Sunday, September 20, 2026
spot_imgspot_img
Home Blog Page 8

Isabgol: ইসবগুলের ভুসি (Plantago ovata): কি এবং কেন খাবেন?

ইসবগুল বা Isabgol, স্বাস্থ্য সচেতনতায় একটি পরিচিত নাম। এর উপকারিতার কথা আমরা সকলেই জানি। খাবারটি যারা একবার খেয়েছেন, তারাই এর সম্পর্কে বিস্তর প্রশংসা করতেই পারবেন। 

ইসবগুলের ভুসি বলে যাকে জানি, সেটা কোন ফুল বা ফল নয়। এটি মূলত গুল্ম জাতীয় গাছের বীজের খোসা থেকে প্রস্তুতকৃত। যা সাধারণত বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় বীজ থেকে আলাদা করা হয়ে থাকে।

এর আদি আবাস ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে। তবে বর্তমানে স্পেন, উত্তর আফ্রিকা, চীন, পাকিস্তানের কিছু অঞ্চল, ভারত এবং বাংলাদেশেও চাষ হচ্ছে।

ইসবগুল এক ধরনের রবিশস্য। অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত যখন বৃষ্টি থাকে না, তখন এর চাষ হয়ে থাকে। অর্থাৎ যখন ১৫ থেকে ৩০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রা এই ফসল চাষের জন্য উপযুক্ত।

ইসবগুলের ভুসির গাছ

এর গাছগুলো দেড় থেকে দুই ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। আর ফলগুলো হয় দুই কোষবিশিষ্ট। যা সাধারণত সাত-আট মিলিমিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। এই ফলগুলোর ভেতরে তিন মিলিমিটারের মত লম্বা বীজ থাকে। বীজগুলো দেখতে অনেকটা নৌকার মতো আর খোসার মাধ্যে পিচ্ছিল মিউসিলেজ বা শ্লেষ্মা থাকে। 

দেশের বাহিরে একে Psyllium husk বলে থাকে। Psyllium husk শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ psylla থেকে। যার অর্থ এক ধরনের ডানাহীন ফ্লি—মাছি। ইসবগুলের বীজ দেখতে অনেকটা ফ্লি—মাছির মতো। যে কারণে ইংরেজিতে এটিকে Psyllium husk বলে। আবার একে blond plantain-ও বলেন অনেকে।

আর ইসবগুল শব্দটা এসেছে ফারসি শব্দ ‘ইসপা-গোল’ থেকে। যার অর্থ ‘ঘোড়ার কান’। খোসাগুলো আকারে এতোই ছোট যে কাছ থেকে বোঝা না গেলেও,যদি বড় করা যায়, তাহলে এগুলোকে দেখতে অনেকটা ঘোড়ার কানের মতো মনে হবে। উচ্চারণে এটি ‘ইসবগুল’ হলেও বানানে কিন্তু ‘ইসবগুল’।

বর্তমানে বিশ্বে যে কটি প্রজাতি বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়, সেগুলো হলো ফ্রান্সের কালো বীজ প্ল্যান্ট্যাগো ইন্ডিকা (Plantago indica), স্পেনীয় প্ল্যান্ট্যাগো সিলিয়াম (Plantago psyllium) ও ভারতীয় সাদাটে বীজ প্ল্যান্ট্যাগো ওভাটা (Plantago ovata)।

বীজ প্রক্রিয়ার পদ্ধতি

এক ধরনের সূক্ষ্ম ও জটিল কাজ হলো বীজ থেকে খোসা আলাদা করা । অতীতে জাঁতাকলে খোসা ছাড়ার কাজটি করা হতো।

তবে বর্তমানে আধুনিক যান্ত্রিক পদ্ধতি আবিষ্কৃত হয়েছে। যেমন-

  • ১. ফ্লুইড এনার্জি মিল
  • ২. বল মিল
  • ৩. ভাইব্রেটিং মিল 
  • ৪. পিন মিল।

১.  ফ্লুইড এনার্জি মিল

ফ্লুইড এনার্জি মিলের প্রকোষ্ঠে খুবই দ্রুত বেগে স্টিম বা বায়ু চালিত করা হয়। যার ফলে বীজে বীজে ঠোকাঠুকি লেগে আর বীজ থেকে খোসা আলাদা হয়ে যায়।

২. বল মিল 

বল মিলে বীজের সাথে পাথর বা ধাতব বল মিশিয়ে ঘোরানো হয়। যার ফলে বীজের সাথে পাথরের  ঠোকাঠুকি লেগে আর বীজ থেকে খোসা আলাদা হয়ে যায়।

৩. ভাইব্রেটিং মিল

ভাইব্রেটিং মিলে অতিরিক্ত কম্পন সৃষ্টি করা হয়। যার ফলে বীজে বীজে ঠোকাঠুকি লেগে আর বীজ থেকে খোসা আলাদা হয়ে যায়।

ইসবগুল বীজ

৪. পিন মিল

পিন মিল হলো এগুলোর মাঝে বহুল ব্যবহৃত হলো। এ মিলের দুটো চাকাতেই অজস্র পিন চক্রাকারে লাগানো থাকে। এ মিলের চাকাগুলো বিপরীত গতিতে ঘুরে ঘুরে কাজ করে। ঘোরার সময় দুই পাশের পিনে ইসবগুলের বীজগুলো ঠোকা খায় আর বীজ থেকে খোসা আলগা হয়ে যায়।

প্রতিটি মিলের কাজই হলো খোসা আলাদা করা। আর সব পদ্ধতিরই প্রধান লক্ষ্য হলো খোসা উৎপাদন করতে গিয়ে যেন বীজ ভেঙে না যায়।

শত চেষ্টার পরও মিলগুলোতে কিছু না কিছু বীজ ভেঙে যায়। যেগুলো আলাদা করা হয় চালুনি দিয়ে। এখানে খুব সাবধানে হালকা বাতাসে খোসাগুলোকেও ওড়ানো হয়। এটা অনেকটা কুলো দিয়ে ধান ওড়ানোর মত। অর্থাৎ যেভাবে কুলো দিয়ে ধান থেকে খড়কুটো ধুলাবালু আলাদা করা হয়। আর এভাবেই প্রতিটি মিলে কাজ চলে।

ইসবগুলের সম্বন্ধে তো অনেকটাই জানলাম এবার জানব এর উপকারিতা

উপকারিতা

কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণে  

কোষ্ঠকাঠিন্যে কমবেশি অনেক মানুষেই ভোগেন বা ভুগছেন। মানুষের বিভিন্ন কারণে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। যেমন- খাদ্যাভ্যাসের দরুন, ওষুধ খাওয়া, দীর্ঘ যাত্রায় বহুক্ষণ এক স্থানে অনড় বসে থাকা। এছাড়া গর্ভবতী মায়েদেরও এ সমস্যা দেখা দেয়। আর রমজানে খাবারের অনিয়ম বেশি হয়, যে কারণে সমস্যাও বেড়ে যেতে পারে। এসব ক্ষেত্রে ইসবগুলের ভুসি খাওয়া যেতে পারে। ইসবগুলের ভুসি পেটের বর্জ্য বের করে দিতে সাহায্য করে। যার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য কমে যায়। 

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে

বর্তমানে চিকিৎসকরা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূরে রাখে

আমাদের দেশে গ্যাস্ট্রিক যেন একটি সাধারণ সমস্যা। ভুসি রিফ্লাক্স রোগ বা খাদ্যনালির প্রদাহ কমাতে বেশ কার্যকারী। এ রোগের উপসর্গ হলো খাওয়ার পর পেট-বুক জ্বালাপোড়া করা ও পেটে গ্যাস হওয়া। 

এই ভুসি পাকস্থলীর গায়ে একটি অবারণ সৃষ্টি করে। যার ফলে এসিডের ক্ষতি হতে শরীরকে এবং পাকস্থলীর দেওয়ালকে বাঁচিয়ে রাখতে সহায়তা করে। 

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে 

ইসবগুলের ভুসি খাওয়ার ফলে শর্করা জাতীয় খাবার শরীরে কম শোষিত হয়। ফলে পরোক্ষভাবে হলেও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এটি সহায়তা করে থাকে।

আমাশয় প্রতিরোধে সহায়তা করে

রাতে ঘুমানোর আগে যাদের ভুসি খাওয়ার অভ্যাস আছে, তাদের আমাশয় হওয়ার সম্ভবনা কম। কেননা এটি পেট পরিষ্কারের কাজ করে থাকে।

ওষুধ খেলে আমাশায় ভাল হয় আর জীবাণুগুলো পেটের ভেতরে মরে যায়। তবে শরীর থেকে বের হয় না। এর ফলে আমাশায় রোগে আবারও আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা থেকে যায়। এক্ষেত্রে ইসবগুলের ভুসি আমাশয়ের জীবাণুকে বের করে দিতে সহায়তা করে।  ইসবগুল আবার আমাশয়ের জীবাণু ধ্বংস করতে পারে না। 

হার্ট সুস্থ রাখে

ইসবগুলের ভুসিতে ফাইবার  থাকায় তা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে কাজ করে। এর ফলে হৃদ্‌রোগ থেকে দূরে থাকা সহজ হয়। খাদ্য থেকে কোলেস্টেরল শোষণেও  এটি বাধা দেয়। তাই এটি নিয়মিত খেলে হার্ট থাকে সুস্থ।

হজমে সাহায্য করে

ফাইবার জাতীয় খাবার আমাদের খাবার হজমে ব্যাঘাত ঘটায়। এক্ষেত্রে ইসবগুল বেশ সহায়ক। কেননা, ফাইবার জাতীয় খাবার হজমে ইসবগুল ওষুধের থেকে বেশি কাজ করে।

এছাড়াও ডায়রিয়া, অর্শ, মূত্র প্রদাহ, রক্তে কোলেস্টেরল কমাতে, মূত্র স্বল্পতা, কোলন ক্যান্সার এবং দীর্ঘ মেয়াদে শ্বাসজাতীয় রোগেও অনেক উপকারী।

পুষ্টি উপাদান

ইসবগুলে অনেক পুষ্টি উপাদান রয়েছে। ১ টেবিল চামচ ইসবগুলে রয়েছে- ১৫ গ্রাম শর্করা, ৫৩ শতাংশ ক্যালোরি, ৩০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম, ১৫ মিলিগ্রাম সোডিয়াম ও  ০.৯ মিলিগ্রাম আয়রন। 

কীভাবে খাবেন

তাহলে জেনে নেয়া যাক, কোন রোগে কীভাবে খাবেন ইসবগুল-

  • ১. খাদ্যনালির প্রদাহে যারা ভুগছেন তারা যদি ১ গ্লাস ঠান্ডা পানির সঙ্গে ২ চা চামচ ইসবগুল ভিজিয়ে খান তাহলে ভাল উপকার পেতে পারেন।
  • ২. আমাশয়ে যদি রোগীরা সকালে ও রাতে একগ্লাস ইসবগুলের শরবত খায়, তবে উপকার পাওয়া যেতে পারে।
  • ৩. ডায়রিয়ায় যদি দইয়ের সঙ্গে সবগুলো খাওয়া যায়, তবে বেশ কাজে দেয়। কেননা, এটি প্রতিষেধক হিসেবেও কাজ করে।
  • ৪. যারা দীর্ঘদিন কোষ্ঠকঠিন্যতায় ভুগছেন তারা নিয়মিত ১ গ্লাস কুসুম গরম দুধের সাথে ২ চামচ ইসবগুল মিশিয়ে খাবেন ঘুমানোর আগে। আর এভাবে প্রায় ২ মাস খেলে উপকার পাবেন। তবে পেট যদি স্বাভাবিক হয় তাহলে সপ্তাহে ১-২ দিনের বেশি না খাওয়াই ভালো। 
  • ৫. কুসুম গরম পানিতে ২ চামচ ইসবগুলের ভুসি ও সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে যদি ভাত খাবার আগে খাওয়া যায়, তবে যারা ওজন কমাতে চান, তাদের বেশ উপকারে আসবে।

এছাড়াও অন্য ওষুধের সাথে পথ্য হিসেবেও ইসবগুল খাওয়া যেতে পারে। কেননা, এর কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই বলেই চলে।

পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া

যদিও এটি খুব প্রাকৃতিক একটি খাবার এবং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া খুবই কম তারপরেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে এর অতি ব্যবহার শরীরের জন্য হানিকারক হতে পারে।

১. যাদের অতিমাত্রায় কোষ্ঠকাঠিন্য রয়েছে তারা ২ মাসের মত খেলেই উপকার পাবেন। তবে এরপর নিয়মিত খাওয়া ঠিক হবে না। যদি খান, তবে ডায়ারিয়ার মত সমস্যায় ভুগতে পারেন।

ওষুধ আমাদের পেটকে কেমিক্যালাইস করে, কিন্তু ইসবগুলের ভুসি আমাদের প্রাকৃতিকভাবেই সুস্থ রাখে। 

কিনতে এখানে ক্লিক করুন।

ইসবগুলের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা, ইসবগুলের ভুসি কেন খাবেন, ইসুবগুলের ভুসি খাওয়ার উপকারিতা, ইসবগুলের ভুসির ৫ উপকারিতা, ইসুবগুলের ভুসি খেলে কী হয়?, উপকারী ইসবগুল, ইসবগুলের ভুসি কেন খাবেন

আরো দেখেুন

এলাচের যত গুণ, জানলে অবাক হবেন

Nokia G310: স্বল্পমূল্যে কিনুন নোকিয়ার 5G ফোন

0
নোকিয়া ফোন সম্পর্কে জানেনা এমন মানুষ নিহায়েত খুব কমই আছে। নোকিয়ার ফোনগুলো দীর্ঘায়ুর জন্য বেশ জনপ্রিয়, এর পাশাপাশি তাদের নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার জন্যও সুপরিচিত। একসময়ের তুমুল জনপ্রিয় এই হ্যান্ডসেট নির্মাতা আধুনিক প্রযুক্তির সাথে তাল মিলাতে না পারায় মার্কেট থেকে প্রায় হারিয়ে গিয়েছিল। তবে তারা ধীরে ধীরে আবার ফিরে আসতে শুরু করেছে এন্ড্রয়েডের হাত ধরে। 
নতুন ৫জি প্রযুক্তি নিয়েও নোকিয়া এগিয়েছে বেশ খানিকটা।  শুধুমাত্র নেটওয়ার্ক সরঞ্জাম তৈরির ক্ষেত্রেই না,  মোবাইল হ্যান্ডসেট প্রযুক্তিতেও কম যায় না।  সে কারণেই বাজারে টিকে থাকার জন্য স্বল্প মূল্যে ও সেরা কনফিগারেশনে ৫জি সেট আনছে নোকিয়া।
আজ আমরা নকিয়া G310 সম্পর্কে জানব। 

ডিজাইন ও ডিসপ্লে: 

ফোনটিতে ৬.৫৬ ইঞ্চির আইপিএস এলসিডি ক্যাপাসিটি টাচ স্ক্রিন ব্যবহার করা করেছে। যা ১৬ মিলিয়ন কালার ধারণ করতে সক্ষম এবং এর রেজুলেশন ৭২০ x ১৬১২ পিক্সেল। 

প্রসেসর: 

Nokia G310 ফোনটিতে প্রসেসর হিসেবে ব্যবহার করেছে Qualcomm SM4350-AC Snapdragon 480+ 5G যা 8 nm আর্কিটেকচারের তৈরি। অক্টাকোর (2×2.2 GHz Kryo 460 & 6×1.8 GHz Kryo 460) এবং জিপিইউ হিসাবে Adreno 619 ব্যবহার করা হয়েছে। 

স্টোরেজ ও র‌্যাম:

৪ (চার)  জিবি র‌্যাম ও ১২৮ জিবি রোম পাচ্ছেন ফোনটিতে। ১২৮ জিবি রমের/ ফোন মেমরির পাশাপাশি এক্সটার্নাল মেমোরিও ব্যবহার করতে পারবেন। 

ক্যামেরা: 

তিনটি ক্যামেরার কম্বিনেশনে ভালো ছবি তুলতে পারে Nokia G310 স্মার্টফোনটি দিয়ে। ফিচার ফোনের দুই মেগাপিক্সেল ক্যামেরা তেই নোকিয়া ছিল অনন্য। সেই ধারাবাহিকতায় এখনকার  স্মার্টফোনগুলোতে ক্যামেরার মান  বেশ উন্নত হয়েছে।  এতে যুক্ত হয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরা, ২ মেগাপিক্সেল, f/২.৪, macro এবং ২ মেগাপিক্সেল, f/২.৪, depth ক্যামেরা। সেলফি ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেল। ছবির গুণমান সাধারণত দিনের আলোতে ভালো হয়। পিছনের ক্যামেরা দিয়ে সর্বোচ্চ 1080pতে 30fps তে video করতে পারবেন।

ব্যাটারি: 

৫০০০ এমএএউচ এর লিথিয়াম পলিমারের ব্যাটারির কারণে দিনভর কাজ করতে পারবেন। চার্জার হিসেবে পাচ্ছেন ২০ watt এর ফাস্ট চার্জার। 

পারফরম্যান্স: 

Qualcomm SM4350-AC Snapdragon 480+ 5G 8 nm এর প্রসেসরের কারণে ফোনটির পারফরম্যান্স ভালো হবে। ফোনটি দিয়ে মোটামুটি মানের গেম খেলতে পারবেন। এর পাশাপাশি ৫০০০ এমএএইচ লিথিয়াম পোলিমার ব্যাটারির ফলে ফোনটি দীর্ঘ সময় চালাতে সাহায্য করবে।

স্পেসিফিকেশন:

মডেল Nokia G310 
উন্মোচিত১৬ আগস্ট, ২০২৩
সর্বশেষ সংস্করণ২৪ আগস্ট, ২০২৩
নেটওয়ার্ক 2G, 3G, 4G, 5G 
প্রযুক্তিGSM / HSPA / LTE / 5G
আকার১৬৫.১ x ৭৫.৭ x ৮.৬ মি.মি (৬.৫ x ২.৯৮ x ০.৩৪ ইঞ্চি)  
গতিHSPA 42.2/5.76 Mbps, LTE, 5G
সিমDual SIM (Nano-SIM, dual stand-by) 
ওজন১৯৫.১ গ্রাম (৬.৮৮ oz)
সুরক্ষাCorning Gorilla Glass 3
ডিসপ্লেধরণ: IPS LCD ক্যাপাসিটিভ টাচস্ক্রিন, ১৬ মিলিয়ন কালার মাপ: ৬.৫৬ ইঞ্চি, ১০৩.৪ সিএম২ (~82.7% screen-to-body ratio) রেজুলেশন: ৭২০ x ১৬১২ পিক্সেল, ২০:৯ অনুপাত (~২৬৯ ppi ঘনত্ব) 
অপারেটিং সিস্টেমঅপারেটিং সফটওয়্যার: Android 13 চিপসেট: Qualcomm SM4350-AC Snapdragon 480+ 5G (8 nm)প্রসেসর: অক্টাকোর (2×2.2 GHz Kryo 460 & 6×1.8 GHz Kryo 460)জিপিইউ: Adreno 619 
মেমরিকার্ড স্লট: microSDXC (dedicated slot)অভ্যন্তরীণ: ১২৮ জিবি 
সিকিউরিটি সিস্টেমFingerprint, Face Unlock 
র‌্যাম৪ (চার) জিবি
রেডিওনা  
ক্যামেরাপিছনে: ৫০ মেগাপিক্সেল, (wide), AF, ২ মেগাপিক্সেল, f/২.৪, (macro) ২ মেগাপিক্সেল, f/২.৪, (depth)ফিচার: LED flash, ভিডিও: ১০৮০p@৩০fpsসেলফি: ৮ মেগাপিক্সেল, (wide) ভিডিও: ১০৮০p@৩০fpsফিচার: HDR, panorama
ব্যাটারি৫০০০ এমএএইচ, ফাস্ট চার্জিং ২০ ওয়াট, PD, QC, Non-removable Li-Po 
সাউন্ডলাউড স্পিকার: ‘‘হ্যাঁ’’ ৩.৫ মিমি জ্যাক ‘হ্যাঁ’
নির্মাণ Dust and splash resistant, QuickFix user-reparable design
অন্যান্যWi-Fi 802.11 b/g/n/ac, GPS (L1+L5), Bluetooth 5.1, A2DP, LE, USB Type-C 2.০, OTG
সেন্সরFingerprint (side-mounted), accelerometer, proximity
মূল্য৳ ২২,০০০
প্রস্তুতকারক ফিনল্যান্ড 
কালারনীল 

ভালো দিক: 

  1. এই বাজেটে দুর্দান্ত ৫জি ফোন। 
  2.  ১২৮ জিবি স্টোরেজের কারণে ছবি, ভিডিও  ধারণ করতে কোন টেনশন থাকবে না।
  3. ৫০০০ এমএএইচ এর লিথিয়াম পলিমারের ব্যাটারি জন্য চার্জের চিন্তা নেই। 
  4. ২০ ওয়াট ফাস্ট চার্জারের জন্য ফোনটি চার্জ হতে সময় কম লাগবে।

দুর্বল দিক:

  1. এলসিডি টাচ প্যানেলের ফলে ডিসপ্লের পারফরম্যান্স কিছুটা কম হতে পারে।
  2. রেজুলেশন কম অন্য ফোনের তুলনায়।

মধ্যম বাজেটে স্টোরেজ ও ফাস্ট চর্জিংয়ে ভরপুর Itel P55+ তবে..

0

বর্তমানে বাংলাদেশের মোবাইল বাজারে আইটেল বহুল পরিচিত একটি মোবাইল ব্র্যান্ড। স্বল্প বাজেটে ভালো মানের ফোন নির্মাণ করে থাকে তারা। 

ডিজাইন ও ডিসপ্লে: 

প্রথম দর্শনেই Itel P55+ ফোনটির ডিজাইন আপনার নজর কারবে। Plastic body হলেও ফোনটিতে গ্লোসি ভাব রয়েছে। ডিসপ্লে IPS LCD capacitive touchscreen যা ১৬ মিলিয়ন কালার সাপোর্ট করে। রিফ্রেশ রেট 90Hz যার রেজুলিউশন ৭২০ x ১৬১২। 

প্রসেসর: 

হ্যান্ডসেটটিতে প্রসেসর হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে Unisoc T606 যা ১২ এনএম আর্কিটেকচারের তৈরি। অক্টাকোর (2×1.6 GHz Cortex-A75 & 6×1.6 GHz Cortex-A55) এবং জিপিইউ হিসাবে ব্যবহার করা হয়েছে Mali-G57 MP1।

স্টোরেজ ও র‌্যাম: 

Itel P55+ ফোনটি দুটি ভিন্ন ভেরিয়েন্টে পাওয়া যাচ্ছে। একটি হলো ৪ / ১২৮ এবং অন্যটি ৮ / ২৫৬ জিবি। আপনি চাইলেই ফোন স্টোরেজের পাশাপাশি এক্সটার্নাল মেমোরি ব্যবহার করতে পারবেন। 

ক্যামেরা: 

দুইটি ক্যামেরার কম্বিনেশনে মোটামুটি মানের ছবি তুলতে পারবেন Itel P55+ স্মার্টফোনটি দিয়ে। এর প্রধান ক্যামেরা ৫০ মেগাপিক্সেল এবং অক্সিলিয়ারী লেন্স ০.০৮ মেগাপিক্সেল। সেলফি ক্যামেরায় পাবেন ৮ মেগাপিক্সেল। ছবির গুণমান সাধারণত দিনের আলোতেই ভালো হয়। তবে রাতের বেলায় ছবিগুলো একটু গোলমেলে হতে পারে। ফোনটির সামন বা পিছনের ক্যামেরা দিয়েই video করতে পারবেন।

পারফরম্যান্স: 

Unisoc T606 প্রসেসটি সাধারণ কাজের জন্য উপযোগী হলেও হেভি কাজের ক্ষেত্রে পারফরম্যান্স কিছুটা কম পাওয়া যায়। ফোনটি দিয়ে ভারী কোন গেম খেলতে পারবে না। কিন্তু ১২৮ জিবি রম এবং ২৫৬ জিবি স্টোরেজ থাকার কারণে ফোন ছবি বা ভিডিও করতে চিন্তা নেই।

ব্যাটারি: 

5000 mAh এর লিথিয়াম পলিমারের ব্যাটারির কারণে দিনভর কাজ করতে পারবেন। চার্জার হিসেবে পাচ্ছেন ৪৫ watt এর ফাস্ট চার্জার। ৭০% চার্জ হতে সময় নিবে প্রায় ৩০ মিনিট। 

অন্যান্য ফিচার: 

ফোনটির অন্যান্য যে সকল ফিচার থাকছে তাহলো ওয়াই ফাই, জপিএস, ব্লুটুথ, ইউএসবি টাইপ- সি। সেন্সর হিসেবে থাকছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট,  unspecified sensors। 

স্পেসিফিকেশন: 

মডেল Itel P55+ 
উন্মোচিত২৬, জানুয়ারি ২০২৪ 
সর্বশেষ সংস্করণ১৩, ফেব্রুয়ারি ২০২৪
নেটওয়ার্ক 2G, 3G, 4G 
প্রযুক্তিGSM / HSPA / LTE
2জি ব্যান্ডজিএসএম ৮৫০ / ৯০০ / ১৮০০ / ১৯০০ – SIM 1 & SIM 2
3জি ব্যান্ডএইচএসডিপিএ ৮৫০ / ৯০০ / ১৯০০ / ২১০০ 
4জি ব্যান্ডLTE 
আকার8.0 mm thickness 
গতিHSPA+/LTE
সিমDual SIM (Nano-SIM, dual stand-by) 
ওজন১৮৭ গ্রাম (৬.৮৮ oz)
ডিসপ্লেধরণ: IPS LCD capacitive touchscreen, ১৬ মিলিয়ন কালার, 90Hz মাপ: ৬.৬ ইঞ্চি, ১০৪.৬ সিএম২ রেজুলেশন: ৭২০ x ১৬১২ পিক্সেল, ২০:৯ অনুপাত (~২৬৭ ppi ঘনত্ব) 
অপারেটিং সিস্টেমঅপারেটিং সফটওয়্যার: Android 13চিপসেট: Unisoc T606 (১২ এনএম)প্রসেসর: অক্টাকোর (2×1.6 GHz Cortex-A75 & 6×1.6 GHz Cortex-A55)জিপিইউ: Mali-G57 MP1
মেমরিকার্ড স্লট: microSDXC অভ্যন্তরীণ: ১২৮/২৫৬ জিবি 
সিকিউরিটি সিস্টেমFingerprint, Face Unlock 
র‌্যাম৪/৮ জিবি
রেডিওনা  
ক্যামেরাপিছনে: ৫০ মেগাপিক্সেল, ০.০৮ মেগাপিক্সেলফিচার: Dual-LED flash, panorama ভিডিও: হ্যাঁসেলফি: ৮ মেগাপিক্সেল ভিডিও: হ্যাঁফিচার: HDR
ব্যাটারি৫০০০ এমএএইচ, ফাস্ট চার্জিং ৪৫ ওয়াট, 70% in 30 min (advertised), Non-removable Li-Po 
সাউন্ডলাউড স্পিকার: ‘‘হ্যাঁ’’ ৩.৫ মিমি জ্যাক ‘হ্যাঁ’
নির্মাণ Glass front, plastic frame, plastic back
অন্যান্যWi-Fi, GPS, Bluetooth, USB Type-Cসেন্সর : Fingerprint (side-mounted); unspecified sensors    
মূল্য৳১৫,০০০
প্রস্তুতকারকচীন
কালারAstral Gold, Astral Purple, Astral Black

ভালো দিক: 

  1. এই বাজেটে দুর্দান্ত একটি ফোন। 
  2.  ১২৮ জিবি এবং ২৫৬ জিবি স্টোরেজের কারণে ছবি, ভিডিও করতে কোন টেনশন থাকবে না।
  3. ৫০০০ এমএএইচ এর লিথিয়াম পলিমারের ব্যাটারি থাকায় চার্জের চিন্তা নেই। 
  4. ৪৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জারের জন্য ফোনটি ৭০% চার্জ হতে সময় লাগবে ৩০ মিনিট।

দুর্বল দিক:

  1. প্রসেসর তুলনামূলক দূর্বল। ফলে ফোনের পারফরম্যান্স কিছুটা কম হতে পারে।
  2. ৫-জি নেটওয়ার্ক সাপোর্টেড নয়।
  3. রেজুলেশন কম অন্য ফোনের তুলনায়।

এই ফোনসহ অনলাইনে আপনার প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে ক্লিক করুন।

International ‍Stars Birthday: আন্তর্জাতিক তারকাদের জন্মদিন

বিনোদন, খেলা, সংগীত কিংবা ফ্যাশনের দুনিয়ায় আন্তর্জাতিক তারকাদের প্রভাব অনস্বীকার্য। বিশ্বের নানা প্রান্তের কোটি মানুষ তাঁদের কাজ, স্টাইল, জীবনধারা ও সাফল্যকে অনুসরণ করেন। এই জনপ্রিয় তারকাদের জন্মদিন মানেই ভক্তদের জন্য একটি বিশেষ দিন—যখন তাঁরা তাঁদের প্রিয় সেলিব্রিটিকে শুভেচ্ছা জানান, পুরনো কাজের স্মৃতি রোমন্থন করেন এবং ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানান। আজ আমরা জেনে নেব, আন্তর্জাতিক তারকাদের জন্মদিন।

জানুয়ারি (January)

১ জানুয়ারি: নানা পাটেকর,  বলিউডের খ্যাতনামা চলচ্চিত্রাভিনেতা 

৬ জানুয়ারি – Rowan Atkinson (রোয়ান অ্যাটকিনসন)
👉 ব্রিটিশ অভিনেতা ও কৌতুকশিল্পী, “Mr. Bean” চরিত্রের জন্য বিশ্ববিখ্যাত।

৭ জানুয়ারি – Nicolas Cage (নিকোলাস কেজ)
👉 হলিউড অভিনেতা ও অস্কারজয়ী চলচ্চিত্র তারকা।

০৮ জানুয়ারি: স্টিভেন উইলিয়াম হকিং (Stephen William Hawking), ইংরেজ তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী , গণিতবিদ, বিশ্বতাত্ত্বিক ও বিজ্ঞান-বিষয়ক জনপ্রিয় ধারার লেখক। ২০শ শতকের অন্যতম সেরা তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী

১০ জানুয়ারি: হৃত্বিক রোশন, ভারতীয় অভিনেতা
১২ জানুয়ারি: জেফ বেজোজ, প্রতিষ্ঠাতা অ্যামাজন
১৮ জানুয়ারি: মোহাম্মদ আলি, বক্সার

১০ জানুয়ারি – Jared Kushner (জ্যারেড কুশনার)

১২ জানুয়ারি – Jeff Bezos (জেফ বেজোস)

১৬ জানুয়ারি – Kate Moss (কেট মস)

১৯ জানুয়ারি – Dolly Parton (ডলি পার্টন)

২৫ জানুয়ারি – Alicia Keys (অ্যালিসিয়া কিজ)

ফেব্রুয়ারি

১ ফেব্রুয়ারি: জ্যাকি শ্রফ (জয়কিষাণ কাকুভাই) ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা

  • ২ ফেব্রুয়ারি – Shakira (শাকিরা)
  • ৬ ফেব্রুয়ারি – Bob Marley (বব মার্লে)

১১ ফেব্রুয়ারি – Shakira (শাকিরা)
👉 কলম্বিয়ান গায়িকা, নৃত্যশিল্পী ও আন্তর্জাতিক পপ তারকা।

২০ ফেব্রুয়ারি – Rihanna (রিহানা)
👉 বিশ্বখ্যাত গায়িকা, অভিনেত্রী ও ফ্যাশন উদ্যোক্তা।

  • ১৪ ফেব্রুয়ারি – Freddie Highmore (ফ্রেডি হাইমোর)
  • ১৫ ফেব্রুয়ারি – Gal Gadot (গাল গ্যাডট)
  • ২৬ ফেব্রুয়ারি – Johnny Cash (জনি ক্যাশ)

মার্চ

tiger shroff
  • ০১ মার্চ: জাস্টিন বিবার, কানাডিয় জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী,গীতিকার,সঙ্গীত প্রযোজক
  • ২ মার্চ: টাইগার শ্রফ, ভারতীয় অভিনেতা এবং মার্শাল আর্টিস্ট
  • ৭ মার্চ: অনুপম খের, ভারতীয় অভিনেতা 
  • ১৪ মার্চ: আমির খান (মোহাম্মদ আমির হোসেন খান) ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক, পরিচালক, চিত্রনাট্য লেখক এবং টেলিভিশন উপস্থাপক
  • ২৪ মার্চ: সৈয়দ ইমরান আনোয়ার হাশমী, ভারতীয় অভিনেতা
  • ২৮ মার্চ: অক্ষয় খান্না, ভারতের হিন্দি চলচ্চিত্র অভিনেতা
  • ২৯ মার্চ: উৎপল দত্ত, ভারতীয় অভিনেতা এবং নাট্যকার
  • ৫ মার্চ – Eva Mendes (ইভা মেন্ডেস)
  • ১০ মার্চ – Sharon Stone (শ্যারন স্টোন)
  • ২০ মার্চ – Spike Lee (স্পাইক লি)
  • ২২ মার্চ – Reese Witherspoon (রিজ উইদারস্পুন)
  • ২৬ মার্চ – Keira Knightley (কিরা নাইটলি)

এপ্রিল

১ এপ্রিল – Susan Boyle (সুসান বয়েল)
২ এপ্রিল: অজয় দেবগন (বিশাল বীরু দেবগন), হিন্দি চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রভাবশালী ও সফল অভিনয়শিল্পী
২ এপ্রিল: কপিল শর্মা, ভারতীয় কৌতুক অভিনেতা, উপস্থাপক, প্রযোজক, চলচ্চিত্র অভিনেতা, 
৭ এপ্রিল: রাসেল আইরা ক্রো (হলিউড অভিনেতা)

৭ এপ্রিল – Jackie Chan (জ্যাকি চ্যান)
৪ এপ্রিল: রবার্ট ডাউনি জুনিয়র
৯ এপ্রিল: জয়া বচ্চন (জয়া ভাদুড়ী), ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী

১০ এপ্রিল – Mandy Moore (ম্যান্ডি মুর)

১৮ এপ্রিল – Conan O’Brien (কোনান ও’ব্রায়েন)
১৯ এপ্রিল: আরশাদ ওয়ার্সী, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা
২৯ এপ্রিল – Uma Thurman (উমা থারম্যান)

মে

১৬ মে: পিয়ার্স ব্রসনান (Pierce Brosnan), আইরিশ চলচ্চিত্র অভিনেতা, নিমার্তা ও পরিবেশবাদী)

১৯ মে: নওয়াজুদ্দীন সিদ্দিকী, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা

৩০ মে: পরেশ রাবল, একজন হিন্দি চলচ্চিত্র অভিনেতা

১ মে – Tim McGraw (টিম ম্যাকগ্রো)

৭ মে – David Beckham (ডেভিড বেকহ্যাম)

১২ মে – Rami Malek (রামি মালেক)

২১ মে – Mr. T (মিস্টার টি)

২২ মে – Naomi Campbell (নাওমি ক্যাম্পবেল)

জুন

২ জুন – Justin Long (জাস্টিন লং)

৪ জুন: অ্যাঞ্জেলিনা জোলি (মার্কিন অভিনেত্রী)
৯ জুন: জনি ডেপ (মার্কিন অভিনেতা)
১৩ জুন: ক্রিস ইভান্স (মার্কিন অভিনেতা)
১৯ জুন: কাজল আগরওয়াল (Kajal Aggarwal), ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী
২১ জুন – Lana Del Rey (লানা ডেল রে)
২২ জুন: মেরিল স্ট্রিপ (মার্কিন অভিনেত্রী)
২৪ জুন: লিওনেল মেসি, ফুটবল তারকা
২৮ জুন: এলন মাস্ক (দক্ষিণ আফ্রিকান-আমেরিকান উদ্যোক্তা)
১১ জুন – Shia LaBeouf (শাইয়া লাবাফ)

জুলাই

৭ জুলাই: দিলীপ কুমার (মুহাম্মদ ইউসুফ খান), ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা

২৪ জুলাই: জেনিফার লোপেজ (আমেরিকান অভিনেত্রী, সংগীত শিল্পী)

৩০ জুলাই: ক্রিস্টোফার নোলান, ইংরেজ ও মার্কিন চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক এবং চিত্রনাট্যকার

৪ জুলাই – Post Malone (পোস্ট ম্যালোন)

৫ জুলাই – Megan Rapinoe (মেগান রাপিনো)

৯ জুলাই – Tom Hanks (টম হ্যাঙ্কস)

১৭ জুলাই – Donald Sutherland (ডোনাল্ড সাদারল্যান্ড)

২৩ জুলাই – Daniel Radcliffe (ড্যানিয়েল র‍্যাডক্লিফ)

আগস্ট

৪ আগস্ট: কিশোর কুমার, ভারতীয় গায়ক, গীতিকার, সুরকার, অভিনেতা, চলচ্চিত্র পরিচালক, চিত্রনাট্যকার এবং রেকর্ড প্রযোজক

১৪ আগস্ট: হ্যালি বেরি, মার্কিন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী

১ আগস্ট – Jason Momoa (জেসন মোমোয়া)

১০ আগস্ট – Kylie Jenner (কাইলি জেনার)

১৪ আগস্ট – Halle Berry (হ্যালি বেরি)

১৬ আগস্ট – Madonna (ম্যাডোনা)

২০ আগস্ট – Demi Lovato (ডেমি লোভাটো)

সেপ্টেম্বর

৪ সেপ্টেম্বর: বেয়ন্সে (মার্কিন গায়িকা)
৯ সেপ্টেম্বর: অক্ষয় কুমার, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক ও টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব
৯ সেপ্টেম্বর – Hugh Grant (হিউ গ্রান্ট)

১২ সেপ্টেম্বর – Paul Walker (পল ওয়াকার)

১৫ সেপ্টেম্বর: প্রিন্স হ্যারি (ব্রিটিশ রাজপুত্র)

১৬ সেপ্টেম্বর – Nick Jonas (নিক জোনাস)

২১ সেপ্টেম্বর: বিল মারে (মার্কিন অভিনেতা)

২২ সেপ্টেম্বর – Tom Felton (টম ফেলটন)

২৭ সেপ্টেম্বর: গুইনেথ প্যালট্রো (মার্কিন অভিনেত্রী)

২৮ সেপ্টেম্বর – Hilary Duff (হিলারি ডাফ)

অক্টোবর

১৫ অক্টোবর: কেটি পেরি (আমেরিকান সঙ্গীত-শিল্পী গীতিকার)

১৮ অক্টোবর: ওম রাজেশ পুরি, ভারতীয় অভিনেতা

৫ অক্টোবর – Kate Winslet (কেট উইন্সলেট)

৯ অক্টোবর: কেট এলিজাবেথ উইন্সলেট, ইংরেজ অভিনেত্রী এবং অনিয়মিত গায়িকা

১০ অক্টোবর – Mario Lopez (মারিও লোপেজ)

১১ অক্টোবর: অমিতাভ বচ্চন (ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক, টেলিভিশন উপস্থাপক)

১৮ অক্টোবর – Zac Efron (জ্যাক এফরন)

২৮ অক্টোবর – Julia Roberts (জুলিয়া রবার্টস)

৩১ অক্টোবর – Willow Smith (উইলো স্মিথ)

নভেম্বর

১ নভেম্বর: ঐশ্বর্যা রাই বা ঐশ্বরিয়া রাই, ভারতীয় অভিনেত্রী এবং প্রাক্তন মিস ওয়ার্ল্ড

২ নভেম্বর: শাহরুখ খান, ভারতীয় অভিনেতা, প্রযোজক এবং টেলিভিশন উপস্থাপক

৪ নভেম্বর – Matthew McConaughey (ম্যাথিউ ম্যাককনাহি)

৭ নভেম্বর:

  • কমল হাসান, ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা, পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, রাজনীতিবিদ
  • আনুশকা শেঠি (সাউথ ইন্ডিয়ান তারকা)
  • ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত (টলিউড তারকা)
  • রাইমা সেন (টলিউড তারকা)
  • ১১ নভেম্বর – Leonardo DiCaprio (লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও)
  • ১৯ নভেম্বর – Jodie Foster (জোডি ফস্টার)
  • ২২ নভেম্বর – Scarlett Johansson (স্কারলেট জোহানসন)
  • ২৮ নভেম্বর – Jon Stewart (জন স্টুয়ার্ট)

ডিসেম্বর

৪ ডিসেম্বর – Jay-Z (জে-জি)

৮ ডিসেম্বর – Nicki Minaj (নিকি মিনাজ)

১৭ ডিসেম্বর – Pope Francis (পোপ ফ্রান্সিস)

২১ ডিসেম্বর – Samuel L. Jackson (স্যামুয়েল এল. জ্যাকসন)

২৬ ডিসেম্বর – Kit Harington (কিট হ্যারিংটন)

৪ ডিসেম্বর – Jay-Z (জে-জি)

৮ ডিসেম্বর – Nicki Minaj (নিকি মিনাজ)

১২ ডিসেম্বর: রজনীকান্ত (শিবাজী রাও গায়কোয়াড়), ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব এবং সাংস্কৃতিক প্রতীক

১৩ ডিসেম্বর: টেইলর অ্যালিসন সুইফট

১৭ ডিসেম্বর – Pope Francis (পোপ ফ্রান্সিস)

২১ ডিসেম্বর – Samuel L. Jackson (স্যামুয়েল এল. জ্যাকসন)

২৪ ডিসেম্বর: অনিল কাপুর, ভারতীয় ও হলিউড অভিনেতা এবং চলচ্চিত্র প্রযোজক

২৭ ডিসেম্বর: সালমান খান (আব্দুর রশিদ সেলিম সালমান খান), ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক এবং টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব

২৬ ডিসেম্বর – Kit Harington (কিট হ্যারিংটন)

আন্তর্জাতিক তারকাদের জন্মদিন শুধু তাঁদের পরিবারের জন্য নয়, বরং ভক্তদের কাছেও একটি আবেগের দিন। এই তারকারা তাঁদের কাজের মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। জন্মদিনের এই বিশেষ দিনে আমরা তাঁদের অভিনন্দন জানাই এবং আশা করি, ভবিষ্যতেও তাঁরা আমাদের অনুপ্রেরণা ও আনন্দ দিয়ে যাবেন।

চলবে…

Cashew Nut Salad: চীন-আমেরিকার ক্যাশুনাট সালাদ বাংলার খাবার টেবিলে

Cashew Nut Salad একটি চাইনিজ-আমেরিকান খাবার। কাজু মুরগির ঐতিহ্যগত খাবারটি একটু কড়া করে ভাজা হয়। রসুন, চিকেন স্টক, সয়া সস, অয়েস্টার সস মিলিয়ে একটি ঘন সস তৈরি হয়। যা মুরগির কোমল মাংস আর কাজু ,সবজির সঙ্গে মিশানো হয়।

ক্যাশুনাট সালাদের ইতিহাস:

এই খাবারটি মিসৌরি শহরের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। ডেভিড লিওং নামের একজন শেফ তার খাবারের মান বাড়ানোর জন্য সংগ্রাম করছিলেন। এজন্য তিনি ভিন্ন স্বাদের খাবারের সন্ধানে 1940 সালে চীন থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আসেন। 1963 সালে স্প্রিংফিল্ডের গ্রোভ সাপার ক্লাবে কাজু মুরগির খাবারটি প্রথম পরিবেশন করেছিলেন। তার এই রেসিপিটি এত জনপ্রিয় ছিল যে স্প্রিংফিল্ডে লিওং-এর একটি হাউস খোলেন। শুধু তাই নয় স্প্রিংফিল্ড খাবারকে কেন্দ্র করে একটি বার্ষিক উৎসবের আয়োজনও করেন। পরবর্তীতে এটিকে বেসরকারী “শহরের খাবার” হিসাবে উল্লেখ করা হয়।

পরে এ খাবারে সবুজ পেঁয়াজও অন্তর্ভুক্ত করেন। লিওং-এর হাউসটি 1997 সালে বন্ধ হলেও বর্তমানে 70 টিরও বেশি চাইনিজ রেস্তোরাঁয়, সেইসাথে স্প্রিংফিল্ড মেট্রোপলিটান এলাকায় এবং এর আশেপাশে এবং মিসৌরি এবং অন্যান্য রাজ্যের অন্যান্য স্থানে অনেক অ-চীনা রেস্তোরাঁয় ক্যাশুনাট সালাদের পরিবেশন করা হচ্ছে। তবে দেশবেদে এর বেশ খানিকটা পরিবর্তন ও পরিমার্জন হয়েছে। 

ঘরেই তৈরি করুন ক্যাশুনাট সালাদ 

কাজু বাদাম কার না ভালো লাগে। আর যদি কাজু বাদাম দিয়ে সালাদ তৈরি করা হয় তাহলে তো কথাই নেই। খুবই সুস্বাদ আর পুষ্টিকর এই সালাদ তৈরি করা খুবই সহজ। ঘরে থাকা উপকরণ দিয়েই বনিয়ে ফেলতে পারেন ক্যাশুনাট সালাদ। 

কাজু বাদামের দাম একটু বেশি, সে কারণে সালাদে একটু কম ব্যবহার করে অন্যান্য উপকরণের সংমিশ্রণে হতে পারে অনন্য। এ সালাদ তৈরিতে যেসব উপাদান লাগে তা আমাদের হাতের কাছে খুব সহজেই পাওয়া যায়। চাইলে আপনার মত কিছু উপকরণ যোগ করলেও খেতে হবে দারুন। তাই রেস্টুরেন্টে সবসময় স্বাদ না নিয়ে ঘরেই তৈরি করুন ক্যাশুনাট সালাদ।

তাহলে এবার দেখে নেই এই সালাদ তৈরিতে কি কি লাগছে –

উপকরণ:

  • ১.ক্যাশুনাট- এক কাপ 
  • ২.সবুজ ক্যাপসিকাম – মাঝারি সাইজের ১টি
  • ৩.লাল ক্যাপসিকাম – মাঝারি সাইজের ১টি 
  • ৪.টমেটো – বড় সাইজের ১টি 
  • ৫.গাজর – বড় সাইজের ১টি
  • ৬.শসা – মাঝারি সাইজের ১টি 
  • ৭.মুরগির বুকের মাংস-  ১ কাপ  
  • ৮.ডিম- ১টি 
  • ৯.কাঁচা মরিচ কুচি – ১ চা চামচ 
  • ১০.মরিচের গুঁড়া – ১ চা চামচ
  • ১১.সয়া সস – ২ চা চামচ
  • ১২.আদা ও রসুন বাটা- ১/২ চা চামচ 
  • ১৩.লেবুর রস- ১/২ চা চামচ
  • ১৪.কর্নফ্লাওয়ার- ৩ টেবিল চামচ 
  • ১৫.টমেটো সস- ৩ টেবিল চামচ 
  • ১৬.চিলি সস- ৩ টেবিল চামচ 

রন্ধন প্রণালী 

প্রথমে মাংসগুলো একটু লম্বা করে কেটে পরিষ্কার করে পানি ঝরায় নেব। তারপর মাংসগুলোর উপরে মরিচের গুড়া, গোলমরিচের গুঁড়া, স্বাদমতো লবণ, আদা রসুন বাটা, সয়া সস দিয়ে মেখে ডিম  ও কনফ্লাওয়ারদের নিয়ে আবারো মেখে রেখে দেব।

এবার কড়াইয়ে ঘি বা তেল দিয়ে কেটে রাখা সবজিগুলো একে একে ভেজে নেব। এ সময় চুলার আঁচ একটু বাড়িয়ে দিতে হবে। না হলে সবজি হতে পানি ছাড়তে পারে। প্রথমে গাজর দিয়ে একটু ভেজে নেব। এরপর টমেটো ও ক্যাপসিকামগুলো দিয়ে তার উপর একটু লবণ ও গোলমরিচের গুড়া দিয়ে মেশায় নেব। এবার চুলা বন্ধ রেখে ভেজে রাখা মাংস ও ক্যাশুনাট  দিয়ে তার উপর চিলি সস, টমেটো সস, মরিচ কুচি, গোলমরিচের গুড়া, লেবুর রস ও একটু লবণ দিয়ে সব উপকরণ মিশিয়ে নেব। সবশেষে শশাকুঁচি ও চিনি দিয়ে আবারো মিশিয়ে নেব।

এই সালাদে কিন্তু গোলমরিচের গুড়া ও লবণ বেশ কয়েকবার ব্যবহার করা হয়েছ। কারণ এতে সালাদের সব উপকরণে লবণ সমান ভাবে যায় এবং স্বাদও বেড়ে যায়। তাছাড়া এতে তিন ধরনের সস ব্যবহার করা হয়েছে। তাই লবণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটু খেয়াল রাখতে হব। 

তাছাড়া আপনারা এ সালাদে চিনি নাও ব্যবহার করতে পারেন। কেননা সসে চিনি রয়েছে।

তো পরিবেশন করুন চমৎকার কেশোনার সালাত তবে হ্যাঁ খেতে কেমন হলো অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন। 

পুষ্টিগুণ

ক্যাশুনাট বা কাজুবাদাম পুষ্টিগুণে ভরপুর। আর খেতেও কিন্তু বেশ। কাজুবাদামে থাকা পুষ্টিকর উপাদান যেমন-পটাশিয়াম, আয়রন, প্রোটিন, ভিটামিন, কপা, ফাইবার, খনিজ লবণ আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এসব উপাদান কিন্তু আমাদের শরীরের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে এবং শরীরকে সুস্থ রাখে।

তাছাড়া এ সালাদে আরও রয়েছে- টমেটো,  গাজর, শসা, ক্যাপসিকাম জাতীয় উপাদান যেগুলো সবই পুষ্টিগুণে ভরপুর। 

বিশেষ করে রমজানে এই সালাদ আমাদের শরীরের ঘাটতি পূরণে বেশ সহায়তা করে। এবং শরীরকে সতেজ করে তোলে। 

মজবুত, টেকসই Motorola Moto G (2024)

0

বিশ্ববাজারে মটোরোলা স্মার্টফোনের অনেক সুখ্যাতি রয়েছে। ইউরোপ ও আমেরিকায় এই কোম্পানিটির ফোনগুলো পরিচিত হলেও বাংলাদেশে এর উল্টো চিত্র দেখা যায়। 

মটোরোলার ফোনগুলো ডিজাইনের দিক থেকে অন্য স্মার্টফোনের চেয়ে ভিন্ন হয়। তাদের বিভিন্ন দামের ফোন এখন বাংলাদেশে পাওয়া যাচ্ছে। 

ডিজাইন ও ডিসপ্লে:

প্রথমেই ডিজাইনের বিষয়টি সামনে আসে, ফোনটির পিছনে অংশে প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়েছে, তবে এটি প্রিমিয়াম লাগে। সামনে 6.6 ইঞ্চের IPS LCD ডিসপ্লে রয়েছে, যা 120Hz রিফ্রেশ রেট ও ৭২০ x ১৬১২ রেজুলিউশন সাপোর্ট করে। ডিসপ্লেটি সুন্দর, উজ্জ্বল এবং স্পষ্ট। 

প্রসেসর: 

হ্যান্ডসেটটিতে প্রসেসর হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে Qualcomm SM 4375 স্ন্যাপড্রাগণ 4 জেন 1 (6 এনএম) আর্কিটেকচারের তৈরি। অক্টাকোর (2×2.0 GHz Cortex-A78 & 6×1.8 GHz Cortex-A55) দিয়েছে, এবং জিপিইউ হিসাবে Adreno 619 ব্যবহার করা হয়েছে ।

স্টোরেজ ও র‌্যাম:

বাংলাদেশের বাজারে ৪ জিবি র‌্যাম ১২৮ জিবি রমের এই ভেরিয়েন্টটি পাওয়া যাচ্ছে। তবে হ্যান্ডসেটটিতে External মেমরি ব্যাবহার করার সুযোগ রয়েছে। 

ক্যামেরা:

তিনটি ক্যামেরার কম্বিনেশনে ভালো ছবি তুলতে পারে এ স্মার্ট ফোন। ৫০ মেগাপিক্সেল  প্রধান ক্যামেরা যার অ্যাপাচার f/১.৮ (wide), ০.৬৪µm, PDAF। আর ২ মেগাপিক্সেল, f/২.৪, macro ক্যামেরা। এই দুই মেগাপিক্সেল খুব একটা কাজের না হলেও দিতে হয় তাই দেয়। সেলফি ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেল ( f/২.০, wide)। ছবির গুণমান সাধারণত দিনের আলোতে ভালো হয়। তবে রাতের বেলায় ছবিগুলো একটু গোলমেলে হতে পারে। পিছনের ক্যামেরা দিয়ে সর্বোচ্চ 1080pতে 30fps তে video করতে পারবেন।

পারফরম্যান্স:

Motorola Moto G (2024) ফোনটিতে Qualcomm এসএম ৪৩৭৫ স্ন্যাপড্রাগণ ৪ জেন ১ প্রসেসর দ্বারা চালিত। এই প্রসেসরটি দৈনন্দিন কাজের জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী। ফোনটি 4GB RAM এবং 128GB স্টোরেজ- সহ বিভিন্ন কনফিগারেশনে পাওয়া যায়।

ব্যাটারি:

5000mAh ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে এবং সাথে পাবেন ১৮ ওয়াটের চার্জার। এই ব্যাটারিটি একটি পূর্ণ চার্জে সারা দিন সহজেই চলতে পারে। ফাস্ট চার্জিং সমর্থন করে, যা দ্রুত চার্জ দেওয়ার কাজে আসে।

অন্যান্য ফিচার:

এতে আছে একটি সাইড-মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর, একটি 3.5mm হেডফোন জ্যাক, USB Type-C 2.0 এবং একটি ইনফ্রারেড ব্লাস্টার সহ বিভিন্ন ফিচার অফার করে।

স্পেসিফিকেশন:

মডেল Motorola Moto G (2024)  
উন্মোচিত১২, মার্চ ২০২৪
সর্বশেষ সংষ্করণ২১, মার্চ ২০২৪
নেটওয়ার্ক GSM / HSPA / LTE / 2G, 3G, 4G, 5G
প্রযুক্তিHSPA, LTE, 5G 
আকার১৬৪.৪ x ৭৫ x ৮.২ মিমি (৬.৪৭ x ২.৯৫ x ০.৩২ ইঞ্চি) 
ওজন১৯৪ গ্রাম (৬.৮৪ oz) 
সিমNano-SIM, eSIM
ডিসপ্লেধরণ: IPS LCD, 120Hz,OS মাপ: ৬.৬ ইঞ্চি, ১০৪.৬ সেমি২ (~84.9% screen-to-body ratio)রেজুলেশন: ৭২০ x ১৬১২ পিক্সেল, ২০:৯ অনুপাত (~২৬৭ ppi ঘনত্ব)
অপারেটিং সিস্টেমঅপারেটিং সফটওয়ার: Android 14 চিপসেট: Qualcomm এসএম ৪৩৭৫ স্ন্যাপড্রাগণ ৪ জেন ১ (৬ এনএম) প্রসেসর: অক্টাকোর(2×2.0 GHz Cortex-A78 & 6×1.8 GHz Cortex-A55) জিপিইউ: Adreno 619
মেমরিকার্ড স্লট: microSDXC (dedicated slot)অভ্যন্তরিন: ১২৮ জিবি (eMMC 5.1) 
সিকিউরিটি সিস্টেমFingerprint, Face Unlock 
র‌্যাম৪ জিবি
রেডিওনা  
ক্যামেরাপিছনে: ৫০ মেগাপিক্সেল, f/১.৮, (wide), ০.৬৪µm, PDAF ২ মেগাপিক্সেল, f/২.৪, (macro)ফিচার: LED flash, HDR, panorama ভিডিও: ১০৮০p@৩০fpsসেলফি: ৮ মেগাপিক্সেল, f/২.০, (wide), ১/৪”, ১.১২µm  ভিডিও: ১০৮০p@৩০fps ফিচার: HDR
ব্যাটারি৫০০০ এমএএইচ, ফাস্ট চার্জিং ১৮ ওয়াট, Non-removable Li-Po 
সাউন্ডলাউড স্পিকার: ‘‘হ্যাঁ’’ স্টেরিও স্পিকার সহ৩.৫ মিমি জ্যাক ‘হ্যাঁ’
নির্মাণ Glass front, plastic frame, plastic back
অন্যান্যWi-Fi 802.11 a/b/g/n/ac, ডুয়েল ব্যান্ড, ব্লুটুথ 5.1, A2DP, LE, জিপিএস, GLONASS, GALILEO, বিডিএস, ইউ এস বি টাইপ-সি ২.০ সেন্সর : Fingerprint (side-mounted), accelerometer, gyro, proximity, compass, barometer  
মূল্য৳২২,০০০ 
প্রস্তুতকারকমার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
কালারSage Green

ভালো দিক: 

  1. এই বাজেটে দুর্দান্ত একটি ফোন। 
  2. Qualcomm এসএম ৪৩৭৫ স্ন্যাপড্রাগণ ৪ জেন ১ প্রসেসরের জন্য ফোনটি ভালো পারফরম্যান্স দেবে।
  3. লিথিয়াম পলিমারের 5000 mah ব্যাটারি দেওয়াতে চার্জের চিন্তা নেই। 

দূর্বল দিক:

  1. প্রাইসের তুলনায় র‍্যাম কম। 
  2. ১৮ ওয়াটের চার্জারের কারণে ফোনটি চার্জ হতে দীর্ঘ সময় লাগবে। 
  3. রেজুলেশন কম অন্য ফোনের তুলনায়।
  4. এখন সিদ্ধান্ত আপনার।
  5. আরও দেখুন
  6. ১১ হাজারেই সবকিছু পাবেন Infinix Smart 6 Plus-এ

Ramadan: দেশে দশে রোজা পালনের রীতি

রোজা কথাটি শুনলেই মুসলিমদের মাঝে এক ধর্মীয় অনুভূতি কাজ করে। যা আরবি রমজান মাসে হয়ে থাকে। রোজা শব্দটি ফারসি শব্দ থেকে এসেছে। আর এটির আরবি শব্দ সিয়াম। সিয়াম বহুবচন হলেও সাওম হলো এর একবচন। যার আবিধানিক অর্থ জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে দেওয়া। 

ইসলামের পাঁচটি রুকুনের মাঝে রোজা অন্যতম। এটি মুসলিমদের জন্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ধর্মীয় নিয়ম অনুযায়ী বিশ্বের সব মুসলমানরা রোজা রাখলেও ভৌগোলিক কারণে সূর্যাস্ত ও সূর্যোদয়ের সময়ের মাঝে পার্থক্য দেখা দেয়। এজন্য রোজা রাখার সময়ও কমবেশি হয়ে থাকে। তাছাড়া প্রতি বছর রোজা ১০-১২ দিনের ব্যবধান হয় আরবি দিনপুঞ্জ অনুযায়ী। কেননা, আরবি মাস চাঁদের উপর নির্ভরশীল।

আল-জাজিরার একটি প্রতিবেদনে জানা গেছে, ২০২৪ সালের রমজানে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ শহরটির মুসলিমদের সবচেয়ে ছোট দিন রোজা রাখতে হবে অর্থাৎ ১২ ঘণ্টা ৪২ মিনিট। আর  গ্রিনল্যান্ডের রাজধানী নুউকের মুসলিমদের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় রোজা রাখতে হবে অর্থাৎ ১৭ ঘণ্টা ৫২ মিনিট।

আবার বিভিন্ন দেশে সংস্কৃতি অনুযায়ী আলাদা কিছু রীতি পালনও হয়ে থাকে।

১. তুরস্ক

রমজানের সময় তুরস্কের কিছু নিয়ম বাংলাদেশের সাথে বেশ পরিচিত। তুরস্কে সেহরির আগে মানুষজনকে জাগিয়ে তোলার জন্য মসজিদের মাইক ব্যবহার করে। আবার তরুণদের হাক-ডাকে অনেক এলাকায় মুসলিমদের জাগানোর প্রথাও রয়েছে। আর এই প্রথাটি বাংলাদেশেও প্রচলিত আছে।

তুর্কিদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পড়ে তরুণরা ঢোল পিটিয়ে মানুষজনকে জাগিয়ে তোলে। এই ঢোলটির নাম হলো ‘দাভুল’। আকারে এটি বেশ বড় হয়ে থাকে আর দুই দিকেই বাজানো যায়। তাই এর শব্দ যেমন বেশি হয় তেমনি অল্প সময়ে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে মানুষজনকে জাগানো সহজ হয়। এ কাজের জন্য তারা কিছু বখশিস পায় এবং সেহরিতে একসঙ্গে খাওয়ার জন্য আমন্ত্রণও পায়।

এই প্রথা কিছুটা আলবেনিয়ার রোমা মুসলিমদের মাঝেও লক্ষ্য করা যায়। এই জাগানোর কাজটি তারা লোদ্রা নামের ঐতিহ্যবাহী ড্রামের মাধ্যমে করে থাকে। তবে তারা ড্রাম বাজানাের সাথে সাথে গীতিনাট্যও পরিবেশন করে থাকেন। এ বছর তুরস্কের মুসলিমরা প্রায় ১৪ ঘণ্টা সময় ধরে রোজা রাখবেন।

২. মিশর, জর্ডান ও মরক্কো

তুরস্কের ন্যায় মিশর ও জর্ডানেও এলাকাভিত্তিক কিছু মানুষ এই জাগানোর কাজটি করে থাকে। এরাও ঢোলের মৃদু শব্দের সঙ্গে ডেকে ডেকে মানুষজনকে জাগান।

একই কাজ মরক্কোতেও করা হয়। মিশর ও জর্ডানে এদের নাম মেসাহারাতি হলেও মরক্কোতে এদের ডাকা হয় নাফারস। তবে মরক্কোতে এসব লোক তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক ‘গান্দোরা’, টুপি এবং একজোড়া চপ্পল পরে এবং প্রার্থনার সুরে ধীর গতিতে হাঁটতে থাকে। মরক্কোতে এই ব্যক্তিদের সম্মানী দেওয়া হয়।

মিশরে রমজানের ঐতিহ্যগুলির মধ্যে একটি ‘ফানুস’। এটি বিশ্বের সবচেয়ে রঙিন এবং সুন্দর ঐতিহ্য। এই ‘ফানুস’গুলো মূলত ধাতু ও রঙিন কাঁচ দিয়ে উজ্জ্বল রঙের প্রদীপ বা লণ্ঠন। এই ঐতিহ্যের উৎপত্তি হয়েছিল ফাতেমীয় সাম্রাজ্য থেকে।

এই ঐতিহ্যে  রাস্তা, বাড়ি এবং পাড়া এই লণ্ঠন দিয়ে আলোকিত করা হয়। এই  ঐতিহ্য মিশরীয় রমজানের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

এ বছর মিশর, জর্ডান ও মরক্কোর মুসলিমরা প্রায় ১৪ ঘণ্টা বেশি সময় ধরে রোজা রাখবেন।

২. মিশর, জর্ডান ও মরক্কো

তুরস্কের ন্যায় মিশর ও জর্ডানেও এলাকাভিত্তিক কিছু মানুষ এই জাগানোর কাজটি করে থাকে। এরাও ঢোলের মৃদু শব্দের সঙ্গে ডেকে ডেকে মানুষজনকে জাগান।

একই কাজ মরক্কোতেও করা হয়। মিশর ও জর্ডানে এদের নাম মেসাহারাতি হলেও মরক্কোতে এদের ডাকা হয় নাফারস। তবে মরক্কোতে এসব লোক তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক ‘গান্দোরা’, টুপি এবং একজোড়া চপ্পল পরে এবং প্রার্থনার সুরে ধীর গতিতে হাঁটতে থাকে। মরক্কোতে এই ব্যক্তিদের সম্মানী দেওয়া হয়।

মিশরে রমজানের ঐতিহ্যগুলির মধ্যে একটি ‘ফানুস’। এটি বিশ্বের সবচেয়ে রঙিন এবং সুন্দর ঐতিহ্য। এই ‘ফানুস’গুলো মূলত ধাতু ও রঙিন কাঁচ দিয়ে উজ্জ্বল রঙের প্রদীপ বা লণ্ঠন। এই ঐতিহ্যের উৎপত্তি হয়েছিল ফাতেমীয় সাম্রাজ্য থেকে।

এই ঐতিহ্যে  রাস্তা, বাড়ি এবং পাড়া এই লণ্ঠন দিয়ে আলোকিত করা হয়। এই  ঐতিহ্য মিশরীয় রমজানের প্রতীক হয়ে উঠেছে।

এ বছর মিশর, জর্ডান ও মরক্কোর মুসলিমরা প্রায় ১৪ ঘণ্টা বেশি সময় ধরে রোজা রাখবেন।

৩. ইরাক

রমজানে ইরাকিরা তাদের অন্যতম প্রধান একটি ঐতিহ্যবাহী খেলা খেলেন ‘মেহাবেস’। এর অন্য নাম হলো আংটি খেলা।

তারা মনে করেন, সারাদিনের সংযমের সঙ্গে রোজা পালন করে ইফতারের পর যদি হালকা মজা করা যায় তাতে কোনো ক্ষতি নেই।এ খেলায় ৪০ থেকে ২৫০ জন পর্যন্ত অংশ নিতে পারে।খেলার সময় অংশগ্রহণকারীরা দুটো দলে ভাগ হয় এবং একটি দল আংটি লুকিয়ে রাখে তো অন্যদল আংটিটি কার কাছে আছে তা খোঁজার কাজ করে। এ খেলায় পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও অংশ নিতে পারে। তবে তারা ঘরের ভেতর থেকে।

যুদ্ধের কারণে খেলাটি অনেক বছর বন্ধ ছিল। তবে ঐতিহ্য বাঁচিয়ে রাখতে ইরাকিরা আবারও শুরু করেন।

এ বছর ইরাকের মুসলিমরা প্রায় ১৪ ঘণ্টা বেশি সময় ধরে রোজা রাখবেন।

৪. লেবানন

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইফতার স্বভাাবিকভাবে হলেও লেবাননে কিছুটা ব্যতিক্রম লক্ষ্য করা যায়। এখানে কামানের তোপধ্বনি দিয়ে ইফতারের সময় জানানো হয়। এটি প্রাচীনতম ঐতিহ্যের একটি।

এটি প্রায় ২০০ বছর পুরনো হলেও আজও লেবাননসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কয়েকটি দেশ এই রীতি চালু রেখেছে। এটি ‘মিদফা আল ইফতার’ নামিই বেশ পরিচিত। 

মনে করা হয়, এই প্রথার উদ্ভব মিশর থেকেই। তৎকালীন শাসক খোশ কদম কোন এক রমজান মাসে ভুলক্রমে সূর্যাস্তের সময় কামানের একটি গোলা ছোঁড়েন।

এই শব্দ পুরো কায়রো শহর জুড়ে প্রতিধ্বনিত হয়। আর মুসলিমগণ একে মনে করেন রোজা শেষ হবার সংকেত। পরবর্তীতে এই ভুলকেই সবাই খুব প্রশংসা করে। পরবর্তিতে ঐতিহ্যে পরিণত হয় কামানের এই তোপধ্বনি।

লেবানন ছাড়াও তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাতেও কামানের তোপধ্বনি সেহরি ও ইফতারের সময় দেয়া হয়। বর্তমানে এই ঐতিহ্য প্রায় হারানোর পথে।

এ বছর লেবাননের মুসলিমরা প্রায় ১৪ ঘণ্টা বেশি সময় ধরে রোজা রাখবেন।

৫. সংযুক্ত আরব আমিরাত

‘হক আল লায়লা’ নামের এক বিশেষ আয়োজন চালু রয়েছে  সংযুক্ত আরব আমিরাতে। যা রমজান শুরু হবার আগেই আয়োজন করা হয়। অর্থাৎ রমজানের ঠিক আগের মাস, ১৫ই শাবান মাসে। শিশুরা এই দিনটিতে রঙিন কাপড় পড়ে প্রতিবেশীদের বাড়ি বাড়ি ঘুরে বেড়ায়।

এসময় শিশুরা প্রতিবেশীদের বাড়ি থেকে মিষ্টি সংগ্রহ করে খারিতা নামক ব্যাগে। আর এ কাজ করার সময় তারা সুর করে বলে “আতোনা আল্লাহ ইউতিকোম, বাইত মক্কা ইউদিকুম। যার বাংলা অর্থ ” আল্লাহ আপনাদের পুরস্কৃত করবেন এবং মক্কা পরিদর্শনের তৌফিক দান করবেন যদি আপনারা আমাদেরকে দেন”।

প্রতি বছর ধর্মীয়ভাবে পালন করা ‘হক আল লায়লা’ সংযুক্ত আরব আমিরাতে রমজানের ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। যার উদ্দেশ্যই রমজানের গুরুত্ব সবার  মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া।

কুয়েতেও এটি পালন করা হয়। তবে রমজানের মাঝামাঝি তিন দিনে পালন করা হয়। কুয়েতে এই ঐতিহ্যটি ‘গারগিয়ান’ নামে পরিচিত।

এ বছর প্রায় ১৩ ঘণ্টা সময় ধরে রোজা রাখবেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের মুসলিমরা ।

৬. ইন্দোনেশিয়া

ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের মুসলমানদের মাঝে ‘পাদুসান’নামে একটি পদ্ধতি চালু আছে। যা রমজানের আগেই পালিত হয়। যার  অর্থ গোসল করে নিজেদের শুদ্ধ করা।এই পদ্ধতি হয় আশেপাশের প্রাকৃতিক পুকুরে। 

এখানকার মুসলিমরা বিশ্বাস করেন এই সাংস্কৃতিক চর্চা রমজান মাসে তাদের শুদ্ধ করে। ইদানীং সময়ে অনেকেই এই সাংস্কৃতি নিজ বাড়িতেই করে থাকেন।

এ বছর ইন্দোনেশিয়ার মুসলিমরা প্রায় ১৩ ঘণ্টা সময় ধরে রোজা রাখবেন।

৭. দক্ষিণ এশিয়া

বাংলাদেশেরও কিছু এলাকায় সেহরির আগে মানুষজনকে জাগিয়ে তোলার জন্য মসজিদের মাইক ব্যবহার করে। আবার কিছু এলাকায় কাফেলা দলও লক্ষ্য করা যায়। যারা মানুষজনকে সেহরির জন্য ঘুম থেকে জাগানোর কাজ করে থাকে।

তাছাড়াও বাংলাদেশের রমজানে ইফতারের রকমারি আয়োজন বেশ চোখে পড়ে। এই বাহারি ইফতারের আয়োজন যেন কিছুটা সংস্কৃতিতে রূপ নিয়েছে। আর এই ইফতারের মূল আকর্ষনই যেন ছোলা। যা ছাড়া ইফতার যেন ভাবতেই পারেনা বাংলাদেশের মুসলিমরা।

রমজানের শেষ দিন যখন চাঁদ ওঠে তখন উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের মতো দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে রমযানের শেষ সন্ধ্যা ‘চাঁদ রাত’ নামে পরিচিত।

ঈদের আগে শেষ মুহূর্তে এই চাঁদরাতে কেনাকাটা চলে এবং নারীরা হাতে মেহেদি লাগায়। উৎসবের অংশ হিসেবে চলে নানা আয়োজন। তবে শহর এবং গ্রামের ক্ষেত্রে এই আয়োজন ভিন্ন ভিন্ন হয়।

বাংলাদেশি মুসলিমরা এ বছর রমজানে প্রায় ১৩ ঘণ্টা ১৩ মিনিট থেকে শুরু হয়ে ১৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট পর্যন্ত সময় ধরে রোজ পালন করবেন।

এছাড়াও

১৬ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় ধরে রোজা রাখবেন যে দেশের মুসলিমরা- 

আইসল্যান্ড।

৫ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় ধরে রোজা রাখবেন যে দেশের মুসলিমরা-

স্কটল্যান্ড, জার্মানি, রাশিয়া, আয়ার‌ল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, পোল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, নরওয়ে ও কাজাখস্তান।

১৪ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় ধরে রোজা রাখবেন যে দেশের মুসলিমরা-

সুইডেন, রোমানিয়া, ইতালি, বুলগেরিয়া, স্পেন, ফ্রান্স, পর্তুগাল, কানাডা, বেলজিয়াম, যুক্তরাজ্য, সুইজারল্যান্ড, জাপান, গ্রিস, নিউইয়র্ক সিটি, ওয়াশিংটন ডিসি, লস অ্যাঞ্জেলস, তিউনিসিয়া, সিরিয়া, আলজেরিয়া ও ইরান।

১৩ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় ধরে রোজা রাখবেন যে দেশের মুসলিমরা-

কাতার, সৌদি আরব, সোমালিয়া, প্যারাগুয়ে, কেনিয়া, জিম্বাবুয়ে, অ্যাঙ্গোলা, নাইজেরিয়া, সেনেগাল, ইথিওপিয়া, আর্জেন্টিনা, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, উরুগুয়ে, অস্ট্রেলিয়া, চিলি ও নিউজিল্যান্ড।

১১ হাজারেই সবকিছু পাবেন Infinix Smart 6 Plus-এ

0

বাংলাদেশের জনপ্রিয় স্মার্টফোনগুলো মূলত শাওমি, রিয়েলমি, ভিভো, অপো, samsung, ও টেকনো। এই সকল স্মার্টফোন কোম্পানিগুলো বিভিন্ন বাজেট সেগমেন্টের ফোন বাজারে নিয়ে আসে। আর এই আধিপত্যে ভাগ বসাতে Infinix তার নতুন মডেলর ফোন লঞ্চ করেছে। কম বাজেটে Infinix Smart 6 Plus ফোনটি হতে পারে আপনার সেরা পছন্দ। 

ডিজাইন ও ডিসপ্লে 

ফোনটিতে ৬.৬ ইঞ্চি এর আইপিএস ডিসপ্লে দিয়েছে। ডিসপ্লে প্রোটেকশন হিসেবে পান্ডা গ্লাস ব্যবহার করেছে। এইচডি প্লাস ৭২০×১৬০০ পিক্সেল, ২০:৯ অনুপাত (২৫৭ পি পি আই ঘনত্ব)। ফোনটির পেছনের অংশ, ফ্রেম প্লাস্টিকের তৈরি এবং ফ্রন্ট গ্লাস প্যানেলে তৈরি। দুটি রং বাজারে পাওয়া যায়, একটি Tranquil Sea Blue দ্বিতীয় টি হল Miracle Black। 

প্রসেসর 

ইনফিনিক্সের এই ফোনটিতে মিডিয়াটেক এম টি ৬৭৬২G হিলিও জি২৫ (১২এনএম) এবং অক্টাকোর (4×2.0 GHz Cortex-A53 & 4×1.5 GHz Cortex-A53) ব্যবহার করা হয়েছে। 

স্টোরেজ ও র‌্যাম:

বর্তমানে বাংলাদেশের বাজারে ৪ জিবি এবং ৬৪ জিবি এর ভেরিয়েন্ট পাওয়া যাচ্ছে। তবে এক্সটার্নাল মেমোরি ব্যবহার করারও সুযোগ থাকছে। 

ক্যামেরা: 

তিনটি ক্যামেরার কম্বিনেশনে তুলনামূলক ভালো ছবি তুলতে পারবেন এই স্মার্টফোন। পিছনে মেইন ক্যামেরা ৮ মেগাপিক্সেল, f/২.০, AF, ০.৩ মেগাপিক্সেল, (depth) এবং সামনে সেলফি ক্যামেরা ৫ মেগাপিক্সেল যার অ্যাপাচার f/২.০। ছবির গুণগতমান সাধারণত বিশেষ করে দিনের আলোতেই ভালো হয়। পেছনের ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও রেকর্ডিং করতে পারবেন HD ফরম্যাটে ৭২০p @৩০fps তে সর্বোচ্চ। 

ব্যাটারি:

দীর্ঘক্ষণ ব্যবহারের সুবিধার্থে লিথিয়াম পলিমার এর ৫০০০ এম এ এইচ ব্যাটারি পাবেন এতে। ব্যাটারিটি এক চার্জেই সারাদিন সহজেই চলবে। চার্জিং এর জন্য ১০ ওয়াটের ফাস্ট চার্জার পাবেন বক্সে। 

পারফরম্যান্স:

সার্বিক পারফরম্যান্সের জন্য মিডিয়াটে এটি ৬৭৬২ জি হেলিও জি-২৫ (১২ এনএম) প্রসেসর ব্যবহৃত হলেও দীর্ঘদিন ফোনটি চালাতে সাহায্য করবে।  কিন্তু গেম খেলার ক্ষেত্রে এই প্রসেসরটি  খুব বেশি একটা উপযোগী নয়। বড় কোন গেম খেলতে সমস্যা হতে পারে।

অন্যান্য ফিচার:

ওয়াই ফাই, ওটিজি, মাইক্রো ইউ এস বি ২.০, ব্লুটুথ সহ বিভিন্ন ফিচার রয়েছে। 

স্পেসিফিকেশন:

মডেল Infinix Smart 6 Plus 
উন্মোচিত০২, মার্চ, ২০২৪
সর্বশেষ সংষ্করণ০৩, মার্চ, ২০২৪
নেটওয়ার্ক 2G, 3G, 4G
আকার১৭২.৬ x ৭৭.৭ x৮.৭ মি মি (৬.৮০ x ৩.০৬ x ০.৩৪ ইঞ্চি ) 
ওজন২০২ গ্রাম (৭.১৩ oz) 
সিমDual SIM (Nano-SIM, dual stand-by)
ডিসপ্লেধরণ:  IPS LCD Panda Glass, Multitouch, 440 nits (typ)মাপ: ৬.৬ ইঞ্চি, ১১২.৩ সেমি২রেজুলেশন: এইচ ডি + ৭২০ x ১৬০০ পিক্সেল, ২০:৯ অনুপাত (~২৫৭ ppi ঘনত্ব) 
অপারেটিং সিস্টেমঅপারেটিং সফটওয়ার: Android 12 (Go edition)চিপসেট: মিডিয়াটেক এম টি ৬৭৬২G হিলিও জি২৫ (১২এনএম) প্রসেসর: অক্টাকোর (4×2.0 GHz Cortex-A53 & 4×1.5 GHz Cortex-A53) জিপিইউ: PowerVR GE8320 
মেমরিকার্ড স্লট: microSDXC (dedicated slot)অভ্যন্তরিন: ৬৪ জিবি (eMMC 5.1) 
সিকিউরিটি সিস্টেমFingerprint, Face Unlock 
র‌্যাম৪ (চার) জিবি
রেডিওহ্যাঁ 
ক্যামেরাপিছনে: ৮ মেগাপিক্সেল, f/২.০, AF, ০.৩ মেগাপিক্সেল, (depth) ফিচার: Dual-LED flash & HDR panorama ভিডিও: এইচ ডি + ১০৮০p@৩০fpsসেলফি: ৫ মেগাপিক্সেল, f/২.০ মেগাপিক্সেল ভিডিও: এইচ ডি ৭২০p @৩০fps
ব্যাটারি৫০০০ এমএএইচ, ফাস্ট চার্জিং ১০ ওয়াট, Non-removable Li-Po
সাউন্ডলাউড স্পিকার: হ্যাঁ ৩.৫ মিমি জ্যাক ‘না’
অন্যান্যWi-Fi 802.11 a/b/g/n, OTG, microUSB 2.0, Bluetoothসেন্সর : Fingerprint, অ্যাক্সিলোমিটার, proximity
মূল্য৳১০,৯৯৯ 
প্রস্তুতকারকচীন
কালারTranquil Sea Blue, Miracle Black

ভালো দিক: 

  1. কম বাজেটে দুর্দান্ত একটি ফোন। 
  2. হিলিও জি ২৫ প্রসেসরের জন্য ফোনটি ভালো পারফরম্যান্স দেবে।
  3. 5000 mah লিথিয়াম পলিমারের ব্যাটারি দেওয়াতে চার্জের চিন্তা নেই। 

দূর্বল দিক:

  1.  ক্যামেরার দিক থেকে অন্য ফোনের তুলন পিছিয়ে থাকবে। বিশেষ করে লো লাইট পারফরমেন্স একটু দুর্বল।
  2. ১০ ওয়াটের চার্জারের কারণে ফোনটি চার্জ হতে দীর্ঘ সময় লাগবে। 
  3. রেজুলেশন কম অন্য ফোনের তুলনায়।

আরও দেখুন

মজবুত, টেকসই Motorola Moto G (2024)

চাকরি ও বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় আসা গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা: Bagdhara

বাগধারাঅর্থ
অকর্মার ধাড়িনিতান্ত অলস ব্যাক্তি
অকাজের গোঁসাইঅনুচিত কাজ করতে মুখিয় থাকা ব্যক্তি
অকাল-অপক্কবুদ্ধির অভাব
অকালকুষ্মাণ্ডঅকর্মণ্য
অকালপক্কবয়সের তুলনায় বেশি পাকা
অকালমৃত্যুপরিণত বয়সের আগে মৃত্যু
অকালের বাদল/বাদলাঅপ্রত্যাশিত বাধা
অকূলপাথারমহাসংকট।
অকূলে কূল পাওয়ামহাবিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়া।
অকূলের ভেলাএকান্ত নিরুপায় অবস্থার শেষ অবলম্বন।
অক্কা পাওয়ামৃত্যু।
অক্ষয়বটঅতিবৃদ্ধ ব্যক্তি।
অক্ষরজ্ঞানহাতে খড়ি।
অখন-তখন অবস্থাআশঙ্কাজনক অবস্থা।
অক্সিজেন জোগানোবাঁচার আশ্বাস পাওয়া।
অগত্যা মধুসূদনঅনন্যোপায় ।
অগর-মগর করানানা অজুহাত দেখানো।
অগভীর জলের পুঁটিমাছবিদ্যা নিয়ে বড়াইকারী লোক।
অগাধ জলের মাছসুচতুরব্যক্তি।
অগস্ত্যযাত্রাশেষযাত্রা।(অর্থমন্ত্রণালয়ের সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন -এর অধীনে ক্লাস্টার আইটি অ্যাসিসটেন্ট/ডাটা এন্ট্রি অপারেটর-২০১২)
অগ্নিকন্যাঅতিতেজস্বী নারী।
অগ্নিচক্ষুকঠোর দৃষ্টি।
অগ্নিপরীক্ষাকঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন।
অগ্নিবৃদ্ধিক্ষুধাবৃদ্ধি।
অগ্নিসাক্ষীআগুনকে সাক্ষী রেখে শপথ।
অগ্রদূতপথপ্রদর্শক।
অগ্রপাণিডানহাত।
অঘটনঘটনপটিয়সীঅকাজে পটু নারী।
অঙ্কস্থহস্তগত।
অঙ্গ জ্বালাবিরক্তি।
অচল পয়সামূল্যহীন।
অচিনপাখিপ্রাণবায়ু।
অজমূর্খনিরেট বোকা/মূর্খ।
অজুহাতবাহানা।
অঞ্চলপ্রভাবস্ত্রীর একান্ত অনুগত।
অতিকথায় বার্তা নষ্টবাকচাতুর্যে মূলবক্তব্য হারিয়ে যায়।
অতশতখুঁটিনাটি।
অতিদর্পে হত লঙ্কাঅহঙ্কারে পতন অনিবার্য।
অতিঘরন্তিগৃহকর্মনিপুণা কুমারী মেয়ে।
অতি চালাকের গলায় দড়িবেশি চালাকির পরিণাম অশুভ হয়।
অতিগর্জনে ফোঁটাবৃষ্টিহাঁকডাকওয়ালার কাজের বেলায় অষ্টরম্ভা।
অথৈ জলভীষণ বিপদ।
অতিভক্তি চোরের লক্ষণভক্তির আতিশয্যে গোপন উদ্দেশ্য প্রচ্ছন্ন থাকে।
অথৈ জলের মাছচরমসংকট।
অতিলোভে তাঁতী নষ্টলোভের মাত্রা অতিক্রান্ত হলে সমূহ ক্ষতি।
অদৃষ্টের পরিহাসভাগ্যের মার।
অধিকগর্জনে অল্পবর্ষণমেঘ বেশি ডাকলে বৃষ্টি কম হয়।
অধঃপাতে যাওয়াউচ্ছন্নে যাওয়া।
অধিবিন্নাদ্বিতীয়বার বিবাহিত পুরুষের জীবিত প্রথমাপত্নী।
অনন্তনিদ্রা/যাত্রাচিরনিদ্রা।
অনভ্যাসের ফোঁটাপ্রাথমিক অস্বস্তি।
অনাথের নাথঈশ্বর।
অনাসৃষ্টিকুৎসিত।
অনিষ্টে ইষ্টলাভমন্দঘটনা থেকে ভাল ঘটনার উৎপত্তি।
অনুরোধে ঢেঁকি গেলাঅনিচ্ছা সত্ত্বেও কোনো কাজ করা।
অন্তর টিপুনিগোপন ব্যথা।
অন্তর্দাহঈর্ষাজনিত কারণে গাত্রদাহ।
অন্ধকার দেখানোবিপদে ফেলে অভিভূত করা।
অন্ধকারে উকুন বাছাযে কাজ করা কোনমতে সম্ভব নয়।
অন্ধকারে থাকাকিছু না জানা।
অন্ধকারে হাতড়ানোঅনুমানে কাজ কাজ করা।
অন্ধকে দর্পণ দেখানোমূর্খকে জ্ঞানদান।
অন্ধবিশ্বাসগভীর বিশ্বাস।
অন্ধের দেশে কানা রাজামূর্খের দলের অজ্ঞান নেতা।
অন্ধের যষ্টি/নড়িঅসহায়ের সহায়।
অন্ন ওঠা/অন্নজল ওঠা/অন্ন মারাজীবিকা্র পথ বন্ধ হওয়া/চাকরি হারানো।
অন্নপ্রাশনের ভাত ওঠাবমির উদ্রেক হওয়া।
অন্যপুষ্টকোকিল।
অন্নবস্ত্রখাওয়াপড়ার ব্যবস্থা।
অন্নসঙ্কটখাদ্যাভাব।
অন্যপূর্বাপূর্বে বিবাহিতা এমন নারী।
অপদার্থ/অপোগণ্ডঅযোগ্য।
অবরে-সবরেসময়ে-অসময়ে।
অবস্থা বুঝে ব্যবস্থাপরিস্থিতি বুঝে কাজ করা
অবশ্য অবশ্যনিশ্চয়ই; বলা বাহুল্য।
অবাকজলপানঝালমুড়ি।
অবস্থার দাসপরিস্থিতির শিকার
অভাবে স্বভাব নষ্টঅনটনের চাপে অসৎপথে যাওয়া
অমাবস্যার অন্ধকারনিবিড় হতাশাজনক অবস্থা।
অমৃতে অরুচিঅতিপ্রিয় বস্তুর প্রতি বিরাগ।
অমাবস্যার চাঁদদুর্লভ বস্তু
অম্লমধুর সম্পর্কভাল ও মন্দ মিশ্রিত সম্পর্ক।
অরুচি ধরাবিরূপ মনোভাবের সৃষ্টি হওয়া
অম্লানবদনেনিঃসঙ্কোচে
অরণ্যেরোদননিস্ফলপ্রার্থনা
অর্থপিশাচঅত্যন্ত কৃপণ
অর্ধচন্দ্র দেওয়াগলা/ঘাড়ধাক্কা
অলক্ষ্মীর দশা/দৃষ্টিদারিদ্র
অলিগলিখুব সরু ও দুর্গম রাস্তা
অল্পজলের/পানির মাছঅসার ব্যক্তি
অলিপানমদ; সুরা
অল্পজলের/পানির মাছসঙ্কীর্ণমনা ব্যক্তি
অল্পের উপর দিয়ে যাওয়াকার্যসিদ্ধি হওয়া
অশনিসঙ্কেতঘোর বিপদের আশু সম্ভাবনা।
অশ্বিনীকুমারশ্রেষ্ঠ চিকিৎসক
অষ্টকপালেঅভাগা
অশ্বমেধযজ্ঞবিরাটমাপের আয়োজন
অষ্টমঙ্গলাবাঙালি হিন্দুবিয়ের একটি মঙ্গলাচরণ অনুষ্ঠান
অষ্টরম্ভাফাঁকি
অষ্টেপৃষ্ঠেসকলপাশে
অসূর্যস্পশ্যাপর্দানশিনা নারী
অস্ত যাওয়ামৃত্যু হওয়া
অস্তিনাস্তিথাকা-না-থাকা
অস্থিসারশীর্ণদেহ
অহি-নকুল সম্পর্কভীষণ শত্রুতা
অহিতে বিপরীতঅনিষ্ট থেকে ইষ্ট লাভ

আইতে ছাগল, যাইতে পাগলধৈর্যহীন
আওয়াজ তোলাতীব্র প্রতিবাদ করা
আঁচলধরাব্যক্তিত্বহীন পুরুষ
আঁচাআঁচিপরস্পরের দোষ অনুসন্ধান
আঁটকুড়েঅবৈধ সন্তান
আট কপালেহতভাগ্য(প্রাঃসঃশিঃ২০১৯ ৩য় ধাপ, ১৪তম বিসিএস)
আঁজলপাঁজল করাগা ঝাড়া দেওয়া
আঁটাআটিহাতটা্ন
আঁটি চোষাঅসার বস্তুগ্রহণ
আঁটোসাটোটানটান
আঁটুবাঁটু
আঁত বুঝে চলামনোভাব বুঝে চলা
আঁতে ঘা দেওয়াইজ্জতে ঘা দেওয়া
আঁত খালিপেটে অন্ন নেই
আঁতুপুঁতু করাআদরের সন্তানের প্রতি অতিরিক্ত যত্ন নেওয়া
আঁতের টানঅন্তরের টান 
আঁধারে ঢিল ছোঁড়াআন্দাজে কিছু করা
আঁস্তাকুড়ের পাত/পাতানীচমনা ব্যক্তি
আককাটাকাণ্ডজ্ঞানহীন মূর্খ
আকখুটের দশাঅসঞ্চয়ীর লক্ষণ
আকণ্ঠগলাপর্যন্ত
আকাট মূর্খনিরেট বোকা
আকবরের আমলঅনেকদিন আগের কথা
আকাশকুসুমঅবাস্তব
আকার-ইঙ্গিতেচোখ ও মুখের ভঙ্গীতে
আকাশ-চাওয়াআকাশের দিকে চেয়ে অপেক্ষা করা হয়েছে
আকাশ ছোঁয়াঅতি উচ্চে ওঠা
আকাশ থেকে কথা বলানীচমনের পরিচয় দেওয়া
আকাশ থেকে পড়ানা-জানার ভান করা
আকাশ ধরাবৃষ্টি থামা
আকাশপাতাল এক করাঅসম্ভবকে সম্ভব করা
আকাশপাতাল ভেবে না পাওয়াবিহ্বল হওয়া
আকাশপাতালসর্বত্র
আকাশপাতাল তফাৎ/পার্থক্যবিস্তর ব্যবধান
আকাশবাণীদৈববাণী
আকাশ ভাঙ্গাপ্রবল বৃষ্টিপাত
আকাশ ভেঙ্গে পড়াআকস্মিক বিপদে দিশাহারা হওয়া 
আকাশ হাতে পাওয়াদুর্লভবস্তু হাতে পাওয়া
আকাশে ওড়াআনন্দে আত্মহারা হওয়া
আকাশে থুথু ফেলানিজের ক্ষতি করা
আকাশে তোলাপ্রাপ্যের অতিরিক্ত প্রশংসা করা
আকাশের চাঁদবহু কাঙ্ক্ষিত বস্তু
আকাশ/আশমানের চাঁদ হাতে পাওয়াদুর্লভ বস্তুপ্রাপ্তি
আকুলি-বিকুলি করাঅতিশয় ব্যাকুল হওয়া
আক্কেলদাঁত না গজানোঅপরিণত বুদ্ধির পরিচয় দেওয়া
আক্কেলগুড়ুমহতবুদ্ধি
আক্কেলসেলামীনির্বুদ্ধিতার দণ্ড
আখের গুছানোস্বার্থ হাসিল করা
আক্কেল হওয়াশাস্তি পাওয়া
আখেরি জমানাশেষযুগ
আখের বুঝে চলাপরিণতির কথা চিন্তা করে চলা
আগাগোড়াশুরু থেকে শেষপর্যন্ত
আগড়বাগড়অপ্রয়োজনীয়
আগামাথাআদি বা অন্ত
আগুন নিয়ে খেলা করাঅনিষ্টকর জিনিসে হাত দেওয়া
আগা-পাছতলাআপাদমস্তক
আগুন লাগানোঝগড়া সৃষ্টি করা
আগুনে ঘি ঢালাউত্তেজনা/রাগ বাড়ানো
আগুনে জল ঢালাপ্রশমিত হওয়া
আঙুল ঘুরিয়ে পাঁচিল দেওয়াক্ষুদ্রচেষ্টায় বিরাট কর্ম করার প্রচেষ্টা
আঙুল ফুলে কলাগাছহঠাৎ বড়লোক
আঙুল কামড়ানোআফসোস করা
আঙুল মটকানোঅভিশাপ দেওয়া
আছোলা বাঁশ দেওয়াকারো সর্বনাশ করা
আজকাল করাঅযথা দেরি করা
আজ-নয়-কালঅযথা সময় নষ্ট
আঝালিনিস্তেজ
আটখানআনন্দে অধীর হওয়া ফেটে পড়া 
আটপৌরে ভাষাকথ্যভাষা
আটুপাটুব্যাকুলতা    
আঠারো আনাযথেষ্ট সম্ভাবনা
আটারো/আঠারো মাসে বছরদীর্ঘসূত্রিতা
আড্ডা গাড়াঅস্থায়ী বাসা বাঁধা
আড়ং ধোলাইউত্তম-মধ্যম দেওয়া
আড়কাঠিকুলিমজুর সরবরাহকারী
আড়মোড়া ভাঙাঘুম থেকে উঠে শরীরের আড়ষ্টভাব কাটান
আড়কালাএক কানে শুনতে পায় না এমন
আড়পাগলাআধ-পাগলা
আড়াই অক্ষরেসংক্ষেপে
আড়াই দিনের বাদশাহীঅল্পদিনের জন্য বিলাসিতা
আড়িপাতাআড়াল থেকে লুকিয়ে অন্যের কথা শোনা
আড়েহাতে লওয়াপ্রতিশোধ নেওয়া
আণ্ডাবাচ্চাছোটছোট শিশুসন্তান
আতিপাতিতন্নতন্ন করে
আত্মঘোষযে নিজের ঢাক নিজেই পেটায়
আত্ম রেখে ধর্মনিজের স্বার্থ সবার আগে
আধা-পাগলাবাতিকগ্রস্ত
আদব-কায়দাদুরস্তশিষ্টাচারী
আদমের সময়অতি প্রাচীনকালে
আদা জল খেয়ে পড়ে থাকাকার্যসিদ্ধির জন্য ধর্ণা দেওয়া/ দৃঢ়সংকল্প নিয়ে কাজ করা
আদরে বাঁদরপ্রশ্রয় পেয়ে নষ্ট
আদাড়বনে শিয়াল রাজানিজের এলাকায় সবাই প্রভুত্ব করে
আদায় কাঁচকলায় সম্পর্কতিক্তসম্পর্ক
আদিরসকাম ও প্রেমরস
আদ্যিকালের বদ্যিবুড়োঅত্যন্ত প্রাচীন বা অভিজ্ঞব্যক্তি
আধাবয়সী/ আধবুড়োমাঝবয়সী/প্রৌঢ়
আধমরানিস্তেজ
আধো আধোঅসম্পূর্ণ
আনকোরাঅনিভজ্ঞ
আন-তাবড়িএলোমেলো
আলহাদে আটখানাবেজায় খুশি
আপন কথাই পাঁচকাহনআত্মপ্রচারসর্বস্ব
আন্দাজে ঢিল ছোঁড়া/মারাঅনুমাননির্ভর কাজ করা
আপন কোলে ঝোল টানানিজের স্বার্থ আগে দেখা
আপনগাঁয়ে কুত্তা শেরনিজের এলাকায় সবাই প্রভুত্ব করে
আপন পাঁঠা লেজে কাটাস্ব-ইচ্ছায় কাজ করার পক্ষে ওকালতি
আপন/ পায়ে কুড়োল মারানিজের অনিষ্ট করা
আপনা হাত জগন্নাথনিজের সবকিছু ভালো
আপনার ঢাক আপনি বাজানো/ পিটানোআত্মপ্রশংসা করা
আবাগের বেটা ভূতকাণ্ডজ্ঞানহীন
আম না হতে আমসত্বকাঁচাগন্ধযুক্ত
আমড়া কাঠের ঢেঁকিঅপদার্থ
আমতা আমতা করাদ্বিধা করা
আমল দেওয়াকর্ণপাত না করা
আমে দুধে এক হয় আঁটি যায় গড়াগড়িউপরতলায় মিল হয় সাধারণে বঞ্চিত হয়
আমসি হওয়াপ্রশ্রয় না দেওয়া
আমি আর আমাতে নেইআনন্দে আত্মহারা
আমিত্বঅহঙ্কার
আয়নায় মুখ দেখাভাললোকের ভালো করা এবং মন্দলোকের মন্দ করা
আরশির মুখে পড়শি দেখানিজের মত অপরকে ভাবা
আলগা ভাবলোক দেখানো ভাব
আলটপকাআচমকা
আলালের ঘরের দুলালধনীর ঘরের অতি আদুরে বা বখাটে ছেলে
আলুর দোষচরিত্রদোষ
আলেয়ার পিছনে ছোটাদুর্লভ বস্তুর পিছনে ছোটা
আল্লাকা পেয়ারা হো গয়ামারা গেছেন
আশমান-জমিন ফারাকবিশাল পার্থক্য
আশমানের চাঁদ হাতে পাওয়াদুষ্প্রাপ্য জিনিস লাভ করা
আশীসিক্কা ওজনের চড়প্রচণ্ড চপেটাঘাত
আষাঢ়ে গল্পকাল্পনিক কাহিনী
আসকে খেয়েছে ফোঁড় গণেনিগায়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ানো দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যক্তি
আসর জমানো/মাতানোআসরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা
আসতে যেতে গলা কাটাসকল ব্যবহারেই বঞ্চনা করা
আহ্লাদী পুতুলঅন্যায় আবদারকারী শিশু

ইচ্ছে থাকলে উপায় হয়প্রবল ইচ্ছা থাকলে কঠিন কাজও সম্পন্ন হয়।
ইঁদুর কপালেনিতান্ত মন্দভাগ্য।
ইজাজতসম্মতি 
ইঁচড়ে পাকাবালকবয়সে বড়দের মত আচরণ করে
ইঁদুর কলে পড়ালোভ করতে দিয়ে ফাঁদে পড়া।
ইটের বদলে পাটকেল/ইটের জবাব পাথরে দেওয়াআঘাত করলে প্রত্যাঘাত পেতে হয়/ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া
ইটে নেই, ভিটে নেইঘরদোর চালচুলো কিছুই নেই এমন।
ইতো নষ্টস্ততো ভ্রষ্টসমস্ত কিছুই পণ্ড হওয়া
ইজ্জত-কা- সওয়ালসম্মানের প্রশ্ন জড়িয়ে আছে
ইদের চাঁদঅতি কাঙ্ক্ষিত বস্তু
ইতিকর্তব্যবিমূঢ়উপস্থিত কি করতে হবে তা নির্ণয়ে অসমর্থ
ইনসাফপক্ষপাতহীন
ইন্দ্রজালজাদুবিদ্যা
ইনিয়ে বিনিয়েঅনুনয়-বিনয় করে
ইন্দ্রপুরীঐশ্বর্য্যপূর্ণ বিশাল প্রাসাদ
ইন্দ্রীয়দোষলাম্পট্য।
ইন্দ্রপ্রসাদীবৃষ্টিপাতের উপর নির্ভরশীল।
ইলশেগুড়িগুড়িগুড়ি বৃষ্টি
ইষ্টদেবতাউপাস্য দেবতা।
ইস্পার কি উস্পারচরম নিস্পত্তি

ঈগলস্বভাবহিংস্রপ্রকৃতির
ঈদের চাঁদআকাঙ্ক্ষিত বস্তু।
ঈশানের মেঘ/ ঈশান কোণের মেঘসঙ্কটের পূর্বাভাস।
ঈশ্বরপ্রাপ্তিমৃত্যু; 

উঁচুগাছে ঝড় বেশীবড়কেই সংসারের সব ঝক্কিঝামেলা সামলাতে হয়
উঁচকপালেসৌভাগ্যবান ব্যক্তি
উঁচুগাছেই মই বাঁধাফললাভের আশায় থাকলে যেখানে সম্ভাবনা বেশি সেখানেই উপস্থিত থাকতে হয়।
উঁচকপালীদুর্ভাগা নারী
উঁচু নজরউদার দৃষ্টি।
উকুন বাছাঅকাজ করা।
উঁচু ঘরভাল বংশ
উকিলি বুদ্ধিঅতি চালাকি।
উকুন বাছা২পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসন্ধান করা।
উগ্রমূর্তিসর্বদা মারমুখি।
উকুনের দায়ে মাথা মুড়ানোতুচ্ছবিপদের মারাত্মক আকার ধারণ করা।
উচট খেয়ে প্রণামঅনিচ্ছায় প্রণাম।
উচ্চভাষীরূঢ়ভাষী
উচ্ছিষ্টভোজীপরমুখাপেক্ষী
উজাড় (শূন্য) বনে শিয়ালরাজাযেখানে বাধা দেবার কেউ নেই সেখানে নগণ্য কর্তৃত্ব করে।
উচ্ছের ঝাড়কুখ্যাত বংশ।
উজবুকনির্বোধ
উজানে গুণ টানানিয়ত বাধা ডিঙিয়ে কাজ করা।
উজানের কই/কৈসহজলভ্য বস্তু।
উটকোমুখোকদাকার
উটকপালীকুলক্ষণা নারী
উঠ ছুঁড়ি তোর বিয়ে/ উঠল বাই তো কটক যাইচটজলদি সিদ্ধান্ত
উঠতি বয়সযৌবনের প্রারম্ভ।
উটের কাঁটাভোজঅল্পসুখের জন্য বেশি কষ্ট স্বীকার।
উঠন্তমুলোর পত্তনিতে চেনাকাজের আরম্ভ দেখেই পরিণাম আন্দাজ করা যায়।
উঠান চষাপ্রতিবাদীকে উৎখাত করার জন্য নির্যাতন করা।
উঠে পড়ে লাগাপূর্ণোদ্যমে কাজে লাগা
উঠান পেরুলেই অর্ধেক সফরকাজ শুরু হলেই অর্ধেক কাজ শেষ হয়ে যায়।
উড়নচণ্ডীঅমিতব্যয়ী
উড়ে এসে জুড়ে বসাঅনধিকারীর অধিকার।
উড়নপেকেঅপব্যয়ী।
উড়ো খই গোবিন্দায় নমঃঅনিচ্ছায় সৎকার্য করা।
উড়োচিঠিবেনামী চিঠি
উড়ো কথাগুজব
উৎকপালীকুলক্ষণা
উৎকলিকাকুলঅতিশয় উদ্বিগ্ন
উৎপাতের কড়ি চিৎপাতে যায়অন্যায় পথে অর্জিত অর্থ বাজে কাজে নষ্ট হয়।
উত্তমমধ্যম দেওয়াপ্রচুর প্রহার করা।
উথালপাথালওলট-পালট
উত্তরপুরুষউত্তরাধিকারী
উদর চিরলে ক বেরোয় নামহামূর্খ
উদরপূর্তিপেট ভরে আহার।
উদরসর্বস্বমহাপেটুক।
উধোর পিণ্ডি বুধোর ঘাড়েএকজনের দায়/দোষ অন্য একজনের ঘাড়ে চাপানো।
উনপঞ্চাশ বায়ুপাগলামি।
উনপাঁজুরে বরাখুরেলক্ষ্মীছাড়া।
উনকুটিঅসংখ্যপদের রান্না সম্পূর্ণ।
উনভাতে দুনো বলঅল্প খেলে শরীর ভাল থাকে।
উনপাঁজুরেদুর্বল-চেতা।
উপযাচিকাযে নারী স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে প্রণয় প্রার্থনা করে।
উপরচড়াঅকারণে গায়ে পড়ে ঝগড়া করে এমন।
উপর-নজরকুদৃষ্টি।
উপরমহলসরকারীস্তর।
উপরপড়াঅনধিকার চর্চাকারী।
উপরি আয়ঘুষ।
উপরে চিকণ চাকণ ভিতরে খেড়দেখনদারী।
উপরে ওঠাকর্মস্থলে উন্নতি করা।
উপুড়হস্তউদার।
উপরি খরচঅতিরিক্ত ব্যয়।
উপোসে কেউ নয়, পারণের গোঁসাইকষ্টের সময় কেউ আসে না, ফলভোগের সময় সবাই হাজির।
উলুখাগড়ানিরীহ প্রজা।
উলুবনে মুক্তা ছড়ানোঅস্থানে মহার্ঘবস্তু প্রদান।
উপোসী ছারপোকাঅভাবগ্রস্ত লোক।
উলুবনে কীর্তনঅস্থানে মূল্যবান বস্তু পরিবেশন।
উলুবনে সাঁতার দেওয়াচরম মূর্খামি।
উল্কাপাতবিখ্যাত ব্যক্তির মৃত্যু।
উল্টা বুঝলি রামবিপরীত বুদ্ধিবিশিষ্ট
উলটো ঢেকুরকৌতুকে- বাতকর্ম।
উল্টে চোরা কোতয়ালকে ডাঁটেচোর নিষ্কৃতি লাভের জন্য সাধুকে চোর বল।
উষ্ট্র কণ্টক ভোজন ন্যায়অল্পসুখের জন্য বেশিকষ্ট স্বীকার।
উস্তম পুস্তমউত্যক্ত।
উসকো মাটিতে বিড়াল হাগেদুর্বলের উপর সবল আধিপত্য ফলায়।

ঊনপঞ্চাশ বায়ুপাগলামি।
ঊনকোটি চৌষট্টি দেবতাঅসংখ্য দেবতা।
ঊনপঞ্চাশে পাওয়াপাগল হওয়া।
ঊনকোটি চৌষট্টি ব্যঞ্জন রান্নাআয়োজনের কোন ত্রটি নেই।
ঊনপাঁজুরে বরাখুরেলক্ষ্মীছাড়া।
ঊর্ধ্বদৃষ্টিউদাসীন।
ঊনপাঁজুরেমন্দভাগ্য।
ঊর্ধ্বশ্বাসেতীব্রগতিতে।
ঊর্ধ্বচারীকল্পনাপ্রবণ।

ঋতুরাজবসন্তকাল
ঋণচোরযে কখনো ঋণ শোধ করে না।
ঋতুপর্ণাপাতাঝরা গাছপালা।
ঋণ-ছ্যাচড়াটাকা থাকতেও যে ঋণ শোধ করে না।
ঋণজালদেনার দায়।
ঋষিশ্রাদ্ধঘটা করে শুরু লঘু করে শেষ।

এঁটুলিপোকাগায়ে আঠার মত লেগে থাকা লোক।
এঁচড়ে পাকাফাজিল।
এঁটে দেওয়ালাগিয়ে দেওয়া।
এঁটোকাঁটার বিচারছোঁয়াছুঁয়ির বিচার।
এঁড় দেখানোফাঁকি দেওয়া।
এঁড়েএকরোখা।
এঁড়ে তর্কযুক্তিহীন তর্কবিতর্ক।
এঁড়ে গরুর দুধঅসম্ভব বস্তু।
এঁড়ে তেল দেওয়াচাটুবাক্যে তৃপ্ত করা।
এঁদোঅন্ধকারময়।
এঁড়ে ষণ্ড/ষাঁড়নিন্দায়- একরোখা কান্ডজ্ঞানহীন লোক।
এক আকাশে দুই সূর্যযা সম্ভব নয়।
এক আঁচড়ে বোঝা/ বুঝে নেওয়াএকটুখানি দেখে সব বুঝে ফেলা।
এক আঙুলে তুড়ি লাগে না/তালি বাজে নাদ্বন্দ্বে দু’পক্ষ অবশ্যই থাকা প্রয়োজন।
এক ওয়াকিফহাল সাত একজন পারদর্শী সাতজন শিক্ষানবিশীর সমান।
এক আর একে এগারো হয়সংগঠনে শক্তি বাড়ে।
এক কড়া বুদ্ধি নেই চার কড়ার মেজাজঅবোধের হম্বিতম্বি বেশি।
এককড়াই দুধে একফোঁটা চোনাএকটু দোষে সবগুণ নষ্ট।
এককথায় দু’কথায়আলাপ আলোচনায়
এককলম লিখে দেওয়াস্বীয় বক্তব্য অন্যথা হবে না।
এক কাজের কাজিসমান কার্যকারী।
এককাঠি বাজে নালড়াইয়ে দুইপক্ষ লাগে।
এককানে শোনা আর এক কানে বের করাঅমনোযোগী হওয়া
এককাপড়ে বেরিয়ে পড়াপ্রস্তুতিছাড়া হঠাৎ যাত্রা করা।
একক্ষুরে মাথা কামানো/মুড়ানো/একগাঙের চিলএকগোত্রীয়/সমগোত্রীয়।
একগুঁয়েঅবাধ্য।
একগুরুর শিষ্যএকস্বভাববিশিষ্ট লোক।
একগোয়ালের গরুএকই গুণের গুণী।
একঘাটে জল খাওয়াসহাবস্থান করা।
একচিমটি নুন দিয়ে গ্রহণ করাচোখবুজে মেনে না নেওয়া।
একচোখাএকরোখা।
একছাতার তলে বাসএক স্বভাবের লোক।
একঢিলে দুইপাখি মারাএকসাথে দুই কাজ সমাধা করা।
একতাই বলসংগঠনে শক্তি বাড়ে।
একপয়সা মা-বাপঅতিকৃপণ।
এক পা কবরেমৃত্যু আসন্ন।
একাদশে বৃহস্পতিঅত্যন্ত শুভ বা উন্নতির সময়।(১৯তম বিসিএস)
একপায়ে খাড়াঅত্যন্ত আগ্রহী।
একমাঘে শীত যায় নাবিপদ একবারে শেষ হয় না।
একমুখে দুই কথাকথার ঠিক নেই।
একমুরগি দুবার জবাইএকই জিনিসকে দুই কাজে লাগানো।
একযাত্রায় পৃথক ফলঅভিন্নকাজের ফল কারোক্ষেত্রে ভাল কারোক্ষেত্র মন্দ।
একা ঘরের গিন্নিপূর্ণকর্তৃত্ব।
একলাঠিতে সাতসাপ মারাএক উপায়ে অনেক কাজ হাসিল করা।
একান্নবর্তী পরিবারযৌথপরিবার।
একা রামে রক্ষা নাই তায় সুগ্রীব দোসরদুর্ভোগের উপর দুর্ভোগ।
একুনেমোটহিসাবে।
একূল ওকূল দুকূল যাওয়া/হারানোসবহারানোর ব্যাথা।
এগুলে রাম পিছুলে রাবণউভয়সঙ্কট।
এড়া কাজে বেড়াজটিলকাজে বিপত্তি লেগেই থাকে।
এড়ে দিয়ে তেড়ে ধরাছেড়ে দেওয়া সুযোগ ফিরে পাওয়ার নিস্ফল প্রচেষ্টা।
এলাহিকাণ্ডবিরাট আয়োজন।
এ্যাড ইনটেরিমঅন্তর্বর্তীকালীন।
এলোপাথাড়িক্রমাগত।

ওগরানো/ওগলানোবমন করা।
ওজন বুঝে চলাআত্মসম্মান বজায় রাখা।
ওজনদারগুরুত্বপূর্ণ।
ওঝার ঘাড়ে ভূতের বোঝাউদ্ধারকারী নিজেই বিপদসঙ্কটে।
ওঠ ছুঁড়ি তোর বিয়েপ্রস্তুতির আগেই হঠাৎ কোনো কাজ করার আহ্বান।
ওত পাতাকিছু করার জন্য সুযোগের অপেক্ষায় থাকা।
ওয়াকিবহালঅবস্থাভিজ্ঞ।
ওয়ারিশউত্তরাধিকার।
ওষুধ করাবশ করা ।
ওষুধ পড়াসঠিক ব্যবস্থা নেওয়া।
ওষ্টাগত প্রাণঅতিষ্ঠ।

ঔষধ করা১চিকিৎসা করা
ঔষধ করা২প্রতিকার করা
ঔষধ ধরা১চক্রান্ত বাপ

১৭ হাজারেই 8GB/ 256GB স্টেরেজের দূর্দান্ত Tecno Spark 20

0

টেকনো মোবাইল বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে তার সর্বশেষ স্মার্টফোন Tecno Spark 20 লঞ্চ করেছে। গ্রাহকদের সাধ্যের মধ্যে সেরা সব ফিচার নিয়ে বাংলাদেশের Tecno Spark 20 লঞ্চ হলেও, গ্লোবালি Spark 20 সিরিজের মোট চারটি স্মার্টফোন লঞ্চ হয়েছে (Spark 20,Spark 20C, Spark 20 pro,Spark 20 pro+)। Tecno Spark 20 ফোনটিতে আপনি পাচ্ছেন ৮ জিবি রেম এবং ২৫৬ জিবি ফোন মেমোরি। ফোনটির দাম ১৬,৯৯৯ টাকা নির্ধারণ করেছে। 

ফোনটিতে থাকছে হাই রিফ্রেশরেট, উচ্চ ক্ষমতার প্রসেসর, বেশি মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা, অনেক স্টোরেজ, বিশাল ব্যাটারির সাথে ফাস্ট চার্জিং এর সাপোর্ট। 

ফোনটিতে আরো রয়েছে ৬.৫৬ ইঞ্চি সাইজের ডিসপ্লে, ১৬ মিলিয়ন কালার সাপোর্টেড আইপিএস এলসিডি ডিসপ্লে। ৭২০×১৬১২ পিক্সেল রেজুলেশনের একটি প্যানেল যার পিপিআই বা পিক্সেল পার ইঞ্চ হল ২৬৭ এবং ডিসপ্লে প্যানেলটির রিফ্রেশ রেট থাকছে ৯০ হার্জ। তাছাড়াও ডিসপ্লেটিতে রয়েছে ডাইনামিক আইসল্যান্ড ফিচার। বিভিন্ন নোটিফিকেশন সময়  বিভিন্ন লুকের সাথে আপনার সামনে উপস্থিত হবে।

স্মার্টফোনটির অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে রয়েছে android 13। কাস্টম ইউ আই হিসেবে রয়েছে HiOS সাপোর্ট। ফোনটির প্রসেসিং ইউনিট বা প্রসেসর হিসেবে রয়েছে Mediatek MT6769Z Helio G85 (12nm)। প্রসেসরটিতে রয়েছে সর্বোচ্চ অক্টোবর 2.0 GHz এর ক্লক স্পিড, এর ফলে ইউজার এক্সপেরিয়েন্স হবে দুর্দান্ত।

ফোনটির পিছনের মেইন ক্যামেরা ৫০ মেগাপিক্সেল, ১.৬ (ওয়াইট) লেন্স। সেলফি ক্যামেরা হিসেবে ৩২ মেগাপিক্সেলের মেইন ক্যামেরা পাচ্ছেন এর সাথে ২.২ মেগাপিক্সেলের (ওয়াইট) লেন্সটি থাকছে। 

ফোনটিতে আরো পাচ্ছেন ৫০০০ এমএএইচ লিথিয়াম পলিমার ব্যাটারি এবং ১৮ হোয়াট ফাস্ট চার্জিং। 

ডিভাইসটিতে রয়েছে ডুয়েল সিম (ন্যানো সিম ডুয়েল স্ট্যান্ডবাই), ফোনটিতে টুজি থ্রিজি এবং ফোরজি নেটওয়ার্ক সাপোর্ট করবে এবং অন্যান্য ফিচার এর মধ্যে রয়েছে ও ওয়াই ফাই ৮০২.১১ এ/বি/জি/এন/এ ছি, ব্লুটুথ, জিপিএস, এফএম রেডিও, ইউএসবি টাইপ সি ২.০, ওটিজি, সুপার ভলিউম ৪০০% এর সাপোর্ট।

এক নজরে দেখে নেই এর স্পেসিফিকেশন: 

উন্মোচিত১ ই, ডিসেম্বর, ২০২৩ 
সর্বশেষ সংষ্করণ১১ ই, জানুয়ারি, ২০২৪ 
নেটওয়ার্ক জিএসএম/এইচ এস পি এ/এল টি ই/5G 
২ জিজি এস এম ৮৫০ / ৯০০ / ১৮০০ / ১৯০০ – সিম ১ এবং সিম ২
৩ জিএইচ এস ডি পি এ ৮৫০ / ৯০০ / ২১০০ 
৪ জিলাইট
গতিএইচ এস পি এ ৪২.২/৫.৭৬ এম বি পি এস, এল টি ই ক্যাট ৪ ১৫০/৫০ এম বি পি এস 
আকার১৬৩.৭ x ৭৫.৬ x৮.৫ মি মি (৬.৪৪ x ২.৯৮ x ০.৩৩ ইঞ্চি )
ওজন————–
সিমDual SIM (Nano-SIM, dual stand-by)
ডিসপ্লেধরণ:  IPS LCD capacitive touchscreen, ১৬ মিলিয়ন কালার, 90Hzমাপ: ৬.৬ ইঞ্চি, ১০৪.৬ সেমি২ (~৮৪.৬% স্ক্রিন-টু-বডি অনুপাত)রেজুলেশন: ৭২০ x ১৬১২ পিক্সেল, ২০:৯ অনুপাত (~২৬৭ ppi ঘনত্ব)
অপারেটিং সিস্টেমঅপারেটিং সফটওয়ার:  Android 13চিপসেট: মিডিয়াটেক এম টি ৬৭৬৯z হিলিও জি৮৫ (১২এনএম)প্রসেসর: অক্টাকোর (2×2.0 GHz Cortex-A75 & 6×1.8 GHz Cortex-A55) জিপিইউ: Mali-G52 MC2 
মেমরিকার্ড স্লট: microSDঅভ্যন্তরিন: ২৫৬ জিবি
সিকিউরিটি সিস্টেমside-mounted Fingerprint, accelerometer, proximity, compass
র‌্যাম৮ জিবি
রেডিওহ্যাঁ 
ক্যামেরাপিছনে: ৫০ মেগাপিক্সেল, f/১.৬, (wide), ০.৬৪µm, PDAF, ০.০৮ মেগাপিক্সেল (auxiliary lens) ভিডিও: ১৪৪০ p@৩০fps, ১০৮০ p@৩০fps
সেলফি: ৩২ মেগাপিক্সেল, f/২.২ মেগাপিক্সেল (wide)ভিডিও: ১০৮০ p@৩০fps
ব্যাটারি৫০০০ এমএএইচ, ফাস্ট চার্জিং ১৮ ওয়াট, Non-removable Li-Po
সাউন্ডলাউড স্পিকার৩.৫ মিমি জ্যাক 
অন্যান্যWi-Fi 802.11 a/b/g/n/ac, dual-band, 5.2, A2DP, LE, A2DP, USB Type-C, OTG  
মডেল মূল্যTecno Spark 20৳১৬,৯৯৯
প্রস্তুতকারকচীন
কালারগ্র্যাভিটি ব্ল্যাক, সাইবার হোয়াইট, নিয়ন গোল্ড। 

Tecno Spark 20 ফোনটি ২০২৪ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশের বাজারে অফিশিয়ালি লঞ্চ করে। বাংলাদেশের বাজারে বর্তমানে ৮ জিবি ২৫৬ জিবি ভেরিয়েন্ট টি ১৬৯৯৯ টাকা মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে। 

এই প্রাইস সেগমেন্টে বর্তমানে বাংলাদেশের সেরা ফোন বলতেই পারেন Tecno Spark 20 ফোনটিকে। আপনার সাধ্যের মধ্যে সেরা ফোন হতে পারে এটি।