Sunday, September 20, 2026
spot_imgspot_img
Home Blog Page 17

DDR5 RAM -এর দাম কমতে শুরু করেছে

12th জেনারেশনের ইন্টেল প্রসেসর গুলো বাজারে আসার পর থেকেই ddr5 ram এর জন্য হাহাকার তৈরি হয়েছে। যদিও দ্বাদশ প্রজন্মের এ প্রসেসরগুলো ডিডিআর ৪ র‌্যাম সাপোর্ট করে, তারপরও নতুন প্রযুক্তির পণ্যে ক্রেতাদের আগ্রহ একটু বেশি থাকে। বর্তমানে ddr5 ram বাজারে আসতে শুরু করলেও দাম আকাশচুম্বী।

তবে বাংলাদেশের বাজারে এখন এসব র‌্যাম ধীরে ধীরে সহলেভ্য হচ্ছে। দেশে এখন করসেয়ার, এডাটা, গেইল, গিগাবাইট, জি স্কিল,  জিলসহ আরো অনেক ব্র্যান্ডে র‌্যাম পাওয়া যায়। এসব র‌্যাম সাধারণ, হিটসিংক ও আরজিবি ভার্সনে পাওয়া যায়।

বাংলাদেশে DDR5 র‌্যামের সর্বশেষ দাম

Brand

Model

Speed

Capacity

Price (Taka)

Adata

 

4800 MHz

16 GB

12,900

Team

ELITE

4800 MHz

16 GB

14,500

Team

VULCAN

5200 MHz

16 GB

22,000

Team

DELTA (RGB)

6200 MHz

16 GB

27,000

Corsair

VENGEANCE

4800MHz

16 GB

17,000

Corsair

VENGEANCE

5200 MHz

16 GB

18,000

Corsair

DOMINATOR PLATINUM (RGB)

5200 MHz

16 GB

19500

GeIL

POLARIS RGB

4800 MHz

16 GB

22,000

GeIL

VULCAN

5200 MHz

16 GB

22,000

সূত্র: স্টারটেক

আন্তর্জাতিক বাজারে কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের মূল্যে পরিবর্তন হচ্ছে প্রতিনিয়ত, তাই কেনার আগে আপডেট লিস্টটি দেখে নিন।

আরও দেখুন

DDR4 মেমরি সাপোর্টেড Gigabyte B660 GamingX মাদারবোর্ড আসছে



স্বল্প মূল্যের 12th genaration প্রসেসরের মূল্য ফাঁস

সম্প্রতি দ্বাদশ প্রজন্মের K সিরিজের কয়েকটি প্রসেসর বাজারেে উন্মুক্ত করেছে টেক জায়ান্ট ইন্টেল। এ প্রসেসরগুলো কর্মক্ষমতায় একটু এগিয়ে থাকে। তাই Non-K প্রসেসরের তুলনায় এগুলোর দাম একটু বেশি হয়।  তবে বাজারে স্বল্পমূল্যের লকড্‌ প্রসেসরের চাহিদাই থাকে বেশি।

তবে কবে এ প্রসেসরগুলো বাজারে আসবে তা ইন্টেল না জানালেও ফাঁস হওয়া তথ্যে ২০২২ সালের ৪জানুয়ারি ঘোষনা হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

12th gen Core i3 12100,Core i5 12400সহ বেশ কিছু মডেলের প্রসেসরের পাশাপাশি লিক হয়েছে এর মূল্যও।

যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত একটি অনলাইন রিটেইলের লিকড্ স্ক্রিনশটে দেখা গেছে এর মডেল ও মূল্য।

Processor Model Price (Dollar) Price (Taka)

12th gen Processor price:
Pentium G6900: 60 Dollar
SKU G7400: 80 Dollar
Core i3 12100f: 110 Dollar
Core i3 12100: 140 Dollar
Core core i5 12400f: 180 Dollar
Core core i5 12400: 210 Dollar
Core i5 12500: 220 Doallar
Core i5 12600: 240 Dollar
Core i7 12700: 360 Dollar
Core i9 12900f: 510 Dollar
Core i9 12900: 530 Dollar

দেশী ইঁদুর! Walton Gaming Mouse

0

WALTON Gaming Mouse

দেশীয় ব্র্যান্ড ওয়ালটন। দেশের বাজারে নিত্য নতুন ইলেক্ট্রিক ও ইলেক্ট্রনিক্স পণ্য নিয়ে হাজির হচ্ছে প্রতিনিয়ত। বেশ কিছুদিন হল তারা কম্পিউটার সামগ্রী তৈরি শুরু করেছে। এর মধ্যে গেমিং মাউস অন্যতম। বলা যায় দেশের বাজারে সবচেয়ে কম দামের গেমিং মাউস ওয়ালটনই অফার করে।

 মডেল Walton WMG004WB, সাদা ও ধুসর রঙের মিশ্রনের মাউসটির দাম মাত্র ৪৬০ টাকা।

আকারে বেশ বড় হলেও ডিপিআই ৮০০ থেকে ২৪০০ হওয়ায় গতি বেশ ভালো বলা যায়। তবে হার্ডকোর গেমারদের ক্ষেত্রে এ গতি একটু কম মনে হলেও সাধারণ ব্যবহারকারী ও অপেশাদার গেমাদের ক্ষেত্রে বেশ ভালোই বলা যাবে।

গেমিং বলতেই এখন আরজিবি অর্থাৎ বিভিন্ন রঙের লাইটের সমারহ। এ মাউসটিতেও থাকছে কয়েকটি রঙের আলোর এফেক্ট। তবে সয়ংক্রিয় ভাবে আলো পরিবর্তন হয় না, ওপরে অবস্থিত ছোট একটি বাটনের মাধ্যমে রং পরিবর্তন করা যায়।

মোট বাটন সংখ্যা ৬। স্পোশাল হিসেবে আছে ব্যাকওয়ার্ড ও ফরওয়ার্ড বাটন। ১৪০ গ্রাম ওজনের এ মাউসটিতে রয়েছে নায়লনের উন্নত মানের ব্রেডেড কেবল। যার দৈর্ঘ্য ১.৫ মিটার। 

Walton WMG004WB

ব্যবহারের ক্ষেত্রে খুব বেশি হ্যান্ডি মনে না হলেও হাতের মুঠোয় বেশ ভালো ভাবেই খাপ খেয়ে যাবে। তবে মাউসটির মাপ আরেকটু ছোট হলে হয়ত এর ব্যবহার আরো সহজ হতো।

 সব কথার এক কথা, মূল্য বিবেচনায় এর থেকে কম মূল্যে গেমিং মাউস ভাবাই যায় না। 

Model : WMG004WB (High Precision)

Chipset & Sensor: 702

Buttons: 6D Buttons (Left Button, Right Button, Scrolling, DPI, Backward, Forward)

DPI Switch: 800 to 2400

Backlit : Red/Blue/Purple

Cable: 1.5m Nylon Braided Cable with Magnet Ring

Dimension : 140* 75* 40mm

Weight: 140g ± 5g

Body Color: White Top with Grey Bottom

System Support: All

Walton gaming mouse কিনতে এখানে ক্লিক করুন।

আরও পড়ুন:

DDR4 মেমরি সাপোর্টেড Gigabyte B660 GamingX মাদারবোর্ড আসছে

DDR4 মেমরি সাপোর্টেড Gigabyte B660 GamingX মাদারবোর্ড আসছে

0

Gigabyte B660 Gaming X DDR4 Motherboard

ইন্টেল সম্প্রতি 12th জেনারেশনের প্রসেসর উন্মুক্ত করেছে। তবে এখন শুধুমাত্র K সিরিজের কয়েকটি প্রসেসর বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। এগুলো হল Core i5-12600K, Core i7-12700KF, Core i7-12700K ও Core i9-12900K। K সিরিজ মূলত আনলক্‌ড প্রসেসর, অর্থাৎ এগুলো ওভারক্লক করা যায়। যারা হাই-এন্ড গেমার বা কনটেন্ট ক্রিয়েটর তারাই এগুলোর প্রধান ক্রেতা। আর এ কারণেই এই সিরিজের প্রসেসর গুলোর দাম তুলনামূলক বেশি। আনলক্‌ড প্রসেসর বেশ তাপ উৎপন্ন করে তাই এর জন্য Z690 চিপসেটের উন্নত হিটসিংক সমৃদ্ধ Motherboard ব্যবহার করা হয়। প্রসেসরের ন্যায় এর Motherboard গুলোও বেশ দামী হয়ে থাকে।


Gigabyte B660 GamingX DDR4


তবে হতাশ হবার কিছু নেই, যারা সাধারণ ব্যবহারকারী তাদের জন্যও রয়েছে ইন্টেলের লকড্‌ প্রসেসর। যেগুলোর দাম হাতের লাগালেই থাকে। এ প্রসেসর গুলোর জন্য বেশ কিছু মাদাবোর্ডে B660 চিপসেটটি ব্যবহার করা হবে, এমনটাই এক ‘লিক’ খবরে জানা গেছে। নন-ওভারক্লক সিরিজের প্রসেসর ও B660 চিপসেট যুক্ত মাদারবোর্ডগুলো ২০২২ সালের জানুয়ারিতে লঞ্চ হতে চলেছে, সম্ভবত CES 2022 প্রেস কনফারেন্সের ঠিক পরে। জনপ্রিয় প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা Gigabyte-এর এমন একটি মাদারবোর্ডের খবর জানা গেছে (সূত্র: TechPowerUP)। মডেল Gigabyte B660 GamingX DDR4। আজকের আলোচনায় থাকছে এর লিকড্ হওয়া স্পেসিফিকেশন নিয়ে।


Gigabyte B660 GamingX DDR4 Secification:

এই গেমিং এক্স বোর্ডর র‌্যাম ফ্রিকোয়েন্সি এখনও চূড়ান্ত ভাবে জানা না গেলেও এটি যে DDR4 মেমরি সমর্থন করবে তা এর মোড়কের ছবি দেখলেই বোঝা যায়।
প্রধান x16 স্লট Gen5 এবং প্রাথমিক M.2 স্লট Gen4 সমর্থন করতে পারে ,যেগুলো সরাসরি CPU এর সাথে সংযুক্ত।

Gigabyte B660 IO pannel

আরও দেখুন:
আপনার অ্যানড্রয়েড ফোনের জন্য জরুরি কিছু কোড
ডিজেআই ড্রোন খুব শীঘ্রই বাংলাদেশের বাজারে আসছে

ছবি প্রিন্ট এর ক্ষেত্রে কালার ল্যাবে বিভিন্ন মাপ

0

ছবি প্রিন্ট এর ক্ষেত্রে কালার ল্যাবে বিভিন্ন মাপ

মোবাইল আর ডিজিটাল ক্যামেরার এই যুগে ছবি প্রিন্ট করার আবেদন অনেক কমে গেলেও এখনো বিভিন্ন অফিসিয়াল কাজে,ঘর সাজাতে বা শখে অনেকেই কালার ল্যাব থেকে ছাব প্রিন্ট করে থাকেন।
ছবি প্রিন্ট এর ক্ষেত্রে কালার ল্যাবে বিভিন্ন মাপ:

Name Size
Passport Size 1.6×2 inch
3R 3.5×5 inch
4R 4×6 inch
3R 3.5×5 inch
5R 5×7 inch
6R 6×8 inch
8R 8×10 inch
8L 8×12 inch
10R 10×12 inch
10L 10×15 inch
12R 12×16 inch
12L 12×18 inch
16R 16×20 inch
20R 20×24 inch
20L 20×30 inch
30R 30×40 inch

ছবি প্রিন্ট করার জন্য কালার ল্যাবে বিভিন্ন ধরনের ফিনিশিংও পাওয়া যায়। যেমন, ল্যমিনেটেড, ম্যাট, হাই-glossy ইত্যাদি। ল্যমিনেটেড ফিনিশিং ছবিগুলিকে টেকসচার দেয় এবং এগুলিকে দীর্ঘস্থায়ী করে তোলে। ম্যাট ফিনিশিং ছবিগুলিকে একটি প্রাকৃতিক চেহারা দেয়। হাই-gloss ফিনিশিং ছবিগুলিকে উজ্জ্বল করে তোলে।

ছবি প্রিন্ট করার জন্য কালার ল্যাবে বিভিন্ন ধরনের দাম নির্ধারণ করা হয়। দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে ছবির মাপ, কাগজের ধরন, ফিনিশিং এবং প্রিন্টের সংখ্যার উপর নির্ভর করে।

ছবি প্রিন্ট করা একটি সহজ এবং সাশ্রয়ী উপায়। আপনি আপনার পছন্দের ছবিগুলিকে কালার ল্যাবে প্রিন্ট করে রাখতে পারেন।

আরও দেখুন
অনলাই মিটিং অ্যাপের প্রো প্যাকেজের কোনটির কত দাম

Online Meeting App Pro package গুলোর কোনটির কত দাম

কোভিড ১৯ পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত এবং অফিসিয়াল কাজের জন্য অনলাইন মিটিং যেন  অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। এ বিষয়টি মাথায় রেখেই এসব অনলাই মিটিং অ্যাপ প্রতিষ্ঠানগুলো বিনামূল্যে ও প্রো প্যাকেজ দিয়ে থাকে। বিনামূল্যের প্যাকেজ গুলোর থেকে প্রো প্যাকেজগুলোয় তুলনামূলক বেশি ফিচার দেয়া থাকে। চলুন তাহলে জেনে নেই এসব অ্যাপসের প্রো ভার্সনের দামগুলো।

জুম (ZOOM)

অনলাইন মিটিং অ্যাপগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় Zoom। জুম মিটিং অ্যাপ বিনামূল্যে অনেক ফিচার দিয়ে থাকে। বিনামূল্যের ফিচারে ১০০ জন একসাথে মিটিং-এ অংশ গ্রহণ করতে পারবে। ৪০ মিনিট পর্যন্ত একটানা মিটিং করা যাবে আর থাকছে প্রাইভেট ও গ্রুপ চ্যাটের সুবিধা। তবে এর প্রো ভার্সনে ক্লাউড রেকর্ডিং, সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইভ স্ট্রিমিংসহ আরও অনেক সুবিধা।

Zoom Plans

স্টিমইয়ার্ড (Streamyard)

Zoom এর পরেই জনপ্রিয়তার ওপরের সারিতে আছে Streamyard অনলাই মিটিং অ্যাপ। এ অ্যাপ আপনার পছন্দমতো লোগো ব্যবহারের পাশাপাশি ক্লাউড রেকর্ডিয়ের সুবিধা দিয়ে থাকে। মাধমে  StreamYard মূলত তিন ধরণের প্যাকেজ অফার করে ফ্রি, ব্যাসিক এবং প্রফেসনাল। থাকছে মাসিক অথবা বাৎসরিক হিসেবে পেমেন্ট করার সুবিধা।

Streamyard Plans

Google Meet

গুগলের আরেকটি জনপ্রিয় পণ্য গুগল মিট। এ অনলাই মিটিং অ্যাপের ইন্টারফেস বেশ সহজ। অ্যাপ ব্যবহারকারীরা তাৎক্ষণিক বার্তা পাঠাতে/গ্রহণ করতে, ভিডিও চ্যাট, এসএমএস পাঠাতে/গ্রহণ এবং ভিওআইপি কল হোস্ট করতে পারেন। এছাড়াও, Google Meet জার্মান, পর্তুগিজ, ফ্রেঞ্চ, ইংরেজি এবং স্প্যানিশ ভাষায় ক্যাপশনিংকেও সমর্থন করে। গুলল মিটের বিনামূল্যে ও প্রো দুই ধরণের প্যাকেজ রয়েছে। তবে প্রো প্যাকেজগুলোতে বেশি সুবিধা পাওয়া যায়।

Price Plan

Microsoft Teams

জনপ্রিয় সফট্ওয়ার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের নিজস্ব মিটিং অ্যাপ Microsoft Teams। Office 365-এর 50 মিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারীর কথা বিবেচনা করে, অন্যান্য মাইক্রোসফ্ট অ্যাপগুলোর সাথে মিল রেখে এ অ্যাপটি তৈরি। আপনি আপনার ওয়ার্কস্পেসের মধ্যে বিভিন্ন চ্যানেল তৈরি করে কোম্পানির বিভিন্ন বিভাগকে আলাদা করে পরিচালনা করতে পারবেন। সাম্প্রতিক আপডেটগুলিতে স্বয়ংক্রিয় ট্রান্সক্রিপশন এবং মাইক্রোফোন নিয়ন্ত্রন সুবিধার কারণে হোস্টকে রেকর্ডিং স্টুডিও চালানোর সময় অনেক সেটিংস পরিবর্তন করতে হবে না। বিনামূল্যের পাশাপাশি নানা সুবিধা যোগ করে প্রো প্যাকেজও রয়েছে।

Price List

আরও দেখুন:
Zoom দিয়ে OBS এ লাইভ করবেন যেভাবে

Youtube চ্যানেলের নাম নতুন নিয়মে পাল্টে ফেলুন

Youtube পৃথিবীর সব থেকে জনপ্রিয় ভিডিও স্ট্রিমিং ওয়েবসাইট। এখানে প্রতি মিনিটে ৫০০ ঘন্টার বেশি কনটেন্ট আপলোড করা হয়।  আর ব্যবহারকারীরা  প্রতিদিন প্রায় ১ বিলিয়ন ঘন্টার বেশি ভিডিও দেখে থাকেন। তাহলে বুঝতেই পারছেন ইউটিউব কতটা জনপ্রিয়।

মূলত একটি জিমেইল বা গুগল একাউন্ট থাকলেই অনায়াসে ইউটিউবে চ্যানেল খোলা যায়। আর নিজের পছন্দমত চ্যানেলের নাম ও রাখা যায় বিনমূল্যে। তবে এতদিন ইউটিউব চ্যানেলের নাম পাল্টাতে গুগল অ্যাকাউন্ট পরিবর্তন করতে হত। কিন্তু সম্প্রতি Youtube এ পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনেছে। এখন চ্যানেলের নাম ও প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করা যাবে মূল গুগল অ্যাকাউন্ট ঠিক রেখেই।

চ্যানেলের নাম পরিবর্তন করার পদ্ধতি:

ডেস্কটপ:
ডেস্কটপে Youtube স্টুডিও খুলে মেনুবার থেকে কাস্টমাইজেশন অপশনে সিলেক্ট করতে হবে। এরপর বেসিক ইনফো সিলেক্ট করে এরপর চ্যানেলের নাম বদলাতে পেন্সিল আইকনে ক্লিক করতে হবে। পছন্দমত নাম দিয়ে ডানকোণায় PUBLISH বাটন করলেই নাম পরিবর্তন হয়ে যাবে।

Channen-name-change
চ্যানেলের নাম পরিবর্তনের পদ্ধতি

মোবাইল:
মোবাইলের ক্ষেত্রে ‘ইউর চ্যানেল’ অপশনে ক্লিক করতে হবে। এডিট চ্যানেল সিলেক্ট করে পেনসিল আইকনে ক্লিক করে প্রোফাইলের নাম বদলাতে হবে।

যেসব চ্যানেল নাম পরিবর্তন করতে পারবে
যেসব চ্যানেল নতুন বা এখনো ভেরিফিকেশন ব্যাজ হয় নি তারা সহযেই এ পদ্ধতিতে নাম পরিবর্তন করতে পারবেন। তবে যাদের চ্যানেলে ভেরিফিকেশন ব্যাজ রয়েছে, সেগুলোর জন্য এ সুযোগ আর থাকছে না। এজন্য তাদের নতুন করে আবেদন করতে হবে।

আরও দেখুন

নতুন ফিচার নিয়ে এসেছে ইউটিউব

আপনার ফোনে Promotional SMS বন্ধ করতে যা করতে হবে

গ্রাহকদের খুশী করতে মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন অফারের ঝুড়ি সাজেয়ে প্রতিনিয়ত মেসেজ পাঠিয়ে থাকে।
কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই মেসেজগুলো প্রয়োজনীয় হলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তা অত্যন্ত বিরক্তিকর।
আবার অনেক সময় গ্রাহকের অজান্তেই এই প্রমোশনাল অফারগুলো চালু হয়ে ব্যালেন্স থেকে টাকা কেটে নিয়ে যায়।
তাই এই বিরক্তিকর প্রমোশনাল এসএমএস না চাইলে

গ্রামীণফোন গ্রাহকরা *১২১*১১০১#
বাংলালিংক গ্রাহকরা *১২১*৮*৬#
এবং রবিএয়ারটেল গ্রাহকরা *৭# ডায়াল করে ‘ডু নট ডিস্টার্ব ’সেবাটি চালু করলে বিরক্তিকর প্রমোশনাল এসএমএস বন্ধ হয়ে যাবে।

** তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই Promotional SMS বন্ধ নাও হতে পারে।

আরও দেখুন
পাওয়ার ব্যাংক কেনার আগে যা জানতে হবে

আপনার এনআইডির বিপরীতে কোন অবৈধ সিম নিবন্ধিত আছে কি?

এনআইডির বিপরীতে কোন অবৈধ সিম নিবন্ধিত আছে কিনা তা জানবেন যেভাবে

একটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দিয়ে সর্বোচ্চ ১৫টি সিমকার্ড নিবন্ধন করা যায়।  আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে কয়টি সিমকার্ড নিবন্ধিত হয়েছে তা কোনো চার্জ ছাড়াই ঘরে বসে জানা যাবে। যদি দুর্বৃত্তরা অপরাধ সংঘটনের জন্য আপনার অজান্তেই অপরিচিত সংযোগের নিবন্ধন করে তাহলে আপনি সহযেই তা বের করতে পারবেন।
এনআইডিতে নিবন্ধিত কোনো সিম আপনার না হলে সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটর কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করে তা বন্ধ করতে পারবেন।

পদ্ধতি :
যে কোনো মোবাইল নম্বর থেকে কল অপশনে গিয়ে *১৬০০১# লিখে ডায়াল করতে হবে।  ডায়াল করার সঙ্গে সঙ্গে আপনার এনআইডির শেষ চারটি ডিজিট লেখার জন্য অপশন আসবে।

SIM against NID 1

তখন এনআইডির শেষ চারটি সংখ্যা চাপতে হবে। এর কিছুক্ষণের মধ্যে একটি ফিরতি মেসেজ আসবে। সেখানে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে কয়টি সিম নিবন্ধিত আছে সব নম্বর চলে আসবে।

এনআইডিতে নিবন্ধিত কোনো সিম আপনার না হলে সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটর কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করে তা বন্ধ করে দিন।

আরও দেখুন:
আপনার ফোনে প্রমোশনাল এসএমএস বন্ধ করতে যা করতে হবে

শক্তিশালী ব্যাটারির, ক্যামেরা আর শক্তিতে ভরপুর ভিভো ওয়াই৫১

1

ভিভো ওয়াই৫১ স্মার্টফোনটিতে একই সাথে শক্তিশালী ব্যাটারি, সেরা প্রসেসর এবং বড় স্টোরেজের সমন্বয় করেছে স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভিভো।

ডিসপ্লে:
ভিভো ওয়াই-৫১ ফোনটিতে ৬.৫৮ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস ডিসপ্লে, যেখানে স্ক্রিন টু বডি অনুপাত হচ্ছে ৯০.৬১ শতাংশ।

প্রসেসর এবং গ্রাফিক্স:
ফোনটিতে রয়েছে কোয়ালকম স্ন্যাপড্রাগনের ৬৬২ প্রসেসর। আর গ্রাফিক্স হিসেবে থাকছে অ্যাডরেনো ৬১০।

র‌্যাম এবং রম:
৮ জিবি’র র‌্যাম ও ১২৮ জিবি’র রমের কারনে দ্রুতগতির পারফরম্যান্স উপভোগ করতে পারবেন।

ক্যামেরা:
মোবাইল ফটোগ্রাফির জন্য চমৎকার কিছু ফিচারও রয়েছে ভিভো ওয়াই৫১ ফোনে। ৪৮ মেগাপিক্সেলের মেইন ক্যামেরাসহ স্মার্টফোনটির পেছনে রয়েছে ৩টি ক্যামেরা এবং সাথে আছে ১৬ এমপির ১টি ফ্রন্ট ক্যামেরা। এসব ক্যামেরায় পেশাদার ফটোগ্রাফারদের জন্য যুক্ত করা হয়েছে ওয়াইড অ্যাঙ্গেল, সুপার ম্যাক্রো, স্টাইলিশ নাইট ফিল্টারস, সুপার নাইট মোডের মতো সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ।
ভিডিও এর জন্য ভিভো ওয়াই৫১-এ যুক্ত করা হয়েছে ইলেকট্রনিক ইমেজ স্টেবিলাইজেশন (ইআইএস) প্রযুক্তি। এ প্রযুক্তি থাকায় চলমান অবস্থাতেও পরিস্কার এবং অধিক স্থিতিশীল ভিডিও ধারণ করা যাবে ।

রং:
ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে ক্রিস্টাল সিম্ফনি এবং টাইটানিয়াম স্যাফায়ার এই দুটি রঙে ।

ব্যাটারি:
ভিভো ওয়াই৫১ এ ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারির সাথে রয়েছে ১৮ ওয়াটের ফ্ল্যাশ চার্জিং সুবিধা। তাই মাত্র এক ঘণ্টায় ফোনটি ৭০ শতাংশ চার্জ করা সম্ভব।

মূল্য:
দেশের বাজারে ডিভাইসটি পাওয়া যাচ্ছে ২১ হাজার ৯৯০ টাকায়।