Sunday, September 20, 2026
spot_imgspot_img
Home Blog Page 16

Adobe Software গুলোতে বাংলা ইউনিকোড ফন্ট আর ভাঙ্গবে না

Adobe Software -এ বাংলা ইউনিকোড ফন্ট সমস্যা সমাধানের উপায়

Adobe Software গুলোতে সহজে ইংরেজী লেখা গেলেও বাংলার ক্ষেত্রে যুক্ত শব্দগুলো লিখতে ভেঙ্গে যায়।  এতে বিজয় Classic Software -এ যুক্ত অক্ষর লেখা গেলেও ইউনিকোড লিখতে গেলে অক্ষর ভেঙ্গে যায়।

অ্যাডোবি সম্প্রতি ঘোষণা করেছে যে তাদের সমস্ত সফটওয়্যার এখন আর বাংলা ইউনিকোড ফন্ট ভেঙে ফেলবে না। এই পরিবর্তনটি বাংলাভাষী ব্যবহারকারীদের জন্য একটি বড় স্বস্তি, যারা দীর্ঘদিন ধরে এই সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। তবে এটা শুধু নতুন ভার্সনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

তবে যারা Adobe Photoshop, Premiere Pro, After Effects বা Illustrator-এর পুরাতন ভার্সন বা এ ধরণের সফটওয়্যার ব্যবহারের সময় অনেক ব্যবহারকারী বাংলা ইউনিকোড ফন্ট সংক্রান্ত সমস্যার সম্মুখীন হন। সমস্যাগুলো সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে:

  1. বাংলা ফন্ট ভেঙে যাওয়া (Broken Bengali Font)
  2. যুক্তবর্ণ সঠিকভাবে না দেখা (Incorrect Rendering of Ligatures)

এই সমস্যাগুলোর সমাধান পেতে নিচের নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করুন।


১. বাংলা ফন্ট সঠিকভাবে দেখানোর জন্য Unicode-Compatible ফন্ট ব্যবহার করুন

Adobe সফটওয়্যারে সঠিকভাবে বাংলা ফন্ট প্রদর্শনের জন্য অবশ্যই ইউনিকোড সমর্থিত ফন্ট ব্যবহার করতে হবে। কিছু জনপ্রিয় বাংলা ইউনিকোড ফন্ট হলো:

  • SutonnyMJ (Non-Unicode, তাই এড়িয়ে চলুন)
  • SolaimanLipi (✅ Recommended)
  • Nikosh (✅ Recommended)
  • Kalpurush (✅ Recommended)

সমাধান:
যদি ফন্টটি কাজ না করে, তাহলে নিশ্চিত করুন যে আপনি Unicode (UTF-8) Supported Font ব্যবহার করছেন। ফন্ট ডাউনলোড করে পুনরায় ইনস্টল করুন এবং সফটওয়্যারটি রিস্টার্ট করুন।


২. Middle Eastern & South Asian Composer Enable করুন (For Proper Rendering)

Adobe সফটওয়্যারে বাংলা ইউনিকোড ফন্ট কাজ না করলে Middle Eastern & South Asian Composer অপশন চালু করতে হবে।

এটি চালু করার পদ্ধতি (Photoshop, Illustrator, InDesign-এর জন্য)

  1. Edit > Preferences > Type-এ যান।
  2. Text Engine Options থেকে Middle Eastern & South Asian সিলেক্ট করুন।
  3. OK চাপুন এবং সফটওয়্যারটি রিস্টার্ট করুন।

এটি চালু করার পর বাংলা ফন্ট ভেঙে যাওয়ার সমস্যা অনেকাংশে সমাধান হয়ে যাবে।


৩. Adobe Premiere Pro-তে বাংলা ফন্ট সমস্যা সমাধান

Adobe Premiere Pro-তে বাংলা ফন্ট সঠিকভাবে প্রদর্শন না হলে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

  1. Essential Graphics Panel খুলুন।
  2. Text Tool (T) দিয়ে বাংলা টেক্সট লিখুন।
  3. ফন্ট যদি ঠিকভাবে না দেখায়, তাহলে SolaimanLipi, Nikosh বা অন্য ইউনিকোড ফন্ট সিলেক্ট করুন।
  4. Middle Eastern & South Asian টেক্সট কম্পোজার চালু করুন:
    • Graphics & Titles > Upgrade Legacy Title
    • অথবা Text Engine: South Asian নির্বাচন করুন।
  5. যদি যুক্তবর্ণ না দেখায়, তবে Legacy Title ফিচার ব্যবহার করে টেক্সট লিখে কপি-পেস্ট করুন।

৪. After Effects-এ বাংলা ফন্ট সমস্যা সমাধান

After Effects-এ বাংলা ইউনিকোড ফন্ট কাজ না করলে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

  1. Preferences > Type > South Asian and Middle Eastern অপশন চালু করুন।
  2. Paragraph Panel থেকে Right-to-Left (RTL) এনাবল করুন।
  3. Adobe World-Ready Paragraph Composer ব্যবহার করুন (Windows: Ctrl + Shift + Y, Mac: Cmd + Shift + Y)।

এটি করার পরেও যদি সমস্যা থাকে, তাহলে Notepad/Word-এ লেখা বাংলা টেক্সট কপি করে After Effects-এ পেস্ট করুন


৫. Windows-এ বাংলা ফন্ট ভেঙে গেলে কী করবেন?

Windows-এ বাংলা ফন্ট ভেঙে গেলে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

  1. Control Panel > Clock, Language, and Region > Language Preferences-এ যান।
  2. Add a language থেকে Bengali (Bangladesh) বা Bengali (India) যুক্ত করুন।
  3. Advanced Settings থেকে UTF-8 Encoding for Worldwide Language Support এনাবল করুন।
  4. Restart PC করুন এবং Adobe সফটওয়্যার আবার চালু করুন।

Adobe সফটওয়্যার ব্যবহার করে বাংলা ভাষায় কাজ করতে চাইলে Unicode ফন্ট, Middle Eastern & South Asian Composer, এবং World-Ready Paragraph Composer অপশন চালু করা জরুরি। যদি উপরোক্ত পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করেন, তাহলে বাংলা ইউনিকোড ফন্ট সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান সহজেই হয়ে যাবে।

আরো বিস্তারিত দেখুন

Photoshop

Adobe এর জনপ্রিয় প্রোডাক্ট গুলোর মধ্যে অন্যতম ফটোসপ। ছবি সম্পাদনার জন্য সারাবিশ্বে এক নামেই এর পরিচিতি।
Photoshop Menu > Edit > Preferences > Type
* World Ready Layout-এ টিক মার্ক দিয়ে OK করে ফটোসপ পুনরায় চালু করতে হবে।
এরপর Photoshop চালু করে Paragraph-এর Setting থেকে World Ready Layout কে Select করতে হবে
Bangla font correction

Illustrator

Adobe Illustrator হল একটি গ্রাফিক্স ডিজাইন সফটওয়্যার যা ভেক্টর-ভিত্তিক গ্রাফিক্স তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়। এটি লোগো, আইকন, গ্রাফিক্স, এবং অন্যান্য গ্রাফিক্স তৈরি করতে বহুল ব্যবহৃত একটি সফটওয়্যার।

ইলাস্ট্রেটরের ক্ষেত্রে বাংলা ইউনিকোড ভাঙ্গা ফন্ট ঠিক করতে
Illustrator Menu > Edit > Preferences > Type
Language Option থেকে
* Show Indic Option -এ টিক মার্ক দিয়ে OK করতে হবে।

After Effects

অ্যাডোবি আফটার ইফেক্টস হল একটি মোশন গ্রাফিক্স সফটওয়্যার যা চলচ্চিত্র, টেলিভিশন, এবং ওয়েব ভিডিওতে ভিজুয়াল ইফেক্টস তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।

আফটার ইফেক্টস এর ক্ষেত্রে
After Effects Menu > Edit > Preferences > Type Text Engine
* South Asian and Middle Eastern -এ টিক মার্ক দিয়ে OK করতে হবে।

Premiere Pro

প্রিমিয়ার প্রো ভিডিও এডিটরদের পছন্দের তালিকার ওপরের দিকের একটি সফটওয়ার। এমনকি হলিউডের বিগ বাজেটের সিনেমাও এই সফটওয়ারের মাধ্যমে এডিট করা হয়। আমাদের দেশে এর জনপ্রিয়তা অনেক। 

প্রিমিয়ার প্রো এর ক্ষেত্রে ফন্ট ঠিক করতে চাইলে
Premiere Pro Menu > Edit > Preferences > Graphics
Text Engine
* South Asian and Middle Eastern-এ টিক মার্ক দিয়ে OK করতে হবে।

** Menu থেকে সফটওয়ার অনুসারে টিক মার্ক দিয়ে Restart করে নিলেই সমস্যা সমাধান **

আপনার সমস্যা সমাধান হয়েছে কি না, তা কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না! 😊

Adobe Software গুলোতে বাংলা ইউনিকোড ফন্ট ভাঙ্গার সমাধান

আরও দেখুন
অনলাই মিটিং অ্যাপ গুলোর প্রো প্যাকেজ, কোনটির কত দা

পাওয়ার ব্যাংক কেনার আগে যা জানতে হবে

বর্তমান সময়ের স্মার্টফোনে বড় ব্যাটারি থাকলেও চলার পথে সেটিও ঠিক সবসময় ব্যাকআপ দিতে পারে না। তাই অনেকে জরুরি মুহূর্তে চার্জবিহীন অবস্থা থেকে বাঁচতে পাওয়ার ব্যাংক ব্যবহার করে থাকেন। বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পাওয়ার ব্যাংক পাওয়া যায়। প্রয়োজন অনুযায়ী এতে বিভিন্ন ফিচার থাকে। সেজন্য কষ্টের অর্থে প্রয়োজনীয় এ ডিভাইস কেনার আগে কিছু বিষয় জানতে হবে।

চার্জিং পোর্ট

পাওয়ার ব্যাংক ব্যবহারের ক্ষেত্রে চার্জিং পোর্টের সংখ্যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পাওয়ার ব্যাংকে যতগুলো পোর্ট থাকবে আপনি ততগুলো ডিভাইস চার্জ দিতে পারবেন।

ব্যাটারির পরিমাণ

ব্যাটারির পরিমাণ বা ক্যাপাসিটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এটি কেনার ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার স্মার্টফোনের ব্যাটারির দ্বিগুণ কী না সেটি যাচাই করে নিতে হবে। এছাড়াও আপনার স্মার্টফোনের মতোই যেন পাওয়ার ব্যাংকের ব্যাটারি ক্যাপাসিটি যেন মিলি অ্যাম্পিয়ার আওয়ার তালিকাভুক্ত থাকে। তাহলে অনেকদিন পর্যন্ত সার্ভিস পাওয়া যাবে।

চার্জিং ক্যাবল

একটা ভালো মানের চার্জার শুধু যে আপনার ডিভাইসটি দ্রুত চার্জ করতে পারে এমনটা নয়, আপনার ডিভাইসকে পাওয়া সংক্রান্ত যে কোনো সমস্যা থেকে রক্ষা করতে পারে এবং ওভারহিটিং থেকেও সুরক্ষিত রাখতে পারে। তাই পাওয়ার ব্যাংকের চার্জিং ক্যাবলটি যেন ভাল মানের হয় সেটিও লক্ষ্য রাখতে হবে।

ভালো মানের ব্যাটারি সেল

কথায় আছে, সস্তার তিন অবস্থা। প্রবাদ প্রবচন হলেও বাস্তব জীবনেও এটি কার্যকর। ভালো মানের ও ভালো ব্র্যান্ডের পাওয়ার ব্যাংক দীর্ঘদিন নিশ্চিন্তে ব্যবহার করা যাবে। তাই টাকার মায়া ত্যাগ করে ভালো জিনিস কেনাই ভালো। কেননা সস্তা ডিভাইসে যে ব্যাটারি সেল ব্যবহার করা হয়ে থাকে সেটি পরবর্তী সময়ে আপনার মোবাইলে বিরূপ প্রভাব ফেলবে।

নতুন প্রযুক্তি

ডিভাইসের চার্জিং স্ট্যাটাস অর্থাৎ আপনার ডিভাইস কতখানি চার্জ হলো তা বোঝাতে আজকাল অনেক পাওয়ার ব্যাংকেই থাকছে এলইডি ইন্ডিকেটর থাকে। স্বচ্ছ ও পরিষ্কার ইন্ডিকেটর আছে এমন পাওয়ার ব্যাংক পেলে কিনতে কার্পণ্য করবেন না।

পাওয়ার ব্যাংক কেনার সময় অবশ্যই সেটি চেক করে নিন, যে সেটির আউটপুট ভোল্টেজ আপনার ডিভাইস ম্যাচ করে। ডিভাইসের থেকে যদি পাওয়ার ব্যাংকের আউটপুট ভোল্টেজ কম হয়, তাহলে সেটি কাজ করবে না।

এছাড়াও নিশ্চিত করুন, চার্জারের অ্যাম্পিয়ার কাউন্ট এবং যে ডিভাইস চার্জ করা হবে, তা যেন ম্যাচ করে। অ্যাম্পিয়ার কাউন্টই হলো সেই কারেন্ট, যা চার্জার থেকে যে প্রডাক্ট চার্জ হবে, যা সাপ্লাই করা হয়। চার্জারের অ্যাম্পিয়ার কাউন্ট যদি কোনোভাবে বেশি হয়, তাহলে সমস্যা নেই। কিন্তু যদি কম হয়, তাহলে হয় ডিভাইস চার্জ করবে না বা খুবই ধীরে ডিভাইস চার্জ হবে। আর বিভিন্ন মডেলের ও দামে পাওয়ার ব্যাংক দেখুন এখানে

আরও দেখুন
আপনার অ্যানড্রয়েড ফোনের জন্য জরুরি কিছু কোড

ডিজিটাল ক্যামেরা উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে

0
একটা সময় ছবি তুলতে ও ভিডিও করতে ব্যবহার করা হত ফিল্ম ক্যামেরা। ক্যামেরা আবিষ্কারের পর এর রাজত্ব চলেছে দীর্ঘদিন। তবে প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় সে জায়গা দখল করে নেয় ডিজিটাল ক্যামেরা। মূলত, আকারে ছোট হওয়ায় ও ছোট মাপের মেমরি কার্ড থাকায় তা সহযেই বহনযোগ্য ছিল। যেকোনো ব্যক্তিগত ও পারিবারিক অনুষ্ঠান, পিকনিক, ভ্রমণে ডিজিটাল ক্যামেরার ব্যবহার ছিল সর্বত্র। কিন্তু  এক সময়ের সাড়া জাগানো এ ক্যামেরার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

কিন্তু কেন?

সম্প্রতি ডিজিটাল কম্প্যাক্ট ক্যামেরা উৎপাদন বন্ধ করে দেয়ার কথা জানিয়েছে জাপানি ক্যামেরা উৎপাদনকারী সংস্থা নাইকন ও প্যানাসনিক। বলা যায় এর অন্যতম প্রতিদন্দি মোবাইল বা সেলফোন। বর্তমান সময়ে এই সেলফোনই অনেক কিছুর স্থান দখল করে নিয়েছে। এতে যুক্ত হয়েছে উচ্চ রেজল্যুশনের ক্যামেরাও। ফলে খুব সহযেই টাচ ক্লিক করেই যেকোন অবস্থাতেই স্থির বা ভিডিও চিত্র ধারণ করা যাচ্ছে। আর এ কারণেই ধীরে ধীরে ডিজিটাল ক্যামেরার চাহিদা কমে যাচ্ছে। প্যানাসনিক জানায়, তারা ৫০ হাজার ইয়েন বা ৩৭০ ডলারের কম মূল্যের নতুন কোনো ক্যামেরা বাজারে আনবে না। বাজারে চাহিদার দিকে লক্ষ রেখে নাইকন সম্প্রতি মিররলেস সিঙ্গেল লেন্সের ক্যামেরার ওপর জোর দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি শক্তিশালী লেন্সের দুটো ক্যামেরাও এরই মধ্যে বাজারে এনেছে। অবশ্য এর আগে এসএলআর ক্যামেরা উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে তারা। প্রতিষ্ঠানটির একজন মুখপাত্র বলেন, পরবর্তী সময়ে স্মার্টফোনে সংযুক্ত হতে পারে এমন কোনো প্রযুক্তিসম্পন্ন মডেল আর তারা বের করবে না। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, বিশ্বজুড়ে কম্প্যাক্ট ক্যামেরার বাজার ২০০৮ সালের তুলনায় ৯৭ শতাংশ কমেছে। এর আগে ফুজি ফিল্ম তাদের ফাইনফিক্স কম্প্যাক্ট ক্যামেরা উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে ক্যাননও তাদের ইক্সি ক্যামেরা আর বাজারজাত করছে না। সম্প্রতি সনি তার সাইবারশট ও ক্যাসিও, এক্সিলিম ক্যামেরাগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। এদিকে ফটোগ্রাফি করতে যারা ভালোবাসে তাদের জন্য প্যানাসনিক আনছে চমক। জার্মান লেইকা ক্যামেরার সঙ্গে উচ্চমানের মিররলেস ক্যামেরা আনবে তারা। আরও দেখুন অ্যান্ড্রয়েডের ব্যাটারি চার্জ দেবেন যখন

iphone স্টোরেজ থেকে চিরতরে ফাইল মুছবেন যেভাবে

Android স্মার্টফোন থেকে সহজেই ছবি, ভিডিও বা ফাইল মুছে ফেলা গেলেও iphone থেকে কীভাবে এটি করা যায় সেটি অনেকরই অজানা। স্টোরেজ ফুল হয়ে গেলে এরপর শুরু হয় বিড়ম্বনা। ফলে নতুন কোনো ফাইল রাখার ফুসরত মেলে না। বিশেষ করে ছবি তোলার পর সেটি সংরক্ষণে সমস্যা তৈরি হয়।
স্টোরেজ কমে গেলে বা শেষ হয়ে গেলে সেলফোনও স্লো হয়ে যায়। এজন্য মাঝে মাঝে ফোনের অপ্রয়োজনীয় অ্যাপসহ স্টোরেজ খালি করে ফেলুন। আইফোনে মেমোরি কার্ড ব্যবহারের সুবিধা না থাকায় এই সমস্যা আরও গুরুতর হয়ে পড়ে। আইফোনের স্টোরেজ ফুল হয়ে গেলে বিরক্তিকর ‘স্টোরেজ অলমোস্ট ফুল’ নোটিফিকেশন দেখানো হয়।
চাইলে খুব সহজে iphone স্টোরেজ থেকে স্থায়ীভাবে ডাটা মুছে ফেলতে পারবেন। এজন্য প্রথমে আইফোনের সেটিংসে প্রবেশ করতে হবে। এরপর সেখান থেকে জেনারেল অপশনটি বেছে নিতে হবে। সেখান থেকে iphone রিসেট অপশনে যেতে হবে। এরপর ইরেজ অল কন্টেন্ট এ ক্লিক করতে হবে। এপর সেটিংসে ফিরে যেতে হবে।
আইফোনের স্টোরেজ খালি রাখতে অপ্রয়োজনীয় ও বড় অ্যাপগুলো মুছে ফেলতে হবে। ছবি ও ভিডিও অনেকখানি জায়গা দখল করে থাকে। তবে আইফোনের স্পেস খালি করতে সম্পূর্ণ ফটো লাইব্রেরি ক্লিন না করে, বেছে বেছে ছবি ডিলিট করাটা ভালো। এতে প্রয়োজনীয় ফাইল হারানোর ভয় থাকবে না।
সাফারি ও ক্রোমের ক্যাশ ক্লিয়ার করে আইফোনের স্টোরেজ খালি করা যায়। আবার মেসেজ এটাচমেন্ট ডিলিট করলেও অনেকখানি স্টোরেজ খালি হয়। অফলাইন যত কনটেন্ট আছে সব ডিলিট করে ফেলুন। গান, ভিডিও, পডকাস্ট অনেকেই ডাউনলোড করে রাখেন। সেগুলো দেখা শেষ হলে ডিলিট করে দিন। এতে আপনার আইফোনের স্টোরেজ অযথা ফুল হয়ে থাকবে না।
আরও দেখুন
পাওয়ার ব্যাংক কেনার আগে যা জানতে হবে

ফিচারের তথ্য নিজ থেকেই জানাবে Whats app

ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন নতুন ফিচার আনতে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে মেসেজিং প্লাটফর্ম Whatsapp। এতদিন ফিচারের বিষয়ে জানতে হলে বিভিন্ন প্রযুক্তি সংবাদ মাধ্যমের অপেক্ষায় থাকতে হতো। এবার এ অপেক্ষার পালা ফুরোচ্ছে। নতুন ফিচারের বিষয়ে নিজে থেকেই জানাবে হোয়াটসঅ্যাপ। এ লক্ষ্যে নতুন চ্যাটবট এনেছে মেটা মালিকানাধীন প্লাটফর্মটি। বর্তমানে বিশ্বে ২০০ কোটি গ্রাহক নিয়মিত হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় মেসেজিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ। শুধু ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদানই নয়, বরং অফিসের গুরুত্বপূর্ণ বার্তা কিংবা ফাইল শেয়ারও চলছে প্ল্যাটফর্মে। তাই প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ভালো করতে একের পর এক নতুন ফিচার নিয়ে আসছে মেটা। সম্প্রতি ওয়াবেটাইনফো প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে একটি স্ক্রিনশট শেয়ার প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে দেখা গিয়েছে যে, অ্যাপটিতে একটি ভেরিফায়েড চ্যাটবট থাকবে। এই চ্যাটবটের সাহায্যে কথোপকথনের তালিকার মাধ্যমে নতুন ফিচার সম্পর্কে জানা যাবে। শুধু তাই নয়, এর পাশাপাশি ওই চ্যাটবটের মাধ্যমে টিপস ও ট্রিকস এবং নিরাপত্তা ও সুরক্ষা সম্পর্কেও জানা যাবে। চ্যাটবট নিয়ে এখনো পরীক্ষানিরীক্ষা চালাচ্ছে Whatsapp। অর্থাৎ এখনো বেটা ভার্সনে আছে ফিচারটি। শিগগিরই এটি ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। Whatsapp প্ল্যাটফর্মে শুধু বিজনেস অ্যাকাউন্টগুলো আগে ভেরিফাই থাকলেও এবার চ্যাটবটও ভেরিফায়েডই থাকবে। তবে ব্যবহারকারীরা এই চ্যাটবটের কোনো রিপ্লাই বা উত্তর দিতে পারবে না। চ্যাটবটে আসা মেসেজগুলো নোটিফিকেশন আকারে আসবে।

Facebook থেকে নারী ব্যবহারকারীরা কেন মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন

0
Facebook, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ২০০৪ সালে কার্যক্রম শুরু করে। ধীরে ধীরে বিভিন্ন সুবিধা ও ফিচারের মাধ্যমে জনপ্রিয়তার শীর্ষে চলে আসে। বিশ্বে এ মাধ্যমটির ব্যবহারকারী বর্তমানে প্রায় ৩০০ কোটির কাছাকাছি। বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে চার কোটির বেশি। প্রতি মাসে গড়ে Facebook ব্যবহার করছেন ২৭০ কোটি মানুষ। তবে দিন দিন প্লাটফর্মটিকে নারী ব্যবহারকারীর সংখ্যা কমছে। এমনিতেও ২০২১ সালের শেষ তিন মাসে ১০০ কোটি ব্যবহারকারী হারিয়েছিল ফেসবুক। ১৮ বছরের ইতিহাসে যা প্রথম। যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তি জায়ান্টটির দাবি, ভারতে সবচেয়ে বেশি নারী ব্যবহারকারী কমার প্রবণতা দেখা দিয়েছে। তারা মনে করেন, পুরুষশাসিত সমাজের মতোই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও পুরুষশাসিত। ফলে এখানে নিজেদের বিপন্ন অনুভব করেন ভারতীয় নারীরা। নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা ক্ষুণ্ণ হওয়ার ভয়েই তারা ফেসবুক ছাড়ছেন। এছাড়াও ব্যবহারকারী কমার ক্ষেত্রে একটা বড় কারণ নগ্নতা। পাশাপাশি অ্যাপের নকশা সংক্রান্ত জটিলতা কিংবা সাক্ষরতাও বড় কারণ হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। অন্যদিতক যারা ভিডিও কনটেন্ট পছন্দ করেন, তাদের কাছে ক্রমশই ফেসবুকের প্রহণযোগ্যতা কমছে। এছাড়াও পারিবারিক বাধা ও হয়রানির কারণেও কমছে নারী ব্যবহারকারী। অন্যদিকে, অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহার বৃদ্ধিও ব্যবহারকারী কমার অন্যতম কারণ বলছে বিশেষজ্ঞরা। এ প্রসঙ্গে মেটার এক মুখপাত্র জানান, তাদের সংস্থা নিয়মিত ভাবে এ বিষয়ে গবেষণা করছে। কিন্তু সাত মাসের পুরনো একটা গবেষণাপত্র নিয়ে মাথা ঘামাতে রাজি নন তিনি। তার মতে, ফেব্রুয়ারি মাসের একটা প্রতিবেদন কারণে এশিয়ায় ফেসবুকের ব্যবসা নিয়ে এখনই কোনো মন্তব্য করা যাবে না। গবেষণা বলছে, ভারতে Facebook ব্যবহারকারীর সংখ্যা বিশ্বের মধ্যে সর্বাধিক। গত নভেম্বর পর্যন্ত ৪৫ কোটি ইউজার ফেসবুকে সক্রিয় ছিল। তবুও এদেশে ব্যবসা আরও বাড়াতে আগ্রহী মেটা। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই নারী ব্যবহারকারী কমার এ তথ্য প্রকাশ্যে এলো। ২০১৭ সাল থেকে ২০২০ এই চার বছরে লাফিয়ে বেড়েছে ফেসবুকের ইউজার সংখ্যা। তবে ২০২১ সালের শেষে এসে ১০০ কোটি ব্যবহারকারী হারিয়েছে সামাজিক যোগাযোগের বিখ্যাত মাধ্যমটি।

অ্যান্ড্রয়েডের ব্যাটারি চার্জ দেবেন যখন

অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন কেনার পর ডিভাইস ফুল চার্জ করার কথা শোনেন নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। আবার ব্যাটারি পুরোটা শেষ হলে চার্জ দিতে হবে নাকি ২০-৩০ পার্সেন্ট থাকলে চার্জ দেয়া যাবে এ নিয়ে একটা দ্বন্দ্ব চলমান। কারো মতে পুরো ব্যাটারি শেষ হলে চার্জ দেয়া ভালো। কারো মতে আগেও দেয়া যায়। তবে সম্প্রতি গবেষকরা দ্বিতীয় শ্রেণির মানুষদের পক্ষেই যুক্ত দিয়েছেন। গবেষকদের ভাষ্যমতে, ব্যাটারি পুরোপুরি শেষ হওয়ার পর সেটি পুনরায় চার্জ দেয়া স্মার্টফোনের জন্য ক্ষতিকর। তাই ব্যাটারিতে কিছু চার্জ থাকতেই চার্জিংয়ে বসানো ভালো। এটি ব্যাটারি স্বাস্থ্যের জন্য উপকারিও। পুরো ব্যাটারি খালি করে চার্জ দেয়ার মাধ্যমে গুণগত মান ধরে রাখা যায় এমন একটি প্রবাদ ছিল। তবে সেটির আর ভিত্তি রইল না। বর্তমানে যেসব ব্যাটারি সেলফোনে ব্যবহার করা হয় সেগুলোতে লিথিয়াম আয়ন সেল ব্যবহার করা হয়। সেই সঙ্গে এতে থাকা রাসায়নিক পদার্থগুলো প্রতিবার ফুল চার্জ দেয়ার কারণে স্থায়িত্ব হারাতে থাকে। আর এটি ডিভাইসটি মোট কয়বার ফুল চার্জ দেয়া হয়েছে তার ওপর নির্ভর করে। সাধারণ ব্যবহারে একটি ব্যাটারির স্থায়িত্ব বা মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে ৪০০-৫০০ বার চার্জিং সাইকেল পূরণ করতে পারে। স্মার্টফোনের ব্যাটারির স্থায়িত্ব বাড়াতে চাইলে প্রথমত চার্জ রেখে চার্জিংয়ে বসাতে হবে। ব্যাটারি পুরোপুরো খালি করে চার্জ দেয়া যাবে না। এছাড়াও স্মার্টফোনকে উচ্চ তাপমাত্রা থেকে, সরাসরি দীর্ঘ সময় সূর্যের আলোর নীচ থেকে দূরে রাখতে হবে। আরো দেখুন- থ্রিডি কন্টেন্ট দেখার সুবিধা দিতে নতুন স্মার্টফোন এনেছে এইচটিসি

থ্রিডি কন্টেন্ট দেখার সুবিধা দিতে নতুন স্মার্টফোন এনেছে এইচটিসি

0

স্মার্টফোনে থ্রিডি কন্টেন্ট দেখার সুবিধা দিতে নতুন স্মার্টফোন এনেছে এইচটিসি। ডিজায়ার ২২ প্রো নামে এটি আনা হয়েছে।

ডিসপ্লে

ডিজায়ার ২২ প্রো ৬.৬ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস ডিসপ্লে দেয়া হয়েছে। যার রেজল্যুশন ১০৮০*২৪১২ পিক্সেল। রিফ্রেশ রেট ১২০ হার্টজ।

প্রসেসর- অপারেটিং সিস্টেম

এইচটিসি ডিজায়ার ২২ প্রোতে কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন ৬৯৫ ফাইভজি প্রসেসর দেয়া হয়েছে। অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে রয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ১২।

র‌্যাম-রম

ডিভাইটিতে ৮ জিবি র‌্যাম ও ১২৮ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ দেয়া হয়েছে। ফলে স্টোরেজ নিয়ে বাড়তি চিন্তা করতে হবে না।

ক্যামেরা

ডিভাইসটিতে ৬৪ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি, ১৩ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা-ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স, ৫ মেগাপিক্সেলের ডেপথ ও সামনে ৩২ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা রয়েছে।

রঙ

যুক্তরাজ্যের বাজারে কালো রঙে স্মার্টফোনটি পাওয়া যাবে।

ব্যাটারি

ডিভাইসটিতে ৪ হাজার ৫২০ মিলি অ্যাম্পিয়ার আওয়ারের ব্যাটারি, ১৮ ওয়াটের কুইক চার্জ ভার্সন ৩-ও রয়েছে। পাশাপাশি এতে ওয়্যারলেস ও রিভার্স চার্জিং প্রযুক্তিও রয়েছে।

মূল্য

ভারতের বাজার হিসেবে এর মূল্য সাড়ে ৩৮ হাজার রুপির কাছাকাছি হতে পারে। বাংলাদেশের বাজারে আসলে এর দাম ৪০-৪৫ হাজারের মধ্যে হতে পারে। তবে সে বিষয়ে আপাতত কোনো তথ্য নেই।

Birthday of Bangladeshi Stars বাংলাদেশী তারকাদের জন্মদিন

Birthday of Bangladeshi Stars | বাংলাদেশের তারকাদের জন্মদিন তালিকা

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র, নাটক, সংগীত ও মিডিয়া জগতের তারকারা আমাদের সংস্কৃতি ও বিনোদনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ভক্তরা সবসময়ই জানতে আগ্রহী থাকেন প্রিয় অভিনেতা, অভিনেত্রী, গায়ক বা অন্যান্য সেলিব্রিটিদের জন্মদিন কবে। এই Birthday of Bangladeshi Stars আর্টিকেলে আমরা বাংলাদেশের জনপ্রিয় ও আলোচিত তারকাদের জন্মদিনের একটি সুসংগঠিত তালিকা তুলে ধরেছি। এখানে আপনি সহজেই জানতে পারবেন কোন তারকার জন্মদিন কোন তারিখে, যা ভক্তদের শুভেচ্ছা জানানো কিংবা তথ্য সংগ্রহের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

জানুয়ারি (January)

১ জানুয়ারি- আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল, সালমা
৪ জানুয়ারি- মিশা সওদাগর, চম্পা, ফাহমিদা নবী
৫ জানুয়ারি- ইরফান সাজ্জাদ
৭ জানুয়ারি- আঁখি আলমগীর
১১ জানুয়ারি- রুনা খান
১৩ জানুয়ারি- রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, দিলদার
১৫ জানুয়ারি- শমী কায়সার, জাকির হোসেন রাজু
১৮ জানুয়ারি- হৃদয় খান
২০ জানুয়ারি- নোবেল
২৩ জানুয়ারি- নায়ক রাজ রাজ্জাক
২৪ জানুয়ারি- সালাহ উদ্দিন লাভলু
২৭ জানুয়ারি- দেবাশিষ বিশ্বাস, অর্নব

ফেব্রুয়ারি (February)

২ ফেব্রুয়ারি- আরেফিন শুভ
৪ ফেব্রুয়ারি- বাপ্পা মজুমদার
১৪ ফেব্রুয়ারি- শাফিন আহমেদ
১৩ ফেব্রুয়ারি- প্রভা
১৫ ফেব্রুয়ারি- কাজী হায়াত
২০ ফেব্রুয়ারি -আব্দুন নূর সজল , নুসরাত ইমরোজ তিশা
২১ ফেব্রুয়ারি- সোহেল রানা
২৮ ফেব্রুয়ারি – আজম খান, শম্পা হাসনাইন

মার্চ (March)

২ মার্চ- গোলাম মোস্তফা
৩ মার্চ- রায়হান রাফি
৮ মার্চ – তানভীর মোকাম্মেল
৯ মার্চ – তরুন মুন্সী
৫ মার্চ – তানিয়া বৃষ্টি
১২ মার্চ – ফখরুল বাশার মাসুম, জেফার
১৩ মার্চ- আকরাম খান
১৪ মার্চ- শবনম ফারিয়া
১৬ মার্চ- সুমিত সেন গুপ্তা, সামিয়া সাঈদ
১৮ মার্চ-নকিব খান
২০ মার্চ- মোহাম্মদ শোয়েব, রেজওয়ান শেখ
২১ মার্চ – মারিয়া নূর
২৩ মার্চ – বিপাশা হায়াত, সৈয়দ ওয়াহিদুজ্জামান ডায়মন্ড
২৫ মার্চ- আসিফ আকবর
২৬ মার্চ- মৌটুসী বিশ্বাস, তানহা তাসনিয়া
২৭ মার্চ – পার্থ মজুমদার, অনন্য মামুন
২৮ মার্চ – শাকিব খান
২৯ মার্চ – সিয়াম আহমেদ
৩১ মার্চ – দিতি

এপ্রিল (April)

১ এপ্রিল- বৃষ্টি ইসলাম, সিয়াম নাসির,সুমা আফরোজ
৩ এপ্রিল- আলমগীর, রোকেয়া প্রাচী
৮ এপ্রিল- মাসুমা রহমান নাবিলা
১১ এপ্রিল- সাব্বির আহমেদ
১৪ এপ্রিল- আফ্রি সেলিনা আফ্রি
১৫ এপ্রিল- কনা
১৮ এপ্রিল – সন্ধি
১৯ এপ্রিল- মেহজাবিন
২১ এপ্রিল- আমব্রিন
২২ এপ্রিল- রুবাইয়াত মাহামুদ
২৬ এপ্রিল – তাসনুভা এলভিন
২৭ এপ্রিল- প্রসুন আজাদ

মে (May)

১ মে- হুমায়ূন সাধু
২ মে– মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
৫ মে- মমতাজ, অধরা খান
৬ মে- ওমর সানী
৮ মে- কর্ণিয়া
৯ মে- ইমেল হক
১০ মে –তৌসিফ আহমেদ, একে আজাদ আদর
১১ মে – আদনান আল রাজীব, রাবা খান
১৫ মে- মিথিলা
১৪ মে- রিপন নাগ
১৬ মে- সুমন আনোয়ার
১৯ মে- মুকিত জাকারিয়া, এফ এ সুমন
২০ মে- আমান রেজা
২১ মে- নাফিসা কামাল ঝুমুর
২২ মে- সিফাত শাহরিন
২৩ মে- বিপাশা কবির
২৭ মে- সাবিলা নূর, এবিএম সুমন
২৯ মে- হুমায়ূন ফরিদী
৩১ মে- আনজাম মাসুদ, নাভিদ পারভেজ

জুন (June)

১ জুন– কুমার বিশ্বজিৎ, চঞ্চল চৌধুরী
৯ জুন- নিপুন
১২ জুন- লিয়ানা লিয়া
১৩ জুন- মনোজ কুমার, নোলক কুমার
১৫ জুন- শাবানা, গাজী রাকায়েত, ডিপজল
২১ জুন- সাদিয়া ইসলাম মৌ
২২ জুন- শায়ায়াত মনসুর রানা
২৭ জুন- জিয়াউল ফারুক অপূর্ব
৩০ জুন – সৈয়দ আবদুল হাদী, জয়া আহসান

জুলাই (July)

১ জুলাই – অটোমনাল মুন, লুৎফুর রহমান জর্জ,
২ জুলাই- নিরব হোসেন, বেলাল খান, তমালিকা কর্মকার
৬ জুলাই- সালহা খানম নাদিয়া
৭ জুলাই- সাব্বির জামান
৯ জুলাই- কবরী, আবুল হায়াত
১১ জুলাই-পূর্ণিমা, এস এ হক অলীক
১৪ জুলাই- তানিম রহমান অংশু, ফাতেমা জাহাঙ্গির জলি
১৭ জুলাই- প্রিন্স মাহামুদ
১৮ জুলাই- উর্মিলা শ্রাবন্তী কর
১৯ জুলাই- আফজাল হোসেন
২৪ জুলাই- শাহরিয়ার রাফাত
৩০ জুলাই- ববিতা

অগাস্ট (August)

১২- আহমেদ শরীফ
১৭ আগষ্ট – শাহেদ আলী
১৮ -নায়ক ফারুক, ববি
২০- পূজা চেরী
২২ – মোশাররফ করিম
২৪- ইমরাউল রাফাত
২৬- আশফাক নিপুন
২৯- সাফা কবির
৩০- সাইমন সাদিক

সেপ্টেম্বর (September)

১- রওনক হাসান
৪- এলিটা করিম
২- মিষ্টি জান্নাত
১০- পপি, শাহরিয়াজ হোসেন
১১- জ্যোতিকা জ্যোতি
১৮- ফারহান আহমেদ জোভান
১৯– সালমান শাহ
২৫ – জাফর ইকবাল
২৮- ইফতেখার আহমেদ ফাহমী
২৯- বুলবুল বিশ্বাস

অক্টোবর (October)

১ অক্টোবর- অমিতাভ রেজা চৌধুরী
২- জেমস
৪- জাহিদ হাসান
৫- মোনালিসা
১০- মাসুদ হাসান উজ্জল
১১ অক্টোবর – অপু বিশ্বাস
১২ অক্টোবর- মেহের আফরোজ শাওন, গীতিকার আসিফ ইকবাল, সোহানা সাবা, মৌসুমী হামিদ, সাবরিনা সুলতানা কেয়া, নাদিয়া আফরিন মিম
১৫- হাবিব ওয়াহিদ
১৮- তাহসান রহমান খান
২০- রেদওয়ান রনি
২২ – সাজু খাদেম
২৩- মাহফুজ আহমেদ, মাবরুর রশীদ বান্নাহ
২৪ – সানজীদা আনোয়ার প্রীতি , পরীমনী
২৫- শখ
২৬ – রিয়াজ
২৭ – মাহিয়া মাহি, তৌসিফ মাহাবুব, সেরা জামান
২৮ – আজমেরী হক বাধন, সাজ্জাদ রেজা , মিশু সাব্বির, সমাপ্তি মাশুক
৩১ – আসাদুজ্জামান নূর, আহসান হাবিব নাসিম

নভেম্বর (November)

৩- শাকিল খান, মৌসুমী
৬- আলী যাকের, ইরেশ যাকের
৮ – শ্যামল মাওলা, জিয়াউল রোশান
১০– বিদ্যা সিনহা মীম
১১ – রবিউল ইসলাম জীবন
১৩- হুমায়ূন আহমেদ, পারসা ইভানা
১৫ – মানাম আহমেদ
১৭ –মিজু আহমেদ, আহমেদ হুমায়ূন
২০– শবনম বুবলি, সাজ্জাদ সুমন
২১ –ইফতেখার চৌধুরী,
২৪- মিশু চৌধুরী
২৬ – তানহা তাসনিয়া , সীমান্ত আহমেদ,
২৭- অঞ্জন জাহিদুর রহিম (পরিচালক), শুভ (ডি রকস্টার)
২৯- মিজানুর রহমান আরিয়ান (পরিচালক)

ডিসেম্বর (December)

১- চয়নিকা চৌধুরী , রম্য খান
২- সুবর্ণা মুস্তফা, সাজ্জাদ হোসেন দোদুল
৩- তানজীব সরোয়ার, প্রিয়া আমান
৪- মেজবাউর রহমান সুমন
৬- মান্না
৭- শারমীন জোহা শশী
৮- আফরান নিশো, নাইরুজ সিফাত,
১৬ ডিসেম্বর – মাহামুদুন্নবী
১৭ ডিসেম্বর -শাবনুর
২৪- ইলিয়াস কাঞ্চন

বাংলাদেশি তারকাদের জন্মদিন জানার আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে, বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়া ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। এই Bangladeshi Stars Birthday List আর্টিকেলটি আপনাকে এক জায়গায় নির্ভরযোগ্য ও আপডেট তথ্য প্রদান করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। আশা করি এই তালিকা আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহে সহায়ক হবে এবং প্রিয় তারকাদের জন্মদিন স্মরণ রাখতে সাহায্য করবে। ভবিষ্যতে নতুন তারকা বা তথ্য যুক্ত হলে এই আর্টিকেলটি নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে।

আরো দেখুন

Gigabyte Z690 Aurus Elite AX DDR5 RAM- নতুন মাদারবোর্ড সাথে wifi6 (ভিডিওসহ)

Gigabyte Z690 Aurus Elite AX

মাদারবোর্ড জগতে গিগাবাইট একটি জনপ্রিয় নাম। ইন্টেলের বিভিন্ন প্রজন্মের প্রসেসর ঘোষণা হওয়ার পরেই টেক প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন নতুন মাদারবোর্ড তৈরির প্রতিযোগীতায় নেমে পরে। ইন্টেলের সর্বশেষ 12 জেনারেশনের প্রসেসর সিরিজের জন্য গিগাবাইটও অনেক মাদারবোর্ডের ডালি সাজিয়েছে। ডিডিআর 4 এবং 5 র‌্যামের সংস্করণের মাদারবোর্ড তৈরি করছে গিগাবাইট। তবে ডিডিআর5 র‌্যাম সর্বশেষ প্রযুক্তির হলেও ডিডিআর৪ মাদারবোর্ডের দামের ক্ষেত্রে খুব বেশি একটা পার্থক্য নেই। আজ থাকছে গিগাইটের গেমিং সিরিজের একটি মাদারবোর্ডের আদ্যপান্ত।
Gigabyte Z690 AORUS ELITE AX।

এ মাদারবোর্ড ইন্টেলের দ্বাদশ প্রজন্মের Core Series-এর প্রসেসর সাপোর্ট করলেও মূলত আনলকড্‌ প্রসেসর গুলোর জন্য বিশেষভাবে তৈরি। এটি ডিডিআর 5 র‌্যাম সমর্থন করে। Z690 AORUS গেমিং মাদারবোর্ড হল গেমিং প্ল্যাটফর্মের রাজা, শক্তিশালী পাওয়ার ডেলিভারি এবং উন্নত থার্মাল ডিজাইনের কারণে সম্পূর্ণ মেমরি ওভারক্লকিং সাপোর্ট করে। সাথে আছে দ্রুতগতির 2.5জি ল্যান এবং তার বিহীন ওয়াইফাই ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধা।

UNBOXING

বেশ ভারী এ প্যাকেটের সবার উপরে AORUS ব্যান্ডিং নিচের দিকে z690 AORUS ELITE AX লেখা। এরপর লেখা গেমিং মাদারবোর্ড সাথে এলজিএ 17০০, অর্থাৎ এটি ইন্টেলের ১৭০০ সকেট এবং DDR 5 RAM সমর্থন করে। ডানে PCIe 5 একেবারে নিচে Intel 12th get core prosessor, চিপসেট এবং Gigabyte branding। পেছনে সবার ওপরে ব্র্যান্ডিং এবং ক্রমান্বয়ে VRM সম্পর্কিত কিছু তথ্য, মাদারবোর্ডের কিছু গুরুর্তপূর্ণ ফিচার এবং wifi এর সম্পর্কে বর্ণনা….

  • প্যাকেট খুললেই প্রথমে আছে মাদারবোর্ডটি এরপর
  • একটি কুইক ইনস্টলেশন গাইড
  • একটি সুদৃশ্য Aorus স্টিকার
  • একটি ইউজার ম্যানুয়াল
  • একটি ওয়াইফাই এন্টেনা
  • High Speed দুইটি সাটা কেবল
  • 4 টি M.2 screw এবং
  • ১টি G কানেক্টর যা দিয়ে ক্যাবিনেটের Front Panel কেবলগুলো খুব সহজেই মাদারবোর্ডে কানেক্ট করা যায়।

এবার হয়ে যাক এ মাদারবোর্ডের চুলচেরা বিশ্লেষণ

গিগাবাইটের মাদারবোর্ডটি ATX ফর্ম ফ্যাক্টর যার দৈর্ঘ্য দৈর্ঘ্য 30 দশমিক 5 সেন্টিমিটার এবং প্রস্থে 24.5 সেন্টিমিটার। এ বোর্ডে রয়েছে 16+1+2 Twin Hybrid Phases Digital power ডিজাইন যা নিশ্চিত করে সর্বোচ্চ শক্তি ও দক্ষতা। বোর্ডকে ঠান্ডা রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে বড় মাপের সিলভার ও ব্ল্যাক মসফ্যাট হিটসিংক যা এর IO প্যানেল cover করে আছে। এর ওপরে AORUS argb নিয়ন লোগো এর সৌন্দর্য আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। নিচের অংশে চিপসেট ও M.2 স্লট গুলোও মোটা হিটসিংক দিয়ে আবৃত।

Processor Support

Intel Z690 Express chip সেটের এ মাদারমোর্ড 12 প্রজন্মের কোর i9, i7, i5, i3, Pentium gold ও Celeron processor সমর্থন করে।

RAM Support

DDR 5 র‌্যাম সাপের্টেড এ বোর্ডে র‌্যাম ‍স্লট আছে 4টি যা Dual Channel memory Architecture এ তৈরি। সাপোর্ট করে 4800Mhz থেকে সর্বোচ্চ 6000Mhz এর 128gb পর্যন্ত DDR5 Ram। আর র‌্যাম স্লটগুলোতে‍ Ultra Durable Memory Armor থাকায় বেশ মজবুত।

Storage Support

এ বোর্ডে স্টোরেজ ব্যবহার করতে পারবেন ইচ্ছেমত। বোর্ডটিতে আছে 4টি আলট্রা Fast PCIe 3/4 সমর্থিত NVMe স্লট এবং ৬টি 6GB/s Sata Port।

Onboard Connector:

  • মাদারবোর্ডের একবারে ওপরে CPU এর জন্য আছে 4+8 পিন ATX 12v power connector,
  • ১টি CPU optional connector,
  • ১টি CPU fan header connector,
  • ১টি Addressable RGB header,
  • ১টি 4 pin ARGB LED Header,
  • ডানে 24 pin ATX main power socket connector
  • USB 3.2 Gen1 header
  • USB 3.2 gen 2 Type C Header
  • Status Led
  • Thunderbolt add in card connector
  • ৬টি 6GB/s Sata connector
  • এবং reset button/jumper
  • একেবারে নিচের অংশে ডান থেকে Front Pannel Header,
  • System fan/Water pump header
  • ৩টি System fan header
  • Q flash + Button
  • USB 2.0 এবং 1.0 Header
  • Trusted platform module
  • RGB LED Strip header
  • Addressable LED Header এবং
  • Front Panel Audio Header
  • Graphics Card এবং অন্যান্য PCIe ডিভাইসের জন্য রয়েছে সর্বশেষ প্রযুক্তির Ultra Durable Armor সমৃদ্ধ ১টি PCIe 5 connector, ও ২টি PCIe 4 connector.

Gigabyte Z690 Aurus Elite AX

Audio

High Definition Audio এর জন্য এ বোর্ডে ব্যবহার করা হয়েছে Realtek ALC 1220VB Audio IC । যা আপনার গেমিং অনুভুতিকে নিয়ে যাবে অন্য মাত্রায়। তাছাড়া এ চিপসেট বিভিন্ন ধরণের Headphone শনাক্ত করে সেই অনুসারে শব্দ প্রদানে সক্ষম। আর VB series Audio controller মাইক্রোফেনের ক্ষমতা বাড়িয়ে উন্নত Streaming এ সহায়তা করে। 7.1 Channel এর SPDIF High Definition Digital Audio এক কথায় চমৎকার

Thermal control

গেমিং মাদারবোর্ড হওয়ায় এতে বেশ বড় ও উন্নত মানের MOSFET হিটসিংক ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিটি M.2 ছকেটকে আবৃত করতে ব্যবহার করা হয়েছে Thermal Guard 2 এছাড়া 2x Copper PCB হওয়ায় বোর্ডের তাপমাত্রা বেশ নিয়ন্ত্রনেই থাকবে।

Connectivity

বোর্ডর 6 টি থার্মাল সেন্সর ও 6 টি PWM/DC ফ্যান হেডার এর মাধ্যমে ব্যবহৃত ফ্যানগুলো তাপমাত্রা অনুসারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু ও বন্ধ হয়।

দ্রুতগতিসম্পন্ন 2.5 GbE LAN connection এবং Built in WIFI 6 এর মাধ্যমে এর মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার আরও সহজ ও গতিময় হবে।
Gigabyte দাবি করছে এর আগের তুলনায় এ ওয়াই ফাই 6 সাড়ে পাঁচ গুণ বেশি গতিসম্পন্ন।
এর সাথে যুক্ত আছে Bluetooth5। এতে Bluetooth সাপোর্টেড বিভিন্ন ডিভাইস কানেক্ট করা যাবে খুব সহজেই।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ফিচার ইউএসবি 3.2 Get 2×2 টাইপ সি পোর্ট। গিগাবাইট বলছে এতে সর্বোচ্চ 20 জিবিপিএস পর্যন্ত গতিতে ডাটা ট্রান্সফার করা যাবে।

RGB FUSION

গেমিং মাদারবোর্ড আর লাইটিং থাকবে না তা কি তা কি হয়। RGB Fusion 2 সফটওয়ারের মাধ্যমে মাদারবোর্ডের argb লাইট ও এর সাথে সংযুক্ত বিভিন্ন rgb ও argb পেরিফেরাল লাইট নিয়ন্ত্রণ ও বিভিন্ন ইফেক্ট দেওয়া যাবে।

Special Feature

Easy Tune সফটওয়্যার এর মাধ্যমে খুব সহজে CPU ও RAM over clock সহ পাওয়ার ম্যানেজ করা যায়। তাছাড়া System Information Viewer এর মাধ্যমে Computer এর সকল কার্যক্রম real-time মনিটর করা যায়।
এই ছিল গিগাবাইট মাদারবোর্ড এর আদ্যোপান্ত। এ মাদারবোর্ড সম্পর্কে আরো কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করুন ।

এক নজরে Gigabyte Z690 Aurus Elite AX:

  • Supports 12th Gen Intel® Core™ Series Processors
  • Dual Channel Non-ECC Unbuffered DDR5, 4 DIMMs
  • 16*+1+2 Twin Hybrid Phases Digital Power Design with 60A DrMOS and Tantalum Polymer Capacitor
  • DDR5 XTREME MEMORY Design with SMD DIMM and Shielded Memory Routing
  • Fully Covered Thermal Design with High Coverage MOSFET Heatsinks
  • WIFI 6 802.11ax 2T2R & BT5 with AORUS Antenna
  • AMP-UP Audio with ALC1220 and WIMA Audio Capacitors
  • Fast 2.5GbE LAN with Bandwidth Management
  • 4 x Ultra-Fast NVMe PCIe 4.0/3.0 x4 M.2 with Enlarged Thermal Guards
  • SuperSpeed USB 3.2 Gen2x2 TYPE-C® delivers up to 20Gb/s transfer speeds
  • RGB FUSION 2.0 with Multi-Zone Addressable LED Light Show Design, Support Addressable LED & RGB LED Strips
  • Smart Fan 6 Features Multiple Temperature Sensors , Hybrid Fan Headers with FAN STOP
  • Q-Flash Plus Update BIOS without Installing the CPU, Memory and Graphics Card
  • 8+8 phases parallel power design

মূল্য: ৩৩,৫০০ টাকা।
মূল্য যেহেতু আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে পরিবর্তনশীল তাই যে কোন সময় এর পরিবর্তত হতে পারে। তাই সর্বশেষ আপডেট জানুন এই লিংক থেকে।