিদবিদ্যা।

কলা বিভাগ

বাংলা, ইংরেজি, অর্থনীতি,ইতিহাস, দর্শন, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজ বিজ্ঞান, ইসলামের ইতিহাস, আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজ

বাণিজ্য বিভাগ:

ব্যবস্থাপনা.হিসাব বিজ্ঞান,মার্কেটিং,ফিন্যান্স এবং ব্যাংকিং।

বিস্তারিত আসেছে…

Prohibited in some countries: কোন কোন দেশে কি কি নিষিদ্ধ

এই পৃথিবী হলো বৈচিত্রময় আর তার নিয়ম-কানুনেও রয়েছে অনেক বৈচিত্র, রয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

এবার এসব নিষেধাজ্ঞাগুলো সম্পর্কে জানবো-

সিঙ্গাপুরে যে বিষয়গুলোতে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে

আমাদের দেশে মানুষ শখ করেই কবুতরকে খাওয়ায়। আর এদেশে যদি কেউ কবুতরকে খাওয়ায় তাহলে শাস্তি পেতে হবে। তাও আবার  ৫০০ ডলার জরিমানা। গান গাইলেও পেতে হয় শাস্তি।জরিমানা অথবা ৩ মাসের কারাদণ্ড! যদি কেউ পাবলিক টয়লেটে যান আর ফ্লাশ করতে ভুলে যান তাহলেও কিন্তু জরিমানা গুনতে হবে ১৫০ ডলার।

জনসম্মুখে কেউ ধূমপান করলে তাকে গুণেগুণে ১৫২ থেকে ৭৬০ ডলার জরিমানা গুনতে হবে। একজনের ওয়াইফাই যদি অন্যজন না বলেই সংযোগ দেয় তাহলে  পেতে হবে শাস্তি।আর তা ৩ বছর। 

এদেশের মানুষ কোন অবস্থাতেই নগ্ন হতে পারবে না। হোক না সেটা নিজ বাড়ির নিজ রুমে।বড়  আকারের জরিমানা বা কারাদন্ড ভোগ করতে হবে পর্নোগ্রাফি চার্জের জন্য।

চুইংগাম বিক্রির শাস্তি ২ বছরের কারাদণ্ড। খাওয়াতে নেই কোন জরিমানা,নেই কোন শাস্তি তবে বিক্রি করলেই ভোগ করতে হবে ২ বছরের জেল বা ১ লাখ ডলার জরিমানা।

ইরানে যেসব বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে

র‌্যাপ মিউজিক, পোষ্য হিসাবে কুকুর-বেড়াল, স্কিনটাইট জিন্স, ট্যাটু। এছাড়াও হলিউড স্টারের মতো হেয়ারকাট এবং পুরুষদের স্পাইক, পনিটেলের মতো ওয়েস্টার্ন হেয়ারকাট দেয়াও নিষিদ্ধ এদেশে। এসব কাজকে ঐদেশের  ইউনিয়ন শয়তানকে পুজো করার লক্ষণ মনে করে থাকে।

চীনে যেসব বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে

২০০৯ সাল থেকে চীনে ফেসবুক ব্যবহার নিষিদ্ধকরা হয়। চীনে হোয়াটসঅ্যাপ নামে মেটার মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম এবং ইনস্টাগ্রাম যা ফটো এবং ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ নামে পরিচিত তাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

আলজিরিয়ায় যা নিষেধাজ্ঞা রয়েছে

আলজিরিয়া একটি ইসলামী রাষ্ট্র, যার সরকারি ধর্ম সুন্নি ইসলাম। এটি উত্তর আফ্রিকার একটি দেশ। এখানে খ্রিস্টধর্ম নিষিদ্ধ এবং তাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ বাইবেল রাখা পুরোপুরি বেআইনি। তাছাড়াও  ভালোবাসা দিবস উদযাপন নিষিদ্ধ করেছে দেশটি। এর পেছনে ধর্মীয় কারণ ছাড়াও আরও কারণ আছে।

ভালোবাসা দিবস উদযাপনে আলজিরিয়া ছাড়াও আরও যেসব দেশ  নিষিদ্ধ করেছে-সৌদি আরব, উজবেকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান। তবে পরবর্তীতে এসব দেশে আইন কিছুটা শিথীল করা হয়।

গ্রিসে যে বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে

ভিডিও গেম কম বেশি অনেকের পছন্দ। কিন্তু গ্রিসে যদি ভিডিও গেম খেলেন তাহলে সমস্যায় পড়তে হবে কারণ এদেশটিতে ভিডিও গেম  নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ২০০২ সালে গ্রিস সরকার বেআইনি জুয়া খেলা বন্ধ করতে এ আইন করা হয়।

মালয়েশিয়ায় যে বিষয়ে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা-

মালয়েশিয়ায় হলুদ রঙের সব ধরণের (জুতো-জামা, টুপি, এমনকি হলুদ রঙের অন্তর্বাস) পোশাকেই নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। কেননা মালয়েশিয়ায় প্রতিবাদের প্রতীক মনে করা হয় হলুদ রঙকে। রাজনৈতিক একটি বিরোধী দলের পরনে  হলুদ রঙের পোশাক লক্ষ্য করা যায়। আইনী পদক্ষেপ হিসাবে মালয়েশিয়া এটি গ্রহণ করে।

বুরুন্ডিতে যে বিষয়ে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা-

স্বাথ্যের কথা ভেবে অনেকেই সকালে উঠে জগিং করার পরামর্শ দেন। যদি বুরুন্ডিতে এ পরামর্শ মানতে চান তাহলে সারা জীবন জেলে কাটাতে হতে পারে। দেশটির প্রেসিডেন্ট পিয়ের এনকুরুনজিজা উপজাতিদের মধ্যে যুদ্ধ রুখতে এমনটা করেন।

ডেনমার্কে নিষেধাজ্ঞা  রয়েছে যে বিষয়ে-

প্রতিটা বাবা-মা চান, নিজের সন্তানের নাম পছন্দ মতো রাখতে! ডেনমার্কবাসীদের এজন্য অনেক দুর্ভোগ সামলাতে হয়। কেননা, সরকারের তৈরি ২৪ হাজারের একটি নামের তালিকা হতে বাছাই করতে হয় তাঁদের সন্তানের নাম। অবশ্য পছন্দের নামে ডাকার জন্য সরকারের কাছে আবেদনের সুযোগ রয়েছে। তবে অনুমোদনের সুযোগ অনেক কম।

উত্তর কোরিয়ায় যে বিষয়ে বারণ রয়েছে-

উত্তর কোরিয়ার সরকারের জিন্স পরা নিয়ে কোন আপত্তি না থাকলেও নীল রঙের জিন্স পরা একেবারেই বারণ। কেননা,তাদের চিরশত্রু আমেরিকার পতাকায় নীল রঙের ছোঁয়া রয়েছে।

দক্ষিণ ভারতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে যে বিষয়ে-

তামিলনাড়ুর মন্দিরগুলিতে কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে মোবাইল ফোন ব্যবহারের। তামিলনাড়ু দক্ষিণ ভারতের একটি প্রদেশ। “মন্দিরগুলির শুদ্ধতা এবং পবিত্রতা বজায় রাখার জন্য “২০২২ সালের ডিসেম্বরে ভারত সরকার মন্দিরে মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছিল।

বাংলাদেশে যা নিষিদ্ধ-

শুধুমাত্র বাংলাদেশ থেকে ইসরায়েলে যাওয়া নিষিদ্ধ। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার পক্ষে বাংলাদেশ সরকার শক্ত অবস্থান নিয়ে ইসরায়েল রাষ্ট্রের বিরোধীতা করে আসছে। তাই ইসরায়েলে ভ্রমন বাংলাদেশ থেকে সম্পূর্ন নিষিদ্ধ করে বাংলাদেশ সরকার। দৃষ্টান্ত হিসাবে, বাংলাদেশের সাংবাদিক সালেহ চৌধুরিকে ৭ বছরের জেল দেয়া হয়েছিলো ২০০৩ সালে ইসরায়েলে ভ্রমনের চেষ্টার জন্য।

আরো দেখুন