Sunday, September 20, 2026
spot_imgspot_img
Home Blog

Smart TV তে YouTube Not Supported সমস্যার সমাধান | Fix YouTube Not Supported on Smart TV

Fix YouTube Not Supported: স্মার্ট টিভিতে ইউটিউব অ্যাপ চালু করতে গেলে “YouTube is not supported on this device” (এই ডিভাইসে ইউটিউব সমর্থিত নয়) লেখাটি আসা অত্যন্ত পরিচিত এবং বিরক্তিকর একটি সমস্যা। সাধারণত একটু পুরোনো মডেলের টিভিগুলোতে এই সমস্যাটি বেশি দেখা যায়।

নিচে এই সমস্যাটি কেন হয় এবং কীভাবে আপনি নিজে নিজেই এর সমাধান করতে পারবেন, তা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

কেন এই সমস্যাটি দেখায়?

মূলত কয়েকটি প্রধান কারণে ইউটিউব অ্যাপ আপনার টিভিতে চলা বন্ধ করে দিতে পারে:

  1. ইউটিউবের এপিআই (API) আপডেট: গুগল প্রতিনিয়ত ইউটিউবের নিরাপত্তা এবং ফিচার উন্নত করে। এর ফলে তারা পুরোনো API (যেমন- HTML5 বা ফ্ল্যাশ প্লেয়ার ভিত্তিক পুরোনো সিস্টেম) বন্ধ করে দেয়। আপনার টিভির অপারেটিং সিস্টেম যদি খুব পুরোনো হয়, তবে সেটি নতুন ইউটিউব অ্যাপের সাথে তাল মেলাতে পারে না।
  2. পুরোনো ফার্মওয়্যার বা সফটওয়্যার: টিভির নিজস্ব সফটওয়্যার বা ফার্মওয়্যার দীর্ঘদিন আপডেট না করা হলে এই মেসেজটি আসতে পারে।
  3. সফটওয়্যার বাগ বা ক্যাশ ফাইল: অনেক সময় অ্যাপের ভেতর সাময়িক কোনো ত্রুটি (Bug) বা অতিরিক্ত ক্যাশ ফাইল জমা হওয়ার কারণেও অ্যাপটি লোড হতে চায় না।
  4. সার্টিফিকেশন বাতিল: কিছু কিছু নন-ব্র্যান্ড বা কমদামী স্মার্ট টিভিতে গুগলের অফিশিয়াল লাইসেন্স থাকে না। গুগল তাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করলে এই টিভিগুলোতে ইউটিউব ব্লক হয়ে যায়।

সমাধান করার কার্যকরী উপায়

আপনার টিভির মডেল এবং অপারেটিং সিস্টেমের ওপর ভিত্তি করে নিচের পদ্ধতিগুলো একে একে চেষ্টা করে দেখতে পারেন:

১. টিভি রিহার্ড রিবুট (Hard Reboot) করুন

অনেক সময় টিভির মেমোরিতে জমে থাকা সাময়িক ত্রুটি দূর করতে রিহার্ড রিবুট দারুণ কাজ করে।

  • টিভির রিমোট দিয়ে টিভি বন্ধ করুন।
  • এরপর টিভির পাওয়ার কর্ডটি (Plugs) সরাসরি দেয়ালের সকেট থেকে খুলে ফেলুন।
  • ২ মিনিট অপেক্ষা করুন।
  • এবার প্লাগটি আবার লাগিয়ে টিভি চালু করুন এবং ইউটিউব অ্যাপটি পরীক্ষা করুন।

২. টিভির সফটওয়্যার/ফার্মওয়্যার আপডেট করুন

টিভির অপারেটিং সিস্টেম আপডেট না থাকলে নতুন ইউটিউব অ্যাপ চলে না।

  • টিভির Settings-এ যান।
  • System, About অথবা Support অপশনে যান।
  • System Update বা Software Update অপশনটি খুঁজে বের করুন এবং Check for Updates-এ ক্লিক করুন।
  • কোনো আপডেট থাকলে তা ডাউনলোড করে টিভিটি রিস্টার্ট করুন।

৩. ইউটিউব অ্যাপ আনইনস্টল করে পুনরায় ইনস্টল করুন

অ্যাপের কোনো ফাইল করাপ্ট হয়ে গেলে এই সমস্যা হতে পারে।

  • টিভির অ্যাপ স্টোরে (যেমন: Google Play Store) যান।
  • My Apps বা YouTube খুঁজে বের করুন।
  • অ্যাপটি Uninstall বা ডিলিট করে দিন।
  • টিভিটি একবার বন্ধ করে চালু করুন এবং অ্যাপ স্টোর থেকে আবার নতুন করে YouTube ইনস্টল করুন।

৪. তারিখ ও সময় (Date and Time) ঠিক করুন

টিভির তারিখ ও সময় যদি বর্তমান সময়ের সাথে না মিলে, তবে গুগলের সার্ভার কানেকশন সিকিউর হয় না এবং ইউটিউব চালু হতে বাধা দেয়।

  • টিভির Settings > System > Date & Time-এ যান।
  • এটি Automatic বা Use Network-Provided Time করে দিন। আর ম্যানুয়ালি করতে চাইলে বর্তমান সঠিক তারিখ ও সময় সেট করুন।

যদি উপরের কোনো নিয়ম কাজ না করে, তবে বিকল্প সমাধান:

আপনার টিভিটি যদি বেশ পুরোনো (যেমন: ২০১২-২০১৭ সালের মডেল) হয়ে থাকে এবং কোম্পানি যদি নতুন কোনো আপডেট না দেয়, তবে সরাসরি অ্যাপ দিয়ে ইউটিউব চালানো সম্ভব নাও হতে পারে। সেক্ষেত্রে নিচের বিকল্পগুলো ব্যবহার করতে পারেন:

ক) টিভির ব্রাউজার ব্যবহার করুন

আপনার স্মার্ট টিভিতে একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার (যেমন: Chrome, Opera বা টিভির নিজস্ব ব্রাউজার) থাকে।

  • ব্রাউজারটি ওপেন করুন।
  • অ্যাড্রেস বারে গিয়ে লিখুন: www.youtube.com/tv অথবা সাধারণ www.youtube.com
  • এখান থেকে আপনি টিভির রিমোট দিয়ে সহজেই ইউটিউব দেখতে পারবেন।

খ) স্ট্রিমিং ডিভাইস ব্যবহার করুন (সবচেয়ে সেরা সমাধান)

আপনার পুরোনো টিভিকে একদম নতুন ও সুপারফাস্ট স্মার্ট টিভিতে রূপান্তর করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো একটি স্ট্রিমিং ডিভাইস ব্যবহার করা।

  • বাজারে থাকা Google Chromecast, Amazon Fire TV Stick, Xiaomi Mi Box/Stick অথবা Realme 4K Stick টিভির HDMI পোর্টে লাগিয়ে নিন।
  • এগুলোতে নিয়মিত অফিসিয়াল আপডেট আসে, তাই ইউটিউব, নেটফ্লিক্সসহ সব অ্যাপ একদম স্মুথলি চলবে।

গ) স্মার্টফোন থেকে কাস্ট (Cast) বা স্ক্রিন মিররিং করুন

আপনার মোবাইল ফোনে ইউটিউব ভিডিও চালু করে সেটি সরাসরি টিভিতে দেখতে পারেন।

  • মোবাইল এবং টিভি একই ওয়াই-ফাই (Wi-Fi) নেটওয়ার্কে কানেক্ট করুন।
  • মোবাইলে ইউটিউব অ্যাপ খুলে ভিডিও প্লে করুন এবং ওপরের দিকে থাকা Cast icon (একটি টিভির মতো লোগো) এ ক্লিক করে আপনার টিভির নাম সিলেক্ট করুন।

উপসংহার: প্রযুক্তির পরিবর্তনের কারণে পুরোনো ডিভাইসে সাপোর্ট বন্ধ হওয়া স্বাভাবিক। তবে ওপরের ট্রিকসগুলো ব্যবহার করে আপনি নতুন কোনো ডিভাইস কেনা ছাড়াই আপনার টিভিতে পুনরায় ইউটিউব উপভোগ করতে পারবেন।

Online tax token: অনলাইনে ট্যাক্স টোকেন নবায়ন করার নিয়ম ২০২৬ (ঘরে বসেই ই-ট্যাক্স টোকেন)

0

Online tax token: বাংলাদেশে মোটরযানের ট্যাক্স টোকেন নবায়ন করা এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ। বিআরটিএ (BRTA) ডিজিটাল সেবার আওতায় এখন ঘরে বসেই অনলাইনে ট্যাক্স টোকেনের ফি পরিশোধ করা যায় এবং ই-ট্যাক্স টোকেন ডাউনলোড করা যায়।

অনলাইনে ট্যাক্স টোকেন দেওয়ার নিয়ম, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং ফি পরিশোধের উপায় নিয়ে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

১. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য

অনলাইনে ট্যাক্স টোকেন নবায়নের প্রক্রিয়া শুরু করার আগে নিচের তথ্য ও কাগজপত্রগুলো সাথে রাখুন:

  • মোটরযানের রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং ফিটনেস সার্টিফিকেটের মেয়াদ।
  • পূর্ববর্তী ট্যাক্স টোকেন (ট্যাক্স টোকেন নম্বর এবং মেয়াদের তারিখ লাগবে)।
  • মালিকের মোবাইল নম্বর (যা বিআরটিএ পোর্টালের সাথে লিঙ্ক করা)।
  • জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) নম্বর।

২. ধাপে ধাপে অনলাইনে ট্যাক্স টোকেন দেওয়ার নিয়ম

বর্তমানে BRTA Service Portal (BSP) এবং e-Payment সিস্টেমের মাধ্যমে ট্যাক্স টোকেনের ফি দেওয়া যায়। নিচে মূল প্রক্রিয়াটি দেওয়া হলো:

ধাপ ১: বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালে রেজিস্ট্রেশন

  • প্রথমে বিআরটিএ-এর অফিসিয়াল সার্ভিস পোর্টাল bsp.brta.gov.bd ওয়েবসাইটে যান।
  • আপনার যদি আগে অ্যাকাউন্ট করা না থাকে, তবে “নিবন্ধন” বাটনে ক্লিক করে আপনার নাম, মোবাইল নম্বর এবং NID দিয়ে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিন।
  • অ্যাকাউন্ট থাকলে মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে “লগইন” করুন।

ধাপ ২: মোটরযান সংযোজন (Add Vehicle)

  • লগইন করার পর আপনার ড্যাশবোর্ড থেকে “আমার মোটরযান” বা “Motorcycle/Vehicle” অপশনে যান।
  • সেখানে আপনার মোটরযানের রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং চ্যাসিস নম্বর (Chassis Number) দিয়ে গাড়িটি আপনার প্রোফাইলে যুক্ত করুন।

ধাপ ৩: ফি পরিশোধের আবেদন (e-Payment)

  • গাড়ি যুক্ত হওয়ার পর “ট্যাক্স টোকেন নবায়ন” বা “ফি প্রদান” অপশনে ক্লিক করুন।
  • সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার গাড়ির পূর্ববর্তী ট্যাক্স এবং বর্তমান বকেয়া হিসাব করে মোট কত টাকা দিতে হবে তা স্ক্রিনে দেখাবে।

ধাপ ৪: অনলাইন পেমেন্ট বা ফি জমা দেওয়া

পেমেন্ট পেজে গিয়ে আপনি বিভিন্ন ডিজিটাল মাধ্যমে ফি পরিশোধ করতে পারবেন:

  • মোবাইল ব্যাংকিং: বিকাশ (bKash), রকেট (Rocket), নগদ (Nagad), উপায় (Upay) ইত্যাদি।
  • ইন্টারনেট ব্যাংকিং: বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে।
  • কার্ড: ভিসা (Visa), মাস্টারকার্ড (MasterCard) বা আমেরিকান এক্সপ্রেস।

ফি সফলভাবে পরিশোধিত হলে আপনার মোবাইলে একটি নিশ্চিতকরণ (Confirmation) এসএমএস আসবে।

৩. ই-ট্যাক্স টোকেন (e-Tax Token) ডাউনলোড

ফি পরিশোধ সফল হওয়ার পর পোর্টাল থেকেই সাথে সাথে একটি ডিজিটাল কপি বা e-Tax Token জেনারেট হবে।

💡 গুরুত্বপূর্ণ নোট: পোর্টাল থেকে প্রাপ্ত এই ই-ট্যাক্স টোকেনটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট করে নিন। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, এই কিউআর কোড (QR Code) যুক্ত ডিজিটাল ই-ট্যাক্স টোকেনটি বৈধ এবং ট্রাফিক পুলিশ চেক করলে এটি প্রদর্শন করলেই চলবে। মূল বা ফিজিক্যাল ট্যাক্স টোকেন সংগ্রহ করার জন্য এখন আর ব্যাংকে বা বিআরটিএ অফিসে যাওয়ার বাধ্যবাধকতা নেই।

৪. অনলাইনে ট্যাক্স টোকেন দেওয়ার সুবিধা

  • সময় ও শ্রমের সাশ্রয়: দালালের খপ্পরে পড়া বা ব্যাংকের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়ানোর ঝামেলা নেই।
  • যেকোনো সময় পরিশোধ: সপ্তাহের ৭ দিন ২৪ ঘণ্টার যেকোনো সময় ফি দেওয়া যায়।
  • তাৎক্ষণিক কপি: পেমেন্ট করার সাথে সাথেই ডিজিটাল ট্যাক্স টোকেন পেয়ে যাবেন।
  • স্বচ্ছতা: অতিরিক্ত কোনো ফি বা ঘুষ দেওয়ার সুযোগ নেই, সরকারি নির্ধারিত ফি-ই কাটে।

কিছু জরুরি সতর্কতা

  • ফিটনেস সার্টিফিকেট: আপনার গাড়ির ফিটনেস সার্টিফিকেটের মেয়াদ শেষ হয়ে থাকলে অনেক সময় অনলাইনে ট্যাক্স টোকেন ইস্যু হতে সমস্যা হতে পারে। তাই ফিটনেস আপডেট আছে কিনা তা আগে চেক করে নিন।
  • বকেয়া জরিমানা: ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে গেলে প্রতিদিন বা মাস হিসেবে জরিমানা যুক্ত হয়, যা অনলাইনেই মূল ফির সাথে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ হয়ে যাবে।

বাংলাদেশের জনপ্রিয় চলচ্চিত্রের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস | Short History of Popular Bangladeshi Cinema

History of Popular Bangladeshi Cinema: বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ এবং চড়াই-উতরাইয়ে ভরা। বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত আমাদের চলচ্চিত্র অনেক কালজয়ী সৃষ্টি উপহার দিয়েছে। ‘রূপবান’ থেকে শুরু করে আজকের মাল্টিপ্লেক্স কাঁপানো ‘তুফান’ কিংবা ‘প্রিয়তমা’—এই দীর্ঘ যাত্রার একটি সংক্ষিপ্ত ইতিহাস নিচে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হলো:

🎬 পটভূমি এবং শুরুর দিনগুলো (১৯৫৬ – ১৯৭০)

বাংলাদেশে চলচ্চিত্রের প্রাতিষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ১৯৫৬ সালে।

  • প্রথম পূর্ণাঙ্গ সবাক চলচ্চিত্র: ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট আবদুল জব্বার খান পরিচালিত মুখ ও মুখোশ মুক্তির মাধ্যমে এদেশের চলচ্চিত্রের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
  • এফডিসি প্রতিষ্ঠা: ১৯৫৭ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন প্রাদেশিক পরিষদে চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থা (FDC) বিল উত্থাপন করেন, যার ফলশ্রুতিতে ঢাকাই চলচ্চিত্রের মূল কেন্দ্রবিন্দু এফডিসি প্রতিষ্ঠিত হয়।
  • লোককাহিনীর যুগ ও ‘রূপবান’: ১৯৬৫ সালে সালাহউদ্দিন পরিচালিত ‘রূপবান’ চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়। লোককাহিনী ভিত্তিক এই সিনেমাটি আকাশচুম্বী ব্যবসায়িক সাফল্য লাভ করে এবং ঢাকাই চলচ্চিত্রের ভিত শক্ত করে।
  • জহির রায়হানের অবদান: এই যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চালিকাশক্তি ছিলেন জহির রায়হান। ১৯৬৪ সালে তিনি পাকিস্তানের প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র ‘সঙ্গম’ তৈরি করেন। এছাড়া ১৯৭০ সালে তার নির্মিত রাজনৈতিক রূপকধর্মী চলচ্চিত্র ‘জীবন থেকে নেয়া’ বাঙালিকে স্বাধীনতা আন্দোলনের দিকে ব্যাপকভাবে উদ্বুদ্ধ করেছিল।

🪖 স্বাধীনতা পরবর্তী যুদ্ধ ও স্বর্ণযুগ (১৯৭১ – ১৯৮০-এর দশক)

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশের চলচ্চিত্র একটি নতুন দিগন্তে প্রবেশ করে। এই সময়টিকে ঢাকাই সিনেমার “স্বর্ণযুগ” বলা চলে।

  • মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র: স্বাধীনতার পরপরই চাষী নজরুল ইসলামের ‘ওরা ১১ জন’, সুভাষ দত্তের ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’, এবং আলমগীর কবিরের ‘ধীরে বহে মেঘনা’-র মতো কালজয়ী মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মিত হয়।
  • সামাজিক ও পারিবারিক সিনেমা: রাজ্জাক, কবরী, শাবানা, নাদিম, ববিতা, ফারুক ও আলমগীরদের অভিনয়ে সামাজিক ও পারিবারিক ড্রামাগুলো দর্শকদের হলমুখী করে তোলে। ‘লাঠিয়াল’, ‘সুজন সখী’, ‘সারেং বৌ’ এবং ‘অশিক্ষিত’-র মতো সিনেমাগুলো তুমুল জনপ্রিয়তা পায়।
  • আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি: ১৯৭৮ সালে আমজাদ হোসেন পরিচালিত ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ এবং মোরশেদুল ইসলামের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘আগামী’ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসা কুড়ায়।

🎭 বাণিজ্যিক ধারা এবং সালমান শাহ উন্মাদনা (১৯৯০-এর দশক)

নব্বইয়ের দশকের শুরুতে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে একটি বড় পরিবর্তন আসে। পারিবারিক ড্রামার পাশাপাশি রোমান্টিক ও অ্যাকশন ঘরানার সিনেমার জোয়ার আসে।

  • সালমান শাহ যুগ: ১৯৯৩ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমার মাধ্যমে আগমন ঘটে ঢালিউডের চিরসবুজ নায়ক সালমান শাহর। মৌসুমী ও শাবনূরের সাথে তাঁর জুটি দেশের তরুণ সমাজকে সিনেমার প্রতি নতুন করে দেওয়ানা করে তোলে।
  • অ্যাকশন ও ফ্যান্টাসি: জসিম, ইলিয়াস কাঞ্চন ও রুবেলের হাত ধরে মার্শাল আর্ট ও অ্যাকশন ধারার সিনেমা জনপ্রিয় হয়। এর মধ্যে ১৯৮৯ সালে মুক্তি পাওয়া ফ্যান্টাসি সিনেমা ‘বেদের মেয়ে জোছনা’ আয়ের দিক থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম সফল চলচ্চিত্র হিসেবে বিবেচিত।

📉 মন্দা যুগ এবং অশ্লীলতার কালো থাবা (২০০০ – ২০১০)

২০০০ সালের পর থেকে ঢাকাই চলচ্চিত্র এক অন্ধকার যুগের মুখোমুখি হয়।

  • অশ্লীলতা ও পাইরেসি: সস্তা গল্প, নকল স্ক্রিপ্ট এবং কাটপিসের (অশ্লীল দৃশ্য) কারণে মধ্যবিত্ত ও পরিবার পরিজন নিয়ে দর্শকরা প্রেক্ষাগৃহে যাওয়া বন্ধ করে দেন।
  • হল বন্ধ হওয়া: ভালো দর্শক না পাওয়ায় দেশের শত শত ঐতিহ্যবাহী সিনেমা হল লোকসানের মুখে পড়ে বন্ধ হয়ে যেতে থাকে। তবে এই অন্ধকার সময়েও তারেক মাসুদের ‘মাটির ময়না’ (২০০২), মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘ব্যাচেলর’ (২০০৪) কিংবা গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘মনপুরা’ (২০০৯) এর মতো সিনেমাগুলো আশার আলো হয়ে জ্বলছিল।

🚀 শাকিব খানের উত্থান ও আধুনিকায়ন (২০১০ – ২০২০)

অন্ধকার যুগ কাটিয়ে ঢাকাই সিনেমাকে একাই টেনে নিয়ে যান সুপারস্টার শাকিব খান‘নাম্বার ওয়ান শাকিব খান’, ‘কিং খান’ ইত্যাদি সিনেমার মাধ্যমে তিনি হলগুলোতে দর্শক ধরে রাখেন।

  • ডিজিটাল যুগে প্রবেশ: এই দশকেই সেলুলয়েড ফিতা বাদ দিয়ে সিনেমা পুরোপুরি ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপ নেয়।
  • বিকল্প ধারার সিনেমার জোয়ার: জয়া আহসান, চঞ্চল চৌধুরী, মোশাররফ করিমদের শক্তিশালী অভিনয় এবং রেদওয়ান রনি, অমিতাভ রেজা চৌধুরীর মতো তরুণ নির্মাতাদের হাত ধরে ‘আয়নাবাজি’ (২০১৬) ও ‘দেবী’ (২০১৮) এর মতো ভিন্নধর্মী সিনেমা বিপুল সাড়া জাগায়।

🌟 বর্তমান সময়: মাল্টিপ্লেক্স ও বিশ্বজয় (২০২১ – বর্তমান)

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র এক অভূতপূর্ব রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ওটিটি (OTT) প্ল্যাটফর্ম এবং আধুনিক মাল্টিপ্লেক্সের আগমন সিনেমার সংজ্ঞা বদলে দিয়েছে।

  • বিশ্ববাজারে ঢাকাই সিনেমা: মেজবাউর রহমান সুমনের ‘হাওয়া’ (২০২২) এবং রায়হান রাফির ‘পরাণ’ (২০২২) দেশের সীমানা ছাড়িয়ে উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে প্রবাসী বাঙালিদের মাঝে উন্মাদনা সৃষ্টি করে।
  • রেকর্ড ভাঙা ব্যবসা: ২০২৩ সালে হিমেল আশরাফ পরিচালিত এবং শাকিব খান অভিনীত ‘প্রিয়তমা’ বিশ্বব্যাপী আয়ের দিক থেকে সব রেকর্ড ভেঙে দেয়। এরপর ২০২৪ সালের ঈদে মুক্তি পাওয়া রায়হান রাফির ‘তুফান’ ঢাকাই সিনেমার ইতিহাসে অন্যতম বড় ব্লকবাস্টার হিসেবে আবির্ভূত হয়।

উপসংহার: নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে গেলেও বাংলাদেশের চলচ্চিত্র এখন প্রযুক্তিতে আধুনিক এবং গল্পে বিশ্বমানের হয়ে উঠছে। বিশ্বজুড়ে বাংলা সিনেমার এই জয়জয়কার ইঙ্গিত দেয় যে, ঢাকাই চলচ্চিত্রের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল।

Land Measurement: সহজ পদ্ধতিতে জমি পরিমাপের নিয়ম: শতাংশ, কাঠা ও বিঘা পরিমাপের সঠিক সূত্র

Land Measurement: সহজ পদ্ধতিতে জমি পরিমাপ ও হিসাব করার নিয়ম

আমাদের দেশে জমি কেনাবেচা, উত্তরাধিকার সূত্রে বণ্টন বা সীমানা নির্ধারণের জন্য জমি পরিমাপের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় সঠিক নিয়ম না জানার কারণে মানুষ নানাবিধ সমস্যায় পড়েন। তবে সাধারণ কিছু গাণিতিক সূত্র জানা থাকলে আপনি নিজেই আপনার জমির পরিমাপ ও হিসাব নিখুঁতভাবে বের করতে পারবেন।

আজকের আর্টিকেলে আমরা আলোচনা করব কীভাবে খুব সহজে জমির ক্ষেত্রফল (Area) বের করে তা শতাংশ, কাঠা বা বিঘাতে রূপান্তর করা যায়।

১. জমি পরিমাপের এককসমূহ (Land Measurement Units)

জমি মাপার মূল ভিত্তি হলো বর্গফুট (Square Feet) বা বর্গলিংক। তবে আমাদের দেশে প্রচলিত এককগুলো হলো:

  • ১ শতাংশ (ডেসিমেল) = ৪৩৫.৬ বর্গফুট
  • ১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট
  • ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ (১৪,৫২০ বর্গফুট)
  • ১ একর = ১০০ শতাংশ (৪৩,৫৬০ বর্গফুট)

২. চতুর্ভুজ বা চারকোণা জমির পরিমাপ (Square/Rectangular Land)

বেশিরভাগ জমিই সাধারণত আয়তাকার বা চারকোণা হয়ে থাকে। ধরা যাক, আপনার জমিটি একটি আয়তাকার ক্ষেত্র, যার দুই পাশের দৈর্ঘ্য সমান এবং দুই পাশের প্রস্থ সমান।

সূত্র:

ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য x প্রস্থ

উদাহরণ:

মনে করুন, আপনার জমির দৈর্ঘ্য ৬০ ফুট এবং প্রস্থ ৪০ ফুট

  • জমির মোট ক্ষেত্রফল = ৬০ x ৪০ = ২,৪০০ বর্গফুট।

শতাংশে রূপান্তর:

আমরা জানি, ১ শতাংশ = ৪৩৫.৬ বর্গফুট।

কাঠায় রূপান্তর:

আমরা জানি, ১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।

৩. অসম চতুর্ভুজ বা আঁকাবাঁকা জমির পরিমাপ (Irregular Quadrangle)

বাস্তবে সব জমির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ সমান হয় না। চারপাশের চারটে বাহু চার রকম হতে পারে। একে বলা হয় অসম চতুর্ভুজ। এই ধরনের জমি মাপার জন্য “গড় পদ্ধতি” ব্যবহার করা হয়।

উদাহরণ:

ধরুন একটি জমির—

ক্ষেত্রফল ও শতাংশের হিসাব:

(দ্রষ্টব্য: জমি যদি অতিরিক্ত আঁকাবাঁকা বা অসম হয়, তবে গড় পদ্ধতিতে সামান্য এদিক-ওদিক হতে পারে। নিখুঁত হিসাবের জন্য জমিটিকে মাঝখান দিয়ে ত্রিভুজে ভাগ করে হিরনসের সূত্র (Heron’s Formula) ব্যবহার করা উত্তম।)

৪. ত্রিভুজ আকৃতির জমির পরিমাপ (Triangular Land)

অনেক সময় জমির এক মাথা চওড়া এবং অন্য মাথা চিকন বা কোণাকৃতির হয়ে থাকে। তিনকোণা জমির ক্ষেত্রে নিচের সূত্রটি ব্যবহার করতে হয়।

সূত্র:

উদাহরণ:

একটি ত্রিভুজাকার জমির ভূমির দৈর্ঘ্য ৫০ ফুট এবং উচ্চতা ৩০ ফুট।

মোবাইল অ্যাপ দিয়ে সহজে জমি পরিমাপ

বর্তমান প্রযুক্তির যুগে হাত দিয়ে হিসাব করার পাশাপাশি স্মার্টফোনে বিভিন্ন Land Calculator বা “জমি পরিমাপ ক্যালকুলেটর” অ্যাপ পাওয়া যায়। অ্যাপে শুধু জমির দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের মানগুলো বসিয়ে দিলেই মুহূর্তের মধ্যে শতাংশ, কাঠা বা বিঘা স্ক্রিনে চলে আসে।

শেষ কথা

জমির সঠিক পরিমাপ জানা থাকলে যেকোনো ধরনের সীমানা বিরোধ বা প্রতারণা থেকে নিজেকে রক্ষা করা সম্ভব। তবে সরকারি বা আইনি কাজের জন্য সবসময় একজন সার্টিফাইড আমিন বা ল্যান্ড সার্ভেয়ার (Land Surveyor) দ্বারা জমি পরিমাপ করিয়ে নেওয়া উচিত।

আরো দেখুন

Mutation Khatian Cancel: নামজারি খতিয়ান বাতিল করতে হলে যা করতে হবে

নামজারি খতিয়ান বা Mutation Khatian হলো জমির মালিকানা পরিবর্তনের পর নতুন মালিকের নাম সরকারি ভূমি রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া। সহজভাবে বলতে গেলে, কোনো ব্যক্তি জমি ক্রয় করলে, উত্তরাধিকার সূত্রে জমি পেলে, দান বা হেবা গ্রহণ করলে কিংবা আদালতের রায়ের মাধ্যমে মালিকানা লাভ করলে সেই পরিবর্তিত মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করাকে নামজারি বলা হয়। বাংলাদেশে এটি অনেক সময় “খারিজ” নামেও পরিচিত। নামজারির মাধ্যমে সরকার জমির প্রকৃত মালিক শনাক্ত করে এবং সেই অনুযায়ী ভূমি উন্নয়ন কর বা খাজনা আদায়ের ব্যবস্থা করে।

নামজারি খতিয়ান বাতিল করতে

বাংলাদেশে কোনো নামজারি খতিয়ান (Mutation Khatian) ভুলভাবে তৈরি হলে, জালিয়াতির মাধ্যমে হলে, বা প্রকৃত মালিকের অধিকার ক্ষুণ্ন হলে সেটি বাতিল বা সংশোধনের জন্য নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। সাধারণত এই কাজটি সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস বা ভূমি আপিল বোর্ডের মাধ্যমে করা হয়।

নামজারির মূল উদ্দেশ্য

নামজারির মাধ্যমে সরকার নিশ্চিত করে—

  • জমির প্রকৃত মালিক কে
  • কে ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) প্রদান করবে
  • ভবিষ্যতে জমি বিক্রি বা হস্তান্তরের বৈধতা
  • সরকারি রেকর্ডে মালিকানার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা

নামজারি খতিয়ান বাতিলের সাধারণ কারণ

নিচের কারণে নামজারি বাতিলের আবেদন করা যায়ঃ

  • জাল দলিল বা ভুয়া কাগজে নামজারি হওয়া
  • প্রকৃত মালিককে না জানিয়ে নামজারি করা
  • উত্তরাধিকার ভুল দেখানো
  • দাগ, খতিয়ান বা জমির পরিমাণ ভুল
  • আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে নামজারি হওয়া
  • একই জমি অন্যের নামে খারিজ হওয়া
  • প্রতারণামূলক বা Fraudulent Entry হওয়া

নামজারি খতিয়ান কেন গুরুত্বপূর্ণ

১. সরকারি মালিকানার রেকর্ড: জমি কেনার পর শুধু দলিল করলেই সম্পূর্ণ নিরাপদ মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয় না। সরকারি খতিয়ানে নাম অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি।

২. খাজনা পরিশোধের জন্য প্রয়োজন: নামজারি ছাড়া অনেক ক্ষেত্রে নিজের নামে খাজনা দেওয়া যায় না।

৩. ভবিষ্যতে জমি বিক্রির সুবিধা: নামজারি না থাকলে পরবর্তীতে জমি বিক্রি, ব্যাংক ঋণ বা হস্তান্তরে সমস্যা হয়।

৪. জমি বিরোধ কমায়: সঠিক নামজারি থাকলে মালিকানা নিয়ে বিরোধ তুলনামূলক কম হয়।

কোন কোন ক্ষেত্রে নামজারি করতে হয়

নিচের পরিস্থিতিতে সাধারণত নামজারি প্রয়োজন হয়—

  • জমি ক্রয় করলে
  • উত্তরাধিকার সূত্রে জমি পেলে
  • হেবা/দান পেলে
  • আদালতের রায়ের মাধ্যমে মালিকানা পেলে
  • জমি বণ্টন বা ভাগ হলে
  • কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের নামে জমি হস্তান্তর হলে

নামজারি খতিয়ান বাতিল করার ধাপসমূহ

১. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ

প্রথমে নিচের কাগজগুলো প্রস্তুত করতে হবে—

  • বর্তমান নামজারি খতিয়ানের কপি
  • মূল খতিয়ান (এসএ, আরএস, বিএস ইত্যাদি)
  • দলিলের কপি
  • পর্চা/খাজনার রসিদ
  • ওয়ারিশ সনদ (যদি উত্তরাধিকার বিষয় হয়)
  • জাতীয় পরিচয়পত্র
  • আদালতের রায় (যদি থাকে)
  • জালিয়াতির প্রমাণ বা আপত্তির দলিল

২. এসিল্যান্ড অফিসে “মিস কেস” দায়ের

যে উপজেলায় জমি অবস্থিত, সেই উপজেলার ভূমি মন্ত্রণালয় অধীন সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে “মিস মামলা” বা Miscellaneous Case করতে হয়।

এখানে আবেদনপত্রে উল্লেখ করতে হবেঃ

  • কোন খতিয়ান বাতিল চান
  • কেন বাতিল চান
  • কীভাবে ভুল বা প্রতারণা হয়েছে
  • প্রকৃত মালিকানা কার

আইনগতভাবে এটি SAT Act 1950 এর ধারা ১৪৩ এবং Tenancy Rules 1955 এর Rule 23 অনুযায়ী করা হয়।

৩. তদন্ত ও শুনানি

আবেদন গ্রহণের পর—

  • ইউনিয়ন ভূমি অফিস তদন্ত করবে
  • মাঠ পর্যায়ে যাচাই হবে
  • সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নোটিশ দেওয়া হবে
  • শুনানি অনুষ্ঠিত হবে

এই পর্যায়ে উভয় পক্ষ তাদের কাগজপত্র ও সাক্ষ্য উপস্থাপন করতে পারে।

৪. এসিল্যান্ডের সিদ্ধান্ত

তদন্তে যদি প্রমাণ হয় যে—

  • নামজারি ভুল হয়েছে,
  • জালিয়াতির মাধ্যমে হয়েছে,
  • বা আইনগত ত্রুটি আছে,

তাহলে সহকারী কমিশনার (ভূমি) নামজারি বাতিল বা সংশোধনের আদেশ দিতে পারেন।

এরপর নতুন সংশোধিত খতিয়ান প্রস্তুত করা হয়।

যদি এসিল্যান্ড আবেদন খারিজ করে

তাহলে আপিল করা যায়ঃ

ধাপকোথায় আপিল
১ম আপিলঅতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব)
২য় আপিলবিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব)
চূড়ান্ত আপিলভূমি আপিল বোর্ড

সাধারণত ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হয়। (Prothomalo)


আদালতে মামলা করার সুযোগ

যদি বিষয়টি জটিল মালিকানা বিরোধ হয়, তাহলে—

  • দেওয়ানি আদালতে Title Suit
  • Declaration Suit
  • Injunction মামলা

করতে হতে পারে।

বিশেষ করে জাল দলিল বা মালিকানা বিরোধ থাকলে আদালতের রায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায়।

bdinfo360 Facebook Page

কত সময় লাগে?

সাধারণত—

  • সহজ সংশোধন: ৩০–৪৫ দিন
  • জটিল বিরোধ: কয়েক মাস বা তার বেশি

সময় লাগতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ

  • শুধু মৌখিক অভিযোগে কাজ হয় না, লিখিত প্রমাণ প্রয়োজন।
  • জমি সংক্রান্ত বিরোধে অভিজ্ঞ আইনজীবীর সহায়তা নেওয়া ভালো।
  • জাল দলিল থাকলে ফৌজদারি মামলাও করা যায়।
  • অনলাইনে নামজারি তথ্য যাচাই করা উচিত।

ভূমি মন্ত্রণালয় ই-সেবা

ভূমি আপিল বোর্ড

FIFA World Cup 2026 Fixture – সময়সূচি ও বিস্তারিত তথ্য (বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী)

FIFA World Cup 2026 Fixture

ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে বড় আসর FIFA World Cup 2026 অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২০২৬ সালে। এবারের বিশ্বকাপ ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপ, কারণ প্রথমবারের মতো এতে অংশ নেবে ৪৮টি দল এবং আয়োজন করবে তিনটি দেশ— United States, Canada এবং Mexico।

এই টুর্নামেন্ট শুরু হবে ১১ জুন ২০২৬ এবং ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ১৯ জুলাই ২০২৬। মোট ম্যাচ হবে ১০৪টি। নতুন ফরম্যাটের কারণে এবারের বিশ্বকাপ হবে আরও প্রতিযোগিতাপূর্ণ এবং উত্তেজনাপূর্ণ।


FIFA World Cup 2026 সংক্ষিপ্ত তথ্য

বিষয়তথ্য
টুর্নামেন্টFIFA World Cup 2026
আয়োজক দেশযুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো
মোট দল৪৮টি
মোট ম্যাচ১০৪টি
শুরু১১ জুন ২০২৬
ফাইনাল১৯ জুলাই ২০২৬
ফরম্যাট১২টি গ্রুপ
বর্তমান চ্যাম্পিয়নArgentina national football team

বিশ্বকাপ ২০২৬ এর নতুন ফরম্যাট

২০২৬ বিশ্বকাপে থাকবে মোট ১২টি গ্রুপ। প্রতিটি গ্রুপে থাকবে ৪টি করে দল।

গ্রুপ পর্ব

  • ১২টি গ্রুপ
  • প্রতি গ্রুপে ৪টি দল
  • প্রতিটি দল খেলবে ৩টি ম্যাচ

নকআউট পর্ব

  • প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ ২ দল
  • সেরা ৮টি তৃতীয় স্থানধারী দল
  • মোট ৩২টি দল যাবে নকআউটে
FIFA বিশ্বকাপ ২০২৬

আয়োজক শহর ও স্টেডিয়াম

MetLife Stadium (নিউ জার্সি, যুক্তরাষ্ট্র)

📍 নিউ জার্সিতে অবস্থিত এই স্টেডিয়ামটি FIFA বিশ্বকাপ ২০২৬ ফাইনালের সম্ভাব্য ভেন্যু হিসেবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে। প্রায় ৮২,৫০০ দর্শক ধারণক্ষমতার এই আধুনিক স্টেডিয়ামটি বিশাল LED ডিসপ্লে, উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রিমিয়াম দর্শক সুবিধার জন্য বিখ্যাত। বড় আন্তর্জাতিক স্পোর্টস ইভেন্ট আয়োজনের অভিজ্ঞতা থাকায় এটি বিশ্বকাপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্টেডিয়াম।

SoFi Stadium (লস অ্যাঞ্জেলেস, ক্যালিফোর্নিয়া)

📍 যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেসে অবস্থিত SoFi Stadium বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক ও ব্যয়বহুল স্টেডিয়ামগুলোর একটি। প্রায় ৭০,০০০+ দর্শক ধারণক্ষমতার এই স্টেডিয়ামে রয়েছে বিশাল 4K ভিডিও বোর্ড, স্মার্ট প্রযুক্তি এবং অত্যাধুনিক ডিজাইন। আধুনিক অবকাঠামো ও বিলাসবহুল দর্শক সুবিধার কারণে এটি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর অন্যতম আকর্ষণীয় ভেন্যু।

AT&T Stadium (আরলিংটন, টেক্সাস)

📍 টেক্সাসের আরলিংটনে অবস্থিত AT&T Stadium প্রায় ৮০,০০০+ দর্শক ধারণ করতে সক্ষম। বিশাল রিট্র্যাক্টেবল ছাদ এবং বিশ্বের অন্যতম বড় ভিডিও স্ক্রিন এই স্টেডিয়ামের প্রধান আকর্ষণ। আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত দর্শক সুবিধার কারণে এটি বিশ্বমানের ফুটবল আয়োজনের জন্য আদর্শ একটি ভেন্যু।

Mercedes-Benz Stadium (আটলান্টা, জর্জিয়া)

📍 জর্জিয়ার আটলান্টায় অবস্থিত এই স্টেডিয়ামটির ধারণক্ষমতা প্রায় ৭১,০০০ দর্শক। অনন্য ছাদ ডিজাইন, ৩৬০ ডিগ্রি LED ডিসপ্লে এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির জন্য Mercedes-Benz Stadium বিশ্বজুড়ে পরিচিত। আধুনিক স্থাপত্য ও উন্নত দর্শকসেবার কারণে এটি FIFA বিশ্বকাপ ২০২৬-এর অন্যতম হাই-টেক স্টেডিয়াম।

Hard Rock Stadium (মিয়ামি গার্ডেনস, ফ্লোরিডা)

📍 ফ্লোরিডার মিয়ামি গার্ডেনসে অবস্থিত Hard Rock Stadium প্রায় ৬৫,০০০+ দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন। আন্তর্জাতিক ফুটবল ও বড় স্পোর্টস ইভেন্ট আয়োজনের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে এই স্টেডিয়ামের। সমুদ্র উপকূলের কাছাকাছি অবস্থান, আধুনিক VIP সুবিধা এবং উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এটিকে বিশেষভাবে আকর্ষণীয় করেছে।

Arrowhead Stadium (কানসাস সিটি, মিসৌরি)

📍 মিসৌরির কানসাস সিটিতে অবস্থিত Arrowhead Stadium প্রায় ৭৬,০০০+ দর্শক ধারণ করতে পারে। তুমুল দর্শক পরিবেশ ও উচ্চ শব্দের জন্য এটি বিশ্বজুড়ে বিখ্যাত। ফুটবল ম্যাচে অসাধারণ আবহ তৈরি করার কারণে FIFA বিশ্বকাপ ২০২৬-এর জন্য এটি অন্যতম উত্তেজনাপূর্ণ স্টেডিয়াম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Lumen Field (সিয়াটল, ওয়াশিংটন)

📍 ওয়াশিংটনের সিয়াটলে অবস্থিত Lumen Field প্রায় ৬৯,০০০ দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন। বৃষ্টিবান্ধব ডিজাইন, শক্তিশালী সাউন্ড সিস্টেম এবং উন্নত মাঠ সুবিধার কারণে এটি দর্শকদের জন্য অসাধারণ অভিজ্ঞতা প্রদান করে। আধুনিক অবকাঠামো ও আরামদায়ক পরিবেশের জন্য স্টেডিয়ামটি বেশ জনপ্রিয়।

Gillette Stadium (ফক্সবরো, ম্যাসাচুসেটস)

📍 ম্যাসাচুসেটসের ফক্সবরোতে অবস্থিত Gillette Stadium প্রায় ৬৫,০০০+ দর্শক ধারণ করতে সক্ষম। উন্নত নিরাপত্তা প্রযুক্তি, মাল্টি-ইভেন্ট আয়োজনের সক্ষমতা এবং আধুনিক দর্শকসেবার কারণে এটি বড় টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য আদর্শ একটি স্টেডিয়াম।

Levi’s Stadium (সান্তা ক্লারা, ক্যালিফোর্নিয়া)

📍 ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারায় অবস্থিত Levi’s Stadium প্রায় ৬৮,৫০০ দর্শক ধারণ করতে পারে। পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি, সৌরশক্তির ব্যবহার এবং স্মার্ট অবকাঠামোর জন্য এই স্টেডিয়াম বিশেষভাবে পরিচিত। আধুনিক ডিজাইন ও উন্নত প্রযুক্তির সমন্বয়ে এটি FIFA বিশ্বকাপ ২০২৬-এর অন্যতম আকর্ষণীয় ভেন্যু।

Lincoln Financial Field (ফিলাডেলফিয়া, পেনসিলভানিয়া)

📍 পেনসিলভানিয়ার ফিলাডেলফিয়ায় অবস্থিত Lincoln Financial Field প্রায় ৬৭,০০০+ দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন। উন্নত টিকিটিং ব্যবস্থা, স্মার্ট প্রযুক্তি এবং আরামদায়ক দর্শক সুবিধার কারণে এটি আন্তর্জাতিক ফুটবল আয়োজনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি স্টেডিয়াম।

NRG Stadium (হিউস্টন, টেক্সাস)

📍 টেক্সাসের হিউস্টনে অবস্থিত NRG Stadium প্রায় ৭২,০০০+ দর্শক ধারণ করতে পারে। রিট্র্যাক্টেবল ছাদ, এয়ার কন্ডিশন সুবিধা এবং বড় স্পোর্টস ও কনসার্ট আয়োজনের সক্ষমতা এই স্টেডিয়ামের বিশেষ আকর্ষণ। আধুনিক অবকাঠামো ও আরামদায়ক পরিবেশ এটিকে বিশ্বকাপের জন্য উপযুক্ত ভেন্যু করেছে।


BC Place (ভ্যাঙ্কুভার, কানাডা)

📍 কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে অবস্থিত BC Place প্রায় ৫৪,০০০+ দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন। রিট্র্যাক্টেবল ছাদ, উন্নত আলোকসজ্জা এবং আধুনিক দর্শক সুবিধার কারণে এটি কানাডার অন্যতম সেরা স্টেডিয়াম হিসেবে পরিচিত।

BMO Field (টরন্টো, কানাডা)

📍 টরন্টোর BMO Field প্রায় ৪৫,০০০ দর্শক ধারণ করতে সক্ষম। ফুটবল-নির্ভর এই আধুনিক স্টেডিয়ামে রয়েছে উন্নত সাউন্ড সিস্টেম, সুন্দর মাঠ পরিবেশ এবং আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের উপযোগী অবকাঠামো।


Estadio Azteca (মেক্সিকো সিটি, মেক্সিকো)

📍 মেক্সিকো সিটিতে অবস্থিত Estadio Azteca প্রায় ৮৭,৫০০+ দর্শক ধারণ করতে পারে। এটি ইতিহাসের অন্যতম বিখ্যাত ফুটবল স্টেডিয়াম এবং তিনটি বিশ্বকাপ আয়োজনের রেকর্ড রয়েছে। ম্যারাডোনার ঐতিহাসিক “Hand of God” ম্যাচের জন্যও এই স্টেডিয়াম বিশ্বজুড়ে পরিচিত।

Estadio BBVA (মন্টেরে, মেক্সিকো)

📍 মেক্সিকোর মন্টেরে শহরে অবস্থিত Estadio BBVA প্রায় ৫৩,০০০ দর্শক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন। পাহাড়ঘেরা দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ, আধুনিক প্রযুক্তি এবং উন্নত দর্শকসুবিধার জন্য এটি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর অন্যতম সুন্দর স্টেডিয়াম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Estadio Akron (গুয়াদালাহারা, মেক্সিকো)

📍 গুয়াদালাহারায় অবস্থিত Estadio Akron প্রায় ৪৮,০০০+ দর্শক ধারণ করতে পারে। পরিবেশবান্ধব নকশা, আধুনিক আর্কিটেকচার এবং আন্তর্জাতিক মানের অবকাঠামোর কারণে এটি FIFA বিশ্বকাপ ২০২৬-এর অন্যতম আকর্ষণীয় স্টেডিয়াম।


FIFA World Cup 2026 গ্রুপ ফিক্সচার (বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী)

গ্রুপ A

তারিখম্যাচসময় (BST)স্টেডিয়াম
১২ জুনমেক্সিকো 2 🆚 0 দক্ষিণ আফ্রিকারাত ১:০০মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়াম
১২ জুনদক্ষিণ কোরিয়া 2 🆚 1 ফ্রান্সসকাল ৬:০০এস্তাদিও গুয়াদালাহারা
১৮ জুনচেক প্রজাতন্ত্র 1 🆚 1 সাউথ আফ্রিকারাত ১০টাআটলান্টা স্টেডিয়াম
১৮ জুনমেক্সিকো 1 🆚 0 দক্ষিণ কোরিয়াসকাল ৭টাএস্তাদিও গুয়াদালাহারা
২৫শে জুনচেক প্রজাতন্ত্র 0 🆚 3 মেক্সিকোসকাল ৭টামেক্সিকো সিটি স্টেডিয়াম
২৫শে জুনসাউথ আফ্রিকা 1 🆚 0 সাউথ কোরিয়াসকাল ৭টাএস্তাদিও মন্টেরে

গ্রুপ B

তারিখম্যাচসময়স্টেডিয়াম
১৩ জুনকানাডা 1 🆚 1 বসনিয়া-হার্জেগোভিনারাত ১টাটরন্টো স্টেডিয়াম
১৪ জুনকাতার 1 🆚 1 সুইজারল্যান্ডরাত ১টাসান ফ্রান্সিস্কো বে এরিয়া স্টেডিয়াম
১৯ জুনসুইজারল্যান্ড 4 🆚 1 বসনিয়া-হার্জেগোভিনারাত ১টালস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়াম
১৯ জুনকানাডা 6 🆚 0 কাতারভোর ৪টাবিসি প্লেস ভ্যানকুভার
২৫ জুনবসনিয়া-হার্জেগোভিনা 3 🆚 1 কাতাররাত ১টাসিয়াটল স্টেডিয়াম
২৫ জুনসুইজারল্যান্ড 2 🆚 1 কানাডারাত ১টাবিসি প্লেস ভ্যানকুভার

গ্রুপ C

তারিখম্যাচসময়স্টেডিয়াম
১৪ জুনব্রাজিল 1 🆚 1 মরক্কোভোর ৪টানিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়াম
১৪ জুনহাইতি 0 🆚 1 স্কটল্যান্ডসন্ধ্যা ৭টাবস্টন স্টেডিয়াম
২০ জুনস্কটল্যান্ড 0 🆚 1 মরক্কোভোর ৪টাবস্টন স্টেডিয়াম
২০ জুনব্রাজিল 3 🆚 0 হাইতিসকাল ৭টাফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়াম
২৫শে জুনমরক্কো 4 🆚 2 হাইতিভোর ৪টাআটলান্টা স্টেডিয়াম
২৫শে জুনস্কটল্যান্ড 0 🆚 3 ব্রাজিলভোর ৪টামায়ামি স্টেডিয়াম

গ্রুপ D

তারিখম্যাচসময়স্টেডিয়াম
১৩ই জুনযুক্তরাষ্ট্র 4 🆚 1 প্যারাগুয়েসন্ধ্যা ৭টালস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়াম
১৪ই জুনঅস্ট্রেলিয়া 2 🆚 0 তুরস্কসকাল ১০টাবিসি প্লেস ভ্যানকুভার
২০শে জুনযুক্তরাষ্ট্র 2 🆚 0 অস্ট্রেলিয়ারাত ১টাসিয়াটল স্টেডিয়াম
২০শে জুনতুরস্ক 0 🆚 1 প্যারাগুয়েসকাল ১০টাসান ফ্রান্সিস্কো বে এরিয়া স্টেডিয়াম
২৬শে জুনপ্যারাগুয়ে 0 🆚 0 অস্ট্রেলিয়াসকাল ৮টাসান ফ্রান্সিস্কো বে এরিয়া স্টেডিয়াম
২৬শে জুনতুরস্ক 3 🆚 2 যুক্তরাষ্ট্রসকাল ৮টালস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়াম

গ্রুপ E

তারিখম্যাচসময়স্টেডিয়াম
১৪ই জুনজার্মানি 7 🆚 1 কুরাসাওরাত ১১টাহিউস্টন স্টেডিয়াম
১৫ই জুনআইভরি কোস্ট 1 🆚 0 ইকুয়েডরভোর ৫টাফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়াম
২১শে জুনজার্মানি 2 🆚 1 আইভরি কোস্টরাত ২:০০টরন্টো স্টেডিয়াম
২১শে জুনইকুয়েডর 0 🆚 0 কুরাসাওভোর ৬টাক্যানসাস সিটি স্টেডিয়াম
২৬শে জুনকুরাসাও 0 🆚 2 আইভরি কোস্টরাত ২টাফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়াম
২৬শে জুনইকুয়েডর 2 🆚 1 জার্মানিরাত ২টানিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়াম

গ্রুপ F

তারিখম্যাচসময়স্টেডিয়াম
১৫ই জুননেদারল্যান্ডস 2 🆚 2 জাপানরাত ২টাডালাস স্টেডিয়াম
১৫ই জুনসুইডেন 5 🆚 1 তিউনিশিয়াসকাল ৮টাএস্তাদিও মন্টেরে
২০শে জুননেদারল্যান্ডস 5 🆚 1 সুইডেনরাত ২:০০হিউস্টন স্টেডিয়াম
২১ই জুনতিউনিশিয়া 0 🆚 4 জাপানসকাল ১০টাএস্তাদিও মন্টেরে
২৬ই জুনজাপান 1 🆚 1 সুইডেনভোর ৫টাডালাস স্টেডিয়াম
২৬ই জুনতিউনিশিয়া 1 🆚 3 নেদারল্যান্ডসভোর ৫টাক্যানসাস সিটি স্টেডিয়াম

গ্রুপ G

তারিখম্যাচসময়
স্টেডিয়াম
১৬ জুনবেলজিয়াম 1 🆚 1 মিশররাত ১:০০সিয়াটল স্টেডিয়াম
১৬ জুনইরান 2 🆚 2 নিউজিল্যান্ডসন্ধ্যা ৭টালস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়াম)
২২ জুনবেলজিয়াম 0 🆚 0 ইরানরাত ১টালস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়াম
২২ জুননিউজিল্যান্ড 1 🆚 3 মিশরসকাল ৭টাবিসি প্লেস ভ্যানকুভার
২৭ জুনমিশর 1 🆚 1 ইরানসকাল ৯টাসিয়াটল স্টেডিয়াম
২৭ জুননিউজিল্যান্ড 1 🆚 5 বেলজিয়ামসকাল ৯টাবিসি প্লেস ভ্যানকুভার

গ্রুপ H

তারিখম্যাচসময়স্টেডিয়াম
১৫ জুনস্পেন 0 🆚 0 কেপ ভার্দেরাত ১০:০০আটলান্টা স্টেডিয়াম
১৬ জুনসৌদি আরব 1 🆚 1 উরুগুয়েভোর ৪:০০মায়ামি স্টেডিয়াম
২১ জুনস্পেন 4 🆚 0 সৌদি আরবরাত ১০:০০আটলান্টা স্টেডিয়াম
২২ জুনউরুগুয়ে 2 🆚 2 কেপ ভার্দেসকাল ৪:০০মায়ামি স্টেডিয়াম
২৭ জুনকেপ ভার্দে 0 🆚 0 সৌদি আরবভোর ৬:০০হিউস্টন স্টেডিয়াম)
২৭ জুনউরুগুয়ে 0 🆚 1 স্পেনভোর ৬:০০এস্তাদিও গুয়াদালাহারা

গ্রুপ I

তারিখম্যাচসময়স্টেডিয়াম
১৭ জুনফ্রান্স 3 🆚 1 সেনেগালরাত ১:০০নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়াম
১৭ জুনইরাক 1 🆚 4 উরুগুয়েভোর ৪:০০বস্টন স্টেডিয়াম
২৩ জুনফ্রান্স 3 🆚 0 ইরাকরাত ৩:০০ফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়াম
২৩ জুননরওয়ে 3 🆚 2 সেনেগালভোর ৬:০০নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়াম
২৭ জুননরওয়ে 1 🆚 4 ফ্রান্সরাত ১:০০বস্টন স্টেডিয়াম
২৭ জুনসেনেগাল 5 🆚 0 ইরাকরাত ১:০০টরন্টো স্টেডিয়াম

গ্রুপ J

তারিখম্যাচসময়স্টেডিয়াম
১৭ জুনআর্জেন্টিনা 3 🆚 0 আলজেরিয়াসন্ধ্যা ৭:০০ক্যানসাস সিটি স্টেডিয়াম
১৭ জুনঅস্ট্রিয়া  3 🆚 1 জর্ডানসকাল ১০:০০সান ফ্রান্সিস্কো বে এরিয়া স্টেডিয়াম
২২ জুনআর্জেন্টিনা 2 🆚 0 অস্ট্রিয়ারাত ১১:০০ডালাস স্টেডিয়াম
২৩ জুনজর্ডান 1 🆚 2 আলজেরিয়াসকাল ৯:০০সান ফ্রান্সিস্কো বে এরিয়া স্টেডিয়াম
২৮ জুনআলজেরিয়া 3 🆚 3 অস্ট্রিয়াসকাল ৮:০০ক্যানসাস সিটি স্টেডিয়াম
২৮ জুনজর্ডান 1 🆚 3 আর্জেন্টিনাসকাল ৮:০০ডালাস স্টেডিয়াম

গ্রুপ K

তারিখম্যাচসময়স্টেডিয়াম
১৭ জুনপর্তুগাল 1 🆚 1 ডিআর কঙ্গোরাত ১১:০০হিউস্টন স্টেডিয়াম
১৮ জুনউজবেকিস্তান 1 🆚 3 কলম্বিয়ারাত ৮:০০মেক্সিকো সিটি স্টেডিয়াম
২৩ জুনপর্তুগাল 5 🆚 0 উজবেকিস্তানরাত ১১টাহিউস্টন স্টেডিয়াম
২৪ জুনকলম্বিয়া 1 🆚 0 ডিআর কঙ্গোসকাল ৮টাএস্তাদিও গুয়াদালাহারা
২৮ জুনকলম্বিয়া 0 🆚 0 পর্তুগালভোর সাড়ে ৫টামায়ামি স্টেডিয়াম
২৮ জুনডিআর কঙ্গো 3 🆚 1 উজবেকিস্তানভোর সাড়ে ৫টাআটলান্টা স্টেডিয়াম

গ্রুপ L

তারিখম্যাচসময়স্টেডিয়াম
১৮ জুনইংল্যান্ড 4 🆚 2 ক্রোয়েশিয়ারাত ২টাডালাস স্টেডিয়াম
১৮ জুনঘানা 1 🆚 0 পানামাভোর ৫টাটরন্টো স্টেডিয়াম
২৪ জুনইংল্যান্ড 0 🆚 0 ঘানারাত রাত ২টাবস্টন স্টেডিয়াম
২৪ জুনপানামা 0 🆚 1 ক্রোয়েশিয়াভোর ৫টাটরন্টো স্টেডিয়াম
২৮ জুনক্রোয়েশিয়া  2 🆚 1 ঘানারাত ৩টাফিলাডেলফিয়া স্টেডিয়াম
২৮ জুনপানামা  0 🆚 2 ইংল্যান্ডরাত ৩টানিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়াম

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের (Round of 32) খেলা শুরু হচ্ছে। টুর্নামেন্টের নতুন নিয়ম অনুযায়ী ৪৮টি দল অংশ নেওয়ায় প্রথমবারের মতো গ্রুপ পর্বের পর রাউন্ড অফ ৩২ পর্বের প্রবর্তন করা হয়েছে।

⚽ রাউন্ড অফ ৩২ (Round of 32) এর সূচী ও ভেন্যু

গ্রুপ পর্ব শেষে নিশ্চিত হওয়া প্রথম কয়েকটি ম্যাচের সময়সূচী (বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী):

তারিখম্যাচসময়স্টেডিয়াম
২৯ জুন, ২০২৬দক্ষিণ আফ্রিকা 🆚 কানাডারাত ১:০০ টালস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়াম
৩০ জুন, ২০২৬ব্রাজিল 🆚 জাপানরাত ১টাহিউস্টন স্টেডিয়াম
৩০ জুন, ২০২৬জার্মানি 🆚 প্যারাগুয়েরাত রারাত ২:৩০ টাবস্টন স্টেডিয়াম
৩০ জুন, ২০২৬নেদারল্যান্ডস 🆚 মরক্কোসকাল ৭:০০ টামনটেরি স্টেডিয়াম
৩০ জুন, ২০২৬আইভরি কোস্ট 🆚 নরওয়েরাত ১১:০০ টাডালাস স্টেডিয়াম
৩১ জুন, ২০২৬ফ্রান্স 🆚 সুইডেনরাত ৩টানিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়াম
১ জুলাই, ২০২৬মেক্সিকো 🆚 ইকুয়েডরসকাল ৭টামেক্সিকো সিটি স্টেডিয়াম
১ জুলাই, ২০২৬ইংল্যান্ড 🆚 ডিআর কঙ্গোরাত ১০টাআটলান্টা স্টেডিয়াম
২ জুলাই, ২০২৬বেলজিয়াম 🆚 সেনেগালরাত ২টাসিয়াটল স্টেডিয়াম
২ জুলাই, ২০২৬যুক্তরাষ্ট্র 🆚 বসনিয়া-হার্জেগোভিনারাত ২টাসান ফ্রান্সিস্কো বে এরিয়া স্টেডিয়াম
৩ জুলাই, ২০২৬স্পেন 🆚 অস্ট্রিয়ারাত ১টালস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়াম
৩ জুলাই, ২০২৬পর্তুগাল 🆚 ক্রোয়েশিয়াভোর ৫টাটরন্টো স্টেডিয়াম
৩ জুলাই, ২০২৬সুইজারল্যান্ড 🆚 আলজেরিয়াসকাল ৯টাবিসি প্লেস ভ্যানকুভার
৪ জুলাই, ২০২৬অস্ট্রেলিয়া 🆚 মিশরমধ্যরাত ১২টাডালাস স্টেডিয়াম
৪ জুলাই, ২০২৬আর্জেন্টিনা 🆚 কেপ ভার্দেভোর ৪টামায়ামি স্টেডিয়াম
৪ জুলাই, ২০২৬কলম্বিয়া 🆚 ঘানাসকাল সাড়ে ৭টাক্যানসাস সিটি স্টেডিয়াম

🗓️ নকআউট পর্বের মূল সময়সূচী (এক নজরে)

পর্ব (Round)শুরুর তারিখ (বাংলাদেশ সময়)শেষের তারিখ (বাংলাদেশ সময়)
রাউন্ড অফ ৩২ (Round of 32)২৯ জুন, ২০২৬৪ জুলাই, ২০২৬
রাউন্ড অফ ১৬ (Round of 16)৫ জুলাই, ২০২৬৮ জুলাই, ২০২৬
কোয়ার্টার-ফাইনাল (Quarter-finals)১০ জুলাই, ২০২৬১২ জুলাই, ২০২৬
সেমি-ফাইনাল (Semi-finals)১৫ জুলাই, ২০২৬১৬ জুলাই, ২০২৬
তৃতীয় স্থান নির্ধারণী (Third-place)১৯ জুলাই, ২০২৬
ফাইনাল (World Cup Final)২০ জুলাই, ২০২৬

🏟️ পরবর্তী পর্বগুলোর বিস্তারিত রূপরেখা

  • রাউন্ড অফ ১৬ (৫ – ৮ জুলাই): কোয়ার্টার-ফাইনালের টিকিট পাওয়ার লড়াইয়ে শেষ ১৬টি দল মুখোমুখি হবে। ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে ফিলাডেলফিয়া, হিউস্টন, নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি, মেক্সিকো সিটি, ডালাস, সিয়াটল, আটলান্টা এবং ভ্যাঙ্কুভারে।
  • কোয়ার্টার-ফাইনাল (১০ – ১২ জুলাই): সেমি-ফাইনালের শেষ চারে জায়গা করে নিতে ৮টি দল লড়বে বস্টন, লস অ্যাঞ্জেলেস, মায়ামি এবং কানসাস সিটিতে।
  • সেমি-ফাইনাল (১৫ – ১৬ জুলাই): ফাইনালের মহারণের আগে শেষ চারের দুটি হাই-ভোল্টেজ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ডালাস এবং আটলান্টা স্টেডিয়ামে।
  • তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ (১৯ জুলাই): সেমি-ফাইনালে হেরে যাওয়া দুই দল ব্রোঞ্জ মেডেলের লড়াইয়ে নামবে মায়ামি স্টেডিয়ামে।
  • গ্র্যান্ড ফাইনাল (২০ জুলাই, বাংলাদেশ সময় ভোর): ২০২৬ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন নির্ধারণী মেগা ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সির বিখ্যাত মেটলাইফ স্টেডিয়ামে (New York New Jersey Stadium)

বাংলাদেশ থেকে কীভাবে খেলা দেখবেন?

বাংলাদেশের দর্শকরা নিচের প্ল্যাটফর্মগুলোতে বিশ্বকাপ দেখতে পারবেন—

FIFA বিশ্বকাপ ২০২৬ এ কী কী নতুন?

FIFA World Cup 2026 হতে যাচ্ছে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও আধুনিক বিশ্বকাপ। এবারের আসরে এসেছে একাধিক বড় পরিবর্তন, যা আগের সব বিশ্বকাপ থেকে একে আলাদা করেছে। দল সংখ্যা বৃদ্ধি থেকে শুরু করে নতুন ফরম্যাট, নতুন স্টেডিয়াম এবং তিন দেশের যৌথ আয়োজন—সব মিলিয়ে এটি হতে যাচ্ছে এক নতুন যুগের বিশ্বকাপ।

১. প্রথমবার ৪৮টি দল অংশ নেবে

আগের বিশ্বকাপগুলোতে অংশ নিত ৩২টি দল। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশ নেবে ৪৮টি দেশ।

এর ফলে কী পরিবর্তন হবে?

  • আরও বেশি দেশ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে
  • এশিয়া, আফ্রিকা ও উত্তর আমেরিকার দল বাড়বে
  • ছোট দলগুলোর জন্য বড় মঞ্চ তৈরি হবে
  • বিশ্বকাপ আরও প্রতিযোগিতাপূর্ণ হবে

২. ম্যাচ সংখ্যা বেড়ে ১০৪টি

২০২২ বিশ্বকাপে মোট ম্যাচ ছিল ৬৪টি।
২০২৬ বিশ্বকাপে হবে মোট ১০৪টি ম্যাচ।

সুবিধা

  • বেশি ম্যাচ মানে বেশি উত্তেজনা
  • দর্শকরা দীর্ঘ সময় বিশ্বকাপ উপভোগ করতে পারবে
  • খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স দেখার সুযোগ বাড়বে

৩. তিন দেশের যৌথ আয়োজন

এবারের বিশ্বকাপ আয়োজন করবে তিনটি দেশ—

  • United States
  • Canada
  • Mexico

এটি ইতিহাসের প্রথম বিশ্বকাপ যেখানে তিনটি দেশ একসাথে আয়োজক।

বিশেষ দিক

  • ১৬টি শহরে ম্যাচ হবে
  • ভিন্ন সংস্কৃতি ও পরিবেশ দেখা যাবে
  • বিশাল দর্শক উপস্থিতি আশা করা হচ্ছে

৪. নতুন গ্রুপ ফরম্যাট

২০২৬ বিশ্বকাপে থাকবে ১২টি গ্রুপ।

গ্রুপ কাঠামো

  • প্রতি গ্রুপে ৪টি দল
  • মোট গ্রুপ: ১২টি
  • প্রতিটি দল খেলবে ৩টি ম্যাচ

নকআউট পর্বে যাবে

  • প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ ২ দল
  • সেরা ৮টি তৃতীয় স্থানধারী দল

মোট ৩২টি দল যাবে নকআউট পর্বে।

৫. সবচেয়ে বড় নকআউট স্টেজ

প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে থাকবে “Round of 32”।

আগে সরাসরি Round of 16 থেকে নকআউট শুরু হতো। এখন অতিরিক্ত একটি রাউন্ড যোগ হয়েছে।

নকআউট ধাপ

  • Round of 32
  • Round of 16
  • Quarter Final
  • Semi Final
  • Final

৬. আধুনিক ও হাই-টেক স্টেডিয়াম

২০২৬ বিশ্বকাপে ব্যবহার হবে বিশ্বের সবচেয়ে আধুনিক স্টেডিয়ামগুলো।

উল্লেখযোগ্য স্টেডিয়াম:

  • MetLife Stadium
  • SoFi Stadium
  • AT&T Stadium

নতুন প্রযুক্তি

  • Ultra HD সম্প্রচার
  • স্মার্ট টিকিটিং
  • উন্নত VAR প্রযুক্তি
  • AI ভিত্তিক ম্যাচ বিশ্লেষণ

৭. আরও বেশি ভক্ত ও দর্শক

FIFA World Cup 2026 হতে যাচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি দর্শক ও ভক্তসমৃদ্ধ ফুটবল আসর। এবার প্রথমবারের মতো ৪৮টি দল অংশ নেওয়ায় বিশ্বের আরও বেশি দেশের সমর্থকরা সরাসরি বিশ্বকাপের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। ফলে স্টেডিয়াম ও অনলাইন—দুই জায়গাতেই দর্শকসংখ্যা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

বিশ্বকাপ ২০২৬ আয়োজন করছে United States, Canada এবং Mexico—এই তিনটি দেশ। উন্নত পরিবহন ব্যবস্থা, আধুনিক স্টেডিয়াম এবং বড় অবকাঠামোর কারণে লাখ লাখ ফুটবলপ্রেমী সরাসরি মাঠে বসে খেলা উপভোগ করতে পারবেন।

৮. নতুন সম্প্রচার প্রযুক্তি

FIFA World Cup 2026 এ দর্শকদের জন্য থাকছে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সম্প্রচার অভিজ্ঞতা। এবার বিশ্বকাপে 4K ও 8K Ultra HD সম্প্রচার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে, ফলে ম্যাচের প্রতিটি মুহূর্ত আরও পরিষ্কার ও বাস্তবসম্মতভাবে দেখা যাবে। বড় স্ক্রিন টিভি ও স্মার্ট ডিভাইসে দর্শকরা উন্নত ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা পাবেন।

এবারের আসরে উন্নত মাল্টি-অ্যাঙ্গেল ক্যামেরা, Spidercam ও Drone Camera ব্যবহার করা হবে, যার মাধ্যমে মাঠের বিভিন্ন দিক থেকে লাইভ দৃশ্য দেখানো সম্ভব হবে। গোল, ফ্রি-কিক বা বিতর্কিত মুহূর্তগুলো আরও নিখুঁতভাবে রিপ্লে দেখা যাবে।

AI ভিত্তিক লাইভ ম্যাচ বিশ্লেষণ প্রযুক্তির মাধ্যমে খেলোয়াড়দের গতি, পাসের নির্ভুলতা ও ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যান রিয়েল টাইমে দেখানো হতে পারে। এছাড়া উন্নত VAR এবং Semi-Automated Offside Technology ব্যবহারের ফলে রেফারিং আরও নির্ভুল হবে।

VR ও AR প্রযুক্তির সাহায্যে দর্শকরা ঘরে বসেই স্টেডিয়ামের মতো অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে পারবেন। সব মিলিয়ে, বিশ্বকাপ ২০২৬ হতে যাচ্ছে ইতিহাসের সবচেয়ে আধুনিক সম্প্রচার প্রযুক্তির ফুটবল আসর।

৯. বেশি দেশের কোয়ালিফিকেশন সুযোগ

দল সংখ্যা বাড়ায় বিভিন্ন কনফেডারেশনের কোটা বেড়েছে।

সম্ভাব্য বাড়তি সুবিধা পাবে

  • এশিয়া (AFC)
  • আফ্রিকা (CAF)
  • উত্তর আমেরিকা (CONCACAF)

ফলে নতুন দেশ বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে।

১০. বিশ্বকাপের অর্থনৈতিক প্রভাব আরও বড়

বিশ্বকাপ ২০২৬ থেকে বিলিয়ন ডলারের অর্থনৈতিক কার্যক্রম তৈরি হবে।

উপকৃত খাত

  • পর্যটন
  • হোটেল ব্যবসা
  • পরিবহন
  • বিজ্ঞাপন
  • ডিজিটাল মিডিয়া

১১. সবচেয়ে দীর্ঘ বিশ্বকাপ আয়োজন

২০২৬ বিশ্বকাপ প্রায় ৪০ দিন চলবে, যা আগের তুলনায় দীর্ঘ।

এর ফলে

  • খেলোয়াড়রা বিশ্রামের বেশি সময় পাবে
  • দর্শকরা দীর্ঘ সময় টুর্নামেন্ট উপভোগ করতে পারবে

১২. উত্তর আমেরিকায় ফুটবলের নতুন যুগ

এই বিশ্বকাপের মাধ্যমে উত্তর আমেরিকায় ফুটবলের জনপ্রিয়তা আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

বিশেষ করে:

  • যুক্তরাষ্ট্রে MLS জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি
  • তরুণ ফুটবলারের সংখ্যা বাড়া
  • নতুন স্পন্সর ও বিনিয়োগ আসা

FIFA World Cup 2026 হতে যাচ্ছে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ও আকর্ষণীয় আসর। নতুন ফরম্যাট, ৪৮টি দল, ১০৪টি ম্যাচ এবং তিন দেশের যৌথ আয়োজন এবারের বিশ্বকাপকে আরও বিশেষ করে তুলেছে। ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এটি হবে এক মহা উৎসব, যেখানে বিশ্বসেরা তারকারা লড়বেন শ্রেষ্ঠত্বের জন্য।

Bangladeshi Kids’ Movies: বাংলাদেশের ইতিহাসে শিশুতোষ সিনেমার তালিকা

Bangladeshi Kids’ Movies: বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে শিশুতোষ সিনেমা একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। স্বাধীনতার পর থেকেই শিশুদের জন্য শিক্ষণীয়, বিনোদনমূলক ও সামাজিক মূল্যবোধসম্পন্ন চলচ্চিত্র নির্মাণের প্রচেষ্টা শুরু হয়।  

শিশুতোষ সিনেমাগুলো শুধু বিনোদন নয়, বরং শিশুদের নৈতিক ও সামাজিক চেতনা জাগ্রত করার লক্ষ্যই মুখ্য। বিশেষ করে “আমার বন্ধু রাশেদ” মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক শিশু চলচ্চিত্র হিসেবে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। টেলিভিশন ও ডিজিটাল মাধ্যমেও বর্তমানে শিশুতোষ কনটেন্টের জনপ্রিয়তা বাড়ছে। তবে সময়ের সঙ্গে শিশুতোষ সিনেমার সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কমে এসেছে, যা পুনরুজ্জীবিত করার দাবি উঠছে সংস্কৃতিকর্মী ও দর্শক মহলে।

বাংলাদেশের শিশুতোষ চলচ্চিত্র কেবল বিনোদন নয়—এটি শিশুদের মানসিক বিকাশ, নৈতিক শিক্ষা এবং দেশপ্রেম জাগানোর অন্যতম শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে আজও স্মরণীয় ও প্রাসঙ্গিক।

শিশুতোষ সিনেমাগুলো সম্পর্কে জেনে নেই-

অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন

মুক্তি পায়: ২০ জানুয়ারি ২০২৩
পরিচালক: আবু রায়হান জুয়েল
প্রযোজক: মুশফিকুর রহমান মঞ্জু
অভিনয়ে: সিয়াম আহমেদ ও পরীমনি এবং প্রায় ১৫ জন শিশু সিনেমায় অভিনয় করেছে।প্রখ্যাত লেখক মুহাম্মদ জাফর ইকবালের ‘রাতুলের রাত রাতুলের দিন’ অবলম্বনে নির্মিত হয়েছিলো সিনেমাটি।

চলচ্চিত্রটির কাহিনি একদল শিশু-কিশোরকে ঘিরে, যারা শিক্ষা সফরে সুন্দরবনে যায়। সেখানে তারা নানা রহস্য, বিপদ ও রোমাঞ্চকর ঘটনার মুখোমুখি হয়। সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, বন্যপ্রাণী এবং ভয়ঙ্কর পরিবেশের মধ্য দিয়ে তাদের সাহসিকতা ও বন্ধুত্বের গল্প এগিয়ে যায়।

সিনেমাটির বিশেষ দিক হলো সুন্দরবনের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য, শিশুদের অ্যাডভেঞ্চার এবং প্রকৃতি ও পরিবেশ সম্পর্কে সচেতনতার বার্তা। এটি শিশু-কিশোরদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় এবং বাংলাদেশের আধুনিক শিশুতোষ চলচ্চিত্রে নতুন মাত্রা যোগ করে। বাণিজ্যিকভাবেও সিনেমাটি ভালো সাড়া ফেলে এবং পরিবারভিত্তিক দর্শকদের মধ্যে প্রশংসিত হয়।


আজব ছেলে

মুক্তি পায়: ১৭ নভেম্বর ২০২৩
পরিচালক: মানিক মানবিক
অভিনয়ে: রিদওয়ান সিদ্দিকী, তৌকীর আহমেদ, সাজু খাদেম, তাহমিনা অথৈ প্রমুখ।
চলচ্চিত্রের দৈর্ঘ্য: ১০৫ মিনিট
আজব ছেলে গল্পটি অবলম্বন করা হয়েছে মুহাম্মদ জাফর ইকবালের একজন দুর্বল মানুষ গ্রন্থের থেকে।


আম কাঁঠালের ছুটি

মুক্তি পায়: ১৮ আগস্ট ২০২৩
পরিচালক: মোহাম্মদ নূরুজ্জামান
প্রযোজক: মোহাম্মদ নূরুজ্জামান
অভিনয়ে: লিয়ন, জুবায়ের, আরিফ, হালিমা, তানজিল, ফাতেমা, কামরুজ্জামান কামরুল,আব্দুল হামিদ
চলচ্চিত্রের দৈর্ঘ্য: ৯৭.৪০ মিনিট

চলচ্চিত্রটি রাশিয়ার চেবাক্সারি আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভালে স্পেশাল জুরি হতে ২০২২ সালের ২৬ মে মাসে অ্যাওয়ার্ড পায়। এছাড়া মেরিল প্রথম আলো অ্যাওয়ার্ড পায়।


আমার বন্ধু রাশেদ

মুক্তি পায়: ১ এপ্রিল ২০১১ (বাংলাদেশ)
পরিচালক: মোরশেদুল ইসলাম
প্রযোজক: ফরিদুর রেজা সাগর
অভিনয়ে: চৌধুরী জাওয়াতা আফনান, অন্যান্য চরিত্রে ছিলেন রাইসুল ইসলাম আসাদ, পীযুষ বন্দ্যোপাধ্যায়,   ইনামুল হক, হুমায়রা হিমু, ওয়াহিদা মল্লিক জলি, আরমান পারভেজ মুরাদ

শিশুশিল্পী: রায়ান ইবতেশাম চৌধুরী, কাজী রায়হান রাব্বি, লিখন রাহি, ফাইয়াজ বিন জিয়া, রাফায়েত জিন্নাত কাওসার আবেদীন

চলচ্চিত্রের দৈর্ঘ্য: ১০০ মিনিট
নির্মাণব্যয়: ৩০,০০০,০০৳
আয়: ৬০,০০০,০০৳

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত এই চলচ্চিত্রে রাশেদ নামের সাহসী এক কিশোর ও তার বন্ধুদের জীবনসংগ্রাম, বন্ধুত্ব এবং দেশপ্রেমের গল্প তুলে ধরা হয়েছে। সিনেমাটির বিশেষ দিক হলো শিশুদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহতা ও দেশপ্রেমকে বাস্তবধর্মীভাবে উপস্থাপন করা। চলচ্চিত্রটি সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করে এবং আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবেও প্রদর্শিত হয়। বাণিজ্যিকভাবে এটি মাঝারি সফলতা পেলেও শিক্ষামূলক চলচ্চিত্র হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।


এমিলের গোয়েন্দা বাহিনী

মুক্তি পায়: ১৯৮০
পরিচালক: বাদল রহমান
প্রযোজক: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, বাদল রহমান
অভিনয়ে: গোলাম মোস্তফা, সারা জাকের, এটিএম শামসুজ্জামান, শর্মিলী আহমেদ, মাস্টার পার্থ, শিপলু, টিপটিপ
চলচ্চিত্রের দৈর্ঘ্য: ১২৫ মিনিট
চলচ্চিত্রটি এই পাঁচটি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।
(শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র প্রযোজক, শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব-চরিত্র অভিনেতা, শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী, শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক এবং শ্রেষ্ঠ সম্পাদনা)

চলচ্চিত্রটির কাহিনিতে একদল শিশু রহস্য উদঘাটনের কাজে নেমে পড়ে এবং বুদ্ধিমত্তা, সাহস ও দলগত প্রচেষ্টার মাধ্যমে নানা সমস্যার সমাধান করে। সিনেমাটির বিশেষ দিক হলো শিশুদের যুক্তিবাদী চিন্তা, দলগত কাজ এবং সাহসিকতার গুরুত্বকে বিনোদনের মাধ্যমে তুলে ধরা। মুক্তির পর এটি শিশু-কিশোরদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং সে সময়ের সফল শিশুতোষ চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম হয়ে ওঠে। আয়সংক্রান্ত নির্ভরযোগ্য তথ্য না থাকলেও এটি বাণিজ্যিকভাবে সফল ছিল বলে ধারণা করা হয়।


কাঠাল বুড়ির বাগান

মুক্তি পায়: ১৯৮৮
পরিচালক: বাদল রহমান
অভিনয়ে: সুবর্ণা মুস্তাফা, তারিন জাহান, হুমায়ূন ফরীদি, দিলারা জামান
চলচ্চিত্রের দৈর্ঘ্য: ৪৮ মিনিট


ডানপিটে ছেলে

মুক্তি পায়: ১৯৮০
পরিচালক: খান আতাউর রহমান
প্রযোজক: খান আতাউর রহমান
অভিনয়ে: মাস্টার শাকিল, বিল‌কিস, পান্নু, শুভ, চয়‌নিকা, তমা‌লিকা, রিপন, বাপ্পী, সুভাষ, মঈনুল, মু‌ন্নী, শিল্পী, শুভ, রাজ্জাক, শর্মিলী আহমেদ, সাইফুদ্দিন, রওশন জামিল, আনোয়ারা
১৯৮১ সালে চলচিত্রটি মোট তিনটি বিভাগে ৬ষ্ঠ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন( শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার ও শ্রেষ্ঠ গীতিকার হিসেবে  খান আতাউর রহমান এবং শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী বিভাগে মাস্টার শাকিল)


ডুমুরের ফুল

মুক্তি পায়: ১৯৭৮
পরিচালক: সুভাষ দত্ত
প্রযোজক: সুভাষ দত্ত
অভিনয়ে: ববিতা, ইলিয়াস কাঞ্চন, শাকিল, সৈয়দ হাসান ইমাম, সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ
চলচ্চিত্রটি ১৯৭৯ সালে প্রদত্ত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-এ তিনটি বিভাগে পুরস্কার অর্জন করে

১৯৭৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ডুমুরের ফুল বাংলাদেশের প্রথম দিককার শিশুতোষ চলচ্চিত্রগুলোর একটি। এতে অভিনয় করেন আলমগীর, ববিতা এবং একাধিক শিশুশিল্পী। গ্রামীণ বাংলাদেশের পটভূমিতে নির্মিত এই চলচ্চিত্রে শিশুদের স্বপ্ন, আনন্দ, পারিবারিক সম্পর্ক ও সমাজের বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে। সিনেমাটির বিশেষ দিক হলো গ্রামীণ সংস্কৃতি ও বাংলার ঐতিহ্যকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা এবং শিশুমনের সরলতা ও মানবিক আবেগকে বাস্তবধর্মীভাবে তুলে ধরা। মুক্তির পর চলচ্চিত্রটি সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করে এবং শিশুতোষ চলচ্চিত্রের ধারায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। তবে এর আয় সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য বর্তমানে পাওয়া যায় না।


দূরত্ব 

মুক্তি পায়: ২০০৪
পরিচালক: মোরশেদুল ইসলাম
প্রযোজক: ফরিদুর রেজা সাগর
অভিনয়ে: হুমায়ুন ফরীদি, সুবর্ণা মুস্তাফা, রাইসুল ইসলাম আসাদ, হাকিম ফেরদৌস, আখতার হোসেন, দেলোয়ার হোসেন, ওয়াহিদা মল্লিক জলি, শহিদুল আলম সাচ্চু ও তানিয়া
চলচ্চিত্রের দৈর্ঘ্য: ৯৫ মিনিট
চলচ্চিত্রটি ২০০৪ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।

দূরত্ব বাংলাদেশের একটি সামাজিকধর্মী শিশুতোষ চলচ্চিত্র, যেখানে শিশুদের মানসিক বিকাশ, পারিবারিক টানাপোড়েন এবং সামাজিক বৈষম্যের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে। সিনেমাটিতে নবীন শিশুশিল্পীদের পাশাপাশি গুণী অভিনেতারা অভিনয় করেন। গল্পে একটি শিশুর দৃষ্টিভঙ্গি থেকে পরিবার ও সমাজের নানা বাস্তবতা দেখানো হয়েছে। চলচ্চিত্রটির বিশেষ দিক হলো শিশু মনস্তত্ত্ব ও সামাজিক বাস্তবতাকে অত্যন্ত বাস্তবধর্মীভাবে উপস্থাপন করা। যদিও সিনেমাটি বাণিজ্যিকভাবে খুব বেশি সফল হয়নি, তবে সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করেছিল এবং শিশুতোষ চলচ্চিত্রের ধারায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হয়।


পুরস্কার 

মুক্তি পায়: ১৯৮৩
পরিচালক: সি. বি. জামান
প্রযোজক: রমলা সাহা
অভিনয়ে: সুমন, শাকিল, বুলবুল আহমেদ, জয়শ্রী কবির প্রমুখ।
১৯৮৩ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রসহ পাঁচটি পুরস্কার অর্জন করে।


বৈষম্য 

মুক্তি পায়: ২১ মার্চ, ২০১৪
পরিচালক: অ্যাডাম দৌলা
প্রযোজক: মোহাম্মদ হোসেন জেমী
অভিনয়ে: আবীর হোসেন অঙ্কন, অ্যাডাম দৌলা, মিতা চৌধুরী প্রমুখ।
চলচ্চিত্রের দৈর্ঘ্য: ১২৪ মিনিট
চলচ্চিত্রটি ৩৯তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী ও শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক বিভাগে পুরস্কার অর্জন করে।


মাটির ময়না

মুক্তি পায়: ১৫ মে ২০০২ (কান চলচ্চিত্র উৎসব), ২০০৪ এপ্রিল ৩০ (উত্তর আমেরিকা)
পরিচালক: তারেক মাসুদ
প্রযোজক: ক্যাথরিন মাসুদ
অভিনয়ে:  নুরুল ইসলাম বাবলু, রাসেল ফরাজী, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, রোকেয়া প্রাচী, শোয়েব ইসলাম এবং লামিসা আর রিমঝিম।
চলচ্চিত্রের দৈর্ঘ্য: ৯৮ মিনিট
নির্মাণব্যয়: মার্কিন$৩,০০,০০০
আয়: প্রা. মার্কিন$৪৬,৮৫২
কান চলচ্চিত্র শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র বিভাগে ফিপরেস্কি আন্তর্জাতিক সমালোচকদের পুরস্কার লাভ করে। জাতীয় চলচ্চিত্র বিভাগে চলচ্চিত্রটি শ্রেষ্ঠ শিশু শিল্পী ও শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার হিসেবে পুরস্কার লাভ করে। এছাড়াও ২৪তম বাচসাস পুরস্কার অনুষ্ঠানে পাঁচটি বিভাগে পুরস্কার জেতে। 

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে আন্তর্জাতিকভাবে সবচেয়ে প্রশংসিত সিনেমাগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো মাটির ময়না। ইংরেজি নাম The Clay Bird। ২০০২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন প্রখ্যাত নির্মাতা তারেক মাসুদ এবং সহ-পরিচালনায় ছিলেন ক্যাথরিন মাসুদ। সিনেমাটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ-পূর্ব সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে একটি শিশুর দৃষ্টিভঙ্গি থেকে অত্যন্ত বাস্তবধর্মীভাবে তুলে ধরেছে। এটি শুধু বাংলাদেশেই নয়, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনেও ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে।

সিনেমাটির প্রধান চরিত্র আনু নামের এক কিশোর। আনুর চরিত্রে অভিনয় করেন শিশুশিল্পী নূরুল ইসলাম বাবু। এছাড়া সিনেমাটিতে অভিনয় করেন জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, রোকেয়া প্রাচী, সোহেল খান এবং আরও অনেকে। অভিনয়শিল্পীদের স্বাভাবিক ও বাস্তবধর্মী অভিনয় চলচ্চিত্রটিকে আরও জীবন্ত করে তুলেছিল।

চলচ্চিত্রটির কাহিনি ১৯৬০-এর দশকের পূর্ব পাকিস্তানের প্রেক্ষাপটে নির্মিত। আনু নামের একটি শিশু তার পরিবার, সমাজ এবং ধর্মীয় পরিবেশের মধ্য দিয়ে বড় হতে থাকে। তার বাবা অত্যন্ত ধর্মভীরু হওয়ায় তাকে মাদ্রাসায় পাঠানো হয়। সেখানে আনু নতুন পরিবেশ, কঠোর নিয়ম এবং সমাজের নানা বাস্তবতার মুখোমুখি হয়। একইসঙ্গে দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও মুক্তিযুদ্ধের পূর্ববর্তী উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিও ধীরে ধীরে ফুটে ওঠে। শিশুর সরল দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে সমাজ, ধর্ম, পরিবার ও রাজনীতির জটিল বাস্তবতা অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

সিনেমাটির সবচেয়ে বিশেষ দিক হলো এর বাস্তবধর্মী নির্মাণশৈলী এবং গভীর মানবিক আবেদন। মাটির ময়না ধর্মীয় রক্ষণশীলতা, পরিবার, সংস্কৃতি, মুক্তচিন্তা এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের বিষয়গুলো অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে উপস্থাপন করেছে। চলচ্চিত্রটির চিত্রগ্রহণ, লোকেশন নির্বাচন, গ্রামীণ পরিবেশ এবং আবহসংগীত দর্শকদের সেই সময়কার বাংলাদেশের বাস্তবতায় নিয়ে যায়। এছাড়া শিশু মনস্তত্ত্বকে এত সুন্দরভাবে তুলে ধরার কারণে এটি শিশু-কিশোর চলচ্চিত্র হিসেবেও বিশেষ গুরুত্ব পায়।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মাটির ময়না ব্যাপক সাফল্য অর্জন করে। ২০০২ সালে Cannes Film Festival-এ এটি প্রদর্শিত হয় এবং “FIPRESCI Prize” অর্জন করে। এটি ছিল বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে এক বিশাল অর্জন। এছাড়া চলচ্চিত্রটি শ্রেষ্ঠ বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র বিভাগে Academy Awards-এ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে মনোনয়ন দৌড়ে অংশ নেয়। আন্তর্জাতিক সমালোচকেরা সিনেমাটির গল্প, নির্মাণশৈলী এবং মানবিক উপস্থাপনাকে অত্যন্ত প্রশংসা করেন।

বাণিজ্যিক দিক থেকে মাটির ময়না মূলধারার ব্যবসাসফল সিনেমার মতো বিশাল আয় না করলেও দেশে ও বিদেশে প্রদর্শনের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করে। এটি বাংলাদেশের আর্ট ফিল্ম ও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রের বাজারে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে। বর্তমানে মাটির ময়না বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে বিবেচিত হয় এবং বিশ্ব চলচ্চিত্রে বাংলাদেশের পরিচিতি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।


রামের সুমতি 

মুক্তি পায়: ১৯৮৫
পরিচালক: শহিদুল আমিন
প্রযোজক: বেগম আমেনা আহমেদ
অভিনয়ে:  জয়,ববিতা, প্রবীর মিত্র, সুচন্দা, রওশন জামিল, নার্গিস, সাদেক বাচ্চু, সাইফুদ্দিন, আশীষ কুমার লোহ প্রমুখ।
চলচ্চিত্রের দৈর্ঘ্য: ১১৫ মিনিট
চলচ্চিত্রটি দুটি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

বাংলাদেশের জনপ্রিয় শিশুতোষ ও পারিবারিক চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রামের সুমতি অন্যতম। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত গল্প অবলম্বনে নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি শিশু-কিশোরদের কাছে বিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করে। সিনেমাটি নির্মাণ করেন আমজাদ হোসেন। এটি মুক্তির পর পারিবারিক ও শিক্ষামূলক চলচ্চিত্র হিসেবে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে এবং দীর্ঘদিন টেলিভিশনে প্রচারিত হয়েছে।

চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেন আলমগীর, ববিতা, আনোয়ার হোসেন এবং একাধিক শিশুশিল্পী। বিশেষ করে শিশু চরিত্রগুলোর স্বাভাবিক অভিনয় সিনেমাটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছিল। পারিবারিক সম্পর্ক ও গ্রামীণ জীবনের আবহ ফুটিয়ে তুলতে অভিনয়শিল্পীরা অত্যন্ত বাস্তবধর্মী অভিনয় করেন।

সিনেমার কাহিনি মূলত রাম নামের এক দুষ্টু কিন্তু সরলমনা শিশুকে কেন্দ্র করে। রাম বিভিন্ন দুষ্টুমি ও ভুল কাজের মাধ্যমে পরিবার ও আশপাশের মানুষের বিরক্তির কারণ হয়ে ওঠে। তবে তার ভেতরে মানবিকতা ও ভালোবাসা ছিল প্রবল। নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে রামের পরিবর্তন ঘটে এবং সে নিজের ভুল বুঝতে শেখে। গল্পটিতে শিশুমনের সরলতা, পরিবার, দায়িত্ববোধ এবং মানবিক মূল্যবোধ অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

চলচ্চিত্রটির বিশেষ দিক হলো এর শিক্ষামূলক ও মানবিক উপস্থাপন। রামের সুমতি শিশুদের শুধু বিনোদন দেয় না, বরং তাদের নৈতিক শিক্ষা, পরিবারকে সম্মান করা, ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং ভালো মানুষ হওয়ার বার্তাও দেয়। সিনেমাটিতে গ্রামীণ বাংলার পরিবেশ, পারিবারিক সম্পর্ক এবং সামাজিক মূল্যবোধ অত্যন্ত সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা দর্শকদের আবেগাপ্লুত করে।

বাণিজ্যিকভাবে রামের সুমতি সে সময়ের জনপ্রিয় শিশুতোষ চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল। যদিও নির্ভরযোগ্য বক্স অফিস আয়ের সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায় না, তবে এটি দর্শকপ্রিয়তা ও টেলিভিশন প্রচারের মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। বর্তমানে এটি বাংলাদেশের শিশুতোষ ও পারিবারিক চলচ্চিত্রের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় সিনেমা হিসেবে বিবেচিত হয়।


দূরবীন

মুক্তি পায়: ২৯ অক্টোবর ২০০৯
পরিচালক: জাফর ফিরোজ
প্রযোজক: অনুপম সাংস্কৃতির সংসদ
অভিনয়ে:  জাফর ফিরোজ,লাবিব,কাজী আখতারুজ্জামান,মাহবুব মুকুল,আবদুল্লাহিল কাফি, ফেরদৌস কামাল,আমান,সাইফুল্লাহ,বানা,আফনান,ইব্রাহিম,ফয়সাল,প্রান্ত দাস প্রমুখ।
চলচ্চিত্রের দৈর্ঘ্য: ৯৪ মিনিট
চলচ্চিত্রটি মুম্বাই ফ্লিম একাডেমী থেকে আন্তর্জাতিক বিভাগে সেরা চলচ্চিত্র পরিচালক হিসাবে পুরস্কার পান। 


দীপু নাম্বার টু

মুক্তি পায়: ১৯৯৬
পরিচালক: মোরশেদুল ইসলাম
প্রযোজক: ফরিদুর রেজা সাগর
অভিনয়ে: বুলবুল আহমেদ, ববিতা, আবুল খায়ের, গোলাম মুস্তাফা, শুভাশীষ এবং আরও অনেকে।
চলচ্চিত্রের দৈর্ঘ্য: ১৫৪ মিনিট

গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র দীপু একজন সাহসী কিশোর, যে নানা পারিবারিক ও সামাজিক সমস্যার মধ্যেও সত্যের পক্ষে দাঁড়ায় এবং অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে সাহসিকতার পরিচয় দেয়। সিনেমাটির বিশেষ দিক হলো শিশুমনের বাস্তবধর্মী উপস্থাপন, পারিবারিক সম্পর্কের আবেগ এবং কিশোর বয়সের সাহসিকতাকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরা। চলচ্চিত্রটি মুক্তির পর দর্শকদের প্রশংসা অর্জন করে এবং পরবর্তীতে টেলিভিশন প্রচারের মাধ্যমে আরও জনপ্রিয়তা লাভ করে। যদিও বক্স অফিস আয়ের নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান প্রকাশিত হয়নি, এটি বাংলাদেশের অন্যতম সফল শিশুতোষ চলচ্চিত্র হিসেবে পরিচিত।


মন্টু মিয়া অভিযান

মুক্তি পায়: ৯ নভেম্বর ২০০১ – ১৫ জানুয়ারি ২০০৭
স্থিতিকাল: ৩০ মিনিট
নির্মাণ প্রতিষ্ঠান: একুশে টেলিভিশন, সফট্-এডজ্ লিমিটেড
মৌসুমের সংখ্যা:
পর্বের সংখ্যা: ১৩টি পর্ব ২০০১-২০০২, ৮টি পর্ব ২০০৭

ছুটির ঘণ্টা (মুক্তি: ১৯৮০)

১৯৮০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ছুটির ঘণ্টা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের অন্যতম জনপ্রিয় ও হৃদয়স্পর্শী শিশুতোষ সিনেমা। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা ও প্রযোজনা করেন আজিজুর রহমান। এতে অভিনয় করেন সুজাতা, শওকত আকবর, রওশন জামিল এবং শিশুশিল্পী তপু। সিনেমার কাহিনি একটি বাস্তব ঘটনার অনুপ্রেরণায় নির্মিত, যেখানে স্কুল ছুটির পর ভুলবশত একটি শিশু শ্রেণিকক্ষে আটকা পড়ে যায় এবং দীর্ঘ সময় কেউ বিষয়টি বুঝতে পারে না। ধীরে ধীরে ঘটনাটি মর্মান্তিক পরিণতির দিকে এগিয়ে যায়। চলচ্চিত্রটির বিশেষ দিক হলো এর আবেগঘন উপস্থাপনা, শিশু নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলতার বিষয়টি অত্যন্ত শক্তিশালীভাবে তুলে ধরা। মুক্তির পর সিনেমাটি ব্যাপক ব্যবসায়িক সাফল্য অর্জন করে এবং দীর্ঘ সময় প্রেক্ষাগৃহে চলেছিল। নির্ভরযোগ্য আয়সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকলেও এটি সে সময়ের অন্যতম ব্যবসাসফল শিশুতোষ চলচ্চিত্র হিসেবে বিবেচিত।

পুতুল

পুতুল বাংলাদেশের একটি আবেগঘন শিশুতোষ চলচ্চিত্র, যেখানে শিশুমনের কল্পনা, স্বপ্ন ও সামাজিক বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে। এতে বিভিন্ন শিশুশিল্পীর পাশাপাশি দেশের পরিচিত অভিনেতারাও অভিনয় করেন। চলচ্চিত্রটির কাহিনি একটি শিশুর আবেগ, পরিবার এবং চারপাশের সমাজকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে। সিনেমাটির বিশেষ দিক হলো শিশুমনের সূক্ষ্ম অনুভূতি এবং পারিবারিক সম্পর্ককে অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে উপস্থাপন করা। এটি শিশুদের মানবিকতা, কল্পনাশক্তি ও পারিবারিক মূল্যবোধ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়। যদিও সিনেমাটি বাণিজ্যিকভাবে খুব বড় সফলতা অর্জন করতে পারেনি, তবে সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছিল।

সবশেষে বলা যায়, বাংলাদেশের ইতিহাসে শিশুতোষ সিনেমা কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি দেশের সংস্কৃতি, মূল্যবোধ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গঠন করার এক গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। 

আধুনিক যুগে শিশুতোষ চলচ্চিত্রের সংখ্যা কমে গেছে এবং এ ধারার প্রতি আগ্রহও কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। আজকের শিশুদের বিনোদনের বড় অংশ দখল করে নিয়েছে বিদেশি কার্টুন ও অ্যানিমেশন। তাই দেশীয় ভাষা, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধ ধরে রাখতে নতুন করে শিশুতোষ চলচ্চিত্র নির্মাণের উদ্যোগ প্রয়োজন। সরকার, নির্মাতা ও সমাজের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই ধারা আবারও সমৃদ্ধ হতে পারে।

বাংলাদেশের শিশুতোষ সিনেমা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বপ্ন, নৈতিকতা ও মানবিক বোধ জাগিয়ে তুলতে পারে—এই বিশ্বাস থেকেই বলা যায়, শিশুতোষ চলচ্চিত্রের পুনর্জাগরণ সময়ের দাবি এবং সংস্কৃতির বিকাশে এক অপরিহার্য পদক্ষেপ।

আরো দেখুন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় LL.B Part-2 Examination 2020-2022 question (বিগত বছরের প্রশ্ন)

0

এলএল.বি (শেষ পর্ব) পরীক্ষা, ২০২০

প্রথম পত্র (সম্পত্তি হস্তান্তর আইন)

ক বিভাগ

১। সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর’ বলতে কী বুঝায়? কে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে? সকল প্রকার সম্পত্তি কি হস্তান্তরযোগ্য? একজন নাবালক কি হস্তান্তর গ্রহীতা হতে পারে? একজন ব্যক্তি কি এমন কোনো সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে, যা তার নেই?

২ । (ক) একদা বন্ধক সর্বদাই বন্ধক ব্যাখ্যা কর। বন্ধক ও চার্জ এর মধ্যে পার্থক্য কী?
(খ) প্রতারণামূলক হস্তান্তর কী? এ ধরনের হস্তান্তর কি সব সময় বাতিলযোগ্য?

৩। (ক) বৈশিষ্ট্যসহ বিভিন্ন প্রকার রেহেনের সংজ্ঞা দাও। বিভিন্ন প্রকার রেহেনে, রেহেন গ্রহীতাগণের অধিকারগুলো লিখ।
(খ) মার্শালিং এবং কন্ট্রিবিউশন এর সংজ্ঞা দাও এবং ব্যাখ্যা কর। উক্ত নীতিদ্বয়ের মধ্যে বিরোধের ফলাফল কী?

৪। (ক) স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্রেতা ও বিক্রেতার অধিকার ও দায়দায়িত্বসমূহ আলোচনা কর।
(খ) “নালিশযোগ্য দাবী” এর সংজ্ঞা দাও। এটি কীভাবে হস্তান্তর করা যায়। এর গ্রহীতার দায়দায়িত্ব আলোচনা কর।

৫। (ক) কীভাবে দান সৃষ্টি করা যায়? ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইন অনুযায়ী কীভাবে একটি দান প্রত্যাহার বা স্থগিত করা যায়?
(খ) বিনিময়ের অপরিহার্য উপাদানগুলো আলোচনা কর। বিনিময়ের পক্ষদ্বয়ের অধিকার ও দায়-দায়িত্ব কী?

খ-বিভাগ বৃদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি আইন

৬। বৃদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি বলতে কী বুঝ? বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তিগুলো কী কী? একটি দেশের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তির ভূমিকা ও অবদান আলোচনা কর। বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি রক্ষার্থে ওয়াইপো এর ভূমিকা বিশ্লেষণ কর।

৭। (ক) কপিরাইট এর সংজ্ঞা দাও। কপিরাইট অর্জনের জন্য কী কী শর্ত পূরণ করতে হয়? কোন কোন কর্মে কপিরাইট থাকে?
(খ) কপিরাইটের স্বত্বনিয়োগ কাকে বলে? স্বত্বনিয়োগ কীভাবে করতে হয়? স্বত্বনিয়োগ ও লাইসেন্সের মধ্যে পার্থক্য দেখাও।

৮। ট্রেডমার্কের সংজ্ঞা দাও। একটি আইনগত ট্রেডমার্ক মঞ্জুর করার ক্ষেত্রে আবেদন ও নবায়ন করার পদ্ধতি লিখ। কোন কোন ক্ষেত্রে ট্রেডমার্ক নিবন্ধন করা যায় না?

৯। প্যাটেন্ট কী এবং প্যাটেন্ট আইনের উদ্দেশ্য কী? প্যাটেন্ট প্রদানের জন্য কে আবেদন করতে পারেন। প্যাটেন্ট প্রদানের পদ্ধতি আলোচনা কর। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে প্যাটেন্ট আইনের ভূমিকা ব্যাখ্যা কর।

১০। টাকা লিখ (যে কোনো চারটি):

(ক) বিশেষীকরণ, (খ) কপিরাইটের উদ্দেশ্য, (গ) বার্ন কনভেনশন, (ঘ) বাধ্যতামূলক লাইসেন্স, (ঙ) সেবা মার্ক, (চ) গুডউইল, (ছ) নতুনত্ব।

========================

এলএল.বি (শেষ পর্ব) পরীক্ষা, ২০২০

দ্বিতীয় পত্র (দেওয়ানী কার্যবিধি এবং তামাদি আইন)

১। (ক) দেওয়ানী কার্যবিধি কি সম্পূর্ণ কার্যপ্রণালী সংক্রান্ত? যদি না হয়, তবে তার ব্যতিক্রম কী? আলোচনা কর।
(খ) মূল আইন ও পদ্ধতিগত আইনের সংজ্ঞা দাও এবং ব্যাখ্যা কর। মূল আইনের ভূতাপেক্ষা কার্যকারিতা আছে কি-না তা যুক্তি সহকারে ব্যাখ্যা কর।

২। একটি দেওয়ানী মামলা রুজু হতে চূড়ান্ত শুনানি পর্যন্ত যে সকল পর্যায়ের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয় তার বর্ণনা দাও এবং সংক্ষেপে ঐ সকল পর্যায়ের প্রতিটির উদ্দেশ্য ও পদ্ধতি বর্ণনা কর।

৩। একটি আরজিতে কী কী বিষয় সন্নিবেশিত থাকাপ্রয়োজন? কী কী কারণে আরজি অগ্রাহ্য হয় এবং একটি আরজি ফেরত দেয়া হয় তা উল্লেখ করে আরজি অগ্রাহ্য এবং আরজি ফেরতের আইনগত ফলাফল বর্ণনা কর।

৪। মামলার পক্ষ ও কারণ সংযোজন সংক্রান্ত নিয়মাবলি আলোচনা কর। মামলার পক্ষ ও কারণ অপসংযোজনের আপত্তি কখন করা যায়? এইরূপ কারণে কি মামলা খারিজ হতে পারে?

৫। দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী ‘পপার’ কে? যে সকল ক্ষেত্রে ‘পপার’ হিসেবে মামলা দায়েরের অনুমতির দরখাস্ত প্রত্যাখ্যাত হয় তা আলোচনা কর।

৬। (ক) ‘সেট-অফ’ বলতে তুমি কী বুঝ?
(খ) ইকুইটেবল সেট-অফ ব্যাখ্যা কর এবং আইনগত সেট-অফের সাথে এর পার্থক্য নির্ণয় কর।
গ) পাল্টা দাবি কী? পাল্টা দাবি ও সেট-অফের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় কর।

৭। দেওয়ানী আদালত যে সকল কাজে কমিশন নিয়োগ করতে পারে তা যথোপযুক্ত উদাহরণসহ আলোচনা কর। আদালতের এলাকা বহির্ভূত স্থানে একটি সাক্ষীর জবানবন্দী কমিশনে গ্রহণ করার পদ্ধতি বর্ণনা কর।

৮। (ক) “তামাদি আইন কেবলমাত্র অধিকারকে ধ্বংস করে না, পরোক্ষভাবে অধিকার প্রদানও করে।” ব্যাখ্যা কর।
(খ) তামাদি আইনের প্রথম তফসিলে বর্ণিত নির্দিষ্ট সময়ের পরে- (i) দায়েরকৃত মামলা (ii) দায়েরকৃত আপিল; (iii) দায়েরকৃত দরখাস্ত এর অবস্থা কী হবে?

৯। ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৫ ধারার বিধানের বিশ্লেষণাত্মক আলোচনা কর এবং ইহার প্রয়োগের ক্ষেত্র বা পরিধি নির্দেশ কর।

=========================

এলএল.বি (শেষ পর্ব) পরীক্ষা, ২০২০

তৃতীয় পত্র (দন্ডবিধি ও ফৌজদারি কার্যবিধি)

ক-বিভাগ

১। (ক) ফৌজদারি আইন বিজ্ঞানের আওতায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিরপরাধ ধরে নেয়ার মতবাদটি আলোচনা কর। এই বিধানের কোনো ব্যতিক্রম আছে কি?

(খ) নিম্ন বর্ণিত আইন বিজ্ঞানের নীতিটি বিশ্লেষণ কর এবং দেখাও যে, দণ্ডবিধির অন্তর্গত অপরাধের ক্ষেত্রে

এটি কতদূর প্রযোজ্য: “একটাস নন ফেসিট রিয়াম নিসি মেন্স সিট রিয়া।”

২। (ক) অপরাধের যৌথ দায়িত্ব বলতে কী বুঝ? অপরাধীর যৌথ দায়িত্ব নীতিটি দণ্ডবিধির ৩৪ ধারা অনুসারে উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর।

(খ) ক, খ ও গ, ঘ কে আক্রমণ করতে যায়। ক ও খ, ঘ কে মারপিট করে, কিন্তু গ তাকে আঘাত করেনি। তাদের তিনজনকেই গুরুতর আঘাত করার জন্য দায়ী করা হয়। গ’ দাবি করে যে, সে কে আঘাত করেনি। গ-এর আত্মরক্ষার দাবি আইনে টিকবে বলে কি তুমি মনে কর?

(গ) প্রাইমারি ও স্যাংসনিং অধিকার সম্পর্কে লিখ।

৩। বেআইনি সমাবেশ কী? কখন এবং কোন পরিস্থিতিতে একটি সমাবেশ বেআইনি সমাবেশে পরিণত হয়? যখন দু’টি দল দাঙ্গা-হাঙ্গামা ঘটায়, তখন তারা কি একটি বেআইনি সমাবেশ গঠন করেছে বলা যেতে পারে? যদি পারে, তবে তাদের একসাথে বিচার করা যাবে কি?

৪। (ক) নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে কোনো অপরাধ সংঘটিত হয়েছে কি না ব্যাখ্যা করঃ

(i) ‘ক’ তার সম্পত্তি ‘খ’ এর নিকট বিক্রয় করে এবং সেই মর্মে দলিল সম্পাদন করে। কিন্তু পূর্ববর্তী বিক্রয়টি গোপন করে ‘ক’ একই সম্পত্তি এর নিকট পুনরায় ‘গ’ এর নিকট বিক্রয় করে এবং মূল্য গ্রহণ করে।

(ii) ‘ক’ একজন কর্মকার। একদল ডাকাত তাকে ধরে নিয়ে তাৎক্ষণিক জীবন নাশের হুমকী দিয়ে তাকে দিয়ে ‘গ’ এর বাড়ির তালা খোলায়। ডাকাতদল যাদের সংখ্যা ছিল দশ, ‘গ’ এর বাড়িতে ঢুকে লুট করে এবং ‘গ এর পুত্রকে হত্যা করে।

(iii) ‘ক’ দেওয়ালের মধ্যে একটি ছিদ্র করে। কিন্তু তার গতিপথ একটি বীম দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়।

(খ) প্রতিনিধিত্বমূলক ফৌজদারি দায়-দায়িত্ব বলতে কী বুঝ? “প্রকৃত কাজটি সংঘটন করা আইনে সাজাযোগ্য নয়, কিন্তু ঐ কাজের চেষ্টা করা সাজাযোগ্য” আলোচনা কর।

৫। সংক্ষিপ্ত উত্তর দাওঃ (ক) এ্যাফ্রে বা ষড়যন্ত্র, (খ) গণ উৎপাত এবং মানহানি, (গ) অনুসন্ধান, তদন্ত ও বিচার, (ঘ) দস্যুতা এবং ডাকাতি

খ-বিভাগ

৬। (ক) ফৌজদারি কার্যবিধির পরিধি ও উদ্দেশ্য কী? এ কথা বলা কি যুক্তিসঙ্গত হবে যে, ফৌজদারি কার্যবিধি সম্পূর্ণরূপে একটি পদ্ধতিগত আইন?

(খ) “প্রত্যেক স্বতন্ত্র অপরাধের জন্য কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে পৃথক অভিযোগ গঠন করতে হবে এবং প্রত্যেক অভিযোগের জন্য পৃথকভাবে বিচার করতে হবে” -উক্তিটি বিশ্লেষণ করে এর ব্যতিক্রমসমূহ বর্ণনা কর।

৭। অপরাধ বিচারার্থে বাংলাদেশে কার্যরত বিভিন্ন প্রকার আদালতের বর্ণনা দাও ও প্রত্যেকটি আদালতের সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদানের ক্ষমতা উল্লেখ কর। দশ বৎসরের কারাদণ্ড প্রদানযোগ্য অপরাধসমূহ বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ২৯-সি ধারা অনুযায়ী বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ কত বৎসরের শাস্তি প্রদান করতে পারেন?

৮। নিম্নবর্ণিত মামলাসমূহে অভিযোগ গঠন ও সাজা প্রদানের বৈধতা সম্পর্কে আলোচনা কর।

(ক) ‘ক’, ‘খ’ এর উপর দস্যুতা করলো এবং দস্যুতা করা কালে ইচ্ছাকৃতভাবে ‘খ’ কে আঘাত করলো।

‘ক’ এর বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক অভিযোগ গঠন করে তাকে সাজা প্রদান করা হলো।

(খ) ‘ক’ এর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ গঠন করা হলো। কিন্তু ইহা প্রতীয়মান হয় যে, সে অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং চুরির মাল গ্রহণের অপরাধ করেছে। তবে তার বিরুদ্ধে উক্ত অপরাধসমূহের অভিযোগ গঠন করা হয়নি। এতদসত্ত্বেও তাকে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ এবং চুরির মাল গ্রহণ করার অপরাধে সাজা প্রদান করা হলো।

(গ) ‘ক’ অন্যায়ভাবে ‘খ’ কে একটি লাঠি দ্বারা আঘাত করলো। ‘ক’ কে দণ্ডবিধির ৩৫২ ও ৩২৩ ধারায় পৃথকভাবে অভিযুক্ত করে সাজা প্রদান করা হলো।

(ঘ) বিচারে ‘ক’ খুনের দায় হতে মুক্তি পেলো। তার বিরুদ্ধে দস্যুতার কোনো অভিযোগ নেই। তবে ঘটনায় প্রতীয়মান হয় যে, খুন করার সময় সে দস্যুতাও করেছিল। পরবর্তীতে ‘ক’ এর বিরুদ্ধে দস্যুতার অভিযোগ এনে তার বিচার করা হলো এবং সাজা দেয়া হলো।

৯। (ক) ফৌজদারি কার্যবিধিতে পুলিশকে অপরাধ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কী ধরনের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে? থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার একটি অধর্তব্য অপরাধ সংঘটনের সংবাদ পেলে তার কী করণীয়? আলোচনা কর।

(খ) ‘গ্রেপ্তার’ শব্দটির ব্যাখ্যা দাও। গ্রেপ্তারী পরোয়ানা ছাড়া কখন একজন পুলিশ অফিসার কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে পারেন। পুলিশ অফিসার কর্তৃক যাকে গ্রেপ্তার করা হবে সেই ব্যক্তি যে স্থানে প্রবেশ করে সে স্থানে তল্লাশির পদ্ধতি কী?

১০। (ক) “আপীলের অধিকার আইন কর্তৃক সৃষ্ট” ব্যাখ্যা কর।

(খ) কীভাবে আদালতে আপীল দায়ের করা হয়? যদি আসামীকে খালাস দেয়া হয়, তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষের প্রতিকার কী?

(গ) একটি FIR মামলায় সংবাদদাতা কি আপীল করতে পারে?

=====================

এলএল.বি (শেষ পর্ব) পরীক্ষা, ২০২০

চতুর্থ পত্র (সাক্ষ্য আইন)

১। সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ কি সম্পূর্ণ সংহিতা?

(খ) “মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ হবে” নীতিটি ব্যাখ্যা কর।

(গ) অপরাধ প্রমাণে সাক্ষ্যের গুরুত্ব সম্পর্কে সংক্ষেপে লেখ।

২। (ক) দলিলি সাক্ষ্য বলতে কী বুঝ? সাক্ষীদের দলিলসমূহ দ্বারা অগ্রহ্য করা যায়, দলিলসমূহকে সাক্ষীদের দ্বারা নয়- সাক্ষ্য আইনের প্রাসঙ্গিক বিধানসমূহের আলোকে উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

খ) দলিলভুক্ত সাক্ষ্য দ্বারা মৌখিক সাক্ষ্য বর্জন সংক্রান্ত বিধানসমূহের কোনো ব্যতিক্রম আছে কি?

৩। কখন একজন বিশেষজ্ঞের মতামত প্রাসংগিক? তার মতামত কি আদালত মানতে বাধ্য? আদালত কী নিজেই একটি বিতর্কিত হস্তলেখা পরীক্ষা এবং সে অনুযায়ী একটি মামলা নিষ্পত্তি করতে পারে? কেন বলা হয়ে থাকে যে, আদালতে দেখা একজন বিশেষজ্ঞের মতামতের জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসাবে গণ্য করা হয়, তার পূর্বে জমা দেয়া রিপোর্ট নয়?

৪। মৃত্যুকালীন ঘোষণা কী? কী কারণে মৃত্যুকালীন ঘোষণা সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয় তা উল্লেখ কর এবং এর সাক্ষ্যগত মূল্য আলোচনা কর। এ ধরনের ঘোষণাকারী মারা না গেলে এবং তাকে সাক্ষী হিসাবে ডাকা হলে তা উক্ত ঘোষণা কি কাজে লাগানো যেতে পারে?

৫। (ক) জবানবন্দী ও জেরার প্রকৃতি, পরিধি ও উদ্দেশ্য আলোচনা কর।

(খ) জেরার সময় আইন সঙ্গত কী কী প্রশ্ন করা যায় বর্ণনা কর।

৬। (ক) সাক্ষ্য আইনে প্রাসঙ্গিকতা বলতে কী বুঝ?

(খ) ঘটনার প্রাসঙ্গিকতার ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইনের নীতিসমূহ কী কী?

(গ) কোন ঘটনা আদালতে প্রমাণের প্রয়োজন নেই?

৭। (ক) অনুমান কী? সাক্ষ্য আইনের প্রাসঙ্গিক ধারাগুলি উল্লেখপূর্বক বিভিন্ন ধরনের অনুমান আলোচনা কর। (খ) “ভালো চরিত্র শব্দটি শুধুমাত্র সাধারণ খ্যাতিই বুঝায় না, বরং সাধারণ প্রকৃতিকেও বুঝায়” -ব্যাখ্যা কর।

(গ) কেন বলা হয়ে থাকে যে, “আদালতের দায়িত্ব হচ্ছে মামলার বিচার করা, মানুষের নয়?

৮। যে কোনো পাঁচটি বিষয়ের উপর টীকা লেখ:

(ক) ঘটনার প্রাসঙ্গিকতা, (খ) বিদ্রোহী সাক্ষী, (গ) চিকিৎসা বিষয়ক সাক্ষ্য, (ঘ) জুডিসিয়াল নোটিশ, (ঙ) বাধ্যগত করা, (চ) এসটোপেল, (ছ) বিশেষ সুবিধা প্রাপ্ত যোগাযোগ।

========================

এলএল.বি (শেষ পর্ব) পরীক্ষা, ২০২০

পঞ্চম পত্র (আন্তর্জতিক আইন)

Group A

১। আন্তর্জাতিক আইনের উৎস বলতে কী বুঝ? আন্তর্জাতিক আইনের উৎস হিসাবে উদাহরণসহ আইনের সাধারণ নীতিসমূহ ব্যাখ্যা কর। আন্তর্জাতিক আইন ও রাষ্ট্রীয় আইনের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ কর।

২। আন্তর্জাতিক সন্ধি বলতে কী বুঝায়? আন্তর্জাতিক সন্ধির বৈধতার শর্তসমূহ আলোচনা কর। কীভাবে আন্তর্জাতিক সন্ধির পরিসমাপ্তি ঘটে?

৩। আন্তর্জাতিক আদালতের গঠন ও কার্যাবলি আলোচনা কর। কীভাবে এই আদালতের রায় বলবৎ হয়? কোনো ব্যক্তি কি আন্তর্জাতিক আদালতের শরণাপন্ন হতে পারে?

Group B

৪। একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল বলতে কী বুঝ? এই অঞ্চলে উপকূলীয় রাষ্ট্রের এবং অন্যান্য রাষ্ট্রের অধিকার এবং কর্তব্যসমূহ আলোচনা কর।

৫। মহাসমুদ্রের স্বাধীনতা বলতে কী বুঝ? এসব স্বাধীনতার কোনগুলো রাষ্ট্রীয় এখতিয়ারভুক্ত সমুদ্র অঞ্চলে কার্যকর হয়? ব্যাখ্যা কর।

৬। সমুদ্র সংক্রান্ত বিবাদ নিষ্পত্তির জন্য ১৯৮২ সনের জাতিসংঘ সমুদ্র আইনে নির্দেশিত বিবিধ পদ্ধতিসমূহ কী কী? সংক্ষেপে আলোচনা কর।

Group C

৭। মানবাধিকার কী? মানবাধিকার ও মৌলিক অধিকারের মধ্যে পার্থক্য দেখাও। মানবাধিকার সংক্রান্ত আন্তজাতিক দলিলসমূহের একটি বিবরণ দাও।

৮। রাজনৈতিক আশ্রয়দান বলতে কী বুঝ? তুমি কি এমন কোনো সাম্প্রতিক মামলার বিষয় জান যেখানে আশ্রয় অনুমোদন করা হয়েছে? আইনের কোন নীতির উপর ভিত্তি করে আশ্রয়দান অনুমোদন লাভ করে?

৯। মানবাধিকার বিষয়ক জাতিসংঘ কমিশন-এর প্রতিষ্ঠা, গঠন এবং কার্যাবলি সংক্ষেপে আলোচনা কর। এই সংগঠনটির দুর্বলতাগুলো কী কী?

Group D

১০। যুদ্ধাপরাধ কোনগুলি? যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্তগণ কীভাবে শান্তি পায়? ন্যুরেমবার্গ যুদ্ধ অপরাধের বিচার সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা কর।

১১। বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের জন্য গঠিত ট্রাইব্যুনালের ঐতিহাসিক পটভূমি আলোচনা কর।

১২। যুদ্ধের সময় বেসামরিক জনসাধারণের নিরাপত্তা এবং যুদ্ধবন্দীদের তত্তাববধান সম্পর্কে ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশনে কী বিধান রয়েছে তা আলোচনা কর।

===================

এলএল.বি (শেষ পর্ব) পরীক্ষা, ২০২০

ষষ্ঠ পত্র (কোম্পানি ও বাংলাদেশের বাণিজ্যিক আইন)

Group A

১। কোম্পানি কী? কিভাবে কোম্পানির নিবন্ধন করা যায়? কোম্পানির নামের অংশ হিসেবে ‘লিমিটেড’ শব্দটি ছাড়া কখন একটি কোম্পানির নিবন্ধন করা যায়? কিভাবে একটি প্রাইভেট কোম্পানিকে পাবলিক কোম্পানিতে এবং বিপরীতটা করা যায়? একটি কোম্পানির সাথে একটি অনিবন্ধিত সংস্থার পার্থক্য দেখাও। লিমিটেড কোম্পানির সংঘ স্মারকে যে যে বিষয় থাকে সেগুলো লেখ।

২। (ক) প্রসপেক্টাস কী? কি কি বিষয়ে কোম্পানির প্রসপেক্টাসে বর্ণনা করা যেতে পারে? প্রসপেক্টাসে মিথ্যা বর্ণনা প্রদানের জন্য কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ অনুযায়ী পরিচালকগণের দায়-দায়িত্ব বর্ণনা কর। কখন প্রসপেক্টাসে বিকল্প বিবৃতি তৈরি করা যায়?

(খ) কোম্পানির একজন প্রতিনিধি হিসেবে এবং একজন ট্রাস্টি হিসেবে কোম্পানির পরিচালকগণের আইনগত অবস্থান সংক্ষেপে লিপিবদ্ধ কর। কোন কোন অবস্থায় কোম্পানি সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডের জন্য পরিচালকগণ ব্যক্তিগতভাবে তৃতীয় পক্ষের নিকট দায়ী হতে পারে আলোচনা কর।

৩। (ক) পার্থক্য নির্ণয় কর:

(1) বাধ্যতামূলক অবসায়ন এবং স্বেচ্ছাকৃত অবসায়নের মধ্যে;
(ii) সদস্যদের স্বেচ্ছাকৃত অবসায়ন এবং পাওনাদারদের স্বেচ্ছাকৃত অবসায়নের মধ্যে।
( iii) স্বেচ্ছাকৃত অবসায়নের এবং আদালতের তত্ত্ববাবধানে অবসায়নের মধ্যে।

(খ) কিভাবে একজন ব্যক্তির কোম্পানির সদস্য পদ থাকে না? সদস্য পদ নেই এরূপ ব্যক্তি কি কোম্পানির দেনার জন্য দায়ী হতে পারে? বিশেষ সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি কী?

৪। (ক) একজন ম্যানেজিং এজেন্ট কে? একটি অংশীদারি প্রতিষ্ঠান কি কোনো কোম্পানির ম্যানেজিং এজেন্ট হতে পারে? কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ এর আওতায় একজন ম্যানেজিং এজেন্ট এর অক্ষমতাগুলো সংক্ষেপে লেখ। কোন অবস্থায় একটি কোম্পানি এর ম্যানেজিং এজেন্টকে অপসারণ করতে পারে এবং কিভাবে?

(খ) প্রতিনিধি কে? প্রতিনিধিত্বের সাধারণ নিয়মাবলি ব্যাখ্যা কর। একজন প্রতিনিধি কি তার ক্ষমতা বা কর্তব্য অন্যের নিকট হস্তান্তর করতে পারে? আলোচনা কর।

৫। টীকা লেখ যে কোনো চারটি:

(ক) পরিচালনা পর্ষদ, (খ) কোম্পানির অবসায়ন, (গ) অতিরিক্ত সাধারণ সিদ্ধান্ত, (ঘ) ক্ষমতা বহির্ভূত ঋণগ্রহণ (ঙ) শেয়ার দ্বারা সীমাবদ্ধ কোম্পানি, (চ) বার্ষিক উদ্বৃত্তপত্র।

Group B

৬। (ক) ‘চার্টার পার্টি’ ও ‘চালানি রসিদ’ বলতে কী বুঝ? একটি ‘বিল অব লেডিং’ এর কার্যাবলি আলোচনা কর। “বিল অব লেডিং সমুদ্র পথে মালামাল পরিবহনের চুক্তিপত্র না হলেও ইহা বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে চুক্তির একটি উৎকৃষ্ট প্রমাণ।” -আলোচনা কর।

(খ) একটি সমুদ্রগামী জাহাজে মালামাল বহনের পর যদি মালে ঘাটতি দেখা যায় তবে ‘হেগ নিয়মাবলি’ অনুযায়ী কত দিনের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে? জাহাজ কর্তৃপক্ষ ঊর্ধ্বপক্ষে কত ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকবে? ইহা কি সীমিত করা যায়? আলোচনা কর। চার্টার বাই ডিমাইস এবং চার্টার উইদাউট ডিমাইজ এর মধ্যে পার্থক্য দেখাও।

৭। (ক) বিমা চুক্তিকে কেন “চূড়ান্ত সন্ধিশ্বাস” ও “ক্ষতিপূরণের চুক্তি” বলা হয়? তিন প্রকারের বিমা দাবিগুলো কী কী? পুনঃবিমা ও রিট্রোসেশান কী? স্বতুনিয়োগ ও মনোনয়ন এর মধ্যে পার্থক্য দেখাও। বিমাগ্রহীতার আত্মহত্যার ফলাফল কী?

(খ) কখন একটি বিমা কোম্পানি কোনো ব্যক্তির বরাবরে অগ্নি বিমা প্রদান করার সময় ‘এভারেজ ক্লজ’ অন্তর্গত করে থাকে? ইহার আইনগত ফলাফল কী? যিনি আপনার নিকট আত্মীয় নয় এমন ব্যক্তির জীবন বিমা কি আপনি করতে পারেন? যদি পারেন, তবে কেন?

৮। (ক) “চুক্তি সম্পাদনে যোগ্য একজন ব্যক্তি একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিলের পক্ষ হতে পারে”- এই ব্যক্তিগণ কারা? একটি হৃত, একটি অপহৃত, একটি জাল এবং একটি প্রতিদানহীন হস্তান্তরযোগ্য দলিলের স্বত্ব হস্তান্তর করার বিধানাবলি আলোচনা কর।

(খ) ‘At sight’, ‘on presentment’ এবং ‘after sight’ উক্তিগুলো বিল অব এক্সচেঞ্জে উল্লেখ থাকলে কি পার্থক্য হয়? যদি দেয় তারিখ সাধারণ ছুটির দিনে পড়ে, তবে তা কি ধরা হবে? গ্রহণযোগ্যতা হারানো দলিলের মালিকের কর্তব্য কী কী?

৯। (ক) “কোনো বিক্রেতার পণ্যে তার নিজের যে স্বত্ব আছে তদাপেক্ষা উৎকৃষ্টতর স্বত্ব পণ্যের ক্রেতাকে প্রদান করতে পারে না” -আলোচনা কর। এই নিয়মের কোনো ব্যতিক্রম আছে কী? থাকলে সেগুলো কী?

( খ) বাতিলযোগ্য চুক্তির অধীনে প্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক পণ্য বিক্রয়ের ফলাফল কী? লিয়েন ও পথিমধ্যে আটক এর মধ্যে পার্থক্য কী?

(গ) ক্রেতা সাবধান বলতে কী বুঝ? পণ্য বিক্রয়ের ক্ষেত্রে এই নীতি প্রয়োগের ব্যতিক্রম আছে কী? পণ্য বিক্রয়ের চুক্তিতে অনুমিত মুখ্য শর্ত ও গৌণ শর্তগুলো কী কী?

==========================

এলএল.বি (শেষ পর্ব) পরীক্ষা, ২০২০

সপ্তম পত্র (ভূমি আইন, রেজিস্ট্রেশন আইন এবং সরকারি দাবি আদায় আইন)

ক-বিভাগ:

১। (ক) কেন ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত রেগুলেশন গৃহীত হয়েছিল?

(খ) “চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা ছিল ভূ-সম্পত্তির অধিকারী অভিজাত শ্রেণির আভিজাত্যের ম্যাগনাকার্টা, পক্ষান্তরে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ছিল কৃষক প্রজাদের জন্য ম্যাগনাকার্টা স্বরূপ” এই উক্তির সত্যতা কতখানি? আপনার জবাবের যৌক্তিকতা প্রদর্শন করুন।

২। খাজনার সংজ্ঞা দিন এবং ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনে কি কি কারণে একজন রায়ত অথবা অকৃষি প্রজার খাজনা বৃদ্ধি অথবা হ্রাস করা যায়, তা বর্ণনা করুন। খাজনা বৃদ্ধির কি কোনো সীমারেখা আছে?

৩। উন্নয়ন এর সংজ্ঞা দিন। কার এরূপ উন্নয়ন সাধনের অধিকার রয়েছে? জমিদার ও অকৃষি প্রজার মধ্যে অধিকার সম্পর্কিত বিরোধের নিষ্পত্তি কিভাবে সম্পন্ন করা যেতে পারে? উন্নয়ন কার্য করার ব্যাপারে এ সকল ব্যক্তির মধ্যে অগ্রাধিকার আছে কী?

৪। ভূমি জরিপ কী? ভূমি জরিপের গুরুত্ব কী? বিভিন্ন প্রকার জরিপের ত্রুটি বিচ্যুতি আলোচনাসহ ভূমি জরিপের প্রকারভেদ বর্ণনা করুন।

৫। নামজারি কী? নামজারির দরখাস্তের কারণগুলো কী? নামজারির দরখাস্তকালে, নামজারির মামলা চলাকালে এবং নামজারির মামলায় সিদ্ধান্ত হলে যেসব আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে হয় তা বর্ণনা করুন। ২০০৬ সালে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব (সংশোধন) আইন নামজারির ক্ষেত্রে কি কি সংস্কার এসেছে? আপনি কি মনে করেন এসব সংস্কার সঠিকভাবে করা হয়েছে?

Group B

৬। ১৯০৮ সনের রেজিস্ট্রেশন আইন অনুসারে রেজিস্ট্রেশনকারী কর্মকর্তার ক্ষমতা ও দায়িত্ব আলোচনা করুন। (ক) কারা হস্তান্তরের দলিল নিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন করার উপযুক্ত? কী কী কারণে একটি দলিল নিবন্ধনকরণ প্রত্যাখ্যান করা যেতে পারে?

৭। (ক) রেজিস্ট্রেশন অফিসারের অজানা কোনো ভাষায় লিখিত কোনো দলিল নিবন্ধীকরণের জন্য দলিল করা হলে কি কি নিয়ম পালন করতে হয়?

(খ) সরকার দ্বারা অথবা সরকারের বরাবরে সম্পাদিত কি কি নিবন্ধীকরণের আওতামুক্ত?

(গ) দাবিদারবিহীন দলিলের ফলাফল কী?

(ঘ) নিবন্ধনকারী অফিসারের নিযুক্তির ত্রুটি বা পদ্ধতিগত ত্রুটির জন্য কোনো দলিল বাতিল হতে পারে কী?

Group C

৮। সার্টিফিকেট কী? সরকারি দাবি আদায় আইনে সার্টিফিকেট অফিসারের কার্যাবলি লিখুন। কীভাবে সে তাহার সিদ্ধান্ত কার্যকরী করে?

৯। (ক) ১৯১৩ সালের সরকারি দাবি আদায় আইনের ৭ ধারার নোটিশ জারির ফলাফল কী? সার্টিফিকেট কার্যকরীর বিভিন্ন পদ্ধতি কী কী? আলোচনা করুন।

(খ) ১৯১৩ সালের পিডিআর আইনের অধীনে আপিল, রিভিশন এবং রিভিউ এর বিধানসমূহ আলোচনা করুন।

================================

এলএল.বি (শেষ পর্ব) পরীক্ষা, ২০২০

অষ্টম পত্র (সিভিল ড্রাফটিং, ক্রিমিনাল ড্রাফটিং ও প্রফেসনাল এথিক)

Group-B (Drafting-Civil) Marks-20

১। ড্রাফটিং এবং কনভেয়ান্সিং এর মূলনীতিসমূহ কী? ‘ডীড’ এবং ‘ডকুমেন্টে’র মধ্যে কোনো প্রভেদ রয়েছে কি? তোমার মতামত দাও। ট্রাস্ট দলিলের একটি খসড়া প্রস্তুত করো।

২। বন্ধক দলিলের আবশ্যকীয় উপাদানসমূহ সম্পর্কে আলোচনা করো। আমমোক্তারনামা দলিলের একটি খসড়া প্রস্তুত করো।

Group-B (Drafting-Criminal) Marks-20

৩। দায়রা আদালতে বিচারাধীন একটি মামলার জামিনের দরখাস্ত এবং অব্যাহতির দরখাস্তের খসড়া প্রস্তুত করো।

৪। আপীলের মেমোরেন্ডাম এবং ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা ২৪১ক এর বিধান অনুযায়ী একটি দরখাস্তের খসড়া প্রস্তুত করো।

Group-C (Professional Ethics) Marks-10

৫। বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের গঠন ও কার্যাবলি এবং উহার কমিটিসমূহের গঠন ও কার্যাবলি সম্পর্কে আলোচনা কর।

৬। পেশাগত আচরণ নীতিমালার আলোকে একজন আইনজীবীর আদালত, মক্কেল, সহআইনজীবী এবং জনসাধারণের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যের বিবরণ দাও।

===========================

https://bdinfo360.com/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%af%e0%a6%bc-ll-b-part-2-examin

এলএল.বি (শেষ পর্ব) পরীক্ষা, ২০২১

‘ক’ – বিভাগ সম্পত্তি হস্তান্তর আইন (প্রথম পত্র)

১। (ক) লিসপেনন্ডেন্স নীতিটি ব্যাখ্যা কর। নোটিসের নীতি দ্বারা এই নীতির প্রয়োগ কি ক্ষতিগ্রস্ত হবে? আলোচনা কর।

(খ) কৃত্রিম মালিক কে? কোন কোন অবস্থায় কৃত্রিম মালিকের কোন হস্তান্তর প্রকৃত মালিকের উপর বাধ্যকর হয়?

২। (ক) ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের উদ্দেশ্য ও পরিধি আলোচনা কর। সম্পত্তি হস্তান্তর আইন কি একটি সয়ংসম্পূর্ণ আইন?

(খ) কায়েমি স্বার্থ ও শর্তসাপেক্ষে স্বার্থের মধ্যে পার্থক্য নির্দেশ কর।

৩। কোন অজাত ব্যক্তির বরাবর আইন সম্মতভাবে কোন সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায় কি? যদি যায় তবে কিভাবে? জনাব রহিম তার সম্পত্তি জনাব করিমের নিকট জীবনস্বত্বে হস্তান্তর করে। উক্ত সম্পত্তির জনাব করিমের মৃত্যুর পর তার প্রথম পুত্র যে এখনো জন্মগ্রহণ করেনি, ২২ বছর বয়সে উন্নীত হলে লাভ করবে। এরূপ হস্তান্তরের বৈধতা পরীক্ষা কর।

৪। (ক) ইজারা কি? ইজারা কিভাবে প্রণয়ন করা যায়? কিভাবে এবং কোন অবস্থায় একটি ইজারার পরিসমাপ্তি করা যায়? ইজারা মেয়াদ পরবর্তী দখলের পরিণতি কি?

(খ) সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে নোটিশের সংজ্ঞা দাও এবং উহাদের শ্রেণিবিভাগ কর। একটি বৈধ নোটিশের উপাদান গুলো কি?

৫। (ক) ফোরক্লোজার এর অধিকার কি? কোন কোন প্রকারের রেহেনে এ অধিকার প্রয়োগ করা যায়? কখন এ অধিকার প্রয়োগের প্রশ্ন ওঠে?

(খ) ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের আংশিক সম্পাদন নীতি প্রয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান গুলো কি?

খ বিভাগ- বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি

৬। বুদ্ধিবৃত্তিক বা মেধাবৃত্তিক সম্পত্তি বলতে কি বুঝ বুদ্ধি ভিত্তিক সম্পত্তির প্রকৃতি আলোচনা কর। সম্পত্তি ও বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তির পার্থক্য দেখাও। বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তির আন্তর্জাতিক বৈশিষ্ট্য আলোচনা কর।

৭। (ক) কপিরাইট আইনে লঙ্ঘন বলতে কি বুঝ? কপিরাইট আইন ভঙ্গের প্রতিকার কি কি?

(খ) কপিরাইটের মালিক কে? এর ব্যতিক্রম গুলো আলোচনা কর। কপিরাইট মালিকের অধিকার গুলো আলোচনা কর।

৮। একটি ভাল ট্রেডমার্কের বৈশিষ্ট্য গুলো কি? ২০০৮ সালের ট্রেডমার্ক আইন অনুযায়ী ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের পদ্ধতি আলোচনা কর। কোন কোন ক্ষেত্রে ট্রেডমার্ক নিবন্ধন করা যায় না।

৯। পেটেন্ট কি এবং পেটেন্ট আইনের উদ্দেশ্য কি? পেটেন্ট প্রদানের জন্য কে আবেদন করতে পারেন? পেটেন্ট প্রদানের পদ্ধতি আলোচনা কর।

১০। টীকা লিখ (যেকোন ৪টি):

(ক) আবিষ্কার, (খ) কপিরাইট বোর্ড, (গ) পাসিং অফ, (ঘ) ওয়াইপো, (ঙ) স্বত্বনিয়োগ, (চ) প্রকাশনা, (ছ) বিশেষীকরণ

===========================

এলএল.বি (শেষ পর্ব) পরীক্ষা, ২০২১

দ্বিতীয় পত্র (দেওয়ানী কার্যবিধি এবং তামাদি আইন)

‘ক’ বিভাগ

১। (ক) রেস জুডিকাটা এবং রেস সাব-জুডিস বলতে কী বুঝ? দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারা অনুযায়ী রেস জুডিকাটার ব্যাখ্যা আলোচনা কর। গঠনমূলক রেস-জুডিকাটা বলতে কি বুঝ?

(খ) আরজী ও জবাব বলতে কী বুঝ? আরজী ও জবাবের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় কর।

২। (ক) দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫-২০ ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করার স্থান আলোচনা কর।

(খ) দেওয়ানি কার্যবিধি-১৯০৮ এর ৫ আদেশ অনুযায়ী সমন জারির বিভিন্ন পদ্ধতি আলোচনা কর।

৩। একতরফা ডিক্রি বলতে কী বুঝ? একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে কতপ্রকার প্রতিকার আছে। বিস্তারিতভাবে আলোচনা কর।

৪। দেওয়ানি আপীল ও দেওয়ানি রিভিশন বলতে কী বুঝ? দেওয়ানি আপীল আদালতের ক্ষমতা আলোচনা কর। দেওয়ানি আপীল ও দেওয়ানি রিভিশনের মধ্যে পার্থক্য বিস্তারিতভাবে আলোচনা কর। কখন আপীল দায়ের করা যায় না?

৫। বাংলাদেশের বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিভিন্ন ধরন আলোচনা কর। মধ্যস্থতা ও শালিশ বলতে কী বোঝ? ১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ৮৯এ ধারা অনুযায়ী মধ্যস্থতা সংক্রান্ত বিধান আলোচনা কর।

৬। ইন্টার প্লিডার বা নিঃস্বার্থ ব্যক্তির মামলা বলতে কী বোঝ? স্থানীয় পরিদর্শন ও স্থানীয় তদন্তের মধ্যে পার্থক্য আলোচনা কর।

৭। ডিক্রি জারির পদ্ধতি আলোচনা কর। দেওয়ানি কার্যবিধির ৬০ ধারা অনুযায়ী কোন কোন সম্পত্তি ক্রোক করা যায় না।

খ বিভাগ তামাদি আইন-১৯০৮

৮। (ক) তামাদি আইন ১৯০৮ এর ৩ ধারা অনুযায়ী কোন মামলা বারিত হলে তার ফলাফল কী?

(খ) তামাদি আইন ১৯০৮ এর ১২ ধারা অনুযায়ী আইনানুগ কার্যধারায় যে পরিমাণ সময় গণনা হতে বাদ দিতে হবে তা আলোচনা কর।

(গ) তামাদি আইন ১৯০৮ এর ৬ ধারা অনুযায়ী বৈধ অপারগতাসমূহ এবং ফলাফল সমূহ কী?

(ঘ) মামলা করার অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল কী?

৯। (ক) তামাদি আইনে স্বীকৃতির ফলাফল আলোচনা কর। আইনগত স্বীকৃতির উপাদানগুলির বর্ণনা দাও।

(খ) একটি স্বীকৃতি শুধুমাত্র চলতি তামাদিকেই প্রতিষ্ঠা করে না বরং নতুন কোন দাবির অধিকারকেও সৃষ্টি করে-ব্যাখ্যা কর।

======================

এলএল.বি (শেষ পর্ব) পরীক্ষা, ২০২১

 তৃতীয় পত্র (দন্ডবিধি ও ফৌজদারি কার্যবিধি)

গ্রুপ- এ

১। ফৌজদারি দায় বহির্ভূত কার্যাবলি বর্ণনা কর। অপরাধ আইনে শাস্তিদানের উদ্দেশ্য কী? দণ্ডবিধি আইনে দোষী ব্যক্তি কী কী ধরনের শাস্তি পেতে পারে? একজন অপরাধীকে কী একই অপরাধের জন্য একাধিক শাস্তি দেয়া যায়? দণ্ডবিধির বিভিন্ন অপরাধের ক্ষেত্রে “মেনস রিয়া” নীতি আলোচনা কর।

২। “আইনগত ভ্রম ক্ষমাযোগ্য নয়, কিন্তু ঘটনার ভ্রম ফৌজদারি দায় থেকে রেহাই প্রদান করে” উক্তিটি ব্যতিক্রমসহ আলোচনা কর। দণ্ডবিধি আইনের অন্তর্গত অপরাধসমূহে “নুলাম টেম্পাস অকুরিটি রিজি” নীতিটি কতদূর প্রযোজ্য? দণ্ডবিধিতে কোন কোন ক্ষেত্রে অপরাধের প্রস্তুতিই অপরাধ হিসেবে গণ্য? কীভাবে অপরাধ দেওয়ানি অন্যায় হতে ভিন্নতর?

৩। অপরাধ জনক নরহত্যা বলতে কী বুঝ? এরূপ অপরাধের ক্ষেত্রে কী কী উপাদান থাকা প্রয়োজন? অপরাধজনক নরহত্যা কখন খুন হিসাবে গণ্য হয়? অপরাধজনক নরহত্যা ও খুনের মধ্যে পার্থক্য কী?

৪। (ক) প্ররোচনা কী? প্ররোচিত করেনি এমন কোন কোন ক্ষেত্রে প্ররোচনাকারীকে শাস্তি দেয়া যেতে পারে? ক, খাকে গ এর বাড়ি পুড়িয়ে দিতে প্ররোচিত করে। খ, গ এর বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় ও সেই সময়ে সেখান থেকে কিছু জিনিস চুরি করে। কে কোন অপরাধ করেছে উল্লেখ কর।

(খ) “আইন সংক্রান্ত অজ্ঞতা অপরাধমূলক দায় থেকে মুক্তির কোনো ক্ষেত্র নয়” ব্যাখ্যা কর। একজন মানুষ কী তার নিজের সম্পত্তি চুরি করার দায়ে দোষী হতে পারে? আইনের প্রাসঙ্গিক ধারা উল্লেখপূর্বক আলোচনা কর।

৫। চুরির উপাদানগুলো কী কী? চুরির সাথে অপরাধজনক সম্পত্তি আত্মসাৎ এর পার্থক্য নির্ণয় কর। কোন কোন ক্ষেত্রে চুরি দস্যুতার সামিল হবে? দস্যুতা ও ডাকাতি করার সময় যদি একজন খুনের অপরাধ করে তাহলে যে সকল ব্যক্তি দস্যুতা বা ডাকাতি কার্যে লিপ্ত থাকবে তাদের কী অপরাধ হবে? তাদের কী একসাথে বিচার করা যেতে পারে?

গ্রুপ বি – ফৌজদারি কার্যবিধি

৬। এজাহার ও নালিশের মধ্যে কী কী পার্থক্য আছে? কোন বিষয়ে নালিশ প্রাপ্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট কগনিজেন্স নিয়ে কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন? দায়রা আদালত কখন একটি অপরাধের কগনিজেন্স নিতে পারেন? নালিশ কখন অগ্রাহ্য করা যায় এবং আসামীকে অব্যহতি বলতে কী বুঝ? চার্জশীট ও ফাইনাল রিপোর্ট এর ব্যাখ্যা দাও।

৭। জামিন ও জামিননামা বলতে কী বুঝ? কোন কোন অবস্থায় আসামী জামিনে মুক্তি পেতে পারে? আদালত কখন জামিনযোগ্য অপরাধের জন্য জামিন দিতে অস্বীকার করতে পারে? জামিনের অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিনের কীরূপ ব্যবস্থা রয়েছে তা ব্যাখ্যা কর। আগাম জামিন প্রদানের আইনগত ভিত্তি কী? জামিন বাতিলের ক্ষেত্রে কোন নীতিগুলো আদালতের বিবেচনা করা উচিত?

৮। “একই কার্যধারায় একাধিক অপরাধ সংঘটিত” বলতে কী বুঝ? একই কার্যধারায় একাধিক অপরাধ সংঘটিত হলে কতগুলো অপরাধের বিচার একসাথে হতে পারে? কোনো আদালতের বিচারিক কার্যক্রমের সময় কোনো অপরাধ করা হলে অথবা কোনো অপরাধ করা হয়েছে মর্মে আদালত অবগত হলে উক্ত আদালত কর্তৃক ঐসব অপরাধের বিচারের নিমিত্তে কী কী কার্যপদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে? অপরাধের সহযোগীকে ক্ষমা প্রদান সম্পর্কিত আইনের বিধানাবলি আলোচনা কর।

৯। কী কী ভিন্ন কারণে একজন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি রিভিশনের জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে? ফৌজদারি কার্যবিধিতে বর্ণিত দায়রা জজ আদালতের ‘রিভিশনাল’ এখতিয়ার বর্ণনা কর। বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ‘রিভিশনাল’ এখতিয়ারে কী কী ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে? এরূপ ক্ষমতাগুলোর সীমাবদ্ধতা কী কী? উক্ত আদালতের আপিল এখতিয়ার ও রিভিশনাল এখতিয়ারের মধ্যে পার্থক্য দেখাও।

১০। (ক) ফৌজদারি কার্যবিধির আওতায় জরুরি পরিস্থিতিতে অথবা বিপদের আশঙ্কায় ম্যাজিস্ট্রেটের অস্থায়ী বা সাময়িক আদেশদানের ক্ষমতা সম্পর্কিত বিধানাবলির বিবরণ দাও। কোন পরিস্থিতিতে এবং কী উদ্দেশ্যে ম্যাজিস্ট্রেট সদাচরণের মুচলেকা প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকেন?

(খ) অপরাধ স্বীকার বলতে কী বুঝ? অপরাধের স্বীকারোক্তি কে লিপিবদ্ধ করতে পারেন? অপরাধের স্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করার জন্য কী কী আনুষ্ঠানিকতা অবশ্যই পালন করতে হবে? অপরাধের স্বীকারোক্তির সাক্ষ্যগত মূল্য নিরূপণ কর। একজন সাক্ষী কী স্বীকারোক্তি দিতে পারে?

==========================

এলএল.বি (শেষ পর্ব) পরীক্ষা, ২০২১

চতুর্ত পত্র (সাক্ষ্য আইন)

১। (ক) সাক্ষ্য আইন প্রয়োগে প্রধান প্রধান নীতি উল্লেখ কর।

(খ) দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলায় সাধারণতঃ একই সাক্ষ্য হয়-এ নীতির কোনো ব্যতিক্রম আছে কী?

(গ) আদালতের মামলায় কোন কোন ঘটনার উপর সাক্ষ্য দেয়া যায়?

২। (ক) ‘জনশ্রুতি কোনো সাক্ষ্য নয়’ সংক্ষেপে এ নীতির ব্যতিক্রমসমূহ আলোচনা কর।

(খ) প্রশ্ন আইন সম্মত ও প্রাসঙ্গিক হওয়া সত্ত্বেও কখন সাক্ষীকে প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য করা যায় না?

(গ) জেরার সময় আইনসঙ্গতভাবে কী কী প্রশ্ন করা যায়? বর্ণনা কর।

৩। (ক) বিবৃতি, স্বীকার এবং স্বীকারোক্তি বলতে কী বুঝ? পুলিশ অফিসারের কাছে প্রদত্ত স্বীকারোক্তি কি গ্রহণযোগ্য?

(খ) স্বীকার ও দোষ স্বীকারের মধ্যে পার্থক্য কী?

(গ) প্রলোভন, ভীতি প্রদর্শন ও প্রতিশ্রুতির ফলে পুলিশ অফিসারের নিকট অপরাধ স্বীকারোক্তির ফলাফল কী?

৪। (ক) সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ অনুযায়ী চরিত্র বলতে কী বুঝ?

(খ) কখন দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলায় চরিত্র সংক্রান্ত সাক্ষ্য প্রাসঙ্গিক?

(গ) পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ কী খারাপ চরিত্রের সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক? আলোচনা কর।

৫। (ক) প্রমাণের ভার কী? মামলা প্রমাণের দায়িত্ব এবং সাক্ষ্য উপস্থাপনের দায়িত্বের মধ্যে পার্থক্য দেখাও।

(খ) মামলা প্রমাণের দায়িত্ব কার উপর বর্তায়? কখন অভিযুক্ত ব্যক্তির উপর প্রমাণের দায়িত্ব। অর্পিত হয়?

(গ) বৈধ সন্তানের চূড়ান্ত প্রমাণ কী?

৬। (ক) ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন বলতে কী বুঝ? সাক্ষীকে কখন ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন করা যায়?

(খ) সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা কীভাবে হরণ করা যায়? কী কী কারণে একজন বিচারক এ প্রক্রিয়ার হস্তক্ষেপ করতে পারেন?

৭। ‘এস্টোপেল’ বলতে কী বুঝ? সাক্ষ্য আইনের ১১৫ ধারার আলোকে প্রতিবন্ধকতা নীতির ব্যাখ্যা দাও। সাক্ষ্য আইনে প্রতিবন্ধকতা নীতির গুরুত্ব আলোচনা কর। “এস্টোপেল” কে তুমি কীভাবে “রেস-জুডিকেটা” থেকে পৃথক করবে?

৮। যেকোনো চারটি বিষয়ের উপর টাকা লেখ।

(ক) জবানবন্দি, (খ) মৌখিক সাক্ষ্য, (গ) সরকারি দলিল, (ঘ) মৃত্যুকালীন ঘোষণা, (ঙ) সাক্ষী হিসাবে ছয় বছরের শিশু, (চ) চূড়ান্ত প্রমাণ।

=======================

এলএল.বি (শেষ পর্ব) পরীক্ষা, ২০২১

পঞ্চম পত্র (আন্তর্জতিক আইন)

Group A

১। আন্তর্জাতিক আইন কী? আন্তর্জাতিক আইন ও রাষ্ট্রীয় আইনের পারস্পরিক সম্পর্কের তত্ত্বসমূহ কী? বিভিন্ন রাষ্ট্রে প্রয়োগ এবং প্রচলিত মতবাদের প্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক আইন এবং রাষ্ট্রীয় আইনের সম্পর্ক আলোচনা কর।

২। আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃতি বলতে কী বুঝ? স্বীকৃতির আইনগত ফলাফল কী? ইহা কি প্রত্যাহারযোগ্য? যার নিজস্ব ভূ-এলাকা নেই; এমন রাষ্ট্রকে কি স্বীকৃতি দেয়া যায়? স্বীকৃতি কখন হস্তপেক্ষ বলে বিবেচিত হতে পারে? রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সরকারের স্বীকৃতির মধ্যে পার্থক্য নির্দেশ কর।

৩। কূটনৈতিক আইন কাকে বলে? কূটনৈতিক প্রতিনিধি কারা এবং তাদের অধিকার ও বিমুক্তি অধিকারসমূহ কী কী? কখন বা কী পরিস্থিতিতে একটি রাষ্ট্র কোনো এক বিশেষ দূতকে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানাতে পারে? “পারসোনা নন গ্রাটা” ও “কূটনৈতিক কর্পস এর ডীন” বলতে কী বুঝ? অপরাধমূলক কাজের সাথে জড়িত একজন বিদেশি কূটনীতিকের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে?

Group B

৪। রাষ্ট্রীয় সমুদ্র কী? রাষ্ট্রীয় সমুদ্রে নির্দোষ অতিক্রম কী ও এর শর্তাবলি কী কী? বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ কর্তৃক নির্দোষ অতিক্রমের বিধান লঙ্ঘিত হলে উপকূলীয় রাষ্ট্রের অধিকার ও এখতিয়ার কী? বিদেশি যুদ্ধ জাহাজের ক্ষেত্রেও কি একই অধিকার ও এখতিয়ার থাকে?

৫। আঞ্চলিক ভূখণ্ডের সংজ্ঞা দাও। রাষ্ট্রীয় এখতিয়ারভুক্ত এবং রাষ্ট্রীয় বহির্ভূত সমুদ্র অঞ্চলসমূহের শ্রেণিবিন্যাস কর। একটি মুখ্য মামলার বিশেষ প্রসঙ্গসহ আঞ্চলিক সমুদ্রের উপকূল রাষ্ট্রের অধিকার এবং দায়িত্বসমূহ আলোচনা কর।

৬। এরিয়া বলতে কী বুঝ? এরিয়া নিয়ন্ত্রণকারী নীতিসমূহ আলোচনা কর। দ্রুত পশ্চাদ্ধাবন কী? ১৯৮২ সনের সমুদ্র আইনের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো আলোচনা কর।

Group C

৭। মানবাধিকার আইনের বিকাশ মূল্যায়ন কর। কীসের সমন্বয়ে মানবাধিকার আন্তর্জাতিক বিল গঠিত? বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্টকে কেন মৌলিক আ অধিকারের অভিভাবক ও নিশ্চয়তাদানকারী বলা হয়?

৮। আঞ্চলিক মানবাধিকার সংরক্ষণ বলতে কী বুঝ? এনজিও কী এবং কীভাবে তা মানবাধিকার রক্ষায় অবদান রাখে? ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালত কীভাবে কাজ করে?

৯। জাতিসংঘ কর্তৃক ১৯৮৯ সনের শিশু সনদ গ্রহণের প্রেক্ষাপট আলোচনা কর। শিশু অধিকার সংরক্ষণ ও উন্নয়নে এই সনদে পক্ষ রাষ্ট্রসমূহকে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে? এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের অবস্থান ব্যাখ্যা কর।

Group D

১০। আন্তর্জাতিক অপরাধ আইন ও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বলতে কী বুঝ? আন্তর্জাতিক অপরাধ আইনে ন্যায্য বিচার এর বিধানগুলো কী কী? আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের কাঠামো ও এখতিয়ার বর্ণনা কর।।

১১। যুদ্ধবন্দী কারা ও তাদের প্রতি কীরূপ আচরণ করতে হবে আলোচনা কর। কোন কোন কার্যগুলো মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ? মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের দায়ে কোনো রাষ্ট্রপ্রধান কি অন্য রাষ্ট্রে দায়মুক্তি দাবি করতে পারে?

১২। ঢিাকা লেখ (যেকোনো তিনটি):

(ক) রুয়ান্ডা বিচার
(খ) যুগোশ্লাভিয়ার জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ বিচার ট্রাব্যুনাল
(গ) বাংলাদেশে যুদ্ধাপরাধের জন্য গঠিত ট্রাইব্যুনাল
(ঘ) ন্যুরেমবার্গ যুদ্ধ অপরাধের বিচার
(৫) আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের বিচারিক কার্যক্রম।

=====================

এলএল.বি (শেষ পর্ব) পরীক্ষা, ২০২১

ষষ্ঠ পত্র (কোম্পানি ও বাংলাদেশের বাণিজ্যিক আইন)

Group A

১। (ক) আইনে স্বীকৃত বিভিন্ন প্রকার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কী কী?

(খ) কোম্পানি কীভাবে ঐচ্ছিকভাবে বিলুপ্ত করা যায়? কোম্পানি বিলুপ্ত হলে উহার সম্পত্তি কীভাবে জামানতসহ এবং জামানতবিহীন পাওনাদার এবং শেয়ার হোল্ডারদের মধ্যে বিভক্ত হবে?

২। (ক) অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা নীতি বলতে তুমি কী বোঝ? নীতিটির কোনো ব্যতিক্রম থাকলে উল্লেখ কর।

(খ) কোম্পানি আইনে যৌথ ব্যক্তিত্ব এবং সীমাবদ্ধ দায়-দায়িত্ব একটি নিষ্পত্তিকৃত মামলার আলোকে ব্যাখ্যা কর।

৩। (ক) এটা কতটুকু সত্যি যে কোম্পানির পরিচালনা পরিষদ কোম্পানির সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী? একজন পরিচালকের কর্তব্য এবং ব্যক্তিগত স্বার্থ কখনও পরস্পরের পরিপন্থী হবে না এ নীতিটি আলোচনা কর। (খ) ‘ক’ কোম্পানির চেয়ারম্যান ও সেক্রেটারি কোম্পানির একাউন্টস্ কারচুপি করে লাভ দেখায় যা কোম্পানির পরিচালক জনাব ‘গ’ অনুমোদন করেন। ফলশ্রুতিতে মুনাফা প্রদান করা হয় মূলধন হতে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কোম্পানির ক্ষতি হয় এবং পরিচালকের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হয়। পরিচালক কী এই ক্ষতির জন্য দায়ী হবেন? আলোচনা কর।

৪। (ক) কোম্পানি সংঘ স্মারকের প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর।

(খ) একটি জীমিত দায় কোম্পানি সংঘ স্মারকে কী কী বিষয় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে? কখন এবং কীভাবে কোম্পানির উদ্দেশ্য সম্পর্কিত সংঘ স্মারকের বিধানসমূহ পরিবর্তন করা যেতে পারে?

৫। কখন এবং কীভাবে একটি কোম্পানি ইহার শেয়ার মূলধন বৃদ্ধি, পুনরায় সংগঠিত বা হ্রাস করতে পারে? অনুমোদিত, প্রতিশ্রুত বা পরিশোধিত মূলধনের মধ্যে পার্থক্য দেখাও। অপরিশোধিত বা অদাবীকৃত লভ্যাংশ-এর ব্যাপারে কোম্পানির দায়িত্ব কী?

Group B

৬। বাংলাদেশের একজন দন্ত চিকিৎসক জনাব হাসান এর ঢাকায় একটি দন্ত চিকিৎসালয় থাকাকালীন সময় দেউলিয়া আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হন এবং সেই মোতাবেক তাহার সম্পত্তির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য একজন রিসিভার নিয়োগ পান। রিসিভারের নিকট সম্পত্তি সমর্পিত হইবার সময়-

(ক) জনাব হক ঢাকায় অবস্থিত একটি দুই তলা ইমারত হস্তান্তর করিতে অস্বীকার করেন, যাহা তিনি জনাব হাসানের নিকট হইতে সরল বিশ্বাসে ক্রয় করেন এবং জনাব হাসান যে মুহূর্তে এই মর্মে অবগত হন যে, তাহার বিরুদ্ধে একটি দেউলিয়া ঘোষণার দরখাস্ত পড়িয়াছে অমনি তিনি তাহা হস্তান্তর করেন।

(খ) জনাব হাসান দন্ত চিকিৎসালয়ের দুইটি ডেন্টাল চেয়ার হস্তান্তর করিতে অস্বীকার করেন এই বলিয়া যে উহারা তাহার পেশার সামগ্রী এবং আইনের আওতায় রিসিভারের লওয়ার কোনো অধিকার নাই। আলোচনা কর।

৭। (ক) ‘ওপেন’ এবং ‘ক্রসড চেক’ এর মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ কর।

(খ) “তিনটি শর্তাবলি পূরণ সাপেক্ষে চেক ‘ডিসঅনার’ করার অপরাধ শাস্তিযোগ্য হয়”। -উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর।

(গ) এই ধরনের অপরাধ কীভাবে এবং কখন আদালতে আমলযোগ্য হয়? কোন্ আদালত এই অপরাধের বিচার করতে পারে?

৮। (ক) ধারক ও যথাকালে ধারক এর মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় কর।

(খ) (i) উত্তম স্বত্ত্ব (ii) স্ট্যাম্প যুক্ত অসম্পূর্ণ দলিল, (iii) কাল্পনিক বিল সম্পর্কিত যথাকালে ধারক এর বিশেষ অধিকারসমূহ কী?

(গ) ‘ক’ অন্যের একটি বিনিময় বিল খুঁজে পায়। সে শেষ পৃষ্ঠাঙ্কনকারীর স্বাক্ষর জাল করে এবং ইহা সরল

বিশ্বাসে ক্রেতা ‘খ’ এর নিকট হস্তান্তর করে। ‘খ’ কি যথাকালে ধারক?

৯। (ক) যদিও রেলওয়ে প্রশাসন মালের বাহকের কাজ করে তবুও পরিবহণ আইন, ১৮৬৫ তাহাদের উপর প্রযোজ্য নয় কেন? পশু ও মালের বাহক হিসেবে রেলওয়ে প্রশাসনের কর্তব্য ও দায়-দায়িত্ব আলোচনা কর। ‘রিস্ক নোট’ ইস্যুর উদ্দেশ্য কী?

(খ) উদাহরণসহ পুনঃবিমা এবং দ্বিভাগ বিশিষ্ট বিমা এর মধ্যে পার্থক্য দেখাও।

১০। (ক) দেউলিয়া আইনের উদ্দেশ্যসমূহ কী?

(খ) দেউলিয়াত্ব কার্যাবলি কীভাবে সংঘটিত হয়? কী কী কারণে কোনো ব্যক্তিকে আদালত দেউলিয়া প্রতিপন্ন করে?

(গ) যে সকল কার্যকলাপ দেউলিয়া কাজ বলে চিহ্নিত সেগুলো আলোচনা কর।

(ঘ) তুমি কি এই মত সমর্থন কর যে, দেউলিয়া আইন মানবিকতা মতবাদের উপর প্রতিষ্ঠিত? তোমার মতের সমর্থনে যুক্তি দাও।

=====================

এলএল.বি (শেষ পর্ব) পরীক্ষা, ২০২১

সপ্তম পত্র (ভূমি আইন, রেজিস্ট্রেশন আইন এবং সরকারি দাবি আদায় আইন)

ক- বিভাগ:

১। (ক) বাংলাদেশের ভূমি আইনের ঐতিহাসিক ক্রমবিকাশ সম্পর্কে আলোচনা কর।

(খ) স্বত্বলিপি কী? স্বত্বলিপিতে কী কী বিবরণী অন্তর্ভুক্ত থাকে? ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন অনুসারে স্বত্বলিপি প্রস্তুত এবং সংশোধন সংক্রান্ত পদ্ধতি আলোচনা কর।

২। (ক) ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অর্জন ও প্রজাস্বত্ব আইনের বিধানুসারে অগ্রক্রয়ের মামলায় কোন কোন ব্যক্তি আবশ্যকীয় পক্ষ? একজন আবশ্যকীয় পক্ষ বাদ গেলে তার ফলাফল কী?

(খ) ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অর্জন ও প্রজাস্বত্ব আইন এবং ১৯৪৯ সালের অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনে বর্ণিত অগ্রক্রয় সম্পর্কিত বিধানের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় কর।

৩। (ক) ‘স্ব-স্থানে পুনঃউদ্ভব’ বলতে কী বোঝায়? প্রখ্যাত মামলার উল্লেখপূর্বক এ সংক্রান্ত বিধি-বিধানগুলো আলোচনা কর।

(খ) একটি প্রখ্যাত মামলার উল্লেখপূর্বক নিচের উক্তিটি ব্যাখ্যা কর। “মাছ নদীকে অনুসরণ করে এবং মৎস্য শিকারী মাছকে অনুসরণ করে।”

৪। তুমি কি স্বীকার কর যে, ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন আমাদের সমাজ ব্যবস্থা ও সংবিধানে বর্ণিত ন্যায়নীতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ? এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য আরও পরিবর্তন ও পরিবর্ধনের প্রয়োজন আছে কী? আলোচনা কর।

৫। ১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশ এর প্রধান বিধানগুলো আলোচনা কর। তুমি কী মনে কর এ আইন বর্গাদারদের বাস্তবিক অধিকারের নিশ্চয়তা বিধান করেছে? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দেখাও।

খ-বিভাগ:

৬। কোনো দলিলের রেজিস্ট্রেশন কেন প্রয়োজন? ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইনানুযায়ী কোন দলিলের রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক? বাধ্যতামূলকভাবে রেজিস্ট্রেশনযোগ্য দলিল রেজিস্ট্রেশন না করা হলে তার ফলাফল কী?

৭। (ক) রেজিস্ট্রেশন আইনের উদ্দেশ্য কী? রেজিস্ট্রেশনের সাথে সাক্ষ্য আইনের সম্পর্ক আলোচনা কর।

(খ) স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর দলিল কোন জায়গায় নিবন্ধন করতে হবে? যদি কোনো সাব-রেজিস্ট্রার তাঁর আঞ্চলিক অধিক্ষেত্রে অবস্থিত নয় এমন সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করেন তবে তার ফলাফল কী?

গ – বিভাগ:

৮। ১৯১৩ সালের সরকারি দাবি আদায় আইনের ‘সরকারি দাবি’ এর অর্থ ব্যাখ্যা কর। উক্ত আইন অনুযায়ী সরকারি দাবি আদায়ের জন্য কীভাবে সার্টিফিকেট দায়ের করা যায়। সার্টিফিকেট কার্যকরীর বিভিন্ন পদ্ধতি কী কী? আলোচনা কর।

৯। (ক) সার্টিফিকেট মূলে ভূমি বিক্রির কারণে সংক্ষুব্ধ কোন ব্যক্তির কী কী প্রতিকার আছে যখন-

(i) যখন পিডিআর আইনের ৭ ধারার নোটিশ জারি হয়নি।

(ii) যখন উক্ত আইনের ৭ ধারার নোটিশ জারি হয়েছে।

(খ) কখন একটি সার্টিফিকেট বিক্রয় চূড়ান্ত হয়?

=========================

এলএল.বি (শেষ পর্ব) পরীক্ষা, ২০২১

অষ্টম পত্র (সিভিল ড্রাফটিং, ক্রিমিনাল ড্রাফটিং ও প্রফেসনাল এথিক)

Group A Drafting (Civil) (Answer any one question) Marks-20

১। একটি মানি স্যুট-এর আরজিতে কী কী বিষয় সন্নিবেশিত থাকা প্রয়োজন? টাকার মোকদ্দমা রুজুর জন্য একটি আরজি প্রস্তুত কর।

২। বিক্রয় দলিলের উপাদান আলোচনা কর। বায়নানামা দলিল কী? বায়নানামা দলিল মুসাবিদা কর।

Group B Drafting (Criminal) (Answer any one question) Marks-20

৩। দায়রা আদালতে বিচারাধীন একটি মামলার অব্যাহতির দরখাস্তের খসড়া প্রস্তুত কর। ৪। একটি সাধারণ ডায়েরি, এজাহার এবং একটি সি আর মামলার অভিযোগের খসড়া প্রস্তুত কর।

Group C Professional Ethics (Answer any one question) Marks-10

৫। পেশাগত অসদাচরণ বলতে কী বুঝ? তুমি কী মনে কর যে, গুরুতর অসদাচরণের জন্য একজন আইনজীবীকে চিরতরে বহিষ্কার করা উচিত? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি প্রদর্শন কর।

৬। বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অধীনে ট্রাইবুন্যাল গঠন, ক্ষমতা, কার্যাবলি আলোচনা কর। “বার কাউন্সিল” ও “বার এসোসিয়েশন” এর মধ্যে সম্পর্ক আলোচনা কর।

====================

এলএল.বি (শেষ পর্ব) পরীক্ষা, ২০২২

প্রথম পত্র (‘ক’ বিভাগ) সম্পত্তি হস্তান্তর আইন

১. (ক) ‘একদা বন্ধক সর্বদাই বন্ধক’-ব্যাখ্যা কর। বন্ধক ও চার্জ এর মধ্যে পার্থক্য কি? 

(খ) ‘কায়েমি স্বার্থ ও শর্ত সাপেক্ষ স্বার্থ’ এর মধ্যে তুমি কিভাবে পার্থক্য নির্ণয় করবে?

২. (ক) প্রতারণামূলক হস্তান্তর কী? এ ধরনের হস্তান্তর কি সব সময় বাতিলযোগ্য?

(খ) “কৃত্রিম মালিক” কে? কোন্ কোন্ অবস্থায় কৃত্রিম মালিক কর্তৃক কোন হস্তান্তর প্রকৃত মালিকের উপর বাধ্যকর হয়?

৩. (ক) বিক্রয়ের উপাদানসমূহ আলোচনা কর। কিভাবে বিক্রয় করা যায়? বাংলাদেশের আইন উল্লেখপূর্বক ‘ক্রেতা সাবধান’ মতবাদটি ব্যাখ্যা কর।

(খ) কীভাবে দান সৃষ্টি করা যায়? বৈধ দানের উপাদান সমূহ কী কী?

৪. (ক) বিনিময়ের অপরিহার্য উপাদান গুলো আলোচনা কর। বিনিময়ের পক্ষদ্বয়ের দায় দায়িত্ব কী?

(খ) বিভিন্ন প্রকার রেহেনে রেহেন গ্রহীতাগণের অধিকার গুলো লেখ।

৫. (ক) “নালিশযোগ্য” দাবির বৈশিষ্ট্যসহ সংজ্ঞা লিখ।

(খ) ইহা কিভাবে হস্তান্তর করা যায়?

(গ) ইহার হস্তান্তর গ্রহীতার অধিকার ও দায় দায়িত্ব আলোচনা কর।

খ বিভাগ – বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি আইন

৬. বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি বলতে কী বুঝ? বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তি গুলো কী কী? বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তির প্রকৃতি আলোচনা কর। সম্পত্তি ও বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পত্তির পার্থক্য দেখাও।

৭. (ক) কপিরাইটের সংজ্ঞা দাও। কপিরাইট অর্জনের জন্য কি কি শর্ত পূরণ করতে হয়?

(খ) কপিরাইট এর মালিক কে? কোন কার্যের কপিরাইট সংরক্ষণের শর্তাবলী বা মান নির্ণায়ক কী? কোন কাজগুলো কপিরাইট লংঘন হিসেবে গণ্য হয়?

৮. সংক্ষিপ্ত টীকা লিখ (যে কোনো পাঁচটি):

(ক) প্রকাশনা, (খ) নূতনত্ব, (গ) কপিরাইটের মেয়াদ, (ঘ) পাসিং অফ, (ঙ) বিকেন্দীকরণ,

(চ) উদ্ভাবন ধাপ, (ছ) ওয়াইপো কনভেনশন।

৯. (ক) ট্রেডমার্ক ও ট্রেডনামের পার্থক্য কর। একটি আইনগত ট্রেডমার্ক মঞ্জুর করার ক্ষেত্রে আবেদন ও নবায়ন করার পদ্ধতি লেখ।

(খ) পাসিং অফ কী? পাসিং অফ মামলার বাদিকে কি প্রমাণ করতে হয়? ট্রেডমার্কের ক্ষেত্রে অধিকার লঙ্ঘন ও পাসিং অফ এর মধ্যে পার্থক্য দেখাও।

১০. (ক) বাধ্যতামূলক লাইসেন্স কী? পেটেন্টের ক্ষেত্রে কখন বাধ্যতামূলক লাইসেন্স প্রদান করা হয়?

(খ) পেটেন্টের জন্য আবশ্যকীয় উপাদানগুলো কী কী? পেটেন্টের মাধ্যমে কি ধরনের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়ে থাকে?

=====================

এলএল.বি (শেষ পর্ব) পরীক্ষা, ২০২২

দ্বিতীয় পত্র (দেওয়ানী কার্যবিধি এবং তামাদি আইন)

‘ক’ বিভাগ

১. “যদিও ১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির উদ্দেশ্য ছিল দেওয়ানী বিচার আদালতের পদ্ধতি সংক্রান্ত আইন সমূহকে একত্রিকরণ ও সংশোধন করা, কিন্তু আইন প্রণেতাগণ ধারণা করতে পারেননি যে, এই পদ্ধতি মামলা কে দীর্ঘায়িত করবে এবং বিচারকার্যকে অহেতুক বিলম্বিত করবে” -এই উক্তির যৌক্তিকতা প্রমাণ কর।

২. দেওয়ানী প্রকৃতির মোকাদ্দামা বলতে কী বুঝ? একটি দেওয়ানী মোকদ্দমা রুজু হতে চূড়ান্ত শুনানি পর্যন্ত যে সকল পর্যায়ের মধ্য দিয়ে অগ্রসর হয় তার বর্ণনা দাও এবং সংক্ষেপে ওই সকল পর্যায়ের প্রতিটির উদ্দেশ্য ও পদ্ধতি ব্যাখ্যা কর।

৩. (ক) দেওয়ানী কার্যবিধি কি সম্পূর্ণ কার্যপ্রণালী সংক্রান্ত? যদি না হয় তবে তার ব্যতিক্রম কি? আলোচনা কর।

(খ) দেওয়ানী আদালতের আর্থিক এখতিয়ার বলতে কি বুঝ? সহকারি জজ, সিনিয়র সহকারী জজ ও যুগ্ম জেলা জজের আর্থিক এখতিয়ার বর্ণনা কর।

৪. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা ও অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় কর। একটি অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ পেতে একজন দরখাস্তকারীকে কি কি দেখাতে হয়? আদালত কর্তৃক অন্তর্বর্তীকালীন বা অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে দেওয়ানী কার্যবিধি (সংশোধনী) আইন ২০০৩ কি কি বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে?

৫. বিচার্য বিষয়ের গুরুত্ব আলোচনা কর। বিচার্য বিষয় প্রণয়ন বলতে কী বুঝ? কখন বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করা হয়? বিচার্য বিষয় প্রণয়নের পদ্ধতি কী? তথ্যগত ও আইনগত বিচার্য বিষয়ের পার্থক্য দেখাও।

৬. কি কি কারণে একটি দেওয়ানি আদালত তার রায় রিভিউ করতে পারেন? কে রিভিউ এর জন্য আবেদন করতে পারে? রিভিউ রিভিশন হতে কিভাবে পৃথক?

৭. (ক) কখন এবং কোন অবস্থায় মামলা প্রত্যাহার করা যায়? মামলা প্রত্যাহারের ফলাফল কি?

(খ) বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বলতে কি বুঝ? কি কি পদ্ধতিতে মোকদ্দমা বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি হতে পারে? দেওয়ানী কার্যবিধির অধীন বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি আলোচনা কর।

খ বিভাগ

৮. “১৯০৮ সনের তামাদি আইনে দুই ধরনের ধারা সংযোজিত হয়েছে, এদের মধ্যে এক ধরনের ধারা অধিকারকে বিনষ্ট করে এবং অপরগুলো প্রতিকারকে বিনষ্ট করে” -আলোচনা কর। কেন বলা হয় যে, তামাদি সময় একবার শুরু হলে তা আর পরবর্তীতে বন্ধ হয় না?

৯. বিলম্ব মওকূফ বলতে কি বুঝ? বিলম্ব মওকূফের এই বিধান কি তামাদি আইনের মূল উদ্দেশ্যকে নস্যাৎ করে? কোন পরিস্থিতিতে এই বিলম্ব প্রযোজ্য? মূল মামলায় কি এই বিধান প্রযোজ্য? আলোচনা কর।

=========================

এলএল.বি (শেষ পর্ব) পরীক্ষা, ২০২২

তৃতীয় পত্র (দণ্ডবিধি ও ফৌজদারি কার্যবিধি)

গ্রুপ- এ

১। (ক) অপরাধ এর সংজ্ঞা দাও এবং অপরাধের উপাদানগুলো বর্ণনা কর। কতিপয় প্রখ্যাত মামলার বিশেষ উল্লেখসহ “সাধারণ ইচ্ছা” ও “সাধারণ উদ্দেশ্য” এর মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় কর।

(খ) আঘাত কী? কখন তা গুরুতর আঘাতে পরিণত হয়? বলপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায় কিংবা সম্পত্তি প্রত্যর্পণে বাধ্য করার জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাতের শাস্তি বর্ণনা কর।

২। “আত্মরক্ষার অধিকার” বলতে কী বুঝ? দণ্ডবিধির আওতায় কখন এবং কীভাবে একজন এই অধিকার প্রয়োগ করতে পারে? এই ধরনের অধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে আইন কি কোন বাধা নিষেধ আরোপ করে?

কখন এই অধিকার একজন- (ক) অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তি এবং (খ) নির্দোষ ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা যায়? কখন আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানো যায়?

৩। (ক) অপরাধজনক অনধিকার প্রবেশের সংজ্ঞা দাও। এই অপরাধের উপাদানগুলো উল্লেখ কর এবং এই অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি কত? “গৃহে অনধিকার প্রবেশ” ও “গৃহভঙ্গের” মধ্যে পার্থক্য দেখাও।

(খ) জালিয়াতি কী এবং মিথ্যা দলিল প্রণয়ন বলতে কী বুঝায়? উদাহরণ দাও। কোন ক্ষেত্রে একজন লোক তাঁর নাম স্বাক্ষর করায় জালিয়াতির দায়ে দোষী হতে পারে? ‘ক’ জেনেশুনে একটি মিথ্যা সার্টিফিকেট স্বাক্ষর ও ইস্যু করে। ‘ক’ কী অপরাধ সংঘটন করেছে?

৪। নিম্নলিখিত ঘটনায় ‘X’ কোনো অপরাধ করেছে কিনা বল:

(ক) ‘X’ একজন কর্মকার যাকে একদল ডাকাত ধরে নিয়ে তখনি তাঁর জীবন নাশের হুমকি দ্বারা তাকে দিয়ে ‘Y’ এর বাড়ির তালা খোলায়। ডাকাতদল যাদের সংখ্যা ছিল দশ, ‘Y’ এর বাড়িতে ঢুকে লুট করে এবং ‘Y’ এর পুত্রকে হত্যা করে।

(খ) ‘X’ একজন চিকিৎসক এবং সরল বিশ্বাসে সে তাঁর রোগীকে জানায় যে সে সুস্থ হবে না এবং মারা যাবে; যা শুনে রোগীটি মর্মাহত হয়ে মারা যায়।

(গ) ‘X’ ‘C’ কে আঘাত করে এটা জানা সত্ত্বেও যে ‘C’ একজন সরকারি কর্মচারী এবং তাঁর সরকারি দায়িত্ব পালনে কর্মরত আছে। যদি ঘটনার সময় ‘X’ ‘C’ এর অবস্থান সম্পর্কে না জেনে এই ঘটনা ঘটাতো তবে ফলাফল কী হতো?

(ঘ) ‘B’ কর্তৃক প্রকাশিত বই সম্পর্কে ‘X’ বলল যে- ‘B’ এর বইটি অশ্লীল: ‘B’ নিশ্চয়ই একজন নোংরা মনের ব্যক্তি।

৫। (ক) বাংলাদেশ দণ্ডবিধিতে কোন কোন অপরাধের উল্লেখ আছে যার জন্য মৃতুদণ্ড ব্যতীত অন্য কোনা শাস্তি নেই? আলোচনা কর। বাংলাদেশ দণ্ডবিধি আইনের ৩৪ ও ১০৭ ধারার মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় কর।

(খ) বাংলাদেশ দণ্ডবিধি আইনের ৫১১ ধারা অনুসারে অপরাধ করার জন্য কোন কোন প্রচেষ্টা শাস্তিযোগ্য? প্রচেষ্টার জন্য শান্তিদানের সমর্থনে এ ধারায় কী কী প্রমাণ করা আবশ্যক?

গ্রুপ-বি

৬। (ক) ‘এজহার’ এর সাক্ষ্যগত মূল্য কী? ফৌজদারি মামলায় আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠনের উদ্দেশ্য কী এবং একটি চার্জে কী কী বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকে? একটি চার্জশীট বা ফাইনাল রিপোর্টে কী কী বিষয়বস্তু থাকতে হবে?

(খ) ফৌজদারি কার্যবিধিতে পূর্বের বিচার ঘোষিত দণ্ড বা খালাস কখন নতুন বিচারকার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে বাধা বলে গণ্য হয়, তা উদাহরণসহ আলোচনা কর।

৭। (ক) পুলিশী তদন্ত কী? সাম্প্রতিক বা সর্বশেষ সংশোধনী উল্লেখপূর্বক বিচার পর্যন্ত পুলিশী তদন্তের বিভিন্ন স্তরগুলো সংক্ষেপে বর্ণনা কর। চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করা না গেলে কী কার্যপ্রণালি অনুসরণ করতে হবে বর্ণনা কর।

(খ) ফৌজদারি কার্যবিধিতে পুলিশকে অপরাধ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কী ধরনের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে? থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার একটি অধর্তব্য অপরাধ সংঘটনের সংবাদ, পেলে তাঁর কী করণীয়? আলোচনা কর।

৮। আপিল কী? কীভাবে ইহা রিভিশন হইতে পৃথক? যে যে অবস্থায় ফৌজদারি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত দণ্ডগুলো আপীলযোগ্য নয় তা উল্লেখ কর। খালাস ও অপর্যাপ্ত দণ্ডের বিরুদ্ধে আপীল চলে কি?

৯। (ক) আদালতে একজন মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছে, তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করার পদক্ষেপ কী? কখন আদালত একজন অভিযুক্ত ব্যক্তির সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দিতে পারেন? পলাতক ঘোষিত আসামির সম্পত্তি ক্রোকাবদ্ধ হলে তা পুনরুদ্ধারের পদ্ধতি আলোচনা কর।

খ) পার্থক্য নির্ণয় কর: (i) আপোষযোগ্য ও আপোষ অযোগ্য অপরাধের মধ্যে, (ii) আদালত গ্রাহ্য এবং আদালত অগ্রাহ্য অপরাধের মধ্যে।

১০। (ক) ঐসব শ্রেণির অপরাধের কথা আলোচনা কর যার জন্য শুধু বিশেষ ব্যক্তির নালিশের ভিত্তিতে আদালতে মামলা রুজু করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধিতে সাক্ষ্য বিষয়ে বিধিবদ্ধ বিশেষ বিধানগুলো কী কী? আলোচনা কর।

(খ) ফৌজদারি আদালত কর্তৃক কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজিরায় বাধ্য করার জন্য যে সমস্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়ে থাকে তা আলোচনা কর। বন্ড বাজেয়াপ্ত করতে আদালত কী কার্যপদ্ধতি অনুসরণ করবে তা আলোচনা কর।

=============================

এলএল.বি (শেষ পর্ব) পরীক্ষা, ২০২২

চতুর্ত পত্রঃ (সাক্ষ্য আইন)

১। সাক্ষ্য আইনে প্রাসঙ্গিকতা বলতে কী বুঝ? ঘটনার প্রাসঙ্গিকতার ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আইনের কী কী নীতি আছে? বিচার্য বিষয় এবং প্রাসঙ্গিক ঘটনার মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় কর। “সকল গ্রাহ্য সাক্ষ্য প্রাসঙ্গিক, কিন্তু সকল প্রাসঙ্গিক সাক্ষ্যই গ্রহণযোগ্য নয়” ব্যাখ্যা কর।

২। দলিলভুক্ত সাক্ষ্য বলতে কী বুঝ? সরকারি দলিল কী এবং কীভাবে তা প্রমাণিত হয়? আইন অনুযায়ী কখন আদালত কতকগুলো দলিল সম্পর্কে বিশেষ ঘটনা অবশ্যই অনুমান করবেন? “সাক্ষীগণকে দলিল দ্বারা অগ্রাহ্য করা যায় কিন্তু দলিলসমূহকে সাক্ষী নয়” উক্তিটি ব্যতিক্রমসহ আলোচনা কর।

৩। স্বীকারোক্তির সংজ্ঞা দাও। বিচার বহির্ভূত স্বীকারোক্তির সাক্ষ্যগত মূল্য কী? কখন স্বীকৃতি প্রাসঙ্গিক বা অপ্রাসঙ্গিক হবে? “স্বীকৃতিকারীর বিপক্ষে স্বীকৃতি প্রমাণ করা যায় পক্ষে নয়” এই বিধিটি ব্যতিক্রমসহ আলোচনা কর। কেন আমাদের দেশের বিচারাল শুধুমাত্র স্বীকারোক্তির উপর নির্ভর করে সহযোগী আসামীকে শাস্তি প্রদান করতে অস্বীকার করে?

৪। (ক) জুডিশিয়াল নোটিশ বলতে। কী বুঝ? “যে সকল ঘটনা আদালত কর্তৃক লক্ষ্যণীয় তা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই”- উক্তিটির আইনগত তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর এবং যে সকল ঘটনা সম্পর্কে আদালত অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন সেগুলোর তালিকা দাও।

(খ) “আদালতের কাজ হচ্ছে মামলার বিচার করা, ব্যক্তির বিচার করা নয় এবং একজন খারাপ লোকেরও অত্যন্ত ন্যায়সঙ্গত বিবাদের কারণ থাকতে পারে” উক্তিটির কোনো ব্যতিক্রম আছে কি? সংক্ষেপে আলোচনা কর।

৫। (ক) বিশেষ অধিকারপ্রাপ্ত আদান-প্রদান বলতে কী বুঝায়? এই নিয়মের সীমাবদ্ধতাগুলো কী কী? (খ) আদালতে সাক্ষ্য দেয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি কে? কোনো সহযোগী আসামীর সাক্ষ্য কি সহ-অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গ্রহণযোগ্য? কোনো দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে কি সাজা দেয়া আইনসঙ্গত?

৬। জবানবন্দী ও জেরার প্রকৃতি ও উদ্দেশ্য কী? কেন একজন সাক্ষীর মতামত বা বিশ্বাস সাক্ষ্য নয়? একজন সাক্ষীর জেরা তাঁর জবানবন্দীতে বিধৃত ঘটনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে কি? দলিল উপস্থাপনের সমন দিয়ে কোনো ব্যক্তিকে কি জেরা করা অনুমোদনযোগ্য? সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা কীভাবে হরণ করা যায়? এ ব্যাপারে বিচারক কি বাধা দিতে পারেন?

৭। (ক) ‘ক’ ও ‘খ’ দম্পতিকে একটি শিশু হত্যার দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে। শিশুটিকে দম্পতিটি দত্তক নিয়েছিল। যে বাড়িতে দম্পতিটি বসবাস করে ঐ বাড়ির বাগানে শিশুটির মৃতদেহ পাওয়া যায়। ঐ দম্পতি কর্তৃক পূর্বে দত্তক নেওয়া ঐ বাগানে সমাহিত আরও দশটি শিশুর মৃতদেহ সাক্ষ্য হিসাবে উপস্থাপন করা হয়। সাক্ষ্য আইনের প্রাসঙ্গিক ধারা ব্যাখ্যাসহ এই সাক্ষ্যের গ্রহণযোগ্যতা আলোচনা কর।

(খ) বাদী পক্ষের একজন সাক্ষী সাক্ষ্য দেওয়ার পূর্বে আদালতের বাইরে একটি নোট বই থেকে স্মৃতি পুনরুজ্জীবিত করে। ঐ নোট বইয়ের সারমর্ম পরীক্ষা করা এবং এর মধ্যকার প্রাসঙ্গিক বিষয়বস্তু সম্পর্কে সাক্ষীকে জেরা করার অধিকার কি আসামীর আছে? আলোচনা কর।

৮। যে কোনো পাঁচটি বিষয়ের উপর টীকা লেখ:

(ক) জবানবন্দী, জেরা, পুনঃজবানবন্দী, (খ) ইঙ্গিতবাহী প্রশ্ন, (গ) সহযোগী আসামীর সাক্ষ্য, (ঘ) জনশ্রুতিমূলক সাক্ষ্য, (৫) স্বকার্যজনিত বাধা, (চ) প্রমাণিত।

===============================

এলএল.বি (শেষ পর্ব) পরীক্ষা, ২০২২

পঞ্চম পত্র (আন্তর্জতিক আইন)

Group A

১। আন্তর্জাতিক আইন কি প্রকৃতই একটি আইন? ইহা কি একটি রাষ্ট্রের জন্য বাধ্যতামূলক? “আন্তর্জাতিক আইন হলো আইনবিজ্ঞানের বিলীয়মান বিন্দু” উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর।

২। আন্তর্জাতিক আইনের উৎস বলতে কী বুঝ? আন্তর্জাতিক আইনের উৎস হিসেবে প্রথা ও সন্ধি বিশ্লেষণ কর। আন্তর্জাতিক সন্ধির বৈধতার শর্তসমূহ আলোচনা কর। 

৩। প্রাচীন যুগে আন্তর্জাতিক আইনের বিকাশ বিবৃত কর। আধুনিক আন্তর্জাতিক আইনের জনক কে? “যুদ্ধ ও শাস্তির আইন” ১৬২৫ বইটি সম্পর্কে কিছু লেখ।

Group B

৪। উন্মুক্ত সাগরের স্বাধীনতা ব্যাখ্যা কর। একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলে কী কী স্বাধীনতা রয়েছে। মহা সমুদের স্বাধীনতাসমূহের কোন কোনটি একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে?

৫। সমুদ্র তটরেখা বা ভিত্তি রেখা কী? সমুদ্রের কত গভীরতা পর্যন্ত বাংলাদেশের সমুদ্র তটরেখা? সমুদ্র তটরেখার উপর ভিত্তি করে “এ্যাংলো-নরওয়েজিয়ান মাছ শিকার এখতিয়ার মামলা (আইসিজে ১৯৫১) ব্যাখ্যা কর।

৬। ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইনের ঐতিহাসিক পটভূমি ও প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো আলোচনা কর। বলা হয় যে, ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেশন একচেটিয়া অর্থনৈতিক এলাকাকে উন্মুক সাগর হতে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করেছে। তোমার মতামত কী? ব্যাখ্যা কর।

Group C

৭। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিল বলতে কী বুঝ? নারীর প্রতি, সুকল্প বৈষম্য দূরীকরণ বিষয়ক কনভেনশন ১৯৭৯ এর প্রধান বিধানগুলো আলোচনা কর। এর প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের অবস্থান ব্যাখ্যা কর।

৮। রাজনৈতিক আশ্রয়দান বলতে কী বুঝ? একজন রাজনৈতিক অপরাধীকে কি বহিঃসমর্পণ করা যায়? কোন কোন ক্ষেত্রে অপরাধীর বহিঃসমর্পণের অনুরোধ রাষ্ট্র কর্তৃক প্রত্যাখ্যান হতে পারে? আলোচনা কর।

৯। আধুনিক আন্তর্জাতিক আইনের মূলনীতিগুলো কী? জাতিসংঘ সনদে এসব নীতিমালার প্রতিফলন কীভাবে ঘটেছে? তুমি কি মনে কর যে, আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার আন্তর্জাতিক আইনের একটি নীতি?

Group D

১০। ভাড়াটিয়া যোদ্ধা কারা? তারা কি যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী যোদ্ধা হিসাবে বিবেচিত হয়? সাময়িক যুদ্ধ বিরতি কী? শর্তহীন আত্মসমর্পণ ও সাময়িক যুদ্ধ বিকৃতির মধ্যে কোনো সম্পর্ক আছে কি, উদাহরণ দাও।

১১। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত কী? আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের গঠনের পটভূমি এবং এখতিয়ার আলোচনা কর।

১২। গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধ বলতে কী বুঝ? নুরেমবার্গ যুদ্ধাপরাধের বিচার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা কর।

======================

এলএল.বি (শেষ পর্ব) পরীক্ষা, ২০২২

ষষ্ঠ পত্র (কোম্পানি ও বাংলাদেশের বাণিজ্যিক আইন)

Group A

১। (ক) কোম্পানি বলতে কী বুঝ?

(খ) কোম্পানি আইনে পৃথক ব্যক্তিসত্তা এবং সীমাবদ্ধ দায়-দায়িত্ব একটি নিষ্পত্তিকৃত মামলার আলোকে ব্যাখ্যা কর।

(গ) হোল্ডিং কোম্পানি ও সাবসিডিয়ারি কোম্পানির মধ্যে সম্পর্ক নিরূপণ কর।

২। (ক) প্রসপেক্টাস কী? কোম্পানির প্রসপেক্টাসে কী কী বিষয় বর্ণনা করা যেতে পারে? বিবরণপত্র কিংবা এর পরিবর্তে বিবৃতি প্রচার না করে একটি পাবলিক কোম্পানি চলতে পারে কি?

(খ) বিবরণপত্রে অসত্য বর্ণনা দেয়া কিংবা সত্য গোপন করার জন্য দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন আলোচনা কর।

৩। (ক) কোম্পানির মূলধন কী? শেয়ার মূলধন হতে এটি কতখানি পৃথক? কোম্পানি আইনে যে সব বিভিন্ন অর্থে মূলধন শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে তা উল্লেখ কর।

(খ) কোম্পানির শেয়ার মূলধন কীভাবে বৃদ্ধিলাভ করতে পারে তা ব্যাখ্যা কর।

৪। (ক) আদালত কর্তৃক বাধ্যতামূলক কোম্পানি অবসায়নের কারণসমূহ কী? এরূপ অবসায়নের ফলাফল কী?

খ) স্বেচ্ছাকৃত ও বাধ্যতামূলক কোম্পানি অবসায়নের মধ্যে পার্থক্য দেখাও।

৫। (ক) বাৎসরিক সাধারণ সভার প্রক্রিয়া বর্ণনা কর। সংবিধিবদ্ধ সভা ও বার্ষিক সাধারণ সভার মধ্যে তুমি কীভাবে পার্থক্য করবে?

(খ) কেন কোম্পানিকে বার্ষিক সাধারণ সভা আহ্বান করতে হয়? তলবজনিত বিশেষ সাধারণ সভা আহ্বানের পদ্ধতি কী?

Group B

৬। (ক) পণ্য বিক্রয় আইন, ১৯৩০ এ কখন ক্রেতা-বিক্রেতার দক্ষতা ও বিচক্ষণতার উপর নির্ভর করে?

(খ) আনপেইড বিক্রেতার লিয়েনের অধিকারগুলো লেখ।
গ) কখন আনপেইড বিক্রেতা তার লিয়েনের অধিকার হারায়?

৭। (ক) অংশীদারি কারবারের অস্তিত্ব কীভাবে প্রমাণ করা যায়?

(খ) অংশীদারি কারবারের শ্রেণিবিভাগগুলো লেখ।

(গ) কীভাবে একজন অংশীদারির মৃত্যুতে কারবার বিলুপ্ত হতে পারে?

৮। (ক) চার্টার পার্টি ও চালানি রশিদ বলতে তুমি কী বোঝ? চার্টার পার্টি ও চালানি রশিদের মধ্যে পার্থক্য কী? চার্টার বাই ডিমাইজ এবং চার্টার উইদাউট ডিমাইজ এর মধ্যে পার্থক্য দেখাও।

(খ) ইহা বল্য কতটুকু সঠিক হবে যে, চালানি রশিদ জাহাজে বোঝাইকৃত পণ্যের আপাত দৃষ্টিতে ভালো অবস্থা নির্দেশ করে?

৯। (ক) হস্তান্তরযোগ্য দলিল বলতে কী বুঝ? চেকের সংজ্ঞা দাও।

(খ) চেক রেখনের উদ্দেশ্য কী? কে চেক রেখন করতে পারে? সাধারণ রেখন এবং বিশেষ রেখনের সংজ্ঞা দাও এবং উহাদের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় কর। কখন একজন ব্যাংকার চেকের অর্থ প্রদানে অস্বীকার করতে পারে?

১০। (ক) “বিমা একটি ফটকাবাজির চুক্তি” এই উক্তিটি আলোচনা কর। পুনঃবিমা ও দ্বৈতবিমার মধ্যে পার্থক্য দেখাও। নৌ বিমা চুক্তিতে “জেনারেল অ্যাভারেজ ও পার্টিকুলার অ্যাভারেজ” বলতে কী বুঝ?

(খ) বিমা চুক্তিকে কেন ‘চূড়ান্ত সদ্বিশ্বাস’ ও ‘ক্ষতিপূরণের চুক্তি’ বলা হয়? তিন প্রকারের বিমা দাবিগুলো কী কী? পুনঃবিমা ও রিট্রোসেশান কী? বিমা গ্রহীতার আত্মহত্যার ফলাফল কী?

==================================

এলএল.বি (শেষ পর্ব) পরীক্ষা, ২০২২

সপ্তম পত্র (ক বিভাগ) ভূমি আইন

১। (ক) চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা ভূ-সম্পত্তির অধিকারী অভিজাত শ্রেণির ম্যাগনাকার্টা, পক্ষান্তরে State Acquisition Act বাংলার কৃষকদের জন্য ম্যাগনাকার্টা। এই উক্তির সত্যতা কতখানি? জবাবের যৌক্তিকতা প্রদর্শন কর।

(খ) তুমি কি মনে কর ১৯৫০ সনের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যসমূহ অর্জিত হয়েছে?

২। ভূমি জরিপ কী? ভূমি জরিপের গুরুত্ব কী? বিভিন্ন প্রকার ভূমি জরিপের ত্রুটি-বিচ্যুতি আলোচনাসহ ভূমি জরিপের প্রকারভেদ বর্ণনা কর।

৩। খাজনার সংজ্ঞা দিন এবং ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাতন্ত্র আইনে কী কী কারণে একজন রায়ত অথবা অকৃষি প্রজার খাজনা বৃদ্ধি অথবা হ্রাস করা যায় তা বর্ণনা কর। খাজনা বৃদ্ধির কি কোন সীমারেখা আছে?

৪। ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনে অধীনে কী কী শ্রেণির জমি একজন প্রজা নিজ দখলে রাখতে পারে? এই আইনে ওয়াকফ্, ওয়াকফ আল আওলাদ ও দেবোত্তর সম্পত্তির বিধান কী? এই ধরনের সম্পত্তি কি অধিগ্রহণ করা যায়? নিষ্পত্তিকৃত প্রখ্যাত মামলার আলোকে তা আলোচনা কর।

৫। ১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশ এর প্রধান প্রধান বিধানসমূহ আলোচনা কর। তুমি কি মনে কর এই আইনে বরগাদারদের বাস্তবিক অধিকার নিশ্চয়তা বিধান করেছে? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।

খ-বিভাগ: রেজিস্ট্রেশন আইন (যে কোন ১টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে)

৬। দলিল নিবন্ধনের জন্য আইনগত আনুষ্ঠানিকতা বর্ণনা কর। কে বৈধভাবে একটি দলিল নিবন্ধানের জন্য পেশ করতে পারে? কী কী কারণে একটি দলিল নিবন্ধন প্রত্যাখ্যান করা যেতে পারে?

৭। (ক) ১৯০৮ সালের রেজিস্ট্রেশন আইন অনুসারে রেজিস্ট্রেশনকারী কর্মকর্তার ক্ষমতা ও দায়িত্ব আলোচনা কর

(খ) রেজিস্ট্রেশন অফিসারের নিকট অজানা ভাষায় লিখিত কোনো দলিল নিবন্ধনের জন্য পেশ করা হলে কী কী নিয়ম পালন করতে হয়?

(গ) নিবন্ধনকারী অফিসারের নিযুক্তির ত্রুটি বা পদ্ধতিগত ত্রুটির জন্য কোনো দলিল বাতিল হতে পারে কি?

গ-বিভাগ: সরকারি দাবি আদায় আইন 

(যে কোন ১টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে)

৮। সার্টিফিকেট কী? সরকারি দাবি আদায় আইনে সার্টিফিকেট অফিসারের কার্যাবলি আলোচনা কর। কীভাবে তিনি তাহার সিদ্ধান্ত কার্যকরী করে থাকেন।

৯। (ক) সরকারি দাবি বলতে কী বুঝায়?

(খ) সরকারি দাবি আদায় আইনের অধীনে একজন সার্টিফিকেট অফিসার কি একটি সার্টিফিকেট নাকচ করতে পারে?

(গ) ১৯১৩ সালের সরকারি দাবি আদায় আইনের অধীনে আপিল, রিভিউ এবং রিভিশন এব বিধানসমূহ আলোচনা কর।

এলএল.বি (শেষ পর্ব) পরীক্ষা, ২০২২

অষ্টম পত্র (সিভিল ড্রাফটিং, ক্রিমিনাল ড্রাফটিং ও প্রফেসনাল এথিক)

ক বিভাগ

১. (ক) বন্ধক দলিলের আবশ্যকীয় উপাদান সম্পর্কে আলোচনা কর।

(খ) একটি “আম মোক্তার” দলিল এর মুসাবিদা কর।

২. (ক) দলিলের প্রকারভেদ বর্ণনা কর।

(খ) রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ (সংশোধিত) বিধান মতে একটি বিক্রয় দলিল মুসাবিদা কর।

খ বিভাগ

৩. (ক) ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ২৪১(ক) ধারার অধীনে একটি অব্যাহতির দরখাস্ত মুসাবিদা কর।

(খ) ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ এর বিধান অনুযায়ী একটি আপিলের মেমোরেন্ডাম মুসাবিদা কর।

৪. দন্ডবিধি ১৮৬০ এর ৪০৬ এবং ৪১৭ ধারা মতে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ এবং প্রতারণা সংক্রান্ত একটি নালিশি মামলা মুসাবিদা কর।

গ বিভাগ

৫. বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের গঠন ও কার্যাবলী এবং উহার কমিটিরসমূহের গঠন ও কার্যাবলী সম্পর্কে আলোচনা কর।

৬. পেশাগত অসদাচরণ বলতে কি বুঝ? বাংলাদেশে বার কাউন্সিল অর্ডরের অধীন আইনজীবীদের অসদাচরণের জন্য শাস্তির বিধান আলোচনা কর। শাস্তির বিধানের পদ্ধতি ও তার বিরুদ্ধে প্রতিকারের বিবরণ দাও।

এলএল.বি শেষ পর্ব পরীক্ষায় সাফল্য অর্জনের জন্য পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি বিগত বছরের প্রশ্নপত্র নিয়মিত অনুশীলন করা অপরিহার্য। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় LL.B Part-2 Examination 2020-2022 সালের সকল প্রশ্ন অধ্যয়নের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীরা আত্মবিশ্বাস অর্জন করবে এবং কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জনে একধাপ এগিয়ে থাকবে।

সফলভাবে এলএল.বি শেষ পর্ব সম্পন্ন করতে হলে শুধুমাত্র পাঠ্যবই নয়, বরং বিগত বছরের প্রশ্নপত্র নিয়মিত অনুশীলন করা জরুরি। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় LL.B Part-2 Examination 2018-2019 সালের প্রশ্নসমূহ পরীক্ষার্থীদের প্রস্তুতিকে আরও মজবুত করবে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।

LLB Final Exam 2023 Exam Center | জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এলএলবি ফাইনাল পরীক্ষা কেন্দ্র তালিকা

0

LLB Final Exam 2023 Exam Center তালিকা প্রকাশিত। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এলএলবি ফাইনাল পরীক্ষার কেন্দ্র ও কলেজভিত্তিক তথ্য দেখুন।

LLB Final Exam 2023 Exam Center 1
LLB Final Exam 2023 Exam Center 2
LLB Final Exam 2023 Exam Center 3

আরো দেখুন

LLB Final Exam 2023 Corrected Routine Publish

LLB Final Exam 2023 Exam Center | জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এলএলবি ফাইনাল পরীক্ষা কেন্দ্র তালিকা

LLB Final Exam 2023 Corrected Routine Publish পুনঃসংশোধিত রুটিন

0

LLB Final Exam 2023 Corrected Routine Publish | জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এলএলবি ফাইনাল পরীক্ষার পুনঃসংশোধিত রুটিন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত এলএল.বি (LLB) ফাইনাল 2023 পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য LLB Final Exam 2023 Routine প্রকাশিত হয়েছে। এই রুটিন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ প্রথম রুটিনটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশ করেলেও ভুল থাকায় নতুন করে ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ আবার প্রকাশ হয়েছে। পরে আবার জানুয়ারি ৬, ২০২৬ তারিখে সংশোধন করে নতুন রুটিন প্রকাশ করে

এতে পরীক্ষার তারিখ, সময়, বিষয় কোড ও পরীক্ষার ধরন উল্লেখ থাকে। এই রুটিন অনুসরণ করেই সকল কলেজে একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

LLB Final Exam 2023 Corrected Routine Publish
LLB Final Exam 2023 Corrected Routine Publish
LLB Final Exam 2023 Corrected Routine Publish

LLB Final Exam 2023 পরীক্ষার সাধারণ নির্দেশনা

পরীক্ষার হলে প্রবেশের আগে শিক্ষার্থীদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা নিচে দেওয়া হলো—

  • প্রবেশপত্র (Admit Card) অবশ্যই সঙ্গে রাখতে হবে
  • পরীক্ষার হলে মোবাইল ফোন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ
  • নির্ধারিত সময়ের কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে হলে উপস্থিত থাকতে হবে
  • কালো বলপেন ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক
  • কোনো ধরনের অসদুপায় অবলম্বন করলে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে
https://bdinfo360.com/%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%af%e0%a6%bc-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%af%e0%a6%bc-ll-b-part-2-examin

LLB ফাইনাল পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ টিপস

এলএলবি ফাইনাল পরীক্ষা ভালোভাবে দিতে চাইলে নিচের বিষয়গুলো অনুসরণ করতে পারেন—

আরো দেখুন
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় LL.B PART-2 EXAMINATION 2018-2022 (বিগত বছরের প্রশ্ন)

NU LLB Final Exam 2023 Question Pattern and Syllabus