Bangladesh বিস্তারিত:
Bangladesh একটি দক্ষিণ এশীয় দেশ। এটি স্থলবেষ্টিত দেশ, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের সাথে সীমান্তযুক্ত। বাংলাদেশের আয়তন ১৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার (৫৬,৮৫০ বর্গমাইল) এবং জনসংখ্যা ১৬৫ মিলিয়নেরও বেশি। রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর হল ঢাকা।
বাংলাদেশ একটি সমভূমি দেশ। এর ভূখণ্ডটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীর অববাহিকা দ্বারা গঠিত। দেশের উত্তরে ভারত, পূর্বে মিয়ানমার, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারত অবস্থিত।
বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ। এর প্রধান ফসল হল ধান, পাট, গম, আলু, চা, তেলবীজ, ফল এবং শাকসবজি। বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। এর অর্থনীতি মূলত কৃষি, শিল্প এবং পরিষেবা খাতের উপর নির্ভরশীল।
দেশ: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
আয়তন: ৫৬৯৭৭ বর্গ মাইল বা ১৪৭৫৭০ বর্গ কিমি.
জনসংখ্যা: মোট ১৬৮.২২ মিলিয়ন (পুরুষ ৮৪.১৯ মিলিয়ন এবং নারী ৮৪.০৩ মিলিয়ন)
মুদ্রা: টাকা
নোট: ১০০০, ৫০০, ২০০, ১০০, ৫০, ২০, ১০, ৫, ২
মান সময়: জিএমটি +৬ ঘন্টা
বিভাগ: ৮টি (ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর এবং ময়মনসিংহ।)
জেলা: ৬৪টি
উপজেলা: ৪৯২টি
ইউনিয়ন: ৪,৫৫৪টি
মৌজা: ৫৯,৯৯০টি
গ্রাম: ৮৭,৩১৯টি
সিটি কর্পোরেশন: ১২টি (ঢাকা-উত্তর, ঢাকা-দক্ষিণ, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহ)
পৌরসভা: ৩৩০টি
বিভাগ ও জেলাসমূহ
ঢাকা বিভাগ (Dhaka Division)
ঢাকা বিভাগ বাংলাদেশের উত্তর-মধ্য অঞ্চলে অবস্থিত। এর আয়তন ২৪,০৯৬ বর্গকিলোমিটার (৯,৩০৪ বর্গমাইল) এবং জনসংখ্যা প্রায় ১০,৫৪১,৭০০ জন।
ঢাকা বিভাগের আটটি জেলা হল:
১. ঢাকা
২. গাজীপুর
৩. নারায়ণগঞ্জ
৪. কিশোরগঞ্জ
৫. টাঙ্গাইল
৬. মানিকগঞ্জ
৭. মুন্সিগঞ্জ
৮. রাজবাড়ী
ঢাকা বিভাগ বাংলাদেশের সবচেয়ে জনবহুল বিভাগ। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির কেন্দ্র। ঢাকা বিভাগে অনেক শিল্প কারখানা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবস্থিত। ঢাকা শহর বাংলাদেশের বৃহত্তম শহর এবং প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
ঢাকা বিভাগের অর্থনীতি মূলত কৃষি, শিল্প এবং পরিষেবা খাতের উপর নির্ভরশীল। ঢাকা বিভাগে অনেক ধান, পাট, গম, আলু, চা, তেলবীজ, ফল এবং শাকসবজি উৎপাদিত হয়। ঢাকা বিভাগে অনেক শিল্প কারখানা অবস্থিত। ঢাকা বিভাগে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবস্থিত। ঢাকা বিভাগের শিক্ষা ব্যবস্থা বাংলাদেশের অন্যতম সেরা।
ঢাকা বিভাগ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতি, শিক্ষা এবং সংস্কৃতির কেন্দ্র। ঢাকা বিভাগ বাংলাদেশের একটি সমৃদ্ধ এবং ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল।
চট্টগ্রাম বিভাগ (Chattogram Division):
চট্টগ্রাম বিভাগ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত। এর আয়তন ৩১,১৬৮ বর্গকিলোমিটার (১২,০৩৭ বর্গমাইল) এবং জনসংখ্যা প্রায় ১৪,৯২৫,১০০ জন।
চট্টগ্রাম বিভাগের নয়টি জেলা হল:
১. চট্টগ্রাম
২. কক্সবাজার
৩. ফেনী
৪. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
৫. রাঙামাটি
৬. খাগড়াছড়ি
৭. বান্দরবান
৮.লক্ষ্মীপুর
৯. নোয়াখালী
চট্টগ্রাম বিভাগ বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিভাগ। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। চট্টগ্রাম বিভাগে অনেক শিল্প কারখানা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবস্থিত। চট্টগ্রাম বিভাগ বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম শহর অবস্থিত। চট্টগ্রাম শহর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর এবং প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
চট্টগ্রাম বিভাগের অর্থনীতি মূলত কৃষি, শিল্প এবং পরিষেবা খাতের উপর নির্ভরশীল। চট্টগ্রাম বিভাগে অনেক ধান, পাট, গম, আলু, চা, তেলবীজ, ফল এবং শাকসবজি উৎপাদিত হয়। চট্টগ্রাম বিভাগে অনেক শিল্প কারখানা অবস্থিত। চট্টগ্রাম বিভাগে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবস্থিত। চট্টগ্রাম বিভাগের শিক্ষা ব্যবস্থা বাংলাদেশের অন্যতম সেরা।
চট্টগ্রাম বিভাগ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতি, শিক্ষা এবং সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। চট্টগ্রাম বিভাগ বাংলাদেশের একটি সমৃদ্ধ এবং ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল।
রাজশাহী বিভাগ (Rajshahi Division)
রাজশাহী বিভাগ বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত। এর আয়তন ২১,০৪০ বর্গকিলোমিটার (৮,১১১ বর্গমাইল) এবং জনসংখ্যা প্রায় ১২,৩৪০,২০০ জন।
রাজশাহী বিভাগের ছয়টি জেলা হল:
১. রাজশাহী
২. বগুড়া
৩. জয়পুরহাট
৪. নওগাঁ
৫. পাবনা
৬. সিরাজগঞ্জ
রাজশাহী বিভাগ বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম বিভাগ। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। রাজশাহী বিভাগে অনেক শিল্প কারখানা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবস্থিত। রাজশাহী বিভাগ বাংলাদেশের প্রধান কৃষি অঞ্চল। রাজশাহী বিভাগে অনেক ধান, পাট, গম, আলু, চা, তেলবীজ, ফল এবং শাকসবজি উৎপাদিত হয়।
রাজশাহী বিভাগ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতি, শিক্ষা এবং সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। রাজশাহী বিভাগ বাংলাদেশের একটি সমৃদ্ধ এবং ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল।
রাজশাহী বিভাগে অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:
- বরেন্দ্র জাদুঘর
- রাজশাহী চিড়িয়াখানা
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
- রাজশাহী মেডিকেল কলেজ
- রাজশাহী কলেজ
- রাজশাহী বিমানবন্দর
- পাহারপুর, নওগাঁ
- মহাস্থানগড়, বগুড়া
রাজশাহী বিভাগ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতি, শিক্ষা এবং সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। রাজশাহী বিভাগ বাংলাদেশের একটি সমৃদ্ধ এবং ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল।
খুলনা বিভাগ (Khulna Division)
খুলনা বিভাগ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। এর আয়তন ২২,২৮৫ বর্গকিলোমিটার (৮,৬১৮ বর্গমাইল) এবং জনসংখ্যা প্রায় ১৫,৫৬৩,০০০ জন।
খুলনা বিভাগের সাতটি জেলা হল:
১. খুলনা
২. বাগেরহাট
৩. যশোর
৪. সাতক্ষীরা
৫. মাগুরা
৬. নড়াইল
৭. ঝিনাইদহ
খুলনা বিভাগ বাংলাদেশের চতুর্থ বৃহত্তম বিভাগ। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। খুলনা বিভাগে অনেক শিল্প কারখানা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবস্থিত। খুলনা বিভাগ বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর মোংলা বন্দর অবস্থিত। মোংলা বন্দর বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম বন্দর।
খুলনা বিভাগের অর্থনীতি মূলত কৃষি, শিল্প এবং পরিষেবা খাতের উপর নির্ভরশীল। খুলনা বিভাগে অনেক ধান, পাট, গম, আলু, চা, তেলবীজ, ফল এবং শাকসবজি উৎপাদিত হয়। খুলনা বিভাগে অনেক শিল্প কারখানা অবস্থিত। খুলনা বিভাগে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবস্থিত। খুলনা বিভাগের শিক্ষা ব্যবস্থা বাংলাদেশের অন্যতম সেরা।
খুলনা বিভাগে অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:
- সুন্দরবন
- ষাটগম্বুজ মসজিদ
- খান জাহান আলী মসজিদ
- খুলনা জাদুঘর
- খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
- খুলনা মেডিকেল কলেজ
- খুলনা কলেজ
- খুলনা বিমানবন্দর
খুলনা বিভাগ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতি, শিক্ষা এবং সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। খুলনা বিভাগ বাংলাদেশের একটি সমৃদ্ধ এবং ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল।
বরিশাল বিভাগ (Barishal Division)
বরিশাল বিভাগ বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত। এর আয়তন ১৩,২২৫ বর্গকিলোমিটার (৫,১১১ বর্গমাইল) এবং জনসংখ্যা প্রায় ৬,২৯১,০০০।
বরিশাল বিভাগের ছয়টি জেলা হল:
১. বরিশাল
২. ভোলা
৩. ঝালকাঠি
৪. পটুয়াখালী
৫. পিরোজপুর
৬. বরগুনা
বরিশাল বিভাগ বাংলাদেশের পঞ্চম বৃহত্তম বিভাগ। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। বরিশাল বিভাগে অনেক শিল্প কারখানা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবস্থিত। বরিশাল বিভাগ বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর বরিশাল বন্দর অবস্থিত। বরিশাল বন্দর বাংলাদেশের চতুর্থ বৃহত্তম বন্দর।
বরিশাল বিভাগের অর্থনীতি মূলত কৃষি, শিল্প এবং পরিষেবা খাতের উপর নির্ভরশীল। বরিশাল বিভাগে অনেক ধান, পাট, গম, আলু, চা, তেলবীজ, ফল এবং শাকসবজি উৎপাদিত হয়। বরিশাল বিভাগে অনেক শিল্প কারখানা অবস্থিত। বরিশাল বিভাগে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবস্থিত।
বরিশাল বিভাগে অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:
- বরিশাল জাদুঘর
- বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়
- বরিশাল মেডিকেল কলেজ
- বরিশাল কলেজ
- বরিশাল বিমানবন্দর
সিলেট বিভাগ (Sylhet Division)
সিলেট বিভাগ বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত। এর আয়তন ৯,১৬৫ বর্গকিলোমিটার (৩,৫৩৭ বর্গমাইল) এবং জনসংখ্যা প্রায় ৫,০০০,০০০ জন।
সিলেট বিভাগের চারটি জেলা হল:
১. সিলেট
২. মৌলভীবাজার
৩. হবিগঞ্জ
৪. সুনামগঞ্জ
সিলেট বিভাগ বাংলাদেশের ছয়টি বিভাগের মধ্যে সবচেয়ে ছোট বিভাগ। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। সিলেট বিভাগে অনেক শিল্প কারখানা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবস্থিত। সিলেট বিভাগ বাংলাদেশের প্রধান নদী সুরমা নদী অবস্থিত। সুরমা নদী বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী।
সিলেট বিভাগের অর্থনীতি মূলত কৃষি, শিল্প এবং পরিষেবা খাতের উপর নির্ভরশীল। সিলেট বিভাগে অনেক ধান, পাট, গম, আলু, চা, তেলবীজ, ফল এবং শাকসবজি উৎপাদিত হয়। সিলেট বিভাগে অনেক শিল্প কারখানা অবস্থিত। সিলেট বিভাগে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবস্থিত।
সিলেট বিভাগে অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:
- জাফলং
- লালাখাল
- সারি সারি পাহাড়
- বিছানাকান্দি
- মাধবপুর লেক
- মালনীছড়া
- সিলেট বিভাগের জাতীয় উদ্যান
- সিলেট বিভাগের জাদুঘর
- সিলেট বিভাগের বিশ্ববিদ্যালয়
- সিলেট বিভাগের মেডিকেল কলেজ
- সিলেট বিভাগের কলেজ
- সিলেট বিভাগের বিমানবন্দর
সিলেট বিভাগ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতি, শিক্ষা এবং সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। সিলেট বিভাগ বাংলাদেশের একটি সমৃদ্ধ এবং ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল।
রংপুর বিভাগ (Rangpur Division)
রংপুর বিভাগ বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। এর আয়তন ১৯,৯০০ বর্গকিলোমিটার (৭,৬৫০ বর্গমাইল) এবং জনসংখ্যা প্রায় ১০,৭৯৯,০০০।
রংপুর বিভাগের ছয়টি জেলা হল:
১. রংপুর
২. গাইবান্ধা
৩. লালমনিরহাট
৪. কুড়িগ্রাম
৫. দিনাজপুর
৬. নীলফামারী
রংপুর বিভাগ বাংলাদেশের বৃহত্তম বিভাগ। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। রংপুর বিভাগে অনেক শিল্প কারখানা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবস্থিত। রংপুর বিভাগ বাংলাদেশের প্রধান নদী যমুনা নদী অবস্থিত। যমুনা নদী বাংলাদেশের বৃহত্তম নদী।
রংপুর বিভাগের অর্থনীতি মূলত কৃষি, শিল্প এবং পরিষেবা খাতের উপর নির্ভরশীল। রংপুর বিভাগে অনেক ধান, পাট, গম, আলু, চা, তেলবীজ, ফল এবং শাকসবজি উৎপাদিত হয়। রংপুর বিভাগে অনেক শিল্প কারখানা অবস্থিত। রংপুর বিভাগে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অবস্থিত।
রংপুর বিভাগে অনেক দর্শনীয় স্থান রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:
- কাউনিয়া জমিদারবাড়ি
- মহিপুরা জমিদারবাড়ি
- সোনাইলয়া জমিদারবাড়ি
- বোচাগঞ্জ জমিদারবাড়ি
- রংপুর জাদুঘর
- তাজহাট জমিদার বাড়ি
- রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়
- রংপুর মেডিকেল কলেজ
- কারমাইকেল কলেজ
- তিস্তা ব্রিজ
- তিস্তা ব্যারেজ, লালমনিরহাট
- রংপুর কলেজ
- রংপুর বিমানবন্দর
- তিন বিঘা করিডোর
- পঞ্চগড় চা বাগান
- তেতুলিয়া
রংপুর বিভাগ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতি, শিক্ষা এবং সংস্কৃতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। রংপুর বিভাগ বাংলাদেশের একটি সমৃদ্ধ এবং ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল।
ময়মনসিংহ বিভাগ (Mymensingh Division)
ময়মনসিংহ বিভাগ বাংলাদেশের অষ্টম প্রশাসনিক বিভাগ। এটি দেশের উত্তর-মধ্য অঞ্চলে অবস্থিত।
ময়মনসিংহ বিভাগের চারটি জেলা হল:
১. ময়মনসিংহ
২. জামালপুর
৩. শেরপুর
৪. নেত্রকোণা
বিভাগের মোট আয়তন ১০,৫৮৪ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা প্রায় ১,১৩,৭০,০০০জন।
ময়মনসিংহ বিভাগ একটি সমৃদ্ধ অঞ্চল। এটি কৃষি, শিল্প ও পর্যটন কেন্দ্র। বিভাগে প্রচুর ধান, গম, পাট, মাছ ও ফল উৎপাদিত হয়। এছাড়াও, বিভাগে রয়েছে অনেক শিল্প কারখানা। বিভাগটি পর্যটকদের জন্যও একটি আকর্ষণীয় স্থান। এখানকার অনেক প্রাকৃতিক দৃশ্য ও ঐতিহাসিক স্থান রয়েছে।
ময়মনসিংহ বিভাগ বাংলাদেশের একটি সমৃদ্ধ ও ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল। এ বিভাগে অনেক প্রাকৃতিক দৃশ্য ও ঐতিহাসিক স্থান রয়েছে। ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু জনপ্রিয় পর্যটন স্থানের মধ্যে রয়েছে:
ময়মনসিংহের পর্যটন স্থান
শশী লজ: শশী লজ হল ময়মনসিংহের একটি ঐতিহাসিক ভবন। এটি ১৮৭২ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার নির্মাণ করেছিল। শশী লজটি এখন একটি জাদুঘর।
মুক্তাগাছা জমিদার বাড়ি: মুক্তাগাছা জমিদার বাড়ি হল ময়মনসিংহের একটি প্রাচীন জমিদার বাড়ি। এটি ১৭০০ সালের দিকে নির্মিত হয়েছিল। মুক্তাগাছা জমিদার বাড়িটি এখন একটি জাদুঘর।
ময়মনসিংহ জাদুঘর: ময়মনসিংহ জাদুঘরটি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম জাদুঘর। এটি ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ময়মনসিংহ জাদুঘরে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস ও সংস্কৃতির নিদর্শন রয়েছে।
গৌরীপুর রাজবাড়ি: গৌরীপুর রাজবাড়ি হল ময়মনসিংহের একটি প্রাচীন রাজবাড়ি। এটি ১৮০০ সালের দিকে নির্মিত হয়েছিল। গৌরীপুর রাজবাড়িটি এখন একটি জাদুঘর।
ধোপাখোলা জমিদার বাড়ি: ধোপাখোলা জমিদার বাড়ি হল ময়মনসিংহের একটি প্রাচীন জমিদার বাড়ি। এটি ১৭০০ সালের দিকে নির্মিত হয়েছিল। ধোপাখোলা জমিদার বাড়িটি এখন একটি জাদুঘর।
আলেকজান্ডার ক্যাসেল: আলেকজান্ডার ক্যাসেল হল ময়মনসিংহের একটি ঐতিহাসিক ভবন। এটি ১৮৫৮ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার নির্মাণ করেছিল। আলেকজান্ডার ক্যাসেলটি এখন একটি জাদুঘর।
বিপিন পার্ক: বিপিন পার্ক হল ময়মনসিংহের একটি বিখ্যাত পার্ক। এটি ১৯০০ সালে নির্মিত হয়েছিল। বিপিন পার্কটিতে একটি সুন্দর লেক, একটি বিশাল লন, একটি খেলার মাঠ এবং একটি চিড়িয়াখানা রয়েছে।
ময়মনসিংহ টাউন হল: ময়মনসিংহ টাউন হল হল ময়মনসিংহের একটি ঐতিহাসিক ভবন। এটি ১৯১৫ সালে নির্মিত হয়েছিল। ময়মনসিংহ টাউন হলটি এখন একটি সরকারি ভবন।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ: ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হল বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন মেডিকেল কলেজ। এটি ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজটিতে উচ্চমানের চিকিৎসা শিক্ষা দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এটি ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়টিতে উচ্চমানের কৃষি শিক্ষা দেওয়া হয়।
ময়মনসিংহ নদীবন্দর: ময়মনসিংহ নদীবন্দর হল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম নদীবন্দর। এটি ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত। ময়মনসিংহ নদীবন্দরটি থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পণ্য ও যাত্রী পরিবহন করা হয়।
ময়মনসিংহ শহর: ময়মনসিংহ শহর হল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম শহর। এটি ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত। ময়মনসিংহ শহরে অনেক ঐতিহাসিক ও প্রাকৃতিক দৃশ্য রয়েছে।
ময়মনসিংহ বিভাগের শিক্ষা ব্যবস্থাও খুব ভাল। এখানকার অনেক কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। বিভাগটি থেকে অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব উঠে এসেছেন।
ময়মনসিংহ বিভাগ একটি সমৃদ্ধ ও ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল। এটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
আরও দেখুন
১. বাংলাদেশের বিখ্যাতদের জন্মদিন
২. বিভিন্ন দেশের পতাকার ভিডিও বিনামূল্যে ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

