Monday, September 21, 2026
spot_imgspot_img
Home Blog Page 7

Android 15: অ্যান্ড্রয়েড ১৫ যে-সব ফিচার নিয়ে আসছে

0

স্মার্টফোন, টিভিসহ বেশকিছু প্লাটফর্মের জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড। বিভিন্ন নিরাপত্তা আপডেটসহ নিত্যনতুন ফিচার যোগ করে প্রতিনিয়ত আপডেট ভার্সন নিয়ে আসে গুগল। তেমনি ১০টি নতুন ফিচার যোগ হচ্ছে Android 15 এর সিস্টেমে। বর্তমানে ফিচারগুলো গুগল পিক্সেল ৮ স্মার্টফোনে পাওয়া গেলেও ভবিষ্যতে একাধিক স্মার্টফোনে দেখতে পাওয়া যাবে। 

কী এই ফিচারগুলো?

তাহলে জেনে নেই ফিচারগুলো সম্পর্কে–

১. নতুন নাম ও লোগো (New name and logo) 

অ্যান্ড্রয়েড ১৫ মহাকাশ এবং রকেট থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এর নতুন লোগো আনছে। কিছুটা অ্যান্ড্রয়েড ১৪ লোগোর মতোই হবে এবং এর পাশাপাশি থাকবে নতুন নাম। গুগল Android 15-কে ভ্যানিলা আইস ক্রিম নামে লঞ্চ করবে। 

২. স্যাটেলাইট কানেক্টিভিটি (Satellite connectivity)

বর্তমানে একাধিক স্মার্টফোনে স্যাটেলাইট কানেক্টিভিটি ফিচার রয়েছে। এটিকে আরও সহজ করে দিচ্ছে গুগল। অ্যান্ড্রয়েড ১৫ এর মাধ্যমে স্মার্টফোন কোম্পানিগুলো এই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারবে। স্মার্টফোনে স্যাটেলাইট কানেক্টিভিটি আরো সহজ হ‌বে এর মাধ্যমে। স্যাটেলাইট কানেক্টিভিটি ফিচারটি আইফোন ১৫-তেও রয়েছে। 

৩. ক্যামেরা কন্ট্রোল (Camera control)

ক্যামেরার ব্রাইটনেস বাড়ানো, লো লাইট ক্যামেরা, ফ্ল্যাশ লাইট কন্ট্রোল ইত্যাদি আরও ভালো কাস্টমাইজ করা যাবে। অ্যান্ড্রয়েড ১৫ অপারেটিং সিস্টেম স্মার্টফোনগুলোর ক্যামেরা আরও দক্ষ ও উন্নত করে তুলবে। পাশাপাশি ভিন্ন ভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে ভালো মানের ছবি তুলতে সক্ষম।

৪. স্ক্রিন শেয়ারিং (Screen sharing)

বর্তমানের স্মার্টফোনগুলোতে অ্যান্ড্রয়েড ১৩ অথবা ১৪ ব্যবহারকারীরা স্ক্রিন শেয়ারিং এর ক্ষেত্রে পুরো স্ক্রিন শেয়ার করতে পারেন। কিন্তু Android 15 ব্যবহারের ফলে স্ক্রিনের নির্দিষ্ট একটি অংশ শেয়ার করতে পারবেন। এতে করে প্রয়োজন অনুযায়ী স্ক্রিনের নির্দিষ্ট অংশ শেয়ার করা যাবে।  

৫. নোটিফিকেশন কুলডাউন (Notification cooldown)

একটি নির্দিষ্ট অ্যাপ থেকে একাধিক নোটিফিকেশন আসলে বিরক্ত হওয়াটাই কিন্তু স্বাভাবিক। তবে অ্যান্ড্রয়েড ১৫-এর মাধ্যমে সেই অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশনের সংখ্যা অনেকটাই কমে যাবে। 

৬. ওয়েবক্যাম মোড (Webcam mode)

কম্পিউটারে ব্যবহার করার জন্য যাদের ওয়েবক্যাম নেই তাদের জন্য অনন্য সুবিধা নিয়ে আসছে অ্যান্ড্রয়েড ১৫। ইউজারদের স্মার্টফোনগুলো উইন্ডোস ১১ এর সঙ্গে যুক্ত করার সময় হাই-কোয়ালিটি ওয়েবক্যাম হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। এখন গুগল পিক্সেল ৮ স্মার্টফোনে এই সুবিধা থাকলেও পরবর্তীতে Android 15 এর মাধ্যমে অন্যান্য স্মার্টফোনেও  এই সুবিধা চালু হবে।

৭. অপ্টিমাইজ ফোল্ডেবেল স্মার্টফোন (Optimized foldable smartphone)

আজকাল ফোল্ডেবেল স্মার্টফোনের যুগ, স্যামসাং, মটোরোলাসহ একাধিক সংস্থা ফোল্ডেবেল স্মার্টফোন বাজারে এনেছে। এবার Android 15 আরও দ্রুত পারফরম্যান্স যোগ করতে চলেছে, এবং এর ফলে ডিসপ্লে কোয়ালিটি বাড়বে। অ্যান্ড্রয়েড ১৫ যে সকল স্মার্টফোনে ব্যবহার করা হবে সেই স্মার্টফোনগুলোতে রোল আউট হলে একটি নতুন টাস্কবারও যোগ হবে। 

৮. প্রয়োজনীয় নোটিফিকেশনের গোপনীয়তা বা ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা (Privacy or Personal Information Protection)

ব্যাংকের ওটিপি নোটিফিকেশন বা এমন কোনও মেসেজ যেখানে রয়েছে ব্যক্তিগত তথ্য তা অটোমেটিক হাইড করে দেবে Android 15 আপডেট। এর ফলে আপনার গোপনীয়তা বা ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত থাকবে। 

৯. নতুন ভলিউম কন্ট্রোল (New volume control)

অ্যান্ড্রয়েড ১৫ আপডেট এলে স্মার্টফোনে নতুন ভলিউম কন্ট্রোল পাবে ব্যবহারকারীরা। এতে করে তারা নিজেদের মতো করে ভলিউম কন্ট্রোল করতে পারবে। 

১০. ব্লুটুথ ডায়ালগ বক্স (Bluetooth dialog box)

যারা একাধিক ব্লুটুথ ডিভাইস ব্যবহার করেন তাদের কাজে আসবে Android 15। ব্লুটুথ অপশনে কিছুক্ষণ চাপার পর একটি ট্যাব খুলে যাবে এতে সাম্প্রতিক পেয়ারড বা কানেক্টেড ডিভাইস দেখা যাবে। এখান থেকে ডিভাইস সুইচ করতে পারবেন বা একাধিক ডিভাইস চালাতে পারবেন। 

অ্যান্ড্রয়েড ফিফটিনের এ সকল সুবিধা গুলো পেতে আরেকটু অপেক্ষা করতে হবে।  গুগল এখনো officially দিনক্ষণ না জানালেও তবে খুব শীঘ্রই এ আপডেট পাবেন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা।

অ্যান্ড্রয়েড ১৫ নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রতীক্ষিত আপডেট, যা শুধুমাত্র দৃষ্টিনন্দন ডিজাইন নয়, বরং ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা ও গোপনীয়তার দিকেও নজর দিয়েছে। নতুন ফিচারগুলো স্মার্টফোন ব্যবহারের প্রতিটি দিকেই উন্নতি আনবে। গুগলের এই নতুন সংস্করণ আমাদের প্রযুক্তিগত জীবনকে আরও স্মার্ট, দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য করে তুলবে—এতে কোনো সন্দেহ নেই। এখন শুধু অপেক্ষা, কবে নাগাদ আমাদের ফোনে এই আপডেটটি চলে আসবে।

Civet cat coffee: বিশ্বের সবচেয়ে দামি কফি কি দিয়ে তৈরি হয় জানেন? জানলে আর খাবেন না!

কফি আজকের পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় পানীয় হলেও এক দশক আগেও এতো বেশি কফি পানের রেওয়াজ আমাদের দেশে ছিল না। ইনস্ট্যান্ট কফির আগমনে কেউ কেউ শখ করে পান করতেন।

কফি সম্পর্কে জানার আগে এর আবিষ্কারের ইতিহাস একটু জেনে নেয়া যাক

কফির ইতিহাস

ইতিহাস ঘাটলে জানা যায়, নবম শতকে ইথিওপিয়ায় কালদি নামে এক ছাগল পালক তার ছাগলদের বেরি জাতীয় গাছ থেকে প্রথম ফল খেতে দেখেন। পরে তিনি খেয়াল করেন, তার ছাগলগুলো না ঘুমিয়েই সারারাত জেগে আছে। এ কথা যখন একদল সন্ন্যাসীকে জানান, তখন তারা ঐ ফল থেকে এক প্রকার তরল অর্থাৎ পানীয় তৈরি করেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল প্রার্থনা করার জন্য সারারাত জেগে থাকা। আর এভাবেই আবিষ্কার হয় জনপ্রিয় এ পানীয়টি। যা পরবর্তীতে কফি নামে পরিচিতি লাভ করে।

কফির উৎপাদন

কফি উৎপাদনে ব্রাজিলের অবস্থান তালিকার শীর্ষে। বিশ্বব্যাপী কফি সরবরাহে ব্রাজিল থেকে আসে ৪০ শতাংশ। আর ভিয়েতনাম হল দ্বিতীয়। প্রায় ২০ শতাংশ কফি সরবরাহ হয় এখান থেকে। তবে ইথিওপিয়ান কফিকে, বিশ্বে মানের দিক থেকে সেরা বলা যায়।

কফি আসলে কি

এক ধরনের চেরি ফল যার বীজগুলো চোলাই করে তৈরি করা হয় কফি। অর্থাৎ চেরি ফলের রোস্ট করা বীজ।
আমরা সবসময়ে একটা কথা জেনে আসছি, কফি পান করতে হয়। কিন্তু কোথাও কোথাও মানুষ কফি ফল খেতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে বেশি। কফি যেহেতু এক ধরনের চেরি ফল সেহেতু এটা খাওয়া যেতেই পারে, এই ফলটিতে কামড় দিলেই গোলাকার আকারের বীজটি দুই ভাগে ভাগ হয়ে যায়।

জাতীয় কফি সংস্থা, যুক্তরাষ্ট্রের তথ্য মতে, বিশ্বের ৫% কফিতে ‘পিবেরি’ নামক একটি বীজই থাকে। সম্পূর্ণ হাতে আলাদা করা হয় এই ‘পিবেরি’। কড়া স্বাদ এবং চমৎকার মিশ্রণের জন্য এই ধরনের কফি বীজ বিখ্যাত।

কফি স্বাদের দিক থেকে কেমন

কফি আসলে মিষ্টি মেটে আর পোড়া স্বাদযুক্ত। এই স্বাদই শরীর ও মনের ক্লান্তি দূর করে খুব অল্প সময়ে। তাই এটি পানে শরীরে ও মনে এক চনমনে ভাব এসে যায়।
কফির প্রচলন এখন শুধু বাড়িতে নয়, মিলছে পথেঘাটে। আর কফির জন্য তো কফিশপ আছেই। কফি পানের পরিমাণ সারা পৃথিবীতে গড়ে প্রায় ২.২৫ বিলিয়ন কাপ। তবে এই কফি স্বাদের দিক থেকে যেমন ভিন্ন ভিন্ন ধরনের হয় তেমনি এর প্রস্তুত প্রণালিতেও রয়েছে ভিন্নতা।

বিভিন্ন ধরনের কফি

কফির এই বীজটা সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে- অ্যারাবিকা ও রোবাস্টা। অ্যারাবিকা বলা হয় ইথিওপিয়ায় উৎপন্ন গাছ থেকে পাওয়া কফিকে। সাধারণত এই ধরনের কফি মিহি, হালকা এবং সুবাসযুক্ত হয়ে থাকে। এই জাতের কফির দাম অপেক্ষাকৃত বেশি এবং ৭০% কফিই বিশ্বের প্রায় ইথিওপিয়ান জাতের।
আর রোবাস্টা কফি স্বাদের দিক থেকে কিছুটা তিতকুটে এবং ক্যাফেইনের মাত্রা বেশি। সাধারণত ইন্সট্যান্ট কফি তৈরিতে এই ধরনের কফি বেশি ব্যবহার করা হয়।
এছাড়াও মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অল্প কিছু এলাকায় এবং ব্রাজিলেও এধরণের কফি জন্মায়।

পৃথিবীর সবচেয়ে দামি কফি

শুনলে অবাক হবেন পৃথিবীর সবচেয়ে দামি কফি সম্পর্কে। এর উৎপাদনের পদ্ধতিও একেবারে ভিন্ন। যেটা জানলে আপনারা অনেকেই খেতে চাইবেন আবার আপনাদের কারো কারো বমি চলে আসতে পারে। ‘সিভেট’ নামের এক প্রজাতির বিড়াল আর এক ধরনের হাতি,যাদের পরিপাকতন্ত্র হয়ে মানুষের কাছে পৌঁছায় এই মূল্যবান কফি।

ইন্দোনেশিয়ান এই সিভেট বিড়ালের বিষ্ঠা থেকে তৈরি হয় কোপি লুয়াক (Kopi luwak) নামক কফি। কফির চেরিগুলো যখন বিড়ালের পরিপাকতন্ত্র দিয়ে যায় তখন স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতে গাঁজন হয়। এর ফলে এক বিশেষ সুগন্ধ যোগ হয় কফি বিনের সাথে। যা পরবর্তীতে প্রক্রিয়াজাত করে বিক্রির জন্য সংগ্রহ করা হয়। ১৪০০ ডলার (প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা) পর্যন্ত হতে পারে এ ধরণের কফির এক কেজির দাম।


তবে বর্তমানে ব্ল্যাক আইভরি কফি ‘কোপি লুয়াক’ কে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মুখে ফেলছে। এই জাতের বাছাই করা কফির বীজ থাইল্যান্ডের হাতিদের আলাদা করে হাতে খাওয়ানো হয়। এরপর তাদের বিষ্ঠা থেকে সংগৃহীত চেরি থেকে তৈরি হয় তীব্র গন্ধযুক্ত কফি ।

এক ধরনের কফি তৈরির পর নষ্ট হয়ে যাওয়া বা উচ্ছিষ্টাংশ চেরি দিয়ে বিভিন্ন কফি তৈরিকারী প্রতিষ্ঠান ময়দা তৈরি করে। রুটি, চকলেট, সস বা কেক তৈরিতে এই ময়দা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। তবে এর স্বাদ বীজের জাতের ওপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়ে থাকে।

ব্ল্যাক আইভরি কফি আবিষ্কার করেছিলেন ব্লেক ডিঙ্কিন নামে এক কানাডিয়ান। এ কফির ৩৫ গ্রামের মূল্য যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৮৫ ডলারের কাছাকাছি।

কোন কোন দেশের মানুষ বেশি কফি পান করে

ফিনল্যান্ডের অধিবাসীরা গড়ে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ কফি পান করে থাকে -তথ্য আন্তর্জাতিক কফি সংস্থা। এছাড়াও নরওয়ে ও আইসল্যান্ডে মানুষের কফি গ্রহণের পরিমাণ বছরে গড়ে ৯ কেজির ওপর এবং ডেনমার্ক ও সুইডেনে গড়ে ৮ কেজি।

কফিশপের দিক থেকে প্রথম হলো মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন শহরে কফির দোকান। যেগুলোকে ‘কাহভেহ খানে’ বলা হতো। কফির এইসব দোকানগুলোই পরবর্তীতে জনপ্রিয়তা লাভ করে প্রতিদিনের আড্ডা, জমায়েতের জায়গা হিসেবে।

বর্তমানে কফিশপে সাধারণত লাটে, এসপ্রেসো, ডাবল এসপ্রেসো, লং ব্ল্যাক মাকিয়াটো, ক্যাপেচিনো, মকা, ফ্ল্যাট হোয়াইট, অ্যামেরিকানোসহ পাওয়া যায় নানান স্বদের কফি।

কফি সম্পর্কে তো অনেককিছুই জানলাম, এবার এর উপকারীতাও জেনে নেই?

কফি পানের উপকারিতা

১. কফিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট যা মানব শরীরের ক্ষতিকর বিষাক্ত পদার্থ ও রাসায়নিকের মিশ্রণ রোধে সাহায্য করে।
২. অ্যানালস অব ইন্টারনাল মেডিসিন জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় জানানো হয়, অতিরিক্ত এক কাপ কফি বাড়াতে পারে মানুষের আয়ু।
৩. মৃত্যুঝুঁকি কমাতে পারে যারা হৃদরোগ এবং পাকস্থলীর রোগে ভুগছেন। এক গবেষণায় জানা গেছে, হার্ট অ্যাটাক সহ অনেক জটিল রোগের সম্ভাবনা কমিয়ে আনতে দিনে তিন কাপ কফি পান করলে বেশ উপকার পাওয়া যায়। এ গবেষণাটি ১৬ বছর ধরে ৫ লাখ ইউরোপীয় মানুষের ওপর চালানো হয়।
৪. যারা বাড়তি ওজনের চিন্তা করছেন, তারা কফির সঙ্গে দুধ-চিনি না মিশিয়ে শুধু ‘র’ কফি পানের চেষ্টা করুন, উপকার পাবেন।

৫. শরীর সুস্থ রাখতে কফিতে থাকা অ্যান্টি অক্সিডেন্ট বেশ কাজ করে। এছাড়াও কফি পুষ্টিমানে সমৃদ্ধ হওয়ায় স্মৃতিশক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

তবে অতিরিক্ত কফি পানে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে-
১. সকালে কিছু না খেয়ে যদি খালি পেটে কফি পান করেন তাহলে পাকস্থলীতে হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড তৈরি হতে পারে। আর এই অ্যাসিডের পরিমাণ পাকস্থলীতে বেশি হলে হজমে সমস্যা হতে পারে।
২. হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড বেশি হলে পাকস্থলীর গায়ে ক্ষত সৃষ্টি করে আলসার, গ্যাস্ট্রিকের মতো সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে।
৩. এছাড়া কিডনির স্বাভাবিক কার্যক্ষমতায় বাধা তৈরি হতে পারে। এটি শরীরে কার্যক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে কিন্তু স্নায়ুতন্ত্রের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।
৪. ব্রিটিশ স্বাস্থ্যতথ্য মতে, প্রতিটি গর্ভবতী মহিলা দিনে ২০০ মিলিগ্রামের বেশি কফি (ফিলটার কফি এক মগ পরিমাণ বা ইনস্ট্যান্ট কফি দুই মগ) পান করা উচিত নয়।
তাই অতিরিক্ত কফি পানের অভ্যাস না করে দিনে তিন কাপ কফিতেই সন্তুষ্ট থাকুন।

Civet cat coffee

Gastric Medicine: সারাবছর গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়া কি ঠিক

0

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা যেন একটি সাধারণ সমস্যা। যার জন্য কোন ডাক্তারের প্রয়োজনই হয় না, এটাই মনে করেন মানুষজন। আর পেট ব্যথা মানেই তো গ্যাস্ট্রিক, এমনি ধারণা সবার। তাইতো ওষুধ চলে বিনা পরামর্শে দিনের পর দিন। এক্ষেত্রে সবাই ডাক্তার। 

কিন্তু কখনোও কি ভেবে দেখেছেন, এটা আপনার স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ক্ষতিকর?

ওমিপ্রাজল, প্যান্টোপ্রাজল, ইসোমিপ্রাজল, লানসোপ্রাজল, রেবিপ্রাজল এ জাতীয় বিভিন্ন ট্যাবলেট ও ক্যাপসুল তো রয়েছে, আবার কেউ কেউ সিরাপও পান করে থাকেন ।

সাময়িকভাবে এসব ওষুধ গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমাতে পারে এবং তাৎক্ষণিক কোন স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখা যায় না বলে এ ওষুধের প্রচলন দিনে দিনে বাড়ছে। কিন্তু পরবর্তীতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিলেও অনেকে বুঝতে পারেনা সমস্যার কারণ কি?

এবার আমরা জানবো, দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেলে কি কি পার্শ্ব- প্রতিক্রিয়া হতে পারে-

কিডনিজনিত রোগ:

ইন্টারস্টিশিয়াল নেফ্রাইটিস হলো কিডনির এলাকার প্রদাহ। যা গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়ার ফলে হতে পারে। এটি রেনাল ইন্টারস্টিটিয়াম বা নেফ্রাইটিস নামেও পরিচিত। গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ ১৮ মাসের বেশি যদি গ্রহণ করা হয় তবে এর সম্ভবনা থেকে যায়। যার ফলস্বরূপ, ক্ষুধামন্দা, জ্বর, বমি ও প্রস্রাবের সঙ্গে রক্তক্ষরণ এ ধরনের ঝুঁকি রয়ে যায়।

হাড় ক্ষয়:

গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খাওয়ার শুরুতে অ্যাসিড কমতে থাকলেও পরবর্তীতে অন্ত্রে ক্যালসিয়াম শোষণ ব্যাহত হতে থাকে। এক গবেষণায় পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, যদি দুই সপ্তাহ বা ১৪ দিন টানা গ্যাস্ট্রিকের ক্যাপসুল খাওয়া হয়, তখন অন্ত্রে ক্যালসিয়াম ৪১ শতাংশ পর্যন্ত শোষণ কমে যায়। ফলে হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার পাশাপাশি একসময় হাড় ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনাও দেখা দিতে পারে। অবশ্যই এসময় পরামর্শ অনুযায়ী ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট বা ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার গ্রহণ করতে হবে। 

নিউমোনিয়া: 

দীর্ঘদিন গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবনের ফলে পাকস্থলীর অম্লীয় পরিবেশে বেশ পরিবর্তন আসে। এতে হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি নামক পাকস্থলীতে থাকা ব্যাকটেরিয়ার বংশবিস্তার অনেকটা বেড়ে যায়। কেননা,এসময়  এই ব্যাকটেরিয়ার জন্য বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়। এটি এক সময় পাকস্থলী থেকে ফুসফুসে পর্যন্ত বিস্তার লাভ করতে পারে। ফলে নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বাড়ে থাকে।

কোষ স্ফীত:

দীর্ঘদিন ধরে এ ওষুধ গ্রহণে গ্যাস্ট্রিন নামক একটি উৎসেচকের বা জৈব অনুঘটকের পরিমাণ বাড়তে থাকে। যদি এসময় ওষুধ খাওয়া বন্ধ করেন, তখন কিন্তু আবার অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। এই গ্যাস্ট্রিন নামক উৎসেচকের প্রভাবে একসময় কোষ স্ফীত হতে থাকে। ধীরে ধীরে সেটি ক্যানসারেও পরিণত হতে পারে। 

পেটের সমস্যা:

পেটের সমস্যা মানেই অনেকে ধরে নেন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা। তাই এ ধরনের  সমস্যায় অনেকে অ্যান্টাসিড-জাতীয় বড়ি বা সিরাপ খেয়ে থাকেন। এই অ্যান্টাসিডে থাকা বিভিন্ন উপাদান ভেদে তৈরি হতে পারে বিভিন্ন সমস্যা। তাছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্য অথবা ডায়রিয়া মত সমস্যাও হতে পারে।

মাংসে কামড়ানো:

এ ওষুধ গ্রহণে রক্তে ম্যাগনেশিয়ামের পরিমাণ দিনে দিনে কমতে শুরু করে। ম্যাগনেশিয়ামের অভাবে আমাদের শরীরের মাংসে কামড়ানোর মত ব্যথা, দুর্বলতা, টাটানি, খিঁচুনি, রক্তচাপ বৃদ্ধির মতো ঘটনা ঘটে।

এছাড়াও আমাদের শরীরে ভিটামিন বি-১২-এ ঘাটতি দেখা দিতে পারে। যার ফলে রক্তশূন্যতা, স্নায়ুবৈকল্য মত সমস্যাও দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে বয়স্কদের জন্য এ সমস্যা আরও বেশি হতে পারে।

সতর্কতা:

চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ কখনো খাওয়া ঠিক না। চিকিৎসক অনেক সময় গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ দিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, চিকিৎসক কত দিনের জন্য দিয়েছেন। নির্দিষ্ট সময় পর ওষুধ গ্রহণ বন্ধ করাই ভাল।

করণীয়:

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা এড়াতে কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করা যেতে পারে- অতিরিক্ত তেল, মশলাজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা, ধূমপানের পরিহার করা, খাবার গ্রহণের সাথে সাথে না শোয়া।

এছাড়াও ইসবগুলের ভুসি, চিয়া সীড, তোকমা এ জাতীয় প্রাকৃতিক উপাদান গ্যাস্ট্রিকের ওষুধের বিকল্প হিসাবে গ্রহণ করা যেতে পারে। কেননা, এগুলো অ্যাসিডের সমস্যা নিরাময়ে সহায়তা করার পাশাপাশি আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী।

স্বল্পমূল্যে ভরসার Nokia C32, দূর্বলতা গতিতে

0
বাটন ফোন থেকে নকিয়ার উত্থান হলেও ধীরে ধীরে স্মার্টফোনে তাদের জায়গা করে নিচ্ছে। Nokia শুধুমাত্র নেটওয়ার্ক সরঞ্জাম তৈরির ক্ষেত্রেই না, মোবাইল হ্যান্ডসেট প্রযুক্তিতেও কম যায় না। সে কারণেই বাজারে টিকে থাকার জন্য স্বল্প মূল্যে ও সেরা কনফিগারেশনে ৫জি সেট আনছে নোকিয়া।
আজ জানবো নকিয়া Nokia C32  সম্পর্কে।

ডিজাইন ও ডিসপ্লে: 

ফোনটিতে ৬.৫৬ ইঞ্চির আইপিএস এলসিডি ক্যাপাসিটি টাচ স্ক্রিন ব্যবহার করা করেছে। যা ১৬ মিলিয়ন কালার ধারণ করতে সক্ষম এবং রেজুলেশন ৭২০ x ১৬১২ পিক্সেল। 

প্রসেসর: 

Nokia C32 ফোনে প্রসেসর হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে Unisoc SC9863A 28 NM আর্কিটেকচারের তৈরি। অক্টাকোর প্রসেসর (4×1.6 GHz Cortex-A55 & 4×1.2 GHz Cortex-A55) এবং জিপিইউ হিসাবে IMG8322 ব্যবহার করা হয়েছে। 

স্টোরেজ ও র‌্যাম:

৪ (চার) জিবি RAM ও ৬৪ জিবি ROM পাচ্ছেন ফোনটিতে। ৬৪ জিবি রমের/ ফোন মেমরির পাশাপাশি এক্সটার্নাল মেমোরিও ব্যবহার করতে পারবেন। 

ক্যামেরা: 

দুইটি ক্যামেরার কম্বিনেশনে ভালো ছবি তুলতে পারে Nokia C32  স্মার্টফোনটি দিয়ে। দুই মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ফিচার ফোনেই নোকিয়া ছিল অনন্য। সেই ধারাবাহিকতায় এখনকার স্মার্টফোনগুলোতে ক্যামেরার মান বেশ উন্নত হয়েছে।  এতে যুক্ত হয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের প্রধান ও ২ মেগাপিক্সেল Macro ক্যামেরা। সেলফি ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেল। ছবির গুণমান সাধারণত দিনের আলোতে ভালো হয়। পিছনের ক্যামেরা দিয়ে 1080pতে 30fps তে video করতে পারবেন।

ব্যাটারি: 

Nokia C32 ফোনটিতে ৫০০০ এমএএইচ এর লিথিয়াম পলিমারের ব্যাটারির জন্য দীর্ঘ সময় কাজ করতে পারবেন। এর পাশাপাশি চার্জার হিসেবে পাচ্ছেন ১০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জার। 

পারফরম্যান্স: 

Unisoc SC9863A এই প্রসেসরের কারণে ফোনটির পারফরম্যান্স মোটা মুটি। ফোনটি দিয়ে সাধারণ মানের গেম খেলতে পারবেন। ৫০০০ এমএএইচ লিথিয়াম পোলিমার ব্যাটারির ফলে ফোনটি দীর্ঘ সময় চালাতে পারবেন। 

স্পেসিফিকেশন:

মডেল Nokia C32 
উন্মোচিত২৫, ফেব্রুয়ারি ২০২৩ 
সর্বশেষ সংস্করণ৪, ফেব্রুয়ারি ২০২৪ 
নেটওয়ার্ক 2G, 3G, 4G 
প্রযুক্তিGSM / HSPA / LTE 
আকার১৬৪.৬ x ৭৫.৯ x ৮.৬ মি.মি (৬.৪৮ x ২.৯৯ x ০.৩৪ ইঞ্চি) 
প্রযুক্তিHSPA, LTE
সিমSingle SIM or Dual SIM (Nano-SIM, dual stand-by)  
ওজন১৯৯.৪ গ্রাম
ডিসপ্লেধরণ: আইপিএস এলসিডি Capacitive touchscreen, ১৬ মিলিয়ন কালার   মাপ: ৬.৫ ইঞ্চি, ১০২.০ সিএম২ (~87.0% screen-to-body ratio)  রেজুলেশন: ৭২০ x ১৬০০ পিক্সেল, ২০:৯ অনুপাত (~২৭০ ppi ঘনত্ব) 
অপারেটিং সিস্টেমঅপারেটিং সফটওয়্যার: Android 13 (Go edition)   চিপসেট: Unisoc SC9863A (28 mn) প্রসেসর: অক্টাকোর (4×1.6 GHz Cortex-A55 & 4×1.2 GHz Cortex-A55) জিপিইউ: IMG8322 
মেমরিকার্ড স্লট: microSDXC (dedicated slot) অভ্যন্তরীণ: ৬৪ জিবি 
সিকিউরিটি সিস্টেমFingerprint, Face Unlock 
র‌্যাম৪ (চার) জিবি 
রেডিওএফএম 
ক্যামেরা পিছনে: ৫০ মেগাপিক্সেল (wide), AF, ২ মেগাপিক্সেল (macro)  ফিচার: LED flash, HDR   ভিডিও: ১০৮০p@৩০fps সেলফি: ৮ মেগাপিক্সেল ভিডিও: হ্যাঁ
ব্যাটারি৫০০০ এমএএইচ, ফাস্ট চার্জিং ১০ ওয়াট, Non-removable Li-Po  
সাউন্ডলাউড স্পিকার, ৩.৫ মিমি জ্যাক
নির্মাণ Glass front, plastic back, plastic frame
অন্যান্যWi-Fi 802.11 b/g/n, Bluetooth 5.2, A2DP, GPS, USB Type-C 2.0 
সেন্সরFingerprint (rear-mounted), accelerometer, proximity 
মূল্য৳১৩,৪৯৯ 
প্রস্তুতকারকফিনল্যান্ড 
কালারCharcoal, Autumn Green, Beach Pink 

ভালো দিক: 

  1. এই বাজেটে দুর্দান্ত ৪ জি ফোন। 
  2. ৬.৫ ইঞ্চি আইপিএস এলসিডি স্ক্রিন। 
  3. শক্তিশালী 5000mAh ব্যাটারি। 

দুর্বল দিক:

  1. 5G নেটওয়ার্ক সাপোর্ট নেই
  2. রেজুলেশন কম অন্য ফোনের তুলনায় 
  3. Unisoc SC9863A চিপসেটের জন্য তুলনামূলক পারফরম্যান্স কম পাওয়া যায়

Camel: উটকে কেন জীবন্ত বিষধর সাপ খাওয়ানো হয়?

Camel বা উটকে জীবন্ত সাপ খাওযানো হয়! শুনে বেশ আশ্চর্য লাগছে তাই না! উট সাধারণত তৃণভোজী প্রাণী হলেও মরুভূমির রুক্ষ পরিবেশে বেঁচে থাকার জন্য ছোটখাটো বিভিন্ন প্রাণীদেরকেও খেয়ে থাকে।  কিন্তু তাই বলে জীবন্ত বিষধর সাপ?

সত্যিই তাই। আজ জানবো তারই বিস্তারিত।

উট সম্পর্কে একটু জেনে নেই

উটকে মরুর জাহাজ বলা হয়। বর্তমানে পুরো বিশ্বে উটের Mongolian camel বা Bactrian camel, Dromedary বা Arabian camel ও Wild Bactrian camel এই তিন প্রজাতি উট বিদ্যমান। Bactrian camel ও Dromedary গৃহপালিত। 

গৃহপালিত উটকে বিভিন্ন ধরনের ঘাস, খৈল, ভুসি, খড় ইত্যাদি খাওয়ানো হয়। উটের চর্মরোগ ও জ্বর হয়, কিন্তু এর প্রধান শত্রু কৃমি। ছয় মাস অন্তর অন্তর ভ্যাকসিন দিলে কৃমি দমন হয়। 

পূর্ণবয়স্ক একটি উটের ওজন ৪৫০ থেকে ৬৫০ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। উটের পায়ের উচ্চতা প্রায় দুই মিটারের মতো হয়। প্রতিটি পায়ের পাতায়  চর্বি ও নমনীয় ফাইবারের পুরু আস্তরণ থাকে, যা লোম দিয়ে ঢাকা থাকে। যা দেখতে অনেকটা জুতার সোলের মতো বলেই একে ‘সোল প্যাড’ও বলা হয়। এই কারণে প্রচণ্ড গরম বালির মধ্যে অনায়াসে হেঁটে যেতে পারে। এদের কান তুলনামূলক ছোট এবং মোটা লোম দিয়ে ঢাকা। এর পাশাপাশি উটের দৃষ্টিশক্তিও প্রখর। 

একটি মা-উট প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ লিটার দুধ দিয়ে থাকে। উট প্রথমবার একটি বাচ্চা দেয় কিন্তু দ্বিতীয়বার থেকে দুই থেকে তিনটি করে বাচ্চা দেয়। জীবদ্দশায় একাট উট ১৫ থেকে ২০টি বাচ্চা প্রসব করতে পারে। অনুকূল পরিবেশে ৫০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে মরুর জাহাজ। 

প্রতিকূল পরিবেশে অন্যান্য প্রাণীদেরকে প্রতিদিন কয়েক লিটার পানি খাওয়ানো হয়। অন্যদিকে এই প্রাণীটি মরুভূমিতে দিনের পর দিন পানি না খেয়ে কাটাতে পারে। উটের পা চিকন হওয়া সত্ত্বেও ভারি জিনিসপত্র বহন করতে পারে সহজে।

কখন উটকে সাপ খাওয়ানো হয়?

উটের এমন একটি বিরল প্রজাতির রোগ আছে, যে রোগটি হলে তাকে জীবন্ত বিষধর সাপ খাওয়াতে হয়। 

এই বিড়ল প্রজাতির রোগটির নাম হল ‘‘হায়াম’’। এর অর্থ হলো জীবন্ত বিষধর সাপ গিলে খাওয়া। আর এই বিরল প্রজাতির রোগটি হলে উট একদমই খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দেয় এবং উটটি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত সূর্যের দিকে তাকিয়ে থাকে। এই বিচিত্র ও রহস্যজনক রোগটি নিয়ে বিজ্ঞানীরা গবেষণা করেও এর কোন ব্যাখ্যা দিতে পারেনি। তবে প্রাচীনকাল থেকেই মানুষেরা উটের এ রোগটি হলে তাকে জীবন্ত বিষধর সাপ খাওয়ায়। 

এই রোগটি হলে উটকে ভয়ংকর পাইথন অথবা কিং কোবরা প্রজাতির সাপ খাওয়ানো হয়। কিছু কিছু ক্ষেত্রে উট নিজেই জীবন্ত সাপ খেয়ে থাকে। সাপটি গিলে ফেলার পর উটের তৃষ্ণা বাড়তে থাকে। এই অবস্থা সাত থেকে আট ঘণ্টা পর্যন্ত চলতে থাকে। বিষের কারণে উটের চোখ থেকে অঝোর ধারায় পানি পড়তে থাকে। বিভিন্ন চিকিৎসার ক্ষেত্রে এই পানি খুবই উপকারী। 

উটের এই চোখের পানি এতই মূল্যবান যে স্থানীয়রা এই পানি বিভিন্নভাবে সংরক্ষণ করে। প্রাচীনকালে বিভিন্ন পশুর চামড়া দিয়ে তৈরিকৃত ব্যাগের মধ্যে উটের চোখের পানি সংরক্ষণ করা হতো। এই পানি অন্য পানি থেকে একদমই আলাদা। 

এই পানিকে তিরয়াক বলে। এটিকে বিভিন্ন প্রাণীর বিষের প্রতিশোধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এটি স্থানীয় মানুষের কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এই তিরয়াক সাপ, বিচ্ছুর বিষ থেকে বাঁচতে প্রতিশোধক হিসেবে কাজ করে। 

বিজ্ঞান কী বলে

উটের এই চিকিৎসা পদ্ধতিটি বিজ্ঞানসম্মত নয়। চিকিৎসকেরা এই চিকিৎসা পদ্ধতিকে ভ্রান্ত ধারণা বলে মনে করেন। তারা বলেছেন যে, উটের পরিপাকতন্ত্র অন্য প্রাণী তুলনায় অত্যন্ত শক্তিশালী হয়। এর ফলে সাপের বিষ তাকে ঘায়েল করতে পারে না। আবার জীবন্ত সাপে গিলে ফেললে খুব সহজে তা হজমও হয় না। 

মরুভূমির মতো প্রতিকূল পরিবেশে জীবন ধারণ করতে উট হর-হামেশাই সাপের চেয়েও বেশি বিষধর প্রাণী বা পোকামাকড় খেয়ে ফেলে। এর তুলনায় সাপের বিষ অতি সামান্য ব্যাপার। 

বিজ্ঞানীরা মনে করেন, উটের সাপ খাওয়া বা খাওয়ানো বিশেষ কোনো বিষয় নয় এটি অত্যন্ত নগণ্য ব্যাপার। বৈজ্ঞানিকভাবে এর কোন ইতিবাচক দিক প্রমাণিত নয়। এটি একটি ভ্রান্তিক ধারণা ও কুসংস্কার মাত্র। 

আরো দেখুন
অদ্ভুত যত ওয়েবসাইট যেগুলো আপনাকে অবাক করবে

Camels eat live poisonous snakes

Bengal BG211: চার সিমের সবগুলোই চলবে একসাথে

ভাবতে পারেন, এক ফোনে চার সিম, অটোমেটিক কল রেকর্ড সুবিধা আবার সাথে সুপার পাওয়ার সেভিং অপশন?

সত্যিই তাই! এরকম একটি ফোন ফোন বাজারে নিয়ে এসেছে বেঙ্গল মোবাইল।

এইতো কয়েক বছর আগেও বেঙ্গলের ফোন সম্পর্কে আমরা কিছুই জানতাম না। তবে বাটন ফোনে বেশ নাম করেছে তারা। চার সিমের Bengal BG211 ফোনটি দিয়ে ক্রেতাদের মন জয় করে নিয়েছে। বিশেষ করে অনেক ব্যবসায়ী আছেন ব্যবসার প্রয়োজনে একাধিক মোবাইল ব্যবহার করতে হয়, তাদের জন্য উপযুক্ত। আবার অনেক ফ্রিল্যান্সার আছেন যাদের অনেকগুলো সিম নম্বরের প্রয়োজন হয় বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট পরিচালনার জন্য। আর সেকারণেই একাধিক ফোন ব্যবহারে সমস্যা দেবে মুক্তি দিতে ৪ সিমের এই ফোনটি হতে পারে দারুণ সলিউশন। 

চলুন তাহলে জানা যাক বেঙ্গল বিজি ২১১ ফোনটি সম্পর্কে-

ডিজাইন ও ডিসপ্লে: 

ফোনটির ডিসপ্লের মাপ ২.৪ ইঞ্চি। দেখতে সুন্দর, সকলের নজর কারবে। Bengal BG211 ফোনটির বডি উন্নত প্লাস্টিকের তৈরি।

সিম: 

একসাথে ৪ টি সিম ব্যবহার করতে পারবেন। তিনটি ন্যানো এবং একটি ফুল সাইজ সিম ব্যবহার করা যাবে। ৪টি সিম একসাথে সচল থাকার কারণে আর দুটি ফোন ব্যবহার করার প্রয়োজন হবে না।

মেমরি 

এই ফোনটিটে ৩২জিবি পর্যন্ত অতিরিক্ত মেমরি কার্ড ব্যবহার করা যাবে।

ক্যামেরা 

খুব সাধারণ মানের ভিজিএ ক্যামেরা। আধুনিক যুগে আসলে এই ক্যামেরা দিয়ে খুব ভালো ছবি তোল যায় না। তবে ক্যামেরা ব্যবহার করতে হলে মেমরি কার্ড সংযুক্ত করতে হবে।

ব্যাটারি:  

Bengal BG211 ফোনটি ১৭০০ এম এ এইচ ব্যাটারি থাকছে। এতে করে ফোনটি এক থেকে দুই দিন পর্যন্ত চালাতে পারবেন। 

নেটওয়ার্ক:

ফোনটি‌ ‌‍২জি নেটওয়ার্ক সাপোর্ট করে। 

কানেক্টিভিটি:

২জি নেটওয়ার্ক WAP সার্ভি স ব্সাযবহার করতে পারবেন। তবে এই 5G জামানায় তা ভীষণ বেমানান। ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে বারে বারে কমিউনিকেশন এরর দেখায়। তবে বিভিন্ন কাজের জন্য ব্লুটুথ কানেক্টিভিটি কিছুটা কাজে আসবে।

গেমস্‌:

গেমস হিসেবে থাকছে একমাত্র Bee War। তবে খেলতে গেলে একটু পর পর টাকা চাইবে।

অন্যান্য: 

বেঙ্গল ইজি ২১১ ফোনটিতে আরো আছে ইউএসবি, এফ এম রেডিও, ভয়েস রেকর্ডারসহ আরো কিছু আপডেটেড ফিচার। সাথে পাবেন ডেডিকেটেড নিউজ, ক্রিকেট আপডেটসহ বিভিন্ন টিপস্‌ এর শর্টকাট মেনু।

স্পেসিফিকেশন:

মডেলBengal BG211
মোবাইলের ধরন বাটন 
প্রযুক্তিজি এস এম
নেটওয়ার্ক ২ জি 
সিম৪ কোয়াড সিম, কোয়াড স্ট্যান্ডবাই 
ডিসপ্লে২.৪” 
সিপিইউMTK Chipset 
ব্লুটুথ হ্যাঁ 
ইউএসবি হ্যাঁ 
ব্যাটারি ১৭০০ এম এ এইচ 
ক্যামেরা Digital Camera with Flash 
ভিডিও QVGA 
এফএম হ্যাঁ (তার বিহীন)
মূল্য৳১,৫৯৯

সুবিধা: 

  • ৪টি সিক একসাথে চালু
  • বড় ব্যাটিরি
  • ওয়্যারলেস এফএম রেডিও
  • উজ্জ্বল টর্চ লাইট
  • বড় স্ক্রিন
  • সফট বাটন
  • জোড়ালো শব্দ
  • ব্লুটুথ কানেটিভিটি
  • ভয়েস রেকর্ডার

সিমাবদ্ধতা: 

  • স্পিকার কোয়ালিটি খুব বেশি উন্নত না

বর্তমান সময়ে আমরা সকলেই কমবেশি দুয়ের অধিক সিম ব্যবহার করি। এর কারণে আমাদেরকে একের অধিক মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে হয়। এই সমস্যার সমাধান দেবে বেঙ্গল বিজি-২১১ ফোনটি। তাই সিদ্ধান্ত নিন কি করবেন।

Elephant foot yam: নানি- দাদীদের মজাদার রেসিপি: ওল দিয়ে দেশি মুরগির ঝোল

দেশি মুরগী, এমন কেউ নেই যার পছন্দ না। আর তা যদি হয় ওল দিয়ে, তাহলে তো কথাই নেই। ওলের  নাম শুনে কি আপনার গলা ধরতে শুরু করেছে। চিন্তা নেই, আগেকার সেই বুনো ওল কিন্তু এখন আর পাওয়া যায় না। এখনকার হাইব্রিড ওল গুলোতে গলা ধরে না বা চুলকায় না। 

স্বাদে অতুলনীয় এই রান্না একটু আলাদা তবে খুবই সহজ। যে কখনও রান্নাই করেনি, সেও অনায়াসে করতে পারবে। আর নানি- দাদীদের রান্না মানেই তো অল্প মশলায় সুস্বাদু রান্না। অতিরিক্ত তেল মশলা আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাছাড়া ডায়াবেটিকস রোগীরা এই খাবার নিশ্চিন্তে খেতে পারবেন।

তাহলে জেনে নেয়া যাক, এই রান্নায় কি কি উপকরণ লাগছে-

উপকরণ:

  • ১. মুরগী – ১টি
  • ২. ওল কিউব করে কাটা- ১ কাপ
  • ৩. পেঁয়াজ কুচি- ১ কাপ 
  • ৪. তেল- ১/২ কাপ 
  • ৫. আদা বাটা-  ১ চা চামচ
  • ৬. রসুন বাটা-  ১ চা চামচ
  • ৭. শুকনো মরিচ ভিজানো বাটা- ২ চা চামচ
  • ৭. গোটা রসুন- ৩/৪টি
  • ৮. লবণ- স্বাদমতো
  • ৯. হলুদ- ১ চা চামচ
  • ১০. জিরা বাটা- ১ চা চামচ 
  • ১১, তেজপাতা- ২ টি
  • ১২. সাদা এলাচ- ৩টি
  • ১৩. কালো এলাচ- বড় সাইজের ১টি
  • ১৪. দারুচিনি- ২ টুকরো
  • ১৫. লবঙ্গ- ২/৩ টা
  • ১৬. গোটা জিরা- ১/২ চা চামচ
  • ১৭. ভাজা জিরা গুড়া- ১/২ চা চামচ

রন্ধন প্রণালি:

অনেকের ওল মুখে ধরে, এজন্য কেটে রাখা ওলগুলো প্রথমে সিদ্ধ করে পানি ঝরায় নিবো। তারপর মুরগী কেটে পরিষ্কার করে পানি ঝরায় তার উপর ১/২ কাপ পেঁয়াজ কুচি, আদা বাটা, রসুন বাটা, জিরা বাটা, মরিচ বাটা(পছন্দ মত বাড়ায় বা কমায় নিতে পারবেন),  গোটা রসুন, লবণ, হলুদ, তেজপাতা, দারুচিনি, লবঙ্গ এবং ১ টেবিল চামচের মত তেল দিয়ে হাত দিয়ে সুন্দরভাবে মাখাতে হবে। যেন মশলা মাংসের মাঝে ঢুকে যায়। তারপর পরিমাণ মত পানি দিয়ে চুলায় মাঝারি আঁচে মোটামুটি সিদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত রান্না করবো। 

এবার একটা কড়াইয়ে ২ টেবিল চামচের মত তেল দিয়ে ১/২ কাপ পেঁয়াজ কুচি বেরেস্তা করে উঠায় রাখবো। একই তেলে সিদ্ধ করে রাখা ওলগুলো হালকা লাল করে ভেজে নিবো। 

ঐ তেলেই গোটা জিরা দিয়ে একটু ভেজে নিয়ে রান্না করা মাংস এবং ভেজে রাখা ওল দিয়ে কষাতে হবে। এভাবে ৪/৫ মিনিট কসানোর পর পানি দিয়ে(যে যেমন ঝোল রাখবেন সেটা ভেবে পানি দিবেন) আবারও ৩/৪ মিনিট রান্না করে ভাজা জিরা গুড়া ও পেঁয়াজ বেরেস্তা দিয়ে নামায় পরিবেশন করুন।

পুষ্টিগুণ

ওল সারাবছর বাজারে পাওয়া গেলেও এটি কিন্তু শীতকালীন সবজি। এ সবজি আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এতে রয়েছে  ফাইবার, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন সি, ই,  এ এবং অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টের মতো স্বাস্থ্যকর উপাদান। 

এ সবজি  শরীরের প্রদাহজনিত নানা সমস্যায় সহায়তা করার পাশাপাশি ডায়াবিটিস, হৃদ্‌রোগ, স্থূলতার মতো সমস্যা নিয়ন্ত্রণেও বেশ কার্যকরী।

এছাড়াও মলাশয়ের ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। হজমশক্তি বাড়াতে আর গ্যাসের সমস্যা কমাতেও ওলের জুড়ি মেলা ভার।

অবিশ্বাস্য মূল্যে ১০৮ MP ক্যামেরা সহ ৮/১২৮ এর Symphony Innova 30

বাংলাদেশের বাজারে একসময় তুমুল জনপ্রিয় ছিল symphony এর হ্যান্ডসেটগুলো। স্বল্প বাজেটের মধ্যে সে সময় তাদের যে ডিভাইস গুলো পাওয়া যেত, সেগুলো ছিল অসাধারণ। 

symphony ফোনগুলো দীর্ঘ সময় ধরে চালানো সম্ভব হতো বলেই, গ্রাহকদের কাছে symphony বেশ জনপ্রিয় ছিল। 

তাহলে, চলুন symphony lenovo 30 সম্পর্কে জেনে নেই-

ডিজাইন ও ডিসপ্লে:

Symphony Innova 30 ফোনটিতে থাকছে, ৬.৫৬ ইঞ্চি  IPS Incell ডিসপ্লে। 90Hz রিফ্রেশ রেট পাচ্ছেন। এছারাও রেজুলেশন পাচ্ছেন, ৭২০ x ১৬১২ পিক্সেলের। 

প্রসেসর:

হ্যান্ডসেটটিতে প্রসেসর হিসেবে পাচ্ছেন Unisoc T616। অক্টাকোর ২.০ GHz এবং জি পি ইউ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে G57@750MHz। 

স্টোরেজ ও র‌্যাম:

Symphony Innova 30 ফোনটি দুটি ভিন্ন ভেরিয়েন্ট এ পাওয়া যাচ্ছে- ৬/ ১২৮ এবং ৮/ ১২৮। এর সাথে আরও সুবিধা থাকছে, ফোন মেমোরি ২৫৬ জিবির পাশাপাশি এক্সটার্নাল মেমোরি ব্যবহার করার। 

ক্যামেরা:

তিনটি ক্যামেরার কম্বিনেশনে ভালো ছবি তুলতে পারেন এই ফোনটি দিয়ে। ১০৮ মেগাপিক্সেলের (Aperture f/২.০) প্রধান ক্যামেরা তো থাকছেই, পাশাপাশি ২ মেগাপিক্সেল, ২ মেগাপিক্সেল এবং সহকারী ক্যামেরা পাচ্ছেন। এছাড়াও ৮ মেগাপিক্সেলের (Aperture f/২.০) সেলফি ক্যামেরা থাকছে। ছবির গুণগতমান সাধারণত দিনের আলোতেই ভালো হয়। পিছনের ক্যামেরার সাহায্যে 1080pতে 30fps, তে video করতে পারবেন। 

ব্যাটারি:

Symphony Innova 30 ফোনটিতে ব্যাটারি থাকছে, লিখিয়াম পলিমারের ৫০০০ এমএএইচ এর। এর পাশাপাশি পাচ্ছেন ১৮ ওয়াটের ফাস্ট চার্জার এবং ৪৫ মিনিটেই ৬০% চার্জ হবে।  

পারফরম্যান্স:

Unisoc T616 প্রসেসরের জন্য ফোনটির পারফরম্যান্স তুলনামূলক কম হবে। কিন্তু অন্যান্য দিক থেকে ফোনটির পারফরম্যান্স ভালো হবে যেমন ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারি, ১৮ ওয়াটের ফাস্ট চার্জিং, ১০৮ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা ৬/৮ জিবি র‌্যাম, ১২৮ জিবি স্টোরেজ এর পাশাপাশি ২৫৬ জিবি পর্যন্ত এক্সটার্নাল মেমোরি ব্যবহার করার সুবিধাতো থাকছেই।  

মডেল        Symphony Innova 30 
উন্মোচিত           ১৭ মার্চ ২০২৪ 
সর্বশেষ সংস্করণ        ১৮ মার্চ ২০২৪ 
নেটওয়ার্ক            2G, 3G, 4G,  
প্রযুক্তি            GSM / HSPA / LTE  
আকার               ১৬৪.২৭ x ৭৬. x ৮.৪৫  মি.মি 
গতি            HSPA+, LTE 
সিম                  Dual SIM (Nano-SIM, dual stand-by)   
ওজন১৯৩ গ্রাম 
ডিসপ্লেধরণ: IPS Incell, 90Hz, HD+ মাপ: ৬.৫৬ ইঞ্চি,(~90.7% screen-to-body ratio) রেজুলেশন: ৭২০ x ১৬১২ পিক্সেল, ২০.১৫:৯ অনুপাত (~২৬৯ ppi ঘনত্ব) 
অপারেটিং সিস্টেম         অপারেটিং সফটওয়্যার: Android 13  চিপসেট: Unisoc T616 প্রসেসর: অক্টাকোর ২.০ GHz  জিপিইউ: G57@750MHz   
মেমরিকার্ড স্লট: microSD, up to 256 GB অভ্যন্তরীণ: ১২৮ জিবি 
সিকিউরিটি সিস্টেম         Fingerprint, Face Unlock 
র‌্যাম৬/৮ জিবি 
রেডিওহ্যাঁ 
ক্যামেরা                পিছনে: ১০৮ মেগাপিক্সেল, (Aperture f/২.০), ২ মেগাপিক্সেল, ২ মেগাপিক্সেল ফিচার: এআই, ইউএইচডি, স্লো মোশন, পোর্ট্রেট মোড, জিও ট্যাগিং ওয়াটারমার্ক, নাইট মোড, ইনসাইট গুগল লেন্স, প্রো মোড, প্যানোরামা, ইন্টেলিজেন্ট স্ক্যানিং, ফেস বিউটি, টাইম ল্যাপস, এইচডিআর, ফ্ল্যাশ লাইট, অটো এইচডিআর, ফ্ল্যাশ লাইট, 10x জুম   ভিডিও: ১০৮০p@৩০fps,  সেলফি: ৮ মেগাপিক্সেল f/২.০, (wide)  ভিডিও: ১০৮০p@৩০fps ফিচার: Display flash, portrait 
ব্যাটারি                        ৫০০০ এমএএইচ, ফাস্ট চার্জিং ১৮ ওয়াট, ৬০% ৪৫ মিনিটেই, Non-removable Li-Po  
সাউন্ড                   লাউড স্পিকার: ‘‘হ্যাঁ’’  ৩.৫ মিমি জ্যাক ‘হ্যাঁ’ 
অন্যান্য                  স্ক্রিন রেকর্ডার, গেম বুস্টার, ডিজিটাল ওয়েলবিং এবং প্যারেন্টাল কন্ট্রোল মোড, বিরক্ত করবেন না মোড, ডার্ক থিম, স্প্লিট ভিউ, স্মার্ট ব্লিঙ্ক, ডাইনামিক আইল্যান্ড, ডুয়াল অ্যাপ, ভয়েস ওভার ওয়াই-ফাই (VoWiFi), তিন আঙ্গুলের স্ক্রিনশট এবং নয়েজ বাতিলকরণ, USB টাইপ-সি ২.০, ইউএসবি অন-দ্য-গো, ওয়াই-ফাই ৮০২.১১ বি/জি/এন, হটস্পট, ব্লুটুথ, জিপিএস
সেন্সর                Fingerprint (side mounted), Face unlock, Accelerometer, Light sensor, Proximity  
মূল্য                ৬ জিবি ১২৮ জিবি ৳১১,৬৯৯ / ৮ জিবি ১২৮ জিবি ৳১২,৬৯৯  
প্রস্তুতকারক             চীন
কালার                    Mirror White, Space Green and Reflective Green 

স্পেসিফিকেশন:

  1. IPS Incell ডিসপ্লে। 
  2. ১০৮ মেগাপিক্সেল প্রধান ক্যামেরা এবং ৮ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা। 
  3. ৬ জিবি / ৮ জিবি RAM এবং ১২৮ জিবি স্টোরেজ। 
  4. ৫০০০ এমএএইচ এর ব্যাটারির জন্য চার্জের কোন চিন্তা নেই। 
  5. ১৮ ওয়াট ফাস্ট চার্জারের জন্য ফোনটিতে চার্জ হতে সময় খুবই কম লাগবে। 

দুর্বল দিক:

  1. রেজুলেশন অন্য ফোনের তুলনায় কম। 
  2. ফোনটির প্রসেসর তুলনামূলক কম। 
  3. ৫-জি নেটওয়ার্ক সাপোর্টেড নয়। 

কিনতে এখানে ক্লিক করুন।

আরো দেখেুন

 

Basil Seed: চিয়া সীডের আশ্চার্যজনক কিছু গুণ

বর্তমান সময়ে মানুষ স্বাস্থ্য নিয়ে একটু সচেতন হয়েছে। কেননা, রোগব্যাধি যেন নিত্য সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই কি খেলে বা খাবারে কি কি উপাদান রাখলে শরীরে পুষ্টির চাহিদা পূরণ হবে, এটাই ভাবনা।

আর ভাবনাতেই খাবারে যুক্ত হয়েছে এক সুপারফুড চিয়া সিড। যারা স্বাস্থ্য সচেতন, তাদের খাবারের তালিকায় ‘চিয়া সিড’ এখন বেশ জনপ্রিয়।

চিয়া সীড কি

চিয়া সিড হলো মরুভূমিতে জন্মানো সালভিয়া নামক এক ধরনের উদ্ভিদের বীজ। তবে এটি ভোজ্য বীজ হিসাবেই পরিচিত। যা পুদিনা পরিবারের ( লামিয়াসেই ) মধ্য ও দক্ষিণ মেক্সিকো সালভিয়া কলম্বিয়ারিয়া ফুলের একটি উদ্ভিদ। মধ্য আমেরিকার অনেক অংশেও এটি পাওয়া যায়। 

চিয়া বীজ দেখতে ছোট চ্যাপ্টা ডিম্বাকৃতির হয়ে থাকে। অনেকটা তিলের দানার মতো। এর গড় ওজন ১.৩ মিগ্রাম। এগুলি বিভিন্ন বর্ণের হয়ে থাকে। যেমন-  বাদামি, ধূসর, কালো এবং সাদা।

বীজগুলি হাইড্রোফিলিক অর্থাৎ পানি কর্তৃক আকর্ষী হয়। বীজগুলোকে যদি ভেজানো হয়, তাহলে এগুলি তার ওজনের ১২ গুণ পর্যন্ত তরল শোষণ করে থাকে।  আর এগুলো অনেকটা জেলের মত হয়।

চিয়া বেশিই ভাগ ক্ষেত্রে সালভিয়া হিস্পানিকা নামে পরিচিত হলেও, চিয়াকে উল্লেখ করা হয় গোল্ডেন চিয়া বা সালভিয়া কলম্বিয়ারিয়া নামে। আর খাবারের জন্য ব্যবহৃত হয় এই সালভিয়া কলম্বারিয়ার বীজগুলি ।

প্রাক-কলম্বিয়ার যুগে এ ফসলের ব্যাপক চাষ হত অ্যাজটেকদের মাধ্যমে। আর মেসোয়ামেরিকান সংস্কৃতিগুলির প্রধান খাদ্য ছিল এ বীজগুলি। চিয়া বীজ বাণিজ্যিকভাবে মধ্য এবং দক্ষিণ আমেরিকা জুড়ে চাষ করা হয়।

বাণিজ্যিকভাবে একবিংশ শতাব্দীতে চিয়া মেক্সিকো এবং গুয়াতেমালার পাশাপাশি বলিভিয়া, আর্জেন্টিনা, ইকুয়েডর, নিকারাগুয়া এবং অস্ট্রেলিয়ায় উৎপাদিত হয় এবং খাওয়াও শুরু হয়।

পেটের ক্ষুধা মেটানোর পাশাপাশি রূপচর্চায়ও  চিয়া সিড ব্যবহার করা হতো। 

পুষ্টিগুণ 

পুষ্টিকর খাবার হিসাবে চিয়া সিডের তুলনা হয় না। প্রাচীন অ্যাজটেক জাতির কাছে এর মূল্য সোনার চেয়েও বেশি ছিল।

আমরা জানি, বীজ জাতীয় যেকোনো খাবারই আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারী। শুকনো চিয়া বীজে থাকে জল ৬%, কার্বোহাইড্রেট ৪২%, প্রোটিন  ১৬% এবং ফ্যাট ৩১%। এছাড়াও চিয়া সিডে আছে প্রচুর ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, কেম্পফেরল, কোয়েরসেটিন, পটাশিয়াম, ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড ও ক্যাফিক অ্যাসিড নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ।

খাবার  হিসাবে চিয়া সীডের ব্যবহার

১. চিয়া বীজ প্রধানত তেলের ফ্যাটি অ্যাসিড। চর্বি হিসাবে লিনোলিক অ্যাসিড মোট ফ্যাটের ১৭-২৬% এবং লিনোলেনিক অ্যাসিড ৫০-৫৭% অসম্পৃক্ত অবস্থায় থাকে। উদ্ভিদ উৎস হিসাবে চিয়া বীজ ওমেগা 3 ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার হিসাবে কাজ করে। 

২. চিয়া বীজের নিজস্ব কোন স্বাদ না থাকায় সরাসরি ভিজিয়ে খাওয়া ছাড়াও  অন্যান্য খাবারের সাথে যুক্ত করা যেতে পারে। যেমন-  নাস্তা সিরিয়াল, এনার্জি বার, গ্রানোলা বার, দই, টর্টিলাস এবং রুটিতে রাখা যায়।

৩. এগুলি জেলটিন- জাতীয় পদার্থ তৈরি ব্যবহার করা যেতে পারে।আবার কাঁচাও খাওয়া যেতে পারে। পুষ্টি সরবরাহে গ্রাউন্ড বীজের জেল ব্যবহার করা যেত পারে। 

৪. ওটস, পুডিং, জুস, স্মুথি ইত্যাদির সঙ্গে মিশিয়েও খাওয়া যায়। এ ছাড়া বিভিন্ন খাবারের ওপরে ছড়িয়েও খাওয়া যায়। যেমন- টকদই, সিরিয়াল, রান্না করা সবজি বা সালাদে।

৫.  টক দই, চিয়া সিড ও শসা দিয়ে স্মুথি বানিয়ে এ  সুপারফুডটি বিকেলের নাশতা হিসেবেও খাওয়া যেতে পারে ।

৬.এছাড়াও কেকজাতীয় খাবারে ডিমের পরিমাণ কমায় এবং নিরামিষ বেকিংয়ের একটি বিকল্পও বলা যায়।

উপকারিতা

১. চিয়া সিডে থাকা ওমেগা-৩ হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে এবং ক্ষতিকর কোলেস্টেরল দূর করতে কাজ করে। এতে স্যালমন মাছের চেয়ে ৮ গুণ বেশি ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে বলে বিশেষজ্ঞদের দাবি। 

২. এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রয়োজন। যা চিয়া সিডে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে।

৩. ওজন কমাতে মেটাবলিক সিস্টেম সহায়তা করে। চিয়া সিড মেটাবলিক সিস্টেমকে উন্নত করতে সাহায্য করে।

৪. এটি ডায়বেটিসের ঝুঁকি কমায়। কারণ এটি রক্তে চিনির প্রবাহকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

৫. এতে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম থাকায় হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় দারুণ কাজ করে। এতে দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম পাওয়া যায় বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

৬. কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে চিয়া সিড বেশ কার্যকরী। কেননা, চিয়া সিড কোলন পরিষ্কার রাখতে কাজ করে থাকে। 

৭. তাছাড়া চিয়া সিড শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে আনতে কাজ করে। আর গ্যাসের সমস্যা কমানোর  পাশাপাশি ভালো ঘুম হতে সাহায্য করে। এবং ত্বক, চুল ও নখ সুন্দর রাখতে এটি  বেশ কার্যকরী।

খাওয়ার নিয়ম

১. শরীরের শক্তি এবং কর্মক্ষমতা বাড়াতে দিনে দুই চা চামচ চিয়া সিড খাওয়া যেতে পারে। তবে খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে ভিজিয়ে রাখতে হবে।

২. বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালে ও রাতে ঘুমানোর আগে খালি পেটে ১ গ্লাস পানির মধ্যে ২ চা চামচ চিয়া সিড ও ২ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে খেলে দ্রুত ওজন কমতে সহায়তা করে।

৩. ২০ থেকে ৩০ মিনিট কুসুম গরম পানিতে চিয়া সিড ভিজিয়ে রাখুন। তারপর সকালে খালি পেটে অথবা রাতে ঘুমানোর আগে পান করুন।

এতোই যার পুষ্টিগুণ, তাহলে তো চোখ বন্ধ করে খাওয়া যেতেই পারে-এমনি হয়ত অনেকে ভাবছেন? আর মনে করছেন যত বেশি খাবো, ততই উপকার পাবো। এটা কিন্তু ঠিক না, প্রতিটা জিনিসের কিছু অপকারও রয়েছে।

তাহলে উপকারী এই খাবারটির কিছু পার্শ্ব- প্রতিক্রিয়া জেনে নেই-

১., অধিক পরিমাণে চিয়া সিড খেলে প্রোটেস্ট ক্যান্সার এবং স্তন ক্যান্সার বাড়তে পারে। 

২. বীজের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকায় এটি পরিমাণে বেশি খেলে পেটের সমস্যাও হতে পারে। 

৩. পরিমাণের মাত্রা বেড়ে গেলে ওজন অস্বাভাবিকভাবে কমে যেতে পারে।

৪. চিয়া সিড যেহেতু দেহের শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। সেহেতু পরিমাণে বেশি হলে রক্তচাপ বেশি কমে যেতে পারে।

৫. যাদের অ্যালার্জি জনিত সমস্যা আছে, তা বেড়ে যেতে পারে।

একটু সচেতন হয়ে সঠিক নিয়ম মেনে যদি চিয়া সিড খাওয়া যায়, তাহলে এর পার্শ্ব- প্রতিক্রিয়া এড়ানো সম্ভব।

কিনতে এখানে ক্লিক করুন।

আরো দেখেুন

Samsung Galaxy F15: কম দামে ব্র্যান্ডের 5G Phone 

Samsung কর্পোরেশন বিশ্বের এক নম্বর মোবাইল প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান। Samsung তাদের উচ্চ মানের ডিসপ্লের জন্য সুপরিচিত। নোকিয়ার মত Samsung এর ফোনগুলো দীর্ঘায়ুর জন্য ব্যবহারকারীদের কাছে সুপরিচিত। বর্তমানে বাংলাদেশে Samsung এর কম বাজেট থেকে উচ্চ বাজেট পর্যন্ত হ্যান্ডসেট পাওয়া যাচ্ছে। 

Samsung এর প্রতিটি ফোনের ডিসপ্লে উচ্চমান সম্পন্ন। প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই উচ্চমানের ডিসপ্লে উৎপাদনে মনোনিবেশ করে। নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মিত উচ্চমানের ডিসপ্লে samsung নিজে এবং অন্য প্রতিষ্ঠানের জন্য তৈরি করে। প্রতিষ্ঠানটি এই ডিসপ্লে নির্মাণ করতে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার গবেষণার পিছনে খরচ করেছে। 

চলুন তাহলে জেনে নেই Samsung Galaxy F15 এর ব্যাপারে

ডিজাইন ও ডিসপ্লে: 

Samsung Galaxy F15 ফোনটির ৬.৬ ইঞ্চি Super AMOLED ডিসপ্লে থাকছে। 90Hz রিফ্রেশ রেট পাচ্ছেন এবং ১০৮০×২৩৪০ পিক্সেলের রেজুলেশন সমৃদ্ধ ডিসপ্লে। 

প্রসেসর:  

হ্যান্ডসেটটিতে প্রসেসর হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে Mediatek Dimensity 6100+ যা 6 nm আর্কিটেকচারের তৈরি। অক্টাকোর (2×2.2 GHz Cortex-A76 & 6×2.0 GHz Cortex-A55) এবং জি পি ইউ হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে Mali-G57 MC2। 

স্টোরেজ ও র‌্যাম: 

স্যামসাং galaxy f15 ফোনটি দুটি ভিন্ন ভেরিয়েন্টে পাওয়া যাচ্ছে ৪/ ১২৮ এবং ৬/ ১২৮। ফোন মেমোরির পাশাপাশি এক্সটার্নাল মেমোরি ব্যবহার করার সুবিধে থাকছে। 

ক্যামেরা: 

Samsung Galaxy F15 এর তিনটি ক্যামেরার কম্বিনেশনে ভালো ছবি তুলতে পারে। এতে ৫০ মেগাপিক্সেলের (Aperture f/1.4) প্রধান ক্যামেরা থাকছে, এর পাশাপাশি ৫ মেগাপিক্সেল (Aperture f/2.2) ultrawide  এবং ২ মেগাপিক্সেল Macro ক্যামেরা পাচ্ছেন। সেলফি ক্যামেরা থাকছে ১৩ মেগাপিক্সেলের। ছবির গুণগতমান সাধারণত দিনের আলোতে ভালো হয়। পিছনের ক্যামেরার সাহায্যে 1080pতে 30fps, gyro-EIS তে video করতে পারবেন। 

ব্যাটারি:  

অন্য ফোনে তুলনায় ফোনটিতে ১০০০ এম এ এইচ ব্যাটারির ক্যাপাসিটি বেশি থাকছে। ফোনটিতে ৬০০০ এম এ এইচ লিখিয়াম পলিমারের ব্যাটারি থাকছে। চার্জার হিসেবে থাকছে ২৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জার। এতে করে স্বল্প সময়ে ফুল চার্জ করতে পারবেন। 

পারফরম্যান্স:  

ফোনটি পারফরমেন্সের দিক থেকে এই বাজেটের অন্য ফোনের চেয়ে বেশ কয়েক ধাপ এগিয়ে থাকবে Samsung Galaxy F15। কারণ ফোনটিতে Mediatek Dimensity 6100+ 6 nm প্রসেসর এবং অক্টাকোর (2×2.2 GHz Cortex-A76 & 6×2.0 GHz Cortex-A55) চিপসেটের কারণে ফোনটি দীর্ঘ সময় পর্যন্ত চালানো যাবে। এর পাশাপাশি ফোনটির হিটিং এবং ল্যাগিং ইস্যু হবে না। ফোনটিতে ৬০০০এমএএইচ এর লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি আছে। চার্জ নিয়ে কোন টেনশনই করতে হবে না। 

স্পেসিফিকেশন:

মডেল Samsung Galaxy F15 
উন্মোচিত০৪ মার্চ ২০২৪ 
সর্বশেষ সংস্করণ১১ মার্চ ২০২৪  
নেটওয়ার্ক 2G, 3G, 4G, 5G  
প্রযুক্তিGSM / HSPA / LTE / 5G 
আকার১৬০.১ x ৭৬.৮ x ৯.৩ মি.মি (৬.৩০ x ৩.০২ x ০.৩৭ ইঞ্চি) 
সিমHybrid Dual SIM (Nano-SIM, dual stand-by)  
ওজন২১৭ গ্রাম
ডিসপ্লেধরণ: Super AMOLED, 90Hz মাপ: ৬.৬ ইঞ্চি, ১০৬.৯ সিএম২ (~87.0% screen-to-body ratio) রেজুলেশন: ১০৮০ x ২৩৪০ পিক্সেল, ১৯.৫:৯ অনুপাত (~৩৯০ ppi ঘনত্ব) 
অপারেটিং সিস্টেমঅপারেটিং সফটওয়্যার: Android 14, One UI 6  চিপসেট: Mediatek Dimensity 6100+ (6 nm) প্রসেসর: অক্টাকোর (2×2.2 GHz Cortex-A76 & 6×2.0 GHz Cortex-A55) জিপিইউ: Mali-G57 MC2  
মেমরিকার্ড স্লট: microSDXC (uses shared SIM slot) অভ্যন্তরীণ: ১২৮ জিবি 
সিকিউরিটি সিস্টেমFingerprint, Face Unlock 
র‌্যাম৪/৬ জিবি 
রেডিওনা  
ক্যামেরা পিছনে: ৫০ মেগাপিক্সেল f/১.৪, (wide), AF, ৫ মেগাপিক্সেল, f/২.২, (ultrawide) ২ মেগাপিক্সেল, f/২.৪, (macro)  ফিচার: LED flash, panorama, HDR  ভিডিও: ১০৮০p@৩০fps, gyro-EIS সেলফি: ১৩ মেগাপিক্সেল f/২.০, (wide)  ভিডিও: ১০৮০p@৩০fps 
ব্যাটারি৬০০০ এমএএইচ, ফাস্ট চার্জিং ২৫ ওয়াট, Non-removable Li-Po  
সাউন্ডলাউড স্পিকার, ৩.৫ মিমি জ্যাক
নির্মাণ Glass front, plastic back, plastic frame 
অন্যান্যWi-Fi 802.11 a/b/g/n/ac, dual-band, Wi-Fi Direct, GPS, GALILEO, GLONASS, BDS, QZSS, 5.3, A2DP, LE, USB Type-C 2.0 
সেন্সরside-mounted Fingerprint, accelerometer, compass, gyro, Virtual proximity sensing 
মূল্য4/64 GB ৳৩১,২৯৯ (সম্ভাব্য) 
রংAsh Black, Groovy Violet, Jazzy Green 

ভালো দিক: 

  1. এই বাজেটে দুর্দান্ত ৫জি ফোন এটি। 
  2. সুপার AMOLED ডিসপ্লে। 
  3. ট্রিপল প্রাইমারি ক্যামেরা।
  4. বিশাল স্টোরেজ এবং RAM। ১২৮ জিবি স্টোরেজের কারণে ছবি, ভিডিও  ধারণ করতে কোন টেনশন থাকবে না।
  5. ৬০০০ এমএএইচ এর লিথিয়াম পলিমারের ব্যাটারি জন্য চার্জের চিন্তা নেই। 
  6. ২৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জারের জন্য ফোনটি চার্জ হতে সময় কম লাগবে।

দুর্বল দিক:

  1. এফএম রেডিও নাই। 
  2. এই বাজেটে এই রকম ফিচার ও কনফিগারেশনের ফোন অন্য কোন ব্র্যান্ড দিতে পারবেনা 

আমরা সকলেই কম-বেশি ফোন সম্পর্কে জানি। samsung galaxy F15 ফোনটি বর্তমান সময়ে সবচেয়ে আপডেট এবং ফোনটি তার ফিচারের দিক থেকে অন্য সকল ব্র্যান্ডের ফোনকে পিছনে ফেলে দিয়েছে।

আরো দেখুন
Nokia G310: স্বল্পমূল্যে কিনুন নোকিয়ার 5G ফোন