Sunday, September 20, 2026
spot_imgspot_img
Home Blog Page 5

যেভাবে আসলো নিউ ইয়ার History of NEW YEAR

ইংরেজি নববর্ষের ইতিহাস

নতুন বছর উদযাপন মানব সভ্যতার অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যগুলোর মধ্যে একটি। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতিতে নতুন বছর পালনের রীতি বহু শতাব্দী ধরে প্রচলিত। তবে ইংরেজি নতুন বছরের (English New Year) ইতিহাস মূলত গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, যা জানুয়ারির ১ তারিখকে নতুন বছরের প্রথম দিন হিসেবে নির্ধারণ করেছে। চলুন, ইংরেজি নববর্ষের ইতিহাসের গভীরে নজর দেওয়া যাক।

প্রাচীন যুগের নতুন বছর

বিশ্বের বিভিন্ন প্রাচীন সভ্যতায় নতুন বছর ভিন্ন সময়ে শুরু হতো। যেমন:

  • মেসোপটেমিয়া: খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ সালের দিকে মেসোপটেমিয়ার মানুষরা নতুন বছর উদযাপন করত, যা বসন্ত ঋতুর শুরুতে (মার্চ মাসের মাঝামাঝি) হতো।
  • প্রাচীন মিশর: মিশরীয়রা নীল নদে বার্ষিক বন্যা শুরু হওয়ার সময় (জুলাই মাসের কাছাকাছি) নতুন বছর উদযাপন করত।
  • চীন: চীনা ক্যালেন্ডার অনুযায়ী নতুন বছর চন্দ্র মাসের ওপর নির্ভরশীল এবং জানুয়ারি বা ফেব্রুয়ারির মধ্যে উদযাপিত হয়।

রোমান ক্যালেন্ডার এবং জানুয়ারি ১

প্রাচীন রোমান সভ্যতায় প্রথমদিকে নতুন বছর মার্চ মাসে শুরু হতো। তবে খ্রিস্টপূর্ব ৪৬ সালে রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজার নতুন বর্ষপঞ্জি (জুলিয়ান ক্যালেন্ডার) চালু করেন। এতে জানুয়ারি মাসকে বছরের প্রথম মাস হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।

জানুয়ারি মাসের নামকরণ করা হয়েছিল রোমান দেবতা জ্যানুসের (Janus) নামে। জ্যানুস ছিলেন দ্বিমুখী দেবতা—একটি মুখ অতীতের দিকে এবং অপরটি ভবিষ্যতের দিকে তাকানো। এটি প্রতীকীভাবে পুরাতন বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরের সূচনাকে বোঝায়।

মধ্যযুগে নতুন বছরের পরিবর্তন

মধ্যযুগে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে খ্রিস্টান প্রভাবের কারণে জানুয়ারি ১ তারিখের পরিবর্তে নতুন বছর মার্চ মাসের দিকে সরিয়ে নেওয়া হয়। বিশেষত, খ্রিস্টান ধর্মগুরু ও চার্চ জানুয়ারি ১ তারিখকে পৌত্তলিক সংস্কৃতি বলে মনে করত এবং নতুন বছর উদযাপন ডিসেম্বরের শেষ বা মার্চ মাসে স্থানান্তরিত হয়।

গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের প্রচলন

১৫৮২ সালে পোপ গ্রেগরি XIII গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার চালু করেন, যা আজকের আধুনিক ক্যালেন্ডারের ভিত্তি। এই ক্যালেন্ডারে আবার জানুয়ারি ১ তারিখকেই নতুন বছরের প্রথম দিন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। ধীরে ধীরে এটি সারা ইউরোপ এবং পরবর্তীতে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি লাভ করে।

বিশ্বব্যাপী ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন

আজকের দিনে ইংরেজি নববর্ষ বিশ্বব্যাপী অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বিভিন্ন দেশে বিভিন্নভাবে উদযাপিত হয়। উদাহরণস্বরূপ:

  • নিউ ইয়র্ক টাইমস স্কয়ার: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে বিশাল বল ড্রপ (Ball Drop) ইভেন্টের মাধ্যমে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়।
  • লন্ডন: বিগ বেনের ঘণ্টাধ্বনি এবং আতশবাজির মাধ্যমে নতুন বছর উদযাপিত হয়।
  • সিডনি: সিডনির হারবার ব্রিজে বিশাল আতশবাজির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
  • জাপান: জাপানিরা নতুন বছরের আগের রাতে মন্দিরে ১০৮ বার ঘণ্টা বাজিয়ে পুরাতন পাপ থেকে মুক্তির আশায় প্রার্থনা করে।

শেষ কথা

ইংরেজি নববর্ষের ইতিহাস মূলত রোমান সভ্যতা থেকে গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের বিবর্তনের মাধ্যমে গড়ে উঠেছে। বর্তমানে এটি আন্তর্জাতিকভাবে উদযাপিত হয় এবং নতুন বছরকে এক নতুন আশার বার্তা, নতুন লক্ষ্য এবং নতুন সম্ভাবনার প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়।

Broiler Chicken Korma | খাসির মাংসের বিকল্প

ব্রয়লার মুরগির কোরমা Broiler Chicken Korma

খাসির মাংসের কোরমা বাঙালির রন্ধনশিল্পে এক অনন্য জায়গা করে নিয়েছে।  বিশেষ করে পোলাও এর সাথে কোরমার প্রচলন বেশ বেশি। স্বাদে মিষ্টি হওয়ায় বাচ্চারা যেরকম পছন্দ করেন তেমনি খেতেও সুস্বাদু।

খাসির মাংস তুলনামূলক দাম বেশি হওয়ায় অনেকেই ব্রয়লারকে বিকল্প হিসেবে বেছে নেন।  কিন্তু একটু চেষ্টা করলেই ব্রয়লার মুরগির  মাংস দিয়েও চমৎকার রান্না করা যায়।  আজ থাকছে ব্রয়লার মুরগির বিশেষ রেসিপি, যা কিনা খাসির মাংস কেউ হার মানাবে।

উপকরণ

১. রসুন বাটা ১ চা চামচ (Garlic paste 1 spoon)

২. আদা বাটা ১ চা চামচ (Ginger paste 1 spoon)

৩. জিরা বাটা ১ চা চামচ (Cumin paste 1 spoon)

৪. হলুদ গুড়া ১/২ চা চামচ (Turmeric powder)

৫. তেজপাতা ২ টা (2 Bay leaves)

৬. দারুচিনি ২ টা (Cinnamon 2)

৭. লবঙ্গ ৩ টা (3 Cloves)

৮. ছোট এলাচ ২ টা (2 Small cardamoms)

৯. বড় এলাচ ১ টা (1 Black cardamom)

১০. শুকনা মরিচের গুড়া  ১/২ চা চামচ (Red Chili powder)

১১. পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ (Chopped onion 1 cup)

১২. কাঁচা মরিচ ৫ টা (4 Green chillies)

১৩. টক দই ১/২ কাপ (Sour yogurt 1/2 cup)

১৪. লবণ স্বাদমতো (Salt: According to your taste)

১৫. দুধ ১ কাপ (Milk 1 cup)

১৬. চিনি স্বাদমতো (Sugar)

১৭. সয়াবিন তেল (Soybean oil)

প্রস্তুত প্রণালি

প্রথমে আমরা মাংসগুলোকে ভালোভাবে পরিষ্কার করে ২০ মিনিটের জন্য ম্যারিনেট করে ঢেকে রেখে দেব। এরপর চুলায় একটা ফ্রাই প্যান বসায় দিয়ে ১/২ কাপ পেঁয়াজ বেরেস্তা করে রেখে দেব।একই তেলে বাকি  ১/২ কাপ পেঁয়াজ দিয়ে একটু ভেজে একে একে গরম মসলাগুলো দেব। যখন পেঁয়াজ হালকা বাদামি হয়ে আসবে তখন ম্যারিনেট করে রাখা মাংসগুলো দিয়ে ৫-৬ মিনিট ভেজে নিব। এরপর ম্যারিনেট করার ফলে যে পানিটুকু বের হয়েছিল সেটুকু দিয়ে আবার ২-৩ মিনিট ভেজে নেব। এরপর এক কাপ দুধ দিয়ে একটু নেড়ে ২ মিনিটের জন্য ঢেকে দেব। অবশ্য এ রান্নায় পানি ব্যবহার করবো না। সম্পূর্ণ রান্নাটা দুধ দিয়েই হয়ে যাবে। এবার ঢাকনা খুলে ১ চামচ চিনি, ৪-৫ টা কাঁচা মরিচ এবং ভেজে রাখা বেরেস্তা দিয়ে আবার ১০ মিনিটের জন্য ঢেকে দেব। তবে চিনিটা পছন্দমতো বাড়ায় বা কমায় নিতে পারেন। এবার ঢাকনা খুলে একটু নেড়ে পছন্দমতো ঝোল রেখে গরম গরম পরিবেশন করবো।

Broiler Chicken Korma Recipe

Geographical nicknames of different countries and places: বিভিন্ন দেশ ও স্থানের ভৌগোলিক উপনাম

সাধারণত পারিপার্শ্বিক অবস্থার উপর ভিত্তি করে কোন দেশ ও স্থানের প্রকৃত নামের পরিবর্তে যে নামে ডাকা হয় সেটিই ঐ দেশ ও স্থানের ভৌগোলিক নাম বলা হয়। এ ধরনের ভৌগোলিক স্থানের নাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষাসহ বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় নিয়মিত আসে। এ ধরনের কিছু প্রশ্ন সাল অনুসারে নিচে দেয়া হল।

দেশ ও স্থানের নামভৌগোলিক উপনামপরীক্ষা
বেলজিয়াম‘ইউরোপের ককপিট’/ ‘ইউরোপেররণক্ষেত্র’ ২৮ তম বিসিএস
সুইজারল্যান্ড‘ইউরোপের ক্রীড়াঙ্গন’পূবালী ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার: ১১
ব্যাংকক‘প্রাচ্যের ভেনিস’ কর্মসংস্থান ব্যাংকের সহকারী অফিসার: ০৮
সিডনি‘দক্ষিণের রাণী’ বিএডিসি’র সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা: ১৭
বাহরাইন‘মুক্তার দ্বীপ’ডিপিডিসি’র অফিসার: ১৮
মুম্বাই‘দ্যা সিটি অব ড্রিমস’ জাবি: ১৬-১৭
আইসল্যান্ড‘আগুণের দ্বীপ’/ ‘আগুণ ও বরফের ভূমি’ বিআরইবি’র সহকারী এনফোর্সমেন্ট কো-অর্ডিনেটর: ১৯, এনএসআই’রওয়াচার কনস্টেবল: ২১
গ্রেট ব্রিটেন‘সমুদ্রের বধূ’ বিটিভির সহকারী প্রকৌশলী: ১৭
বাগদাদ‘ন্যায় বিচারের উদ্যান’ রাবি: ১২-১৩
নিউইয়র্ক‘বিশ্বের রাজধানী’/ ‘জাঁকজমকের নগরী’/ ‘বিগ আপেল’/ গগণচুম্বী অট্টালিকার শহর’ বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী: ২১, সোনালী ব্যাংকের অফিসার: ১৯, সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের অফিসার: ০৯
জেরুজালেম‘পবিত্র ভূমি’ ১১ তম বিসিএস
কাশ্মীর‘ভূ-স্বর্গ’ রাবি: ১৫-১৬
পামীর‘পৃথিবীর ছাদ’ চবি: ১৫-১৬, বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক: ১৫
জাপান‘সূর্যোদয়ের দেশ’/ ‘ভূমিকম্পের দেশ’ পেট্রোবাংরার উচ্চমান সহকারী: ১৭
চীন‘প্রাচীরের দেশ’ রাবি: ০১–০২
তিব্বত‘নিষিদ্ধ দেশ’ রাবি: ০৩-০৪
ভুটান ‘বজ্রপাতের দেশ’/ ‘এশিয়ার বজ্রপাত’ বিএসসির সহকারী প্রোগ্রামার: ২১
ইতালি‘মার্বেলের শহর’ রাবি: ১৮-১৯
অস্ট্রেলিয়া ‘ডাউন আন্ডার’/ ‘ক্যাঙ্গারুর দেশ’/ ‘পশমের দেশ’
মিশর ‘নীল নদের দেশ’/ ‘পিড়ামিডের দেশ’রাবি: ০২-০৩
ইরান‘সিল্কি রুটের দেশ’রাবি: ০৭-০৮
রোম ‘Silent City’/ ‘নীরব শহর’/ চির শান্তির শহর’সোনালী ব্যাংকের অফিসার: ১৮
থাইল্যান্ড‘শ্বেতহস্তীর দেশ’/ ‘সাদ হাতির দেশ’ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সহকারী পরিচালক: ১৬
ব্রাজিল‘Land of Palms’ পিকেবি’র সিনিয়র অফিসার: ২১
প্যারিস ‘আলোর শহর’/ ‘সিটি অব কালচার’ জাবি: ১৭-১৮
ভ্যাটিকান ‘পোপের শহর’/ দি হলি সী’ চবি: ১৬-১৭
সানফ্রান্সিসকো‘সোনালী তোরণের শহর’ বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংকের অফিসার: ১৫
বেঙ্গালুরু ‘ওয়াইফাই শহর’ বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক: ১৭
কোরিয়া ‘শান্ত সকালের দেশ’/ ‘শান্ত দেশ’ জবি: ১১-১২
লাসা ‘নিষিদ্ধ শহর’ ১৫ তম বিসিএস
জেনেভা‘সম্মেলনের শহর’ চবি: ১৬-১৭
ইউক্রেন ‘সোভিয়েত ইউনিয়নের শস্যভান্ডা’ ঢাবি: ০২-০৩
তাসখন্দ‘ঝরণার শহর’অগ্রণী ব্যাংকের অফিসার ক্যাশ: ১৫
স্টকহোম‘উত্তরের ভেনিস’ জাবি: ০৯-১১
উগান্ড ‘আফ্রিকার মুক্তা’ (দুদকের উপ- সহকারী পরিচালক: ২০)
কায়রো ‘বাজারে শহর’রাবি: ০৭-০৮
ভিয়েনা‘ইউরোপের প্রবেশদ্বার’ ২৮ তম বিসিএস
শিকাগো ‘পৃথিবীর কসাইখানা’/ ‘বাতাসের শহর’/ উদ্যানের শহর’ খাদ্য অধিদপ্তরের খাদ্য পরিদর্শক: ১১, ইবি: ১৩-১৪
ভেনিস‘খালের নগরী’/ ‘নিমজ্জমান নগরী’ বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক: ১০, থানা সহকারী শিক্ষা অফিসার: ৯৯
কিউবা‘মুক্তার দেশ’/ ‘পৃথিবীর চিনির আধার’রাবি: ১০-১১
ইকুয়েডর ‘চির বসন্তের দেশ’ সমাজসেবা অধিদপ্তর
জাম্বিয়া ‘তামার দেশ’/ ‘কপারের দেশ’ জনতা ব্যাংকের অফিসার: ১২
নরওয়ে ‘নিশীত সূর্যের দেশ’/ ‘ধীবলের দেশ’ বিআরইবি’র সহকারী মহাব্যবস্থ্যাপক
জোহান্সবার্গ‘স্বর্ণ নগরী’চবি: ১৯-২০
ওসাকা ‘প্রাচ্যের ম্যানচেস্টার’ (জাককানইবি: ১৯-২০)
জয়পুর ‘গোলাপী শহর’ জনতা ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার: ২০
হারারে ‘পুষ্পমন্ডিত বৃক্ষের শহর’ রাবি: ০৫-০৬
ফিনল্যান্ড ‘হাজার হ্রদের দেশ’/ ‘হাজার দ্বীপের দেশ’৩১ তম বিসিএস
কানাডা ‘ম্যাপল পাতার দেশ’/ ‘লিলি ফুলের দেশ’ গণপূর্ত অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী: ১৮
নাটাল‘চির সবুজের দেশ’ বাংলাদেশ পুলিশের সহকারী রাসায়নবিদ: ০২
কিটো‘চির বসন্তের নগরী’ (রাবি: ১০-১১)

World Map

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও তাদের সমাধান (নমুনা)

১. প্রশ্ন: কোন দেশকে “উদীয়মান সূর্যের দেশ” বলা হয়?

উত্তর: জাপান

২. প্রশ্ন: “নদীর দেশ” হিসেবে কোন দেশ পরিচিত?

উত্তর: বাংলাদেশ

৩. প্রশ্ন: কোন দেশকে “তুষারের দেশ” বলা হয়?

উত্তর: রাশিয়া

৪. প্রশ্ন: “কফির দেশ” নামে কোন দেশ পরিচিত?

উত্তর: ব্রাজিল

৫. প্রশ্ন: কোন দেশকে “কুয়াশার দেশ” বলা হয়?

উত্তর: যুক্তরাজ্য

৬. প্রশ্ন: “নীল নদীর দেশ” হিসেবে কোন দেশ পরিচিত?

উত্তর: মিশর

৭. প্রশ্ন: কোন দেশকে “লাল মহাদেশ” বলা হয়?

উত্তর: অস্ট্রেলিয়া

৮. প্রশ্ন: কোন দেশকে “মধ্যরাতের সূর্যের দেশ” বলা হয়?

উত্তর: নরওয়ে

৯. প্রশ্ন: “প্রাচ্যের মুক্তা” নামে কোন দেশ পরিচিত?

উত্তর: ফিলিপাইন

১০. প্রশ্ন: “রূপার দেশ” নামে কোন দেশ পরিচিত?

উত্তর: আর্জেন্টিনা

পরীক্ষায় ভালো স্কোর করার কৌশল

১. নিয়মিত চর্চা করুন: প্রতিদিন নতুন দেশ ও তাদের উপনাম মুখস্থ করার চেষ্টা করুন।

২. সংক্ষেপে লিখে রাখুন: গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক উপনাম ছোট ছোট নোট তৈরি করে পড়ুন।

৩. কুইজ দিন: অনলাইনে বিভিন্ন সাধারণ জ্ঞানের কুইজ অংশগ্রহণ করুন।

৪. সম্পর্কিত প্রশ্নপত্র অনুশীলন করুন: পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্নপত্র দেখে অনুশীলন করুন।

৫. চিত্র ও মানচিত্র ব্যবহার করুন: বিভিন্ন দেশের মানচিত্র দেখে তাদের উপনাম সম্পর্কিত তথ্য সহজে মনে রাখা যায়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও তাদের ভৌগোলিক উপনাম জানা চাকরি ও ভর্তি পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই তালিকা মনে রাখলে পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করা সম্ভব। নিয়মিত চর্চা ও অনুশীলনের মাধ্যমে এই অংশে ভালো করা সম্ভব। আশা করি, এই প্রবন্ধটি পরীক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক হবে।

আরো দেখুন

Deed: দলিলের বিভিন্ন সাংকেতিক নামের অর্থ

0

যাদের দলিলপত্র নিয়মিত দেখার অভ্যাস নেই, তাঁরা যদি দলিলপত্র দেখতে যান তবে বেশকিছু সমস্যায় পড়েন। তার মাঝে প্রথম সমস্যা হলো দলিল ও জমিসংক্রান্ত অনেক শব্দ। কেননা, দলিল ও জমিসংক্রান্ত কাগজপত্রে কিছু সাংকেতিক শব্দ অর্থাৎ শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করা হয়। যা দৈনন্দিন জীবনে আমাদের কথাবার্তায় খুব কম ব্যবহার করা হয়। এ কারণে, তাঁরা সেসব শব্দ বোঝেন না। এসব কারণে দালিলিক শব্দগুলো আমাদের কাছে  অনেকটাই অপরিচিত থেকে যায়। 

দলিলের এসব সাংকেতিক শব্দ বা সংক্ষিপ্ত রূপ এর অর্থ ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করা হলো- 

পিং

পিং অর্থ পিতা।  দলিলে কিন্তু বেশিই ভাগ ক্ষেত্রে পিং লেখা থাকে, পিতা খুব কমেই লেখা থাকে। তাই দলিলে পিং লেখা থাকলে পিতা বুঝে নিতে হবে।

জং 

জং অর্থ স্বামী। তাই দলিলে যদি জং লেখা থাকে, তাহলে বুঝে নিতে হবে স্বামীকে।

গং

গং অর্থ সকল, সমূহ। তবে দ্বয় হলে দুজনকে বুঝায়। দলিলে যদি আবদুল করিম গং লেখা থাকে, তাহলে বুঝতে হবে, আবদুল করিমের আরও অনেক ব্যক্তি আছেন। 

সাং

সাং অর্থ ঠিকানা, বাসস্থান। দলিলপত্রে  ঠিকানার স্থানে সাং শব্দটি ব্যবহৃত হয় বা লেখা হয়।

দং

দং অর্থ দখল। 

মোং

মোং অর্থ মোকাম। 

এর অর্থ আবাস, বাসস্থান হলেও মূলত বাণিজ্য-স্থান বা বিক্রয়কেন্দ্র বোঝাতেই এটি ব্যবহৃত হয়।

এজমালি

এজমালি অর্থ যৌথ  মালিকানা বা একই জমির বহুজন মালিক। সুতরাং এজমালি সম্পত্তি বলতে আমরা যৌথ মালিকাধীন সম্পত্তিকে বুঝবো।

জঃ

জঃ অর্থ জমা। এ শব্দটি পুরাতন খতিয়ানে দেখা যায়। বিশেষ করে CS খতিয়ানে।

‘জমা’ বলতে সাধারণ অর্থে সঞ্চয় বুঝালেও ভূমি আইন ও দলিলে এর অর্থ  ভিন্ন। দলিলে জমা বলতে খাজনা/ রাজস্ব/ বার্ষিক কর বুঝায়।

কিঃ

কিঃ অর্থ কিস্তি।

ছানি

ছানি বলতে পুনর্বিবেচনার প্রার্থনাকে বুঝায়। জেলা লেবেলের কোর্টে ছানি শব্দটির ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। যেমন- ছানি মোকাদ্দমা।

ছোলেনামা

ছোলে অর্থ মীমাংসা/ আপোষ। আর ছোলেনামা বলতে আপস/ মীমাংসাপত্রকে বুঝায়।

কিত্তা

কিত্তা অর্থ জমির অংশ/ ভাগ।

তমঃ

তমঃ অর্থ বন্ধকনামা। অর্থাৎ জমির মালিক জমির উপর কর্জগ্রহণ করেন সরকারি স্ট্যাম্প বা কাগজমূলে কর্জদাতার কাছ থেকে। আরও সহজ করে বললে তমঃ বলতে ঋণ-স্বীকারপত্র বা খতকে বুঝায়। 

বিতং

বিতং অর্থ বিস্তারিত। 

চৌঃ

চৌঃ অর্থ চৌহদ্দি বা চারদিকের সীমানা।

খারিজ

সাধারণ অর্থে খারিজ বলতে বাতিল বুঝায়। অর্থাৎ ভূমি আইনে দলিলে একজনের নাম থেকে অন্যজনের নাম পরিবর্তনকে বুঝায়। মোটকথা, জমির মালিকানা পরিবর্তন করে নেয়া।

কাপড়ে দাগ লেগেছে দূর করুন সহজ কিছু উপায়ে

কাপড়ে দাগ লাগা যেন নতুন কিছু না। দৈনন্দিন জীবনে চলতে ফিরতে, উঠতে বসতে, খাইতে এককথায়, যেকোনো কাজ করতে দাগ তো লেগেই যায়। হোক না, সে বড় কিংবা ছোট। তাই এই দাগ নিয়ে কম বেশি সবারই একটু চিন্তা থেকেই যায়।

আজকে আমরা এই দাগ কীভাবে কত সহজে উঠানো যায়, তাই জানবো। তবে মনে রাখতে হবে, কাপড়ে যেকোনো দাগই লাগুক না কেন, তা শুকাতে না দেয়াই ভালো। এক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব কাপড়টিকে পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। ফলে দাগ কিছুটা হালকা হয়ে আসবে এবং পরবর্তীতে দাগ তোলা সহজ হবে। তবে কিছু কাপড়ের গায়ে নির্দেশনা লেখা থাকে তখন সেই অনুযায়ী কাপড়টি ধুয়ে নিতে হবে।

রক্তের দাগ

কাপড়ে যদি রক্তের দাগ লাগে আর তা না শুকিয়ে থাকে তবে কাপড়টি সাথে সাথে ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর হালকা গরম পানিতে ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। আর যদি দাগ শুকিয়ে যায় তখন কাপড়টি লবণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর হালকা গরম পানিতে ডিটারজেন্ট দিয়ে ভিজিয়ে দাগে জায়গায় একটু ঘষে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন দাগ চলে গেছে।

চা বা কফির দাগ

প্রথমে কাপড়টিকে ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে দিতে হবে। তারপর লিকুইড লন্ড্রি ডিটারজেন্ট দিয়ে ভিজিয়ে রেখে হালকা ঘষে নিলেই দাগ উঠে যাবে। দাগ যদি খুব পুরোনো হয় তবে দাগের জায়গায় চিনি লাগিয়ে একটু ঘষে ধুয়ে ফেলতে হবে।

কালির দাগ

কোন কাপড়ে যদি কলমের কালির দাগ লেগে যায় তাহলে কাপড়টির দাগের জায়গায়টি হ্যান্ড সেনিটাইজার দিয়ে ভিজিয়ে দিতে হবে। এতে কালিগুলো হালকা হয়ে ছড়িয়ে পড়বে। তারপর সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে ঘষে হালকা গরম পানিতে ধুয়ে নিন। দাগ যদি গাঢ় হয় সেক্ষেত্রে পুনরায় একইভাবে ধুয়ে নিন। দাগ চলে যাবে। তবে তুলায় দুধ দিয়ে ঘষলেও দাগ অনেকটা উঠে যায়।

ক্যাচাপের দাগ

যদি কোন কাপড়ে সস বা ক্যাচাপ লেগে যায় তাহলে শুকানোর জন্য অপেক্ষা করতে হবে। শুকিয়ে গেলে একটি ছুরি বা চামচ দিয়ে ক্যাচাপ পরিষ্কার নিতে হবে। তারপর কাপড়টিকে পানিতে ভিজিয়ে দিতে হবে যেন দাগ অনেকটা হালকা হয়ে যায়। এরপর ভিনেগার বা লেবুর রস দিয়ে দাগের উপর ঘষতে হবে। তারপর কাপড়টিকে পরিষ্কার করে নিলেই দাগ চলে যাবে। তবে ক্যাচাপ যেহেতু কিছুটা আঠালো তাই কাপড়ে লাগার পরপরই ঘষাঘষি না করাই ভাল। এতে দাগ আরও ছড়িয়ে স্থায়ী হয়ে যেতে পারে।

মেকআপ বা লিপস্টিকের দাগ

মেকআপ সাধারণত অনেক গাঢ় হয়ে থাকে। তা যদি অসাবধানতায় কাপড়ে লেগে যায়, তাহলে তো টেনশন হওয়ারই কথা। কিন্তু এ দাগ উঠানো খুবই সহজ। কেননা, কাপড় পরিষ্কার করার আগে বেশ খানিকটা ট্যালকম পাউডার যদি দাগের উপর ছড়িয়ে ঘষে নেয়া যায় তাহলে দাগ অনেকটা হালকা হয়ে আসে। তারপর লিকুইড ডিটারজেন্ট দিয়ে কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে নিলেই মেকআপ বা লিপস্টিকের উঠে যাবে।

তেলের দাগ

প্রতিনিয়ত আমাদের বাহিরে চলাফেরা করতেই হয় বিভিন্ন যানবাহন করে। আর এই সব বাহনে অসাবধানতায় কিংবা রান্না করতে গিয়ে গ্রিজ বা তেলের দাগ লেগে যেতেই পারে। দাগ যদি হালকা হয় তবে উষ্ণ পানিতে ভিজিয়ে দিতে হবে কাপড়টিকে। তবে ১০-১৫ মিনিট প্রি ওয়াশ স্টেইন রিমুভার দিয়ে ভিজিয়ে রাখতে পারলে ভালো হবে। তারপর ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে দিলেই দাগ উঠে যাবে। পুরোনো দাগ হলে অক্সিজেন ব্লিচ ব্যবহার করলে দাগ উঠে যাবে।

মশলার দাগ

কাপড়ে মশলার দাগ উঠানো একটু আলাদা। কেননা, হলুদের দাগ লাগার স্থানে কিছুক্ষণ লেবু ঘষে রোদে শুকিয়ে নিতে হবে। তারপর ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে দিলেই দাগ চলে যাবে। এছাড়াও দাগের ওপর গ্লিসারিন লাগিয়ে দাগ উঠানো যায়। সেক্ষেত্রে গ্লিসারিন লাগানোর ১ ঘণ্টা পর কাপড় ধুয়ে ফেলতে হবে।

ঘামের দাগ

গরম আসলেই তো পোশাকে ঘাম লাগবেই। অনেক সময় এ ঘাম দাগ হতে পারে। এতে করে পোশাকের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। চিন্তার কোনো কারণ নেই, এ দাগ উঠানো অতি সহজ। প্রথমে পানি আর বেকিং সোডার দিয়ে একটি পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। তারপর পেস্টটি ঘামের জায়গায় ঘণ্টাখানেক লাগিয়ে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর ডিটারজেন্ট দিয়ে জায়গাটা একটু ঘষে ধুয়ে নিলেই দাগ চলে যাবে। এছাড়াও শ্যাম্পু দিয়ে ঘামের দাগ উঠানো যায়।

কাদামাটির দাগ

কাপড়ে যদি মাটি লাগে আর সেটি ভেজা থাকে তাহলে শুকানোর অপেক্ষা না করে পানিতে ভিজায় দিন। তারপর ডিটারজেন্ট দিয়ে পরিষ্কার করে নিন।দেখবেন দাগ উঠায় যাবে।

আর যদি মাটি শুকায় যায় তাহলে ব্রাশ দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করে নিতে হবে। তারপর দাগের ওপর ডিটারজেন্টের পেস্ট তৈরি করে লাগিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণ পর ধুয়ে নিলেই দেখবেন কাদার দাগ চলে গেছে।

তবে স্থায়ী কাদামাটির দাগ যদি হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে পানির সাথে ২ টেবিল চামচ ব্লিচিং পাউডার মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিতে হবে। তারপর দাগের উপর লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর পরিষ্কার করে নিলেই দাগ উঠে যাবে।

ফলের রস বা জুসের দাগ

কাপড়ে যদি ফলের রস বা জুস কাপড়ে লেগে যায় তাহলে সঙ্গেসঙ্গে কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করে নিলেই দেখবেন দাগ চলে গেছে।

তবে পুরোনো দাগ হলে সাদা ভিনেগার দিয়ে ভিজিয়ে রাখে পরিষ্কার করলেই দাগ উঠে যাবে।

জাম,ডালিম জাতীয় রঙিন ফল হলে সাবান ব্যবহার না করাই ভালো। সেক্ষেত্রে গ্লিসারিন লাগিয়ে কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে নিতে হবে। দেখবেন অনায়াসেই কাপড়ের দাগ চলে গেছে।

এভাবে বমির দাগও কিন্তু দূর করা যায়।

মোমের দাগ

ভুলবশত কাপড়ে গলা মোম লেগে গেলে ঘষা দিলে উঠে গেলেও দাগ থেকে যায়। এক্ষেত্রে প্রথমে বরফের টুকরো দিয়ে মোমটা ভালভাবে ঘষে তুলে ফেলুন। এবার কাপড়টা বিছিয়ে দাগের উপর সাদা কাগজ রেখে ইস্ত্রি করে নিন। দেখবেন, মোম গলে কাগজের সঙ্গে উঠে যাবে।

মরিচার দাগ

কাপড় পরিষ্কার করে শুকানোর জন্য আমরা সবসময় তারে মেলে দেই। কিন্তু বৃষ্টির দিনে এই তারগুলোতে জং বা মরিচা ধরে যায়। অনেক সময় অসচেতনায় তার পরিষ্কার না করেই যদি কাপড় মেলে দেয়া হয় তখন মরিচার দাগ লেগে যায়। এ দাগ তুলতে প্রথমে ভিনেগার ও লবণের পেস্ট তৈরি করে দাগ লাগা অংশে লাগিয়ে রোদে শুকাতে দিন। তারপর ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন।

বেভারেজের দাগ

কোমল পানীয় যে দাগ হতে পারে এটা কিন্তু অনেকের অজানা। তবে এ দাগের ক্ষেত্রে যদি দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হয় তাহলে এ দাগ উঠানো সহজ হবেনা। তাই কাপড়টিকে ঠান্ডা পানিতে যত দ্রুত সম্ভব ভিজিয়ে রাখতে হবে। দাগের স্থানটি স্টেইন রিমুভার দিয়ে ১৫-২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে।

পানের পিকের দাগ

কাপড়ে যদি পানের পিকের দাগ লাগে তাহলে দাগ লাগা অংশের নিচে একটা পরিষ্কার কাপড় রেখে এক টুকরো আলু দিয়ে ঘষতে থাকুন। দেখবেন, দাগ থাকবে না।

সিল্ক কাপড়ে ঝোলের দাগ

তরকারির ঝোল যদি কোনো সিল্ক বা জর্জেটের কাপড়ে লাগে তাহলে দাগের স্থানে ট্যালকম পাউডার বা টুথপেস্ট লাগিয়ে হালকা ঘষে সাবান পানিতে ধুয়ে ফেলুন। দাগ চলে যাবে।

আইসক্রিমের দাগ

আইসক্রিম তো কম বেশি সবার পছন্দ। আর এই পছন্দের জিনিস খেতে অনেকের কাপড়েই দাগ লেগে যায়। কিন্তু চিন্তা নেই, এ দাগ দূর করা সহজ না হলেও একবারে কঠিন না। এ দাগ তুলতে প্রথমে দাগযুক্ত স্থানে লেবুর রস লাগিয়ে রেখে আস্তে আস্তে ঘষে নিন। এরপর সাবান পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিন।

চকোলেটের দাগ

চকলেট হলো ছোটদের পছন্দের একটা জিনিস। আর এমন কোন বাচ্চা নেই যে চকলেট খাবে আর দাগ লাগাবে না, এটা ভাবাই যায় না। তবে স্যানিটাইজারে সাহায্যে এ দাগ সহজে উঠানো যায়।

টিপস

আপনার পরিধেয় কাপড়ে যখনই কোন কিছুর দাগ লাগাবে তখনই টিস্যু পেপার ভিজিয়ে যতদূর সম্ভব দাগটি মুছে ফেলার চেষ্টা করুন।

সব ধরনের দাগই দূর করা যায় যদি আপনি সঠিক সময়ে ও উপায়ে ব্যবস্থা নেন। দাগ পড়ার সাথে সাথেই যত্ন নেওয়া হলে সেটা সহজেই উঠানো যায় এবং প্রিয় কাপড় নতুনের মতো ঝকঝকে রাখা যায়। ঘরোয়া এই উপায়গুলো অনুসরণ করে আপনি দাগের চিন্তা ছেড়ে নিশ্চিন্তে কাপড় ব্যবহার করতে পারবেন। তাই পরবর্তীবার দাগ পড়লে ঘাবড়াবেন না, বরং এই টিপসগুলো কাজে লাগান!

Raindrops: যে কারনে বৃষ্টির পানির ফোঁটা গোলাকৃতির

0

বিশুদ্ধ পানির অপর নাম জীবন। পানি ছাড়া মানবজীবন অচল। দৈনন্দিন কাজে পানি ছাড়া যেন চলেই না। সারাক্ষণ যে পানি পানি করেন, কখনও খেয়াল করছেন পানি পড়ে যাওয়ার সময়ে এর ফোঁটাগুলো কেন গোল হয়ে পড়ে?

পানির ফোঁটা গোলাকার হওয়ার কারণ

পানির ফোঁটা গোলাকার হওয়ার মূল কারণই হলো পৃষ্ঠটান। কেননা, পৃষ্ঠটান তরলের এক বিশেষ ধর্ম। তরল পদার্থের বিশেষ কোনো আকার নেই। তরলের ভেতরে অণুগুলো অনেকটা মুক্তভাবে থাকে। আপনার মনে প্রশ্ন আসতে পারে পৃষ্ঠটান আবার কি? 

পৃষ্ঠটান কী?

পৃষ্ঠটান হলো যখন তরল পদার্থ মুক্ত পৃষ্ঠে একটি রেখায় পড়তে থাকে, তখন ওই রেখার প্রতি একক দৈর্ঘ্যে, রেখার সঙ্গে লম্বভাবে পৃষ্ঠতল বরাবর এবং রেখার উভয় পাশে যে বল ক্রিয়া করে তাকে ওই তরলের পৃষ্ঠটান বলা হয়।

এখন তাহলে জেনে নেই, পানির ফোঁটা গোলাকার হওয়ার জন্য পৃষ্ঠটান কীভাবে দায়ী?

তরল পদার্থ কে যখন যে পাত্রে রাখা হয়, তরল পদার্থ তখন সেই পাত্রের আকার ধারণ করে। এর মানে হলো, কোনো পৃষ্ঠতলে যেমন, একটা প্লেটে বা গাছের পাতার ওপর পানি রাখবেন, তখন তরল গোটা পৃষ্ঠের ওপর ছড়িয়ে পড়বে। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি কোনো বস্তুর ওপর রাখলে গোটা পৃষ্ঠ জুড়েই তা ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু পানি যদি কম বা খুব সামান্য রাখেন, আমরা যেটাকে ফোঁটা বলি, এই ফোঁটাগুলো কিন্তু গোটা পৃষ্ঠ জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে না। 

সাধারণ বিবেচনা বলে তেমনটাই হওয়া উচিত ছিল, কারণ পানির অনুগুলো মুক্তভাবে চলাচল করতে পারে। কিন্তু এটা পৃষ্ঠটানের কারণে হয় না। পৃষ্ঠটানের কারণে, তরল পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আকর্ষণ থাকে। আবার এই আকর্ষণের কারণে তরলের ভেতরে থাকা পরমাণুগুলো চারপাশের অন্য সব অণুদের থেকে টান অনুভব করে। ডানে-বামে, ওপর-নিচে সব দিক থেকেই টান অনুভব করে। তাই একটা অণুর ওপর নিট আকর্ষণ বল শূন্য হয়।

এই বিষয়টা আরও সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করা যেতে পারে। যেমন- একটি অণুর ডান পাশে একটি অণু আছে, বাম পাশে আর একটি অণু আছে। উভয়ে পরস্পরের বিপরীত দিক থেকে টানছে এবং টানের পরিমাণ উভয় দিকেই সমান। এর মানে হচ্ছে একটি অণু আর একটি অণুর টানকে ছিন্ন করে দিচ্ছে। এখন যদি সামনে-পেছনে এমন দুটো অণু থাকে, তাদের টানও পরস্পরকে ছিন্ন করে দেবে। ওপর-নিচের অণু এগুলোর ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার ঘটবে। তাই ঠিক মাঝখানের অণুগুলো কোনো টানই অনুভব করবে না। 

এখন ধরুন, একটা গ্লাসে পানি আছে। পানির অণুগুলোও সাজানো আছে। সব অনুর চারপাশে সমান অণু থাকে না। যে-সব অণুর চারপাশে সমান সংখ্যক অণু থাকে, সে অণু সবচেয়ে বেশি টান অনুভব করে। বিশেষ করে পানির গ্লাসের সব দিক থেকে কেন্দ্রে যে অণুটা থাকবে, সেটার টান একদম শূন্য। কেন্দ্রের পাশের অণুটার ওপর কিছুটা টান দেখা যাবে। কেন্দ্র থেকে যতই বাইরের দিকে যাবেন, তাদের আকর্ষণ মান তত বাড়তে থাকবে। পানির গ্লাসের ওপরের স্তরে যে অণুগুলো আছে, এই অণুগুলো টানের মান সবচেয়ে বেশি। এই অণুগুলো ডান-বাম সব দিক থেকেই টান অনুভব করে। কিন্তু ওপরে কোনো অণু না থাকার কারণে সেদিক থেকে কোনো টানই অনুভব করে না। তাই নিচের দিকে সবচেয়ে বেশি টান অনুভব করে। যা উপরের স্তরের অণুদের নিচের দিকে টানতে থাকে। 

এই ব্যাপারটা সবচেয়ে বেশি পানির গ্লাসের ক্ষেত্রে বোঝা যায়। গ্লাসের উপরের স্তরের অণুগুলো-তে উপরের দিক থেকে কোনো টান অনুভব করে না। কিন্তু গ্লাসের কিনারার দিকে বাড়তি টান থাকে। কেননা, গ্লাসের ঘনত্ব বেশি থাকে এবং অণুর সংখ্যাও একটা নির্দিষ্ট জায়গায় বেশি থাকে। এই কারণে যে-সব পানির অণু গ্লাসের ভেতরের দেয়াল ঘেঁষে থাকে, তা পাশের অণুগুলোর চেয়ে বেশি টান অনুভব করে। এ কারণেই উপরের স্তরের মাঝের অণুগুলো নিচের দিকে ঝুঁকে পড়ে। এ সময় পানির উপরের দিকটা অবতল হয়ে ওঠে। 

বৃষ্টি বা ট্যাপ কল থেকে ধীরে পড়া পানি গোলাকার ফোঁটায় পরিণত হয়। এর কারণ হলো, এসব ফোঁটায় ওপর-নিচ, ডান-বাম কোনো পাশেই কোনো দেয়াল থাকে না শুধু বাতাস থাকে। আর বাতাসের ঘনত্ব পানির চেয়ে অনেক কম আর  অণুর সংখ্যা বাতাসে থাকে। এ কারণে পানির ফোঁটায় থাকা অণুগুলো শুধু ভেতরের দিকেই টান অনুভব করে। সব দিকের অণুই ঝুঁকে পড়ে ফোঁটার কেন্দ্রের দিকে, তাই ফোঁটাগুলো গোলাকার রূপ নেয়।

সমতলে পানির ফোঁটা পুরোপুরি গোলাকার হয় না। 

সমতলে পানির ফোঁটা কেন গোলাকার হয় না?

সমতলে বা গাছের পাতার ওপর যে পানির ফোঁটা থাকে সেগুলোর চারপাশে কোনো দেয়াল থাকে না। কিন্তু নিচে  সমতল থাকার কারণে অণুর ঘনত্ব বেশি হওয়ায় বাইরের স্তরের অণুগুলো নিচের দিকে অর্থাৎ সমতলের দিকে টান অনুভব করে। তখন পানির ফোঁটা পূর্ণ গোলাকার না হয়ে অনেকটা ওপরের দিকে স্ফীত হয়ে উত্তল আকৃতিতে রূপ নেয়।

বৃষ্টির ফোঁটার গোলাকৃতি শুধুই সৌন্দর্যের ব্যাপার নয়, বরং এর পেছনে রয়েছে জলের পৃষ্ঠটান ও বায়ুর চাপের এক নিখুঁত সমন্বয়। প্রকৃতির এই সহজাত বিজ্ঞান আমাদের মনে করিয়ে দেয়, প্রতিটি ছোট ঘটনা যেমন বৃষ্টির ফোঁটা পড়াও একটি বিস্ময়কর প্রক্রিয়া। তাই এবার যখন বৃষ্টি পড়বে, ফোঁটার আকারটিও দেখে প্রশংসা করতে ভুলবেন না এর বৈজ্ঞানিক সৌন্দর্য।

Country and Currency: দেশের নাম ও মুদ্রার নাম | মহাদেশ

বিভিন্ন চাকরি ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় আসা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও সমাধান

চাকরি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সাধারণ জ্ঞান একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর মধ্যে “দেশ ও মুদ্রার নাম” সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশের মুদ্রার নাম জানা থাকলে পরীক্ষায় ভালো স্কোর করা সম্ভব। নিচে গুরুত্বপূর্ণ দেশ ও তাদের মুদ্রার তালিকা দেওয়া হলো, যা চাকরি ও ভর্তি পরীক্ষার জন্য সহায়ক হবে।

এশিয়া মহাদেশের দেশগুলোর নাম ও মুদ্রার নাম

দেশের নামমুদ্রার নাম
বাংলাদেশটাকা
পাকিস্তানরুপি
ভারতরুপি
নেপালরুপি
শ্রীলংকারুপি(৩৩তম বিসিএস)
মালদ্বীপরুপাইয়া (১১তম বিসিএস)
ভুটানগুলট্রাম (রাজশাহী  বিশ্ববিদ্যালয়, গ্রন্থাগার ও তথ্যবিজ্ঞান বিভাগঃ ০৫-০৬)
আফগানিস্তানআফগানি
মিয়ানমারকিয়াট (সঃ মাধ্যমিক শিঃ নিয়োগ-২০০৮
সিঙ্গাপুরডলার
মালেশিয়ারিংগিট (খাদ্য অধিদপ্তরের সহকারী খাদ্য পরিদর্শক- ০৯, পূবালী ব্যাংক- ২০০০)
ইন্দোনেশিয়ারুপিয়া
ভিয়েতনামডং
থাইল্যান্ডবাথ
কম্বোডিয়ারিয়েল
লাওসকিপ
পূর্ব তিমুররুপাইয়া
ব্রুনাইডলার
ফিলিপাইনপেসো
কিরগিজিস্তানসোম
তুর্কমেনিস্তানমানাত
কাজাকিস্তানটেঙোর টেঙ্গে
তাজিকিস্তানরুবল
উজবেকিস্তানসোম
চীনইউয়ান (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বি ইউনিটঃ ০৬-০৭)
আজারবাইজানমানাত
উত্তর কোরিয়াওয়োন
দক্ষিণ কোরিয়াউয়ন (১৪ তম BCS)
জাপানইয়েন (সোনালী, জনতা, অগ্রণী এবং রূপালী ব্যাংকঃ সিনিয়র অফিনার-১৯৯০)
মঙ্গোলিয়াতুঘরিক
তাইওয়ানতাইওয়ান ডলার
বাহরাইনদিনার
ইসরাইলশেকেল
ইরানরিয়াল
ইরাকদিনার (ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের টেলিফোন বোর্ডের সহকারী পরিচালক-১৯৯৫)
জর্ডানদিনার
ওমানওমানি রিয়াল
কুয়েতদিনার
লেবাননপাউন্ড
সৌদি আরবরিয়েল (খাদ্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক- ১৯৯৬)
ইয়েমেনরিয়াল
কাতাররিয়াল
সিরিয়াপাউন্ড
তুরস্কলিরা
সংযুক্ত আরব আমিরাতদিরহাম (চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ডি ইউনিটঃ ০৫-০৬)
ফিলিস্তিনদিনার

ইউরোপ মহাদেশের দেশগুলোর নাম ও মুদ্রার নাম 

দেশের নামমুদ্রার নাম
জার্মানিইউরো (পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা-২০০৪)
পোলান্ডজোলটি
হাঙ্গেরীফোরিন্ট
রুমানিয়ালিউ
বুলগেরিয়ালেভ
স্লোভাকিয়াইউরো
ক্রোয়েশিয়াকুনা
স্লোভেনিয়াতোলার
চেক-প্রজাতন্ত্রচেক করুনা
আলবেনিয়ালেক
বসনিয়া হার্জেগোভিনানিউ দিনার
মন্টিনিগ্রোইউরো (নিজস্ব মুদ্রা নেই)
সার্বিয়ানিউ দিনার
মেসিডোনিয়াদিনার
কসোভোইউরো
ফ্রান্সইউরো (উচ্চমান সরকারী নিয়োগ- ২০১৮)
নরওয়েক্রোনা (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বি ইউনিটঃ ১০-১১)
সুইডেনক্রোনা (২২ তম BCS)
ডেনমার্কডেনিশ ক্রোনা
ইংল্যান্ডপাউন্ড
রাশিয়ারুবল
অস্ট্রিয়াইউরো
বেলজিয়ামইউরো (২৩তম BCS)
এনডোরাইউরো
গ্রিসইউরো
ফিনল্যান্ডইউরো
সাইপ্রাসইউরো
আইসল্যান্ডক্রোনা
আয়ার‌ল্যান্ডইউরো
নেদারল্যান্ডইউরো (মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষাঃ ০৩-০৪, ১৯তম BCS)
মালটালিরা
লুক্সেমবার্গইউরো (১৫ তম BCS)
মোনাকোমোনাকো ফ্রাঁ
পর্তুগালইউরো
সুইজারল্যান্ডফ্রাংক (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বি ইউনিটঃ ০৪-০৫)
ভ্যাটিকাস সিটিইউরো
ইতালিইউরো
বেলারুশরুবল
ইউক্রেনরিভনা
এস্তোনিয়াক্রোন
লাটভিয়ালার্টস
আর্মেনিয়াড্রাম
লিথুনিয়ালিটাস
মলদোভালিউ
জর্জিয়ালারি
সানমেরিনোইতালীয় লিরা
লিচেনস্টেইনসুইচ ফ্রাঁ
স্পেনইউরো

উত্তর আমেরিকা মহাদেশের দেশগুলোর নাম ও মুদ্রার নাম 

দেশের নামমুদ্রার নাম
কানাডাডলার
যুক্তরাষ্ট্রডলার
বারমুডাডলার
মেক্সিকোনিউ পেসো
কোস্টারিকাকোলেন
এল সালভাদরকোলেন
গুয়েতেমালাকুয়েটজাল
নিকারাগুয়াকরডোবা
হন্ডুরাসলেম্পিরা
পানামাবালবোয়া
এন্টিগুয়া ও বারমুডাডলার
পোয়েটরিকোডলার
অ্যাঙ্গুইলাডলার
কেউম্যান দ্বীপপুঞ্জকিড
হাইতিগুর্দে (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, দর্শন বিভাগঃ ০৮-০৯)
সেন্ট লুসিয়াডলার
সেন্টকিটসডলার
সেন্ট ভিনসেন্টডলার
বেলিজডলার
বাহামা দ্বীপপুঞ্জডলার
ত্রিনিদাদ ও টোবাগোডলার
বারবাডোজডলার
ডোমিনিকান রিপাবলিকপেসো
ডোমিনিকাডলার
গ্রানাডাডলার
জ্যামাইকাডলার
কিউবাপেসো

দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের দেশগুলোর নাম ও মুদ্রার নাম

দেশের নামমুদ্রার নাম
আর্জেন্টিনাপেসো
ইকুয়েডরসুক্রা
উরুগুয়েপেসো
কলম্বিয়াপেসো
গায়ানাডলার (পিইডিপি-৩, ২০১২)
চিলিপেসো
প্যারাগুয়েওয়ারনি
বলিভিয়াবলিভিয়ানো
ব্রাজিলরিয়েল
ভেনিজুয়েলাবলিভার
সুরিনামগিল্ডার
পেরুইন্টি
ফ্রেঞ্চগায়ানাইউরো
ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জফকল্যান্ড আইল্যান্ড পাউন্ড

আফ্রিকা মহাদেশের দেশগুলোর নাম ও মুদ্রার নাম

দেশের নামমুদ্রার নাম
মিশরমিশরীয় পাউন্ড
পশ্চিম সাহারামরক্কীয় দিরহাম
সুদানপাউন্ড/ ডলার
লেসোথোলর
লিবিয়ালিবিয়ান দিনার
বোতসোয়ানাপুলা
তিউনিশিয়াতিউনিশিয়ান দিনার
দক্ষিণ আফ্রিকারান্ড
আলজেরিয়াদিনার
নামিবিয়ানামিবিয়ান ডলার
দক্ষিণ সুদানদক্ষিণ সুদানি পাউন্ড
এঙ্গোলাখোয়াঞ্জা
ইরিত্রিয়াইথিওপিয়ান বির
সাওটোমে এন্ড প্রিন্সিপিদোবরা
ইথিওপিয়াবির (রাজশাহী  বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগঃ ০৫-০৬)
গ্যাবনফ্রাঙ্ক সিএফএ
জিবুতিফ্রাঙ্ক
বুরুন্ডিবুরুন্ডি ফ্রাঙ্ক
সোমালিয়াশিলিং
রুয়ান্ডারুয়ান্ডান ফ্রাঙ্ক
কেনিয়াকেনিয়া সিলিং
উগান্ডাউগান্ডা সিলিং
তানজানিয়াতাঞ্জানিয়া সিলিং
সিসিলিসিসিলি রূপি
মোজাম্বিকমেটিকাল
মৌরিশাসমৌরিতানিয়ান রুপি
মালাগাছিএরিআরি
কমরোসফ্রাঁ
সোয়াজিল্যান্ডলিলাংগিনি
মালাবিওয়াচা
জিম্বাবুয়েজিম্বাবুয়ে ডলার
মরক্কোদিরহাম
সেনেগালফ্রাঙ্ক সিএফএ
মৌরিতানিয়াওগিয়া
গিনিগায়ানিয়ান ফ্রাঙ্ক
সিয়েরালিওনলিওন
আইভোরিকোস্টঅষ্ট্রেলিয়ান ডলার
গিনি বিসাউপেসো
লাইবেরিয়ালাইবেরিয়ান ডলার
মালিফ্রাঙ্ক সিএফএ
বুরকিনা ফাসোসিএফএফ্রাঁ
ঘানাসেডি
বেনিনসিএফএফ্রাঁ
টোগোফ্রাঙ্ক সিএফএ
কেপভার্দেএসকুডো
জাম্বিয়াজাম্বিয়ান কঞ্চা
নাইজেরিয়ানায়েরা
নাইজারফ্রাঙ্ক সিএফএ
মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রসেন্ট্রাল আফ্রিকান সিএফএ ফ্রাঙ্ক
চাদসিএফএ ফ্রাঙ্ক
ক্যামেরুনসেন্ট্রাল আফ্রিকান সিএফএ ফ্রাঙ্ক
কঙ্গোফ্রাঙ্ক
ইকুটোরিয়াল গিনিফ্রাঙ্ক সিএফএ
জায়ারেকঙ্গো ফ্রাঙ্ক
গাম্বিয়াডালাসি

অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের দেশগুলোর নাম ও মুদ্রার নাম

দেশের নামমুদ্রার নাম
অস্ট্রেলিয়াডলার
ফিজি ডলার
পাপুয়া নিউগিনি কিনা
নিউজিল্যান্ডডলার
সলোমন দ্বীপপুঞ্জডলার
মাইক্রোনেশিয়ামার্কিন ডলার
ভানুয়াতুভাটু
সামোয়াতালা
কিরিবাতিডলার
টোঙ্গাপাঙ্গা
মার্শাল দ্বীপপুঞ্জমার্কিন ডলার
পালাউমার্কিন ডলার
টুভালুডলার
নাউরুডলার

গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও তাদের সমাধান (নমুনা)

১. প্রশ্ন: বাংলাদেশের মুদ্রার নাম কী?

উত্তর: টাকা (BDT)

২. প্রশ্ন: যুক্তরাষ্ট্রের মুদ্রার নাম কী?

উত্তর: ডলার (USD)

৩. প্রশ্ন: কোন দেশের মুদ্রা ইয়েন?

উত্তর: জাপান (JPY)

৪. প্রশ্ন: কোন দেশের মুদ্রার নাম রুবল?

উত্তর: রাশিয়া (RUB)

৫. প্রশ্ন: সৌদি আরবের মুদ্রার নাম কী?

উত্তর: রিয়াল (SAR)

৬. প্রশ্ন: কোন দেশের মুদ্রার নাম ইউয়ান?

উত্তর: চীন (CNY)

৭. প্রশ্ন: ইউরো কোন কোন দেশে প্রচলিত?

উত্তর: ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের অনেক দেশ।

পরীক্ষায় ভালো স্কোর করার কৌশল

১. নিয়মিত চর্চা করুন: প্রতিদিন নতুন দেশ ও মুদ্রার নাম মুখস্থ করার চেষ্টা করুন।

২. সংক্ষেপে লিখে রাখুন: গুরুত্বপূর্ণ মুদ্রার নাম ছোট ছোট নোট তৈরি করে পড়ুন।

৩. কুইজ দিন: অনলাইনে বিভিন্ন সাধারণ জ্ঞানের কুইজ অংশগ্রহণ করুন।

৪. সম্পর্কিত প্রশ্নপত্র অনুশীলন করুন: পূর্ববর্তী বছরের প্রশ্নপত্র দেখে অনুশীলন করুন।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও তাদের মুদ্রার নাম জানা চাকরি ও ভর্তি পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই তালিকা মনে রাখলে পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জন করা সম্ভব। নিয়মিত চর্চা ও অনুশীলনের মাধ্যমে এই অংশে ভালো করা সম্ভব। 

আপনাদের মতামত আমাদের ভুল ত্রুটি গুলোকে সাড়িয়ে তুলতে সহযোগিতা করবে। তাই আর্টিকেলটি ভালো লাগলে অনুগ্রহ করে মতামত দিন।

আরো দেখুন

Geographical nicknames of different countries and places: বিভিন্ন দেশ ও স্থানের ভৌগোলিক উপনাম

বাংলা কবি সাহিত্যিকদের জন্ম ও মৃত্যু তারিখ

Dates of birth and death of Bengali poets and writers

বাংলা সাহিত্য জগত সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময়। বহু কবি ও লেখকের সাহিত্যকর্ম বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করেছে। এ প্রবন্ধে আমরা বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট কবি ও লেখকদের জন্ম ও মৃত্যুর তারিখসহ সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরব।

জানুয়ারি

  • জসীম উদ্দীন 

     জন্ম- ১ জানুয়ারি, ১৯০৩ 

     মৃত্যু- ১৪ই মার্চ, ১৯৭৬

  • অদ্বৈত মল্লবর্মণ

      জন্ম- ১জানুয়ারি, ১৯১৪

      মৃত্যু- ১৬ এপ্রিল, ১৯৫১

  • অক্ষয় কুমার বড়াল   

       জন্ম- ১৮৬০ 

       মৃত্যু – ১৯ জুন, ১৯১৯

  • স্বামী বিবেকানন্দ  

     জন্ম- ১২ জানুয়ারি, ১৮৬৩ 

     মৃত্যু– ৪ জুলাই, ১৯০২

  • গোবিন্দচন্দ্র দাস 

      জন্ম- ১৬ জানুয়ারি, ১৮৫৫  

      মৃত্যূ- ১ অক্টোবর, ১৯১৮

  • মাইকেল মধুসূদন দত্ত  

           জন্ম- ২৫ জানুয়ারি, ১৮২৪    

           মৃত্যু- ২৯ জুন, ১৮৭৩

  • শিবনাথ শাস্ত্রী     

      জন্ম- ৩১ জানুয়ারি, ১৮৪৭     

      মৃত্যু- ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯১৯

  • মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন

      জন্ম- ৩১ জানুয়ারি,১৯০৪

      মৃত্যু- ১৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭

ফেব্রুয়ারি

  • আহসান হাবীব

জন্ম- ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯১৭
মৃত্যু- ১০ জুলাই, ১৯৮৫

  • প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায় 

       জন্ম- ৩ ফেব্রুয়ারি, ১৮৭৩ 

       মৃত্যু– ৫ এপ্রিল, ১৯৩২

  • নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় 

      জন্ম- ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯১৮

      মৃত্যু– ৮ নভেম্বর, ১৯৭০

  • শঙ্খ ঘোষ 

     জন্ম- ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩২

     মৃত্যু- ২১ এপ্রিল, ২০২১  

  • সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত 

     জন্ম- ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৮৮২  

    মৃত্যু- ২৫ জুন, ১৯২২

  • আখতারুজ্জামান ইলিয়াস  

      জন্ম- ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৩ 

      মৃত্যু- ৪ জানুয়ারি, ১৯৯৭

  • আহমদ শরীফ 

      জন্ম- ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯২১ 

      মৃত্যু- ২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯

  • জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯ – ১৯৫৪)
    জন্ম: ১৭ ফেব্রুয়ারি ১৮৯৯, বরিশাল
    মৃত্যু: ২২ অক্টোবর ১৯৫৪, কলকাতা
    সংক্ষিপ্ত পরিচিতি: আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি, প্রকৃতির প্রতি গভীর ভালোবাসা তাঁর রচনায় ফুটে উঠেছে।
  • কালীপ্রসন্ন সিংহ 

       জন্ম- ২৩ ফেব্রুয়ারী, ১৮৪০ 

       মৃত্যু – ২৪ জুলাই, ১৮৭০

  • আবদুশ শাকুর 

      জন্ম- ২৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪১  

      মৃত্যু- ১৫ জানুয়ারি, ২০১

  • গিরিশচন্দ্র ঘোষ 

      জন্ম- ২৮ ফেব্রুয়ারী, ১৮৪৪  

      মৃত্যু- ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯১২

মার্চ

  • আশরাফ সিদ্দিকী 

      জন্ম- ১ মার্চ, ১৯২৭ 

      মৃত্যু- ১৯ মার্চ, ২০২০

  • মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ

     জন্ম- ২ মার্চ, ১৮৯৮  

    মৃত্যু- ২ নভেম্বর, ১৯৭৪

  • কুমুদরঞ্জন মল্লিক 

     জন্ম- ৩ মার্চ, ১৮৮৩

     মৃত্যূ- ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭০

  • নাসরীন জাহান 

      জন্ম- মার্চ ৫, ১৯৬৪

  • ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত 

      জন্ম- ৬ মার্চ, ১৮১২

       মৃত্যু – ২৩ জানুয়ারি, ১৮৫৯

  • আবু জাফর শামসুদ্দীন

      জন্ম- ১২ মার্চ, ১৯১১ 

      মৃত্যু- ২৪ আগস্ট, ১৯৮৮

  • রাজশেখর বসু  

     জন্ম- ১৬ মার্চ, ১৮৮০ 

     মৃত্যু- ২৭ এপ্রিল, ১৯৬০

  • বিমল মিত্র 

     জন্ম- ১৮ মার্চ , ১৯১২

     মৃত্যু- ২ ডিসেম্বর , ১৯৯১

এপ্রিল

  • শেখ ফজলুল করিম 

      জন্ম- ৯ এপ্রিল, ১৮৮২

      মৃত্যূ- ২৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৬

বাংলা 

      জন্ম- ৩০শে চৈত্র, ১২৮৯

  • দীনবন্ধু মিত্র  

       জন্ম- ১০এপ্রিল, ১৮৩০ 

         মৃত্যু – ১ নভেম্বর, ১৮৭৩

  • অমিয় চক্রবর্তী

     জন্ম- ১০ এপ্রিল, ১৯০১  

     মৃত্যু- ১২ জুন, ১৯৮৬

  • রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় 

     জন্ম- ১২এপ্রিল, ১৮৮৫

      মৃত্যূ-  ২৩মে, ১৯৩০

  • আনোয়ার পাশা

     জন্ম- ১৫ এপ্রিল, ১৯২৮ 

     মৃত্যু- ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১

  • দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার  

জন্ম- ১৫ এপ্রিল, ১৮৭৭  

মৃত্যু- ৩০ মার্চ, ১৯৫৭

  • হেমেন্দ্রকুমার রায় 

      জন্ম- ১৮ এপ্রিল, ১৮৮৮ 

      মৃত্যূ- ১৮ এপ্রিল,১৯৬৩

মে

  • মাহবুবুল আলম 

     জন্ম- ১ মে, ১৮৯৮ 

     মৃত্যু- ৭ আগস্ট, ১৯৮১

  • জাহানারা ইমাম 

     জন্ম- ৩ মে, ১৯২৯ 

     মৃত্যু- ২৬ জুন, ১৯৯৪

  • জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর   

       জন্ম- ৪ মে, ১৮৪৯   

       মৃত্যু- ৪ মার্চ, ১৯২৫

  • আলাউদ্দিন আল আজাদ 

     জন্ম-  ৬ মে, ১৯৩২  

     মৃত্যু- ৩ জুলাই, ২০০৯

  • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর  

     জন্ম-৭ মে, ১৮৬১   

     মৃত্যু– ৭ আগস্ট, ১৯৪১

     বাংলা

     জন্ম- ২৫ বৈশাখ, ১২৬৮ বঙ্গাব্দ

     মৃত্যু– ২২ শ্রাবণ, ১৩৪৮ বঙ্গাব্দ

  • নিরুপমা দেবী 

      জন্ম- ৭ মে, ১৮৮৩ 

     মৃত্যূ- ৭ জানুয়ারী, ১৯৫১

  • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

      জন্ম- ১৯ মে, ১৯০৮ 

      মৃত্যু- ৩ ডিসেম্বর ,১৯৫৬

  • কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯ – ১৯৭৬)
    জন্ম: ২৪ মে ১৮৯৯ (১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৩০৬ বঙ্গাব্দ), পশ্চিমবঙ্গ, ভারত
    মৃত্যু: ২৯ আগস্ট ১৯৭৬ (১২ই ভাদ্র, ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ), ঢাকা, বাংলাদেশ
    সংক্ষিপ্ত পরিচিতি: বিদ্রোহী কবি হিসেবে খ্যাত নজরুল ইসলামের কবিতা, গান ও সাহিত্য বাংলা ভাষায় বিপ্লব ও মানবতার বার্তা এনেছে।      
  • মঈনুল আহসান সাবের 

       জন্ম- ২৬ মে, ১৯৫৮

জুন

  • ফররুখ আহমদ 

    জন্ম- ১০ জুন, ১৯১৮ 

    মৃত্যু– ১৯ অক্টোবর, ১৯৭৪

  • সেলিনা হোসেন (জন্ম: ১৯৪৭)
    জন্ম: ১৪ জুন ১৯৪৭, রাজশাহী
    সংক্ষিপ্ত পরিচিতি: খ্যাতনামা কথাসাহিত্যিক, তাঁর উপন্যাসে সমাজ ও রাজনীতির প্রভাব সুস্পষ্ট।
  • নির্মলেন্দু গুণ 

     জন্ম- ২১ জুন, ১৯৪৫, 

     বাংলা

     জন্ম- ৭ আষাঢ়, ১৩৫২ বঙ্গাব্দ

  • কালিদাস রায় 

      জন্ম- ২২ জুন, ১৮৮৯ 

     মৃত্যু- ২৫ অক্টোবর, ১৯৭৫

  • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়    

       জন্ম- ২৬ জুন, ১৮৩৮    

       মৃত্যু – ৮ এপ্রিল, ১৮৯৪

  • আশুতোষ মুখোপাধ্যায় 

       মৃত্যু- ২৯ জুন, ১৮৬৪

      মৃত্যু – ২৫ মে, ১৯২৪

  • আহমদ ছফা  

    জন্ম- ৩০ জুন, ১৯৪৩ 

    মৃত্যু- ২৮ জুলাই, ২০০১

জুলাই

  • জগদীশ গুপ্ত 

     জন্ম- ৫ জুলাই, ১৮৮৬ 

     মৃত্যু- ১৫ এপ্রিল, ১৯৫৭

বাংলা

    জন্ম-২২শে আষাঢ়, ১২৯২ বঙ্গাব্দ

  • মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ 

     জন্ম- ১০ জুলাই, ১৮৮৫  

     মৃত্যূ- ১৩ জুলাই, ১৯৬৯

  • আল মাহমুদ (১৯৩৬ – ২০১৯)
    জন্ম: ১১ জুলাই ১৯৩৬, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
    মৃত্যু: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ঢাকা
    সংক্ষিপ্ত পরিচিতি: আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কবি, তাঁর কবিতায় দেশপ্রেম ও গ্রামীণ জীবনের ছবি ফুটে ওঠে।
  • ইসমাইল হোসেন সিরাজী 

      জন্ম- ১৩ জুলাই, ১৮৮০ 

      মৃত্যু- ১৭ জুলাই, ১৯৩১

  • বিষ্ণু দে

      জন্ম- ১৮ জুলাই, ১৯০৯ 

      মৃত্যু- ৩ ডিসেম্বর, ১৯৮

  • দ্বিজেন্দ্রলাল রায় 

     জন্ম-১৯ জুলাই, ১৮৬৩ 

      মৃত্যু- ১৭ মে, ১৯১৩

  • বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় 

      জন্ম- ১৯ জুলাই, ১৮৯৯ 

     মৃত্যু– ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯

  • প্যারীচাঁদ মিত্র 

      জন্ম-২২ জুলাই, ১৮১৪

       মৃত্যু – ২৩শে নভেম্বর, ১৮৮৩

  • ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়   

      জন্ম- ২২ জুলাই, ১৮৪৭ 

       মৃত্যু- ৩ নভেম্বর, ১৯১৯

  • তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়

     জন্ম- ২৩ জুলাই, ১৮৯৮ 

    মৃত্যু−সেপ্টেম্বর ১৪, ১৯৭১

  • রজনীকান্ত সেন  

     জন্ম- ২৬ জুলাই, ১৮৬৫  

     মৃত্যু- ১৩ সেপ্টেম্বর, ১৯১০

  • কাজী মোতাহার হোসেন  

     জন্ম- ৩০ জুলাই, ১৮৯৭ 

     মৃত্যু- ৯ অক্টোবর, ১৯৮১

 আগস্ট

  • বিশ্বজিৎ চৌধুরী 

       জন্ম- ১ আগস্ট, ১৯৬০

  • আবদুল মান্নান সৈয়দ  

     জন্ম- ৩ আগস্ট, ১৯৪৩  

    মৃত্যু- ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১০

  • প্রমথ চৌধুরী 

      জন্ম- ৭ আগস্ট, ১৮৬৮

      মৃত্যু- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৬

  • অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর  

      জন্ম- ৭ই আগস্ট, ১৮৭১

       মৃত্যু- ৫ই ডিসেম্বর, ১৯৫১ 

  • গিরিশ চন্দ্র সেন    

     জন্ম- আগস্ট ১৫ , ১৮৩৫ / ১৮৩৬  

      মৃত্যু- ১৫ আগস্ট, ১৯১০

  • বুলবুল চৌধুরী (কথাসাহিত্যিক) 

     জন্ম- ১৬ আগস্ট, ১৯৪৮ 

      মৃত্যু- ২৮ আগস্ট, ২০২১

  • জহির রায়হান

      জন্ম- ১৯ আগস্ট, ১৯৩৫ 

      মৃত্যু– ৩০ জানুয়ারি,  ১৯৭২

  •  রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী

      জন্ম-২২ আগস্ট, ১৮৬৪  

      মৃত্যু- ৬ জুন, ১৯১৯

সেপ্টেম্বর

  • আবুল মনসুর আহমেদ 

     জন্ম- ৩ সেপ্টেম্বর, ১৮৯৮

     মৃত্যু-১৮ মার্চ, ১৯৭৯

  • শেখ ওয়াজেদ আলি  

     জন্ম- ৪ সেপ্টেম্বর, ১৮৯০

     মৃত্যু- ১০ জুন, ১৯৫১

  • প্রেমেন্দ্র মিত্র 

     জন্ম- ৪ সেপ্টেম্বর, ১৯০৪ 

     মৃত্যু- ৩ মে, ১৯৮৮

  • রাজনারায়ণ বসু 

      জন্ম- ৭ সেপ্টেম্বর, ১৮২৬   

        মৃত্যু- ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৮৯৯

  • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (১৯৩৪ – ২০১২)
    জন্ম: ৭ সেপ্টেম্বর ১৯৩৪, ফরিদপুর
    মৃত্যু: ২৩ অক্টোবর ২০১২, কলকাতা
    সংক্ষিপ্ত পরিচিতি: কবিতা, উপন্যাস ও ছোটগল্পে সমান পারদর্শী এই সাহিত্যিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।
  • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় 

জন্ম- ১২ সেপ্টেম্বর, ১৮৯৪
মৃত্যু– ১ নভেম্বর, ১৯৫০

  • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

      জন্ম- ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৮৭৬  

      মৃত্যু– ১৬ জানুয়ারি, ১৯৩৮ 

       বাংলা  

      জন্ম- ৩১ ভাদ্র, ১২৮৩ 

       মৃত্যু- ২ মাঘ, ১৩৪৪ 

  • বিমল কর 

     জন্ম- ১৯ সেপ্টেম্বর, ১৯২১  

     মৃত্যু- ২৬ আগস্ট, ২০০৩

  • মুহম্মদ এনামুল হক

      জন্ম- ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯০২  

      মৃত্যু- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮২

  • ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর    

      জন্ম- ২৬ সেপ্টেম্বর, ১৮২০  

       মৃত্যু – ২৯ জুলাই, ১৮৯১

  • রফিকুর রশীদ 

      জন্ম- ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৭

অক্টোবর

  • আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ 

                  জন্ম-১১ অক্টোবর, ১৮৭১ 

                  মৃত্যু- ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৩ 

  • নীলিমা ইব্রাহিম 

     জন্ম- ১১ অক্টোবর, ১৯২১

      মৃত্যু- ১৮ জুন, ২০০২

  •  কামিনী রায় 

      জন্ম-  ১২ অক্টোবর, ১৮৬৪  

     মৃত্যু- ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৩৩

  • রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ 

      জন্ম- ১৬ অক্টোবর, ১৯৫৬

       মৃত্যু- ২১ জুন, ১৯৯১

  • শামসুর রাহমান (১৯২৯ – ২০০৬)
    জন্ম: ২৩ অক্টোবর ১৯২৯, ঢাকা
    মৃত্যু: ১৭ আগস্ট ২০০৬, ঢাকা
    সংক্ষিপ্ত পরিচিতি: বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তাঁর কবিতা অসামান্য প্রভাব ফেলেছে।
  • বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায় 

      জন্ম- ২৪ অক্টোবর, ১৮৯৪   

     মৃত্যু- ৩০ জুলাই, ১৯৮৭

  • মোহিতলাল মজুমদার 

      জন্ম- ২৬ অক্টোবর, ১৮৮৮  

      মৃত্যু- ২৬ জুলাই, ১৯৫২

  • সুকুমার রায়   

     জন্ম- ৩০ অক্টোবর, ১৮৮৭  

     মৃত্যু– ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩

নভেম্বর

  • আবু ইসহাক

      জন্ম- ১ নভেম্বর, ১৯২৬ 

      মৃত্যু- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৩

বাংলা

   ১৫ কার্তিক, ১৩৩৩

  • দীনেশচন্দ্র সেন  

      জন্ম-৩ নভেম্বর, ১৮৬৬ 

      মৃত্যু- ২০ নভেম্বর, ১৯৩৯

  • কাজী ইমদাদুল হক   

     জন্ম- ৪ নভেম্বর, ১৮৮২ 

     মৃত্যু– ২০ মার্চ, ১৯২৬

  • হুমায়ূন আহমেদ (১৯৪৮ – ২০১২)
    জন্ম: ১৩ নভেম্বর ১৯৪৮, নেত্রকোনা
    মৃত্যু: ১৯ জুলাই ২০১২, যুক্তরাষ্ট্র
    সংক্ষিপ্ত পরিচিতি: বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় লেখক, তিনি নাটক, উপন্যাস ও চলচ্চিত্র নির্মাণে বিশেষ অবদান রেখেছেন।
  • মীর মোশাররফ হোসেন     

      জন্ম- ১৩ নভেম্বর, ১৮৪৭  

      মৃত্যু- ১৯ ডিসেম্বর, ১৯১১

  • নীরদচন্দ্র চৌধুরী 

    জন্ম- ২৩ নভেম্বর, ১৮৯৭ 

    মৃত্যু- ১ আগস্ট, ১৯৯৯

  • নুরুল মোমেন  

      জন্ম- ২৫ নভেম্বর, ১৯০৮ 

      মৃত্যু- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯০

  • শক্তি চট্টোপাধ্যায় 

     জন্ম- ২৫ নভেম্বর, ১৯৩৩

     মৃত্যু– ২৩ মার্চ ১৯৯৫

  • মুহম্মদ আবদুল হাই  

     জন্ম- ২৬ নভেম্বর, ১৯১৯

     মৃত্যু- ৩ জুন, ১৯৬৯

  • সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়  

      জন্ম- ২৬ নভেম্বর, ১৮৯০ 

      মৃত্যু- ২৯ মে, ১৯৭৭

  • মুনীর চৌধুরী  

      জন্ম- ২৭ নভেম্বর, ১৯২৫ 

      মৃত্যু- ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১

  • যতীন্দ্রমোহন বাগচী 

     জন্ম-২৭ নভেম্বর, ১৮৭৮

      মৃত্যু – ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮

  • জগদীশ চন্দ্র বসু 

      জন্ম- ৩০ নভেম্বর, ১৮৫৮

      মৃত্যু  – ২৩ নভেম্বর, ১৯৩৭

ডিসেম্বর

  • মোহাম্মদ লুৎফর রহমান  

       জন্ম- ১৮৮৯

       মৃত্যু–১৯৩৬

  • গোলাম মোস্তফা 

     জন্ম- ১৮৯৭  

    মৃত্যু- ১৩ অক্টোবর, ১৯৬৪

  • শিবরাম চক্রবর্তী 

     জন্ম- ১৩ ডিসেম্বর, ১৯০৩

     মৃত্যু- ২৮ আগস্ট, ১৯৮০

  • হাছন রাজা 

জন্ম- ২১ ডিসেম্বর, ১৮৫৪ 
মৃত্যু – ৬ ডিসেম্বর, ১৯২২

  • মুহম্মদ জাফর ইকবাল

      জন্ম- ২৩ ডিসেম্বর, ১৯৫২ 

বাংলাদেশের সাহিত্য জগতে অসংখ্য কবি ও লেখক তাঁদের অসামান্য প্রতিভা দিয়ে অবদান রেখেছেন। তাঁদের জন্ম ও মৃত্যুর তারিখ জানা থাকলে তাঁদের জীবন ও কর্ম সম্পর্কে আরও গভীরভাবে বোঝা সম্ভব। বাংলা সাহিত্যকে আরও এগিয়ে নিতে নতুন প্রজন্মকেও সাহিত্যচর্চায় মনোযোগী হতে হবে।

Worldcup T20 2024 Fixture: টি ২০ বিশ্বকাপ ২০২৪ অংশগ্রহণকারী দলগুলোর খেলোয়াড়দের তালিকা ও ফিক্সচার

World cup T20 2024 Fixture

ক্রিকেট ইতিহাসে এই প্রথম ২০টি দল কোন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করছে। এর আগে কোন আসরেই এতগুলো দল অংশগ্রহণ করেনি। আইসিসির রাঙ্কিং অনুযায়ী প্রথম ৮টি দল সরাসরি অংশগ্রহণ করলেও, বাকি ১২টি দলকে কোয়ালিফাই রাউন্ড খেলতে হয়েছে। সেকারণে এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে বাড়তি আগ্রহ দেখা যাচ্ছে ক্রিকেট ভক্তদের মাঝে। 

দেশের নামঅধিনায়কের নাম 
বাংলাদেশনাজমুল হোসেন 
দক্ষিণ আফ্রিকাএইডেন মার্করাম
নেদারল্যান্ডসস্কট এডওয়ার্ডস
শ্রীলংকাওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা
নেপালরোহিত পৌডেল
ওয়েস্ট ইন্ডিজরোভম্যান পাওয়েল
নিউজিল্যান্ডকেইন উইলিয়ামসন
আফগানিস্তানরশিদ খান
পাপুয়া নিউ গিনিআসাদ ভালা
উগান্ডাব্রায়ান মাসাবা
ইংল্যান্ডজস বাটলার
অস্ট্রেলিয়ামিচেল মার্শ
স্কটল্যান্ডরিচি বেরিংটন
নামিবিয়াগেরহার্ড এরাসমাস
ওমানআকিব ইলিয়াস
ভারতরোহিত শর্মা
পাকিস্তানবাবার আজম
যুক্তরাষ্ট্রমোনাঙ্ক প্যাটেল
কানাডাসাদ বিন জাফর
আয়ারল্যান্ডপল স্টার্লিং

‘এ’ গ্রুপ  

  • ভারত 
  • পাকিস্তান  
  • যুক্তরাষ্ট্র  
  • কানাডা  
  • আয়ারল্যান্ড

ভারতের ১৫ সদস্যের দল (India)

  1. রোহিত শর্মা (অধিনায়ক) 
  2. হার্দিক পান্ডিয়া 
  3. যশস্বী জয়সোয়াল 
  4. বিরাট কোহলি 
  5. সূর্যকুমার যাদব 
  6. ঋষভ পন্ত 
  7. সঞ্জু স্যামসন 
  8. শিবম দুবে 
  9. রবীন্দ্র জাদেজা 
  10. অক্ষর প্যাটেল 
  11. কুলদীপ যাদব 
  12. যুজবেন্দ্র চাহাল 
  13. আর্শদীপ সিং 
  14. যশপ্রীত বুমরা 
  15. মোহাম্মদ সিরাজ  

রিজার্ভ খেলোয়াড়: শুবমান গিল, রিংকু সিং, খলিল আহমেদ ও আবেশ খান।

পাকিস্তানের ১৫ সদস্যের দল  (Pakistan)

  1. বাবর আজম (অধিনায়ক) 
  2. মোহাম্মদ রিজওয়ান 
  3. মোহাম্মদ আমির 
  4. শাহিন শাহ আফ্রিদি 
  5. নাসিম শাহ 
  6. শাদাব খান 
  7. ইমাদ ওয়াসিম 
  8. ইফতেখার আহমেদ 
  9. ফখর জামান 
  10. আব্বাস আফ্রিদি 
  11. আজম খান 
  12. সাইম আইয়ুব 
  13. আবরার আহমেদ 
  14. উসমান খান  
  15. হারিস রউফ। 

যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ সদস্যের দল (USA)

  1. মোনাঙ্ক প্যাটেল (অধিনায়ক) 
  2. অ্যারন জোন্স 
  3. আন্দ্রিস গুস 
  4. কোরি অ্যান্ডারসন 
  5. আলী খান 
  6. হারমিত সিং 
  7. জেসি সিং 
  8. মিলিন্দ কুমার 
  9. নিসর্গ প্যাটেল 
  10. নিতিশ কুমার 
  11. নোশতুশ কেনিজিগে 
  12. সৌরভ নেত্রবালকার 
  13. শ্যাডলি ফন শালকভিক 
  14. স্টিভেন টেলর 
  15. শায়ান জাহাঙ্গীর।

রিজার্ভ খেলোয়াড়: ইয়াসির মোহাম্মদ, গাজানন্দ সিং ও জুয়ানয় ড্রাইসডেল। 

কানাডার ১৫ সদস্যের দল (Canada)

  1. সাদ বিন জাফর (অধিনায়ক) 
  2. অ্যারন জনসন 
  3. ডিলন হেইলিগার 
  4. দিলপ্রীত বাজওয়া 
  5. হর্ষ ঠাকুর 
  6. জেরেমি গর্ডন 
  7. জুনাইদ সিদ্দিকী 
  8. কালিম সানা 
  9. কানওয়ারপাল তাঠগুর 
  10. নবনীত ঢালিওয়াল 
  11. নিকোলাস কার্টন 
  12. পরগাত সিং 
  13. রবীন্দ্রপাল সিং 
  14. রাইয়ানখান পাঠান 
  15. শ্রেয়াস মোভা। 

রিজার্ভ খেলোয়াড়: আম্মার খালিদ, তাজিন্দার সিং, আদিত্য বরদরাজন, যতীন্দর মাথারু ও প্রবীণ কুমার। 

আয়ারল্যান্ডের ১৫ সদস্যের দল  (Ire land)

  1. পল স্টার্লিং (অধিনায়ক) 
  2. মার্ক অ্যাডাইর 
  3. রস অ্যাডাইর 
  4. অ্যান্ড্রু বালবার্নি 
  5. কার্টিস ক্যাম্ফার 
  6. গ্যারেথ ডেলানি 
  7. জর্জ ডকরেল 
  8. গ্রাহাম হিউম 
  9. জস লিটল 
  10. ব্যারি ম্যাকার্থি 
  11. নিল রক 
  12. হ্যারি টেক্টর 
  13. লোরকান টাকার 
  14. বেন হোয়াইট 
  15. ক্রেগ ইয়াং। 

’বি’ গ্রুপ  

  • ইংল্যান্ড 
  • অস্ট্রেলিয়া 
  • স্কটল্যান্ড 
  • নামিবিয়া 
  • ওমান

ইংল্যান্ডের ১৫ সদস্যের দল  (England)

  1. জস বাটলার (অধিনায়ক) 
  2. মঈন আলী 
  3. জোফরা আর্চার 
  4. জনি বেয়ারস্টো 
  5. হ্যারি ব্রুক 
  6. স্যাম কারেন 
  7. বেন ডাকেট 
  8. টম হার্টলি 
  9. উইল জ্যাকস 
  10. ক্রিস জর্ডান 
  11. লিয়াম লিভিংস্টোন 
  12. আদিল রশিদ 
  13. ফিল সল্ট 
  14. রিস টপলি 
  15. মার্ক উড। 

অস্ট্রেলিয়ার ১৫ সদস্যের দল  (Australia)

  1. মিচেল মার্শ (অধিনায়ক) 
  2. অ্যাশটন অ্যাগার 
  3. প্যাট কামিন্স 
  4. টিম ডেভিড 
  5. নাথান এলিস 
  6. ক্যামেরন গ্রিন 
  7. জশ হ্যাজলউড 
  8. ট্রাভিস হেড 
  9. জস ইংলিশ 
  10. গ্লেন ম্যাক্সওয়েল 
  11. মিচেল স্টার্ক 
  12. মার্কাস স্টয়নিস 
  13. ম্যাথু ওয়েড 
  14. ডেভিড ওয়ার্নার 
  15. অ্যাডাম জাম্পা।

স্কটল্যান্ডের ১৫ সদস্যের দল  (Scotland)

  1. রিচি বেরিংটন (অধিনায়ক) 
  2. ম্যাথু ক্রস 
  3. ব্র্যাড কুরি 
  4. ক্রিস গ্রিভস 
  5. ওলি হ্যারিস 
  6. জ্যাক জারভিস 
  7. মাইকেল জোন্স 
  8. মাইকেল লিস্ক 
  9. ব্রান্ডন ম্যাকমুলেন 
  10. জর্জ মানসি 
  11. সাফিয়ান শরীফ 
  12. ক্রিস সোল 
  13. চার্লি টিয়ার 
  14. মার্ক ওয়াট 
  15. ব্র্যাড হুইল।  

নামিবিয়ার ১৫ সদস্যের দল  (Namibia)

  1. গেরহার্ড এরাসমাস (অধিনায়ক) 
  2. জেইন গ্রিন 
  3. মাইকেল ফন লিনগেন 
  4. ডিলান লাইশার 
  5. রুবেন ট্রাম্পেলমান 
  6. জ্যাক ব্রাসেল 
  7. বেন শিকোঙ্গো 
  8. তেনজেনি লুঙ্গামেনি 
  9. নিকো ডাভিন 
  10. জেজে স্মিট 
  11. ইয়ান ফ্রাইলিঙ্ক 
  12. জেপি কোটজে 
  13. ডেভিড ভিসা 
  14. বার্নার্ড শোলৎজ 
  15. ম্যালান ক্রুগার 
  16. পিটার ড্যানিয়েল ব্লিগনট।

ওমানের ১৫ সদস্যের দল (Oman)

  1. আকিব ইলিয়াস (অধিনায়ক) 
  2. জিশান মাকসুদ 
  3. কাশ্যপ প্রজাপতি 
  4. প্রতীক আঠাবলে 
  5. আইয়ান খান 
  6. শোয়েব খান 
  7. মোহাম্মদ নাদিম 
  8. নাসিম খুশি 
  9. মেহরান খান 
  10. বিলাল খান 
  11. রফিউল্লাহ 
  12. কলিমউল্লাহ 
  13. ফাইয়াজ বাট 
  14. শাকিল আহমেদ 
  15. খালিদ কাইল। 

রিজার্ভ খেলোয়াড়: জয় ওদেদরা, যতীন্দর সিং, সময় শ্রীবাস্তব, ও সুফিয়ান মেহমুদ। 

‘সি’ গ্রুপ

  • ওয়েস্ট ইন্ডিজ 
  • নিউজিল্যান্ড 
  • আফগানিস্তান 
  • পাপুয়া নিউ গিনি 
  • উগান্ডা 

ওয়েস্ট ইন্ডিজের ১৫ সদস্যের দল (West Indies)

  1. রোভম্যান পাওয়েল (অধিনায়ক) 
  2. আলজারি জোসেফ 
  3. জনসন চার্লস 
  4. রোস্টন চেজ 
  5. শিমরন হেটমায়ার 
  6. জেসন হোল্ডার 
  7. শাই হোপ 
  8. আকিল হোসেন 
  9. শামার জোসেফ 
  10. ব্র্যান্ডন কিং 
  11. গুড়াকেশ মোতি 
  12. নিকোলাস পুরান 
  13. আন্দ্রে রাসেল 
  14. শেরফান রাদারফোর্ড 
  15. রোমারিও শেফার্ড। 

নিউজিল্যান্ডের ১৫ সদস্যের দল (New Zealand)

  1. কেইন উইলিয়ামসন (অধিনায়ক) 
  2. ফিন অ্যালেন 
  3. ট্রেন্ট বোল্ট 
  4. মাইকেল ব্রেসওয়েল 
  5. মার্ক চ্যাপম্যান 
  6. ডেভন কনওয়ে 
  7. লকি ফার্গুসন 
  8. ম্যাট হেনরি 
  9. ড্যারিল মিচেল 
  10. জিমি নিশাম 
  11. গ্লেন ফিলিপস 
  12. রাচিন রবিন্দ্র 
  13. মিচেল স্যান্টনার 
  14. ইশ সোধি 
  15. টিম সাউদি। 

রিজার্ভ খেলোয়াড়: বেন সিয়ার্স।

আফগানিস্তানের ১৫ সদস্যের দল (Afghanistan)

  1. রশিদ খান (অধিনায়ক) 
  2. রহমানউল্লাহ গুরবাজ 
  3. ইব্রাহিম জাদরান 
  4. আজমতউল্লাহ ওমরজাই 
  5. নজিবুল্লাহ জাদরান 
  6. মোহাম্মদ ইসহাক 
  7. মোহাম্মদ নবী 
  8. গুলবদিন নাইব 
  9. করিম জানাত 
  10. নানগায়াল খারোতি 
  11. মুজিব উর রেহমান 
  12. নুর আহমেদ 
  13. নাভিন-উল-হক 
  14. ফজলহক ফারুকী 
  15. ফরিদ মালিক। 

রিজার্ভ খেলোয়াড়: সেদিকউল্লাহ অটল, সালিম সাফি, ও হজরতউল্লাহ জাজাই।

পাপুয়া নিউ গিনির ১৫ সদস্যের দল (PNG)

  1. আসাদ ভালা (অধিনায়ক) 
  2. আলেই নাও 
  3. চ্যাড সোপার 
  4. চার্লস আমিনি 
  5. হিলা ভারে 
  6. হিরি হিরি 
  7. জ্যাক গার্ডনার 
  8. জন কারিকো 
  9. কাবুয়া মোরেয়া 
  10. কিপলিং দোরিগা 
  11. লেগা সিয়াকা 
  12. নরমান ভানুয়া 
  13. সেমা কামেয়া 
  14. সেসে বাউ 
  15. টনি উরা।

উগান্ডার ১৫ সদস্যের দল (Uganda)

  1. ব্রায়ান মাসাবা (অধিনায়ক) 
  2. সাইমন সেসাজি 
  3. রজার মুকাসা 
  4. কসমাস কিয়েউতা 
  5. দিনেশ নাকরানি 
  6. ফ্রেড আচেলাম 
  7. কেনেথ ওয়াসোয়া 
  8. আলপেশ রামজানি 
  9. ফ্র্যাঙ্ক এনসুবুগা 
  10. হেনরি সেনিওন্দো 
  11. বিলাল হাসুন 
  12. রবিনসন ওবুয়া 
  13. রিয়াজাত আলী শাহ 
  14. জুমা মিয়াজি 
  15. রোনাক প্যাটেল।  

রিজার্ভ খেলোয়াড়: ইনোসেন্ট এমওয়েবাজে ও রোনাল্ড লুটাইয়া। 

‘ডি’ গ্রুপ

  • বাংলাদেশ 
  • শ্রীলঙ্কা 
  • দক্ষিণ আফ্রিকা 
  • নেদারল্যান্ডস 
  • নেপাল 

বাংলাদেশের ১৫ সদস্যের দল (Bangladesh)

  1. নাজমুল হোসেন (অধিনায়ক) 
  2. তাসকিন আহমেদ (সহ-অধিনায়ক) 
  3. সাকিব আল হাসান 
  4. মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ 
  5. লিটন দাস 
  6. সৌম্য সরকার 
  7. তানজিদ হাসান 
  8. তানজিম হাসান 
  9. মোস্তাফিজুর রহমান 
  10. মেহেদী হাসান 
  11. তানভীর ইসলাম 
  12. জাকের আলী 
  13. রিশাদ হোসেন 
  14. শরীফুল ইসলাম 
  15. তাওহিদ হৃদয়। 

রিজার্ভ খেলোয়াড়: হাসান মাহমুদ ও আফিফ হোসেন। 

শ্রীলঙ্কার ১৫ সদস্যের দল (Srilanka)

  1. ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (অধিনায়ক) 
  2. চারিত আসালাঙ্কা 
  3. কুশল মেন্ডিস 
  4. পাতুম নিশাঙ্কা 
  5. কামিন্দু মেন্ডিস 
  6. সাদিরা সামারাবিক্রমা 
  7. অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস 
  8. দাসুন শানাকা 
  9. ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা 
  10. মহীশ তিকশানা 
  11. দুনিত ভেল্লালাগে 
  12. দুষ্মন্ত চামিরা 
  13. নুয়ান তুষারা 
  14. মাতিশা পাতিরানা 
  15. দিলশান মাদুশঙ্কা। 

রিজার্ভ খেলোয়াড়: বিজয়কান্ত ব্যাসকান্ত, আসিতা ফার্নান্ডো, জানিত লিয়ানাগে, ও ভানুকা রাজাপক্ষে। 

দক্ষিণ আফ্রিকার ১৫ সদস্যের দল (South Africa)

  1. এইডেন মার্করাম (অধিনায়ক) 
  2. ওটনিল বার্টম্যান 
  3. জেরাল্ড কোয়েটজি 
  4. কুইন্টন ডি কক 
  5. বিওর্ন ফরটুইন 
  6. রিজা হেনড্রিক্স 
  7. মার্কো ইয়ানসেন 
  8. হেনরিখ ক্লাসেন 
  9. কেশব মহারাজ 
  10. ডেভিড মিলার 
  11. আনরিখ নর্কিয়া 
  12. কাগিসো রাবাদা 
  13. রায়ান রিকেলটন 
  14. তাব্রাইজ শামসী 
  15. ট্রিস্টান স্টাবস। 

রিজার্ভ খেলোয়াড়: নান্দ্রে বার্গার ও লুঙ্গি এনগিডি। 

নেদারল্যান্ডসের ১৫ সদস্যের দল (Netherlands)

  1. স্কট এডওয়ার্ডস (অধিনায়ক) 
  2. আরিয়ান দত্ত 
  3. বাস ডি লিডি 
  4. ড্যানিয়েল ডোরাম 
  5. ফ্রেড ক্লাসেন 
  6. লোগান ফন বিক 
  7. ম্যাক্স ও’ডাউড 
  8. মাইকেল লেভিট 
  9. পল ফন মিকেরেন 
  10. সিব্রান্ড এঙ্গেলব্রেখট 
  11. তেয়া নিদামানুরু 
  12. টিম প্রিঙ্গল
  13. বিক্রম সিং 
  14. ভিভ কিংমা 
  15. ওয়েসলি বারেসি। 

রিজার্ভ খেলোয়াড়: কাইল ক্লাইন। 

নেপালের ১৫ সদস্যের দল (Nepal)

  1. রোহিত পৌডেল (অধিনায়ক) 
  2. আসিফ শেখ 
  3. অনিল কুমার শাহ 
  4. কুশল ভুরতেল 
  5. কুশল মাল্লা 
  6. দীপেন্দ্র সিং ঐরী 
  7. ললিত রাজবংশী 
  8. করন কেসি 
  9. গুলশান ঝা 
  10. সম্পাল কামি 
  11. প্রতিস জিসি 
  12. সন্দীপ জোরা 
  13. অবিনাশ বোহারা 
  14. সাগর ঢকাল 
  15. কমল সিং ঐরী। 

টি২০ ২০২৪ বিশ্বকাপের সময়সূচী

দলতারিখসময়ভেন্যুগ্রুপ
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম কানাডা২ জুন, ২০২৪ সকাল ৬:৩০ মি:গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়াম, ডালাসগ্রুপ এ
ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম পাপুয়া নিউগিনি২ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:প্রোভিডেন্স স্টেডিয়াম, গায়ানাগ্রুপ সি
নামিবিয়া বনাম ওমান ৩ জুন, ২০২৪সকাল ৬:৩০ মি:কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোসগ্রুপ বি
শ্রীলঙ্কা বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ৩ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, নিউইয়র্কগ্রুপ ডি
আফগানিস্তান বনাম উগান্ডা ৪ জুন, ২০২৪সকাল ৬:৩০ মি:প্রোভিডেন্স স্টেডিয়াম, গায়ানাগ্রুপ সি
ইংল্যান্ড বনাম স্কটল্যান্ড ৪ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোসগ্রুপ বি
নেদারল্যান্ডস বনাম নেপাল ৪ জুন, ২০২৪রাত ৯:৩০ মি:গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়াম, ডালাস গ্রুপ ডি
ভারত বনাম আয়ারল্যান্ড ৫ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, নিউইয়র্কগ্রুপ এ
অস্ট্রেলিয়া বনাম ওমান ৬ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোসগ্রুপ বি
পাপুয়া নিউগিনি বনাম উগান্ডা ৬ জুন, ২০২৪ভোর ৫:৩০ মি:প্রোভিডেন্স স্টেডিয়াম, গায়ানাগ্রুপ সি
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বনাম পাকিস্তান ৬ জুন, ২০২৪রাত ৯:৩০ মি:গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়াম, ডালাসগ্রুপ এ
নামিবিয়া বনাম স্কটল্যান্ড ৭ জুন, ২০২৪রাত ১:০০ মি:কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোসগ্রুপ বি
কানাডা বনাম আয়ারল্যান্ড ৭ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, নিউইয়র্কগ্রুপ এ
শ্রীলঙ্কা বনাম বাংলাদেশ  ৮ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়াম, ডালাসগ্রুপ ডি
নিউজিল্যান্ড বনাম আফগানিস্তান  ৮ জুন, ২০২৪ভোর ৫:৩০ মি:প্রোভিডেন্স স্টেডিয়াম, গায়ানাগ্রুপ সি 
নেদারল্যান্ডস বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ৮ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, নিউইয়র্কগ্রুপ ডি
অস্ট্রেলিয়া বনাম ইংল্যান্ড ৮ জুন, ২০২৪রাত ১১:০০ মি:কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোসগ্রুপ বি
ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম উগান্ডা ৯ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:প্রোভিডেন্স স্টেডিয়াম, গায়ানাগ্রুপ সি
ভারত বনাম পাকিস্তান ৯ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, নিউইয়র্কগ্রুপ এ
ওমান বনাম স্কটল্যান্ড ৯ জুন, ২০২৪রাত ১১:০০ মি:স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়াম, নর্থ সাউন্ড, অ্যান্টিগাগ্রুপ বি
দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম বাংলাদেশ ১০ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, নিউইয়র্কগ্রুপ ডি 
পাকিস্তান বনাম কানাডা ১১ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, নিউইয়র্কগ্রুপ এ
অস্ট্রেলিয়া বনাম নামিবিয়া ১২ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়াম, নর্থ সাউন্ড, অ্যান্টিগাগ্রুপ বি
শ্রীলঙ্কা বনাম নেপাল ১২ জুন, ২০২৪ভোর ৫:৩০ মি:সেন্ট্রাল ব্রওয়ার্ড রিজিওনাল পার্ক স্টেডিয়াম টার্ফ গ্রাউন্ড, ফ্লোরিডাগ্রুপ ডি
যুক্তরাষ্ট্র বনাম ভারত ১২ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:নাসাউ কাউন্টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, নিউইয়র্কগ্রুপ এ
ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম নিউজিল্যান্ড ১৩ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:ব্রায়ান লারা স্টেডিয়াম, তারুবা, ত্রিনিদাদগ্রুপ সি
বাংলাদেশ বনাম নেদারল্যান্ডস ১৩ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:আরনোস ভ্যাল গ্রাউন্ড, কিংস্টোন, সেন্ট ভিনসেন্টগ্রুপ ডি
আফগানিস্তান বনাম পাপুয়া নিউগিনি ১৪ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:ব্রায়ান লারা স্টেডিয়াম, তারুবা, ত্রিনিদাদগ্রুপ সি
ইংল্যান্ড বনাম ওমান ১৪ জুন, ২০২৪রাত ১:০০ মি:স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়াম, নর্থ সাউন্ড, অ্যান্টিগাগ্রুপ বি
যুক্তরাষ্ট্র বনাম আয়ারল্যান্ড ১৪ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:সেন্ট্রাল ব্রওয়ার্ড রিজিওনাল পার্ক স্টেডিয়াম টার্ফ গ্রাউন্ড, ফ্লোরিডাগ্রুপ এ
নিউজিল্যান্ড বনাম উগান্ডা ১৫ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:ব্রায়ান লারা স্টেডিয়াম, তারুবা, ত্রিনিদাদগ্রুপ সি 
দক্ষিণ আফ্রিকা বনাম নেপাল ১৫ জুন, ২০২৪ভোর ৫:৩০ মি:আরনোস ভ্যাল গ্রাউন্ড, কিংসটাউন, সেন্ট ভিনসেন্টগ্রুপ ডি 
ভারত বনাম কানাডা ১৫ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:সেন্ট্রাল ব্রওয়ার্ড রিজিওনাল পার্ক স্টেডিয়াম টার্ফ গ্রাউন্ড, ফ্লোরিডাগ্রুপ এ 
নামিবিয়া বনাম ইংল্যান্ড ১৫ জুন, ২০২৪রাত ১১:০০ মি:স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়াম, নর্থ সাউন্ড, অ্যান্টিগাগ্রুপ বি
অস্ট্রেলিয়া বনাম স্কটল্যান্ড ১৬ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:ড্যারেন স্যামি জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, সেন্ট লুসিয়াগ্রুপ বি
পাকিস্তান বনাম আয়ারল্যান্ড ১৬ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:সেন্ট্রাল ব্রওয়ার্ড রিজিওনাল পার্ক স্টেডিয়াম টার্ফ গ্রাউন্ড, ফ্লোরিডাগ্রুপ এ
শ্রীলঙ্কা বনাম নেদারল্যান্ডস ১৭ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:ড্যারেন স্যামি জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, সেন্ট লুসিয়া গ্রুপ ডি
বাংলাদেশ বনাম নেপাল ১৭ জুন, ২০২৪ভোর ৫:৩০ মি:আরনোস ভ্যাল গ্রাউন্ড, কিংসটাউন, সেন্ট ভিনসেন্টগ্রুপ ডি
নিউজিল্যান্ড বনাম পাপুয়া নিউগিনি ১৭ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:ব্রায়ান লারা স্টেডিয়াম, তারুবা, ত্রিনিদাদগ্রুপ সি
ওয়েস্ট ইন্ডিজ বনাম আফগানিস্তান ১৮ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:ড্যারেন স্যামি জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, সেন্ট লুসিয়াগ্রুপ সি
A2 বনাম D1, সুপার 8 ১৯ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়াম, নর্থ সাউন্ড, অ্যান্টিগাগ্রুপ ১
B1 বনাম C2, সুপার 8 ২০ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:ড্যারেন স্যামি জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, সেন্ট লুসিয়াগ্রুপ ২
C1 বনাম A1, সুপার 8 ২০ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোসগ্রুপ ১
B2 বনাম D2, সুপার 8 ২১ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়াম, নর্থ সাউন্ড, অ্যান্টিগাগ্রুপ ১
B1 বনাম D1, সুপার 8 ২১ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:ড্যারেন স্যামি জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, সেন্ট লুসিয়াগ্রুপ ২
A2 বনাম C2, সুপার 8 ২২ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোসগ্রুপ ২
A1 বনাম D2, সুপার 8 ২২ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়াম,  অ্যান্টিগাগ্রুপ ১
C1 বনাম B2, সুপার 8 ২৩ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:আরনোস ভ্যাল গ্রাউন্ড, কিংস্টোন, সেন্ট ভিনসেন্টগ্রুপ ১
A2 বনাম B1, সুপার 8 ২৩ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোসগ্রুপ ২
C2 বনাম D1, সুপার 8 ২৪ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়াম, নর্থ সাউন্ড, অ্যান্টিগাগ্রুপ ২
B2 বনাম A1, সুপার 8 ২৪ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:ড্যারেন স্যামি জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, সেন্ট লুসিয়াগ্রুপ ১
C1 বনাম D2, সুপার 8 ২৫ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:আরনোস ভ্যাল গ্রাউন্ড, কিংসটাউন, সেন্ট ভিনসেন্টগ্রুপ ১
টিবিসি বনাম টিবিসি, সেমিফাইনাল-১২৭ জুন, ২০২৪ভোর ৬:৩০ মি:ব্রায়ান লারা স্টেডিয়াম, তারুবা, ত্রিনিদাদ
টিবিসি বনাম টিবিসি, সেমিফাইনাল 2২৭ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:প্রোভিডেন্স স্টেডিয়াম, গায়ানা
টিবিসি বনাম টিবিসি, ফাইনাল২৯ জুন, ২০২৪রাত ৮:৩০ মি:কেনসিংটন ওভাল, ব্রিজটাউন, বার্বাডোস
Worldcup T20 2024 Fixture and player list

Bangla Grammar: সমাস (পর্ব: ৩)

৩. তৎপুরুষ সমাস

যে সমাসে পূর্বপদে বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থই প্রাধান হয় তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।

যেমন- বিপদকে আপন্ন = বিপদাপন্ন।

তৎপুরুষ সমাস বিভিন্ন প্রকার হয়। যথা-

নঞ্ তৎপুরুষ সমাস 

যে সমাসের পূর্বে  না বাচক নঞ অব্যয় (না, নেই, নাই, নয়) বসে তাকে নঞ্ তৎপুরুষ সমাস বলে।

তাহলে কিছু নঞ্ তৎপুরুষ সমাস জেনে নেয়া যাক-

  • না আচার = অনাচার
  • না কাতর = অকাতর
  • না লৌকিক = অলৌকিক
  • নয় ধর্ম = অধর্ম
  • ন আদর = অনাদর
  •  নয় স্থির = অস্থির
  • নাই সুখ যার = অসুখ
  • ন অশন = অনশন
  • ন চেনা = অচেনা
  • নাই তমিজ = বেতমিজ
  • ন কাল = অকাল
  • নাই কাঁড়া = আকাঁড়া

উপপদ তৎপুরুষ সমাস 

উপপদের সঙ্গে কৃদন্ত পদের যে সমাস হয় তাকেই উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।

তাহলে কিছু উপপদ তৎপুরুষ সমাস জেনে নেয়া যাক-

  • জলে চরে যা = জলচর
  • জল দেয় যে = জলদ
  • পঙ্কে জন্মে যা = পঙ্কজ
  • সত্য কথা বলে যে = সত্যবাদী
  • ইন্দ্রকে জয় করেছেন যে = ইন্দ্রজিৎ
  • ছেলে ধরে যে = ছেলেধরা
  • পকেট মারে যে = পকেটমার
  • হাড় ভাঙ্গে যাতে = হাড়ভাঙ্গা
  • মাছি মারে যে = মাছিমারা
  •  গৃহে থাকে যে = গৃহস্থ
  • ধামাধরে যে = ধামাধরা
  • পাতা চাটে যে = পাতাচাটা
  • ছার পোকা যা = ছারপোকা
  • ঘর পুড়েছে যার = ঘরপোড়া
  •  বর্ণ চরি করে যে = বর্ণচোরা
  • গলা কাটে যে = গলাকাটা
  •  পা চাটে যে = পা – চাটা
  •  পাড়া বেড়ায় যে = পাড়াবেড়ানি
  • ছা পোষে যে = ছা – পোষা

দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস

পূর্বপদে বিভক্তি যুক্ত(কে, রে) ইত্যাদি লোপ পায় যে সমাসে, তাকে দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে।

তাহলে কিছু দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস জেনে নেয়া যাক-

  • দুঃখকে প্রাপ্ত = দুঃখপ্রাপ্ত
  • পদকে আপন্ন = বিপদাপন্ন
  • বইকে পড়া = বই-পড়া
  • চিরকাল ব্যাপিয়া সুখী = চিরসুখী
  • ক্ষণকাল ব্যাপীয়া স্থায়ী(ব্যাপ্তি অর্থে) = ক্ষণস্থায়ী
  • পরলোকে গত= পরলোকগত
  • পুঁথিতে গত= পুঁথিগত
  • চিরদিন ধরিয়া শত্রু = চিরশত্রু
  • সাহায্যকে প্রাপ্ত = সাহায্যপ্রাপ্ত
  • লোককে অতীত = লোকাতীত 
  • স্বৰ্গকে প্রাপ্ত = স্বর্গপ্রাপ্ত 
  • ধর্মকে সংক্রান্ত = ধর্মসংক্রান্ত 
  • অশ্বকে আরুঢ় = অশ্বারুঢ় 
  • সংখ্যাকে অতীত = সংখ্যাতীত 
  • বিস্ময়কে আপন্ন = বিস্ময়াপন্ন 
  • স্মরণকে অতীত = স্মরণাতীত 
  • গৃহকে প্রবিষ্ট = গৃহপ্রবিষ্ট 
  • ক্ষমতাকে প্রাপ্ত = ক্ষমতাপ্রাপ্ত
  • শরণকে গত = শরণাগত 
  • দেশকে আশ্রিত = দেশাশ্রিত 
  • ভারকে প্রাপ্ত = ভারপ্রাপ্ত

তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস

পূর্বপদে তৃতীয়া বিভক্তি (দ্বারা,দিয়া, কর্তৃক ইত্যাদি) লোপ পায় যে সমাসে তাকে তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে।

তাহলে কিছু তৃতীয়া  তৎপুরুষ সমাস জেনে নেয়া যাক-

  • মধু দিয়ে মাখা = মধুমাখা
  • বস্ত্র দ্বারা আচ্ছাদিত = বস্ত্রাচ্ছাদিত
  • লাঠি দ্বারা খেলা = লাঠিখেলা
  • রক্ত দ্বারা সিক্ত = রক্তসিক্ত
  • স্নেহ দ্বারা অন্ধ = স্নেহান্ধ
  • ধামা দ্বারা চাপা = ধামাচাপা
  • অস্ত্র দ্বারা উপচার = অস্ত্রোপাচার
  • জরা দ্বারা জীর্ণ = জরাজীর্ণ
  • স্বনাম দ্বারা ধন্য = স্বনামধন্য
  • ইন্দ্রিয় দ্বারা = গ্রাহ্য = ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য
  • দৃষ্টি দ্বারা হীন = দৃষ্টিহীন
  • বিনয় দ্বারা অবনত = বিনয়াবনত
  • বাগ দ্বারা দত্তা = বাগদত্তা
  • মন দ্বারা গড়া = মনগড়া
  • শোক দ্বারা আর্ত = শোকার্ত
  • গুণ দ্বারা মুগ্ধ = গুণমুগ্ধ
  • তৈল দ্বারা আক্ত = তৈলাক্ত
  • শোক দ্বারা আকুল = শোকাকুল
  • মধুতে মাখা = মধুমাখা
  • বিপদ দ্বারা সঙ্কুল = বিপদসঙ্কুল
  • জন, দ্বারা আকীর্ণ = জনাকীর্ণ
  • পুষ্প দিয়া অঞ্জলি = পুষ্পাঞ্জলি
  • মন দিয়ে গড়া = মনগড়া
  • শ্রম দ্বারা লব্ধ = শ্রমলব্ধ

চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস

পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি (কে, জন্য, নিমিত্ত ইত্যাদি) লোপ পায় যে সমাসে তাকে চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস।

তাহলে কিছু চতুর্থী  তৎপুরুষ সমাস জেনে নেয়া যাক-

  • বসতের নিমিত্ত বাড়ি = বসতবাড়ি
  • বিয়ের জন্য পাগলা = বিয়েপাগল
  • তপের নিমিত্ত বন = তপোবন
  • গুরুকে ভক্তি = গুরুভক্তি
  • গুরুকে ভক্তি = গুরুভক্তি,
  • আরামের জন্য কেদারা = আরামকেদারা,
  • বসতের জন্য বাড়ি = বসতবাড়ি,
  • বিয়ের জন্য পাগলা = বিয়েপাগলা,
  • হজ্বের জন্য যাত্রা = হজ্বযাত্রা,
  • পাগলের নিমিত্তে গারদ = পাগলাগারদ,
  • মরণের নিমিত্তে কাঠি = মরণকাঠি,
  • শিশুর জন্য সাহিত্য = শিশুসাহিত্য,
  • শয়নের নিমিত্তে কক্ষ = শয়নকক্ষ,
  • রান্নার জন্য ঘর = রান্নাঘর,
  • ছাত্রের জন্য আবাস = ছাত্রাবাস,
  • ছাত্রীর জন্য নিবাস = ছাত্রীনিবাস,
  • জীবনের নিমিত্তে কাঠি = জীবনকাঠি,
  • ডাকের জন্য মাশুল = ডাকমাল 
  • বালিকাদের জন্য বিদ্যালয়= বালিকা বিদ্যালয়

পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস

পূর্বপদে পঞ্চমী বিভক্তি (হতে,থেকে ইত্যাদি) লোপ পায় যে সমাসে তাকে পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস।

তাহলে কিছু পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস জেনে নেয়া যাক-

  • খাঁচা থেকে ছাড়া = খাঁচাছাড়া
  • বিলাত হতে ফেরত = বিলাতফেরত
  • ইতি হতে আদি = ইত্যাদি
  • প্রাণের চেয়ে অধিক = প্রাণাধিক
  • সত্য থেকে ভ্রষ্ট = সত্যভ্রষ্ট
  • প্রাণের চেয়ে প্রিয় = প্রাণপ্রিয়
  • জেল থেকে মুক্ত = জেলমুক্ত
  • জেল থেকে খালাস = জেলখালাস
  • পণ হতে মুক্তি = পণমুক্তি
  • আগা থেকে গোড়া = আগাগোড়া
  • স্কুল থেকে পালানো = স্কুলপালানো
  • বোটা হতে খসা = বোঁটাখসা
  • শাপ থেকে মুক্ত = শাপমুক্ত
  • মৃত্যু হতে উত্তীর্ণ = মৃত্যুত্তীর্ণ
  •  ঋণ হতে মুক্ত = ঋণমুক্ত
  • পরাণের চেয়ে প্রিয়= পরাণপ্রিয় 

ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস

পূর্বপদে ষষ্ঠী বিভক্তির (র, এর) লোপ পায় যে সমাসে তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।

তাহলে কিছু ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস জেনে নেয়া যাক-

  • চায়ের বাগান = চাবাগান
  • রাজার পুত্র = রাজপুত্র
  • বিশ্ব বিদ্যার আলয় = বিশ্ববিদ্যালয়
  • পুষ্পের সে․রভ = পুষ্পসৌরভ
  • দিল্লীর রাজা = দিল্লীরাজ
  • গজনীর রাজা = গজনীরাজ
  • পিতার ধন = পিতৃধন
  • মাতার সেবা = মাতৃসেবা
  • ভ্রাতার পুত্র = ভ্রাতুষ্পুত্র
  • পত্নীর সহ= পত্নীসহ বা সপত্নীক
  • কন্যার সহ = কন্যাসহ
  • সহোদরের প্রতিম= সহোদরপ্রতিম
  • ছাত্রের বৃন্দ = ছাত্রবৃন্দ
  • গুণের গ্রাম = গুণগ্রাম
  • হস্তির যূথ = হস্তিযূথ 
  • ফুলের গাছ = ফুলগাছ
  • খেয়ার ঘাট = খেয়াঘাট
  • চায়ের দোকান = চাদোকান
  • সূর্যের আলোক = সূর্যালোক
  • পিতার তুল্য = পিতৃতুল্য
  • জাতিদের সংঘ = জাতিসংঘ
  • যমের আলয় = যমালয়
  • নাটকের অভিনয় = নাটকাভিনয়
  • মনের রথ = মনোরথ
  • দীনের বন্ধু = দীনবন্ধু
  • বাদরের নাচ = বাদরনাচ
  • বিড়ালের ছানা = বিড়ালছানা
  • নদীর জল = নদীজল
  • শিক্ষার মন্দির = শিক্ষামন্দির
  • দূতের আবাস = দূতাবাস
  • ভাইয়ের পো = ভাইপো
  • ঠাকুরের বাড়ি = ঠাকুরবাড়ি
  • কবিদের গুরু = কবিগুরু 

সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস

পূর্বপদে সপ্তমী বিভক্তি (এ, য়,তে) লোপ পায় যে সমাসে তাকে সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস। 

তাহলে কিছু ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস জেনে নেয়া যাক-

  • রঙ্গে ভরা = রঙ্গভরা
  • পূর্বে ভূত = ভূতপূর্ব
  • পূর্বে অদৃষ্ট = অদৃষ্টপূর্ব
  • গাছে পাকা = গাছপাকা
  • অকালে মৃত্যু = অকালমৃত্যু
  • দিবায় নিদ্রা = দিবানিদ্রা
  • ভোজনে পটু = ভোজনপটু
  • দানে বীর = দানবীর
  • বস্তাতে পচা = বস্তাপচা
  • বনে বাস = বনবাস
  • পাপে আসক্ত = পাপাসক্ত
  • বাক্সতে বন্দী = বাক্সবন্দী
  • তালে কানা = তালকানা,
  • মনে মরা = মনমরা
  • অকালে পক্ক = অকা
  • নামাযে রত = নামাযরত,
  • গোলায় ভরা = গোলাভরা
  • বাকে পটু = বাকপটু

অলুক তৎপুরুষ সমাস 

পূর্বপদে কোন প্রকার বিভক্তি লোপ না পেয়েই যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলা হয়। 

তাহলে কিছু অলুক তৎপুরুষ সমাস জেনে নেয়া যাক-

  • ঘানি তেল = ঘানিতেল,
  • ঘি দিয়ে ভাজা = ঘিয়ে ভাজা,
  • গোড়ায় গলদ = গোড়ায়গলদ,
  • তেলে ভাজা = তেলেভাজা,
  • হাতে কাটা = হাতেকাটা,
  • হাতের পাঁচ = হাতের পাঁচ
  • মামার বাড়ি =  মামার বাড়ি
  • সাপের পা = সাপের পা
  • মনের মানুষ = মনের মানুষ
  • কলের গান = কলের গান
  • গরুর গাড়ি = গরুর গাড়ি
  • গায়ে পড়া = গায়ে পড়া
  •  কিন্তু, ভ্রাতার পুত্র = ভ্রাতুষ্পুত্র (নিপাতনে সিদ্ধ)

আরো দেখুন

চাকরি ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় আসা গুরুত্বপূর্ণ সমাস- পর্ব ২

চাকরি ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় আসা গুরুত্বপূর্ণ সমাস- পর্ব ১