Sunday, September 20, 2026
spot_imgspot_img
Home Blog Page 15

WhatsApp-এ ব্যক্তিগত মেসেজ সংরক্ষণের উপায়

1

WhatsApp বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। বিশ্বের অনেক মানুষ এ প্লাটফর্মটি ব্যবহার করে থাকে। ব্যক্তিগত চ্যাটের পাশাপাশি বন্ধু, অফিস কলিগদের জন্য আলাদা গ্রুপও থাকে। অনেকে জরুরি ফাইল, ছবি, ভিডিও শেয়ারের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন।

ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা উন্নয়নে মেটা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ফিচার নিয়ে কাজ করছে। এখানে মেসেজের সুরক্ষা নিশ্চিতে ডিজ অ্যাপিয়ারিং মেসেজ নামের একটি ফিচার রয়েছে। যার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা মেসেজ পাঠানোর ২৪ ঘণ্টা, সাতদিন, বা ৯০ দিন পর আপনা আপনি মেসেজগুলো মুছে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

WhatsApp থেকে কাউকে মেসেজ দেওয়ার আগে ব্যবহারকারীরা সেগুলো ইনবক্সে সংরক্ষিত থাকবে না কি নির্দিষ্ট সময় পর নিজ থেকেই মুছে যাবে তা নির্ধারণ করে দিতে পারবে। তবে আগে এগুলো সংরক্ষণ করা না গেলেও এখন সেই সুযোগ দিচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ। এখন চাইলেই ব্যবহারকারী ডিসঅ্যাপিয়ারিং মেসেজ সেভ করে রাখতে পারবেন।

WhatsApp বেটাইনফোর প্রতিবেদনে বলা হয়, নতুন ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা এ ডিজ অ্যাপিয়ারিং মেসেজে কিছু সময়ের জন্য সেভ করে রাখতে পারবেন। এখানে সংরক্ষণ বা ডিলিট অপশন চালু রাখার সুবিধা রয়েছে।

এছাড়াও আরও একটি নতুন ফিচার নিয়ে আসছে হোয়াটসঅ্যাপ। গুগল ড্রাইভ ছাড়াই কোনও চ্যাটের ব্যাকআপ রাখা যাবে। ফলে কোনো কারণে স্মার্টফোন হারিয়ে গেলে বা পরিবর্তন করা হলেও আগের চ্যাট হিস্ট্রি ফিরে পাওয়া যাবে।

আরো দেখুন:
ফিচারের তথ্য নিজ থেকেই জানাবে Whats app

ইয়ারবাড পরিষ্কারে করণীয়

1

ইয়ারবাড পরিষ্কারে করণীয়

গান শুনতে কে না ভালোবাসে। গান শুনতে বা কাজের ক্ষেত্রে ইয়ারবাডের ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বলা যায় এখন ওয়্যারেবল ডিভাইসে মধ্যে ইয়ারবাড তালিকার উপর দিকেই থাকে। বিশ্বের নামিদামি ও বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি অনেক ছোট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানও ইয়ারবাড বাজারে আনছে। ফিচার, সুযোগসুবিধা ও ব্র্যান্ডভেদে ইয়ারবাডের দামের কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।

ঘরে বাইরে সব জায়গাতেই ইয়ারবাড ব্যবহার করতে হয়। তাই এ ওয়্যারেবল ডিভাইস পরিষ্কার রাখাও প্রয়োজন। অনেকেই ব্যবহারের পর যেখানে সেখানে ফেলে রাখেন এতে গ্যাজেটগুলো অনেক বেশি নোংরা হয়। পরবর্তী সময়ে নোংরা ইয়ারবাড বা ইয়ারপড ব্যবহার করলে কানের নানান সমস্যা বা ইনফেকশন দেখা দিতে পারে। এছাড়াও ইয়ারবাড নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও থাকে। তাই ইয়ারবাড পরিষ্কার রাখতে করণীয় বিষয় জেনে রাখা ভালো।

যেভাবে পরিষ্কার রাখবেন ইয়ারবাড

  1. প্রথমত ইয়ারবাডের স্পিকারে যদি আলাদা কুশন বা রাবার লাগানো থাকে তাহলে তা খুলে নিতে হবে। সেই রাবার বা কুশন সাবানে ভিজিয়ে রাখতে হবে। গরম পানি ব্যবহার করা যাবে না। ঘষামাজারও প্রয়োজন নেই। এতে করে কুশন বা রাবার ছিড়ে যেতে পারে।
  2. ইয়ারবাডের ভেতরেও ময়লা প্রবেশ করে। বিশেষ করে ধুলোবালি তো আছেই। তাই ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে পরিষ্কার করিয়ে নিতে হবে। নিজে থেকে না পারলে পেশাদার সার্ভিস গ্রহণ করতে হবে। কেননা সামান্য ভুলে শখের ইয়ারবাড নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
  3. ইয়ারবাডের ভেতরে পরিষ্কার করার আরেকটি উপায় হচ্ছে কটনবাড ও ক্লিনিং জেলের ব্যবহার। এর মাধ্যমে আলতো করে ভেতরের ময়লা পরিষ্কার করে নেয়া যাবে। তবে সব ক্ষেত্রে ইয়ারবাডের সুরক্ষার বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।
  4. শুকনো ব্রাশ দিয়েও ইয়ারবাড পরিষ্কার করা যাবে। এক্ষেত্রে পরিষ্কার ব্রাশ দিয়ে ইয়ারবাডের ফাঁকা জায়গা ঘষে পরিষ্কার করতে হবে। কোনো ধরনের তরল পদার্থ ব্যবহার করা যাবে না। কেননা ভুলে ইয়ারবাডে পানি বা অন্য তরল চলে গেলে এর ক্ষতি হবে।
  5. ইয়ারবাডের কেসিং পরিষ্কারের সময় নরম কাপড় ব্যবহার করতে হবে। কখনোই শক্ত বা খসখসে কাপড় ব্যবহার করা যাবে না। এতে করে কেসিংয়ে দাগ পড়ে যেতে পারে। ইয়ারবাডকে শুষ্ক ও আদ্রতামুক্ত রাখতে চাইলে সিলিকা জেলও ব্যবহার করা যাবে।

আরও দেখুন
স্মার্টফোনের ব্যাটারির আয়ু কমে যেসব কারণে

স্মার্টফোনের ব্যাটারির আয়ু কমে যেসব কারণে

1

স্মার্টফোনের ব্যাটারির আয়ু কমে যেসব কারণে

দৈনন্দিন জীবনে স্মার্টফোন অন্যতম সঙ্গী। ফোনকল, মেসেজ, ইন্টারনেট ব্রাউজিং থেকে শুরু করে এর মাধ্যমে অনেক কাজই করা যায়। ছবি-ভিডিও ধারণ করা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারসহ গেম খেলার অন্যতম মাধ্যম সেলফোন।

দীর্ঘ সময় টানা স্মার্টফোন ব্যবহারের কারণে ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়। একই ধরনের কাজ প্রতিনিয়ত করতে থাকলে ব্যাটারির আয়ুও কমতে থাকে। অনেকে কম ব্যাটারি নিয়েও স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকেন। এতে করে ব্যাটারির সেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দীর্ঘমেয়াদে তা স্মার্টফোনের ব্যাটারিতে প্রভাব ফেলে।

স্মার্টফোনের ব্যাটারি ভালো রাখার উপায়

ব্যাটারির স্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তামুক্ত থাকতে বেশ কিছু পদক্ষেপ মেনে চলতে পারেন। এতে করে ব্যাটারি দীর্ঘদিন ভালো থাকবে। পাশাপাশি ব্যাটারির ক্ষতি করে এমন কিছু কারণ সম্পর্কেওে জেনে নেয়া ভালো।

  1. অনেক ব্যবহারকারী রিংটোনের সঙ্গে ভাইব্রেশন চালু করে থাকেন। একইসঙ্গে দুটি কাজের জন্য ব্যাটারিতে অতিরিক্ত চাপ পড়ে। ফলে ব্যাটারি বেশি খরচ হয়। দীর্ঘমেয়াদে এর কারণে ব্যাটারির আয়ু কমে যায়। তাই খুব জরুরি না হলে রিংটোনের সঙ্গে ভাইব্রেশন না দেয়াই ভালো।
  2. সেলফোনে যে রিংটোন ব্যবহার করা হয় সেটিও ব্যাটারির আয়ু কমাতে পারে। তাই রিংটোন নির্বাচনে সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে ছোট রিংটোন ব্যবহার করতে হবে। ছোট রিংটোন বলতে যেগুলো প্লে টাইম ছোট। ফোনে বিল্ট ইন যেসব রিংটোন দেয়া থাকে সেগুলো ব্যবহার করাই ভালো। ডাউনলোড করা রিংটোনের ফ্রিকোয়েন্সি বেশি থাকে। যে কারণে এগুলো ব্যবহার করলে ব্যাটারি জলদি শেষ হয়ে যায়।
  3. চার্জ দেয়া অবস্থায় কোনোভাবেই স্মার্টফোন ব্যবহার করা যাবে না। জরুরি প্রয়োজন হলে চার্জ থেকে খুলে নিতে হবে। চার্জ দেয়া অবস্থায় অনেকে ফেসবুক মেসেঞ্জারসহ আরো অ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন। এটি স্মার্টফোনের ব্যাটারির জন্য ক্ষতিকর। চার্জিংয়ের সময় ব্যাটারি সেল উত্তপ্ত হয়। সে সময় এর ব্যবহার সেলের ক্ষতি করবে। তাই চার্জ দেয়ার সময় কোনো কিছু ব্যবহার করা, মেসেজ পাঠানো বা গেম না খেলাই ভালো।
  4. ফোনে এমন অনেক অ্যাপ থাকে যেগুলো অপ্রয়োজনীয় এবং অনেক পুরোনো বা খুব একটা ব্যবহার করা হয়না। সে সকল অ্যাপ স্মার্টফোন থেকে ডিলিট করে দেয়াই উত্তম। সেলফোনে যত বেশি অ্যাপ থাকবে, তত বেশি ব্যাটারির উপরে চাপ বাড়বে। ফলে ফোনের ব্যাটারির আয়ু কমতে থাকবে। তাই প্রয়োজনীয় বা এখন ব্যবহার করছেন এমন অ্যাপগুলোই রাখুন ফোনে।
  5. ফোনের ব্যাটারির আয়ু বাড়াতে ফোনের অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ করে রাখুন। লোকেশন আপডেট, ব্যাকগ্রাউন্ড ডাটা অ্যাক্সেস বন্ধ রাখুন। এতে ব্যাটারির উপর চাপ কম পড়বে ফলে আয়ু বাড়বে। অনেকে ওয়াই-ফাই, মোবাইল ডাটা, ব্লুটুথসহ আরো অপশন চালু রাখেন। এগুলো ব্যাটারির জন্য ক্ষতিকর

আরো দেখুন:
হোয়াটসঅ্যাপে ব্যক্তিগত মেসেজ সংরক্ষণের উপায়

Email-এ স্বাক্ষর যুক্ত করার পদ্ধতি

0

প্রাতিষ্ঠানিক বা ব্যবসায়িক প্রয়োজন ছাড়াও ব্যক্তিগত কাজেও এখন Email ব্যাপক প্রচলন রয়েছে। নিরাপদে বার্তা, ছবি বা যেকোনো ফাইল আদান প্রদানে বর্তমানে ইমেইলের বিকল্প তেমন একটা নেই।

Email আরো কার্যকর ও পেশাদার করে তোলার ক্ষেত্রে এতে স্বাক্ষর যুক্ত করে দেওয়া ভালো। তবে অনেকেই কীভাবে ইমেইলে স্বাক্ষর যুক্ত করতে হয় সে বিষয়ে জানেন না। সে বিষয়ে তাই জেনে নেয়া ভালো।

অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে ইমেইলে স্বাক্ষর বসানোর জন্য প্রথমে স্মার্টফোনে জি-মেইল অ্যাপ খুলতে হবে। এর উপরে বাম দিকের মেন্যু অপশনে গিয়ে সেটিংসে প্রবেশ করতে হবে। এবার যে গুগল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সিগনেচার করতে চান, সেটা বেছে নিতে হবে। সবশেষ মোবাইল সিগনেচার অপশন ট্যাপ করে সিগনেচার বসিয়ে ওকে তে ক্লিক করলেই স্বাক্ষর বসে যাবে।

ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ থেকে করতে চাইলে প্রথমে ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ থেকে জি-মেইল খুলতে হবে।
এরপর উপরে ডান দিকে থাকা সেটিংস অপশনে ক্লিক করে সিগনেচার সেকশনে প্রবেশ করতে হবে।
সেখানে একটি বক্স থাকবে। সেখানে সিগনেচার বা স্বাক্ষর করতে হবে। এখানে চাইলে ছবিও যোগ করা যাবে। পছন্দমতো ফন্টের ডিজাইন ও বার্তা ফরম্যাট করে দেওয়া যায়। সব কাজ শেষে সেভ করতে হবে।

ফেসবুক রিলস তৈরির উপায়

0
ইনস্টাগ্রামে রিলস ব্যবহারকারীদের জন্য অন্যতম পছন্দের একটি বিষয়। তবে শর্ট ভিডিও তৈরিতে এগিয়ে টিকটক। তাই প্রতিযোগিতায় এ প্লাটফর্মটির সঙ্গে টিকে থাকতে এবার ফেসবুকেও এ ফিচার চালু হয়েছে। এখন যেকোনো ব্যবহারকারী তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে রিলস ভিডিও তৈরি করে শেয়ার করতে পারবে। আর এটি থেকে উপার্জনের সুবিধাও থাকছে। যারা মেটার ফেসবুক অ্যাপ এরইমধ্যে আপডেট করেছেন তারা স্টোরিজের পাশে রিলস অপশনটি দেখতে পারবে। তবে এ রিলস কীভাবে তৈরি করতে হয় সে বিষয়েও জেনে নেয়া প্রয়োজন। প্রথমেই স্মার্টফোন থেকে ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগইন করতে হবে। এরপর নিউজ ফিডের উপরে থাকা রিলস অপশন সিলেক্ট করতে হবে। এবার ক্রিয়েট রিলসে ক্লিক করতে হবে। অ্যাপে থাকা ক্যামেরার সাহায্যেই ভিডিও বানানো যাবে। আবার গ্যালারি থেকেও ভিডিও নেয়া যাবে। এরপর রিলস ভিডিও আপলোড করা যাবে। যে কেউ চাইলে টাইমার সেট করেও রিলস বানাতে পারবে। এছাড়াও নিজের পছন্দমতো ভিডিও এডিট করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা। ভিডিও রেকর্ডিংয়ের সময় অরিজিনাল অডিও যুক্ত করার অপশন যেমন থাকবে, তেমনই ফেসবুকের মিউজিক লাইব্রেরি থেকে গান পছন্দ করেও রিলসে যুক্ত করা যাবে। এমনকি রিলস ভিডিওতে অগমেন্টেড রিয়েলিটি বা এআর ইফেক্টও ব্যবহার করা যাবে। ফেসবুকের নিজস্ব অগমেন্টেড রিয়েলিটি লাইব্রেরি রয়েছে। সেখান থেকে ইফেক্টস বেছে নেওয়া যাবে। পছন্দমতো ভিডিওর স্পিডও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন ইউজাররা। স্লোমোশন বা ফাস্ট ফরওয়ার্ড, দু’ধরনের অপশনই থাকবে। অডিও স্পিডও বদলানোর ‍সুযোগ থাকছে রিলসে।

স্মার্টফোনের ব্যাটারির জন্য ক্ষতিকর যেসব অ্যাপ

0
বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন ব্যবহার করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুস্কর। আর স্মার্টফোন মানেই বিভিন্ন অ্যাপের সমাহার। সামাজিক যোগাযোগ থেকে শুরু করে, ছবি ও ভিডিও এডিটিং, বই পড়া, সৃজনশীল কাজ শেখার জন্য হাজারো অ্যাপ রয়েছে। তবে সব জায়গা থেকে অ্যাপ ডা্উনলোড করা উচিত নয়। এতে ডিভাইসে সাইবার আক্রমণের পাশাপাশি তথ্য চুরি ও ম্যালওয়্যার ছড়িয়ে দেয়ার মতো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। সম্প্রতি গুগল এমন বেশ কিছু অ্যাপ সরিয়ে নিয়েছে প্লে স্টোর থেকে। যেগুলো শুধু ম্যালওয়্যার ছড়ানোই নয়, ফোনের বেশি ডাটা খরচ করত। এমনকি এসব অ্যাপ মোবাইলের ব্যাটারির পক্ষে খুবই ক্ষতিকারক। এ ধরনের অ্যাপ ব্যবহারের ফলে মোবাইলের ব্যাটারির আয়ুস্কাল কমে আসছে অল্প সময়ের মধ্যেই। এমন কিছু অ্যাপের নাম জানিয়েছে গুগল। যেগুলো প্লে-স্টোর থেকে এরই মধ্যে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। চিন্তার বিষয় হচ্ছে, প্রায় ২০ মিলিয়ন ডাউনলোড হয়েছে এ অ্যাপগুলো। তালিকায় থাকা অ্যাপগুলো ফ্ল্যাশলাইট (টর্চ), কিউআর (কুইক রেসপন্স) রিডার্স, ক্যামেরা, ইউনিট কনভার্টার, টাস্ক ম্যানেজার ক্যাটাগরির অন্তর্গত। এমন ১৬টি অ্যাপ শনাক্ত করেছে গুগল। যেগুলোতে ক্লিকার নামের ম্যালওয়্যার দেখা গিয়েছে। এসব অ্যাপ খোলার পর সেগুলো ডাউনলোড হয় রিমোট কনফিগারেশনের মাধ্যমে। ফলে তারা এইচটিটিপি রিকোয়েস্ট পাঠায়। সেই কনফিগারেশন ডাউনলোড করার পর, সেটি ফায়ারবেস ক্লাউড মেসেজিং সিস্টেমে রেজিস্টার হয়ে যায়। এরপর সেখান থেকে গ্রাহকদের কাছে পুশ মেসেজ পাঠানো হয়। এর মাধ্যমে গ্রাহকদের বিভিন্ন ধরনের ক্ষতি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তাই বিশেষজ্ঞরা অ্যাপ নামানোর ক্ষেত্রে ইউজার রিভিউ, রেটিং দেখার পাশাপাশি কোনো অ্যাপের ডেভেলপার ও বিস্তারিত বর্ণনা পড়ে নেয়ার পরামর্শও দিয়েছেন।

twitter বা X-এ ডাউনভোট ফিচার চালু

0

দীর্ঘ আলোচনা-সমালোচনার পর মাইক্রোব্লগিং প্লাটফর্ম twitter অধিগ্রহণ সম্পন্ন করেছেন বিশ্বের অন্যতম ধনী ইলোন মাস্ক। অধিগ্রহণের আগে প্লাটফর্মে একাধিক পরিবর্তন আনার কথাও জানিয়েছিলেন টেসলা প্রধান। এর অংশ হিসেবে এবার প্লাটফর্মে ডাউনভোট ফিচার চালু করা হয়েছে।

টুইটারের নতুন এ ফিচারের মাধ্যমে কী কী কাজ করা যাবে তা এখনও পরিষ্কারভাবে জানা যায়নি। তবে এটুকু নিশ্চিত ডে এটি ইউটিউবের ডিসলাইক বাটনের মতো নয়। ফিচারটি সরাসরি পোস্টের পরিবর্তে শুধু পোস্টের উত্তর দেওয়ার জন্য রাখা হয়েছে।

টুইটারে অপমানজনক ভাষা ও অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্যের সঙ্গে মোকাবিলা করার জন্য এই ফিচারটি ব্যবহার করা হবে। তবে ডাউনভোট ফিচার পাবলিক করা হবে না। এমনকি ডাউনভোট গণনা করারও কোনো উপায় নেই। এখন থেকে কোনো ব্যবহারকারী সাড়া না দিলে, তারা টুইটারে ডাউনভোট করে তা জানাতে পারবেন।

টুইটারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ডাউনভোটগুলো ব্যক্তিগত, এই ভোটগুলো কখনো পাবলিক করা হবে না। এমনকি এই ফিচারের বিষয়ে টুইটার অন্য কারো সঙ্গে তথ্য আদান প্রদানও করবে না।

Fake app চেনার উপায়

5
বর্তমানে কম্পিউটারের পাশাপাশি স্মার্টফোন বা মোবাইল কেন্দ্রিক সাইবার হামলার পরিমাণও বাড়ছে। অ্যাপ স্টোরে থাকা বিভিন্ন বিখ্যাত অ্যাপের নাম নকল করে (Fake app) ম্যালওয়্যার যুক্ত করে ভুয়া অ্যাপ ছড়িয়ে দিচ্ছে হ্যাকাররা। সেই সঙ্গে স্মার্টফোন হ্যাক করে চুরি করছে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য। সম্প্রতি ফেসবুকের মালিকানা প্রতিষ্ঠান মেটা অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএসে ৪০০-এরও বেশি ভুয়া বা Fake app সন্ধান পেয়েছে। যেগুলো ব্যবহারকারীদের লগইন ক্রেডেনশিয়াল হাতিয়ে নিচ্ছে। এ কারণে অ্যাপ ডাউনলোডের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের সতর্ক করে দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। অ্যাপ আসল না নকল সেটি কিছু উপায়ে জানা সহজ। তবে আরো কিছু পন্থায় নিরাপদ থাকা সম্ভব। অফিসিয়াল অ্যাপ স্টোর বা প্লে স্টোর থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে। অনেকেই বিভিন্ন থার্ড পার্টি ওয়েবসাইট থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করেন। এতে নকল অ্যাপ বা ম্যালওয়্যার স্মার্টফোনে প্রবেশ করার সম্ভাবনা থাকে অনেক বেশি। তাই এটি পরিহার করতে হবে।

Fake app চেনার উপায়

১। ডাউনলোড করার আগে অবশ্যই অ্যাপের বিস্তারিত ভালোভাবে দেখে নিতে হবে। সেখানো কোনো ভুল থাকা মানেই এর ভুয়া হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই ভালো করে খেয়াল করুন কোনো বানান ভুল আছে কি না। এটি সবচেয়ে সহজ উপায় ভুয়া অ্যাপ চেনার। ২। অ্যাপের ডেভেলপারের নাম দেখুন। ভুয়া অ্যাপগুলি প্রায়ই অখ্যাত ডেভেলপারদের দ্বারা তৈরি করা হয়। তাই, যখনই কোনও অ্যাপ ডাউনলোড করবেন, তখন অবশ্যই ভালো করে দেখে নিন যে অ্যাপটির ডেভেলপারের নাম পরিচিত কিনা। ৩। অ্যাপের Permissions দেখুন। ভুয়া অ্যাপগুলি প্রায়ই আপনার ফোনের অতিরিক্ত Permission চায়। তাই, যখনই কোনও অ্যাপ ডাউনলোড করবেন, তখন অবশ্যই ভালো করে দেখে নিন যে অ্যাপটি কোন Permission চায়। ৪। অ্যাপের রিভিউগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করুন। কোনো অ্যাপ ডাউনলোড করার আগে তার রিভিউগুলো পড়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। কারণ নকল বা ভুয়া অ্যাপে রিভিউ কখনো ভালো থাকে না। ৫। অ্যাপের ডাউনলোডের সংখ্যাকেও বিবেচনা করুন। যদি কোনো অ্যাপ ভুয়া থাকে তাহলে সেই অ্যাপের ডাউনলোড সংখ্যাও কম থাকবে। প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষই ডাউনলোডের সংখ্যা দেখে ডাউনলোড করেন। সঙ্গে রিলিজের সময়টাও দেখুন। ৬। অ্যাপের রেটিং দেখে নিন। আসল অ্যাপগুলোর রেটিং তুলনামূলক অনেক বেশি থাকে। ব্যবহারকারীরা যে অ্যাপগুলো ডাউনলোড করে উপকৃত হয় এবং রেটিং দিয়ে দেয়।
আরও দেখুন: iphone স্টোরেজ থেকে চিরতরে ফাইল মুছবেন যেভাবে

ফেসবুকের গেমিং অ্যাপ বন্ধ করছে মেটা

0

সবচেয়ে বড় ও জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের গেমিং অ্যাপ বন্ধ করে দিচ্ছে মেটা। এ বিষয়ে এরই মধ্যে ব্যবহারকারীদের জানাতে শুরু করেছে ফেসবুকের মালিকানা প্রতিষ্ঠানটি। কভিড-১৯ মহামারীর মধ্যে মানুষ মূলত ডিভাইস ও অনলাইন নির্ভর হয়ে পড়েছিল। অনলাইনে শিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি গেমিংও অন্যতম অবদান রেখেছে।

ইন-অ্যাপ নোটিফিকেশনে প্রতিষ্ঠানটি জানায় যে, আগামী ২৮ অক্টোবর থেকে আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের জন্য গেমিং অ্যাপ বন্ধ হয়ে যাবে। তবে গেমিংয়ের সুবিধা যে একেবারেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তা নয়। ব্যবহারকারীদের সার্চ রেজাল্টের তথ্য ডাউনলোডের সুবিধা দিচ্ছে।

২০২০ সালে গেমারদের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ডেডিকেটেড অ্যাপ চালু করে। মূলত টুইচইউটিউবের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতেই এ উদ্যোগ নেয় প্রতিষ্ঠানটি। অ্যাপের মাধ্যমে কনটেন্ট নির্মাতাদের ভিডিও স্ট্রিম দেখার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা কথোপকথন করতে পারে।

স্ট্রিমল্যাবস থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে, ২০২২ সালের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে ফেসবুক, টুইচ এবং ইউটিউবে গেম স্ট্রিমিং দেখার জন্য ব্যয় করা ঘণ্টার সংখ্যা ৮.৪ শতাংশ কমেছে। চলতি বছরের প্রথম এবং দ্বিতীয় প্রান্তিকে ফেসবুক গেমিং-এর দর্শক সবচেয়ে কম ছিল। পরিসংখ্যান বলছে, প্রথম প্রান্তিকে ৮০ কোটি ৩০ লাখ এবং দ্বিতীয় প্রান্তিকে ছিল ৫৮ কোটি।

আরও দেখুন
পাওয়ার ব্যাংক কেনার আগে যা জানতে হবে

ফেসবুকে নারী ব্যবহারকারী কমার কারণ কী

ফিচারের তথ্য নিজ থেকেই জানাবে হোয়াটসঅ্যাপ